Masood Azhar’s Jaish-e-Mohammed – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 03 Mar 2019 10:46:04 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Masood Azhar’s Jaish-e-Mohammed – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে খতম জইশ জঙ্গি ও ডেরা স্বীকার মাসুদ ভাইয়ের https://thenewsbangla.com/jaish-e-mohammed-terrorists-killed-camp-destroyed-in-surgical-strike-2/ Sun, 03 Mar 2019 10:46:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7383 ভারতের বিমান হানায় বা দ্বিতীয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে খতম জইশ জঙ্গি ডেরা ও জইশ জঙ্গিরা, স্বীকার করে নিল জইশ ই মহম্মদ সৃষ্টিকর্তা মাসুদ আজহারের ভাইয়ের। তছনছ মাসুদ-সাম্রাজ্য, খতম ভাই ইব্রহিম, শ্যালক ইউসুফ সহ শীর্ষ জইশ নেতারা। এবার প্রমান দিল মাসুদ আজহারের ভাই মৌলনা আম্মর। পাকিস্তানে এক জনসভায় স্বীকার করে নিয়েছে মহম্মদ আম্মর। যে নিজেও টার্গেটে ছিল কিন্তু ঐসময় না থাকায় বরাত জোরে বেঁচে যায়।

আরও পড়ুনঃ সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে মাসুদ আজহারকেও কি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা

পাকিস্তানে থাকা ইতালির সাংবাদিক ফ্রান্সিকা মারিনো পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, “ভারতের বায়ুসেনা জইশ ই মহম্মদের একটি বড় জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়েছে”। ইতালির সাংবাদিক ফ্রান্সিকা মারিনো জানিয়েছেন, তিনি ওইদিন বালাকোটের ওই অঞ্চলে গিয়েছিলেন। যে ক্যাম্পে বোমা ফেলেছিল ভারত সেখান থেকে অনেক জঙ্গির লাশ বের করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ম্যাডাম খুব তাড়াতাড়ি যুদ্ধ বিমানে বসতে চাই, নির্মলাকে অভিনন্দন

সাংবাদিক ফ্রান্সিকা মারিনো জানিয়েছেন, ঘটনার পর পাক সেনা গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছিল কাউকে সেখানে ঢুকতে দেয়নি। যারা ফটো তোলার চেষ্টা করে তাদের সবার মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। তিনি জানিয়েছেন ওখান থেকেই ৫০ টি মৃতদেহ সরান হয়। তাঁর কাছে ভিডিও আছে বলেও দাবি করেছেন ওই সাংবাদিক।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ছাড়ার আগে অভিনন্দন বর্তমানের পাশে ভদ্রমহিলা কে

গত মঙ্গলবার ভোর ৩.৩০ এ শুরু হয় অপারেশন। ভোর সাড়ে তিনটেয় ভারতীয় বায়ুসেনার হিন্ডন এয়ারবেস থেকে আকাশে ওড়ে ১২টি মিরাজ ২০০০ জঙ্গিবিমান পাকিস্তানের বালাকোট এ প্রথম হামলা করে বিমান বাহিনী ভোর ৩.৪৫-৩.৫৩ এর মধ্যে। মুজাফরাবাদ এ ৩.৪৮-৩.৫৫। ও চাকোটিতে বোমা ফেলে ৩.৫৮ থেকে ৪.০৪ এর মধ্যে। ১৯ মিনিটের অপারেশনে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত সীমান্ত পাড়ের পাক জঙ্গি ঘাঁটিগুলি। দাবি করা হয় মৃত্যু হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ জঙ্গির। এই অপারেশনে জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর কোমড় ভেঙ্গে গেছে, ভারতীয় বিমান বাহিনী সুত্রে এমনটাই জানান হয়।

আরও পড়ুনঃ ভারতকে হেয় করতে পাকিস্তানের মিথ্যা দাবিতে বেঘোরে প্রাণ গেল পাক পাইলটের

ভারতের তরফে দাবি করা হয়, দ্বিতীয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে তছনছ জঙ্গি সম্রাট মাসুদের সাম্রাজ্য। ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে সীমান্ত পেরিয়ে বায়ুসেনার গত মঙ্গলবারের অপরেশনের সাফল্য। সূত্রের খবর, সেনার লক্ষ্য ছিল ২ শীর্ষ জঙ্গি নেতা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর রাতের হামলায় বায়ুসেনার আক্রমণে নিকেশ করা গেছে কাশ্মীরের জইশ প্রধান মুফতি আজহার খানকে।

আরও পড়ুনঃ জওয়ানদের হত্যার ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র পাক আইএসআইয়ের

এইসঙ্গে হামলায় খতম হয়েছে মাসুদ আজহারের ভাই ইব্রাহিম আজহার। ইব্রাহিম কান্দাহার বিমান অপহরণের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পাশাপাশি নিহত হয়েছে মাসুদের শ্যলাক ইউসুফ আজহার সইফ। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার ভোর রাতের হামলায় ৩০০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছিল তা সত্যি বলেই প্রমাণ হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ভারতকে সাইকোলজিক্যাল ব্ল্যাকমেল, মুখ ও মুখোশের আড়ালে পাকিস্তান

ভারতীয় সেনাদের টার্গেটে ছিল জইশের অন্যতম নেতা মুফতি আজহার খান, যে কাশ্মীরের অপারেশনাল মাথা হিসাবে কাজ করত। ছিল জইশের মাথা মাসুদ আজহারের বড় ভাই ইব্রাহিম আজহার। এই ইব্রাহিম আজহারই কান্দাহারের বিমান হাইজ্যাকের সাথে যুক্ত ছিল। এছাড়াও তালিকায় ছিল মৌলানা আম্মর, যার দায়িত্বে চিল কাশ্মীর ও আফগানিস্তান। আর ছিল প্রিপারেশন উইংয়ের হেড মাসুদ হাজহারের আরেক ভাই মৌলানা তালহা সইফ। ভারতীয় বায়ুসেনার অতর্কিত এই হামলায় রীতিমত কোমর ভেঙে যায় জইশের।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় বায়ুসেনা অভিনন্দনের স্ত্রী সাজিয়ে নোংরা রাজনীতি মোদী বিরোধীদের

আকাশ থেকে ছোঁড়া একের পর এক বোমার আঘাতে দাঁড়াতেই পারেনি জঙ্গিরা। নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করে মিরাজ ২০০০ বিমান থেকে লেজার গাইডেড বোমা। সেই বোমার আঘাতেই মাসুদ আজাহারের ২ ভাই ও শালার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃত্যু হয়েছে মাসুদ আজাহারের ভাই তলহা সইদ, ইব্রাহিম আজহারের, মৃত্যু হয়েছে কাশ্মীরে জইশের প্রধান আজহার খান ও উমর নামে এক জঙ্গি। এছাড়াও মারা যায় অনেক প্রাক্তন পাক সেনা কর্তা ও আইএসআই কর্তা যারা জঙ্গিদের ট্রেনিং দিতে আসত।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে লড়ছে মরছে সেনা আর তাঁদের নিয়ে চলছে মুনাফার মারপিট

এদের মধ্যে বিমান হানার পর একমাত্র মৌলানা আম্মরকেই দেখা গেছে পাকিস্তানে। এমনকি তারপর থেকেই দেখা যায়নি জইশ-এ-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকেও। জানান হয়েছে, কিডনির সমস্যায় ভুগছে জইশ-এ-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে সেনা হাসপাতালে আজহারের ডায়ালিসিস চলছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে ভারতের বিমানহানার সময় জন্ম নবজাতকের নাম মিরাজ

মাসুদ আজহার ‘মারাত্মক অসুস্থ’, একথা শুক্রবার জানান পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি। সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কুরেশি বলেছেন, ‘পাকিস্তানে রয়েছে আজহার। মাসুদ আজহার এতটাই অসুস্থ যে, সে বাড়ি থেকে বেরোতে পারছে না’। কিন্তু তাকে কেউ দেখেনি।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে ভারতীয় সেনার সাহস ও বীরত্ব দেখিয়ে দেশে ফিরলেন অভিনন্দন

এবার মনে করা হচ্ছে, বিমান হানার সময় ওই ক্যাম্পেই ছিলেন ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি’ মাসুদ আজাহার। মাসুদকেও ওই ক্যাম্পের সঙ্গেই উরিয়ে দিয়েছে ভারত, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। যাকে বলে ‘প্রাইজ ক্যাচ’। বিমান হানার বোনাস। গত দুদিন ধরেই পাকিস্তান বলে চলেছে কিডনির সমস্যায় পাক সেনা হাসপাতালে ভর্তি মাসুদ আজাহার। কিন্তু মনে করা হচ্ছে, মাসুদ আজাহার ইতিমধ্যেই খতম হয়েছে ভারতের বিমান বাহিনীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে।

আরও পড়ুনঃ যা হয়েছে তা ট্রেলার, আসল ফিল্ম এখনও বাকি বললেন নরেন্দ্র মোদী

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভারতের চাপে মাসুদ আজহারের জইশ জঙ্গি দফতরের দখল নিল পাক পুলিশ https://thenewsbangla.com/pakistan-police-sealed-masood-azhars-jaish-e-mohammed-terrorist-office/ Fri, 22 Feb 2019 16:02:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7139 ভারতের চাপে মাসুদ আজাহারের জইশ জঙ্গি দফতরের দখল নিল পাকিস্তান পুলিশ। জানা গেছে, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাহওয়ালপুরে জইশ ই মহম্মদ জঙ্গিদের একটি দফতরের দখল নিয়েছে পাকিস্তানের পুলিশ। যদিও এটা ভারতের চাপে পরে লোকদেখানি না মাসুদ আজাহারকে সুরক্ষা দিল পাকিস্তান, সেটাই এখন প্রশ্ন।

পুলওয়ামা হামলার পর বিশ্বব্যাপী নিন্দিত এবং কোণঠাসা হয়ে জইশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল পাকিস্তান। জানা গিয়েছে, শুক্রবার পাকিস্তানে অবস্থিত ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর সদর দফতরের দখল নিয়েছে পাক পুলিশ। আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানকে একঘরে করে দেবার প্রচেষ্টায় সফল ভারত। সেই ভয়েই লোকদেখানি হলেও মাসুদ আজাহারের জইশ জঙ্গি দফতরের দখল নিল পাক পুলিশ।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলা হয় সিআরপিএফ কনভয়ে। হামলার পরই ঘটনার দায় স্বীকার করে নেয় পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ। স্বাভাবিকভাবেই অভিযোগের তীর যায় পাকিস্তানের দিকেই। তার পরেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান হামলার নেপথ্যে নিজের দেশের ভূমিকা অস্বীকার করে ভারতের কাছে প্রমাণ দাবি করেছিলেন।

তবে আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স সহ বিশ্বের সব দেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেদের বক্তব্য রাখে। এমনকি এইভাবে জঙ্গিদের সাহায্য করলে আই এম এফ থেকে পাকিস্তানকে সব রকম ঋণ বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা শোনানো হয়। এরপরই শুক্রবার জানা যায়, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে জইশের সদর দফতরের দখল নিয়েছে পাক পুলিশ। একটি সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পঞ্জাব প্রদেশের বাহওয়ালপুরে মাদ্রাসাতুল সাবির ও জামা-ই-মসজিদ সুবহানাল্লা-সহ একটি ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে পাঞ্জাব সরকার এর পুলিশ।

তবে সবটাই যে লোকদেখানি সেটাই বলছে ভারত। এর আগে পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতেও ব্যবস্থা নিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারকে হেফাজতে নেয় ইসলামাবাদ প্রশাসন। হেফাজতে নেওয়া হয় মাসুদ আজহারের ভাই মুফতি আব্দুল রউফ সহ ১২জন জইশ জঙ্গিকে। পাঠানকোট হামলার নেপথ্যে এই রউফের নামই উঠে এসেছে। এছাড়াও, জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের অফিসও সিল করে দেওয়া হয়। পরে প্রমাণ হয়ে যায় সবটাই কিছুদিনের জন্য লোকদেখানি।

মৌলানা মাসুদ আজহার হল সেই জঙ্গি যাকে আজ থেকে ২০ বছর আগে ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ভারত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। কাঠমাণ্ডু থেকে দিল্লি আসার সময় ইন্ডিয়ার এয়ারলাইন্সের বিমান আইসি-৮১৪ হাইজ্যাক করে পাক জঙ্গিরা। তারপর পণবন্দিদের মুক্তির জন্য মাসুদ আজহারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন বিজেপি সরকার।

পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার পরই নাম উঠে আসে মাসুদ আজহার ও তার ভাইয়ের। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের উপর চাপ তৈরি করে নয়াদিল্লি। ভারতের তরফে ইসলামাবাদের হাতে পাঠানকোট হামলার যে তথ্যপ্রমাণ তুলে দেওয়া হয়, তাতে স্পষ্ট দাবি করা হয়, সেদিনের হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ।বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে জঙ্গিরা সেদিন যে নম্বরগুলোতে তাদের পরিবারের সদস্য ও হ্যান্ডলারদের ফোন করেছিল, সেই নম্বরগুলোও পাকিস্তানের।

তারপরই ব্যবস্থা নেয় নওয়াজ শরিফ প্রশাসন। পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মাসুদ, রউফ সহ ১২ জইশ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে পাক সরকার। এছাড়াও তদন্তের স্বার্থে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গি গোষ্ঠীর বেশ কয়েকটি অফিসও সিল করে দেওয়া হয়। এই গ্রেফতারের পর পাক সরকারের তরফে দাবি করা হয়, দীর্ঘ তদন্তের পরই জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত পাক আদালত তাদের সবাইকে ছেড়েও দেয়। এবারেও সেই লোকদেখানি পদক্ষেপ শুরু করেছে বলেই ভারতের তরফ থেকে জানান হয়েছে।

]]>