Mohun Bagan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 27 Jan 2019 17:57:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Mohun Bagan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 সোনি বোতলবন্দি, ফিরতি ম্যাচেও বাগানকে চূর্ণ করল জবির ইস্টবেঙ্গল https://thenewsbangla.com/i-league-kolkata-derby-jobby-justin-stars-as-east-bengal-beat-mohun-bagan/ Sun, 27 Jan 2019 16:18:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6076 ১৫ বছর পর আই লীগের দুটি ডার্বি ম্যাচেই মোহনবাগানকে হারাল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচ পরিকল্পনায় বাগান কোচ খালিদ জামিলকে টেক্কা দিলেন লাল হলুদের অ্যালেসান্দ্রো মেনেন্ডেজ গার্সিয়া। রবিবাসরীয় ডার্বির রং লাল হলুদ।

আই লিগে শুধু নয়, অ্যালেসান্দ্রো মেনেন্ডেজ গার্সিয়ার প্রশিক্ষণে এখনও পর্যন্ত যা খেলেছে ইস্টবেঙ্গল, তাতে আজকের ম্যাচ অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে সেরা। ফুটবল মহল বলছে, “অ্যালেসান্দ্রোর ছেলেরা আজ বুঝিয়ে দিয়েছে, ইংরেজিতে “মিথ” আর “পারসেপশন”, দুটো ভিন্নার্থক শব্দ। ‘সোনি নর্ডি খেললে মোহনবাগান হারে না’, এই মিথ যে বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এতদিন, তার সলিল সমাধি হল রবিবার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।

শুধু এগারোজন লাল-হলুদ নয়, পরিবর্তন হিসেবে নেমে ব্র্যান্ডন লালরেমডিকা যে খেলাটা খেলল, তা চোখে লেগে থাকবে অনেকদিন। প্রথম একাদশে কমলপ্রীতকে মরসুমে প্রথম নিজের জায়গায় খেলতে দেখা গেল। নিজের জায়গায় ও যে এখনও কতখানি ভাল, তা আজ বারবার প্রমাণিত করল এই পাঞ্জাব তনয়। ওর এমন খেলায়, মনোজ মহম্মদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ার যথেষ্ট কারণ আছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোনি বোতলবন্দি, ফিরতি ম্যাচেও বাগানকে চূর্ণ করল জবির ইস্টবেঙ্গল/The News বাংলা
সোনি বোতলবন্দি, ফিরতি ম্যাচেও বাগানকে চূর্ণ করল জবির ইস্টবেঙ্গল/The News বাংলা

রবিবাসারীয় ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র বাঙালি ফুটবলার সামাদ আলি মল্লিক মাঠে নেমেছিল ৮৭ মিনিটে, বাকি যাঁরা ছিলেন, তাঁদের কেউ বাঙালি নন। কিন্তু তাও, লাল হলুদ জার্সির আবেগটা বুঝতে এতটুকু ভুল হয়নি, লালরামচুল্লোভা পৌতো, লালরিংডিকা রালতে, জনি অ্যাকোস্তা জামোরা, টনি ডোভালে, খাইমে স্যান্টোস কোলাডো, কিংবা বোরখা গোমেজ পেরেজদের।

ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে পাঁচ থেকে ছটি ছকে খেলে বিপক্ষের চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার কাজটা করেছে। সবুজ মেরুনের সেই সোনি নর্ডি নির্ভর ফুটবল আটকে দিলেই যে ম্যাচ হাতে আসবে, সেটা বুঝতে ভুল করেন নি সাহেব কোচ। আর রবিবার, ঠিক সেই কাজটাই করল অ্যালেসান্দ্রোর ছেলেরা।

রিয়েল মাদ্রিদ বি দলের প্রাক্তনীর নির্দেশই ছিল, বক্সে ঢুকেই যে গোলে শট নিতে হবে তার কোনও মানে নেই। তাই শুরু থেকেই লাল হলুদের ফুটবলাররা বক্সের বাইরে যেখানে বল পেয়েছে, সেখান থেকেই শট নিয়েছে গোলমুখে। আর ৩৪ মিনিটে যেই সুযোগ পেয়েছে, কোলাডোর জন্য নিখুঁত পাস বাড়িয়ে দিয়েছে জবি। কোলাডোও গোলে বল রাখতে ভুল করেনি।

সোনি, ডিকা, হেনরিকে নামিয়ে আক্রমণে শক্তি বৃদ্ধি করতে চেয়েছিল মোহনবাগান কোচ। পারেননি, কেননা একার দায়িত্বে হাইতিয়ান তারকাকে বোতলবন্দি করে দিল লালরাম চুল্লোভা পৌতো। এমনভাবে ট্যাকেল করতে লাগল চুল্লোভা, যে সোনি শুধু বিষমাখানো কর্ণার করাই নয়, ভুল করতে লাগল ফ্রিকিক নিতে গিয়েও।

আর সেখানেই শেষ মোহনবাগান। খালিদ বরঞ্চ এক স্ট্রাইকারে খেলে ইউতাকে নামালে অনেক বেশি জায়গা তৈরি করতে পারতো ইস্টবেঙ্গল অর্ধ্বে। প্রথম চালেই তাই ভুল করে ফেলল মুম্বইকর প্রশিক্ষক।

ম্যাচ যত এগিয়েছে, বাগান রক্ষণে গলায় ফাঁসের মতো চেপে বসেছে লাল হলুদ আক্রমণ। একের পর এক আক্রমণের ঝড়ে তখন বেসামাল পালতোলা নৌকা। এর মাঝে, হঠাৎই ইস্টবেঙ্গল জালে বল ঢুকিয়ে দেয় ডিকা। অবশ্য লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায়, সেই গোল নাকচ করেন রেফারি শ্রীকৃষ্ণ।

সোনি বোতলবন্দি, ফিরতি ম্যাচেও বাগানকে চূর্ণ করল জবির ইস্টবেঙ্গল/The News বাংলা
সোনি বোতলবন্দি, ফিরতি ম্যাচেও বাগানকে চূর্ণ করল জবির ইস্টবেঙ্গল/The News বাংলা

রিপ্লে দেখে মনে হয়েছে, গোলে ঢোকার আগে বল হাতে লাগে মোহন ফুটবলারের। তাছাড়া, দুই ফুটবলার অফসাইডেও থাকায়, গোল বাতিল নিয়ে বেশি আবেদন নিবেদনের পথে আর যায়নি সবুজ মেরুন ব্রিগেড। এরপর আবার ডিকার কর্ণার থেকে হেডে বিশ্বমানের গোল জবির। মাঝে দুটো ম্যাচে একটু অফফর্মে ছিল আই এম বিজয়নের এই ভক্ত। আক্রমণ ভাগে মাঝে মাঝে একা পড়ে যাচ্ছিল বলে। তবে আজ আর তেমনটি হয়নি। যোগ্য সঙ্গত করে গিয়েছে কখনও খাইমে, কখনও ডোভালে, কখনও ডানমাওইয়া রালতে।

দ্বিতীয় অর্ধ্বে ডানমওইয়াকে বসিয়ে ব্র্যান্ডনকে মাঠে নামিয়ে মোহনবাগান ডিফেন্সের ওপর আরও চাপ বাড়িয়ে দেন অ্যালেসান্দ্রো। মোহনবাগান তখন দিকশূন্য। এতটাই করুণ অবস্থা যে চুল্লোভাকে আটকাতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখতে হয় মোহনবাগান অধিনায়ক সোনি নর্ডিকে। পুরো মোহনবাগান দল তখন কোথায় আক্রমণ করবে, না পুরো এগারোজন নেমে ডিফেন্স করে চলেছে।

জনি আর বোরখা জুটি যতদিন যাচ্ছে তত দুর্ভেদ্য হয়ে উঠছে। কোনও শব্দই ওদের প্রশংসার যোগ্য নয় আজ যে খেলাটা খেলেছে ওরা দুজনে। সঙ্গে কাসিম আয়দারা। মোহনবাগানের মাঝমাঠের খেলাটাই নষ্ট করে দিয়েছে ও একার দায়িত্বে। একজন অসাধারণ হয়ে ওঠে একজন অসাধারণ প্রশিক্ষকের হাতে পড়েই। ইস্টবেঙ্গলের সকলে তা আজ ৯৪ মিনিট, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেটাই প্রমাণ করে দিয়েছে, বলছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

চেন্নাইয়ের সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলে ফারাক মাত্র পাঁচ পয়েন্টর। আগামী দিনে চেন্নাইকে কিন্তু খেলতে হবে মোহনবাগান, চার্চিল ব্রাদার্স আর রিয়েল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে। আশায় বুক বাঁধতেই পারে লাল হলুদ।

সৌজন্যেঃ
লেখাঃ শান্তনু সরস্বতী/ছবিঃ সৌমিক দাস

]]>
যুবভারতীতে ইতিহাস অ্যালেসান্দ্রোর ইস্টবেঙ্গলের, শাপমোচন ৩৩ মাস পর https://thenewsbangla.com/east-bengal-of-alessandro-makes-history-lifting-the-curse-beat-mohun-bagan/ Sun, 16 Dec 2018 15:52:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4342 শান্তনু সরস্বতী, The News বাংলা, কলকাতাঃ যে ম্যাচের ফলাফল হওয়া উচিত ছিল ৫-২, সেই সহজ ম্যাচ কঠিন করে ৩-২ গোলে জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার ডার্বি দেখতে বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন কোয়েস ইস্টবেঙ্গল এফসির কর্ণধার অজিত আইজ্যাক ও সুব্রত নাগ। সুব্রতবাবু কলকাতার মানুষ, ডার্বির উত্তাপ জানেন। কিন্তু একটা ডার্বি ঘিরে দর্শক সংখ্যা যে ৬৪,৮৩৪ এ পৌঁছে যায় তা নিজে চোখে দেখলেন কোয়েস কর্পের কর্ণধার অজিত আইজ্যাক। তাঁর সামনেই ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি শাপমোচন ৩৩ মাস পর।

আরও পড়ুনঃ ভক্তকে বিখ্যাত করে বিপদে ফেলে দিয়েছেন লিওনেল মেসি

ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও যে এই ভাবে ম্যাচ জেতা যায় তা দেখিয়ে দিলেন রিয়েল মাদ্রিদ কাস্তিলোর প্রাক্তন প্রশিক্ষক অ্যালেসান্দ্রো মেনেন্ডেজ গার্সিয়া। ম্যাচের শুরুতেই লালডানমাউয়া রালতের গোলে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। কপাল সঙ্গে ছিল না মিজো যুবকের। ম্যাচের বয়স তখন সবে মাত্র এক মিনিট। মোহন ডিফেন্সের ফাঁকফোকর দিয়ে তখন লাল হলুদের আক্রমণ।

আরও পড়ুন: সপ্তশৃঙ্গর পর সপ্ত আগ্নেয়গিরি, বিশ্বরেকর্ডের দোরগোড়ায় বাঙালি

কখনও খাইমে স্যান্টোস কোলাডো, কখনও আবার ডানমওইয়া বা জবি জাস্টিন। এর মধ্যেই প্রতি আক্রমণে মিশরীয় ফুটবলার ওমর হুসেইনের পাস থেকে আজাহারউদ্দিন মল্লিকের গোল। তবে এই গোলের পেছনে আজাহারউদ্দিনের যত না কৃতিত্ব, তার চেয়ে অনেক বেশি দায় ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক রক্ষিত ডাগরের। সঠিক সময়জ্ঞান আর পজিশনিংয়ের ভুলে মোহনবাগান এক গোলে এগিয়ে যায়।

যুবভারতীতে ইতিহাস অ্যালেসান্দ্রোর ইস্টবেঙ্গলের, শাপমোচন ৩৩ মাস পর/The News বাংলা
যুবভারতীতে ইতিহাস অ্যালেসান্দ্রোর ইস্টবেঙ্গলের, শাপমোচন ৩৩ মাস পর/The News বাংলা

ম্যাচের বয়স তখন ১৩ মিনিট। এর ঠিক চার মিনিট অর্থাৎ ১৭ মিনিটে জবি জাস্টিনের পাস থেকে দুজন মোহনবাগান ডিফেন্ডারকে কাঁধে নিয়ে, লালডানমাউয়ার গোল। দু দুটো অসাধারণ গোল করে তাই ম্যাচের নায়ক মিজো যুবক লালডানমাউয়া রালতে।

আরও পড়ুন: সৌরভের পর বিরাট ওষুধে স্লেজিং শেষ অস্ট্রেলিয়ার

রবিবার ইস্টবেঙ্গল প্রশিক্ষক যুবভারতীতে উপস্থিত দর্শকদের দেখিয়ে দিল, বিরিয়ানির মশলা না থাকলেও, মুখরোচক খাবার বানান যেতেই পারে। যার ফল, ৩৩ মাস পর শাপমোচন। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে জবি জাস্টিন যে গোলটি ছোট্ট জায়গার মধ্যে বাইসাইকেল কিকে করে গেল, ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেওয়ার তাগিদে, তা অনেক বছর ভুলবে না কলকাতার দর্শক। স্প্যানিশ কোচের হাতে পড়ে মাঠে সোনা ফলাচ্ছে কেরলের এই ফুটবলার। সবাই বেশ অবাক, এখনও ভারতীয় দলে জবি জাস্টিন ডাক পায়নি বলে।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দাবি ‘কলা আর বউ’

দ্বিতীয়ার্ধে আরও তাগিদ নিয়ে খেলা উচিত ছিল লাল হলুদের, যা চোখে পড়েনি। এই লাল হলুদ, হয়ত সঠিক ফুটবলারের অভাবেই, এখনও কিন্তু প্রতি আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলে। আর যার ফসল লালডানমাউয়ার দ্বিতীয় গোল। তবে এর পরেও ইস্টবেঙ্গল আরও একটি গোল করার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল, মোহনবাগান গোলরক্ষক শংকর রায় প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে জবির করমর্দন দূরত্বে নেওয়া শট বাঁচিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই ‘রানমেশিন’ বিরাট কোহলি

এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল জয়লাভ করেছে ঠিকই কিন্তু একটা বিষয় গত কয়েকটা ম্যাচ থেকে নজরে পড়ছে। হঠাৎ খেলা থেকে হারিয়ে গিয়ে ডিফেন্স করতে নেমে আসছে দশজন ফুটবলার। এর প্রতিষেধক টিকা আগামী দিনে অবশ্যই দেবেন খোসে মোরিনহোর সহকারী, আশা করা যায়। নাহলে আবার ডিপান্ডা ডিকার মতো ম্যাচের শেষ লগ্নে গোল করে, দশজনের দল হয়েও, নাভিশ্বাস তুলে দেবে প্রতিপক্ষ।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

আর ইস্টবেঙ্গলের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা গোলরক্ষক। মোহনবাগানের দ্বিতীয় গোলটির পেছনে ডিকার যতটা না কৃতিত্ব আছে, তার চেয়ে অনেক বেশি দোষ রক্ষিত ডাগরের। রক্ষিত কোন বল ফিস্ট করতে হবে এবং করলেও কতটা জোরে, আর কোন বলই বা ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁচাতে হবে তা এখনও জানে না। মন্দের ভাল বা হাতে আর কোনও মশলা নেই বলেই ওকে ছাড়া আর কাউকেই এই জায়গায় সুযোগ দেওয়া যাচ্ছে না।

পড়ুন ফুটবল নিয়ে হাড় হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্পঃ
প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

আজ ব্র্যান্ডনের জায়গায় বাধ্য হয়ে সামাদ আলি মল্লিককে না নামিয়ে যদি সালামরঞ্জনকে নামিয়ে জনি অ্যাকোস্তাকে ডিফেন্সিভ স্ক্রিন হওয়ার পরামর্শ দিতেন কোচ, তাহলে মনে হয় ভাল করতেন। সামাদের অবদান বিপজ্জনক জায়গায় একটি ফ্রিকিক উপহার দেওয়া ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

নতুন ফুটবলার খাইমে স্যান্টোস কোলাডোর গতি আছে, টাচ আছে, কিন্তু শারীরিক সক্ষমতার ঘাটতি আছে। এক টাচে যে ফুটবলটা ও খেলতে ভালবাসে, তা বোঝার জন্যও সমমানের ফুটবলার প্রয়োজন ইস্টবেঙ্গলে। যা এই মুহূর্তে নেই কোচ অ্যালেসান্দ্রোর হাতে। কড়া ডিফেন্স এড়িয়ে কীভাবে বল নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে তার পাঠ নিশ্চয়ই দেবেন ইস্টবেঙ্গল প্রশিক্ষক।

পড়ুন ফুটবল নিয়ে হাড় হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্পঃ
দ্বিতীয় পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পরপর তিনটে ম্যাচে খারাপ ফল করার পর প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল মিডফিল্ডার ব্রাজিলিও তারকা ডগলাস ডি সিলভা কয়েকদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিল, পরপর কয়েকটি ম্যাচ জিতলেই আবার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে ইস্টবেঙ্গল। আই লিগ জেতা এখনও সম্ভব। জেতার পর ঠিক একই কথা বলল ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে অ্যালভিটো ডি কুনহা। ‘আই লিগ লম্বা রেস। যখন তখন যা খুশি হতে পারে। আর একটা ম্যাচ জিতলেই আই লিগ টেবিলে দুনম্বর স্থানে পৌঁছে যাবে লাল হলুদ জার্সিধারীরা’। শুধু ডার্বি জেতার পর যেন নিজেদের জয়ের ধারা বজায় রাখে তারা।

পড়ুন ফুটবল নিয়ে হাড় হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্পঃ
তৃতীয় ও শেষ পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

চেন্নাই সিটি এফসি বা চার্চিল ব্রাদার্সের মতো দল খুব তাড়াতাড়ি পিকে পৌঁছে গেছে। ট্রেভর জেমস মর্গানের জমানায় ইস্টবেঙ্গল তিন তিনবার এমনভাবে সকলের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়েও আই লিগ ঘরে তুলতে পারে নি। এনরিকে এস্কোয়দা জানুয়ারি মাসেই চলে আসবে চোট সারিয়ে। দলে যোগ দেবে টনি ডোভালের মতো ফুটবলার, যার বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে পরিবর্ত ফুটবলার হিসেবে নেমেও এএফসি কাপে হ্যাটট্রিক আছে। ভাল কিছু তাই আশা করতেই পারে ইস্টবেঙ্গল। জবি জাস্টিনের সঙ্গে ফর্মে ফেরা এনরিকে কিন্তু মশাল জ্বালাবে মাঠে।

]]>
‘দরাজ নিমন্ত্রণে’ মায়ের শ্রাদ্ধে লোক খাওয়াতে ঘুম উধাও বাংলার বিধায়কের https://thenewsbangla.com/basirhats-tmc-mla-dipendu-biswas-has-been-living-in-a-strange-situation-on-his-mothers-last-ritual/ Wed, 14 Nov 2018 07:24:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2356 The News বাংলা, বসিরহাট: অদ্ভুত সমস্যায় পড়েছেন বসিরহাটের তৃণমূল বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার, তাঁর মায়ের শ্রাদ্ধ উপলক্ষে খাওয়া-দাওয়া। আর তাতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে প্রাক্তন ফুটবলার ও বর্তমান বিধায়কের। কেন?!

বিধায়কের মায়ের নিয়মভঙ্গ এর খাওয়া-দাওয়া বলে কথা! সমস্যা কেন?? এখানেই তো গল্প শুরু। বিধায়ক নিমন্ত্রণ করেছেন প্রায় ৩ হাজার জনকে। সেই মত প্রস্তুতিও নিয়েছেন বিধায়কের লোকেরা। কিন্তু তারপরেই ছন্দপতন!

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দাবি ‘কলা আর বউ’

বিধায়কের নিমন্ত্রণ কার্ড নকল করে দরাজ মনে সবাইকে নিমন্ত্রণ করে দিয়েছেন আরও একজন! আর এখানেই শুরু হয়েছে চিন্তা। কত মানুষ আসবেন কাল?

Image Source: Google

যাঁর বাড়ির অনুষ্ঠান, সেই দীপেন্দু বিশ্বাস অবশ্য ভেবেচিন্তে হিসাব করেই তালিকা অনুযায়ী কার্ড ছাপিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, তাঁর হয়ে নিমন্ত্রণপত্রের রঙিন ফটোকপি করে অঢেল বিলিয়ে বেরিয়েছেন এক যুবক। অকাতরে, যাকে পেরেছেন তাকেই নেমন্তন্ন করেছেন!

এমনকী, ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপেও সকলকে ডেকে ডেকে বলেছেন, “সবার নেমন্তন্ন, ইচ্ছে মতো পাত পেড়ে খেয়ে এসো”। অদ্ভুত এই কাজে এখন বেজায় সমস্যায় বিধায়ক। কত মানুষ আসবেন কাল!?

আরও পড়ুন: পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আছে আফ্রিকা

বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসের মা লীলাদেবী মারা গিয়েছেন সম্প্রতি। কাল, ১৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নিয়মভঙ্গ। সেই উপলক্ষে হাজার তিনেক মানুষকে নিমন্ত্রণ করেছেন বিধায়ক। সেটা বেড়ে এখন কোথায় দাঁড়াবে তাই নিয়েই আশঙ্কায় বিধায়ক।

ট্যাটরার বাসিন্দা উজ্জ্বল বিশ্বাস অযাচিত ভাবে নিজেই বিধায়কের হয়ে নিমন্ত্রণের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে ফেলেছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে যাকে সামনে পেয়েছেন, সবান্ধবে চলে আসতে বলেছেন বিধায়কের বাড়ির অনুষ্ঠানে! জানতে পেরে চিন্তায় পড়েছেন দীপেন্দু বিশ্বাস।

Image Source: Google

বাধ্য হয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন দীপেন্দু। বিধায়কের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগে শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে উজ্জ্বলকে। পুলিশ জানতে পেরেছে, এর আগে দীপেন্দুর নামে টাকা তোলার অভিযোগ ছিল উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে। তবে লিখিত অভিযোগ হয়নি সে সময়ে।

উজ্জ্বলের দাবি, টাকা তোলার অভিযোগ মিথ্যা। এমনকী, বিধায়কের মায়ের কাজে কাউকে সে নিমন্ত্রণ করেছে বলেও মানতে চায়নি। তবে, হাজার হাজার মানুষ ইতিমধ্যেই তার নিমন্ত্রণ পেয়ে বিধায়কের মায়ের শ্রাদ্ধে আসার জন্য প্রস্তুত।

আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে একা লড়েছেন ‘দাবাং’ পুলিশ অফিসার

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ মনে করছে, অসাধু উদ্দেশ্যেই এই কাজ করেছে উজ্জ্বল। তিন হাজার নিমন্ত্রিতের কাজে যদি সংখ্যাটা বাড়িয়ে দেওয়া যায়, তা হলে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। দীপেন্দু বিশ্বাসকে ছোট করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে করা হয়েছে।

Image Source: Google

গোটা ঘটনায় উজ্জ্বল একাই জড়িত, নাকি আরও কোনও ‘বড় মাথা’ কাজ করছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: রথযাত্রার আগেই ষাঁড়ের তাড়া খেলেন মুকুল রায়

তবে, অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়ে শ্রীঘরে গেলেও বেজায় চিন্তায় বিধায়ক। খাবারে টান ধরতে কত আর দেরি লাগবে! দীপেন্দু নিজেও এমনটাই মনে করছেন। আগামীকাল ১৫ নভেম্বর, নিয়মভঙ্গের কাজে অতিথিদের বসিরহাটের নৈহাটিতে বিদ্যুৎ সঙ্ঘের মাঠে আসার কথা বলা হয়েছে।

আর এখানেই চিন্তায় ঘুম উধাও বিধায়কের। থানা-পুলিশ তো হল। গ্রেফতারও হয়েছে অভিযুক্ত। কিন্তু ভুয়ো নিমন্ত্রণপত্র পেয়ে হিসেবের বাইরে অতিথি হাজির হলে কী পরিস্থিতি দাঁড়াবে, তা নিয়ে আশঙ্কায় বিধায়ক ও তাঁর পরিবার। সামাল দেওয়া যাবে তো, চিন্তায় বিধায়কের দলবল। চিন্তায় বসিরহাট পুলিশ। কাল কি হবে?

]]>