Mamata Banerjee Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 20 Jun 2019 06:53:22 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Mamata Banerjee Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিভিন্ন প্রকল্পে, কাটমানি খেয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তৃণমূল নেতারা https://thenewsbangla.com/tmc-leaders-get-cut-money-from-cm-mamata-banerjee-government-projects/ Thu, 20 Jun 2019 06:53:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14141 নিজের দলের নেতাদেরই দুর্নীতিবাজ বললেন; দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে করেছেন নেতা কাউন্সিলররা; খেয়েছেন কাটমানি; নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী। এদের কাউকেই ছাড়া হবে না; বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি।

ভোটে হারের কারণ খুঁজতে ও রাজ্য জুড়ে দলের নেতাদের সচেতন করতে; গত সোমবার নজরুল মঞ্চে সভা ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নিজের দলের নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই; মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। নেতাদের কাটমানি খাওয়ার জন্যই দলের এই হাল; পরিষ্কার জানিয়ে দেন মমতা।

পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। দুর্নীতিবাজ কাউকেই ছাড়া হবে না; পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি। মমতার এই ঘোষণার পরে; মঙ্গলবার থেকেই কাটমানি ফেরত নিতে; বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে হাজির সাধারণ মানুষ। অভিযোগ অস্বীকার করেও; মানুষের সঙ্গত ক্ষোভ চাপা দিতে পারেননি তৃণমূল নেতারা।

রাজ্যের মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পকেই টাকা খাওয়ার রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। আবাস যোজনা থেকে শুরু করে; কন্যাশ্রী ও রুপশ্রী প্রকল্পেও যে যেমন পেরেছেন; কাটমানি খেয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

বিভিন্ন জেলার অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে; কমবেশি মমতার বিভিন্ন প্রকল্প থেকে; টাকা কামিয়েছেন তাঁর দলেরই নেতারা। যে প্রকল্পে টাকার পরিমাণ যত বেশি; সেই প্রকল্পে তোলাবাজি তত বেশি। জঙ্গলমহলের চার জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও মেদিনীপুরে; মানুষের কাছে তোলাবাজি সবচেয়ে বেশি করেছেন তৃণমূল নেতারা।

জঙ্গলমহলের চার জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পের পাশাপাশি; মানুষের ১০০ দিনের কাজের টাকাও বেমালুম মেরে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা; এমনটাই অভিযোগ সাধারণ মানুষের। সেই কারণেই মানুষের ভোট গেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে; তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে আমজনতা।

বিজেপি সংগঠন দিয়ে মানুষের ভোট যত না পেয়েছে; তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষ বিজেপিকে বেছে নেওয়ায়; গেরুয়া শিবিরের জয় জয়কার হয়েছে। ঠিক যেমন ২০১১ বিধানসভা ভোটে; তৃণমূলের কৃতিত্বের চেয়েও; মানুষ বামেদের বিকল্প হিসাবে মমতার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিল।

জঙ্গলমহলের মত উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলাতেই; মুখ্যমন্ত্রী মমতারই বিভিন্ন প্রকল্পে তাঁর দলের নেতাদেরই কাটমানি খাওয়াই; তৃণমূলের ভোটে খারাপ ফলের অন্যতম কারণ।

]]>
পিটিটিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের https://thenewsbangla.com/ptti-students-won-in-supreme-court-against-mamata-banerjee-government/ Thu, 24 Jan 2019 16:36:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5982 ফের আরও একবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের। শীর্ষ আদালতের রায়ে ১৩ বছরের পিটিটিআই সমস্যার জট কাটল। ৮০০ জনকে আবেদনকারীকে দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলাকারীদের ১২ সপ্তাহের মধ্যে চাকরিতে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি দীপক গুপ্ত ও বিচারপতি সঞ্জয় কলের ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের পর সিনেমার প্রয়োজক, চিটফান্ড দুর্নীতিতে গ্রেফতার শ্রীকান্ত মোহতা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মামলায়, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে জয় পেলেন পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের একাংশ। তাদের ৩ মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রয়োজনে শূন্যপদ তৈরি করে চাকরি দিতে হবে বলে জানিয়েছে বিচারপতি সঞ্জয় কাউল এবং বিচারপতি দীপক গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

তবে, কেবলমাত্র ৩১ ডিসেম্বর, ২০১০-এর মধ্যে যেসব পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা হাইকোর্ট অথবা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, কেবল তাঁরাই চাকরি পাবেন বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবারের নির্দেশে।

আরও পড়ুনঃ ভরা ক্লাসে উষ্ণ চুম্বন, ছাত্র ছাত্রীদের কীর্তি দেখে সবাই তাজ্জব

পিটিটিআই পাশ করা সকলকে নিয়োগ, অন্যান্য রাজ্যের মতো প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাশ শিক্ষকদের সমতুল বেতন চালু করা এবং অন্যান্য দাবিতে আন্দোলন করছে ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইমারি ট্রেন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউবিপিটিটিএ)। এইদিকে বৃহস্পতিবার পিটিটিআই মামলায় বিচারপতি দীপক গুপ্ত ও বিচারপতি সঞ্জয় কলের ডিভিশন বেঞ্চ যুগান্তকারী রায় দিয়ে সব পিটিটিআই পাশ ছাত্রের পাশে দাঁড়াল বলাই যায়।

আরও পড়ুনঃ মোদীর বিরুদ্ধে ইন্দিরা তাস খেলতে রাহুলের কংগ্রেসে প্রিয়াঙ্কা

সুপ্রিমকোর্ট ২০০৪-০৫- এর পিটিটিআই শংসাপত্রকে বৈধতা দিয়েছে। ২০০৪-০৫ পিটিটিআই পাশ করা প্রার্থীদের ২০০৬-এ প্রশিক্ষণের জন্য ডাকে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ। কিন্তু ২০০৯ এ নিয়োগের সময় পিটিটিআই শংসাপত্রকে মান্যতা দেয়নি জেলা কাউন্সিলগুলি। এরপরই মামলা দায়ের হয় আদালতে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মাস্টারস্ট্রোকে দেশ পেতে পারে প্রথম মহিলা বাঙালি সিবিআই প্রধান

পিটিটিআই পাশ ছাত্র ছাত্রীদের একের পর এক পিটিশন জমা পরে উচ্চ আদালতে। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় রাজ্যের পক্ষেই রায় দেয়। এরপর কলকাতা হাইকোর্ট থেকে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শেষপর্যন্ত জয় পেলেন আবেদনকারী পিটিটিআই পাশ চাকরিপ্রার্থীরা। মুখ পুড়ল রাজ্যের।

আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে নেতাজি সুভাষের মৃত্যুদিন নিয়ে ছেলেখেলা রাহুলের কংগ্রেসের

প্রসঙ্গত, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে। এর ভিত্তিতে ২০০৯ সালে পরীক্ষা হয়। এ ক্ষেত্রে সরকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্রাপ্য ২২ নম্বর দিতে চায়নি। কারণ হিসাবে রাজ্য সরকার জানায়, কলকাতা হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্যের পিটিটিআই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, ফলে এই নম্বর দেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেনকে এক্সপ্রেস ভাবলেন ষ্টেশন মাস্টার, তারপরেই হল বিপদ

সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা। এদিন সেই মামলারই রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের পর ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের। এত চাকরি কোথা থেকে দেবে সরকার, সেটাই এখন প্রশ্ন।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা

রাজ্যের হাতে টাকা নেই বাজারে ধার, তারপরেও বিধায়কদের ভাতা বাড়ছে

পাহাড়ে মোর্চা বিজেপির সঙ্গেই, গোপন আস্তানা থেকে বার্তা বিমল গুরুংয়ের

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
নতুন বছরে বাংলার কৃষকদের জন্য ‘কল্পতরু’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-announce-two-project-for-bengal-farmers-in-the-new-year/ Mon, 31 Dec 2018 11:26:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5022 The News বাংলা, কলকাতাঃ নতুন বছরে বাংলার কৃষকদের জন্য কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছর শুরুর আগেই বাংলার কৃষকদের জন্য ২টি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন বছরে এই প্রকল্প দুটির সাহায্য পাবেন কৃষক ও খেত মজুররা। কৃষক ও খেতমজুর পরিবারের কেউ মারা গেলে সরকার আর্থিক সাহায্য করবে এবং কৃষি কাজের জন্য সরকার টাকা দেবে।

আরও পড়ুনঃ শেখ হাসিনাকে প্রথম অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নতুন বছরের জোড়া উপহার। দু দুটি প্রকল্প বাংলার কৃষক ও খেত মজুরদের জন্য। ২০১৯ সাল শুরুর ঠিক আগেই ‘কৃষক বন্ধু’ নামে একটি প্রকল্প চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮ থেকে ৬০ বছরের কোন কৃষক ও খেত মজুরের মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। ২ লক্ষ্য টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন মমতা। টাকা দেবে রাজ্য সরকারের কৃষি দফতর।

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা

চাষের জন্য একর প্রতি ৫ হাজার টাকা দেবে রাজ্য সরকার। এই টাকা চাষের কাজে ব্যবহার করতে পারবে কৃষকরা। ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচন জিতেই কংগ্রেস সরকার কৃষি ঋণ মকুবের ঘোষণা করেছিল। তবে সেই নিয়ে বিতর্কও কম হচ্ছে না। মমতাও রাজ্যের কৃষকদের জন্য উপহার এনে দিলেন তবে কোন শর্ত ছাড়াই।

আরও পড়ুন: ১১ বছর পর দার্জিলিং কালিম্পঙে তুষারপাতে বেড়ানোর আনন্দ দ্বিগুন

‘১৮ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত কোনও কৃষক ও খেত মজুর মারা গেলে সরকার ২ লাখ টাকা দেবে পরিবারকে। অসুস্থ হয়ে, দুর্ঘটনায় বা যে কোনও ভাবে মারা গেলেও এই টাকা পাওয়া যাবে কৃষি দফতরের মাধ্যমে’, জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়বে সল্টলেক নিউটাউনের বাড়িঘর

একই সঙ্গে তিনি জানান, ‘প্রতি বছর কোনও একটি ফসলের চাষের জন্য একর প্রতি দুই কিস্তিতে আড়াই হাজার টাকা করে মোট ৫০০০ টাকা পাবেন কৃষক। এক একরের কম জমির জন্যও টাকা পাওয়া যাবে। রবি ও খরিফ চাষের জন্য এই টাকা পাবেন কৃষকেরা’।

আরও পড়ুন: জেলেই সুমন চট্টোপাধ্যায়, সিবিআই নজরে বাংলার আরও তিন সাংবাদিক

এদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আগেই তাঁর সরকার কৃষি জমিতে খাজনা মকুব করে দিয়েছেন। মিউটেশন ফি দেওয়া থেকেও ছাড় দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। সম্প্রতি অনলাইনে মিউটেশন করারও ব্যবস্থাও করেছে তৃণমূল সরকার।

আরও পড়ুন: হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের

বাংলায় ৭২ লক্ষ কৃষক ও খেত মজুর এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানুয়ারি থেকেই চালু হয়ে যাবে এই প্রকল্প। ফেব্রুয়ারি থেকে কৃষকরা আবেদন করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

আগেই বাজেটের সময় মমতা জানিয়েছিলেন, এবার রাজ্যের ১ লক্ষ কৃষককে পেনশন দেবে রাজ্য সরকার। আর পেনশনের টাকাও বাড়ানো হচ্ছে। এক লক্ষ কৃষক এবার এক হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন। সেইসঙ্গে গৃহনির্মাণের স্ট্যাম্প ডিউটিতেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এক শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবার।

আরও পড়ুনঃ ‘বিজেপির বন্ধু অধীর চৌধুরী মুর্শিদাবাদের বর্তমান মীরজাফর’

চা শিল্পেও কৃষি আয়কর তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে ২৫ লক্ষ চা শ্রমিক উপকৃত হবেন। চা পাতা উৎপাদনের উপর শিক্ষা সেস ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের উপর সেসও সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ প্লাস্টিক পলিপ্যাক থার্মোকল দূষণ মুক্ত করার অসাধারণ লড়াই

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সব প্রকল্পের পর ও কৃষকদের জন্য বিভিন্ন ঘোষণার পর, নতুন বছর থেকেই এর সুবিধা পাবেন কৃষকরা। লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়েই জনমোহিনী নীতি নিচ্ছে সরকার, অভিযোগ বিজেপি সহ বিরোধীদের। মা মাটি মানুষের সরকার, সবসময় কৃষকদরদী সরকার, বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের।

]]>