Meyor of Kolkata – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 17 Mar 2019 12:00:16 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Meyor of Kolkata – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের https://thenewsbangla.com/firhad-hakim-attack-opposition-female-candidates-by-addressing-them-mal/ Sun, 17 Mar 2019 11:50:56 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8629 ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রতিপক্ষের প্রতি আক্রমনের তীব্রতা বাড়ছে। মাঝে মাঝে আক্রমণ এমন জায়গায় যাচ্ছে যে সেটা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিজেপির দিলীপ ঘোষ ও আরএসপির ক্ষিতি গোস্বামীর পর এবার সেই দলে নাম লেখালেন বাংলার মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল নেতা ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ ‘ববি’ হাকিম।

বিজেপির দিলীপ ঘোষ ও আরএসপির ক্ষিতি গোস্বামীর পর এবার তালিকায় নয়া সংযোজন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। দক্ষিণ কলকাতার সিপিএমের প্রার্থী নন্দিনী মুখোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতে গিয়ে মাত্রাছাড়া অশালীন মন্তব্য করে বসলেন কলকাতার মেয়র। ব্যঙ্গাত্মক সুরে তিনি বলেন, “কে তুমি নন্দিনী, আগে তো দেখিনি”।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। এরপর বিজেপির প্রার্থীর উদ্দেশ্যেও নিম্নমানের শব্দ প্রয়োগ করেন তিনি। দক্ষিণ কলকাতায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীর ব্যাপারে তিনি বলেন, “এরপর কোনো ফরেন মাল আসবে এই কেন্দ্রে, বিজেপি হয়তো আনবে”।

এর আগে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরেই যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী ও বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে নিয়ে তৈরি মিমে স্যোসাল মিডিয়া ছেয়ে যায়। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য দুই বিজেপি সমর্থককে গ্রেফতারও করা হয়।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরোধী দলের সমর্থকরা বিরূপ মন্তব্য করলেও বিরোধী দলের নেতারা কেউ কেউ চলচ্চিত্র জগতের হেভিওয়েটদের রাজনৈতিক ধ্যান ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু তাদের কাউকেই মহিলা প্রার্থীদের নিয়ে এরকম মাত্রাছাড়া কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের পর ভারতের অংশ হবে পাকিস্তান, ঘোষণা আরএসএস নেতার

কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে প্রায়শই বাংলার শিক্ষা সংস্কৃতি নিয়ে গর্ব করতে শোনা যায়। বাংলার সংস্কৃতির মাটিতে গোবলয়ের দল দাগ কাটতে পারবে না বলেও তাকে প্রায়ই বলতে শোনা যায়। কলকাতার মেয়রের মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে স্বয়ং ফিরহাদ হাকিম কিভাবে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গেলেন, তা নিয়ে সমালোচনার মুখর হয়েছে বিরোধীরা।

তবে নেতাদের এইভাবে শালীনতার মাত্রা অতিক্রম করাকে একদম ভাল চোখে দেখছেন না সাধারণ মানুষ। তাঁদের ক্ষোভ সব দলের সব নেতাদের বিরুদ্ধেই। বিশেষ করে মহিলাদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ সহ্য করছে না বাংলার মানুষ।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
হাইকোর্টে স্বস্তি ববি হাকিমের, চরম অস্বস্তিতে দিলীপ ঘোষ https://thenewsbangla.com/high-court-relieved-bobby-hakim-dilip-ghosh-in-extreme-discomfort/ Fri, 04 Jan 2019 08:44:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5233 The News বাংলা, কলকাতা: শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি কলকাতার মেয়র হতে চলা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ ‘ববি’ হাকিমের। অন্যদিকে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মেয়র পদে মামলায় হাইকোর্টে ধাক্কা খেল বামেরা। শুক্রবার, সিপিআইএম কাউন্সিলর বিলকিস বেগম এর করা মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়র পদে ববি হাকিমের নাম প্রস্তাব করায়, কলকাতা হাইকোর্টে বিধানসভায় পাস হওয়া সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন কলকাতা পুরসভার সিপিআইএম কাউন্সিলর বিলকিস বেগম।

সেই মামলার দীর্ঘ শুনানি হয় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে। মামলা চলাকালীন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত সংশোধিত আইনের পক্ষেই সওয়াল করেন আদালতে।

শোভন চ্যাটার্জী কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই রাজ্য সরকার বিধানসভা অধিবেশনে তড়িঘড়ি করে ১৯৮০ সালের কলকাতা পুরসভা আইনে সংশোধনী আনে। সংশোধনী আইন অনুযায়ী, বাইরের কেউ (কাউন্সিলর না হলেও) মেয়র হতে পারবেন। তবে তাকে ৬ মাসের মধ্যে পুরসভার যে কোন ওয়ার্ড থেকে জয়লাভ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ
হাতি খাঁচা ক্যামেরা ড্রোন তল্লাশি নজরদারি সব ব্যর্থ, ৩ দিনেও লবডঙ্ক্যা
EXCLUSIVE: নতুন বছরে সুখবর, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ
বাংলায় আবার নক্ষত্র পতন, চলে গেলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম
কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা পুরসভার ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর বিলকিস বেগম হাইকোর্টে মামলা করেন। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে মামলার শুনানি চলাকালীন মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “সংবিধানের ২৪৩ আর (২৫৩আর) ধারা অনুযায়ী পুরসভার মেয়র হতে পারেন একমাত্র নির্বাচিত কাউন্সিলরই”।

মামলায় প্রশ্ন তোলা হয়, “অনির্বাচিত কাউন্সিলরের যোগ্যতা নেই মেয়র পদে বসার। কিন্তু শোভন চ্যাটার্জী পদত্যাগ করার পরই রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে চটজলদি ১৯৮০ সালের আইনে সংশোধনী আনে। বিশেষ উদ্দেশ্য না থাকলে সরকারের কি এমন দরকার পড়ল অনির্বাচিত কাউন্সিলর ফিরহাদকে মেয়র পদে বসানোর?”।

মামলায় বলা হয়, “রাজ্যের শাসকদলের হাতে তো সর্বাধিক কাউন্সিলর রয়েছে ওই পুরসভায়। তাদের বাদ দিয়ে হঠাৎ অনির্বাচিত কোন ব্যক্তিকে মেয়র করা হচ্ছে কেন? এটা তো সংবিধানের ২৪৩ আর ধারার পরিপন্থী। এছাড়া, অনির্বাচিত হওয়ায় ফিরহাদের তো মেয়র পদে নির্বাচন বেআইনি”। মেয়র নির্বাচন স্থগিত করার আর্জি জানান হয় আদালতে।

এর বিরোধিতা করেন রাজ্যের আডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তিনি বলেন, “সংবিধান মেনেই কলকাতা পুরসভার আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধিত আইন সংবিধানের পরিপন্থী নয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী পদের ক্ষেত্রেও তো বাইরের কাউকে সেই পদে বসালে সেই ব্যক্তিকে ৬ মাসের মধ্যে ভোটে জিতে আসতে হয়। তাহলে মেয়র পদের ক্ষেত্রে হবে না কেন?”

আরও পড়ুনঃ
শীতের বাংলায় বৃষ্টি আনতে আন্দামান থেকে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পাবুক’
দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

কলকাতার পুরসভার আইনজীবী শক্তিনাথ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, “বিধানসভায় রাজ্য সরকারের অধিকার রয়েছে পুরসভার বিলে সংশোধনী আনার। তাকে আইনে পরিনত করার। আর এই আইন সংশোধনের জন্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের দরকার নেই”।

শুক্রবার, বিচারপতি দেবাংশু বসাক রায় দেন, কলকাতা পুরসভার মেয়র নির্বাচনে কোনো বাধা নেই। সরকারের আইন পরিবর্তন বৈধ বলেই জানিয়ে দেন তিনি।

অন্যদিকে, শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে দিলীপ ঘোষের অস্বস্তি আরও বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট তলব করল আদালত।

রিপোর্ট তলব করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ১৪ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ। ফলে শিক্ষাগত যোগ্যতার কাঁটা রয়েই গেল দিলীপ ঘোষের।

আরও পড়ুনঃ
শীতের বাংলায় বৃষ্টি আনতে আন্দামান থেকে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পাবুক’
EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি
লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার
ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

]]>
প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসার ‘অ-শোভন’ https://thenewsbangla.com/love-wins-and-snatch-everything-from-the-world-of-sovan-chatterjee/ Wed, 21 Nov 2018 03:36:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2782 The News বাংলা, কলকাতাঃ তৃণমূল নেতা শোভন চ্যাটার্জীর সঙ্গে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের রসায়ন নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই বৈশাখীর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরে সংবাদের শিরোনামে রয়েছেন মেয়র শোভন। যার জেরে একদিকে যেমন তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সাথে বিবাদ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল, তেমনি সেই সাংসারিক উত্তাপের আঁচ পৌঁছে গিয়েছিল প্রশাসনিক দপ্তর অবধি। শেষ পর্যন্ত সেই প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসারে ‘অ-শোভন’।

Image Source: Google

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে কলকাতা পৌরসভার আনাচে কানাচে বহুদিন ধরেই কানাঘুষো চলছিল। ইদানিং বহু সামাজিক অনুষ্ঠানেও মেয়র শোভন চ্যাটার্জীর সঙ্গে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসাথে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। তা নিয়েও বিদ্রুপ ও সমালোচনা কম হয়নি।

আরও পড়ুনঃ কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে শোভনকে তাড়ালেন মমতা

এদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন দপ্তরের কাজে শোভনের খামখেয়ালিপনা শুরু হয়। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনকে বহু আগেই সাংসারিক ঝামেলা মিটিয়ে নিতে বলেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর উপদেশে বিন্দুমাত্র লাভ হয়নি। বরং মেয়র যথারীতি চলছিলেন তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিতেই। ‘বৈশাখীই আমার সব’, সাংবাদিক সম্মেলনে বলে দিয়েছেন অবলীলায়।

The News বাংলা

এদিকে দিনের পর দিন মেয়রের কাজের প্রতি অমনোযোগ বেড়েই চলছিলো। তা প্রত্যক্ষ করেই মাসখানেক আগেই মুখ্যমন্ত্রী পুনরায় তিন দপ্তরের মন্ত্রী ও মেয়রকে বিদ্রুপের ছলে রসিকতা করে জিজ্ঞেস করেন যে, তিনি কি বিভিন্ন দপ্তরের কাজ গুলো ঠিকঠাক করছেন, নাকি শুধু প্রেমই করছেন!

আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশে মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা শোভন চ্যাটার্জীর

যদিও যাবতীয় সমালোচনাকে উপেক্ষা করে মেয়র বরাবর অটল থেকেছেন নিজের সিদ্ধান্তেই। কাজে অনীহা দেখে মুখ্যমন্ত্রী আরও ক্ষুব্ধ হন। তার জেরে মেয়রের সাথে কথা কাটাকাটিও হয় মুখ্যমন্ত্রীর। আর তার জেরেই মঙ্গলবার চরম সিদ্ধান্ত নিলেন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চ্যাটার্জী।

Image Source: Google

ঘটনার সূত্রপাত হয় গতকাল বিধানসভায়। বিধানসভায় আবাসন দপ্তরের প্রশ্নত্তর পর্বে উপস্থিত ছিলেন শোভন এবং মমতা দুজনেই। সেখানেই একজন বাম বিধায়কের প্রশ্নের ভুল উত্তর দেন শোভন। আর তাতেই মুখ্যমন্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আবাসন মন্ত্রী শোভন চ্যাটার্জীকে পরিসংখ্যানগত ত্রুটি ধরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন: ঘাসফুল ছেঁটে মমতার ‘কাননে’ কি এবার পদ্ম

অধিবেশন শেষে স্পীকারের ঘরে শোভন চ্যাটার্জীর সাথে মুখ্যমন্ত্রীর কথপোকথনে, শোভনের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মমতা। কাজ ফেলে রেখে শাড়ি চুড়ির দোকানে ঘুরছেন মেয়র, এই বলে ব্যঙ্গ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Image Source: Google

আর তাতেই আগুনে ঘি পড়ে। ইঙ্গিত যে তাঁর বান্ধবীর দিকে, তা বুঝেই চরম অপমানিত বোধ করেন শোভন। আর দেরি না করেই অনতিবিলম্বে চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করেন দমকল এবং আবাসন মন্ত্রীর পদ থেকে। প্রেমের বদনাম মন থেকে মেনে নিতে পারেন নি ‘প্রেমিক’ শোভন।

আরও পড়ুন: যেখানে সেখানে থুতু-পিক ফেলা বন্ধ করতে কড়া মমতা

মুখ্যমন্ত্রী এর আগে শোভনকে জানান, তাঁর কাছে সব খবর ও ছবি আছে। শোভন বুঝতে পারেন তাঁর ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। আর এতে আরেকবার অপমানিত বোধ করেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন যে, তাঁকে অবিশ্বাস করা হচ্ছে, তাঁকে আর দরকার নেই বলে তাঁর ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। আর এভাবে কোনো নজরদারির মধ্যে তিনি কাজ করতে চান না।

Image Source: Google

শোভন এটাও জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁর পক্ষে দিনের পর দিন অপমান সহ্য করে কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকবার শোভন তাঁর বিভিন্ন দপ্তরের কাজ থেকে ইস্তফা দিয়ে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু তিনি শুধরে যাবেন, এই আশায় মুখ্যমন্ত্রী তখন পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন নি। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সচিবের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠানো মাত্রই সঙ্গে সঙ্গেই তা গৃহিত হয়। পদত্যাগ করতে বলা হয় মেয়রের পদ থেকেও।

আরও পড়ুন: ভারতবাসীকে নেতাজীর মৃত্যুদিন জানাল বাংলার পুরসভা

শোভন চ্যাটার্জী মুখ্যমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্থাভাজন এবং অত্যন্ত স্নেহের পাত্র ছিলেন। কংগ্রেস ছাড়ার পর যেদিন থেকে শোভন তৃণমূলে যোগ দেন, সেদিন থেকেই দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই কাজ করেছেন তিনি। আর মুখ্যমন্ত্রীর সাথেও শোভনের সম্পর্ক ছিলো দিদি ভাইয়ের মতোই। ছিলেন দিদির আদরের ‘কানন’।

Image Source: Google

কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বাকবিতন্ডা এবং অবশেষে সটান ইস্তফার জেরে জল গড়ালো অনেক দূর। বৈশাখীর প্রেমে বদনাম বিশ্ব সংসারে ‘অ-শোভন’। আর তাতে অনেকেই বলছেন, মেয়রের মতো পদমর্যাদা, মন্ত্রিত্ব, মুখ্যমন্ত্রী ও শোভনের দিদি ভাইয়ের সম্পর্ক, এতবছরের রাজনৈতিক জীবন, ভবিষ্যৎ এই সব কিছুকে উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত প্রেমেরই জয় হল।

]]>