Narendra Modi Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 13 Jun 2019 09:58:18 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Narendra Modi Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ছয় মাসের রাষ্ট্রপতি শাসন জারি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-decided-to-issue-president-rule-for-six-month/ Thu, 13 Jun 2019 09:58:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13738 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট এর বৈঠকে; তিন তালাক ও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। মন্ত্রীসভার বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ও মুখপাত্র প্রকাশ জাভড়েকর; সাংবাদিক সম্মেলন করে; মোদী ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।

গত লোকসভাতেই তিন তালাক বিলকে; নরেন্দ্র মোদী ক্যাবিনেট ছাড়পত্র দেয়। লোকসভায় পাশও হয়ে যায় এই বিল। কিন্তু রাজ্যসভায়; বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ না থাকায় বিলটি আটকে যায়। ষোড়শ লোকসভা ভঙ্গ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিল বাতিল হয়ে গেছিল; কারণ এই বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভা থেকে পাশ করানো সম্ভব হয়নি।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর বলেন; “এই বিল আবার সংসদে পেশ করা হবে। বিরোধী দলগুলো এই বিল নিয়ে যে যে আপত্তি দেখিয়েছিল; সেগুলোর উপরেও বিচার করা হবে”। আগামী ১৭ই জুন সংসদ আবার শুরু হবে; এবং সপ্তদশ লোকসভার প্রথম অধিবেশনেই এই বিলকে পেশ করা হবে। এমনটাই পরিষ্কার জানিয়ে দেন প্রকাশ জাভড়েকর।

তিনি জানান, “সরকার দুইবার তিন তালাক নিয়ে অর্ডিন্যান্স জারি করেছে। মুসলিম মহিলা (বিবাহ অধিকার সংরক্ষণ) বিল ২০১৯ অনুযায়ী; তিন তালাক দেওয়া অসাংবিধানিক এবং বেআইনি ঘোষণা করা হবে। এবং কোন মুসলিম ব্যাক্তি যদি তাঁর স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়; তাহলে তাঁকে হাজতে পাঠানো হবে”।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের মিটিংয়ে; জম্মু কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন ছয় মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জম্মু কাশ্মীরে আগামী ২রা জুলাই রাষ্ট্রপতি শাসন শেষ হতে চলেছে। নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রীসভার এই নতুন সিদ্ধান্তে; ৩রা জুলাই থেকে আরও ৬ মাসের জন্য; জম্মু কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি থাকবে।

মোদী মন্ত্রীসভায় সিদ্ধান্ত হয়; জম্মু কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমান্তে থাকা; গ্রামবাসীদের সংরক্ষণ দেওয়া হবে। এর আগে এই সংরক্ষণ; শুধু লাইন অফ কন্ট্রলের আশেপাশে থাকা গ্রামবাসীরাই পেতেন। এবার ৪৩৫ টি গ্রাম এবং সাড়ে তিন লক্ষেরও বেশি মানুষ সরকারের এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

মন্ত্রীসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০০ পয়েন্ট রোস্টার জারি হবে। আর সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই, কমিটি গঠন করে; সংরক্ষণ চালু করার নির্দেশ দেওয়া হবে। এর জন্য বিল পেশ করা হবে। জেনারেল কাস্টের জন্য ৫০%+১০% সংরক্ষণ জলদি চালু করা হবে।

]]>
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় বসেই জাতীয় সড়ক নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-takes-big-decision-with-the-national-high-way/ Mon, 03 Jun 2019 12:47:17 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13491 জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে; দেশজুড়ে ১২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। দেশ জুড়ে ন্যাশান্যাল হাইওয়ের কাজ চলায়; এমনিতেই কাটা যাচ্ছে; লক্ষ্য লক্ষ্য গাছ। আর তাই সেই দিকে তাকিয়েই দেশ জুড়ে; ১২৫ কোটি গাছ লাগাবার ঘোষণা নতুন বিজেপি সরকারের।

পরিবেশের উন্নয়ন ও সবুজায়নে; উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহন কেন্দ্রের সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রনালয়ের। যার মূল কান্ডারী; কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করী। কাজের দক্ষতার মূল্যায়ন; মোদী সরকারের দ্বিতীয় টার্মেও গতবারের মতো নিতিন গড়করীর হাতেই সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব ছেড়েছে কেন্দ্র। আর দায়িত্ব হাতে নিতেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে; বড় সিদ্ধান্ত নিলেন নিতিন গড়কড়ী।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর মানসিক সুস্থতা কামনা করে পোস্টকার্ড পাঠানোর ভাবনা বিজেপির

সারা দেশ জুড়ে জাতীয় সড়কের দুই পাশে; দেশের জনসংখ্যার সাথে সামঞ্জস্য রেখে; ১২৫ কোটি গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবং ২০২২ সালের মধ্যেই মাত্র ৩ বছরে; এই ১২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি সম্পূর্ণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপিকে ঠেকাতে নবান্নে মমতার সমন্বয় বৈঠক, ডাক সব নেতাকেই

মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহনের পর; বাড়ি ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েই নিতিন গড়করী জানান; ইতিমধ্যেই এই কর্মসূচিতে হাত লাগানো শুরু হয়ে গিয়েছে; এবং দেশের সমস্ত প্রান্তেই সবুজায়নের এই উদ্যোগ শীঘ্রই শুরু হবে। ৩ বছরের মধ্যেই; এই প্রকল্প শেষ হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ জয় শ্রী রাম লেখা ১০ লাখ পোস্টকার্ড মমতার বাড়িতে যাচ্ছে

গতবার সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন; প্রতিদিন সারা দেশে গড়ে ৩২ কিলোমিটার করে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী দেড় বছরে প্রতিদিন গড়ে ৪০ কিলোমিটার; জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানান নিতিন গড়করী।

তার প্রকল্পিত দিল্লি মুম্বাই মহাসড়কের কাজও; দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে বলে জানান তিনি। এখনো পর্যন্ত মহাসড়ক সম্প্রসারণের কাজ ৬০% সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানান তিনি। বাকিটুকু আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই; সম্পূর্ণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

]]>
পাকিস্তানে ঢুকে দুই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে ফির একবার মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-will-return-to-power-after-two-surgical-strikes/ Tue, 26 Feb 2019 14:15:43 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7188 দুটো সার্জিক্যাল স্ট্রাইকই ফের ক্ষমতায় আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদীকে, এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক মহল। পাকিস্তানের সীমানা পেরিয়ে পাক অধ্যুষিত কাশ্মীরে প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর ভারতের আমজনতার সমর্থন পেয়েছে মোদী সরকার। আর এবার পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের নির্দেশ দিয়ে ভোটের ঠিক আগে মানুষের মন জিতলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মঙ্গলবারের সাহসী বিমান হামলা আরও একবার ক্ষমতায় আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপিকে।

আরও পড়ুনঃ সেনার সঙ্গে রাত জেগে পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি খতমের নেতৃত্বে চৌকিদার

বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে ‘ফির একবার মোদী সরকার’ এর তথ্য। টাইমস মেগা সমীক্ষায় উঠে এসেছে, লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারকেই ফের মসনদে দেখতে চেয়েছেন ৮৩.০৩% মানুষ। মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকেই ক্ষমতায় দেখতে চেয়েছেন অধিকাংশ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীর পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে তাঁর পক্ষে ভোট পড়েছে ৮.৩৩%।

আরও পড়ুনঃ বাজপেয়ীর মত ভুল করেননি, পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করলেন মোদী

ক্ষমতায় আসবে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এবিপি নিউজ-সি ভোটারের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান হয়। এবিপি নিউজ চ্যানেলে সম্প্রচারিত এই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, এনডিএ পাবে ২৭৬টি আসন। তাদের ভোট শেয়ার থাকবে ৩৮ শতাংশ। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ১১২টি আসন পাবে বলে সমীক্ষায় পূর্বাভাস করা হয়েছে। তাদের ভোট শেয়ার হবে ২৫ শতাংশ। অন্যান্যরা ৩৬ শতাংশ ভোট শেয়ার সহ ১৫৫টি আসন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জঙ্গি মারল ভারতের বিমান

সম্প্রতি একটি অনলাইন সমীক্ষা করেছিল ডেইলিহান্ট ও নিয়েলসন ইন্ডিয়া। ওই সমীক্ষায় মতামত নেওয়া হয়েছিল ৫৪ লাখ মানুষের। এদের মধ্যে ছিলেন প্রবাসী ভারতীয়রাও। সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ৬৩ শতাংশ ভারতীয় জনগণের আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ওপর। পাশাপাশি ৫০ শতাংশ মানুষ চাইছেন ফের প্রধানমন্ত্রী হোন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় সেনার উপর নজরদারি করতে এসে গুলিতে ধ্বংস পাক গুপ্তচর ড্রোন

এদিকে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর দিনও রাত জেগে জঙ্গি খতমের নেতৃত্বে ছিলেন মোদী।
২৬ শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯ এও সেই নরেন্দ্র মোদীই দিলেন নেতৃত্ব। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ১ এর মত সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ২ এর সময়ও প্রধানমন্ত্রী মোদী নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকের দফতরে বসে গোটা অপারেশন ‘মনিটর’ করলেন।

আরও পড়ুনঃ ১৯ মিনিটের বিমান হানায় ধ্বংস জইশ ই মহম্মদের জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প

মঙ্গলবার ভোরে, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েই শুধু নয়, পাকিস্তানের অন্তত ৪০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়ে ভারতীয় বিমান বাহিনী। ভারতীয় বায়ুসেনার ১২টি মিরাজ ২০০০ বিমান আছড়ে পড়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও মূল পাক ভূখণ্ডে ৷ ১০০০ কেজি বোমা ফেলা হয় জঙ্গিঘাঁটি গুলিতে৷

আরও পড়ুনঃ ভারতের চাপে নাভিশ্বাস পাকিস্তানের ফের একটা সুযোগ ভিক্ষা

প্রায় ১০০০ কেজি বোমা ফেলে তারা। ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয় বালাকোট, মুজাফরাবাদ ও চকোটিতে জঙ্গিশিবিরগুলি। ২০ মিনিটের মধ্যে অপারেশন শেষ করে ভারতে ফেরে বিমানগুলি। এই হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি সহ বহু জঙ্গিশিবির গুঁড়িয়ে দিয়েছে বায়ুসেনা। পুরো ব্যাপারটা নিজে সাউথ ব্লকের ওয়ার রুমে বসে ‘মনিটর’ করলেন ‘চৌকিদার’ নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ পাক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মোদীকেই যোগ্য বলছেন দেশের মানুষ

আর এর জেরেই দেশ জুড়ে খুশির হাওয়া। গোটা দেশের মানুষ প্রায় উৎসবে মেতেছেন বলা যায়। আবির খেলে, মিষ্টি খাইয়ে রীতিমত উৎসব পালন করছেন দেশের প্রায় সব রাজ্যের মানুষ। পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে এতদিনের একের পর এক জঙ্গি হামলার বদলা নিয়েছে ভারত। আর পিছনে সাহসী সিদ্ধান্ত সেই একটি মানুষেরই। দেশের ‘চৌকিদার’ নরেন্দ্র মোদী। আর এর ফলে ভোটের ঠিক আগে জনমানসে মোদীর ভাবমূর্তি যে আরও উজ্জ্বল হল, বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে, ‘ফির একবার মোদী সরকার’ এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র, বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরাও।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
LIVE: ৫ লাখ টাকা আয় পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড়, বড় ঘোষণা মোদী সরকারের https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-presented-interim-budget-in-parliament-now/ Fri, 01 Feb 2019 05:54:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6269 LIVE: ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের বাজেট পেশ। জানুন সরাসরি, কি ঘোষণা হল মোদী সরকারের শেষ বাজেটে। ভোটে জেতার আগেই, ২০২২ এর মধ্যে নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্য বলেই জানিয়ে দিলেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। সরাসরি জানুন বাজেট ঘোষণা।

লোকসভা ভোটের আগে শেষ বাজেট মোদী সরকারের। অরুণ জেটলির অসুস্থতার জন্য লোকসভায় অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। ভোটের আগে শেষ বাজেটে একাধিক জনমোহিনী প্রকল্প ঘোষণা।

বাজেট ঘোষণা সরাসরিঃ কৃষকদের আয় দ্বিগুন করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান যোজনা চালু করা হয়েছে। ছোট কৃষকদের জন্য বার্ষিক ৬ হাজার টাকা করে সাহায্য করা হবে। ২ হেক্টর জমি আছে এমন সব কৃষকরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। ২ হেক্টরের কম জমির মালিকদের সাহায্য করতে বছরে ৬০০০ টাকা করে দেবে কেন্দ্র। এই টাকা সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। ১২ কোটি কৃষক এর ফলে উপকৃত হবেন।

LIVE: সংসদে নরেন্দ্র মোদী সরকারের শেষ বাজেট পেশ হচ্ছে/The News বাংলা
LIVE: সংসদে নরেন্দ্র মোদী সরকারের শেষ বাজেট পেশ হচ্ছে/The News বাংলা

সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে গোয়েল এদিন দাবি করেন, জিডিপি বৃদ্বির হার বৃদ্ধি হয়েছে। বেড়েছে বিদেশি বিনিয়োগ। উল্টো দিকে কমে গিয়েছে মূদ্রাস্ফীতির হার। এ ছাড়া গোয়েলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গৃহ নির্মাণের পরিমাণ তিন গুণ বেড়েছে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় রাস্তা তৈরির পরিমাণও বেড়েছে তিন গুণ।

রেলের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, প্রয়োজনে আরও বাড়ানো হবে। যাত্রী নিরাপত্তার নিরিখে এটাই নিরাপদতম বছর। গত পাঁচ বছরে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে ১০ লক্ষ। অপ্রচলিত শক্তির উৎস বাড়াতে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়েছে। ব্রডগেজ লাইনে সমস্ত রক্ষীবিহীন লেভেল ক্রসিং তুলে দেওয়া হয়েছে। ইপিএফ-এর সদস্য হলে মিলবে ৬ লক্ষ টাকার বিমা। সেনা বিভাগের কর্মী-অফিসারদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব।

ফসলের নুন্যতম সহায়ক মুল্য চালু করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার বরাদ্দ বৃদ্ধি। দেশে ২১৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে, যা সবচেয়ে বেশি আগে কোনোদিন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ১.৫ কোটি বাড়ি তৈরি হয়েছে। মুদ্রা প্রকল্পে ১৫ লক্ষ্য কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে।

২০২১ এর মধ্যে দেশের সব মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে। শিল্প শ্রমিকদের বোনাস বাড়িয়ে দ্বিগুন করা হল। অবসরের আগে মারা গেলে শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড দ্বিগুন দেওয়া হবে। শ্রমিকদের নুন্যতম পেনশন ১০০০ টাকা করা হল। শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের পরিমাণ ২.৫ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হল। গ্রাচুইটির পরিমাণ ১০ লক্ষ্য টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ্য টাকা করা হল।

LIVE: সংসদে নরেন্দ্র মোদী সরকারের শেষ বাজেট পেশ হচ্ছে
LIVE: সংসদে নরেন্দ্র মোদী সরকারের শেষ বাজেট পেশ হচ্ছে/The News বাংলা

‘প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা’য় এক কোটি যুবককে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আগামী অর্থবর্ষে ‘প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা’য় ৮ কোটি গ্যাস কানেকশন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সংরক্ষিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের পেনশন ন্যূনতম ৩০০০ টাকা করা হল। মাছ চাষে উৎসাহ বাড়াতে ও সাহায্য করতে তৈরি হবে পৃথক মৎস্য দফতর।

বাজেটে গো-রক্ষায় নয়া প্রক্লপের ঘোষণাও করলেন পীযূষ গোয়েল। গো-প্রজনন এবং রক্ষণাবেক্ষণে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হল। ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল যোজনা’ নামে এই প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৫০ কোটি টাকা। এছাড়া মাছ চাষে উৎসাহ দিতে এবং সাহায্য করতে আলাদা দফতর গঠন করার প্রস্তাবও দেওয়া হল অন্তর্বর্তী বাজেটে।

শ্রমিক পেনশনে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। প্রতিরক্ষা খাতে ৩ লক্ষ্য কোটি টাকা দেওয়া হল বাজেটে। এক পদ এক পেনশন প্রকল্পে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। পশুপালনে ৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। ১২ লক্ষ্য কোটি টাকা প্রত্যক্ষ কর আদায় হয়েছে গত আর্থিক বছরে। আগামী ৫ বছরে ১ লক্ষ্য ডিজিটাল গ্রাম তৈরি হবে।

প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থা ও আয়কর রিটার্ন ব্যবস্থা অনেক সহজ করা হয়েছে। রেল মানচিত্রে প্রথমবার যুক্ত হচ্ছে অরুণাচল প্রদেশ। ১ কোটি যুবককে জীবিকা অর্জনের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জন ধন যোজনায় ৬৪ কোটি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। উত্তর-পূর্বের জন্য পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বরাদ্দ ২১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, বরাদ্দ হয়েছে ৫৮১৬৬ কোটি টাকা।

‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পে ১০ লক্ষ পরিবার উপকৃত হয়েছে। হরিয়ানায় ২২তম এইমস প্রতিষ্ঠিত হবে। ৩ লক্ষ কোটি টাকার অনাদীয় ঋণ উদ্ধার হয়েছে। ২০১৮-১৯ সালে রাজস্ব ঘাটতি কমে হয়েছে ৩.৪। চাকরি ক্ষেত্রে উচ্চ বর্ণের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করেছে সরকার। রাজস্ব ঘাটতি জিডিপি-র ২.৫ শতাংশ হয়েছে। একশো দিনের কাজে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব বাজেটে।

৫ লাখ টাকা আয় পর্যন্ত কোন ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে না। এলআইসি, সেভিংস সার্টিফিকেট জাতীয় কোন কিছু থাকলে আরও দেড় লাখ মানে ৬.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকামে ট্যাক্স দিতে হবে না। ভোটের আগে বড় ঘোষণা মোদী সরকারের। ২ কোটি টাকা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে কর ছাড়। ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে।

২০২০ পর্যন্ত নতুন বাড়ি কেনা বা তৈরি করলে, আয়করে ছাড় পাওয়া যাবে। বাড়ি বিক্রির মাধ্যমে হওয়া আয়ের ক্ষেত্রে ২ বছর পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যাবে। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রোজগারে করছাড়ের প্রস্তাব। এককথায় এক ধাক্কায় দ্বিগুণ হল করছাড়ের উর্ধ্বসীমা। প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সেভিংস বিনিয়োগের দৌলতে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাবেন মানুষ। মধ্যবিত্তরা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
আয়করে ছাড় দিয়ে পেশ হচ্ছে মোদী সরকারের ‘মানুষের বাজেট’ https://thenewsbangla.com/interim-budget-on-1st-february-will-be-public-budget-by-modi-government/ Tue, 15 Jan 2019 08:12:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5634 লোকসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট সংসদে পেশ হচ্ছে শুক্রবার ১লা ফেব্রুয়ারী। মনে করা হচ্ছে এই অন্তর্বর্তী বাজেট ভারতবাসির জন্য অনেক খুশির খবর বয়ে নিয়ে আসছে। লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই এই বাজেট যে জনমুখি হবে সে নিয়ে কোন সন্দেহই নেই। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই মানুষ জানতে পারবে এই মোদী সরকারের শেষ বাজেট। রেল ও সাধারণ বাজেট একসঙ্গেই পেশ করবেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

আগামী এপ্রিল-মে মাসে দেশে লোকসভা ভোট। তার আগে এটাই বর্তমান সরকারের শেষ বাজেট। বাজেট পেশ করবেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। অন্তর্বর্তী বাজেট বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গোটা বছরের বাজেটের মতোই হয়। ভোটের আগে বেশ কিছু জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত মোদী সরকার এই বাজেটে ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে হয়েছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। চলবে ১৩ ফেব্র‌ুয়ারি পর্যন্ত। অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ হবে আজ শুক্রবার। ভোটের মুখে জনমুখি বাজেট এর আশা মানুষের। আশঙ্কা কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলির। বৃহস্পতিবারই রাষ্ট্রপতির ভাষণে আয়কর ছাড়ের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই পেশ হচ্ছে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রায় পৌনে পাঁচ বছরের জমানায় পেশ হয়েছে পাঁচটি বাজেট। আগামী লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই পেশ হচ্ছে এই অন্তর্বর্তী বাজেট। ওই বাজেট যেহেতু নির্বাচন-মুখী, স্বাভাবিক ভাবেই কর ছাড়ের বহর বাড়তে পারে বলেই ধারণা করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

গত সপ্তাহেই একটি সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, মধ্যবিত্ত সম্পর্কে ধারনা পাল্টে দিতে হবে দেশে। এরপরই, মধ্যবিত্তের জন্য একাধিক পরিকল্পনা করে ফেলে কেন্দ্র। যার ঘোষণা হতে পারে মোদী সরকারের শেষ বাজেটে। সূত্রের খবর, মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে বিশেষ সুরাহা দিতে আয়করে অতিরিক্ত ছাড়ের ঘোষণা করতে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।

প্রশ্ন একটাই, আয়কর স্তরে কোনও পরিবর্তন আনবে কি বিজেপি সরকার? লোকসভা ভোটের মুখে এই নিয়েই আশায় বুক বাঁধছে আমজনতা। ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের মুখ থেকে বড় কিছু ঘোষণা আশা করছে দেশের মানুষ। লোকসভা ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করবেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী। পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে ভোটের পর। ফলে ভোটের আগে বাজেটের মতো একটি ইভেন্টকে নিঃসন্দেহে ব্যবহার করতে ছাড়বে না মোদী সরকার, আশা মানুষের। আশঙ্কা বিরোধীদের।

জানা যাচ্ছে, আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা ২.৫ লক্ষ্য টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩.৫ লাখ টাকা করতে পারে মোদী সরকার। ৮০সি ধারায় করমুক্ত সঞ্চয়ের সীমা ১.৫ লক্ষ্য টাকা থেকে বাড়ানো হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। গৃহঋণে কর ছাড়ের পরিমাণও বাড়াতে পারে মোদী সরকার, আশা মানুষের।

সূত্রের খবর, এবারের বাজেটে বেতনভূক মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে আয়করের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দিতে পারে সরকার। এছাড়া, জমায় ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে পেনশনভোগীদের জন্য করে ছাড় এবং গৃহঋণে সুদের হারে অতিরিক্ত ছাড়ের ঘোষণা হতে পারে বাজেটে। গত ৪ বছরে আয়করের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, করের স্ল্যাবও কমানো হয়েছে। ফলে একজন নাগরিক সর্বাধিক ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বছরে সাশ্রয় করতে পারছেন।

২০১৪ লোকসভা ভোটের আগে ২০১৪-র ফেব্র‌ুয়ারিতে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিলেন ইউপিএ সরকারের অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সে বছর জুলাইয়েই পূর্ণ বছরের বাজেট পেশ করেন অরুণ জেটলি। সূত্রের খবর, ভোটের কথা মাথায় রেখে আজকের অন্তর্বর্তী বাজেটে দেশের আপামর মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য বাজেট ঢেলে সাজিয়েছে মোদী সরকার।

আর বাজেটে মধ্যবিত্তদের জন্য বিশেষ ছাড় দিয়ে আগামী লোকসভা ভোটে জিতে ফের ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে ঝাঁপাতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। কিছুক্ষণের মধ্যেই বোঝা যাবে ভোটের আগে ঠিক কতটা কল্পতরু হলেন নরেন্দ্র মোদী।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
উচ্চবর্ণের গরীব হিন্দুদের জন্য সংরক্ষণ মোদীর, দেশ জুড়ে বিতর্ক https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-approves-10-reservation-for-economically-backward-upper-castes-hindus/ Mon, 07 Jan 2019 16:56:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5283 The News বাংলা: ৬৬০০০ টাকা মাস মাইনে পাওয়া উচ্চবর্ণের হিন্দুদের জন্য এবার সংরক্ষণ নরেন্দ্র মোদীর। আর তাই নিয়েই দেশ জুড়ে তুমুল বিতর্ক। ভোটের মুখে ফের সংরক্ষণ এর দিকেই ঝুঁকছে বিজেপি, অভিযোগ বিরোধীদের।

উচ্চবর্ণের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির ভোট ব্যাঙ্ক পেতে সরকারি চাকরিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাবে সিলমোহর দিল মোদী সরকারের মন্ত্রীসভা। সোমবার মন্ত্রিসভায় সর্বসম্মতিতে পাস হয়ে যায় এই প্রস্তাব। পাঁচ একরের কম জমি যাঁদের এবং যাঁদের বার্ষিক আয় ৮ লাখের কম তাঁরা এই সংরক্ষণ আওতায় আসবেন।

আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতে মসজিদে পাথর ছুঁড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা, ধৃত সিপিএম নেতা

ভোটের মুখে মঙ্গলবারই লোকসভায় পেশ হচ্ছে উচ্চবর্ণের জন্য এই সংরক্ষণ প্রস্তাব বিল। ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভায় পাশ করিয়ে ভোট প্রচারের হাতিয়ার এই নতুন অস্ত্র এ এবার শান দিচ্ছে বিজেপি। তবে লোকসভা ও রাজ্যসভায়, দুটোতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ নয় বিজেপি। তাই ওই বিল সংসদে শেষমেশ পাশ হবে না এটা বলাই যায়।

তবু পাশ না হলেও ভোটের ময়দানে হিন্দু সংরক্ষণ নিয়ে ফায়দা তোলা যাবে বলেই মনে করছেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহরা। তবে বিরোধীদের কটাক্ষ, এই প্রস্তাব আসলে ‘গিমিক’। শুধু ভোটের মুখে বাজার গরম করার তাল।

উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষণের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছিল, উত্তরপ্রদেশের ঠাকুর, রাজস্থানের রাজপুত, হরিয়ানার জাঠ, গুজরাটের প্যাটেল পতিদার, মহারাষ্ট্রের মারাঠা সম্প্রদায়ের নেতারা। এর মাধ্যমে লোকসভা ভোটের আগে সব রাজ্যের সব হিন্দু নেতাদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা মোদী সরকারের।

আরও পড়ুনঃ

বিজেপি না তৃণমূল, পাহাড়ে মোর্চার জোট নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

১৯৯২ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ে সরকারি চাকরি ও ভর্তির ক্ষেত্রে সংরক্ষণে ৫০ শতাংশ উর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়। সংবিধানের ১৬(৪) অনুচ্ছেদে তফশিলি জাতি ১৫ শতাংশ, তফশিলি উপজাতি ৭.৫ শতাংশ এবং ওবিসি ২৭ শতাংশ সংরক্ষিত রয়েছে। বিশেষ ক্ষেত্রে তফশিলি জাতি ১৬.৬৬ শতাংশ এবং ওবিসি ২৫.৮৪ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ করা হয়। তাই, কেন্দ্রের এই ১০ শতাংশ উচ্চবর্ণের সংরক্ষণ কতটা যুক্তিযুক্ত ও গ্রাহ্য হবে সেটাই দেখার।

১৯৯২ সালে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, চাকরি বা শিক্ষায় সংরক্ষণ যেন ৫০ শতাংশের কম হয়। কিন্তু তফসিলী জাতি-উপজাতিদের পাশাপাশি দরিদ্র উচ্চবর্ণের জন্য যদি সংরক্ষণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে তার পরিমাণ হবে ৬০ শতাংশ। এই ইস্যুটাকেই হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি।

সংবিধানের ১৫ এবং ১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতেই ওই বিল পেশ করা হবে। তবে, মঙ্গলবারই শীতকালীন অধিবেশনের শেষ দিন। আর দুকক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ নেই বিজেপির। তাই কোনোরকমেই এই অধিবেশনে এই বিল পাস হওয়া সম্ভব নয়। তবে শীতকালীন অধিবেশন দু দিন বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

মনে করা হচ্ছে এই অধিবেশনে শুরুটা করে দেওয়া হল। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। সেখানে ভোটের ঠিক আগে বিলটিকে পাশ করানোর মরিয়া প্রচেষ্টা চালাবে সরকার। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা অবশ্য মনে করছেন, সংসদে ওই বিল পাশ করা কার্যত অসম্ভব। আর কোনওভাবে যদি এই বিল আদালতের দরজায় গিয়ে পৌঁছয়, তাহলে অন্তত লোকসভা নির্বাচনের আগে তা পাশ করানোর কোন সম্ভবনাই নেই।

আরও পড়ুনঃ

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

বউ অদল বদল, বিকৃত যৌনাচারে ধর্ষণের অভিযোগ গৃহবধূর

EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি

EXCLUSIVE: নতুন বছরে সুখবর, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ

বিরোধীরা বলছেন, উঁচু জাতের জন্য সংরক্ষণ ঘোষণা করে মোদী সরকার করেকটি জিনিস প্রমাণ করল। সেগুলি হল,

১) মাসিক ৬৬ হাজার টাকা অবধি রোজগার, ১,০০০ স্কোয়ার ফিট ফ্ল্যাট ও ৫ একর জমির মালিক মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া হিসাবে ঘোষণা করে বিজেপি বোঝাল ওরা আসলে বড়লোক ও উচ্চ মধ্যবিত্তদের পার্টি।
২) এই খাতা থেকে ক্রিশ্চান, মুসলিম, বৌদ্ধ, জৈনরা বাদ পড়ে গেল, কারণ তাদের উঁচু জাত নেই।
৩) জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়াই এখনও ভারতের অন্যতম প্রধান সামাজিক সংগ্রাম। বিজেপি এই লড়াইটা ঘেঁটে দিতে চাইছে।
৪) রাফায়েল বিতর্ক থেকে দৃষ্টি সরাতেই বিজেপি সরকারের এই প্রচেষ্টা।

তবে সব সমালোচনা উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। উচ্চবর্ণের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া হিন্দুদের জন্য মোদী সরকার একমাত্র ভাবছে বলেই দাবি তাঁদের।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন https://thenewsbangla.com/president-rules-in-kashmir-again-after-22-years-by-narendra-modi-government/ Wed, 19 Dec 2018 15:45:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4486 The News বাংলা, কাশ্মীর: ২২ বছর পর ফের কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে চলেছে। বুধবার রাজ্যপাল শাসনের ছমাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই জম্মু-কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ গৃহিত হয়। বুধবারই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বুধবার রাত ১২টার পর থেকেই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর হবে কেন্দ্রের এই নির্দেশিকা।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

দীর্ঘ ২২ বছর পর আবার জম্মু-কাশ্মীরে জারি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসন। বুধবারই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পিডিপি-বিজেপি জোট ভাঙার পর, ছমাস আগেই উপত্যকায় জারি হয়েছিল রাজ্যপাল শাসন। বুধবারই সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ফলে, জম্মু-কাশ্মীরের উত্তপ্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে আবার সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির নির্দেশ দেওয়া হল, বলে জানা গিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে।

২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন/The News বাংলা
২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন/The News বাংলা

তবে সরকারীভাবে জানান হয়েছে যে, জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের পাঠান প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় সরকার রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সায় দিলেই জম্মু-কাশ্মীরে জারি হবে রাষ্ট্রপতি শাসন। তবে সেটা শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

আরও পড়ুনঃ ‘কৃষি ঋণ মকুব’, মানুষ ও মিডিয়াকে চরম বোকা বানিয়ে ছলচাতুরী কংগ্রেসের

শেষবার ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল ১৯৯৬ তে৷ এরপর আবার ২০১৮র ১৯ ডিসেম্বর সেই একই নির্দেশিকা জারি করল নরেন্দ্র মোদী সরকার। বুধবারই এই সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। যে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই এই রাষ্ট্রপতি শাসন জারির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর সেই সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয় জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিককে।

শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে 'নায়ক'/The News বাংলা
শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’/The News বাংলা

কয়েকদিন আগেই উপত্যকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে পেশ করেছিলেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে সত্যপাল মালিকের পেশ করা সেই রিপোর্টই।

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর চলতি বছরের জুন মাসে জম্মু-কাশ্মীরে পিডিপির সঙ্গে জোট ভেঙে দিয়েছিল বিজেপি। সরকারের উপর থেকে সমর্থন তুলে নেয় বিজেপির ২৫ জন বিধায়ক। ফলে ৮৭ আসন বিশিষ্ট জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় মেহবুবা মুফতির সরকার।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন মেহবুবা মুফতি। কাশ্মীরে জারি হয় রাজ্যপালের শাসন। এরপর কংগ্রেস, পিডিপি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স মিলে উপত্যকায় সরকার গড়ার চেষ্টা করলেও, তা সফল হয়নি। জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা ভেঙে দেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক।

২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন/The News বাংলা
২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন/The News বাংলা

জানা গেছে, প্রাথমিক ভাবে ৬ মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হল। তবে, এই ছমাসের মধ্যে যদি নির্বাচন না হয় জম্মু-কাশ্মীরে, তাহলে ফের পরবর্তী ৬ মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে উপত্যকায়।

আরও পড়ুনঃ স্কুলে শুট আউট, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি

জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা ভেঙে দেবার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলাটি গত ১১ ডিসেম্বর খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ফলে আরও রাজনৈতিক অচলাবস্থার দিকে চলে যায় রাজ্যটি।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জম্মু ও কাশ্মীরে ফের নির্বাচন করানো ছাড়া কোন রাস্তা খোলা নেই কেন্দ্রের কাছে। কিন্তু উপত্যকাকে সন্ত্রাসবাদ যেভাবে গ্রাস করেছে, তাতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ মোদী সরকারের কাছে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি থিতিয়ে পড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে কেন্দ্রকে।

পড়ুন হাড়হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প:
পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>