Nobel Prize – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 12 May 2022 06:38:30 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Nobel Prize – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 “নোবেল পেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও কথা শুনতে হয়েছিল”, মমতার অ্যাকাডেমি বিতর্কে ব্রাত্য বাসু https://thenewsbangla.com/rabindranath-tagore-also-had-to-listen-after-received-nobel-prize-bratya-basu-defends-bangla-academy-award-to-mamata-banerjee/ Thu, 12 May 2022 06:37:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15066 “নোবেল পেয়ে রবীন্দ্রনাথকেও কথা শুনতে হয়েছিল”; মমতার অ্যাকাডেমি বিতর্কে এবার আসরে নামলেন ব্রাত্য বাসু। রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে বাংলা অ্যাকাডেমির বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই এই নিয়ে; জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা এই পুরস্কারের ‘যোগ্য’ নন; বলেই দাবি কারও কারও। বাংলা অ্যাকাডেমি পুরস্কার বিতর্কে; এবার মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কী কারণে পুরস্কার পেলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী; তা ব্যাখ্যা করলেন তিনি। ‘নোবেল পেয়ে রবীন্দ্রনাথকেও কথা শুনতে হয়েছিল’; মমতার অ্যাকাডেমি সম্মান বিতর্কে এবার এমনই মন্তব্য করলেন ব্রাত্য বসু।

মুখ্যমন্ত্রীকে সমালোচনার জবাবে ব্রাত্য বাসু বলেন; “বাজপেয়ীর কবিতা সম্মানিত হলে বিতর্ক হয় না তো; মমতাকে নিয়ে এত প্রশ্ন কীসের? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাজে অনেক অবদান রয়েছে। রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের নিয়ে তৈরি জুরি বোর্ডই; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুরস্কৃত করেছেন। রাজনীতিবিদদেরও সাহিত্য চেতনা থাকতেই পারে। কবিতার মান নিয়ে কথা বলতেই পারেন। কবিতার মান আপেক্ষিক। যাদের ইচ্ছা বিতর্ক করার তাঁরা করবেন। আপনার কী ভাল লাগল; তা আমার ভাল নাও লাগতেই পারে”।

যেকোনও ভাল কাজে বিতর্ক হওয়াই স্বাভাবিক; বলেই মত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর। তাঁর কথায়, “পৃথিবীর সব পুরস্কারেই বিতর্ক রয়েছে; কোনও পুরস্কারই বিতর্কের উর্ধে নয়। প্রশ্ন ছিল বব ডিলানের নোবেল নিয়েও; পদত্যাগের ঘটনা নোবেলেও রয়েছে; নোবেল পাওয়ার পর রবীন্দ্রনাথ-কেও কথা শুনতে হয়েছিল”।

মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাকাডেমি পুরস্কারের প্রতিবাদে; সম্মান ফেরান অনেকেই। ২০১৯ সালে পাওয়া অন্নদাশংকর স্মারক ফেরান; লেখিকা এবং গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৯ সালে বাংলা অ্যাকাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন তিনি; এবার মমতার পুরষ্কার পাওয়ার ঘটনায়, সাহিত্য অ্যাকাডেমির বাংলা উপদেষ্টা পরিষদ থেকে ইস্তফা দেন অনাদিরঞ্জন বিশ্বাসও।

গত সোমবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী-তে, রাজ্য সরকারের ‘কবি প্রণাম’ অনুষ্ঠানে; এই বছরই শুরু করা ত্রিবার্ষিক নতুন বিশেষ অ্যাকাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, “এই বিশেষ পুরস্কার তিন বছর অন্তর দেওয়া হবে তাঁদের; যাঁরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার পরেও নিরলসভাবে সাহিত্য সাধনা করে চলেছেন।

প্রথম বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবিতা বিতান’ কাব্যগ্রন্থকে স্মরণে রেখে; এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ওইদিন মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন শিক্ষামন্ত্রী নিজেই। তারপরেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয় জোর বিতর্ক।

]]>
রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছে, ঘোষণা তৃণমূল নেতার https://thenewsbangla.com/rabindranath-tagore-has-been-insulted-with-the-nobel-prize-declared-tmc-leader/ Mon, 09 May 2022 12:57:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15031 “রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছে”; ২৫শে বৈশাখ বড় ঘোষণা তৃণমূল নেতার। “বাংলার ছেলেরাই নোবেল চুরি করেছে”; পরিস্কার জানিয়ে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। সেই সঙ্গে উনি এও জানিয়ে দেন, “রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছে”।

সোমবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে; তৃণমূলের ব্লক কার্যালয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। কবির ছবিতে মাল্যদান, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি; ছিল বক্তৃতা পর্ব। অনুষ্ঠানে যোগ দেন; ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী।

রবীন্দ্র-জয়ন্তীতে মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন; “রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছিল; তাই বাংলার ছেলেরা নোবেল চুরি করেছে। আর সিবিআইও তার কিনারা করতে পারছে না”। এই নিয়ে শুরু হয় জোর বিতর্ক; বিতর্ক শুরু হতেই অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থনে সাফাইও দেন তিনি। তাঁর দাবি, ওই মন্তব্য নিছক মজা করেই নাকি বলেছিলেন।

২০০৪ সালের ২৫ মার্চ সকালে জানা যায়; বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবনের সংগ্রহশালা থেকে নোবেল পদক চুরি হয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে আরও ৫০টি মূল্যবান জিনিসও চুরি হয়; ছদিন পরেই তদন্তভার নেয় সিবিআই। প্রথম পর্যায়ের তদন্ত চলে ২০০৪ সাল থেকে ২০০৭ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত। তিন বছর ধরে তদন্তের পর; আর কোনও সূত্র না মেলায় একবছর তদন্তের কোনও কাজই এগোয়নি।

ফের নতুন সূত্র পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করে; ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আদালতে ফের তদন্ত শুরু করার আবেদন করে সিবিআই। কিন্তু ২০০৯ সালের আগস্টে, সিবিআই আদালতকে জানায়; তদন্ত এগোচ্ছে না। ফলে তা বন্ধ করার অনুমতি দেওয়া হোক। ২০১০-এর ৫ আগস্ট আদালত অনুমতি দেয়। তদন্ত আর এগোয়নি; উদ্ধারও হয়নি নোবেল।

সিবিআই তরফে, চুরি যাওয়া নোবেল পদক সম্পর্কে তথ্য দিতে পারলে; ১০ লক্ষ টাকার পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। সাহায্য চাওয়া হয়েছিল ইন্টারপোল-এর; তবে তাতেও কাজ হয়নি। উদ্ধার হয়নি রবীন্দ্রনাথের ‘চুরি’ যাওয়া নোবেল।

কবিগুরুর জন্মদিনে তাঁর নোবেল নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্য; নতুন বিতর্কের জন্ম দিল। ‘বিধায়ক পরোক্ষে নোবেল চুরিকে সমর্থন জানাচ্ছেন’; অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। “রবি ঠাকুরের চুরি যাওয়া নোবেল সিবিআই খুঁজে বের করতে পারেনি; তবে বাংলার পুলিশ সেটা খুঁজে বের করবে”, বলেও দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক।

]]>