Militant base at Pakistan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 04 Mar 2019 16:47:28 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Militant base at Pakistan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 জঙ্গিদের সরাসরি সেনাবাহিনীতে নিচ্ছে ইমরানের পাকিস্তান https://thenewsbangla.com/pakistan-is-taking-terrorists-and-militants-directly-into-the-pakistan-army/ Mon, 04 Mar 2019 16:31:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7487 আর কোন লুকোছাপা নয়। এবার জঙ্গিদের সরাসরি সেনাবাহিনীতে নিচ্ছে পাকিস্তান। ইমরান খান সরকারে আসার পরেই ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এই ঘোষণা হয়। তবে সরকারি কোষাগারে টাকা না থাকায় সেই সময় কার্যকর করা যায়নি। তবে এবার সব জঙ্গিদের প্রথমে আধাসেনা, এমনকি পরে সেনাতেও ভর্তি করবে পাকিস্তান।

আরও পড়ুনঃ ভারত পাকিস্থান ও চীন এর হাতে সেনা ও অস্ত্র কত

অচিরেই পাক সেনায় দেখা যাবে জইশ ই মহম্মদ, লস্কর ই তৈবা প্রভৃতি জঙ্গি গোষ্ঠীর জঙ্গিদের দেখা যাবে পাকিস্তান সেনায়। আর কোন লুকোছাপা নয়। এতদিন সেনাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ত জঙ্গিরা। এবার সরাসরি সেনাদের উর্দিতেই লড়বে জঙ্গিরা। ইমরান খান সরকার পরের বাজেটেই এর জন্য টাকা দেবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ মমতার পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রমাণ চাইলেন মেহেবুবা

তবে এইভাবে সরাসরি জঙ্গিদের আধাসেনা ও পরবর্তীতে পাক সেনায় অন্তর্ভুক্ত করে ফের একবার তাদের জঙ্গি প্রীতির পরিচয় দিল পাক সরকার, এমনটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ ভারত সীমান্তে জঙ্গি হামলা ঠেকাতে আধুনিক নজরদারি

বিশ্বজোড়া সন্ত্রাসবাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। এমন পরিস্থিতিতে গত বছরেই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ করে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্ট্র্যাটেজিক ফোরসাইট গ্রুপ। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের নিরিখে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার থেকেও বিপদজনক পাকিস্তান।

আরও পড়ুনঃ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে ফের বেলাগাম সিধু

‘গ্লোবাল টেরর থ্রেট ইন্ডিক্যান্ট’ নামে এই রিপোর্টে বলা হয়েছে মানবতার জন্য সব থেকে বিপদজনক দেশ পাকিস্তান। দীর্ঘ বিগত প্রায় তিন দশক ধরে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানের নিন্দায় বারবার মুখর হয়েছে ভারত ও বিশ্বের অন্যান্য দেশ। জঙ্গি সংগঠনকে মদত দেওয়ার অভিযোগ বহুবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তুলেছে ভারত।

আরও পড়ুনঃ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে যাবতীয় প্রশ্নের জবাব দিলেন বায়ুসেনা প্রধান

রিপোর্টে আরও দাবি করা হয় যে, জঙ্গির মদতের জন্যই বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস চালান বিশ্বের সবথেকে ভয়ঙ্কর জঙ্গি গোষ্ঠিগুলি পাকিস্তানের মাটিতে নিশ্চিন্তে রয়েছে। পাকিস্তানের সমর্থনেই তারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। জইশ ই মহম্মদ এবং লস্কর ই তৈবা সবথেকে বিপদজনক জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাকিস্তান যেমন একদিক থেকে আর্থিক সাহায্য করে তেমনি নিরাপদ আশ্রয়ের ক্ষেত্র দিয়ে দুহাত বাড়িয়ে সাহায্য করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে।

আরও পড়ুনঃ আমি নোবেল পাওয়ার যোগ্য নই বললেন প্রধানমন্ত্রী

এরপর সেই জইশ ই মহম্মদ এবং লস্কর ই তৈবা ও বন্ধ মাদ্রাসার জঙ্গি শিক্ষাগুরুদের সরাসরি আধাসেনায় ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি বিশ্বের কাছে জঙ্গিদের নিয়ে নিজেদের অবস্থান বুঝিয়ে দিল পাকিস্তান। জঙ্গিদের সরাসরি সেনাবাহিনীতে নিচ্ছে ইমরানের পাকিস্তান, খবর ছড়িয়ে পরার পরেই বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে নিন্দা। এইভাবেই জঙ্গিদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, সাফ জানিয়েছে পাকিস্তান।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের কোপে এবার প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
আরও পড়ুনঃ Exclusive পাকিস্তান থেকে পালানোর জন্য তৈরি থাকুন জঙ্গিদের জানাল জইশ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাজপেয়ীর মত ভুল করেননি, পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করলেন মোদী https://thenewsbangla.com/modi-did-not-make-mistakes-like-vajpayee-indian-air-force-destroy-militant-base-in-pakistan/ Tue, 26 Feb 2019 11:48:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7180 প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী পারেননি। কিন্তু পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৯৯ সালে ভারত যখন পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপন করতে উদ্যোগী তখন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী ও ভারতের পিঠে ছুরি মেরেছিল পাকিস্তান। শান্তির মাঝেই দখলে নিয়েছিল কার্গিল। তখনও ভারতীয় বিমান বাহিনী পাকিস্তানে ঢুকে হামলার অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু দেননি প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। ২০১৯ সালে সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

১৯৯৯ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি দিল্লি ইসলামাবাদ প্রথম বাস যাত্রার সময় এই বাসেই ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী লাহোর সম্মেলনে যোগ দিতে রওনা হন এবং ওয়াঘা সীমান্তে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ তাঁকে স্বাগত জানান। বাজপেয়ীর বাস যাত্রা উভয় দেশের জনগণ সাদরে গ্রহণ করে ও সমগ্র বিশ্বের সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। দুই দেশের সরকার ১৯৯৯-এর লাহোরে ঘোষণা করেন, কাশ্মীর সমস্যা সহ উভয় দেশের বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনের পক্ষে জোর দেওয়া হবে।

কিন্তু একদিকে যখন ভারত পাক শান্তির বাস যাত্রা চলছে তখনই পাক সেনা ও জঙ্গিদের দল দখল নিচ্ছে কার্গিল সহ ভারতের একের পর এক পাহাড়। ১৯৯৯ সালের মে মাস। হঠাৎ খবর পাওয়া গেল কাশ্মীরের কার্গিল সেক্টর দখল করে নিয়েছে পাকিস্তানি সেনা ও জঙ্গিরা। তাদের সরিয়ে কার্গিল পুনর্দখল করা আজ ভারতবাসীর কাছে গৌরবময় ইতিহাস।

তাদের হঠাতে ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন বিজয়’। দীর্ঘ তিন মাস কঠিন লড়াইয়ের পর কাশ্মীরের ওই এলাকা দখলমুক্ত করে ফের ভারতের পতাকা ওড়াতে সক্ষম হয় ভারতের বীর সেনা জওয়ানরা। কার্গিল যুদ্ধ জিততে বায়ুসেনার শক্তি দারুন ভাবে কাজে লাগিয়ে ছিল ভারত। ৩২ হাজার ফুট উঁচুতে উঠে ভারতীয় সেনা সীমান্তে পাক সেনা, বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গি ঘাঁটি খুঁজে বের করে হামলা চালায়।

সরকারিভাবে ‘অপারেশন বিজয়’র সাফল‍্যের কথা ২৬শে জুলাই ঘোষণা করা হয়। এরপর ৬০০ শহিদের বদলা নিতে ভারতীয় বায়ুসেনা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে হামলার অনুমতি চান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকার সেই হামলার অনুমতি দেননি। কিন্তু কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ৪৯ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর পর আর ভুল করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জঙ্গি মারল ভারতের বিমান। সবুজ সংকেতের অপেক্ষাতেই ছিল ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। ঠিক যেন সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পুনরাবৃত্তি। তবে এবার মাটিতে নয়। আকাশপথে। পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করল ভারতীয় যুদ্ধবিমান। পুলওয়ামা কাণ্ডের বদলা নিতে এক হাজার কেজি বোমা ফেলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল পাক মাটিতে তৈরি হওয়া একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি। হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে পাকিস্তানও।

কার্গিলের সময়ই এই হামলা চালানোর প্রয়োজন ছিল বলেই বারবার জানিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। এবার সেই সুযোগ আর হাতছাড়া করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় সরকার। পাকিস্তানে ঢুকে ৩টি জায়গায় প্রায় ১০০০ কেজি বোমা ফেলে তারা। ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয় বালাকোট, মুজাফরাবাদ ও চকোটিতে জঙ্গিশিবিরগুলি। ২০ মিনিটের মধ্যে অপারেশন শেষ করে ভারতে ফেরে বিমানগুলি। এই হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি সহ বহু জঙ্গিশিবির গুঁড়িয়ে দিয়েছে বায়ুসেনা। খতম করা হয়েছে ৩০০ জঙ্গিকে।

]]>