Modi vs Mamta – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 08 Mar 2019 03:49:06 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Modi vs Mamta – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে https://thenewsbangla.com/bjp-targets-baishakhi-to-get-sovan-in-party-speculation-in-bengal-politics/ Fri, 08 Mar 2019 03:43:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7799 সুন্দরী বৈশাখীর হাত ধরেই কি বিজেপিতে শোভন? জল্পনা তুঙ্গে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। আর এই ট্রাম্প কার্ড খেলেই মমতার তৃণমূলকে একটা বড় ঝটকা দিতে চাইছেন মুকুল রায়। শোভনকে দলে টানতে পারলে আর লোকসভা ভোটে ভাল ফল করতে পারলে তৃণমূলকে ভাঙতে যে আরও সুবিধা হবে সেটাই আশা করছেন বিজেপি নেতারা।

আরও পড়ুনঃ মরে গিয়েও তৃণমূল বিজেপির হাত থেকে রেহাই পেলেন না বড়মা

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জির রাজনৈতিক ঠিকানা কি শেষ অবধি বিজেপি? বাড়ছে জল্পনা। সম্প্রতি শোভন এবং শোভনের বান্ধবী বৈশাখী সহ বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রস্তরের নেতাদের বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই দৃঢ় হচ্ছে।

বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে/The News বাংলা
বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে/The News বাংলা

সম্প্রতি বিজেপির কেন্দ্রস্তরের কিছু নেতার সাথে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে কয়েক দফা আলোচনাও হয় বলে জানা গিয়েছে। সরাসরি স্বীকার না করলেও বিজেপি নেতাদের সাথে আলোচনার বিষয়টি পুরোপুরি উড়িয়েও দেননি তিনি।

বৈশাখী বলেন, কথা হতেই পারে, তবে তার সাথে রাজনীতির সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। তবে আগামী দিনে অনেক কিছুই দেখা যাবে এবং ভবিষ্যতে যা করবেন, একসাথেই করবেন বলে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের অ্যাসিড আক্রান্তরা

এদিকে সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার বক্তব্যে। একপ্রকার নিশ্চিত করেই তিনি শোভনের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, শোভনের জন্য বিজেপির দরজা খোলা, আসতে চাইলে বিজেপি ওয়েলকাম করবে। তবে কবে যোগ দেবেন, তা তিনি পরিষ্কার করে বলেন নি।

কিন্তু নারদা কান্ডে অভিযুক্ত শোভনকে কেন বিজেপি দলে টানতে ইচ্ছুক? এই ব্যাপারে রাহুল সিনহা বলেন, তৃণমূলের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। মমতাকে এক হাত নিয়ে তার বক্তব্য, “মমতা দরকারের সময় রক্ত চুষে নেন, যার বলি হয়েছে শোভন”।

আরও পড়ুনঃ ডিএ মামলায় হাইকোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে শোভন চ্যাটার্জির বিশেষ সম্পর্কের কথা কারো অজানা নয়। বহুদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু শোভন-বৈশাখীর এই বিশেষ সম্পর্ক। তা নিয়ে দলীয় রাজনীতির জলও অনেক দূর অবধি গড়ায়।

শোভন বৈশাখী সম্পর্ক নিয়ে শোভনের একদিকে যেমন পারিবারিক বিবাদ যেমন চলছিল, তেমনি তার রেশ হানা দিয়েছিল প্রশাসনের অভ্যন্তরেও। শোভনের কান্ডে তিতিবিরক্ত মমতা এক প্রকার বাধ্য হয়েই আদরের ‘কানন’কে তিরষ্কারও করেন। শোভনকে মন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতেও বলা হয়।

আরও পড়ুনঃ মতুয়াদের বড়মার মৃত্যু রহস্যজনক, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

এরপরেই মেয়রের পদ থেকেও নিজেই ইস্তফা দেন শোভন। দলের সাথেও দুরত্ব বাড়ে কয়েকগুণ। আর এই অবস্থাকেই কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বহুদিনের পোড় খাওয়া এবং ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করে বড় হওয়া শোভন বিজেপিতে যোগ দিলে রাজনৈতিক ভাবে তারা লাভবান হবে বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব।

তবে শোভন চ্যাটার্জি পরিস্কার জানিয়েছেন, “আমি এখনও তৃণমূল কংগ্রেসে আছি। আমি দলের সৈনিক। ভবিষ্যতে কিছু হলেও আপনারা জানতে পারবেন”। তবে শোভন চ্যাটার্জিকে দলে টানতে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কেই যে আগে বোঝানোর চেষ্টা করছে মুকুলের বিজেপি, এমনটাই বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

]]>
‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির https://thenewsbangla.com/modi-and-mamata-have-to-declare-india-a-hindu-country/ Thu, 13 Dec 2018 13:25:03 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4111 The News বাংলা, শিলংঃ ‘ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ঘোষণা করা উচিত’। না কোন রাজনীতিবিদ নন, একথা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন এক বিচারপতি। আর আদালত চত্বর থেকে এই দাবি ওঠায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা দেশে। ৫ রাজ্যে সরকার গঠনের ব্যস্ততার মধ্যেই এক বিচারপতির এই ঘোষণায় শোরগোল গোটা দেশে।

আরও পড়ুন: বাংলায় রথের ভবিষ্যৎ, লালবাজারে ‘রথ বৈঠকে’ রাজ্য সরকার ও বিজেপি

ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ঘোষণা করা উচিত। এবার এমনই ‘দাবি’ করলেন মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস আর সেন। সোমবার নিজের দেওয়া এক রায়ে এমনই কথাই জানালেন বিচারপতি এস আর সেন। স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র মামলার এক শুনানিতে আরও চাঞ্চল্যকর ও শোরগোল ফেলে দেওয়া সব পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন তিনি।

'ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা' ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা
‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা

মেঘালয় রাজ্য সরকার স্থায়ী বাসিন্দাদের শংসাপত্র দিতে অস্বীকার করায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সেই মামলায় রায় দিতে গিয়েই এই ধরনের ‘বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ’ বিচারপতি এস আর সেনের।

বিচারপতি এস আর সেন তাঁর রায়ে লিখেছেন, ‘১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার সময় ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হয়েছিল। সেই মতো পাকিস্তান নিজেকে ইসলামিক রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে। ভারতকেও হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা উচিত।’

আরও পড়ুনঃ ‘বাংলায় রথ যাত্রা হবেই’ মমতাকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

বিচারপতি এস আর সেন, তাঁর রায়ে আরও জানিয়েছেন, ‘ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা উচিত নয়। আমার মনে হয় এই পরিস্থিতির গুরুত্ব একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজিই বুঝতে পারেন। ভারতের ইসলামিকরণ রুখতে তাঁর উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত। আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত তাঁকে সমর্থন করা’।

'ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা' ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা
‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা

মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস আর সেন এর এই পর্যবেক্ষণ স্তম্ভিত করে দিয়েছে গোটা দেশকে। সোমবার মেঘালয় হাইকোর্টেই এই রায়ের পর্যবেক্ষণ হতবাক করে দেয় আইনজীবী ও বিচারপতি মহলকে। একই সঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করে বিচারপতি সেন বলেন, ‘ভারতের সমস্ত নাগরিকের জন্য একই আইন হওয়া উচিত। অভিন্ন আইন মানতে যে অস্বীকার করবে তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত সরকারের।’

আরও পড়ুনঃ ৫ টি প্রধান কারনে ৫ রাজ্যে হার মোদীর বিজেপির

এখানেই থেকে থাকেন নি বিচারপতি এস আর সেন। নিজের পর্যবেক্ষণে তিনি ইসলামিক দেশগুলি থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য মোদী সরকারকে নতুন আইন আনতে অনুরোধ করেছেন। বিচারপতি সেন রায়ে উল্লেখ করেছেন, এ ব্যাপারে খুব তাড়াতাড়ি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও সাংসদদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস আর সেনের এই চাঞ্চল্যকর রায়ে গোটা দেশে আলোচনার বিষয় হিসাবে এখন উঠে এসেছে এটাই। গোটা দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গেছে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ বিতর্ক। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও এই নিয়ে কোন মন্তব্য করেন নি।

]]>
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা https://thenewsbangla.com/mamata-win-modis-rath-yatra-do-not-get-permission-from-kolkata-high-court/ Thu, 06 Dec 2018 11:26:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3592 The News বাংলা, কলকাতা: মমতার কাছে ‘গোহারা’ হেরে গেলেন মোদী। রাজ্য সরকার না করে দেবার পরে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’য় অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্টও। ফের একবার আদালতের লড়াইয়ে জিতল মা মাটি মানুষের সরকার। আগামী ৯ তারিখ পর্যন্ত কোন ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ করা যাবে না বলেই রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

মমতা বন্দোপাধ্যায় সরকার অনুমতি দেয় নি। বৃহস্পতিবারই আদালতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোচবিহারে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’য় পরিষ্কার না বলে দেওয়া হয়। নরেন্দ্র মোদীর ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি পেতে বিজেপির শেষ ভরসা ছিল সেই কলকাতা হাইকোর্টই। বলাই যায়, বিজেপির রথের দড়ি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের হাতে। সেই দড়ি আদালত এখন তুলে দিল রাজ্য সরকারের হাতেই।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ শুরু করার অনুমতি দেয় নি রাজ্য সরকার, আজ জানিয়ে দেয় কলকাতা হাইকোর্টে। আগামীকাল শুক্রবার, ৭ তারিখ কোচবিহার থেকে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ শুরুর কথা। তবে সেই যাত্রা শুরু করতে পারবে কিনা সেই নিয়েই ছিল প্রশ্ন। রাজ্যকে এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। রাজ্য সরকার না করে দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তই বহাল রাখল আদালত। আগামী ৯ তারিখ পর্যন্ত কোন রথযাত্রা নয়, নির্দেশ আদালতের।

আরও পড়ুন: মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে

প্রথম থেকেই বিজেপির ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার। আবার ‘রথযাত্রা’ করা যাবে না এমনটাও প্রথমে জানানো হয়নি রাজ্যের তরফে। তাই ‘রথযাত্রা’র বিষয়ে রাজ্য প্রশাসন ‘নীরব’ এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য বিজেপি। বিজেপির তরফে প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগে এবং এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা দায়ের করেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

মামলার শুনানিতে বিজেপির আইনজীবী সপ্তাংশু বসু ও অনিন্দ্য মিত্র জানিয়েছিলেন,’আসন্ন বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ অর্থাৎ ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় প্রচুর মানুষের সমাগম হবে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। তা সত্ত্বেও রাজ্য প্রশাসন এখনও কেন নিশ্চুপ? তাঁরা আদালতে আরও জানিয়েছিলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়ে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তাও জানাচ্ছে না সরকার। এর আগেও একাধিকবার রাজ্য প্রশাসন এই কাজ করেছে’।

আরও পড়ুন: মমতার পদে ইস্তফা, বিজেপির ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় কেপিপি সভাপতি

শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর কোচবিহার থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বিজেপির প্রথম রথ। দ্বিতীয় রথটি কাকদ্বীপ থেকে যাত্রা শুরু করবে ৯ তারিখ। তৃতীয় রথের যাত্রা তারাপীঠ থেকে শুরু হওয়ার ১৪ ডিসেম্বর। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তিনটি রথের উদ্বোধনেই হাজির থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। শুধু তাই নয় ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ চলাকালীন বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকটি জনসভা করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে আদালতের এই রায়ের পর, কি করবেন বিজেপি নেতারা সেটাই এখন প্রশ্ন।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

এর পরিপেক্ষিতে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। বিচারপতির প্রশ্ন, ‘রথযাত্রায় অনুমতি দেওয়া নিয়ে প্রথমে ডিজি তারপর আইজিকে জানানো হয়। তারপরও কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি? রথযাত্রার অনুমতি নিয়ে স্বয়ং রাজ্যপালও প্রশাসনের কাছে জানতে চান। তাঁকেও কিছু জানানো হয়নি’।

উত্তরে এজি বলেন, ‘ওরা ডিজি, আইজির কাছে অনুমতি চায়, তারা যথাযত কর্তৃপক্ষ নন যে অনুমতি দেবেন। আর রাজ্যপালের সাংবিধানিক অধিকার নেই যে এবিষয় হস্তক্ষেপ করবেন’।

আরও পড়ুন: ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র মধ্যেই শিলিগুড়িতে প্রথম জনসভা নরেন্দ্র মোদীর

এজির উত্তর শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। মন্তব্য করেন, ‘ডিজি, আইজি সেকথা জানাতে পারতেন যে কোথায় অনুমতি নিতে হবে। এজির উদ্দেশ্যে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলই তো মিছিল করবে, বারবার আদালত কেন সব রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করবে? এই সব সমস্যা সমাধানের কর্তৃপক্ষ রাজ্য সরকার। আপনারা আপনাদের সমস্যার সমাধান করুন’।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে কিশোরবাবু জানান, ‘আমরা জানি না কত মানুষ আসবেন এখানে? বিজেপির কোন কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন? তিনি কী ক্যাটেগরি নিরাপত্তা পান? সব জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে বসতে হবে’। শেষ পর্যন্ত কোচবিহারের পুলিশ সুপার এই যাত্রা নাকচ করে দিয়েছেন বলে আদালতে বৃহস্পতিবার শুরুতেই জানিয়ে দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত।

এরপরই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী নিজের রায় শুনিয়ে দেন। আদালত বিজেপিকে এই যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় মুখ পুড়ল বিজেপির। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আপাতত বিশ বাঁও জলে। ফের আদালতের লড়াই এ জয় হল মমতার রাজ্য সরকারের। ‘লোকসভা ভোটের আগেই কলকাতা হাইকোর্টে মমতার কাছে হারলেন মোদী’, বলছেন তৃণমূল নেতারা।

]]>
একদিকে মোদীর সমালোচনা অন্যদিকে অনুসরণ, মমতার ‘নিজশ্রী’ https://thenewsbangla.com/mamtas-nijoshree-is-again-a-counter-project-of-the-modi-government/ Sun, 02 Dec 2018 12:22:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3454 The News বাংলা, কলকাতা: ‘কন্যাশ্রী’, ‘যুবশ্রী’, ‘রূপশ্রী’ প্রকল্পের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন প্রকল্প নিয়ে এসেছেন, ‘নিজশ্ৰী’। কিন্তু জানেন কি এই ‘নিজশ্ৰী’ কি? এটাও কি মোদী সরকারের কোন প্রকল্পের পাল্টা?

‘কন্যাশ্রী’, ‘যুবশ্রী’, ‘রূপশ্রী’ প্রকল্পের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন প্রকল্প,’নিজশ্ৰী’। এইসব প্রকল্পের মাধ্যমেই তিনি ভোটে ‘ফল’ পেয়ে এসেছেন। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই ‘নিজশ্ৰী’ প্রকল্পের কথা বলেছেন তিনি। এতে বলা হয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিজস্ব বাসস্থান এর ব্যবস্থা।

মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা
মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা

এই প্রকল্প অনুযায়ী সরকারি জমিগুলিতে ফ্ল্যাট তৈরী করে হবে। ওয়ান বেডরুম ফ্ল্যাট এর কার্পেট এরিয়া থাকবে ৩৭৮ বর্গফুট। দুই বেডরুমে থাকবে ৫৫৯ বর্গফুট। ১ বিএইচকে ফ্ল্যাট এর দাম ৭ লক্ষ ২৮ হাজার এবং ২ বিএইচকে ফ্ল্যাটের দাম ৯ লক্ষ ২৬ হাজার রাখা হবে।

আরও পড়ুনঃ Exclusive: ভারতবাসীকে ‘জ্ঞান’ দেওয়া প্রিয়াঙ্কা নিজে কি করলেন

কলকাতা পুরসভা, নগরোন্নয়ন দফতর, জেলাভিত্তিক বিভিন্ন পুরসভা, পঞ্চায়েত বা উন্নয়ন পর্ষদগুলির ওপর দায়িত্ব থাকবে ফ্ল্যাট তৈরির। এক একটি ফ্লাট বাড়ি হবে ৫ তলার।

মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা
মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা

নিম্ন এবং মধ্যবিত্তদের জন্য মমতার এই প্রকল্পে কে কে আবেদন করতে পারবেন? জনানো হয়েছে যে, সমস্ত পরিবারের মাসিক উপার্জন ১৫০০০ থেকে শুরু করে ৩০০০০ পর্যন্ত, সেই সব পরিবারই আবেদন করতে পারবেন। ফ্ল্যাটের মালিকানা থাকবে এই সব মানুষের হাতেই। দলিলও দেওয়া হবে উপভোক্তাদের নামেই।

আরও পড়ুন: টানা জেরায় রহস্য ফাঁস, মোবাইল তার জড়িয়ে স্বামীকে হত্যা স্ত্রীর

তবে স্বজনপোষণ করে যাতে ফ্ল্যাট বিক্রি না হয়, তাও লক্ষ্য রাখা হবে বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শীঘ্রই এই প্রকল্পের জন্য আলাদা সরকারী ওয়েবসাইট তৈরী শুরু হবে।

অনলাইন এ আবেদন করতে হবে, আবেদনকরীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট বন্টন হবে। একবার লটারিতে ফ্ল্যাট না পেলে আবার আবেদন করতে পারবেন। তবে একটি পরিবার একাধিক ফ্ল্যাট পাবেন না।

মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা
মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা

এদিকে ইতিমধ্যে ২০২২ সালকে টার্গেটে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষনা করেছেন এইরকমই একটি প্রকল্প। নাম দেওয়া হয়েছে, ‘হাউসিং ফর অল’। এই ‘হাউসিং ফর অল’, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গরীবদের জন্য প্রাথমিক পর্বে শহরে ৫৪ লাখ ও গ্রামে ১ কোটি ফ্লাট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও, ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে ভোট টানতেই তাড়াহুড়ো করে এই ঘোষণা বলে সমালোচনা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন: Exclusive: বাংলা সংস্কৃতির ‘ব্যান্ড’ বাজাল অনুব্রতর চ্যালারা

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা(PMAY), অটল মিশন ফর রিজুভেনেসন অফ আরবান ট্রান্সফরমেশন(AMRUT) এবং স্মার্ট সিটি মিশন(SCM) এর মাধ্যমে এই প্রকল্প পুরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী।

মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা
মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা

আর মোদীর এই ‘হাউসিং ফর অল’ প্রকল্পেরই পাল্টা মমতার ‘নিজশ্রী’। ঠিক যেমন মোদীর ‘স্বচ্ছ ভারত’ মিশনের কথা মাথায় রেখে বাঙলায় ‘নির্মল বাঙলা’ প্রকল্প চালু করেছিলেন মমতা। ঠিক তেমনই এবার গরিব মানুষদের কম টাকায় ফ্লাট দেবার মোদী-মমতা লড়াই।

আরও পড়ুন: কৃষক র‍্যালিকে ঢাল করেই মোদী বিরোধী মঞ্চ গঠনের মরিয়া চেষ্টা বিরোধীদের

অর্থৎ, একথা স্পষ্ট যে মোদীকে সবদিক থেকে টেক্কা দিতে পিছপা হবেন না মমতা। ইতিমধ্যেই, পরবর্তী লোকসভা ভোটের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে মমতার দল। উঠে পড়ে লেগেছে গেরুয়া পার্টিও।

মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা
মোদী বনাম মমতা/The News বাংলা

২০১৯ সালের শুরুতেই লোকসভা ভোট হতে পারে, সেই ভেবেই এই প্রকল্পের ঘোষনা করেছেন মমতা, বলেই অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলগুলির। ঠিক একই অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে দিল্লিতে কংগ্রেস সহ অন্যান্যদের। সেই সমালোচনায় আছে বাংলার তৃণমূল কংগ্রেসও।

আপাততঃ নিজের ফ্ল্যাটের আশায় ভারত ও বাংলার গরিব মানুষ। একদিকে সমালোচনা অন্যদিকে পাল্টা দেবার অনুসরণ, মোদী মমতার লড়াইয়ে সুফল যদি ভারতের আমজনতা পায়, সেটাই হবে দেশের পক্ষে সবচেয়ে ভালো খবর।

]]>