Missile – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 18 May 2022 14:54:42 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Missile – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 আত্মনির্ভর ভারত, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল নৌসেনা https://thenewsbangla.com/atmanirbhar-bharat-indian-navy-drdo-launched-country-first-anti-ship-missile/ Wed, 18 May 2022 14:53:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15118 আত্মনির্ভর ভারত, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র; উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় নৌসেনা। দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর’ হওয়ার পথে; আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। বুধবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি, প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল; উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় নৌসেনা এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও(DRDO)। এদিন ওড়িশার বালাসোরে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে; এই মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এদিন ওড়িশার বালাসোরে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে; এই জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। নৌসেনার একটি সি-কিং ৪২বি হেলিকপ্টার থেকে; ছোঁড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি। নৌসেনা ও ডিআরডিও-র যৌথ উদ্যোগে; এই মিসাইল পরীক্ষা চালানো হয়। প্রতিরক্ষায় বিশেষ করে মিসাইল প্রযুক্তিতে, আত্মনির্ভর হওয়ার ক্ষেত্রে; দেশের প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইলের উৎক্ষেপণ বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

আরও পড়ুনঃ কাশীর পর মথুরা, কৃষ্ণের জন্মস্থানে মসজিদ বন্ধের আর্জি, ইদগাহ সিল করতে মামলা

চিনকে নজরে রেখেই, ভারতীয় নৌবাহিনীকে; অত্যাধুনিক মিসাইল ও রণতরীতে সাজিয়ে তুলছে ভারত। মঙ্গলবার মুম্বইয়ের মাজগাওঁ ডক থেকে, আইএনএস সুরাট ও আইএনএস উদয়গিরি নামে; দু-দুটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বুধবার জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল উৎক্ষেপণ করে; চিনা নৌবহরকেই বার্তা দিল নয়াদিল্লি; এমনটাই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষঙ্গরা।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীর মেয়ে, দুর্নীতির জালে জর্জরিত রাজ্য প্রশাসন

গত এপ্রিল মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে; ফের অত্যাধুনিক ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করে ভারতীয় নৌসেনা ও বিমানবাহিনী। লাদাখে সীমান্ত সংঘাতের পর থেকেই; মুখোমুখি ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে গতবছর ভারত মহাসাগরে, সুমাত্রার পশ্চিমে নজরদারি চলতে দেখা যায়; ‘শিয়াং ইয়াং হং ০৩’ নামের একটি চিনা জাহাজকে।

উপগ্রহ ছবিতেও ওই চিনা রণতরীর; হদিশ পাওয়া যায়। তারপর থেকেই দারুণ সতর্ক ভারত। চিনা নৌসেনার গতিবিধির উপর; তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে ভারত এর গোয়েন্দারা। নয়া দিল্লি সাফ জানিয়েছে, ভারতীয় জলসীমায় কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ; মেনে নেওয়া হবে না। যদিও এই আগ্রাসী কার্যকলাপের পরও বেজিংয়ের দাবি; জলদস্যু দমনের জন্য আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌবহর পাঠাচ্ছে তারা। চিনকে সাবধান করতেই এবার, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র; উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় নৌসেনা।

]]>
ভারত-পাক ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই কি কারণে বন্ধ হল https://thenewsbangla.com/india-and-pakistans-missile-war-stopped-for-usa-intervention/ Mon, 18 Mar 2019 06:47:53 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8673 ফেব্রুয়ারিতেই দুই পারমাণবিক ক্ষমতাধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শুরু হত ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সহ মার্কিন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো গেছে বলেই জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে এমনটাই খবর।

নয়াদিল্লি, ইসলামাবাদ ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক ও সরকারি সূত্র অনুসারে, উত্তেজনার এক পর্যায়ে ভারত পাকিস্তানে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হুমকি দেয়। অন্যদিকে এই ধরনের কোন কিছু হলে ভারতের দিকে তিন গুণ বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে ইসলামাবাদ জানিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ মমতা কি পাকিস্তানের কণ্ঠ, বিতর্কিত প্রশ্ন নিৰ্মলার

দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দুটির পাল্টাপাল্টি হুমকির মধ্যে পরিস্থিতির হঠাৎ অবনতি ও একটি যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। ভারত-পাকিস্তানের অব্যাহত সংঘাতের কারণে ভারত-পাক সীমান্ত বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থানের একটিতে পরিণত হয়েছে বলেই মত মার্কিন প্রশাসনের।

তবে শেষ পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কেবল হুমকি বিনিময় হয়েছে। দেশ দুটি প্রচলিত অস্ত্র ছাড়া কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেনি। তা সত্ত্বেও এ উত্তেজনায় ওয়াশিংটন, বেইজিং ও লন্ডনের সরকারি মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল বলেই জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স।

যে ঘটনাগুলোর সূত্র ধরে ২০০৮ সালের পর থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভয়াবহ সামরিক সংকট ঘনিয়ে এসেছিল এবং দুই পক্ষকে পিছিয়ে আনতে যেসব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো সমন্বিত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে রয়টার্স।

আরও পড়ুনঃ ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী

সাম্প্রতিক এই সংকটের সূত্রপাত ঘটে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর কনভয়ে পাক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের আত্মঘাতী হামলায় প্রায় ৪৯জন সেনা শহিদ হওয়ার পর।

এর প্রতিক্রিয়ায় ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালায় ভারতীয় বিমান বাহিনী। যদিও অঞ্চলটিতে কোনো জঙ্গি শিবির থাকার কথা অস্বীকার করে ইসলামাবাদ। যদিও পরে ইতালীয় ও মার্কিন সংবাদে প্রায় ২৫০ জন জঙ্গি মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

বালাকোটে হামলার পরদিন পাকিস্তানের বিমান ভারত সীমান্তে ঢুকে পড়লে, পাক- ভারতের বিমান বাহিনী সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালের পর দেশ দুটির মধ্যে প্রথমবারের মতো এই ধরনের সংঘর্ষ ঘটে। পাকিস্তান পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একটি ভারতীয় বিমানকে ভূপাতিত করে এবং এক বৈমানিককে আটক করে।

আরও পড়ুনঃমসজিদে ঢুকে মুসলিমদের গুলি করে হত্যা করা নিয়ে বিস্ফোরক তসলিমা

ভারতও একটি পাক এফ ১৬ বিমান ধ্বংস করে দেয়। এই ঘটনার পর ভারতে পাকিস্তানবিরোধী ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়। এরপরেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত, মার্কিন প্রশাসনকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে রয়টার্স।

২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) প্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। দোভাল জানান, বৈমানিককে আটক করা হলেও ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তার ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ প্রচার থেকে পিছিয়ে আসবে না। ভারত সরকারের একটি সূত্র ও কথোপকথন সম্পর্কে অবগত পশ্চিমের এক কূটনীতিক রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছেন বলে দাবি।

দোভাল আইএসআই প্রধানকে জানান, সেসব জঙ্গিগোষ্ঠী পাকিস্তানের মাটি থেকে অবাধে তৎপরতা চালাচ্ছে, ভারত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এ তৎপরতা আরো বাড়াতে প্রস্তুত নয়াদিল্লি।

আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের পর ভারতের অংশ হবে পাকিস্তান, ঘোষণা আরএসএস নেতার

সে সময় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে ভারতের হুমকি সম্পর্কে পাকিস্তানের এক মন্ত্রী ও ইসলামাবাদে অবস্থানরত এক পশ্চিমি কূটনৈতিক পৃথকভাবে নিশ্চিত করেছেন।

কে দিয়েছে বা কাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট করে না জানানো হলেও পাকিস্তানি মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ চলার সময় উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ছিল। এমনকি এখন পর্যন্ত যোগাযোগ রয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা হিসেবে ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে এবং পরদিন ভোরে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোল্টন দোভালের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বলেই নয়াদিল্লির এক পশ্চিমি কূটনৈতিক ও ভারতীয় কর্মকর্তা জানান।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

পরবর্তী সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে উভয় পক্ষের সঙ্গে ফোনে কথা করেন। মার্কিন প্রশাসন ও দুই দেশে থাকা মার্কিন কূটনীতিকদের উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করেছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স।

তবে এই খবর একেবারেই ভুয়ো বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত সরকারের এক মুখপাত্র। বলেছেন, নিজের মনের মত গল্প লিখেছে ওই সংবাদসংস্থা। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে কোন বাধা দেবেন না বলেই জানিয়েছেন, মনে করিয়ে দিয়েছেন ওই মুখপাত্র।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মিসাইল দফতরের ভারতীয় কর্মী পাকিস্তানের গুপ্তচর https://thenewsbangla.com/an-indian-worker-in-brahmos-missile-office-is-a-pakistani-spy/ Mon, 08 Oct 2018 17:27:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=881 নিজস্ব সাংবাদদাতাঃ মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে গ্রেফতার নিশান্ত আগরওয়াল নামের এক ভারতীয়। ওই ব্যক্তি নাগপুরের ব্রাহ্মস মিসাইল ইউনিট দফতরের কর্মী। তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের স্পাই বা গুপ্তচর সংস্থার হয়ে কাজ করার অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের Anti Terrorism Squads, (ATS) এর।

উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের Anti Terrorism Squads, (ATS) সোমবার গ্রেফতার করে নিশান্ত আগরওয়াল নামে এক ভারতীয়কে। সে নাগপুরে ব্রাহ্মস মিসাইল দফতরের কর্মী। তার বিরুদ্ধে রয়েছে মারাত্মক অভিযোগ। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI কে ব্রাহ্মস মিসাইলের গোপন কাগজপত্র পাচার করছিলেন তিনি।

নিশান্ত আগরওয়াল নামে ওই ব্যক্তির Official Secrets Act র আন্ডারে বিচার হবে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে পাকিস্তানকে ব্রাহ্মস মিসাইলের গোপন ফর্মুলা পাচার করার মারাত্মক অভিযোগ।

এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে ইন্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স। গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা তদন্ত করে দেখছেন এর পিছনে আর কেউ জড়িত আছে কিনা। ব্রাহ্মস মিসাইলের গোপন টেকনোলজিক্যাল ফর্মুলা আদৌ ফাঁস হয়ে গিয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা।

Image Source: Google Image

ব্রাহ্মস মিসাইল সাবমেরিন, জাহাজ, এয়ারক্রাফট ও মাটি থেকেও নিক্ষেপ করা যায়। সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে ব্রাহ্মস বিশ্বের অন্যতম সেরা। ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের গোপন তথ্য অভিযুক্ত জোগাড় করেছিলেন বলেই সন্দেহ ATS এর। গোয়েন্দাদেরও ভাবাচ্ছে ভারতীয়দের ISI সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার ব্যপারটা। ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র এর গোপন ফর্মুলা পাক গোয়েন্দা সংস্থার হাতে পৌঁছে গেলে তা ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে খুব একটা স্বস্তির হবে না।

একমাস আগেই ATS, পাকিস্তান গুপ্তচর সংস্থা ISI এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে BSF বা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল। অচ্যুতানন্দ মিশ্র নামের ওই BSF জওয়ান পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার ‘হানি ট্রাপে’ পরে ফেঁসে গিয়েছিলেন বলেই প্রাথমিক সন্দেহ ছিল গোয়েন্দাদের। তারপর ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের দফতরে কাজ করা কর্মীর পাক-যোগসাজশের জন্য গ্রেফতার, চোখ কপালে তুলে দিয়েছে গোয়েন্দাদের।

পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISI এর জন্য এমন কতজন স্পাই বা গুপ্তচর ভারতীয় প্রতিরক্ষা দফতরে কাজ করছেন, সেটা ভেবেই আশঙ্কিত ভারতীয় গোয়েন্দারা। যে ভাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে, মিসাইল দফতরে ও অনান্য প্রতিরক্ষা দফতরে একের পর এক ভারতীয় অফিসার, পাক গুপ্তচর সংস্থার হয়ে কাজ করতে গিয়ে ধরা পরছেন তাতে চোখ কপালে উঠেছে ভারতের গোয়েন্দাদের। প্রতিরক্ষা দফতরে এই ভাবে কাজ করা পাক স্পাই আর কোথায় কোথায় আছে, সেই ভেবেই আশঙ্কিত গোয়েন্দারা।

]]>