PM – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 13 May 2019 10:46:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg PM – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মোদীর জন্য সংসার ভাঙার ভয় পাচ্ছেন বিজেপি নেতার স্ত্রীরা, দাবি মায়াবতীর https://thenewsbangla.com/modi-mayawati-bjp-bsp-leader-women-fear-husband-leave-meeting-pm/ Mon, 13 May 2019 10:11:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12868 লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের একে অপরকে করা ব্যক্তিগত আক্রমণের পারদ ক্রমে চড়েই যাচ্ছে; সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিম মায়াবতী; আলওয়ার গ্যাংরেপের মামলা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন তিনি।

মোদীকে আক্রমণ করতে গিয়ে নিম্নরুচির বক্তব্য রাখেন মায়াবতী; একটি সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মায়াবতী প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন; মোদীজী সব জনসভায় জনগনকে ভাই ও বোন বলে সম্বোধন করেন; কিন্তু তিনি নিজের বউকেই দেখেন না।

আরও পড়ুনঃ গডসে স্বাধীন ভারতের প্রথম হিন্দু সন্ত্রাসবাদী, বললেন কমল হাসান

এরপরেই নিম্নরুচির প্রকাশ ঘটান মায়াবতী। তিনি বলেন; তিনি অনেকের কাছেই শুনেছেন যে; বিজেপি নেতার স্ত্রীরা ভয় পাচ্ছেন কারণ যে কোনও মুহূর্তে মোদীর প্রভাবে দলের অন্যান্য নেতারাও তাঁদের স্ত্রীকে ছেড়ে যেতে পারেন; দেশের মহিলাদের তাই মোদীকে ভোট না দিতে অনুরোধ করেন মায়াবতী।

দলিতদের জন্য নরেন্দ্র মোদী কিছুই করেননি; যেটুকু ভালবাসা দেখিয়েছেন দলিতদের প্রতি তাঁর সবটাই লোকদেখানো বলে মন্তব্য করেন মায়াবতী; তিনি আরও বলেন মোদী যতই চেষ্টা করুক দলিতদের মন পেতে দলিতরা রোহিথ ভেমুলা ও উনা ঘটনাগুলো ভুলে যায়নি।

আরও পড়ুনঃ দাবিদাওয়া না মেটায় সোনাগাছির ভোট এবার যাবে নোটা বোতামে

এদিন নরেন্দ্র মোদীর জাত নিয়েও কটাক্ষ করেন মায়াবতী; অবশ্য এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর জাত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন মায়াবতী; দলিতদের ধোঁকা দিতেই অনৈতিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রী নিম্নবর্গের মানুষ সেজেছেন প্রধানমন্ত্রী; এমনই বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন মায়াবতী।

মায়াবতী বলেছিলেন; নরেন্দ্র মোদী আসলে উচ্চবর্গের মধ্যে পড়েন; অখিলেশ এবং মূলায়ম সিংয়ের মতই মোদীও উচ্চবর্গের ঘরে জন্ম নিয়েছেন; কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে দলিতদের ব্যবহার করতেই তিনি নিজেকে নিম্নবর্গের বলে পরিচয় দেন বলে জানিয়েছিলেন মায়াবতী।

আরও পড়ুনঃ এক কোটি টাকা সহ আসানসোলে গ্রেফতার দিলীপ ঘোষের আপ্ত সহায়ক

যদিও মায়াবতীর এই দাবি মিথ্যা প্রমানিত হয়। নরেন্দ্র মোদী মোধ ঘাঞ্চি জাতের মধ্যে পড়েন; যাদের মন্ডল কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৯৪ সালে ওবিসির আওতাভুক্ত করা হয়। এদিন প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন ব্যর্থতা তুলে ধরে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন মায়াবতী।

]]>
রামমন্দির তৈরি করতে না পারায় মোদীকে তোপ মমতার https://thenewsbangla.com/cm-mamata-banerjee-attacks-pm-modi-for-unable-to-make-ram-mandir/ Tue, 07 May 2019 13:07:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12546 ভোটের শেষ মুহূর্তে রাম নিয়ে জমজমাট বাংলার রাজনীতি; এতদিন উত্তর ভারতসহ গোবলয়ে রাম রাজনীতি সীমাবদ্ধ থাকলেও বিগত ৫ বছরে তা গোবলয়ের সীমা অতিক্রম করে বাংলায় ঢুকে পড়েছে; আর ভোটের মধ্যে রাম রাজনীতি যেন আরও বেশিমাত্রায় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে; মোদী মমতা তরজাতেও চলছে রামকে নিয়ে টানাটানি।

সোমবার ঝাড়্গ্রাম ও হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জোড়া জনসভা অনুষ্ঠিত হয়; ঝাড়গ্রামের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন; এই রাজ্যে কেউ জয় শ্রী রাম বললেই তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন; রাম তাঁর শিরায় শিরায় রয়েছেন; রামই তাঁর অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুনঃ ফনী দুর্গতদের সাহায্যে ১ কোটি টাকা দান করলেন অক্ষয় কুমার

মোদীর রামভক্তির কড়া সমালোচনা করে সোমবার জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী; বিষ্ণুপুরে একটি নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন; বিজেপি মন্দির নিয়ে এতো হইচই করেও রামমন্দির তৈরি করতে পারেনি; ৫ বছরে মোদী একটি মন্দির বানাতে পারলেন না বলে তোপ দাগেন তিনি।

এদিকে রাজ্যের তারাপীঠ; দক্ষিনেশ্বর; কালীঘাট মন্দিরের উন্নয়নের জন্য অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছেন বলে জানান; প্রসঙ্গত শনিবার চন্দ্রকোনা হয়ে মুখ্যমন্ত্রী একটি রোড শোতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় চন্দ্রকোনার রাধাবল্লভপুরে জয় শ্রী রাম ধ্বনি দিতে থাকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ মহরম ঈদে বিদ্যুৎ দিলেও, হোলি দিওয়ালিতে দিত না আগের সরকার, মন্তব্য আদিত্যনাথের

মুখ্যমন্ত্রীর এরপরেই গাড়ি থেকে নেমে পড়েন; তৎক্ষনাৎ শ্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা পালাতে শুরু করে; মুখ্যমন্ত্রী জোর গলায় তাদের বলেন, ” কি রে, পালাচ্ছিস কোথায়? সব হরিদাসের দল”। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন; তাকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তি করে বিজেপি কর্মীরা। এরপরই পুলিশকে তৎপর হতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রেফতার করা হয় ৩ বিজেপি কর্মীকে।

এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা শুরু হয় দেশ জুড়ে; শুধুমাত্র জয় শ্রী রাম বলার কারনে গ্রেফতার করে মুখ্যমন্ত্রী স্বৈরাচারী ও অগনতান্ত্রিক মনোভাবের প্রকাশ করেছেন বলে অনেকে মন্তব্য করেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, এমন অভিযোগও তোলা হয়।

]]>
প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা বেশি, দাবি মমতার https://thenewsbangla.com/cm-is-more-powerful-than-pm-claims-mamata-banerjee-at-east-midnapur/ Sun, 28 Apr 2019 13:10:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11847 প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা অনেক বেশি। অন্য কেউ নয়। এই দাবী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর। মোদীর চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতা তাঁর, পূর্ব মেদিনীপুরে দাবি মমতার আর এই দাবী নিয়েই বিরোধী থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর তর্ক বিতর্ক।

বাংলায় সূর্যের উত্তাপের সঙ্গে রাজনৈতিক তাপ উত্তাপ ক্রমবর্ধমান। তর্ক বিতর্ক থেকে রাজনৈতিক বাকবিতণ্ডার বিরাম নেই। মাঝে মাঝেই কম বেশি সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই কখনও বেফাঁস, বিতর্কিত আবার অযৌক্তিক মন্তব্য করে বসছেন। ঠিক তেমনই আজ পূর্ব মেদিনীপুরে একটি নির্বাচনী সভায় বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতার তোষণ নীতির জন্য বাংলায় আসছে ভয়ঙ্কর ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাপে নেউলে সম্পর্ক কারও অজানা নয়। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হবার পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া বাক্যবাণে প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্ধ করতেও ছাড়েননি তিনি। রবিবার প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলে বসেন, প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা অনেক বেশি।

পূর্ব মেদিনীপুরের হেড়িয়ায় এক নির্বাচনী প্রচারে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই। প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রধান, আর মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রধান। স্বাধীনতার আগে রাজ্যের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী বলা হত বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা অনেক বেশি। প্রধানমন্ত্রী অর্থ, বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব দেখেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীকে অর্থ থেকে কৃষি সব বিভাগেই নজর রাখতে হয়।

আরও পড়ুনঃ সোমবার বাংলার ৮ টি আসনে ভোট, দেখে নিন একনজরে ৮ কেন্দ্রে ভোটের কিছু তথ্য

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যের পরেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। কার ক্ষমতা বেশি। সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেছে মমতার এই বক্তব্য ও মন্তব্য। তৈরি হয়ে গেছে মিমস। সেখানেও রসিকতা। কার ক্ষমতা বেশি।

কার ক্ষমতা বেশি? ভোটের মধ্যেই এই বিতর্কে হাস্যরসে মজেছেন আপামর বাঙালি। পাড়ায় চায়ের দোকান থেকে ট্রেন বাসে জোর চর্চা। মুখ্যমন্ত্রী বনাম প্রধানমন্ত্রী। এতদিন বাংলার পুলিশ বনাম সিবিআই, কখনও বা বাংলার পুলিশ বনাম কেন্দ্রীয় পুলিশ লড়াই দেখেছে বাংলা।

আরও পড়ুনঃ বউয়ের খোঁজ রাখেন না, দেশের মানুষের খোঁজ কি করে রাখবেন, মোদীকে খোঁটা মমতার

কলকাতার প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমারের বাড়ি তল্লাশি ইস্যুতে সিবিআই বনাম কলকাতা পুলিশ লড়াই দেখেছে বাংলা। সেখানে কলকাতা পুলিশ এর হয়ে সিবিআই এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।

আর রবিবার নিজেই প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও নিজেকে বেশি ক্ষমতাবান ঘোষণা করে এই যুদ্ধে আরও ইন্ধন যোগালেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আপাতত ভোটের শেষ পর্যন্ত এই মুখ্যমন্ত্রী বনাম প্রধানমন্ত্রী লড়াই চলবে।

]]>
দুই কর্তাকে ছুটিতে পাঠিয়ে সিবিআইয়ে হাল ফেরানোর চেষ্টা মোদীর https://thenewsbangla.com/narendra-modi-attempt-to-reinstate-cbi-to-send-two-officers-into-holiday/ Wed, 24 Oct 2018 10:13:29 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1407 নিউ দিল্লি: সিবিআই-য়ের মধ্যে ঝামেলা মেটাতে এবার হস্তক্ষেপ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল সিবিআই-এর ডিরেক্টর অলোক বর্মাকে। একইসঙ্গে ছুটিতে পাঠানো হল স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানাকেও। সরকারি তরফে নির্দেশিকা দিয়ে এম নাগেশ্বর রাওকে অন্তবর্তীকালীন ডিরেক্টর নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি ইতিমধ্যে কাজে যোগও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

আইপিএস নাগেশ্বর রাও সিবিআই-এর জয়েন্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজও করেছেন। সরকারি নির্দেশ নামায় বলা হয়েছে, তিনি সিবিআই-এর ডিরেক্টরের কাজ সামলাবেন। একইসঙ্গে ২ জয়েন্ট ডিরেক্টরকেও সরানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

ডিরেক্টর অলোক বর্মা এবং রাকেশ আস্থানার গণ্ডগোল গড়ায় দিল্লি হাইকোর্টে। মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট সিবিআইকে রাকেশ আস্থানার বিষয়ে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত স্থিতবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। শুনানি চলাকালীন সিবিআই-এর তরফে তোলাবাজি ও জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের করা হয় রাকেশ আস্থানা এবং দেবেন্দ্র সিং-য়ের বিরুদ্ধে। দেবেন্দ্র সিংকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ আনেন অলোক বর্মা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিবিআই-এর সদর দফতরের কয়েকটি তলা সিল করে দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি। দফতরে কাউকে ঢুকতে কিংবা বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না।

বর্তমানে, ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই কার্যত এক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যা নরেন্দ্র মোদীর এনডিএ সরকারের জন্য বেশ বিব্রতকর। সংস্থার শীর্ষ দুই কর্মকর্তার মধ্যে প্রকাশ্য লড়াই শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধেই ঘুষ গ্রহণের মামলা করেছে সিবিআই। অর্থাৎ সিবিআই-য়ের বিরুদ্ধেই ঘুষ নেবার অভিযোগ সিবিআই-য়ের।

ওদিকে রাকেশ আস্থানাও অভিযোগ তুলেছেন সিবিআই ডাইরেক্টর অলোক বর্মার বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, তাকে তাড়ানোর চেষ্টা করছেন অলোক বর্মা। সরকারের কাছে তিনি লিখিত বিবৃতিও দিয়েছেন। তাতে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যে এফআইআর করা হয়েছে। একটি ঘুষ গ্রহণ মামলায় সংস্থাটি স্পেশাল ডাইরেক্টর রাকেশ আস্থানা’র নাম উল্লেখ করেছে।

সিবিআইয়ের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতিতে জড়িত থাকার তদন্ত করছে। আবার এ টিমেরও প্রধান তিনি। অভিযোগ আছে, মাংস ব্যবসায়ী মইন কুরেশির কাছে ঘুষ দাবি করেছেন তিনি ও অন্যরা। শুধু তা-ই নয়। তাদের কাছ থেকে তারা ঘুষ নিয়েছেনও।

তবে এই তদন্তের আগে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)কে এ বিষয়ে অবহিত করেছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। তারা জানিয়ে দিয়েছে যে, আস্থানার বিরুদ্ধে ৬টি দুর্নীতির মামলায় তদন্ত করছে তারা। গোয়েন্দা এজেন্সি আরো দাবি করেছে, সিবিআই ডাইরেক্টর অলোক বর্মার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছিলেন আস্থানা।

একই সঙ্গে তিনি সিভিসি’তে অলোক বর্মার বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ পাঠিয়ে কর্মকর্তাদের ভীতি প্রদর্শন করছিলেন, বলেও অভিযোগ আনা হয়। দুবাইয়ের বাসিন্দা ‘ঘুষের’ মধ্যস্থতাকারী মনোজ প্রসাদকে গ্রেপ্তারের পর রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বলেই জানিয়েছে সিবিআই।

২০১৪ সালে আয়কর বিভাগ, মইন কুরেশির বাড়ি ও দফতর ঘেরাও করে তল্লাশি করে। তিনি সিবিআইয়ের প্রাক্তন পরিচালক এ পি সিংয়ের কাছে যেসব এসএমএস পাঠিয়েছিলেন তাকে কেন্দ্র করে এ পি সিং ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিসেস কমিশনের একজন সদস্য হিসেবে পদত্যাগ করেন।

২০১৭ সালে এই নিয়ে একটি মামলা করে সিবিআই। রাকেশ আস্থানা যতগুলো মামলা নিজের হাতে নিয়েছিলেন। তার একটি এটি। এ মামলার অভিযোগকারী সানা সতীশ ৪ঠা অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রাকেশ আস্থানার নাম প্রকাশ করেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, আরও অধিক অর্থ দেয়ার জন্য তাকে হয়রান করছিলেন সিবিআইয়ের কর্মকর্তারা। সতীশ আদালতে বলেন, তিনি কীভাবে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ১০ মাস সময়ে ৩ কোটি টাকা দেন সিবিআইয়ের মামলা থেকে দূরে থাকার জন্য।

দুই সিবিআই কর্তার ঝগড়া ও মামলায় গোটা দেশে মুখ পুড়েছে সিবিআই-য়ের। দেশের অন্যতম প্রধান গোয়েন্দা দফতর আজ সাধারণ মানুষের হাসির খোরাক। দুজনকেই সাময়িক ছুটিতে পাঠিয়ে আপাততঃ সেই ঝগড়া চাপা দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এর মধ্যেই সিবিআই মানুষের যে বিশ্বাস হারিয়েছে তা কি ফিরে আসবে ? প্রশ্ন কিন্তু উঠেছে।

]]>