Nasa – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 04 Apr 2019 07:45:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Nasa – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 অ্যান্টি স্যাটেলাইট টেস্ট নিয়ে নাসার অভিযোগ উড়িয়ে দিল ভারত https://thenewsbangla.com/india-denies-allegation-of-nasa-about-anti-satellite-missile-test/ Thu, 04 Apr 2019 07:18:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9928 ভারতের সাম্প্রতিক অ্যান্টি-স্যাটেলাইট টেস্ট বা স্যাটেলাইট ধ্বংস পরীক্ষা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনকেও বিপদের মুখে ফেলতে পারে, নাসা প্রকাশ্যে এই অভিযোগ করার পর ভারত তা জোরালভাবে অস্বীকার করেছে। নাসার অভিযোগ ঠিক নয়, এতে কোন বিপদের সম্ভাবনা নেই বলেই জানান হয়েছে ভারতের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে গান্ধী ও বাংলায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারতন্ত্রকে ব্রিগেডে খোঁচা মোদীর

গত ২৭ মার্চে মহাকাশে একটি অব্যবহৃত স্যাটেলাইট বা উপগ্রহকে ধ্বংস করে দেওয়া হয় এই অ্যান্টি স্যাটেলাইট অস্ত্র দিয়ে। মাত্র তিন মিনিটে এই গোটা অপারেশন শেষ হয়। এই পরীক্ষার পর আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে মহাকাশে নিজের স্থান করে নিয়েছিল ভারত। যেটা ভারতের ভবিষ্যতের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এরপরেই মহাকাশে ৪০০ টি টুকরো ঘোরা ফেরা করছে বলেই জানায় নাসা। এগুলি যে কোন মুহূর্তে বিপদ ডেকে আনতে পারে বলেই জানান হয়।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় উন্নতিতে বাধা ‘স্পীডব্রেকার’ মমতা, কটাক্ষ মোদীর

ভারতের সাম্প্রতিক অ্যান্টি-স্যাটেলাইট টেস্ট এর ফলে মহাকাশে বিশ্বের চতুর্থ শক্তি হিসাবে উঠে আসে ভারত। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার এক যুগান্তকারি ঘটনার জন্য এই দিনটাকে স্মরণ করে রাখা হবে, বলেই জানান প্রধানমন্ত্রী। এতদিন অ্যান্টি স্যাটেলাইট অস্ত্র ক্ষমতা ছিল বিশ্বের মাত্র তিনটি দেশের। আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের। এবার ভারত হল বিশ্বের চতুর্থ দেশ। মহাকাশে অ্যান্টি স্যাটেলাইট অস্ত্র থাকা মানে শত্রুর যে কোন নজরদারি স্যাটেলাইট বা উপগ্রহকেও ধ্বংস করতে পারবে ভারত।

আরও পড়ুনঃ বারবার স্বামী বদল করেন স্মৃতি ইরানী, কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ কংগ্রেস জোটসঙ্গীর

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা-র প্রধান এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, “গত সপ্তাহে ভারতের ওই পরীক্ষার জেরে মহাকাশে চারশোরও বেশি ‘স্পেস ডেব্রি’, অর্থাৎ ধ্বংস হওয়া স্যাটেলাইটের বিপজ্জনক টুকরো তৈরি হয়েছে। যে যে কোন মুহূর্তে বিপদের মুখে ফেলতে পারে অন্যান্য উপগ্রহকে, জানিয়ে দেয় নাসা।

আরও পড়ুনঃ বছরে ৩৪ লাখ সরকারি চাকরি, কৃষক বাজেটের প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস ম্যানিফেস্টোতে

ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা কিন্তু দাবি করছেন, লো অরবিটে তৈরি হওয়া ওই সব ডেব্রি খুব দ্রুতই পৃথিবীতে নেমে আসবে বা বিলীন হয়ে যাবে। ফলে তা থেকে বড় কোনও বিপদের আশঙ্কাই নেই।

আরও পড়ুনঃ গাধা না ঘোড়া, দিনভর বিতর্কের পর জানা গেল খচ্চরের পিঠে ভোটপ্রার্থী

গত বুধবার ভারত যখন সফলভাবে মহাকাশে স্যাটেলাইট ধ্বংস করার কথা ঘোষণা করেছিল, তখন তাদের এটাও জানা ছিল যে এই পরীক্ষার ফলে যে সব স্পেস ডেব্রি তৈরি হবে তার জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনারও সম্মুখীন হতে হবে।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী ইস্তাহারে রাহুলের ছোট ছবি ব্যবহার করায় চটে লাল সনিয়া

কিন্তু মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা-র প্রধান জিম ব্রাইডেনস্টাইন যেরকম কঠোর ভঙ্গীতে এর বিপদের দিকটি তুলে ধরেছেন অতটা ভারতও কিন্তু আশা করেনি। নাসার প্রধান জানিয়েছেন, “ভারতের চালানো ওই একটা টেস্ট থেকে তৈরি হওয়া চারশোরও বেশি ডেব্রি আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি”।

মমতার সাথে নয়, রাজ্যস্তরের অন্যান্য নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীকে লড়ার চ্যালেঞ্জ দিলেন জ্যোতিপ্রিয়

“যার অন্তত ষাটটা ডেব্রি আমরা ট্র্যাক করতে পারছি, আর তার মধ্যে থেকে অন্তত চব্বিশটা তো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কক্ষপথেরও ওপরে চলে গেছে”। এমনটাই জানান হয় নাসার তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থানে বিমানবাহিনীর হামলা, বাংলায় কাঁদল দিদি

এটা একটা ‘টেরিবল, টেরিবল থিং’-মানে সাঙ্ঘাতিক বিপজ্জনক ঘটনা। স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীরা এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ নিরাপদ আছেন ঠিকই-তবে দশ দিনের ভেতর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কোনও ডেব্রি আঘাত করতে পারে, সেই ঝুঁকি এখন অন্তত ৪৪ শতাংশ বেড়ে গেছে। পরিস্কার জানিয়ে দেয় নাসা।

আরও পড়ুনঃ চৌকিদারের ডান্ডা দেখে ভয় পেয়েছে কংগ্রেস, মন্তব্য বিবেকের

এরপরেই মুখ খোলে ভারত। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-র প্রধান ড: জি সতীশ রেড্ডি বলেছেন নাসার এই মূল্যায়নের সঙ্গে তারা মোটেও একমত নন। নাসার এই ধারণা একদম ভুল।

আরও পড়ুনঃ মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন

ড: রেড্ডি বলছেন, “অ্যান্টি-স্যাটেলাইট টেস্টের জন্য আমরা কিন্তু ইচ্ছে করেই লো অরবিট বা কম উচ্চতার নিশানা বেছে নিয়েছিলাম। কারণ একটি দায়িত্ববান রাষ্ট্র হিসেবে মহাকাশের বিভিন্ন অ্যাসেট যাতে অক্ষত থাকে, নিরাপদ থাকে সেটা দেখাও আমাদের দায়িত্ব ছিল।” “আর তা ছাড়া যেটুকু ডেব্রি তৈরি হয়েছে সেটাও খুব দ্রুত মিলিয়ে যাচ্ছে, আমরাও ঠিক সেটাই চেয়েছিলাম”।

আরও পড়ুনঃ শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য রাজ্য সরকারের সাহায্য চাইলেন কমিশনের পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে

এই নিয়ে বিতর্ক যে ৭ দিন পরেও থামছে না সেটাই দেখা যাচ্ছে। আর নাসার এই বক্তব্যকে ফের হাতিয়ার করেছে দেশের বিরোধী দলগুলি। মোদীর ভোট চমক বলেই তারা এই পরীক্ষাকে ফের অভিহিত করেছে। বিরোধীদের ভোট প্রচারের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এই অ্যান্টি স্যাটেলাইট টেস্ট ও তা নিয়ে নাসার অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ বিবেক দুবেকে তৃণমূলের এজেন্ট বলে কটাক্ষ মুকুল রায়ের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রহস্যভেদ করতে সূর্যের সবচেয়ে কাছে ‘পার্কার সোলার প্রোব’ https://thenewsbangla.com/the-nasa-parker-solar-probe-closest-to-the-sun-to-reveal-the-secret/ Tue, 30 Oct 2018 06:07:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1667 The News বাংলা: সূর্যের কাছে পৌঁছে গেল মানব সভ্যতা। সূর্য রহস্যভেদ করতে সূর্যের একেবারে কাছে পৌঁছে গেল মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার পার্কার সোলার প্রোব নামে একটি উপগ্রহ। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন বুধবার এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে পৌঁছে সর্বকালীন রেকর্ড গড়বে।

Image Source: Google

সূর্যের রহস্য ভেদ:
সূর্যের রহস্য ভেদের এক মিশন নিয়ে পার্কার সোলার প্রোব নামে একটি উপগ্রহ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। যানটিকে গত ১২ অগস্ট সূর্য অভিযানের জন্য রওনা করা হয়েছিলো।

আরও পড়ুন: বাঁচার সম্ভাবনা নেই, বিমান দুর্ঘটনায় ১৮৯ জনেরই মৃত্যুর আশঙ্কা

নির্ধারিত সময়ের একদিন পর ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে নাসার নভোযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি সূর্যের ৬০ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে গিয়ে পৌঁছাবে এবং সূর্যের এত কাছাকাছি এর আগে কোন যানই যেতে পারে নি।

Image Source: Google

সূর্যের যে উজ্জ্বল আলোকছটার অংশটি সূর্যগ্রহণের সময় দেখা যায় – যাকে বলে ‘করোনা’, এই যানটি তার ভেতর দিয়ে উড়ে যাবে। বলা হচ্ছে, ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি তাপ সহ্য করার ক্ষমতা রয়েছে প্রোবের।

আরও পড়ুন: ফের ভাঙছে হিমবাহ, ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পৃথিবী

চারটি ডেল্টা-ফোর রকেট দিয়ে উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে ‘প্রোব’ কে উৎক্ষেপণের কথা ছিল শনিবার সকালে। তবে শেষ মূহুর্তে বাড়তি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তা ১৪ ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

Image Source: Google

অবিশ্বাস্য গতির নভোযান:
সাত বছর ধরে সূর্যের চারদিকে ২৪ বার প্রদক্ষিণ করবে এই স্যাটেলাইট। সে সময় এটির গতি হবে ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬,৭০,০০০ কিলোমিটার। ৬০ লাখ কিলোমিটার দূর থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকবে নাসার এই স্যাটেলাইট।

আরও পড়ুন: বিশ্বে আলোড়ন ফেলে চুমু খেতে রাজি সোফিয়া

এই প্রকল্পের অন্যতম বিজ্ঞানী ড. নিকি ফক্স বলেছেন, “আমি বুঝতে পারছি ৬০ লাখ কিমি দূরত্বকে কখনই নিকট দূরত্ব বলে মনে হবে না, কিন্তু যদি ধরে নেয়া হয় ভূপৃষ্ঠ এবং সূর্যের দূরত্ব এক মিটার, তাহলে প্রোব সূর্য থেকে মাত্র ৪ সেমি দূরে থাকবে।

প্রোব যে গতিতে চলবে তা নজিরবিহীন। ড ফক্স বলছেন,”এত দ্রুতগতির কোনো কিছু আগে তৈরি হয়নি। সূর্যের চারদিকে এটি প্রতি ঘণ্টায় ৬,৯০,০০০ কিমি পর্যন্ত গতিতে ঘুরবে। অর্থাৎ এই গতিতে নিউইয়র্ক থেকে টোকিও যেতে লাগবে এক মিনিটেরও কম সময়।”

Image Source: Google

নাসার পার্কার সোলার প্রোব এর কাজ:
বলা হচ্ছে, মনুষ্য-বিহীন এই নভোযান, যেটি একটি স্যাটেলাইটের মত কাজ করবে, তা সূর্যের যতটা কাছে যাবে এর আগে মানুষের তৈরি কোন যান এত কাছে যায়নি।

আরও পড়ুন: ইনিই এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম

সূর্যের চারদিকে উজ্জ্বল আভাযুক্ত যে এলাকা, যেটি ‘করোনা’ নামে পরিচিত, সরাসরি সেখানে গিয়ে ঢুকবে এই স্যাটেলাইট। তারপর সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণ করতে করতে বোঝার চেষ্টা করবে এই নক্ষত্রের আচরণ।

গত ৩ অক্টোবর এই যানটি শুক্র গ্রহের পাস দিয়ে আগে চলে গেছে। নাসার বৈজ্ঞানিকরা এই কথা জানিয়েছেন। পার্কার সোলার প্রোব, ওখান দিয়ে এগিয়ে যাবার পরে বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে এই যান থেকে পাওয়া ডেটা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে যানটি নিজের সঠিক পথেই এগোচ্ছে।

Image Source: Google

নাসার তরফ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এইভাবে এগোতে থাকলে আগামীকাল ৩১ অক্টোবর এই যানটি প্রথম বার সূর্যের সবচেয়ে সামনে আসবে। যানটি এই পথে ১২ দিন থাকার পরে আবার নিজের যাত্রায় সূর্যের সামনে থেকে সরে যাবে।

আরও পড়ুন: লাইফ বিয়ন্ড ডেথ’, কী ভাবে জানবেন মৃত্যুর পর কী

এই যানটি মঙ্গলবার সূর্যের ২৬.৫৫ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে চলে এসেছে। সেই জন্যে এটিও একটি রেকর্ড। এর আগে ১৯৭৬ সালে জার্মানী এবং আমেরিকার সংযুক্ত অভিযানে যে মহাকাশ যান পাঠানো হয়েছিলো, সেটি প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ কিলোমিটার পর্যন্ত গিয়েছিল। সেই অভিযানের মহাকাশ যানের নাম ছিলো হ্যেলিয়োস ২।

Image Source: Google

তবে এখানেই শেষ নয়। নাসার বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে, নিজের অক্ষ পথে ঘুরতে ঘুরতে এই যানটি ২০২৫ সালে সূর্যের সবচেয়ে কাছে পৌঁছাবে। সেখান থেকে এই যানটি সূর্যের কেন্দ্র এবং বাইরের আবরন সম্বন্ধে ডেটা এবং চিত্র পাঠাবে। এর মধ্যে এই যানটি ২৪ বার অন্য সব গ্রহের কাছে দিয়ে এগিয়ে যাবে। শুক্র গ্রহের কাছে এই যানটি আরও ৬ বার যাবে।

এই যান টি সূর্য অভিযানে পাঠিয়ে বৈজ্ঞানিকরা জানতে চান যে সূর্যের ঠিক কেন্দ্র সব সময় কি হয় এবং সূর্যের বাইরে কি চলতে থাকে। আসলে সূর্যে সব সময় প্রচন্ড বেগের ঝড় ওঠার কোন সম্পর্ক এর ভেতরে আছে কি না। এই ব্যাপারে নতূন কিছূ জানা গেলে এই সৌরজগতের সৃষ্টি এবং বাকি সব ব্যাপারে নতূন তথ্য জানতে পারা যাবে।

Image Source: Google

নাসার এই অভিযানকে মানবজাতির এখনও পর্যন্ত সেরা সৌর অভিযান বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। সৌর বিজ্ঞানীরা এখন উৎসাহ নিয়ে তাকিয়ে আছেন, নাসার পার্কার সোলার প্রোব উপগ্রহ এর দিকে।

]]>