Parliament Election 2019 – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 19 Mar 2019 04:17:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Parliament Election 2019 – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলায় চার দলের লড়াই, ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/four-party-battle-in-bengal-lok-sabha-vote-congress-announce-candidates-in-bengal/ Tue, 19 Mar 2019 04:07:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8755 ২০১৯ লোকসভায় বাংলায় ৪ দলের লড়াই। তৃণমূল-বিজেপি-বাম-কংগ্রেস। সোমবারই ঠিক হয়ে যায় বাংলায় বাম কংগ্রেস জোট হচ্ছে না। তারপরেই রাত ১১ টায় প্রথম তিন পর্বের ১১ টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রথম তিন দফার ১১ টি আসনের জন্য ১১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ কংগ্রেসের তরফে দেশের বেশ কিছু লোকসভা আসনের সঙ্গে বাংলার ১১ টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

প্রতিটি আসনে তিন-চার জন প্রার্থীর নাম নিয়ে সোমবার দিল্লি গিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। দুপুরে সভাপতি রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠক হয়। সেখানেই ১১ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত করা হয়। রাত ১১ টা নাগাদ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় অনাস্থা, তৃণমূল বনাম বিজেপির জমজমাট লড়াই

প্রথম তিন দফার ভোটে বাংলার ১১ জন কংগ্রেস প্রার্থী হলেন, কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়া রায়চৌধুরী, আলিপুরদুয়ারে মোহনলাল বসুমাতা, জলপাইগুড়িতে মণিকুমার দারনাল, দার্জিলিংয়ে শঙ্কর মালাকার, রায়গঞ্জ আসনে দীপা দাশমুন্সি, বালুরঘাটে আবদুস সাদেক সরকার, মালদহ দক্ষিণ আসনে আবু হাসেম খান চৌধুরী (ডালুবাবু), মালদহ উত্তরে ঈশা খান চৌধুরী, বহরমপুরে অধীর চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ আসনে আবু হেনা এবং জঙ্গিপুর আসনে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

যে ১১ টি আসনে কংগ্রেস তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে তার অনেকগুলিতেই বামফ্রন্টও প্রার্থী দিয়েছে। জোট জটের শুরুতে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরির হস্তক্ষেপে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনের জট কেটেছিল ঠিকই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই দুটি আসনেও প্রার্থীদের নামে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। এর ফলে রায়গঞ্জে দীপা দাশমুন্সির দল ছাড়ার প্রসঙ্গও আপাতত চাপা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

বেশ কয়েকদিন ধরেই বাম-কং আলোচনা চলছিল আসন সমঝোতা নিয়ে। কিন্তু চূড়ান্ত হওয়ার আগেই গত শুক্রবার বামফ্রন্টের বৈঠকের পর রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ ২৫টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। একতরফা প্রার্থী ঘোষণাকে ‘অপমান’ হিসাবেই নিয়েছিল কংগ্রেস। সে দিনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, বাংলায় বাম-কং আসন সমঝোতা হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

সব চেয়ে বেশি জটিলতা তৈরি হয় বীরভূম আসন নিয়ে। বামেদের প্রার্থী তালিকায় ২৫ নম্বরে বীরভূমের নির্দল প্রার্থী হিসেবে নাম ছিল রেজাউল করিমের। কিন্তু তখনও তিনি কংগ্রেসের নেতা। নিজেদের দলের লোকের নাম বাম তালিকায় দেখে ক্ষুব্ধ হন সোমেন মিত্র ও অন্যান্যরা। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রকে ক্ষোভের কথা জানান সোমেন মিত্র। এরপরই বোঝা যাচ্ছিল যে ভেস্তে যেতে চলেছে জোট।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

রবিবার সন্ধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”। আদতে সেটাই হল সোমবার রাতে। বাকি আসনে কংগ্রেস কাকে কাকে প্রার্থী করে সেটাই এখন দেখার।

>আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

২০১১ তে তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে বামকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট। জোট কংগ্রেসের পক্ষে লজ্জাজনকই হয়। কিন্তু তারপরেই তৃণমূলের কৌশলে দলটাই ভাঙতে বসে কংগ্রেসের। সব নেতাদেরই দলে ঢুকিয়ে নেয় তৃণমূল। এবার আর সেই লজ্জাজনক জোট করল না কংগ্রেস।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাম কং জোট ভাঙার পথে, বাংলায় সব আসনেই প্রার্থী চায় কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/left-congress-alliance-is-not-happening-in-bengal-congress-wants-to-contest-all-seats/ Sun, 17 Mar 2019 13:32:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8641 ভাঙার পথেই বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেস জোট বিশ বাঁও জলে। বাংলায় সব আসনেই প্রার্থী চায় কংগ্রেস। এবার দীপা দাশমুন্সি, শঙ্কর মালাকারের সঙ্গে জোট বাতিলের পক্ষে কথা বললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রও। প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে বৈঠকের পর সোমেন মিত্র বললেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”। তবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা সবটাই ছেড়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর উপর।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

শুক্রবারই একতরফা ২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দেয় বামফ্রন্ট। বামেদের তরফ থেকে বলে হয়, যে সমস্ত আসনে কোন সমস্যা নেই সেই সব আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হল। ১৭টি আসন ছেড়ে বাকি সব আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা। রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনে আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল আলিমুদ্দিন। আজ রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ মোট ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামেরা। বাকি ১৭ টির মধ্যেও আরও কয়েকটি আসনে বামেরা প্রার্থী দেবে ঘোষণা করায় বাংলায় বাম-কং জোট বিশ বাঁও জলে।

আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের পর ভারতের অংশ হবে পাকিস্তান, ঘোষণা আরএসএস নেতার

জোট জট না কাটিয়ে বামেরা প্রার্থী ঘোষনা করায় ক্ষুব্ধ হয় প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। কার্যত তখনই শুরু হয় জোটে জট। তবে এখনও জোট ভাঙার দায় নিতে চাইছে না বাম কংগ্রেসের কেউই। তবে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদের মত এই জোটের ফয়সালাও হবে সেই দিল্লিতেই। কংগ্রেস জোটের সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতেই।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনের ক্ষেত্রেও এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সীতারাম ইয়েচুরির বৈঠকে শেষ পর্যন্ত জট খোলে। ফের সেই সীতারাম ও রাহুলের হাতেই রাজ্যে আসন সমঝোতার জট খোলার দায়িত্ব পড়ল। সিপিএম কংগ্রেসকে ১১ থেকে ১৩টি আসন ছাড়তে চায়। কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস অন্তত ১৭টি আসন চায়। যার মধ্যে পুরুলিয়াও রয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া আসনে ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

জোট সঙ্গী কংগ্রেসকে চাপে ফেলে ২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেয় সিপিএম। তবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সঙ্গে আলোচনা করে নেন বিমান বসু। শুধু তাই নয়, বাকি ১৭ আসনের মধ্যেও বামেরা কয়েকটায় প্রার্থী দেবে বলেই জানিয়ে দেন বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

বসিরহাট ও পুরুলিয়া আসন দুটি নিয়ে শরিকি টানাপোড়েনে আটকে গিয়েছিল বামেদের প্রার্থী ঘোষণা। বসিরহাট ও পুরুলিয়া দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েই ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামফ্রন্ট। এদিকে কংগ্রেসকে ১৭টার বদলে ১১টা থেকে ১২টা আসন দিতে চাইছে সিপিআইএম। ফলে জট খুলতে ফের হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ চায় প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ইন্দ্রপতন, চলে গেলেন পদ্মশ্রী নৃত্যশিল্পী

এই টানাপোড়েনে শনিবার ও রবিবার দিনভর বৈঠক করেও সোমেন মিত্র, প্রদীপ ভট্টাচার্য, রবিন দেব-রা জট খুলতে পারেননি। যদিও তৃণমূল-বিজেপিকে ঠেকাতে সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির একজোট হওয়া প্রয়োজন বলে রবিবারও মন্তব্য করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। কিন্তু সঙ্গে এও জানিয়ে দেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূত মুখ পোড়াল রাজ্য সরকারের

প্রথমে বাম-কংগ্রেস সমঝোতা নিয়ে জট পেকেছিল রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসন নিয়ে। কিন্তু রাহুল গান্ধী আর সীতারাম ইয়েচুরি বসে তা মিটিয়ে নেন। কিন্তু তারপরও জট রয়ে যায়। কংগ্রেস দাবি করে পুরুলিয়া ও বসিরহাট আসন তাদের ছাড়তে হবে। কিন্তু এখানে সিপিএমের হাত বাঁধা। কারণ ওই দুটি আসন বাম শরিকদের। এই দুটি আসনেও একতরফা প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা।

আরও পড়ুনঃ তারকা যুদ্ধে বিজেপির বাজি শ্রাবন্তী, অগ্নিমিত্রা, চলছে জোর জল্পনা

এই পরিস্থিতিতে একাধিকবার কংগ্রেসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিপিএম নেতারা। কিন্তু জট কাটেনি। শরিকদের চাপে, ফ্রন্টা ঐক্যের বাধ্যবাধকতা থেকেই কার্যত শুক্রবার আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে আলিমুদ্দিন। ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু প্রেস বিবৃতিতে বলেন, “বাকি আসনগুলির কয়েকটিতে বাম এবং কয়েকটিতে কংগ্রেস লড়বে”। পুরুলিয়া এবং বসিরহাট নিয়ে বলা হয়, কংগ্রেস যদি জিতবে মনে করে তাহলে তারা সেখানে প্রার্থী দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

বিধান ভবনে বারবার বৈঠক করেও কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা। বামেদের অনড় মনোভাবের কথা জানিয়ে হাইকমান্ডের হাতে জোটের ভাগ্য ছেড়ে দিয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে বামফ্রন্টও আরও প্রার্থীর নাম ঘোষনা করে চাপে রাখতে চাইছে কংগ্রেসকে। দার্জিলিং পুরুলিয়া ও বসিরহাট নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের বামেদের প্রস্তাবও ফিরিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। সবমিলিয়ে বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট হবার সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমছে।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভোটের আগেই মমতা রাহুলকে টুইট করলেন মোদী https://thenewsbangla.com/narendra-modi-tweets-famous-indians-about-parliament-election-2019/ Wed, 13 Mar 2019 12:05:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8321 ভোটের আগে বিরোধীদের ম্যসেজ। আর তাতেই শোরগোল পরে গেল জাতীয় রাজনীতিতে। রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াবিদ, সাংবাদিক এবং অভিনেতা–অভিনেত্রীদের একটিই টুইট করেছেন নরেন্দ্র মোদী। শুরুটা কিন্তু কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে দিয়ে। তারপর বিরাট কোহলি, রণবীর সিং, ভিকি কৌশল–সহ আরও অনেকে রয়েছেন। একমাস বাদেই ভোট। তাই নিজেকে সবার সামনে ধরে রাখতেই এই টুইট কৌশল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতাদের মানসিক রুগী বলে কটাক্ষ মমতার

লোকসভা ভোট অবাধ ও স্বতঃস্ফূর্ত করার জন্য বিরোধীদের উদ্দেশে ট্যুইট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লিখলেন আরও বেশি সংখ্যক ভোটারকে উৎসাহ দিন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে। প্রথম ট্যুইটে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব ও ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিনকে ট্যাগ করেন মোদী। তাঁদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, লোকসভা নির্বাচনে যাতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ অংশ নিতে পারেন সে ব্যাপারে উৎসাহ দিন বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ৪২টি কেন্দ্রকেই স্পর্শকাতর ঘোষনার দাবি বিজেপির

পরের ট্যুইটে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী, অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুকে ট্যাগ করে একই বার্তা দেন মোদী। এরপর বেশ কয়েকটি ট্যুইটে দেশের সেলিব্রিটি অভিনেতা থেকে প্রযোজক, খেলোয়াড় থেকে শিল্পপতি, যোগগুরু থেকে বিশিষ্ট সমাজকর্মী, সবাইকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ও অন্যদের ভোটদানে উৎসাহিত করার আবেদন রাখেন মোদী।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক জীবন নিয়ে রহস্য রাখলেন ডিপ্লোম্যাটিক সুন্দরী বৈশাখী

টুইটে আর কি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?‌ টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‌নতুন প্রজন্মের অনেকেই আপনাদের অনুগামী। এটাই উপযুক্ত সময় আপনাদের বলার জন্য। আমাদের সময় এসে গিয়েছে। তাই এই সময়ে চূড়ান্ত জোশ নিয়ে মানুষকে ভোট কেন্দ্র পর্যন্ত নিয়ে আসতে হবে। কারণ এটাই গণতন্ত্রের বড় কাঠামো’‌। এই টুইটের মধ্য দিয়ে দুটি বার্তা দিতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক, সবাই যাতে ভোট দিতে আসেন তার প্রচার করতে। দুই, নতুন প্রজন্মের ভোট দান অত্যন্ত প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না

তিনি এই টুইটটি প্রথম করেন তাঁর বিরোধী সাতজন রাজনীতিবিদকে। যাঁরা এই লোকসভা নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর। তাঁরা হলেন, রাহুল গান্ধী, মমতা ব্যানার্জি, শরদ পাওয়ার, মায়াবতী, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব এবং এমকে স্ট্যালিন। জাতীয় রাজনীতিতে এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এখন নরেন্দ্র মোদীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। যে কোনও মুহূর্তে তাঁরা জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপট পাল্টাবার ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

তাই তাঁদেরকে আগে টুইট করেছেন মোদি বলে মনে করছেন অনেকে। পরের ট্যুইটে বাকি রাজনীতিবিদের ট্যাগ করেন মোদী। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী, অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুকে ট্যাগ করে একই বার্তা দেন মোদী।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকেও তিনি পৃথকভাবে টুইট করেছেন। আগামী ১১ এপ্রিল থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ভোট চলবে গোটা দেশে। তাই নিজের ব্যক্তিগত ইমেজকে তুলে ধরতেই এই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে বলে খবর। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল লতা মঙ্গেশকর এবং এআর রহমানকেও টুইট করেছেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‌এই ভোট হল মানুষের আওয়াজকে শক্তিশালী করার পথ’‌।

আরও পড়ুনঃ উত্তর পূর্বে অসম গণ পরিষদের সাথে বিজেপির মহাজোট চূড়ান্ত

বলিউডের অভিনেতা দীপিকা পাড়ুকোন, অনুষ্কা শর্মা, রনবীর সিংহ, ভিকি কৌশল, বরুন ধওয়ান, আলিয়া ভাটের মতো তরুণ অভিনেতাদের নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, দেশের যুব সম্প্রদায়কে তাঁরা যেন ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি, অমিতাভ বচ্চন, সচিন তেণ্ডুলকর, শাহরুখ খান, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, এ আর রহমানের মতো খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বের কাছেও একই আবেদন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ মুনমুন সেনকে দাঁড় করিয়ে আসানসোলে কি বাবুল সুপ্রিয়কে ওয়াকওভার দিলেন মমতা
আরও পড়ুনঃ সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের
আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
৭ দফায় লোকসভা ভোট শুরু ১১ এপ্রিল, ভোট গণনা ২৩ মে https://thenewsbangla.com/the-election-commission-announces-2019-parliament-election-dates/ Sun, 10 Mar 2019 12:03:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8018 মোট ৭ দফায় ২০১৯ লোকসভা ভোট হবে। ভোট শুরু ১১ এপ্রিল। ওই দিন প্রথম দফার ভোট। ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফার ভোট। ২৯ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোট। ৬ মে পঞ্চম দফা। ১২ মে ষষ্ঠ দফা ও ১৯ মে সপ্তম ও শেষ দফার ভোট।

প্রথম দফায় ২০ রাজ্যের ৯১টি আসনে ভোট। দ্বিতীয় দফায় ১৩ রাজ্যের ৯৭টি আসনে ভোট। তৃতীয় দফায় ১৪ রাজ্যের ১১৫টি আসনে ভোট। চতুর্থ দফায় ৯ রাজ্যের ৭১টি আসনে ভোট। পঞ্চম দফায় ৭ রাজ্যের ৫১ আসনে ভোট। ষষ্ঠ দফায় ৭ রাজ্যের ৫৯টি আসনে ভোট। সপ্তম ও শেষ দফায় ৮ রাজ্যের ৫৯টি আসনে ভোট।

আরও পড়ুনঃ সপ্তদশ লোকসভা ভোট ৭ দফায়, দেখে নিন কবে কোথায় কত আসনে ভোট

দেখে নিন একনজরে, কবে কোথায় কত আসনে ভোটঃ

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা

রাজ্যে ৭ দফাতেই লোকসভা ভোট হবে। বাংলায় ১১ এপ্রিল প্রথম দফায় ২টি আসনে ভোট। ১৮ শে এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৩ টি আসনে ভোট। ২৩ শে এপ্রিল তৃতীয় দফায় ৫ টি আসনে। ২৯ শে এপ্রিল চতুর্থ দফায় ৮ টি আসনে। ৬ মে পঞ্চম দফায় ৭ টি আসনে। ১২ মে ষষ্ঠ দফায় ৮ টি আসনে ভোট হবে। ১৯ মে সপ্তম ও শেষ দফার ভোটে ৯ টি আসনে ভোট।

ভোট গণনা হবে ২৩মে, ২০১৯। ওইদিনই জানা যাবে ভারতের শাসনভার আগামী ৫ বছরের জন্য কোন দলের হাতে থাকবে।

রবিবার বিকালেই ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা দিল্লিতে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। এবার মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৯০ কোটি। প্রায় দেড় কোটি ভোটার বেড়েছে এবার।

আরও পড়ুনঃ একনজরে দেখে নিন বাংলায় লোকসভা ভোটের তারিখ

সব রাজ্যেই ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী রুট মার্চ করবে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে। সব ভোট কেন্দ্রে থাকবে ভিভি প্যাট। ইভিএমে থাকবে প্রার্থীর ছবি।

আগামী ৩ জুন শেষ হবে চলতি লোকসভার মেয়াদ। তার আগেই ভোট পর্ব ও গননার কাজ শেষ করতে হত নির্বাচন কমিশনকে। ২০১৪-র লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ সেই বছর ৫ মার্চ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন।

লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনও একসঙ্গে হবে। ভোটের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রবিবার থেকেই চালু হয়ে গেল আদর্শ আচরণবিধি। পুলিশ প্রশাসন চলে গেল নির্বাচন কমিশনের হাতে।

৩ বছরের বেশি সময় ধরে যে সমস্ত পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা একই জায়গায় আছে তাদের অন্য জায়গায় বদলি করতে পারে নির্বাচন কমিশন।

ভোটের দিন ঘোষণার আগে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা ও বিভিন্ন রাজ্যের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, এমনকি আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের হেল্প লাইন নম্বর ১৯৫০।

]]>