#MeToo – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 15 Oct 2018 16:01:01 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg #MeToo – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 প্রিয়া রামানির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/union-minister-mj-akbar-files-defamation-case-against-priya-ramani-over-metoo-charges/ Mon, 15 Oct 2018 15:34:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1238 নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রাক্তন সাংবাদিক ও বর্তমানে বিজেপি সরকারের মন্ত্রী এম জে আকবর মানহানির মামলা করলেন। তার নামে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা সাংবাদিক প্রিয়া রামানির নামে মানহানির অভিযোগ দায়ের করলেন মি-টু (#MeToo)-তে অভিযুক্ত বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। আদালতে লড়াই করবেন জানিয়েছেন রামানি।

আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ প্রথম এনেছিলেন সাংবাদিক প্রিয়া রামানি। যদিও এক বছর আগে লেখা সেই প্রতিবেদনে তিনি আকবরের নাম করেন নি। কিন্তু সম্প্রতি এক ট্যুইটে তিনি পুরোনো ঘটনা মনে করিয়ে সরাসরি আকবরের নাম নেন।

তার পর থেকে একাধিক মহিলা সাংবাদিক আকবরকে নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে থাকেন। কীভাবে হোটেলের ঘরে ইন্টারভিউর নামে মহিলা সাংবাদিকদের আকবর ডেকে পাঠাতেন, মদ খাওয়াতেন, ঘনিষ্ঠভাবে কাছে বসতে বাধ্য করতেন, অশালীন আচরণ করতেন, মহিলা সাংবাদিকেরা তার বিবরণ দিয়েছেন।

পরিচয় প্রকাশ না করা এক সাংবাদিক লিখেছেন তাঁকে হোটেলে ডাকার কাহিনি। ‘সম্পাদক মশাই’ তাঁকে জোর করে মদ খাওয়ালেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। সেই মহিলা লিখেছেন, একটা সময় জোর করে আকবারকে ঠেলে দিয়ে, দরজা খুলে তিনি হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন।

আকবরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলো প্রধানত সেই সময়ের যখন তিনি কলকাতায় ‘সানডে’ ম্যাগাজিন ও ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর সম্পাদনা করছেন। এর পর তিনি ‘এশিয়ান এজ’ ও ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। সাংবাদিকতা ছেড়ে আকবর প্রথমে যোগ দেন কংগ্রেসে। সাংসদও হন। পরে বিজেপিতে যোগদান ও মন্ত্রিত্ব লাভ।

প্রিয়া রামানি নামের ওই সাংবাদিক এবং আরও কয়েকজন মহিলা অভিযোগ করেন যে এম জে আকবর পত্রিকার সম্পাদক থাকার সময় তাদের যৌন হেনস্থা করেছিলেন। যদিও আকবর, যিনি দি টেলিগ্রাফ এবং দি এশিয়ান এজ নামে দুটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, বলছেন, এসব দাবি ‘মিথ্যা এবং অতিরঞ্জিত।’

এর পর প্রিয়া রামানিও একটি বিবৃতি দিয়েছেন । তাতে তিনি বলেন, এ মামলা করে মি আকবর ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির মাধ্যমে অভিযোগকারীদের চুপ করিয়ে দিতে চাইছেন। প্রিয়া রামানি আরো বলেন, তিনি মামলা লড়ার জন্য প্রস্তুত।

প্রিয়া রামানির বিরুদ্ধে মামলা করা ছাড়াও মি আকবর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা অন্য মহিলাদের বিরুদ্ধেও মামলা করার হুমকি দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। সোমবার বিদেশ থেকে ফেরার পর মি আকবর সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানান, যৌন হয়রানির এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নিউ দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালতে মামলা করলেন আকবর।

মহাত্মা গান্ধির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নাইজেরিয়া গিয়েছিলেন আকবর। আর সেই সময়ে ৪ অক্টোবর সাংবাদিক প্রিয়া রামানি টুইটারে প্রথম অভিযোগ করেন।

পরে প্রেরণা সিং বিন্দ্রা, ঘাজালা ওয়াহাব, সুতপা পাল, অঞ্জু ভারতী, সুপর্ণা শর্মা, সুষমা রাহা, মালিনী ভূপ্তা, কণিকা গহলত, কাদম্বরী এম ওয়াদেও অভিযোগ করেছেন। মহিলা সাংবাদিকদের অভিযোগ নানা ভাবে হেনস্থা করতেন দ্য টেলিগ্রাফ বা এশিয়ান এজের মতো সংবাদপত্রের মাথা হিসেবে কাজ করা আকবর।

এবার আদালতেই ফয়সালা হবে আকবরের বিরুদ্ধে ওঠা সত্য না মিথ্যা। শেষ পর্যন্ত #MeToo আন্দোলনের ফয়সালা হবে নিউ দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালতেই।

]]>
কর্মক্ষেত্রে যৌনহেনস্থা, #MeToo আতঙ্কে কাঁপছে কলকাতার মিডিয়া মাথারা https://thenewsbangla.com/me-too-sexual-harassment-at-work-media-heads-of-kolkata-shivering-in-fear/ Sat, 13 Oct 2018 04:55:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1135 বিশেষ রিপোর্ট: গোটা বিশ্বে এমনকি ভারতবর্ষেও শুরু হয়েছে মি টু (#MeToo) আন্দোলন ঝড়। কর্মক্ষত্রে যৌনহেনস্থার একের পর এক অভিযোগ এবার প্রকাশ্যে আসছে। তবে, দুনিয়া কেঁপে গেলেও তার আঁচ পরে নি কলকাতার সংবাদমহলে। যেন কিছুই হয় নি ! তবে, একটু ভেতরে ঢুঁ মারলেই বোঝা যায়, আতঙ্কে কাঁপছে কলকাতার বেশ কিছু মিডিয়া হাউসের মাথারা।

ভারতে প্রথমবার #MeToo আন্দোলন শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে আইনি পথে। অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ের ওশিয়ারা থানায় FIR করেছেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। সোশ্যাল মিডিয়ার মি টু (#MeToo) স্লোগান আছড়ে পড়ছে বিজেপি মন্ত্রীসভাতেও।

যৌন হেনস্তার অভিযোগের এবার নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন সাংবাদিক ও ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরেরও। আর এবার কলকাতার বড় এক খবরের কাগজের সাংবাদিকের বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছেন এক মহিলা সাংবাদিক।

সমস্ত পেশার মতোই সংবাদজগতেও এই ধরণের ঘটনা নতুন নয়। গোটা বিশ্বেই শিক্ষানবিশ ও নতুন আসা মহিলা সাংবাদিকদের যৌন হেনস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় বলেই অভিযোগ। তবে খুব কম মহিলাই সাহস করে কোন ঘটনা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন। কলকাতার বেশ কিছু মিডিয়ার ‘বস’দের বিরুদ্ধে এই ধরণের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের তালিকা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। সেই সব ঘটনাই এবার #MeToo হয়ে আছড়ে পড়বে প্রকাশ্যে, আশঙ্কায় অনেকেই।

শুরুটা হয়েছিল, সফল সম্পাদক ও সাংবাদিক ও বর্তমানে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরকে দিয়ে। অভিযোগ যাঁরা করেছেন, সাংবাদিক হিসেবে তাঁরাও বেশ পরিচিত মুখ। কলকাতাতেও বড় একটি খবরের কাগজের এক নামকরা সাংবাদিক এবার হ্যাশট্যাগ মি টুর সামনে। অভিযোগ সেই যৌন হেনস্থার। অপেক্ষায় আরও অনেকে এখন আশঙ্কার প্রহর গুনছেন।

হ্যাশট্যাগ মি টু (#MeeToo), সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনের শুরুটা হয় মার্কিন মুলুকে। গত এক বছর ধরে মার্কিন মুলুকের সফল চলচ্চিত্র প্রযোজক হার্ভে ওয়েইনস্টেনের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগের ঝড় বয়ে যাচ্ছে যা ‘#মি টু’ (#MeToo) নামে পরিচিত।

একের পর এক অভিনেত্রী ও অন্যান্য মহিলারা এই প্রযোজকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন, যেগুলো আদালতের বিচারাধীন। তারই রেশ ধরে ভারতেও শুরু হয়েছে এই ‘মি টু’ আন্দোলন।

সাংবাদিক আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ প্রথম এনেছিলেন সাংবাদিক প্রিয়া রামানি। যদিও এক বছর আগে লেখা সেই প্রতিবেদনে তিনি আকবরের নাম করেন নি। কিন্তু সম্প্রতি এক ট্যুইটে তিনি পুরোনো ঘটনা মনে করিয়ে সরাসরি আকবরের নাম নেন।

তার পর থেকে একাধিক মহিলা সাংবাদিক আকবরকে নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে থাকেন। কীভাবে হোটেলের ঘরে ইন্টারভিউর নামে মহিলা সাংবাদিকদের আকবর ডেকে পাঠাতেন, মদ খাওয়াতেন, ঘনিষ্ঠভাবে কাছে বসতে বাধ্য করতেন, অশালীন আচরণ করতেন, মহিলা সাংবাদিকেরা তার বিবরণ দিয়েছেন।

পরিচয় প্রকাশ না করা এক সাংবাদিক লিখেছেন তাঁকে হোটেলে ডাকার কাহিনি। ‘সম্পাদক মশাই’ তাঁকে জোর করে মদ খাওয়ালেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। সেই মহিলা লিখেছেন, একটা সময় জোর করে আকবারকে ঠেলে দিয়ে, দরজা খুলে তিনি হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন।

এই ঘটনাই কাঁপিয়ে দিয়েছে কলকাতার অনেক মাথাকেই। কলকাতার বড় বড় ৩/৪ টি খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলের মাথারা এখন আতঙ্কের প্রহর গুনছেন। এই বুঝি সামনে এলো তাদের যৌন হেনস্থার কথা। কাজ পাইয়ে দেওয়া ও পরে প্রোমোশনের জন্য মহিলা কর্মীদের কু-প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু ওই মহিলা কর্মীদের মুখ খোলার অপেক্ষা।

কলকাতার অন্ততঃ ২ থেকে ৩ টি টিভি চ্যানেলের বড় মাথাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে মহিলা সাংবাদিকদের। তাদের বিরুদ্ধে কাজ পাইয়ে দেওয়া, প্রমোশন পাইয়ে দেওয়া, কাজের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য শারিরীক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি প্রতিবাদ করলে নির্মম ভাবে ছেঁটে ফেলার অভিযোগও রয়েছে এক এডিটরের বিরুদ্ধে। যে কোনদিন সেটা #MeToo হয়ে আছড়ে পড়বে প্রকাশ্যে।

এখনও নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক মহিলা সাংবাদিক অভিযোগ এনেছেন কলকাতার এক বড় সংবাদপত্রের মাথার বিরুদ্ধে। অশ্লীল কথা বলা, নোংরা অঙ্গভঙ্গি করা ও যখন-তখন যেখানে খুশি ছোঁয়ার অভিযোগ রয়েছে। মোবাইলে প্রমাণও রয়েছে, সেটা যে কোনদিন #MeToo হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে আছড়ে পড়বে।

কলকাতার এক ওয়েব নিউজ পোর্টালের এডিটারের বিরুদ্ধেও রয়েছে অনেক অভিযোগ। নোংরা ম্যাসেজ পাঠানো, কু প্রস্তাব দেওয়ার লিখিত প্রমান রয়েছে বলেই জানিয়েছেন কিছু মহিলা সাংবাদিক। শিক্ষানবিশ মহিলা সাংবাদিক নিয়োগ করে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। যে কোনদিন তা হ্যাশট্যাগ মি টু (#MeToo) হয়ে প্রকাশ্যে আসবে।

আসল সাংবাদিকরা সবসময় খবরে থাকতে ভালোবাসেন। কিন্তু এই প্রথমবার, সংবাদ বা খবরে আসার অপেক্ষায় কাঁপছেন কলকাতার কিছু সাংবাদিক। হ্যাশট্যাগ মি টু (#MeToo) আতঙ্ক গ্রাস করেছে কলকাতার সংবাদ জগতকেও।

]]>
নানার বিরুদ্ধে থানায় যৌন নির্যাতনের FIR তনুশ্রীর https://thenewsbangla.com/actress-tanushree-lodged-fir-against-nana-for-sexual-assault-in-a-mumbai-police-station/ Thu, 11 Oct 2018 05:01:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1000 মুম্বাই: ভারতে প্রথমবার Me Too আন্দোলন শেষ পর্যন্ত গড়ালো আইনি পথে। অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ের ওশিয়ারা থানায় FIR করলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। বুধবার গভীর রাতে থানায় গিয়ে নানার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেন তনুশ্রী।

অভিনেতা নানা পাটেকর, কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য, পরিচালক রাকেশ সারাং, প্রযোজক সামি সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও অশ্লীল আচরণের অভিযোগ করেন তনুশ্রী। পাশাপাশি মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনা যারা তনুশ্রীর গাড়িতে হামলা করেছিল তাদের বিরুদ্ধেও লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

আগেই তিনি এই চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। ২ পাতার সেই লিখিত অভিযোগকেই FIR করে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করল ওশিয়ারা থানার পুলিশ অফিসাররা।

২০০৮ এর মার্চে, গুড়গাঁওয়ের ফিল্মিস্তান স্টুডিওতে হর্ন ওকে প্লিজ সিনেমার শুটিং চলাকালীন অভিনেতা নানা পাটেকর, কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য, পরিচালক রাকেশ সারাং, প্রযোজক সামি সিদ্দিকী তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন ও অশ্লীল আচরণ করেন বলেই অভিযোগ তনুশ্রীর। নানা নাচের অছিলায় তাকে বারবার অশ্লীল ভাবে জড়িয়ে ধরেছেন বলেই জানিয়েছেন তনুশ্রী।

কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্যর বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তার। বুধবার রাতে কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে ঘটনার ১০ বছর পর কেন তনুশ্রী FIR করলেন, প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়েও। ১০ বছর পর কিভাবে এই ঘটনার তদন্ত করবে পুলিশ, প্রশ্ন সেটা নিয়েও।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে অভিযুক্তদের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজ্য মহিলা কমিশন। ১০ দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মহিলা কমিশন চিঠি দিয়েছে ফিল্ম ও টিভি অভিনেতাদের সংগঠনকেও। Cine and TV Artistes Association (CINTAA) কেও নোটিশের কপি দিয়েছে কমিশন। সংগঠন এই অভিযোগের ভিত্তিতে কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে কমিশন।

থানায় FIR হবার পর পুলিশী তদন্তের পাশাপাশি খুব শীঘ্রই মহিলা কমিশন শুনানির জন্য ডাকা হবে তনুশ্রী ও ৪ অভিযুক্তকে।

ইতিমধ্যেই নানা- তনুশ্রী ইস্যুতে মুখ খুলেছেন বলিউডের বেশ কিছু অভিনেতা, পরিচালক। সব মিলিয়ে Me Too আন্দোলন সাড়া ফেলে দিয়েছে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। যে ভাবে একের পর এক ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে, তাতে এই আন্দোলন কোথায় কি ফাঁস করে সেটাই এখন দেখার। এ কথা বলাই যায়, হলিউডের পর ‘মি টু’ কাঁপিয়ে দিল বলিউডকেও।

]]>