Mohunbagan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 12 Oct 2018 12:17:35 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Mohunbagan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মোহনবাগান সমর্থকদের সোনি আবেগের কাছে বশ্যতা স্বীকার কর্তাদের https://thenewsbangla.com/the-emotion-of-supporters-forced-mohunbagan-officials-to-include-sony-in-the-team/ Fri, 12 Oct 2018 12:10:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1105 শান্তনু সরস্বতী, কলকাতা: ক্লাব নির্বাচনে জয় নিশ্চিত জেনেও, সোনি নোর্দি ইসুতে একরকম আবেগের কাছে নতি স্বীকার করলেন মোহনবাগান ক্লাব কর্তৃপক্ষ। গতকাল রাতেই মোহনবাগান ক্লাবের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে তা ক্লাব কর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে হাইতির তারকা মিডফিল্ডার। তবে জানা গিয়েছে, কোচ শংকরলাল চক্রবর্তীর কথা মেনে সোনিকে মেডিক্যাল পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে।

মিশরের ওমর নবিল রাশাদ এলহুসেইনিকে পাকা কথা দেওয়ার পর হঠাৎ কী এমন হল যে তড়িঘড়ি মায়ামিতে ছুটি কাটাতে যাওয়া সোনি নোর্দিকে চুক্তিপত্র পাঠাতে গেলেন মোহনবাগান ক্লাব কর্তারা? মিশরের তারকা ফুটবলার যে পজিশনে খেলে, সোনি নোর্দিও ঠিক ওই একই পজিশনের ফুটবলার।

কোচ শংকরলাল চক্রবর্তী ঠিক করেই নিয়েছিলেন, ষষ্ঠ বিদেশির জায়গায় একজন ভাল মানের বিদেশি ডিফেন্ডার নেবেন। সেই মতো কথাবার্তাও চলছিল বেশ কয়েকজন বিদেশির সঙ্গে। হঠাৎই তাল কাটে সোনির করা ফেসবুকের একটি পোস্টে। সেখানে আবেগমথিত সোনি দাবি করে, মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ তাকে এই মরসুমের জন্য আগে আশ্বাস দিলেও আর যোগাযোগ করেননি। আর এতেই উদ্বেল হয়ে ওঠে মোহনজনতা।

আর ঠিক এখানেই আবেগের কাছে হার মানেন সদ্য নির্বাচিত সচিব স্বপনসাধন (টুটু) বসু । নিজেই দায়িত্ব নিয়ে রাজি করান কোচ শংকরলাল চক্রবর্তীকে। আর সোনিও রাজি হয়ে যায় মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে। তবে যতোই মেডিক্যাল পরীক্ষার কথা বলা হোক না কেনও, সেটা যে একরকম আই-ওয়াশ, তা ভালোই জানে মোহনবাগান সমর্থক থেকে শুরু করে সোনি নোর্দি নিজেও।

বেশ কয়েক বছর কলকাতা ময়দানে খেলে চতুর হাইতিয়ান বুঝে গিয়েছে, এখানে সমর্থকদের আবেগের কাছে বহু ক্ষেত্রেই আত্মসমর্পণ করেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাই মায়ামিতে ছুটি কাটাতে গেলেও, সে যে অপারেশনের পর শারীরিক দিক দিয়ে একশো শতাংশ ফিট তা প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগে যায় নিয়মিত নিজের শারীরিক কসরতের ভিডিও পোস্ট করে।

মেসির দেশে অপারেশন করে হাইতিয়ান যে সম্পূর্ণরূপে চোটমুক্ত তা প্রমাণিত করার চেষ্টা করতে থাকে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে যখন দেখে, ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা একরকম বন্ধই করে দিয়েছে।

এখন দেখা যাক, চিকিৎসাশাস্ত্র কী বলছে সোনির এই চোটের বিষয়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অস্থিবিশারদ The News বাংলাকে জানিয়েছেন, “সোনির বাঁ গোড়ালিতে চোটের কারণে অস্ত্রপ্রচার করেছেন আর্জেন্টিনার এক শল্যচিকিৎসক। আর্জেন্টিনার চিকিৎসা বিজ্ঞান যে ভারতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার চেয়ে অনেক উন্নত তা মেনে নেওয়ার কোনও কারণ নেই”।

“ক্রিকেট হলে বলতে দ্বিধা করতাম না, সোনি আবার নিজস্ব ফর্ম ফিরে পাবে। কিন্তু যেহেতু খেলার নাম ফুটবল, যেখানে একজন মাঝমাঠের ফুটবলারকে একই গতিতে খুব কম করে দশ থেকে বারো মাইল দৌঁড়তে হয়, সেই কারণেই বলছি, ওর পক্ষে আগের ফর্মে ফিরে আসা একরকম অসম্ভব’। জানিয়েছেন ওই অস্থি বিশারদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাক্তন এক মোহনবাগান ফুটবলার বলেন, “এটা কলকাতা বলেই সোনির পাতা ফাঁদে পা দিলেন টুটুবাবু। এবং নিতান্তই আবেগের বশবর্তী হয়ে। শুনলাম সাত মাসের জন্য রেকর্ড অর্থে সই করানো হচ্ছে এই ফুটবলারকে। টাকাটা জলে ফেলা হল বলেই আমার বিশ্বাস।”

মোহনবাগান কোচ, কর্তারাও জানে ওর চোটের জন্য ওকে নেওয়া ভুল হবে যার জন্য এত টালবাহানা করছিল এতদিন। মেডিক্যাল না দিয়ে দলে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েও দেওয়া হয় ওকে। কিন্তু মোহনজনতার মাধ্যমে সোনির দেওয়া মাইন্ডগেমে শেষে হার মানতে হল গঙ্গাপাড়ের শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবটিকে। তাই সোনি আবার কলকাতায় আসছে কিছু সমর্থকের আবেগ কাজে লাগিয়ে। যে-কোনও টাফ ট্যাকলারের সামনে সোনি যে গুটিয়ে রাখবে নিজেকে, তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আই লিগে বিদেশি ফুটবলারদের যে তালিকা এখনও অবধি The News বাংলার হাতে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, শুধু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের স্প্যানিশ ডিফেন্ডার বোরখা গোমেজ পেরেজই নন, ওর মতোই বিধ্বংসী ডিফেন্ডার নিয়েছে এই বছর মিনার্ভা পঞ্জাব, চেন্নাই এফসি, কেরলের গোকুলাম এফসির মতো দলগুলি।

ইস্টবেঙ্গলের বোরখা, মিনার্ভার রোয়ান্ডান ডিফেন্ডার এইমব্লে নাবিমানা, চার্চিল ব্রাদার্সের ব্রাজিলিও ম্যাথাউস কাম্বুসি জাগেইরো ও নেরোকা এফসির প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গলী ব্রাজিলিয়ান এদুয়ার্দোদের সামনে পড়লে হাইতিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কী করেন, এখন সেটাই দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে ফুটবলপ্রেমী মানুষ। আশঙ্কার দোলাচলে বাগান সমর্থকরাও।

]]>
সোনিকে হারিয়ে হতাশ মোহনবাগানীদের উজ্জীবিত করলো ওমর https://thenewsbangla.com/after-losing-sony-norde-frustrated-mohunbagan-fans-revived-for-umar/ Wed, 10 Oct 2018 11:51:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=985 শান্তনু সরস্বতী, কলকাতা: হাইতির জাতীয় দলের প্রাক্তনী সোনি নোর্দিকে একরকম না-ই বলে দিল মোহনবাগান ক্লাবকর্তারা। সোনির বদলে মোহনবাগানে সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে এই মরসুমে খেলতে দেখা যাবে মিশরের ওমর নবিল রাশাদ এলহুসেইনিকে।

সৃঞ্জয় বসু ও দেবাশিস দত্তের হাত ধরেই ভোটের দামামায় দিশেহারা মোহনবাগান সমর্থকরা এখন তাই কিছুটা হলেও উজ্জীবিত।

বেশ কয়েকবছর টানা হাইতিয়ান তারকা মিডফিল্ডারের টাকা বাড়ানোর চাপের কাছে নতিস্বীকার করলেও, এই বছর কোচ শংকরলাল চক্রবর্তীর কথাতেই সোনিকে না বলেছেন মোহনবাগান ক্লাব কর্তারা। আহত সোনি গতবছরম মরসুমের মাঝপথে তার পুরনো চোটে কাবু হওয়ায়, বাধ্য হয়েই তাকে রিলিজ করে দিয়েছিল সৃঞ্জয় বসু, দেবাশিস দত্তরা।

এই বছর মোহনবাগান জার্সি গায়ে চাপানোর আগ্রহ দেখালেও, ফিটনেস ও মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে অস্বীকার করে সোনি। তাই তার জায়গায় মিশরের তারকা মিডফিল্ডার, ওমর নবিল রাশাদ এলহুসেইনি- কেই সই করালো মোহনবাগান কর্তারা।

হাইতিয়ান তারকা মিডফিল্ডারের মতো ভারতীয় উপমহাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা আছে এই মিশরীয় ফুটবলারের। মোহনবাগান ক্লাবে যোগ দেওয়ার আগে সোনি যেমন বাংলাদেশের শেখ রাসেল জামাল ধানমন্ডিতে খেলতো, তেমনই ওমর এলহুসেইনি এক মরসুম খেলেছে ইন্দোনেশিয়ার প্রিমিয়ার ডিভিশন দল পারসেলা লেমাঙ্গনে। ইন্দোনেশিয়ায় অবশ্য তেমন সফল নয় ওমর। তার দল প্রথম ডিভিশনের দলগুলির মধ্যে কোনও পয়েন্ট না পেয়ে তালিকার শেষ স্থানটি পায়।

২০১৬ সালে ওমরের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই তাকে রিলিজ করে দেয় তার ক্লাব পারসেলা লেমাঙ্গন। পারসেলা ওমরকে রিলিজ করে দেওয়ার পর পাঁচ ফুট নয় ইঞ্চি লম্বা এই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার দু-বছরের চুক্তিতে যোগ দেয় আফ্রিকার মালটার ক্লাব জেজটুন কোরিন্থিয়ান এফসিতে।

আফ্রিকার ক্লাবটি আর নতুন করে চুক্তি করেনি ওমরের সঙ্গে, বলে জানা গিয়েছে ট্রান্সফার মার্কেট ডট কম ওয়েবসাইট থেকে। ফ্রি ফুটবলার হওয়ায় ওমরকে সই করাতে অসুবিধা হয়নি মোহনবাগানের। ট্রান্সফার মার্কেট ডট কম-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩২ বছর বয়সী মিশরীয় ওমরের দাম আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভারতীয় টাকায় এক কোটি আশি লক্ষ টাকা।

নিজের পছন্দের জায়গা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হলেও ওমর এলহুসেইনি স্ট্রাইকার ও বাঁপ্রান্তিক উইংঙ্গার হিসেবেও খেলতে স্বচ্ছন্দ। মিশরের প্রথম ডিভিশন ক্লাব এল সার্কিয়াডোখান এফসি-তে ২০১০ সালে ওমরের ফুটবল কেরিয়ারের শুরু। এল সার্খিয়া ক্লাবে দুবছর কাটিয়ে মিশরীয় এই ফুটবলার যোগ দেয় ওই দেশেরই প্রথম ডিভিশন ক্লাব কাহরাবা ইসমাইলিয়া এফসিতে।

২০১২-২০১৪ সেখানে কাটিয়ে ওমর যোগ দেয় এস্তোনিয়ার প্রথম ডিভিশন ক্লাব লেভাদিন তালিনে। লেভাদিন তালিনের হয়ে ২০১৪-২০১৬ সালে জাতীয় লিগে মোট ৭৩ ম্যাচে ১২ গোল করে এই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। ইউটিউবে ওমরের যে গোলগুলির ভিডিও পোস্ট করা আছে, তা সবই ওই লেভাদিন তালিন এফসির হয়ে ২০১৫ সালে করা। মালটার দলটির হয়ে ১৩ ম্যাচে ওমরের গোল সংখ্যা সেখানে তিনটি।

আফ্রিকার এই দেশটির ফিফা তালিকায় যেখানে এই অক্টোবরে স্থান ১৬৯, সেখানে স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের ভারতের স্থান ৯৭। আর ইন্দোনেশিয়ার স্থান ১৬৪। একশো শতাংশ ফিট সোনি নোর্দির মতো বাঁপায়ের শিল্পী ফুটবলার না হলেও, ওমরের পায়ে ভেল্কি আছে। এস্তোনিয়ার জাতীয় লিগে করা ওর গোলগুলির ভিডিওতে দেখা গিয়েছে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে দু-তিনজনকে কাটিয়ে গোল করতে।

তবে শংকরলাল চক্রবর্তী বুদ্ধিমান কোচ। একশো শতাংশ ফিট হলে ওমরকে তার পছন্দের জায়গাতেই খেলাবে বলে বিশ্বাস মোহনবাগান জনতার। ওমর সচল হলে দুই স্ট্রাইকার ক্যামেরুনের দিপান্দা ডিকা ও উগান্ডার হেনরি কিসেকার জন্য বলের সাপ্লাইয়ের অভাব হবে না। চোটপ্রবণ জাপানি মিডিও ফিট থাকলে আর কোনও সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার নেবে না গঙ্গাপাড়ের ক্লাবটি। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে তাই এখন একজন ভাল মানের ডিফেন্ডার খুঁজছে ক্লাব।

ক্লাব সমর্থকদের আপাতত উজ্জীবিত করতে সক্ষম হলেও আই লিগে সোনি নোর্দির পরিবর্তন হিসেবে কতটা সফল হবে এই মিশরীয় ফুটবলার তা বেশ কয়েকটি ম্যাচ না গেলে বোঝা যাবে না। ওমর অবশ্য তার মোহনবাগান ক্লাবে যোগদানের বিষয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত।

রাজধানী কায়রোয় ভারতীয় দূতাবাসের অফিসারদের ব্যবহারে সে যে বেশ আপ্লুত তা সোস্যাল মিডিয়াতে জানাতে দ্বিধা করেনি। আগামী সোম অথবা বুধবার ওমরের কলকাতায় আসার কথা একরকম পাকা। মোহনবাগান সমর্থকরা তার আসার বিষয়ে কতখানি খুশি তা জানা যাচ্ছে সোস্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই।

]]>
টুটু বসুর বাঙাল প্রীতিতে বিপাকে সবুজমেরুন সমর্থককূল https://thenewsbangla.com/after-tutu-boses-comment-on-bangal-mohunbagan-fans-are-in-awkward-situation/ Tue, 09 Oct 2018 11:38:01 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=932 শান্তনু সরস্বতী, কলকাতা: পিতৃতর্পণের দিনে ক্লাবের সর্বেসর্বা, সদ্য নির্বাচিত সচিব স্বপনসাধন বসু বা টুটু বসুর বাঙালবন্দনায় বেশ বিপাকে গঙ্গাপাড়ের মোহনবাগান ক্লাবের সমর্থকরা।

মহালয়ার দিন নিজের দলের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোহনবাগান সচিব বলেন, “ঘটিরা অলস জাতি। নিজেদের পূর্বপুরুষের দাক্ষিণ্যে কলকাতা শহরে দুই-তিনটে বাড়ির মালিক হয়ে যাওয়ায় ঘটিরা আর বাঙাল জাতির মতো পরিশ্রমী নয়। বসে খেতে ভাল বাসে। লড়াই করার সৎসাহসটুকুও নেই তাঁদের মধ্যে। বাঙালরা জানে কী ভাবে নিজেদের অধিকার রক্ষা করতে হয়”।

টুটুবাবু আরও বলেন যে, “বাঙালরাই জানে কী ভাবে নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে তা আদায় করে নিতে হয়। বাঙালদের জাত্যাভিমান প্রশংসনীয়। ওদের দেখে ঘটিদের শেখা উচিত”।

ক্লাবের সদ্য নির্বাচিত সচিবের এমন বাঙাল-বন্দনায় একরকম বিপাকেই পড়ে গিয়েছে মোহনবাগান সমর্থককূল। একে স্পনসর সমস্যায় দীর্ণ মোহনবাগান অর্থাভাবে এখনও দুজন বিদেশির কোটা পূরণ করতে পারেনি, তার ওপর ক্লাব সচিবের এমন বক্তব্য একেবারে ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছে সবুজ মেরুন জার্সি প্রেমীদের।

Image Source: Google Image

সোস্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকজন মোহনবাগান সমর্থক তাঁদের ফেসবুক গ্রুপে ক্লাব সচিবের এমন বক্তব্যের নিন্দা করতেও ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য: “সামনে আই লিগ। একেতেই প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল কোয়েস কর্পের মতো কোম্পানিকে স্পনসর হিসেবে পেয়ে আমূল পরিবর্তন করে ফেলেছে দলের। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিটি বিদেশি ফুটবলার বেশ উচ্চমানের। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্তা ও রিয়েল মাদ্রিদ বি দলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার বোরখা গোমেজ পেরেজ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগান সমর্থকদের বক্তব্য, “প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল যখন মালয়েশিয়ায় গিয়ে অনুশীলন করছে, মোহনবাগান ক্লাব কর্তৃপক্ষ তখন ব্যস্ত নির্বাচন নিয়ে।এতে দলের ফুটবলারদের মনোভাব তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। তার ওপর ক্লাব সচিবের অমন বাঙাল-প্রেম ইস্টবেঙ্গলীদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে।”

কোনও কোনও ইস্টবেঙ্গল সমর্থক আবার বিষয়টিকে অন্য চোখে দেখছেন। এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক তাঁর ফেসবুক দেওয়ালে লিখেছেন, “টুটু বসু ঘটিদের, বাঙালদের মত হতে বলে শুধু মোহনবাগান সমর্থকদের ছোট করেননি, অনেক ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদেরও অপমান করেছেন। অনেক ঘটি কিংবা এদেশীয় মানুষ আছেন যাঁরা ইস্টবেঙ্গলকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। সমর্থন করেন। এটাও ভুলে গেলে চলবে না। সব ঘটিরা যেমন অলস নয়, আবার কিছু বাঙাল আছে যাঁরা মোহনবাগানের সমর্থক হওয়ার ফলে অলস।”

টুটু বসুর প্যানেল সদস্যরা অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁরা মনে করেন, আপামর ফুটবলপ্রেমী মানুষ জানেন, উনি ভীষণই আবেগপ্রবণ একজন মানুষ। সহজ কথা সহজে বলতে পারেন। সরল কথা সরলভাবেই আবেগের বশে বলে ফেলেন।

কাউকে আঘাত করা বা অপমানিত করা ওঁর উদ্দেশ্য নয়। ভারতীয় ফুটবলের স্বার্থে সকলের আগে যে বাঙালি এগিয়ে আসেন সব সময়, তাঁর নাম স্বপনসাধন বসু। আর আবেগ আছে বলেই এখনও ফুটবলকে ভালবাসেন উনি। আবেগছাড়া ফুটবলকে ভালবাসা যায় না কি !

তবে টুটু বসুর কথায় যে আপামর ‘বাঙাল’ ইস্টবেঙ্গল ফ্যানরা যে দারুন মজা পেয়েছেন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই সুযোগে বাগান ফ্যানদের পিছনে লাগার সুযোগও হাতছাড়া করছেন না তারা। হাতে যে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন স্বয়ং টুটু বসু।

]]>