Rain – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 31 Mar 2019 13:44:06 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Rain – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাজ্যে কিছুক্ষণের মধ্যে আছড়ে পড়তে চলেছে ঝড় বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর https://thenewsbangla.com/rain-storm-storms-in-bengal-at-night-says-alipur-weather-office/ Sun, 31 Mar 2019 13:44:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9583 রাজ্যে কিছুক্ষণের মধ্যে আছড়ে পড়তে চলেছে ঝড় বৃষ্টি, জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রাত ৮-৯ টার মধ্যেই কলকাতা সহ রাজ্যে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। ঘণ্টায় ৪৫ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ এর ৭ জেলায় ঝড় বৃষ্টি হবে বলে জানান হয়েছে। বজ্র বিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা।

আবারও ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, যার জেরে রাতের মধ্যেই আকাশের মুখ ভার হতে শুরু হবে কলকাতা সহ দক্ষিনবঙ্গে। বজ্র বিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা আর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই। ঘণ্টায় ৪৫-৫০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। বেশ কয়েক ঘণ্টা ঝড় বৃষ্টি চলবে বলে জানান হয়েছে। তবে কলকাতায় হালকা বৃষ্টি হবে। দক্ষিণবঙ্গ এর ৭ জেলায় ভালোরকম বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহ ধরেই রাজ্যের আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হবার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে দক্ষিনবঙ্গ সহ বাংলাদেশের ওপরে তৈরি হয়েছে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয়। যার জেরে আগামী কয়েকদিনে একাধিকবার টানা কালবৈশাখী আঘাত হানতে পারে রাজ্যে এই সপ্তাহে।

রবিবার রাতেই কালবৈশাখীর তান্ডব প্রত্যক্ষ করতে পারে কলকাতা গোটা দক্ষিণবঙ্গ। কয়েকদিন আগেই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার সহ উত্তরবঙ্গে ঝড়ের তান্ডবে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাস্তার রাস্তায় ভেঙে পড়ে অসখ্য গাছ। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ভাঙে একাধিক কাঁচাবাড়ি। বৃষ্টি হয় দুই দিনাজপুর, মালদহেও। এবার দক্ষিনবঙ্গে ঝড় বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা।

কলকাতা সহ দক্ষিনবঙ্গে সৃষ্ট বৃষ্টিবলয়ের জেরে ঘন্টায় ৪৫-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। আজ রাতেই আছড়ে পড়তে পারে কালবৈশাখী এবং ৩১শে মার্চ থেকে আগামী ৫ই এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই দফায় দফায় রাজ্যে বৃষ্টিপাত চলবে, বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।

গত ১৭ই মার্চ ও ২২শে মার্চ পরপর দুবার কালবৈশাখী প্রত্যক্ষ করেছে কলকাতা। তাতে প্রানহানির খবরও এসেছিল। গত ফেব্রুয়ারিতেও একই সাথে জোড়া কালবৈশাখী প্রত্যক্ষ করেছিল কলকাতা সহ দক্ষিনবঙ্গ। আর এবার এক সপ্তাহ আবারও টানা দুর্যোগের মুখোমুখি হতে চলেছে রাজ্য।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ফের চারদিন ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা বাংলায় https://thenewsbangla.com/heavy-rain-with-thunderstorm-in-bengal-from-thursday/ Thu, 14 Mar 2019 09:56:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8395 কলকাতা সহ দক্ষিনবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা আছে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। গত মঙ্গলবার থেকে হঠাৎ শহরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায়, সমস্যায় পরেছে সাধারন মানুষ। বসন্তকালে এত তাপমাত্রা হলে, গ্রীষ্মকালে কি হবে, তা ভেবেই মাথায় হাত পড়েছিল শহরের মানুষের। আজ সেই ভাবনার উত্তরে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকা জুড়ে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা আছে আগামি চারদিন।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তেরের সুত্রে খবর, ভারতের পশ্চিম দিকে তৈরি হয়েছে এক নিম্নচাপ। সেই নিম্নচাপের কারনেই বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমবাংলার কিছু অংশে। বৃহস্পতিবার থেকেই সারা বাংলার আকাশ মেঘলা থাকবে সে কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক।

বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টির সম্ভাবনা, কলকাতা ছাড়াও বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর ও বর্ধমান জেলায়। হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে এই জেলাগুলোতে।

বুধবার শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, যা সাধারন তাপমাত্রার থেকে ৩ ডিগ্রী বেশি। নিম্নচাপের কারনে তাপমাত্রা ওঠা নামা করবে বলেও জানা গেছে। বৃষ্টি হবার ফলে, সাধারন মানুষ উচ্চ তাপমাত্রা থেকে বাঁচলেও বৃষ্টির শেষে আবার গরম বাড়বে।

কলকাতা সহ আশেপাশের জেলাগুলোতে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৩৫ ছুঁয়েছে। বৃষ্টি না হলে বসন্ত শেষ হওয়ার আগেই মানুষ গ্রীষ্মকালের মত গরম অনুভাব করবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সুত্রে খবর, বৃষ্টি হলেও বাংলার মানুষের অস্বস্তি কমবে না। শহরের আদ্রতা থাকবে তুঙ্গে, তাই ঘাম হবে।

ইতিমধ্যেই বসন্তে হওয়া ভারী বৃষ্টির কারনে বেশ ক্ষতি হয়েছে আলু এবং বেশ কিছু সব্জির। আবারও বৃষ্টি হলে কতটা ক্ষতি হবে চাষবাসের তা নিয়েও বেশ চিন্তিত চাষিরা।

অন্যদিকে, আসন্ন লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গেছে। আগামি এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বেশ কিছু জনপ্রিয় মুখ। মিমি এবং নুসরাতের মত অভিনেত্রীরা ভোটে দাঁড়িয়ে, প্রচারে নেমেছেন বৃহস্পতিবার থেকেই। এরপর দেখার, বৃষ্টির মধ্যে কি ভাবে এগোবে ভোট প্রচার।

তবে আপাতত বৃষ্টির জেরে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে বাংলার মানুষ। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রাজনীতির উত্তাপে এই বৃষ্টি মানুষকে কতটা ঠাণ্ডা করে সেটাই দেখার।

]]>
দিক বদলে বাংলায় ঢুকছে তিতলি, দুর্গাপুজোয় আশঙ্কার ছায়া https://thenewsbangla.com/cyclone-titali-is-on-the-way-to-bengal-feared-rain-in-durga-puja/ Thu, 11 Oct 2018 10:41:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1039 নিজস্ব সংবাদদাতা : তিতলি, এই নামটাই এখন দুর্গা পুজোর মুখে মানুষের চিন্তার কারন। পুজোর আনন্দ মাটি করে দেবে না তো ? তবে, কিছুটা হলেও আশ্বস্ত করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে খুব বেশি হলে আর ২ দিন বৃষ্টি হবে। ষষ্ঠীর অনেক আগেই সব দুর্যোগ কেটে যাবে বলেই প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

প্রাথমিকভাবে দেখা গিয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় তিতলির অভিমুখ রয়েছে উত্তর-পশ্চিম দিকে। উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড় তিতলি অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে বলে জানিয়েছিলেন আবহাওয়াবিদরা। কিন্তু, গত কয়েক ঘণ্টায় আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে তিতলি। যার ফলে আবহাওয়াবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। মনে করা হচ্ছে, এভাবে অগ্রসর হলে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলেই আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। সেক্ষেত্রে অপেক্ষা রয়েছে প্রবল দুর্যোগ। ঝড় বৃষ্টির কারণে মাটি হতে চলেছে পুজোর ঠিক আগে পুজোর কেনাকাটা।

ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের পর তিতলির প্রধান অভিমুখ এবার বাংলা। হঠাৎ গতিপথ পরিবর্তন করে বাংলা উপকূলের দিকেই আসছে তিতলি। ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি হয়েছে দিঘা, শংকরপুর, মন্দারমনি সহ বাংলা উপকূলে। আগামী কয়েক দিনেও হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। তবে, তিতলি ধীরে ধীরে শক্তি হারিয়ে দুর্বল হচ্ছে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

ঝড় বৃষ্টি কতদিন চলবে সেটাই এখন মানুষের বড় প্রশ্ন। পুজোর বাজার, পুজোর কেনাকেটাতে তো সমস্যা হবেই। কিন্তু, পুজোর কদিন ঠাকুর দেখতে বেরোব কিভাবে সেটাও বড় প্রশ্ন মানুষের। এমনিতেই, পুজোর আয়োজকরা পড়েছেন সমস্যায়। শেষ মুহূর্তের কাজের সময় বৃষ্টি এতটা সমস্যায় ফেলবে ভাবেন নি উদ্যোক্তারা।

এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে বৃহস্পতিবার ভোরেই শক্তিশালী তিতলি ঝড় আছড়ে পড়েছে ৷ ওড়িশা উপকূলের গঞ্জাম জেলার গোপালপুরে ও অন্ধ্র উপকূলের পালসায় ভয়ঙ্কর ঘূর্ণীঝড় আছড়ে পড়ে৷ সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১৩০-১৪০ কিমি বেগে ঝড় শুরু হয়েছে। দুই রাজ্য উপকূল থেকে প্রায় ১০,০০০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভবপর হয়েছে এখনও পর্যন্ত।

ইতিমধেই বঙ্গোপসাগরের উত্তর ভাগ ও ওড়িশার দক্ষিণ উপকূলে সবচেয়ে তীব্র হয়েছে তিতলির আক্রমণ। অন্যদিকে, ওড়িশার দক্ষিণ উপকূলে এর তীব্রতা রয়েছে ১২০-১৩০ কিলোমিটার মতো। তবে, তিতলি ধীরে ধীরে শক্তি হারিয়ে দুর্বল হচ্ছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

বাংলা উপকূলের দিকে অভিমুখ পরিবর্তন করায় বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তিতলির জেরে কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৷ জানিয়েছে, আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

উপগ্রহ চিত্র পর্যবেক্ষণ করে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই আরও শক্তি বাড়িয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’। শেষ কয়েক ঘণ্টায় উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে এই অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আর এর ফলে জোরালো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে তিতলির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে এখবর জানা গেছে।

পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি আর বাড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর ঝড়ের দাপট থাকবে কম। ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। ইতিমধ্যেই দিঘা সহ সব উপকূলেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে পর্যটকদের। সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদেরও। মাইকিং করে সতর্কতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

তবে সব ঝড় বৃষ্টি, ষষ্ঠীর আগে থেমে যাবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। যদিও সেটা খুব একটা আশ্বস্ত করছে না বাঙালিদের। পুজোতেও তিতলির প্রভাবে বৃষ্টি হবে, এটাই আশঙ্কায় রেখেছে পুজো উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে আপামর বাঙালিকে।

]]>