Parliament Election – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 05 Apr 2019 12:24:29 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Parliament Election – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 চিত্র পরিচালক ও লেখকদের পর ঘৃণার রাজনীতি নিয়ে সরব দেশের সেরা বিজ্ঞানীরা https://thenewsbangla.com/indian-scientists-appeal-to-the-people-to-vote-wisely-in-parliament-election/ Thu, 04 Apr 2019 16:30:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10016 লোকসভা ভোট ও ঘৃণার রাজনীতি নিয়ে এবার আমজনতার কাছে মুখ খুললেন দেশের বিজ্ঞানীরাও। ১০০ জন চিত্র পরিচালক ও প্রায় ২০০ জন লেখকের পর দেশের প্রায় ১৫০ জন বিজ্ঞানী ‘ঘৃণার রাজনীতি’র বিরুদ্ধে সরব হলেন। নাম না করে বিরোধিতা করলেন দেশের শাসক দল বিজেপির।

“Weigh arguments and evidence critically”, to remember our constitutional commitment to scientific temper and to vote against inequality, intimidation, discrimination, and unreason”। ঠিক এই ভাষাতেই নিজেদের বক্তব্য জানালেন দেশের বিখ্যাত ১৫০ জনের বেশি বিজ্ঞানী।

আরও পড়ুনঃ ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দেশের ২০০ জন লেখক

অমিতাভ যোশী, গগনদ্বীপ কং, নরেশ দাধিচ, প্রজ্বল শাস্ত্রী, সুভাষ লাখোটিয়া প্রভৃতি গবেষকরাও আছেন তালিকায়। আসন্ন লোকসভা ভোটে সাধারণ মানুষ যেন অসাম্য, বৈষম্য, অযৌক্তিকতা এবং হুমকির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, এই মর্মেই দেশের এইরকম প্রায় ১৫০ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক একটি আবেদন পত্রে সই করেছেন।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের মিমির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ বিজেপির

মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ, দিল্লির ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইন্সটিটিউটের মতো দেশের বড় প্রতিষ্ঠানগুলির স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ও গবেষকরা রয়েছেন এই তালিকায়। গোটা দেশের বেশ কিছু স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এই আবেদন পত্রে সই করেছেন।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হেলিকপ্টার পাচ্ছেন না মমতা, অভিযোগের তীর কেন্দ্রের দিকে

বুধবার এই বিবৃতিটি ইন্ডিয়ান কালচারাল ফোরামের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞানীরা এই লোকসভা ভোটকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ বলে বর্ণনা করেছেন। দেশের মানুষের কাছে তাঁদের আবেদন, যেখানে মৌলিক অধিকার খর্ব হয়, সমান অধিকারে গুরুত্ব দেওয়া হয় না, মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি থেকে বাক অধিকার খর্ব হয়, তেমন কোনও রাজনৈতিক দলকে যেন ভোট না দেন কোন ভোটার।

আরও পড়ুনঃ দলের প্রার্থীকে জেতালেই পুরষ্কার সোনার গহনা, বিদেশ ভ্রমনের টিকিট

বিজ্ঞানীদের অভিযোগ, যেখানে গবেষক, লেখক, যুক্তিবাদীদের লাঞ্ছিত করা হয় নানাভাবে, এমনকী জেলে দেওয়া হয়, হত্যা করা হয়, তাদেরকে কোনওভাবেই এদেশের ভবিষ্যতের ভার দেওয়া উচিত নয়। এই মৌলবাদী চিন্তা ও কাজকর্ম শেষ করতে হবে, তবেই কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাক্ষেত্র বা গবেষণায় সুযোগ সুবিধা বাড়বে বলে যুক্তি বিজ্ঞানীদের।

আরও পড়ুনঃ অভিষেকের স্ত্রী রুজিরাকে শুল্ক দফতরের সামনে হাজিরার নির্দেশ হাইকোর্টের

বিজ্ঞানী ও গবেষকরা ওই বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ তৈরি করে, এমন রাজনীতিকে তাঁরা সমর্থন করেন না। যে রাজনৈতিক দল সমাজের মধ্যে ভয় ও ঘৃণার আবহ তৈরি করে তাদের পাশে যেন কেউ না থাকেন বলে বিবৃতিতে জানান বিজ্ঞানীরা।
তাই দেশের মানুষের উদ্দেশে তাঁদের বার্তা, আওয়াজ তুলুন, সমালোচনা করুন আর ভোট দিন চিন্তা-ভাবনা করে।

আরও পড়ুনঃ মোদী কি করে প্রধানমন্ত্রী হল ভগবান জানে, মাথাভাঙায় বিস্ফোরক মমতা

বিজ্ঞানীরা আরও জানান, প্রত্যেক নাগরিক যেন দেশের সংবিধান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকেন। সংবিধানের দেওয়া অধিকার যেন মানুষ ভুলে না যান। তবে লেখক বা চিত্র পরিচালকদের মতো কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের সরাসরি নাম নেননি বিজ্ঞানীরা। তাঁরা কেবল নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ইস্যুকে তুলে ধরে মানুষকে ভাবনা-চিন্তা করে নির্বাচনে অংশীদার হতে আবেদন করেছেন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূল সভাপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র ও কোটি কোটি টাকা

সপ্তাহখানেক আগেই ১০০ জনের বেশি চিত্র পরিচালক বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার জন্য মানুষের কাছে আবেদন রেখেছিলেন। গত সোমবারই ২০০ জনের বেশি ভারতীয় লেখক ‘ঘৃণার রাজনীতি’র বিরুদ্ধে মানুষকে ভোট দিতে আবেদন করেছিলেন। এবার প্রায় ১৫০ জন বিজ্ঞানী বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হলেন।

আরও পড়ুনঃ অ্যান্টি স্যাটেলাইট টেস্ট নিয়ে নাসার অভিযোগ উড়িয়ে দিল ভারত

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ধার করে আমজনতাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন দেশের সেরা বিজ্ঞানীরা। “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর”। রবীন্দ্রনাথের কবিতা দিয়ে সাধারণ ভোটারদের বোঝাতে এবার আসরে বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না মেনে বিমল গুরুং কে গ্রেফতার করতে পারেন মমতা

লোকসভা ভোট নিয়ে চিত্র পরিচালক ও লেখকদের পর ঘৃণার রাজনীতি নিয়ে সরব দেশের সেরা বিজ্ঞানীরা। বুদ্ধিজীবী মহল হঠাৎ ভোটের আগে ভারতবাসীকে ‘ঘৃণার রাজনীতি’র বিরুদ্ধে বোঝাতে কেন এলেন, প্রশ্ন উঠেছে সেই নিয়েও।

আরও পড়ুনঃ মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-can-not-be-left-without-use-in-parliament-election/ Wed, 13 Mar 2019 10:01:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8299 বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না। রাজ্যে বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছিল রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছিল বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম। বিরোধীদের অভিযোগ ও সেই অভিযোগ তদন্ত করে অনেকটাই সারবত্তা পায় কমিশন। আর তাই ২০১৯ লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিক ভাবে কাজে লাগান নিয়ে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই কোন জেলায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে তা এক নির্দেশিকা মারফত জেলাশাসকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর থেকে। যে জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে সেই জেলায় পোলিং অফিসার থেকে শুরু করে জেলাশাসক সকলকেই বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির সম্পূর্ণ ভিডিওগ্রাফি করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ গেরুয়া ভোটে থাবা বসাতে অধিকাংশ আসনেই ব্রাহ্মণ প্রার্থী ঘোষণা দলিত নেত্রী মায়াবতীর

সেই ভিডিওগ্রাফি পাঠাতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তরে। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী কোন দিন কোন এলাকায় রোডমার্চ করবে সেটাও তুলে দিতে হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে। পাশাপাশি ভোটের দিন কোন পোলিং অফিসার কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পেলেন তা যেমন একদিকে লিখে রাখতে হবে অন্যদিকে ছবি তুলে সব তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দফতর থেকে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

বিরোধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর এবং নির্বাচন কমিশনের এই কড়া নির্দেশ বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না। তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। সাহায্য করবেন জেলাশাসকরা।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পঞ্চায়েত ভোটে চরম হিংসা দেখেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে বাংলায় ৭ দফায় ভোট https://thenewsbangla.com/7th-phase-vote-for-bengal-with-central-force-after-violence-in-the-panchayet-polls/ Sun, 10 Mar 2019 17:19:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8046 বিরোধীদের অভিযোগ মেনেই ৭ দফার লোকসভা ভোটের প্রত্যেক দফাতেই পশ্চিমবঙ্গে ভোট রাখল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন। এই প্রথমবার ৭ দফায় ভোট হচ্ছে রাজ্যে। পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের অসংখ্য অভিযোগ জমা পরেছিল নির্বাচন কমিশনে। সব খতিয়ে দেখেই পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফাতেই লোকসভা ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

দেশে মোট ৭ দফায় ২০১৯ লোকসভা ভোট হবে। আর পশ্চিমবঙ্গেও সেই ৭ দফাতেই লোকসভা ভোট হবে।

বাংলায় কথায় কবে ভোট দেখে নিন একনজরেঃ

১১ এপ্রিল প্রথম দফায় ২টি আসনে ভোটঃ কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার

১৮শে এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৩টি আসনে ভোটঃ জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও রায়গঞ্জ

২৩শে এপ্রিল তৃতীয় দফায় ৫টি আসনে ভোটঃ বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ

২৯শে এপ্রিল চতুর্থ দফায় ৮টি আসনে ভোটঃ বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, বোলপুর, বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রাণাঘাট, আসানসোল ও বীরভূম

৬মে পঞ্চম দফায় ৭টি আসনে ভোটঃ বনগাঁ, বারাকপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, হুগলী, আরামবাগ

১২মে ষষ্ঠ দফায় ৮টি আসনে ভোটঃ তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর

১৯মে সপ্তম ও শেষ দফার ভোটে ৯টি আসনে ভোটঃ দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর ও ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিণ ও কলকাতা উত্তর

আরও পড়ুনঃ ৭ দফায় লোকসভা ভোট শুরু ১১ এপ্রিল, ভোট গণনা ২৩ মে

মোট ৭ দফায় ২০১৯ লোকসভা ভোট হবে দেশে। ভোট শুরু ১১ এপ্রিল। ওই দিন প্রথম দফার ভোট। ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফার ভোট। ২৯ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোট। ৬ মে পঞ্চম। ১২ মে ষষ্ঠ দফা ও ১৯ মে সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। আর এই ৭ দফাতেই বাংলায় ভোট হচ্ছে।

বাংলায় ৭ দফাতেই ভোট হওয়ায় হইচই পরে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে। কেন বাংলায় ৭ দফাতেই ভোট? উঠে গেছে প্রশ্ন। বিজেপি রাজ্যে জোর দিচ্ছে বলেই কি ৭ দফাতে ভোট? প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। যদিও বাংলার শাসক দলের তরফে বলেই দেওয়া হয়েছে “কত ফেজে ভোট হল তাতে কিছুই এসে যায় না, মানুষ মমতাকে ভোট দেবে”।

আরও পড়ুনঃ সপ্তদশ লোকসভা ভোট ৭ দফায়, দেখে নিন কবে কোথায় কত আসনে ভোট

বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, “রাজ্যে ভোটের পরিস্থিতি নেই। পঞ্চায়েত ভোটে সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। তাই নির্বাচন কমিশন ৭ ফেজেই ভোট করাচ্ছে রাজ্যে”। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ৭ ফেজে ভোট করানো হবে।

মনে করা হচ্ছে পঞ্চায়েত ভোটে চরম হিংসা ও ৫০ শতাংশের বেশি আসনে বিরোধীদের প্রার্থীরা দিতে না পারাটাই বিচার করে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন বাংলায় ৭ ফেজেই ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

ভোট গণনা হবে ২৩মে, ২০১৯। ওইদিনই জানা যাবে ভারতের শাসনভার আগামী ৫ বছরের জন্য কোন দলের হাতে থাকবে। আর সেদিনই দেখা যাবে, বাংলায় তৃণমূল-বিজেপি লড়াই এর ফল কি হল। আর সিপিএম কংগ্রেস জোট কতটা সাফল্য পেল।

]]>
কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে তিন তালাক বিরোধী আইন বাতিল করে দেবে কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/congress-will-abolish-triple-talaq-law-if-voted-to-power-in-parliament-election/ Thu, 07 Feb 2019 14:09:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6592 সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে এবার অলআউট খেললেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। লোকসভা নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ক টানতে সব থেকে বড় ঘোষণাটা করে ফেলল কংগ্রেস। আগামী লোকসভা ভোটে জয়লাভ করে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে বর্তমান বিজেপি সরকারের তরফে আনা তিন তালাক আইন বাতিল করে দেবেন বলে ঘোষণা করল কংগ্রেস। সংখ্যালঘু সেলের এক সম্মেলনে এই ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ মমতার ধর্ণায় বসা পুলিশ অফিসারদের কড়া শাস্তি দিতে চলেছে মোদী সরকার

বহু বিতর্কের পর তিন তালাক আইন তৈরি করেছে কেন্দ্র। অবশ্য তা লোকসভায় পাস হলেও রাজ্যসভায় আটকে গিয়েছে। লোকসভা ভোটের মুখে এবার সেই তিন তালাক আইন নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি সুস্মিতা দেব। আর তাই নিয়েই দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে চর্চা। তবে কংগ্রেসের তরফ থেকে এখনও এই নিয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ মমতার বাংলায় ১ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেন মুকেশ আম্বানি

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত এক রায়ে মুসলমানদের তিন তালাক প্রথাকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে দিয়েছে। যেভাবে পরপর তিনবার তালাক উচ্চারণ করে অথবা চিঠি লিখে, সামাজিক মাধ্যম বা ফোনে তিনবার তালাক উচ্চারণ করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেওয়া হয়, তার বিরুদ্ধে ৫জন মুসলিম নারী সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিলেন। তারপরই তিন তালাক নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। তারপরেই বিল নিয়ে এসে আইন তৈরি করতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল মোদী সরকার

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সংখ্যালঘু সেলের এক সম্মেলনে দলে তরফে শিলচরের সাংসদ ও সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি সুস্মিতা দেব এই বড় ঘোষণা করে দিলেন। সংখ্যালঘু সমাজের সঙ্গে কংগ্রেসের পুরনো সম্পর্ক আরও মজবুত করতেই রাজধানীতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই নেত্রী জানিয়ে দেন, “ক্ষমতায় এলে এই তিন তালাক আইন বাতিল করে দেবে কংগ্রেস”।

আরও পড়ুনঃ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এর বড় ঘোষণা, লোকসভা ভোটের আগে মধ্যবিত্তের মুখে হাসি

ইতিমধ্যেই তিন তালাক বিল পাশ হয়ে গেছে লোকসভায়। ২৪৫-‌১১ ভোটে। ওয়াকআউট করে কংগ্রেস ও সরকারের বন্ধুদল এআইডিএমকে। ভোটদানে বিরত থাকে তৃণমূল, সপা, আরজেডি, ডিএমকে, আপ এবং টিআরএস। তৃণমূলের সুদীপ ব্যানার্জি বলেন, “মুসলিম মহিলাদের অধিকারের প্রশ্নে তাদের পাশে রয়েছে তৃণমূল। কিন্তু, প্রস্তাবিত আইনে যেভাবে স্বামীকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়েছে, দল তার বিরোধী। সরকারের উচিত সব দিক বিবেচনা করে বিরোধীদের সন্তুষ্ট করে, এমন বিল আনা”।

আরও পড়ুনঃ বাংলার জেলা এখন বোমার গোডাউন, জেলাতেই রাখা হচ্ছে সিআইডি বোম্ব স্কোয়াড

তবে লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় আটকে গেছে এই বিল। এখন কংগ্রেসের এই ঘোষণা তিন তালাক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিজেপি এর তরফ থেকে এই ঘোষণার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বলে হয়েছে ক্ষমতায় আসার জন্য দেশকে আবার পিছনে নিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ সারদা রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে মমতার পুলিশ কর্তাদের বারবার তলব গোয়েন্দাদের

এখন কংগ্রেসের এই ঘোষণা লোকসভা ভোটে দলকে কতটা সুবিধা দেয় বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মহিলাদের ভোট থেকে কংগ্রেস কতটা বঞ্চিত হয়, সেটাই এখন দেখার। তবে রাজনৈতিক মহল এই ঘোষণাকে খুব একটা বুদ্ধিমানের বলছে না। কারণ এই বিল নিয়ে এসেই উত্তরপ্রদেশে ৮০টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনে জিতেছিল বিজেপি। কংগ্রেসের এই ঘোষণা যে বুমেরাং হবে, সেটাই বলছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ নতুন যুদ্ধ, রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে মমতার দুই অফিসারকে ডেকে পাঠাল ইডি
আরও পড়ুনঃ সারদা চিটফান্ডে সর্বহারাদের দেখেই কি তাড়াতাড়ি ধর্ণা শেষ করলেন মমতা
আরও পড়ুনঃ উঠল বিজেপি বিরোধী সত্যাগ্রহ ধর্ণা, ধর্মতলার ধর্ণা প্রধানমন্ত্রী করতে পারবে মমতাকে
আরও পড়ুনঃ নারীদের নিয়ে অবাক করা সিদ্ধান্ত নিল শবরীমালা মন্দির কর্তৃপক্ষ

আরও পড়ুনঃ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত স্বামীকেও কি কংগ্রেসে আনছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
আরও পড়ুনঃ সিবিআই জেরা থেকে পালাতে পারবেন না রাজীব কুমার, মমতা বললেন ‘নৈতিক জয়’
আরও পড়ুনঃ মমতার নির্দেশে সিবিআই অফিসারদের আটক করে বাংলার আইপিএসরা বিপদে
আরও পড়ুনঃ সারদা চিটফাণ্ড মামলায় রাজীবকে জেরা করতে কি কি প্রশ্ন সাজাচ্ছে সিবিআই

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পশ্চিমবঙ্গ স্পেশ্যাল কেস তাই গুরুত্ব দিয়ে ভোট করাবে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-will-vote-with-the-importance-in-west-bengal-election-as-special-case/ Thu, 31 Jan 2019 16:55:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6260 “পশ্চিমবঙ্গ স্পেশ্যাল কেস, আমরা গুরুত্ব দিয়েই দেখছি”, বিরোধীদের আশ্বস্ত করে জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। লোকসভা ভোটে বাংলাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, বলেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই এইভাবে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ নিয়ে এসে বৈঠক করাকে একটু অন্যভাবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। দফায় দফায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করার পরেই, লোকসভা ভোটের প্রস্ত‌ুতি খতিয়ে দেখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রিপোর্ট তলব করল কমিশনের ফুল বেঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ বাগরি মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার্জশিট দিল পুলিশ
আরও পড়ুনঃ মোবাইলেই রাজনাথ সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুমুল কথা কাটাকাটি

বুধবার রাতেই শহর কলকাতায় এসে নামেন চীফ ইলেকশন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের ৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। দুপুর থেকে বিকালে সব জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন।

জানা গেছে, এ দিন নির্বাচন কমিশনকে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ জানিয়েছে বিরোধীরা। রাজ্যের লোকসভা ভোটের অবজার্ভার নিয়োগ ও ভোটের আগে এখন থেকেই তাঁদের পাঠানোর দাবি করেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের পাশাপাশি সব বুথে ভিভিপ্যাটেরও দাবি জানিয়েছেন বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ বিরোধীদের অভিযোগ ও মমতা প্রশাসনের রিপোর্ট নিতে বাংলায় নির্বাচন কমিশন
আরও পড়ুনঃ কেবল টিভি দেখা নিয়ে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত মানুষকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

পর্যাপ্ত সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট করা সম্ভব নয়, বলেই জানিয়ে দিয়েছে বাম প্রতিনিধি দল। সেই সঙ্গে তাদের দাবি রাজ্য পুলিশ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরাই। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি লাগানোর দাবি করেছেন বাম সহ সব বিরোধীরাই।

বিরোধীদের তরফ থেকে বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। বিজেপির প্রতিনিধি দলের দাবি, পুলিশ পর্যবেক্ষক আগে থেকেই নিয়োগ করতে হবে ও তাঁদের রাজ্যে পাঠিয়ে দিতে হবে। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতে হবে, শুধু বুথে নয় এলাকায় টহল দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ মমতার স্বরাষ্ট্র সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের এক রোহিঙ্গার
আরও পড়ুনঃ ২৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট

কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের দাবি, প্রতিটি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কংগ্রেস নেতারা কমিশনকে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেওয়া হোক যাতে তারা নিজেদের কাজ ঠিক ভাবে করতে পারে। রাজ্য পুলিশের নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখলে শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব নয় দাবি কংগ্রেসের।

আরও পড়ুনঃ নিয়ম মেনে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে রাখা যায় রাতেও
আরও পড়ুনঃ জয় হিন্দ, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সোনার অক্ষরে লেখা ইতিহাস

জানা গেছে, বিরোধী দলগুলির ঝুড়ি ঝুড়ি অভিযোগ পেয়ে কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কমিশন। বৃহস্পতিবার রাজ্যের সব ডিএম, এসপি-দের কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, যত শীঘ্র সম্ভব রাজ্যে সব স্পর্শকাতর বুথের তালিকা জমা দিতে হবে কমিশনের কাছে। একই সঙ্গে বহিরাগতদের আটকাতেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথোপযুক্ত ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে ক্ষুব্ধ কমিশন, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলাশাসক ও জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে লিখিত রিপোর্ট চেয়েছে। ভোটের সময় কোন বহিরাগত যাতে রাজ্যে ও বুথ এলাকায় ঢুকতে না পারে তার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঠিকমত ব্যবহার করতে হবে, জেলা পুলিশ সুপারদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা https://thenewsbangla.com/election-commission-will-announce-the-dates-of-parliament-election-in-early-march/ Fri, 18 Jan 2019 15:14:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5764 মার্চের শুরুতেই দেশে লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে। সম্ভবত ভোট হবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মের দ্বিতীয় সপ্তাহ এর মধ্যেই। মে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই ফল ঘোষণা হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এবারও ৭ থেকে ৯ দফায় ভোট হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়তে পারেনঃ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জোড়া ইতিহাস ‘বিরাট’ ভারতের

বছরের শুরু থেকেই গোটা দেশ জুড়ে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল। মিটিং, মিছিল, জনসভা নিয়ে মেতে উঠেছেন রাজনৈতিক নেতারা। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশন লোকসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করতে পারে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই। আগামী ৩ জুন শেষ হচ্ছে বর্তমান লোকসভার মেয়াদ। আপাতত ক-দফায় ভোট হবে, কোন মাসেই বা তা হবে, সেই বিষয়গুলি বিবেচনা করছে কমিশন।

মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা
মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা

২০১৪ সালে ৫ মার্চ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। ন দফায় হয়েছিল ভোট। প্রথম দফার ভোট ছিল ১২ই এপ্রিল ও শেষ দফার ভোট ছিল ১২ই মে। ফল ঘোষণা হয়েছিল ১৬ই মে। এবারও হয়ত এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মের দ্বিতীয় সপ্তাহ এর মধ্যেই ভোট গ্রহণ শেষ হবে। মে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই ফল ঘোষণা হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ৭ থেকে ৯ দফায় ভোট হতে পারে।

আরও পড়তে পারেনঃ

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

ভোটের আগে মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট

ভারতে ষোড়শ লোকসভা গঠনের জন্য সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত। লোকসভার ৫৪৩টি আসনের সাংসদ নির্বাচনের জন্য এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফল ঘোষিত হয় ১৬ মে। ভারতের সাংবিধানিক বিধি অনুসারে, ৩১ মে পঞ্চদশ লোকসভার মেয়াদ শেষ হয়। তার ১৫ দিন আগেই ভোটের ফল ঘোষণা করে দেয় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা
মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা

মনে করা হচ্ছে, এবারে ভারতে সপ্তদশ লোকসভা গঠনের জন্য সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মের দ্বিতীয় সপ্তাহ এর মধ্যেই। মে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই ফল ঘোষণা হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। পর্যন্ত। কারন ৩ জুনের মধ্যেই শপথ নিতে হবে নতুন সরকারকে।

আরও পড়ুনঃ

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

তবে এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রেখেছে কমিশন। তাই কোন রাজ্যে কত নিরাপত্তারক্ষী প্রয়োজন, সেটা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুধু লোকসভা নয়, মনে করা হচ্ছে লোকসভা ভোটের পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা, সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনও একইসঙ্গে সেরে ফেলতে পারে কমিশন। রাজ্যপাল শাসনে থাকা কাশ্মীরের ভোটের বিষয়টিও গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কারণ, ছমাসের মধ্যে সেখানেও ভোট করাতেই হবে।

মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা
মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা

২০১৪ লোকসভা ভোটের ঠিক আগে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর চারটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সব কটিতেই জয় লাভ করে বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। রাজস্থানে বিজেপি কংগ্রেসকে পরাজিত করে। দীর্ঘদিন কংগ্রেসের দখলে থাকা দিল্লিতেও বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এছাড়া মধ্যপ্রদেশে ও ছত্তিশগড় রাজ্যেও নিজেদের সরকার টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয় তারা। ভারতের সংবাদমাধ্যম দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীকেই বিজেপির এই জয়ের কারণ বলে চিহ্নিত করে।

আরও পড়তে পারেনঃ পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ

এবার তার ঠিক উল্টো। লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি)। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়-এই তিন রাজ্যই হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। অন্যদিকে এই রাজ্যগুলোয় সরকার গঠন করেছে কংগ্রেস।

মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা
মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা/The News বাংলা

বাকি, তেলেঙ্গানা ও মিজোরামেও সরকার গড়েছে বিজেপি বিরোধী স্থানীয় দুটি দল। তেলেঙ্গানায় চন্দ্রশেখর রাওয়ের দল টিআরএস। ও মিজোরামে সরকার গঠন করেছে মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এমএনএফ)। হিন্দি বলয়ে তিন গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য হলো রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়। তিন রাজ্যেই ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। এবার এই তিনটি রাজ্যেই জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ দাউদ ইব্রাহিমকে হত্যার পরিকল্পনা করায় ডি কোম্পানির হাতে পাকিস্তানে খুন

ঠিক এইভাবেই ২০১৩র শেষে লোকসভা ভোটের ঠিক আগে কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা ভোটে জিতে, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে হটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল মোদীর দল। আর এবারে ঠিক উল্টো। ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গেছে বিজেপি। ২০১৪ র মতোই কি এবার চাকা ঘুরে বিজেপিকে হঠিয়ে ক্ষমতায় আসবে রাহুলের কংগ্রেসের নেতৃত্বে জোট সরকার? প্ৰশ্ন কিন্তু উঠছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়তে পারেনঃ

মানুষের হাসপাতালে এত কুকুর বেড়াল কেন? দায় এড়াতে পারে না প্রশাসন

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর, বড় বড় কোম্পানিতে কর্মী ছাঁটাই

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
আয়করে ছাড় দিয়ে পেশ হচ্ছে মোদী সরকারের ‘মানুষের বাজেট’ https://thenewsbangla.com/interim-budget-on-1st-february-will-be-public-budget-by-modi-government/ Tue, 15 Jan 2019 08:12:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5634 লোকসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট সংসদে পেশ হচ্ছে শুক্রবার ১লা ফেব্রুয়ারী। মনে করা হচ্ছে এই অন্তর্বর্তী বাজেট ভারতবাসির জন্য অনেক খুশির খবর বয়ে নিয়ে আসছে। লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই এই বাজেট যে জনমুখি হবে সে নিয়ে কোন সন্দেহই নেই। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই মানুষ জানতে পারবে এই মোদী সরকারের শেষ বাজেট। রেল ও সাধারণ বাজেট একসঙ্গেই পেশ করবেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

আগামী এপ্রিল-মে মাসে দেশে লোকসভা ভোট। তার আগে এটাই বর্তমান সরকারের শেষ বাজেট। বাজেট পেশ করবেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। অন্তর্বর্তী বাজেট বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গোটা বছরের বাজেটের মতোই হয়। ভোটের আগে বেশ কিছু জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত মোদী সরকার এই বাজেটে ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে হয়েছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। চলবে ১৩ ফেব্র‌ুয়ারি পর্যন্ত। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ হবে আজ শুক্রবার। ভোটের মুখে জনমুখি বাজেট এর আশা মানুষের। আশঙ্কা কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলির। বৃহস্পতিবারই রাষ্ট্রপতির ভাষণে আয়কর ছাড়ের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই পেশ হচ্ছে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রায় পৌনে পাঁচ বছরের জমানায় পেশ হয়েছে পাঁচটি বাজেট। আগামী লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই পেশ হচ্ছে এই অন্তর্বর্তী বাজেট। ওই বাজেট যেহেতু নির্বাচন-মুখী, স্বাভাবিক ভাবেই কর ছাড়ের বহর বাড়তে পারে বলেই ধারণা করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

গত সপ্তাহেই একটি সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, মধ্যবিত্ত সম্পর্কে ধারনা পাল্টে দিতে হবে দেশে। এরপরই, মধ্যবিত্তের জন্য একাধিক পরিকল্পনা করে ফেলে কেন্দ্র। যার ঘোষণা হতে পারে মোদী সরকারের শেষ বাজেটে। সূত্রের খবর, মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে বিশেষ সুরাহা দিতে আয়করে অতিরিক্ত ছাড়ের ঘোষণা করতে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।

প্রশ্ন একটাই, আয়কর স্তরে কোনও পরিবর্তন আনবে কি বিজেপি সরকার? লোকসভা ভোটের মুখে এই নিয়েই আশায় বুক বাঁধছে আমজনতা। ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের মুখ থেকে বড় কিছু ঘোষণা আশা করছে দেশের মানুষ। লোকসভা ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করবেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী। পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে ভোটের পর। ফলে ভোটের আগে বাজেটের মতো একটি ইভেন্টকে নিঃসন্দেহে ব্যবহার করতে ছাড়বে না মোদী সরকার, আশা মানুষের। আশঙ্কা বিরোধীদের।

জানা যাচ্ছে, আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা ২.৫ লক্ষ্য টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩.৫ লাখ টাকা করতে পারে মোদী সরকার। ৮০সি ধারায় করমুক্ত সঞ্চয়ের সীমা ১.৫ লক্ষ্য টাকা থেকে বাড়ানো হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। গৃহঋণে কর ছাড়ের পরিমাণও বাড়াতে পারে মোদী সরকার, আশা মানুষের।

সূত্রের খবর, এবারের বাজেটে বেতনভূক মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে আয়করের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দিতে পারে সরকার। এছাড়া, জমায় ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে পেনশনভোগীদের জন্য করে ছাড় এবং গৃহঋণে সুদের হারে অতিরিক্ত ছাড়ের ঘোষণা হতে পারে বাজেটে। গত ৪ বছরে আয়করের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, করের স্ল্যাবও কমানো হয়েছে। ফলে একজন নাগরিক সর্বাধিক ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বছরে সাশ্রয় করতে পারছেন।

২০১৪ লোকসভা ভোটের আগে ২০১৪-র ফেব্র‌ুয়ারিতে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিলেন ইউপিএ সরকারের অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সে বছর জুলাইয়েই পূর্ণ বছরের বাজেট পেশ করেন অরুণ জেটলি। সূত্রের খবর, ভোটের কথা মাথায় রেখে আজকের অন্তর্বর্তী বাজেটে দেশের আপামর মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য বাজেট ঢেলে সাজিয়েছে মোদী সরকার।

আর বাজেটে মধ্যবিত্তদের জন্য বিশেষ ছাড় দিয়ে আগামী লোকসভা ভোটে জিতে ফের ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে ঝাঁপাতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। কিছুক্ষণের মধ্যেই বোঝা যাবে ভোটের আগে ঠিক কতটা কল্পতরু হলেন নরেন্দ্র মোদী।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-will-choose-political-tmc-candidates-of-the-42-lok-sabha-seats-in-bengal/ Thu, 10 Jan 2019 10:43:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5422 The News বাংলা, কলকাতাঃ এবার আর কোন ভুল নয়। ২০১৪ থেকে শিক্ষা নিয়ে ২০১৯ এর লোকসভায় আর ভুল করতে চাইছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। প্রার্থী বাছাইয়ে এবার কড়া সতর্কতা নিয়েছেন খোদ দলনেত্রীই।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করার রণকৌশল পরিবর্তন করছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের প্রার্থী বাছাই করায় ‘রাজনৈতিক কৌশল’ নিতে চাইছে দল। দলের মধ্যে নতুন চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, দল চাইছে যে এবার শুধুমাত্র তারকাদের উপরে ভরসা করে টিকিট বন্টন করা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না।

টিকিট দেওয়ার সময় রাজনৈতিক পেক্ষাপট দেখে, কাজের নিরিখে লোকসভার প্রার্থী বাছাই করার উপরে জোর দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে। রাজনীতির উপর ভিত্তি করেই ভোটের প্রার্থী বাছাইয়ের রণকৌশল নির্ধারণ করা সঠিক হবে, বলে মনে করছেন দলীয় উচ্চ পদাধিকারীরা। ইতিমধ্যেই দলে আলোচনা শুরু হয়েছে যে প্রার্থী বাছাই ক্ষেত্রে সমস্ত দিক খুঁটিয়ে দেখার পর কোন সিদ্ধান্তে যাওয়া উচিত।

আরও পড়ুনঃ

প্রকাশ্যে গ্রুপ চ্যাট রেকর্ডিং, জেলাশাসকের স্ত্রীর ভাষাও সমান অশ্লীল

মন্দির মনোরঞ্জনের জায়গা নয়, স্বর্ণমন্দিরে নিষিদ্ধ সেলফি ছবি ভিডিও

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

এই নিয়ে দলের অন্দরমহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে এখন যেসব তারকারা দলে রয়েছেন তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কি হবে? আদৌ তাঁরা কি এবারের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাবেন? তাপস পাল, সন্ধ্যা রায়, শতাব্দী রায়, প্রসূন ব্যানার্জী, মুনমুন সেন, দেব সহ একঝাঁক অন্য পেশার লোক কি তাহলে টিকিট পাবেন না?

রাজনৈতিক পেক্ষাপট না থাকার কারণে আগেও দলকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিশেষ করে তাপস পালের বেফাঁস মন্তব্য ও রোজভ্যালিতে তাঁর যুক্ত থাকার কারণে আগেই স্পষ্ট যে এবার তাঁর টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ক্ষীণ। ঠিক সেইভাবেই দেবের নিজের ফিল্ম জগতের ব্যস্ততা রয়েছে।

একইভাবে সন্ধ্যা রায় ও মুনমুন সেনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। শতাব্দী রায় ও প্রসূন ব্যানার্জীর কিছুটা হলেও অন্যদের থেকে সন্তোষজনক অবস্থান রয়েছে। কিন্তু টিকিট পাকা নয়। বাকিদের জায়গায় কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগাতে পারে দল, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ

ঐতিহাসিক কুম্ভমেলা সম্পর্কে একনজরে সব কিছু জেনে নিন

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর

সোনিয়া রাহুলকে ১০০ কোটি টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়ার নোটিশ

তাই সংসদের টিকিট বাছাই করার ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস এবার শুধু আবেগ দিয়ে নয়, তার পাশাপাশি রাজনৈতিক দূরদর্শিতাকেও কাজে লাগিয়ে এগোতে চায়। বুধবারই বহিষ্কার করা হয়েছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন ও বীরভূমের বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরাকে। এরপরেও যা জানা যাচ্ছে, আরও প্রায় ৯-১০ জন তৃণমূল সাংসদ এবার কোনরকমেই আর টিকিট পাচ্ছেন না।

তৃণমূল অন্দর থেকে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে, ২০১৯-এর লোকসভায় টিকিট অনিশ্চিত তৃণমূলের ৯ বর্তমান সাংসদের। নদীয়ার কৃষ্ণনগরের সাংসদ তাপস পাল, দক্ষিণ ২৪ পরগণার মথুরাপুর লোকসভার সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া, হুগলীর আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, মেদিনীপুরের সাংসদ সন্ধ্যা রায়, বাঁকুড়ার সাংসদ মুনমুন সেন, বর্ধমান-দুর্গাপুর এর সাংসদ মমতাজ সংঘমিত্রা রায়, উত্তর ২৪ পরগণার ব্যারাকপুরের সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী, হাওড়া লোকসভার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ও বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়।

এদের মধ্যে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় ও হাওড়া লোকসভার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় টিকে গেলেও যেতে পারেন শেষ পর্যন্ত। তবে অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমে চান না শতাব্দী রায়কে। সেক্ষেত্রে শতাব্দী রায় এর আসন বদলান হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় রাস্তায় বিজেপির রথ চলবে কিনা ঠিক হবে আগামী মঙ্গলবার

গুরুবারে শুরু অযোধ্যায় রাম মন্দির বাবরি মসজিদ শেষ লড়াই

ভোটের হাতিয়ার, লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাস হিন্দু সংরক্ষণ বিল

সূত্রের খবর, প্রায় ৯-১০ জন সাংসদ নানা কারণে এবার টিকিট নাও পেতে পারেন। এর মধ্যে স্বাস্থ্যজনিত কারণ যেমন রয়েছে, তেমন কোনও কোনও সাংসদের পাঁচ বছরের রিপোর্ট কার্ড না-পসন্দ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। কারোর উপর আবার মুকুল রায় বা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচেন তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য ৪২-এ ৪২। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঘাসফুলের আঘাতে উড়ে গিয়েছিল কাস্তে-হাত-পদ্ম। ৩৪টি আসনে জয় পেয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধীদের মধ্যে ৪টি আসন পেয়ে কিছুটা মান রেখেছিল কংগ্রেস।

তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০১৯-এর পর ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন আরও হাড্ডাহাড্ডি হবে। সেক্ষেত্রে মমতা নিজের টিমকে আরও সুসজ্জিত করতে চাইছেন। তাই লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এবার অনেক সতর্ক হচ্ছেন তিনি। তারকা নয়, এবার তাই রাজনৈতিক প্রার্থীর দিকেই জোর দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
চোখ রাখুন বাংলায় কবে প্রকাশ পাবে নতুন ভোটার তালিকা https://thenewsbangla.com/new-voter-list-of-bengal-will-be-published-soon-keep-an-eye-on-it/ Fri, 28 Dec 2018 12:09:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4862 The News বাংলা, কলকাতাঃ সব ঠিকঠাক চললে বাংলায় আগামী ১৪ই জানুয়ারী প্রকাশ পাচ্ছে নতুন ভোটার তালিকা। এর আগে ৪ জানুয়ারী প্রকাশ পাবার কথা ছিল ভোটার তালিকা। এই ডেটলাইনে প্রকাশ করা যাচ্ছে না ভোটার তালিকা, জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৪ জানুয়ারির বদলে ১৪ জানুয়ারি প্রকাশ পাবে সেই তালিকা।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়বে সল্টলেক নিউটাউনের বাড়িঘর

নাম তোলার সময় ন্যাশনাল ভোটার্স সার্ভিসেস পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদনের পর প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান করে আপলোড করা হয়। তারপর তা খতিয়ে দেখে আবেদন গ্রহণের বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জমা পড়া সংশ্লিষ্ট ফর্ম খতিয়ে দেখে এরোনেট (ERONET) সিস্টেমের মাধ্যমে অনলাইনে ডাউনলোড করেন অফিসাররা।

আরও পড়ুন: হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের

চোখ রাখুন বাংলায় কবে প্রকাশ পাবে নতুন ভোটার তালিকা/The News বাংলা
চোখ রাখুন বাংলায় কবে প্রকাশ পাবে নতুন ভোটার তালিকা/The News বাংলা

ফলে দিল্লিতে বসেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কর্তারা দেখতে পেরেছেন ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। অনলাইনে আবেদনের এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়েছে অনেকটাই। কমিশন সূত্রে খবর, প্রচুর আবেদন জমা পড়ে অনলাইনে। এরোনেট (ERONET) সিস্টেমের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি করতে যাওয়ায় স্লো হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: ভিড়ে ঠাসা কলকাতা মেট্রোতে আগুন ও ধোঁয়া, অসুস্থ বহু

অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ডিসেম্বরে নির্বাচন কমিশনকে পরিবর্তন করতে হয় সার্ভার। যার জেরে সময়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে বেগ পেতে হচ্ছে রাজ্যকে। তবে শুধুমাত্র ERONET এর জেরে তৈরি হওয়া সমস্যাই নয়। নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে নাম তোলার ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়াটাও একটা কারণ প্রধান কারণ।

চোখ রাখুন বাংলায় কবে প্রকাশ পাবে নতুন ভোটার তালিকা/The News বাংলা
চোখ রাখুন বাংলায় কবে প্রকাশ পাবে নতুন ভোটার তালিকা/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

প্রথমে ভোটার লিস্টে নাম তোলার আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ ছিল ৩১ অক্টোবর। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে দুমাসেরও কিছু বেশি সময় পেতেন কমিশনের অফিসাররা। পরে ডেটলাইন বাড়িয়ে করা হয় ১৫ নভেম্বর। যার জেরে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করতে সময়ও পাওয়া গেছে কম। এটাও একটা অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: ভোটের আগে বাংলার বিখ্যাত সাংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ‘সরকারি’ সন্ধি মমতার

এদিকে এই সময়ের মধ্যেই বের করতে হবে চূড়ান্ত তালিকা। তাই এই তাড়াহুড়োতে আবার ভোটার লিস্টে কিছু গণ্ডগোল না হয়, আশঙ্কায় রাজনৈতিক বিশেষঙ্গরা। এখন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবার পরই বোঝা যাবে আসল তথ্যটা।

আরও পড়ুন: বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্পের বেশ কিছু অজানা কাহিনী

২০১৯ এর এপ্রিল-মে মাসেই লোকসভা ভোট হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার অনেক আগেই চূড়ান্ত লিস্ট বের করতে হবে। তারপর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশন কমিশনকে। তাই সেই সময়ের আর দেরি নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এই কারণেই বাংলায় চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করতে দেরি হল বলেই মনে করা হচ্ছে।

]]>
লোকসভার আগেই রামমন্দির রায় দিতে সুপ্রিম কোর্টকে আর্জি মোদীর মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/modi-minister-asked-supreme-court-for-ram-temple-verdict-before-parliament-election/ Tue, 25 Dec 2018 14:11:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4748 The News বাংলা: ভোট বড় বালাই। তারপর তিন রাজ্যে কংগ্রেসের কাছে ক্ষমতা হারিয়েছে বিজেপি। লোকসভা ভোট আর মাত্র ৩-৪ মাসের মধ্যেই। লোকসভা ভোটের আগেই অযোধ্যায় রাম মন্দির ইস্যুতে রায় দিতে এবার সুপ্রিম কোর্টকে আর্জি জানালেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

আরও পড়ুনঃ নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ‘আজাদ লড়াই’কে সম্মান নরেন্দ্র মোদীর

রামমন্দির রায় না হওয়ায় শরিকরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। শিবসেনার মত অনেকেই এনডিএ জোট ছাড়ার হুমকি দিচ্ছেন। সমালোচনা করছে সাধু সন্ত সংগঠন। রাম মন্দির নিয়ে ব্যপক চাপে মোদী সরকার। ভোট বৈতরণী পার হওয়ার জন্য রাম মন্দির রায় খুব দরকার বিজেপির, বলে সমালোচনা বিরোধীদের। আর তাই রাম মন্দির মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে এবার সুপ্রিম কোর্ট এর বিচারপতিদের আবেদনই জানিয়ে ফেললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

আরও পড়ুনঃ স্বীকৃতি না রাজনৈতিক ফায়দা, নেতাজীকে নিয়ে বিতর্কে মোদী

শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তাঁর প্রশ্ন, শবরীমালা মন্দিরের ক্ষেত্রে চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হলে, অযোধ্যায় রামমন্দির মামলায় এত দেরি হচ্ছে কেন? লখনউতে অখিল ভারতীয় অধিভক্ত পরিষদের একটি সম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর হাতেই উদ্বোধন হচ্ছে ভারতের দীর্ঘতম দোতলা সেতু

অখিল ভারতীয় অধিভক্ত পরিষদের যে অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য রেখেছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম আর শাহ, এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি গোবিন্দ মাথুর সহ অন্যান্য বিচারপতিরা।

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

সেখানেই সরকারের তরফ থেকে নিজেই অনুরোধ করে বসেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। অবশ্য শুধু দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির অনুরোধ জানিয়েই থামেন নি রবিশঙ্কর প্রসাদ। তাঁর আরও প্রশ্ন, ‘৭০ বছর ধরে কেন আইনি জটিলতায় আটকে আছে রামজন্মভূমি নির্মাণের বিষয়টি’?

আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম’ নাম বদলে ‘রামরাজ্য’ আনতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

আগামী ৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি এস কে কউলের বেঞ্চে ফের উঠবে এই মামলা। রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ মামলার শুনানি। ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের প্রেক্ষিতেই এই শুনানি হবে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় ছিল বিতর্কিত এলাকার ২.৭৭ একর জমি সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে নির্মোহী আখড়া, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড এবং রাম লালা, এই তিনটি পক্ষের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ লোকঠকানির লোন মাপ, রাহুলকে লজ্জায় ফেলে আত্মঘাতী কৃষক

৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি শুরু হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের এই মন্তব্যে স্পষ্ট, রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে ফের দেশ জুড়ে আন্দোলনের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে বিজেপি। সরকারে আসার পর চার বছর কেটে গেলেও মন্দির তৈরিতে এখনও পর্যন্ত এক পাও এগোতে পারেনি গেরুয়া শিবির।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর হাতেই উদ্বোধন হচ্ছে ভারতের দীর্ঘতম দোতলা সেতু

‘রাম মন্দির হবেই’, ২০১৪ লোকসভা ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী সহ প্রায় সব বিজেপি নেতারা। কেন্দ্রে মোদী এবং রাজ্যে যোগী এই জোট হওয়ার পরেও মন্দির তৈরিতে বিজেপির ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে খোদ গেরুয়া শিবিরের মধ্যেই। সেই ব্যর্থতা ঢেকে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণী পেরোতে ফের মন্দির আন্দোলনেই ফিরতে চাইছে বিজেপি, এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

কিন্তু, নিজেদের পুরনো অবস্থানে অনড় থাকে সুপ্রিম কোর্ট। অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা ও অন্যান্যদের রাম মন্দির মামলার দ্রুত শুনানির দাবি খারিজ করে পুজোর আগেই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই অযোধ্যা মামলার শুনানির দিন ঠিক হবে। পরে ঠিক হয়, আগামী ৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি এস কে কউলের বেঞ্চে ফের উঠবে এই মামলা।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: দিল্লীর নির্ভয়া ধর্ষণ কাণ্ডের পরেও নিরাপত্তাহীন কলকাতার বাস

২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে, অযোধ্যার রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদের ২.৭৭ একর বিতর্কিত জমিকে রাম লালা, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড ও নির্মোহী আখাড়ার মধ্যে সমান তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এলাহাবাদ হাইকোর্টের ২০১০ সালের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই সব মামলারই শুনানি আবার শুরু হবে।

আরও পড়ুন: ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

সেই মামলায় ফের শুনানি শুরু হবে আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে। এখানেও খুব দ্রুত রায় দেবার সম্ভাবনা নেই বলেই আইনী মহলের মত। আর লোকসভা ভোটের আগে সেই রাম মন্দির রায়কেই হাতিয়ার করে এগোতে চাইছে বিজেপি। আর তাই বিচারপতিদের প্রকাশ্যে অনুরোধ করতেও পিছপা হচ্ছেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। আইনমন্ত্রীর এই সরাসরি অনুরোধকে চরম সমালোচনা করা হয়েছে কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তরফ থেকে।

]]>