malda – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 23 Mar 2019 11:29:07 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg malda – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মালদহের সভা থেকে মমতাকে তীব্র আক্রমণ রাহুলের https://thenewsbangla.com/rahul-gandhi-taunts-mamata-banerjee-in-his-vote-campaign-in-malda/ Sat, 23 Mar 2019 11:02:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9107 ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে শনিবার রাজ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হল কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর। কংগ্রেসের গড় বলে পরিচিত মালদহের চাঁচলে শনিবার রাহুল গান্ধীর জনসভা উপলক্ষ্যে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতই। আর এখানেই মোদীর পাশাপাশি মমতাকেও তুলধোনা করলেন রাহুল।

আরও পড়ুনঃ ৪৮ ঘণ্টা পর ৬০ ফুট গভীর গর্ত থেকে শিশুকে উদ্ধার করে কামাল ভারতীয় সেনার

স্বাভাবিক ভঙ্গিমায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে যেমন তোপ দাগেন, ঠিক তেমনি তুলধোনা করতে ছাড়েননি রাজ্যের তৃণমূল সরকারকেও। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কালো টাকা ফেরানো, কর্মসংস্থান, কৃষি ঋণ মকুব নিয়ে যেমন প্রশ্ন ছিল, ঠিক তেমনি রাজ্যের উন্নয়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতমাতা কি জয়’, বলে দলের মধ্যেই ফের বিপদে নেতা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইঙ্গিত করে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাংলায় একজনই শাসন চালাচ্ছে। এরকম একনায়কতান্ত্রিক শাসন চলা উচিৎ কিনা, সেই প্রশ্নও জনসাধারণের উদ্দেশ্যে ছূড়ে দেন তিনি৷ মমতা একনায়কতন্ত্ৰ চালাচ্ছেন বলেই জানিয়ে দেন রাহুল।

বামফ্রন্টের আমলে কংগ্রেস কর্মীরা আক্রান্ত হত এবং তা এই মুহূর্তে তৃণমূল সরকারের সময়েও অব্যাহত আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তৃণমূল সরকার অনেক কথা ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, কিন্তু তার কিছুই তারা পূরণ করেনি বলে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন রাহুল।

আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলে নিশীথের হয়েই প্রচার শুরু বিজেপির বিক্ষুব্ধদের

মমতার রাজ্যে সারাক্ষণ ভাষন চলে, কিন্তু কাজের কাজ হয় না। বাংলায় জনগনের কথার মূল্যায়ন করা হয়না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে অনেক সহ্য করা হয়েছে বলে এবার পরিবর্তনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী।

তিনি গত ডিসেম্বরে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগড় এই ৩ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন। ক্ষমতায় এসেই এই ৩ রাজ্যে কংগ্রেস কৃষি ঋণ মকুব করেছে বলে তিনি জানান৷ কিন্তু এই রাজ্যে কৃষক ও যুবকদের জন্য মমতা কি কি করেছেন, তা তিনি প্রশ্ন তোলেন। কৃষকরা ঋণ মকুবের দাবি তুললেন মোদী বা মমতা কেউই তা মানেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

সদ্য দলত্যাগী মালদহের কংগ্রেস সাংসদ মৌসুম বেনজীর নূরকে তিনি কটাক্ষ করেন৷ নাম না করেই মৌসুমকে প্রতারক বলে উল্লেখ করেন তিনি। কংগ্রেসের পুরনো সাংসদ প্রতারণা করে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতারণা করে বাংলায় টিকে থাকা যাবে না, সেটা বুঝিয়ে দিয়ে জনগনকে আহ্বান জানান রাহুল।

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

তবে বাংলায় এসে মহাজোটের অন্যতম কান্ডারী মমতাকেই ঠুকবেন রাহুল, এটা ভাবেননি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও। কিন্তু এদিন মোদীর পাশাপাশি মমতাকেও টার্গেট করেন কংগ্রেস সভাপতি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
Exclusive কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরলেন মৌসম বেনজির নূর https://thenewsbangla.com/exclusive-mausam-benazir-noor-leaves-congress-joins-mamatas-tmc/ Mon, 28 Jan 2019 14:04:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6130 জল্পনা সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরলেন মৌসম বেনজির নূর। সোমবারই নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি। তৃনমূলে যোগ দিয়েই দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক হয়ে মালদার পাশাপাশি দুই দিনাজপুর জেলার দলের দায়িত্ব পেলেন মালদা জেলা কংগ্রেস এর প্রাক্তন সভানেত্রী। ২০০৯ থেকে পরপর দুবার কংগ্রেসের হয়ে মালদা উত্তরের সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। তবে এবার তিনি মালদা উত্তরের আসন থেকেই তৃনমূল কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়াবেন।

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন কংগ্রেস সাংসদ এবং মালদা জেলা কংগ্রেস সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর। নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে আজ দেখা করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূলের তরফে মালদা জেলার পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুনঃ মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রবল মোদী-হওয়ার মধ্যেও মালদায় দুটি আসনই নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছিল কংগ্রেস। এবার উত্তর মালদার সাংসদ মৌসম বেনজির নূরকে দলে টানতে সক্ষম হল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, মালদা দক্ষিণের সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরীও(ডালু) তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন

মৌসম বেনজির নূর এর নির্দেশেই, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালদা জেলায় ১৪৬ টি ত্রিশঙ্কু পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের ক্ষেত্রে তৃণমূলকেই সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেয় মালদা জেলা কংগ্রেস। নির্বাচনের আগে সিপিএমের হাত ধরেছিল কংগ্রেস। কিন্তু ভোটের পর বিজেপিকে রুখতে সিপিএম নয়, জেলার ত্রিশঙ্কু পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনে তৃণমূল সহ ধর্মনিরপেক্ষ দলকে সমর্থন জানানোর কথা লিখিতভাবে জানিয়েছিল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় এসএসসির রেজাল্ট প্রকাশ না হলে সচিবকে জেলে ভরার হুঁশিয়ারি বিচারপতির

লোকসভা নির্বাচনের আগে মালদা জেলা কংগ্রেস এর সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূরের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সাংসদের এই সিদ্ধান্ত, দলবদলের জল্পনাও উষ্কে দিয়েছিল। মালদা জেলা কংগ্রেস সভানেত্রীর এই সিদ্ধান্তে নিচুতলার কংগ্রেস কর্মীদের একটা বড় অংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাদের বক্তব্য ছিল, পঞ্চায়েত ভোটের আগে সন্ত্রাস, পুলিশ দিয়ে ভয় দেখানো, ভোট লুট এসবই করেছে তৃণমূল। তাই সেই তৃণমুলকেই সমর্থনের বার্তা, মন থেকে মেনে নেওয়া কখনোই সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

সব জল্পনা শেষ করে সোমবার নবান্নে গিয়ে সরাসরি তৃনমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন পরপর দুবার কংগ্রেসের হয়ে মালদা উত্তরের সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। এরপর মালদা দক্ষিণের সাংসদ ও কংগ্রেস নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরীও(ডালু) তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে, লোকসভা ভোটের আগে মালদায় কংগ্রেসের অস্তিত্বই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ‘লোকসভা ভোটের আগে এটা কংগ্রেসের পক্ষে বড় ধাক্কা’, বলছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করতে গেলেই বাবা মা-কে দিতে হবে মুচলেকা https://thenewsbangla.com/malda-dalla-chandra-mohan-high-school-take-initiative-to-prevent-child-marriage/ Tue, 08 Jan 2019 02:47:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5291 The News বাংলাঃ ছেলে হলে কোন অসুবিধা নেই, কিন্তু মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করতে গেলেই বাবা মা-কে দিতে হবে মুচলেকা। অদ্ভুত ফরমান বাংলারই একটি স্কুলে। তবে এই ফরমানে খুশি অভিভাবকেরা। নজির মালদার একটি স্কুলে।

মেয়েকে স্কুলে ভর্তির ‘ফর্ম’ হাতে নিতেই অবাক অভিভাবকেরা। স্কুলে ভর্তি করাতে হলে দিতে হবে ‘মুচলেকা’! ভর্তির ফর্মেই উল্লেখ করা হয়েছে মুচলেকার বিষয়।

প্রত্যেক অভিভাবককে এই অঙ্গীকার করে মুচলেকা দিতে হচ্ছে যে, ‘মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না’। নাবালিকা বিবাহ ঠেকাতে রাজ্যের মধ্যে নজীরবিহীন উদ্যোগ মালদার একটি স্কুলে।

গত পাঁচ বছরে নাই নাই করে ৬০টিরও বেশী নাবালিকা বিয়ে রুখেছে এই স্কুল। প্রধানশিক্ষক থেকে সহ শিক্ষকরা কখনও ছুটে গিয়েছেন অভিভাবকদের কাছে। অনুনয়-বিনয়, কখনও হাতজোড় করে নাবালিকার মেয়ের বিয়ে রুখে ছাত্রীকে ফিরিয়ে এনেছেন স্কুলে। কখনও আবার অনুরোধে কাজ না হওয়ায় পুলিশ, প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে ঠেকানো হয়েছে বিয়ের ব্যবস্থা।

পরিবর্তে জুটেছে হুমকি, তিরস্কার। কিন্তু, এরপরেও চোরাগোপ্তা বাল্যবিবাহ রোখা যায়নি। অনেক ছাত্রীর ‘সর্বনাশের’ খবর মিলেছে বিযে হয়ে যাওয়ার পরে। বিয়ে রুখতে গিয়ে শিক্ষকদের বেশ অভিজ্ঞতাও হয়েছে। বেশীর ভাগেরই বাবা, মা নিজেরাই অপ্ল বয়সে বিয়ের কুফল সম্পর্কে সচেতন নয়।

আরও পড়ুনঃ

বউ অদল বদল, বিকৃত যৌনাচারে ধর্ষণের অভিযোগ গৃহবধূর

EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি

EXCLUSIVE: নতুন বছরে সুখবর, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ

বিজেপি না তৃণমূল, পাহাড়ে মোর্চার জোট নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

তাই এবার আগে ভাগেই সতর্ক স্কুল। আশপাশের এলাকাকে ‘নাবালিকা বিয়ে শূন্য’ করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে মালদার দাল্লা চন্দ্রমোহন উচ্চ বিদ্যালয়। এজন্য পঞ্চম শ্রেনীতে ভর্তির ফর্মেই রাখা হয়েছে বিশেষ একটি কলাম। যাতে লেখা হয়েছে “আমি এই মর্মে মুচলেকা দিচ্ছি যে, আমার কন্যা প্রাপ্তবয়স্কা না হওয়া পর্যন্ত আমি তার বিবাহ দেব না”।

এই বয়ানেই প্রত্যেক ছাত্রীর বাবা, মাকে দিতে হবে মুচলেকা। এরপরেই মিলবে ভর্তির ছাড়পত্র। মালদার বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা হবিবপুরের দাল্লা। স্থানীয় দাল্লা চন্দ্রমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে প্রায় এগারশো ছাত্রী। আশপাশের পার্বতীডাঙ্গা, আদ্রাঘাছি, পান্নাপুর, দাল্লা প্রভৃতি গ্রামের মেয়েরা উচ্চশিক্ষার জন্য এই স্কুলের ওপর নির্ভরশীল।

এলাকায় বসবাস মূলতঃ কৃষিজীবি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত মেয়েরা মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরনোর আগেই পাত্র দেখে বিয়ে দিয়ে দেওয়াই ছিল এইসব গ্রামের দস্তুর। এর পেছনে কাজ করছিল দারিদ্র আর সচেতনতার অভাব। এই অবস্থা থেকেই নাবালিকা বিয়ে ঠেকানোর পণ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

তাই এবার পঞ্চম শ্রেনীতে ভর্তির ফর্মেই আনা হয়েছে অভিনবত্ব। ভর্তির জন্য এমন মুচলেকা দেওয়ার ফরমানে খানিকটা বিব্রত হলেও বেশীরভাগ অভিভাবকই স্বাগত জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষের এই ভাবনাকে। প্রদীপ বর্মন, জয়ন্তী বিশ্বাস সহ অভিভাবকরা স্কুলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

দাল্লা চন্দ্রমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়দেব লাহিড়ী জানিয়েছেন, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযান জারি থাকবে। আর গ্রামবাসীদের সেই সচেতনতার অভাব দূর করতেই ভর্তির ফর্মেই মুচলেকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ

হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতে মসজিদে পাথর ছুঁড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা, ধৃত সিপিএম নেতা

উচ্চবর্ণের গরীব হিন্দুদের জন্য সংরক্ষণ মোদীর, দেশ জুড়ে বিতর্ক

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

বর্তমানে এমন অনেক ছাত্রী রয়েছে যারা নিজেদের দৃঢ়়তায়, নয়তো স্কুলের তৎপড়তায় নিজেদের বিয়ে ভেঙেছেন। অনেকেই সহপাঠীদের চুপিসারে বিয়ের খবর সময়মতো স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বিয়ে ঠেকিয়েছেন। অনেকের ক্ষেত্রেই নিজের বিয়ে ভেঙে দেওয়া সহজ ছিল না। এখন পঞ্চম শ্রেনীতেই মুচলেকার ব্যবস্থা হওয়ায় ভবিষ্যতের ছাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে খুশী অভিভাবকরাও।

মালদহের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) তাপস বিশ্বাস বলেন, “আমরা সত্যিই জর্জরিত বাল্যবিবাহ নিয়ে। সেই জায়গায় চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের ভাবনাটা দারুণ। এটা অন্য স্কুলেও করা যায় কি না দেখব”। জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, “দাল্লা স্কুলের কাজটা সত্যিই অভিনব। বাল্যবিবাহ রোধে আমরাও নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছি”।

ভর্তির জন্য স্কুল মুচলেকা বাধ্যতামূলক করায় আলোড়ন পড়েছে এলাকায় । তবে নতুন ব্যবস্থায় সুফল মিলবে এমনই আশা স্কুল কর্তৃপক্ষের। নয়া ব্যবস্থা কতটা সফল হয় এখন তাঁরই প্রতীক্ষা। সফল হলে, মালদহের দাল্লা চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের উদ্যোগকে মডেল হিসাবে গ্রহণ করতে পারে রাজ্য প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
জাতীয় সড়ক তৈরির কাজ বন্ধ রেখেই বেপাত্তা ভারপ্রাপ্ত এজেন্সি https://thenewsbangla.com/the-acting-agency-has-stopped-working-for-national-highway-construction/ Sat, 24 Nov 2018 11:01:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3025 The New বাংলা, মালদাঃ কাজ অসম্পূর্ন রেখেই কার্যতঃ বেপাত্তা ভারপ্রাপ্ত এজেন্সি। মালদায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক তৈরির কাজ বন্ধ। কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছে টোল আদায়।

রাজ্যে সড়ক যোগাযোগের ‘লাইফলাইন’ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক। এই রাস্তার বেহাল দশা আর যানজট নিয়ে বারবারই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়। জাতীয় সড়কে গতি বাড়াতে এর সম্প্রসারন ঘটিয়ে চার লেন করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় ২০১১ সালে। একই সঙ্গে মালদা শহরকে যানজট মুক্ত করতে এই জাতীয় সড়কে ‘মালদা বাইপাস’ তৈরীর কাজও শুরু করা হয়। কিন্তু বর্তমানে কাজ অসম্পূর্ন রেখেই কার্যতঃ বেপাত্তা ভারপ্রাপ্ত এজেন্সি।

Image Source: Google

সূত্রের খবর টাকার অভাবে চরম আর্থিক সঙ্কটে আর কাজ এগোচ্ছে না। এই অবস্থায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারনের কাজ। অনিশ্চিয়তা তৈরী হয়েছে বহূ প্রতিক্ষিত মালদা বাইপাসের ভবিষ্যত নিয়েও। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থেকে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ পর্যন্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক প্রায় ১০০ কিলোমিটার।

আরও পড়ুনঃ ভারতবাসীকে নেতাজীর মৃত্যুদিন জানাল বাংলার পুরসভা

অতি গুরুত্বপূর্ন এই রাস্তাকে চার লেন করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় ২০১১ সালে। যার বেশীর ভাগটাই মালদা জেলার অংশ। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ পিপিপি মডেলে বেসরকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ শুরু করে। কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় হিন্দুস্থান কনষ্ট্রাকসন কোম্পানী লিমিটেড নামে বেসরকারী সংস্থাকে। চুক্তি অনুযায়ী রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার পর টোল আদায়ের অধিকারী বেসরকারী সংস্থা।

Image Source: Google

কিন্তু তিন বছরের কাজ আট বছরেও শেষ করা যায়নি। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের মতে এই প্রকল্পের প্রথমেই জটিলতা তৈরী হয় জমি অধিগ্রহন ঘিরে। প্রায় তিন বছরের চেষ্টায় সম্পূর্ন জমি অধিগ্রহন করা গেলেও রাস্তার কাজ সময় মতো এগোনো যায়নি। বরং অযথা দেরীতে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে প্রকল্পের খরচ। বারবার বাড়ানো হয়েছে সময়সীমা।

আরও পড়ুনঃ ‘পুলিশ হত্যা মামলা’তেও বাংলার পুলিশের মুখে চুনকালি

কিন্তু প্রকল্পের কাজ আজও শেষ হয়নি। ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জের মধ্যে এখনও প্রায় ১১ কিলোমিটার রাস্তা সম্প্রসারনের কাজ বাকী। যার মধ্যে রয়েছে মালদা বাইপাসের বেশ কিছু অংশ। দুটি সেতু এবং কালিয়াচকের সুজাপুর থেকে যদুপুর পর্যন্ত রাস্তা। ইতিমধ্যেই আর্থিক সঙ্কটের কথা জানিয়ে কাজ থেকে কার্যতঃ হাত গুটিয়ে নিয়েছে ভারপ্রাপ্ত এজেন্সি।

Image Source: Google

ফলে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। বাকী কাজ শেষ না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। জাতীয় সড়কের কাজ থমকে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে ব্যবসা,বানিজ্য এবং সড়ক পরিবহন। কারন প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই চালু করে দেওয়া হয়েছে টোল আদায়। ইতিমধ্যেই মালদহের বৈষ্ণবনগর এবং গাজোলে দুটি টোল প্লাজা চালু হয়েছে। প্রতিদিন কর দিয়ে চলছে হাজার হাজার যানবাহন।

আরও পড়ুনঃ ‘পহেলে মন্দির, ফির সরকার’ আশঙ্কায় ‘বাবরি মসজিদের’ অযোধ্যা

জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারী সংস্থার দাবি যে পরিমান কাজ হয়েছে তাঁর ভিত্তিতে টোল আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের দাবি টোল চালু হয়ে যাওয়ার পর অসম্পূর্ন কাজ শেষ করার উদ্যোগে ভাটা পড়েছে। জাতীয় সড়কের বেশ কিছু এলাকায় কাজ না হওয়ায় মালপত্র পরিবহন এবং যাত্রীবাহি যানবাহন চলাচলে প্রতিদিনই চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি জেলার ব্যবসায়ীদের।

Image Source: Google

বারবার জানিয়েও কাজ না হওয়ায় টোল বয়কটের হুমকি দিয়েছে মালদহ মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স। জাতীয় সড়কের মালদা বাইপাসের কাজ শেষ না হওয়ায় এখনও শহরের মধ্যে দিয়েই চলছে দুরপাল্লার গাড়ি। ফলে প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে ব্যাপক যানজট। অসম্পূর্ন মালদা বাইপাস চলাচলের জন্য নিরাপদ নয়, বলে সর্তকীকরন বোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃ ‘বাঘের সঙ্গে অভিনয় করাটাই ছিল জীবনের সেরা চ্যালেঞ্জ’

তবুও যানজট এড়াতে ঝুঁকি নিয়েই এই বাইপাস ধরেই অনেকেই গাড়ি ছোটাচ্ছেন। এই অবস্থায় অবিলম্বে বাইপাস চালুর দাবি করেছে সাধারন মানুষ। জাতীয় সড়কের কাজ থমকে যাওয়ার পিছনে প্রধান কারন হিসেবে উঠে এসেছে ভারপ্রাপ্ত এজেন্সির আর্থিক সঙ্কট। জানা গিয়েছে সঙ্কটের জেরে ইতিমধ্যেই ওই সংস্থা কর্মী এবং আধিকারিকদের বেতন পর্যন্ত মেটাতে পারেনি।

আরও পড়ুনঃ মার্চে বন্ধ দেশের অর্ধেক এটিএম কি মোদীর নোটবন্দীর কুফল

শুধু তাই নয়, প্রায় ৩২ জন ঠিকাদার ওই সংস্থার অধীনে জাতীয় সড়কের কাজ করেও টাকা পাননি। ইতিমধ্যে ঠিকাদারদেরও কোটি কোটি টাকার বিল বকেয়া পড়েছে। এই অবস্থায় ঠিকাদাররাও আর প্রকল্পে কাজ করতে চাইছেন না। ফলে বিশ বাঁও জলে জাতীয় সড়কের কাজ।

]]>
দশ নয় চার হাতের দেবী দুর্গার অসাধারণ গল্প https://thenewsbangla.com/not-ten-hands-an-extraordinary-story-of-four-hand-goddess-durga/ Wed, 03 Oct 2018 07:11:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=754 মালদহঃ দশভূজা নয়, চতুর্ভূজা রুপে পুজিত হন দেবী। প্রায় ৩০০ বছর ধরে এমনই রুপে দেবীর পুজো হয়ে আসছে পুরান মালদহের মুচিয়ার চক্রবতী বাড়িতে। নামে বাড়ির পুজো হলেও এখন পুজো হয়ে উঠেছে সর্বজনীন।

পুজোর চারটে দিন অরন্ধন থাকে পুরো মহাদেবপুর গ্রাম। পরিবারের প্রবীণ নাগরিক সন্তোষ চক্রবতী বলেন, “এখনকার বাংলাদেশ আগে ছিল পাকিস্থান। সেই পাকিস্থানের ভোলাহাটে আমাদের পূর্বপুরুষ স্বপ্নাদেশ পেয়ে মায়ের পুজো শুরু করেছিলেন। দেশ ভাগের সময় আমরা এপারে চলে আসি। তবে ভোলাহাটের মায়ের বেদীর মাটি নিয়ে এসে এখানে আমরা নতুন করে বেদী তৈরি করেছি। পূর্ব পুরুষদের নিয়ম মেনেই আজও আমরা বৈষ্ণব মতে মায়ের পুজো করে আসছি।”

পুরাতন মালদহের মুচিয়া গ্রামপঞ্চায়েতের মহাদেবপুর গ্রাম। এই গ্রামেই বসবাস করেন সন্তোষ চক্রবতী। প্রাচীন কাল থেকেই চক্রবতী বাড়িতে পুজো হয়ে আসছে। তাই চক্রবতী বাড়ির পুজো নামে পরিচিত গ্রামে। গ্রামের প্রত্যেকেই সামিল হন পুজোতে। নিয়ম ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেবীর আরাধনা করা হয়। রথযাত্রার দিন থেকে শুরু হয়ে যায় পুজো। ওইদিনই শুরু হয় মুর্তি গড়ার কাজও। আর মহালয়ার দিন মায়ের চক্ষুদান হয়। ওই দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় বাড়িতে চন্ডীপাঠ। দেবীর রুপ এখানে মৃন্ময়ী।

দেবী মূর্তির উচ্চতা চার ফুট। একচালাতেই থাকেন কার্তিক, গণেশ, লক্ষী ও সরস্বতী। ষষ্ঠীতে বোধন দিয়ে শুরু হয় পুজা। পঞ্চ বাজনা বাজিয়ে মহানন্দা নদীতে স্নান করানো হয় কলাবউকে। চক্রবতী বাড়ির সাত নদীর জল নিজেরাই সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন পরিবার সহ গ্রামের লোকেরা।

পুজোকে ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে নানান অলৌকিক কাহিনী। গ্রামের অনেকে এখানে এসে প্রার্থনা করেন। গ্রামের দেড় শতাধিক পরিবার পুজোর কটা দিন বাড়িতে উনন জ্বালান না। প্রত্যেকেই খাওয়া দেওয়া করেন চক্রবতীর বাড়িতে। ওই বাড়ির প্রবীণ এক সদস্য ছায়া চক্রবতী বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের বাড়িতে এক শাঁখারু শাখা পড়াতেন। আমাদের বাড়ির মেয়ে পরিচয় দিয়ে জমিতে এক অপরুপা যুবতী দুই হাতে দুজোড়া শাঁখা পড়েন। আর দাম নিতে বলেন আমাদের পরিবারের কাছে। সেই থেকে আমরা মাকে দু’জোড়া করে শাঁখা পড়াই। আমরা নিজে হাতে মায়ের পায়ে আলতা পড়িয়ে দিই।”

বির্সজনেও চমক রয়েছে। বাংলাদেশে দেবীকে বির্সজন দেওয়া হত মহানন্দা নদীতে। সেই প্রথা মেনে আজও সেই মহানন্দা নদীতে বির্সজন দেওয়া হয় চতুর্ভূজার। আর সেই বির্সজন দেখতেই নদীর দুপাড়ে ভিড় জমান দুই বাংলার মানুষ।

]]>