Mamata vs Rajnath – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 30 Mar 2019 17:14:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Mamata vs Rajnath – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা ও রাজনাথের স্বরাষ্ট্র দফতরের চরম সংঘাত https://thenewsbangla.com/mamata-rajnath-home-ministrys-extreme-clashes-with-central-forces/ Sat, 30 Mar 2019 16:51:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9542 বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা ও মোদী সরকারের চরম সংঘাত ফের প্রকাশ্যে। রাজনাথ সিং এর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরে চিঠি দিয়ে ভোটের কাজের জন্য রাজ্যে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নেবার জন্য চিঠি দেয়। মমতার স্বরাষ্ট্র দফতর শনিবার পাল্টা চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে বাংলার জঙ্গল মহলে থেকে এক কোম্পানি বাহিনীও তোলা যাবে না। এর জেরেই শুরু হয়েছে নজিরবিহীন সংঘাত।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে পুনরায় নির্বাচিত না করলে দেশ সংকটে পড়বে, মন্তব্য হেমা মালিনীর

রাজ্যের জঙ্গল মহলে এখন রয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। লোকসভা ভোটের জন্য সেই বাহিনীকে কাজে লাগাতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনেকটাই এখন রয়েছে জম্মু কাশ্মীরে। তাই ভোট পরিচালনার জন্য বাংলার জঙ্গল মহল থেকে ওই ৩৫ কোম্পানি বাহিনীকে তুলতে চায় কেন্দ্র। আর তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহুবার বলেছেন, রাজ্য মাওবাদী মুক্ত। আর এখানেই শুরু হয়েছে লড়াই। এখনও এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীও ছাড়তে চায় না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

বাম আমলে ২০০৯ সালের ১৭ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পশ্চিমবঙ্গে অপারেশন গ্রিন হান্ট শুরু করে। মাওবাদীদের কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে সেটাই ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রথম উপস্থিতি। তারপরে কেটে গেছে দশটি বছর। সরকার বদলেছে, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলেছে। চারিদিকে প্রচারে ছয়লাপ ‘জঙ্গলমহল হাসছে। উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে জঙ্গলমহল’। তা হলে অসুবিধাটা কোথায়, কেন রাজ্য সরকারের আপত্তি জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে? এবং এটা একবার নয়, বারবার ঘটে চলেছে। প্রশ্ন কেন্দ্রের।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মিশন শক্তির ঘোষণায় নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন হয়নি, জানিয়ে দিল কমিশন

স্বাভাবিকভাবে অনেকবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রশ্ন তুলেছেন, এই অংশ থেকেও কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন প্রত্যাহার করা হবে না? রে-রে করে উঠেছে রাজ্য সরকার। জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারে বারবার আপত্তি জানানো হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। কিসের প্রয়োজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর? প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে কেন আপত্তি তুলছে রাজ্য সরকার? বারবার এই প্রশ্ন করেছে কেন্দ্র সরকার।

আরও পড়ুনঃ ২৩ মে নয়, ভোটের ফল পিছতে পারে আরও ৬ দিন জানাল নির্বাচন কমিশন

একটা রাজ্য মাওবাদমুক্ত, এই তকমা যদি পাওয়া যায়, তা হলে সেটা তো সরকারের চূড়ান্ত সাফল্য! সরকার এই সুযোগ হাতছাড়া করছে কেন? কারণ হিসাবে আলোচনায় আসছে দুটি বিষয়। হয় মাওবাদীদের কোনও গোপন গতিবিধি সরকারের নজরে রয়েছে, অথবা মাওবাদকে কেন্দ্র করে যে বিশাল কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়, তার অপব্যবহার করার একটি প্রচেষ্টা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে রয়েছে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ মদ বিক্রিতে ১০ হাজার কোটি টাকার সর্বকালিন রেকর্ড গড়ল মা মাটি মানুষের সরকার

ভোট-রাজনীতি নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে আবার কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত শুরু হয়েছে। এবারও রাজ্যের মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা থেকে অবশিষ্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে। তবে জম্মু কাশ্মীরে অনেক কোম্পানি বাহিনী পাঠাতে বাধ্য হওয়ায় এবার আর বাংলা থেকে বাহিনী নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে।

আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে সভা নিয়ে কাটল জটিলতা, ৩রা এপ্রিলই হচ্ছে মোদীর জনসভা

অতি মাওবাদীপ্রবণ এলাকার কেন্দ্রীয় তালিকা থেকে আগেই বাদ গিয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও বীরভূম জেলা। এ বার ‘সিকিওরিটি রিলেটেড এক্সপেন্ডিচার’ বা এসআরই তালিকা থেকেও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির বাদ দেওয়া হবে। প্রশাসনিক ব্যাখ্যায় এসআরই-র অর্থ, মাওবাদীদের দৌরাত্ম্য না-থাকলেও বাড়তি সতর্কতার জন্য সংশ্লিষ্ট তালিকাভুক্ত এলাকাগুলির নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত নজরদারি।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই নারদ মামলায় তৃণমূল নেতাদের চার্জশিট দেবে সিবিআই, খুশি পদ্ম শিবিরে

রাজ্যের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি একবার এসআরই তালিকার বাইরে চলে গেলে সেখানে নিজেদের বাহিনী আর না-ও রাখতে পারে কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্য মনে করছে, এই মুহূর্তে তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে না। সেটাই চিঠি দিয়ে ফের জানিয়ে দেওয়া হল।

আরও পড়ুনঃ দাঙ্গায় মদত দেওয়ার অভিযোগে হার্দিকের নির্বাচনে লড়তে নিষেধাজ্ঞা গুজরাট হাইকোর্টের

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মার্চের প্রথম সপ্তাহে মাওবাদী সমস্যাপ্রবণ রাজ্যগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব। বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য ছিল মাওবাদী অধ্যুষিত জেলার তালিকা পরিমার্জন। মাওবাদী দৌরাত্ম্য কোন জেলায় কতটা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হয় ওই বৈঠকে। যে-সব জেলায় আর মাওবাদী তৎপরতার প্রমাণ মিলছে না, সেগুলিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ ২৩ আসনেই জয় নিশ্চিত, বাংলা দখলের লক্ষ্যে অবিচল অমিত শাহ

এই রাজ্যের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে দীর্ঘদিন কোনও মাওবাদী উপদ্রব হয়নি। তাই তালিকা থেকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বীরভূমকে পুরোপুরি বাদ দিতে চাইছে কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্যের যুক্তি আলাদা। প্রশাসন মনে করছে, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর অনেক ‘নিরাপদ’।

আরও পড়ুনঃ সেনার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা তেজ বাহাদুর বারাণসীতে প্রার্থী মোদীর বিরুদ্ধে

কিন্তু পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম (পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ভেঙে তৈরি নতুন জেলা) ও বাঁকুড়াকে ‘এসআরই’ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত হবে না। প্রশাসনের অনেকের যুক্তি, অনেক দিন ধরেই জেলাগুলি শান্ত আছে। কিন্তু এসআরই তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে বাহিনী প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করে দেবে কেন্দ্র। তখনই পড়শি রাজ্য থেকে মাওবাদীরা বাংলায় ঢুকে নতুন করে সংগঠন গড়তে পারে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল উত্থান পদ্মের, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

ছত্তীসগঢ় এর সুকমায় ভয়াবহ মাওবাদী হামলা হয়ে চলেছে এখনও। এই পরিস্থিতিতে বাংলার জঙ্গল মহল থেকে বাহিনী প্রত্যাহার করলে ফের বাংলায় মাওবাদ মাথা চারা দেবে বলেই মত রাজ্যের। তবে এবার কাশ্মীর সমস্যার জন্য অন্য কোন উপায় নেই কেন্দ্রের। এই লড়াই শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন বা পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টে গড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মোবাইলেই রাজনাথ সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুমুল কথা কাটাকাটি https://thenewsbangla.com/rajnath-singh-and-mamata-banerjee-quarreled-over-mobile/ Wed, 30 Jan 2019 04:02:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6196 তুমুল ঝগড়া। কথা কাটাকাটি। রীতিমত গরম কথাবার্তায় মোবাইলেই। মোবাইলেই রাজনাথ সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুমুল ঝগড়া। কাঁথি কাণ্ডের পর লোকসভা ভোটের আগে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে মমতার সম্পর্ক যে তলানিতে গেল, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আরও এমনটাই জানা যাচ্ছে নবান্ন সূত্রে।

আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়

অমিত শাহের সভার পরেই কাঁথি কেন রণক্ষেত্র হয়ে উঠল? রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবারেই নবান্নে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে অমিত শাহের সভার পর বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। নবান্ন সূত্রে খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা
অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা

“লোকসভা ভোটের গননা শেষ হলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার শেষ হয়ে যাবে”, ঠিক এই ভাষাতেই মঙ্গলবার কাঁথি স্টেশন সংলগ্ন মাঠের জনসভায় বক্তব্য রাখলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। বাংলা একসময় দেশকে সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু সেই সোনার বাংলা আজ কোথায় হারিয়ে গিয়েছে? প্রশ্ন তোলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

আরও পড়ুনঃ মমতার স্বরাষ্ট্র সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের এক রোহিঙ্গার

অমিত শাহ আরও বলেন, “সারা দেশের মানুষ এখন সোনার বাংলা দেখতে চা‌ইছে। ২০১৯ সালের নির্বাচন বাংলার জন্য সোনার বাংলা তৈরির ভোট। কোনও রাজনৈতিক দলকে প্রচার করতে দেওয়া হচ্ছে না। বাংলার জনতার সঙ্গে আমরা মিলতে চাইলেও ওরা বাধা দিচ্ছে। কান খুলে শুনে রাখুন, যত বাধা দেবেন ততই বিজেপি কর্মীরা আরও বেশি করে মানুষের বাড়ি পৌঁছ যাবে। কেউ রুখতে পারবে না”।

আরও পড়ুনঃ ২৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট

এদিকে অমিত শাহের সভার পরই গোটা এলাকা জুড়ে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আসা বাসে ভাঙচুর চালায় তৃণমূল কর্মীরা, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির তরফ থেকে। ভেঙে দেওয়া হয় সেই বাসগুলি যেগুলি চেপে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা অমিত শাহের সভায় এসেছিল। অভিযোগ, পুড়িয়ে দেওয়া হয় বিজেপি সমর্থকদের অনেক বাইক। ভবিষ্যতে বিজেপির কোন সভায় কেউ যাতে বাস না দেয় তার জন্যই এই পরিকল্পিত হামলা বলেই বিজেপির অভিযোগ।

অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা
অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ নিয়ম মেনে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে রাখা যায় রাতেও

বিজেপিরা একটি তৃণমূলের অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের। তৃণমূল কর্মীদের মারধর করেছে বলেও অভিযোগ দলের তরফ থেকে। রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কোনরকম ঝামেলা যাতে না হয় তার জন্য অমিত শাহের সভার এলাকায় কোন তৃণমূল পতাকাও লাগান হয়নি। তবু অশান্তি করতে ইচ্ছে করেই ঝামেলা করল বিজেপি। এর ফল তাদের ভুগতে হবে”।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

রাস্তায় বেশ কয়েকটি বাসে ভাঙচুর চালান হয়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাসে। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় অমিত শাহের সভাস্থল সংলগ্ন এলাকা। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ঘটনায় দু তরফেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঘটনার খবর নিতেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয় বলে জানা গেছে।

অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা
অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর

নবান্ন সূত্রে খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানতে চান ঠিক কী হয়েছিল কাঁথিতে। তার উত্তরে এদিন ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আপনার লোক পার্টি অফিস ভেঙেছে, গাড়ি জ্বালিয়েছে, সভায় আপনাদের নেতারা মানুষকে প্ররোচনা দিচ্ছে। অশান্ত করে তোলা হচ্ছে বাংলাকে। এসব কি হচ্ছে?” জানা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে বেশ কিছু কথা শুনিয়ে দেন মমতা। রীতিমত ঝগড়ার সুরেই রাজনাথকে তোপ দাগেন মমতা। “রাজ্যে অশান্তির জন্য আপনার দল ও নেতারাই দায়ি”, কড়া ভাষায় জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা
অমিত শাহের সভার পর কাঁথি রণক্ষেত্র, রাজনাথের ফোন মমতাকে/The News বাংলা

“নিজের কর্মীদের সামলান”, রাজনাথকে রীতিমত হুমকি দেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে রাজনাথ সিংও মমতাকে তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে বেশ কিছু কথা শুনিয়ে দেন বলেই জানা গেছে। জড়িত তৃনমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মমতাকে বলেন রাজনাথ। মমতা পত্রপাঠ জানিয়ে দেন, এর পিছনে বিজেপিই দায়ী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বিজেপি নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকেই গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। এদের বিরুদ্ধে অশান্তি সৃষ্টি, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি সাধন এর অভিযোগ আনা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজেপি। বুধবার রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা। গোটা ঘটনা জানাতে রাজ্যপালের কাছেও যাবে বিজেপি।

অন্যদিকে রাজ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টির প্রতিবাদে আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে প্রতিবাদ জানাবে তৃণমূল কংগ্রেস। অমিত শাহের সভার জায়গায় ফের সভা করে বিজেপির মুখোশ খোলা নিয়েও আলোচনা চলছে তৃণমূলের অন্দরে। সব মিলিয়ে লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে অশান্তি ও রাজনৈতিক ঝামেলা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

জয় হিন্দ, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সোনার অক্ষরে লেখা ইতিহাস

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর

কালামের নামে ছাত্রদের তৈরি হালকা উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে নজির ভারতের

Exclusive কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরলেন মৌসম বেনজির নূর

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>