Lok Sabha – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 07 Jun 2022 08:12:13 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Lok Sabha – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 উত্তরপ্রদেশে যোগীর বিজেপির ভয়ে, ভোটের লড়াই থেকেই পালাল কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/yogi-adityanath-bjp-fear-congress-not-contest-lok-sabha-bypolls-on-rampur-azamgarh-seats/ Tue, 07 Jun 2022 08:11:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15293 উত্তরপ্রদেশে যোগীর বিজেপির ভয়ে; ভোটের লড়াই থেকেই পালাল কংগ্রেস। হ্যাঁ, গল্প হলেও সত্যি। উত্তরপ্রদেশে দুটি লোকসভা উপনির্বাচন থেকে; এবার নিজেদের সরিয়ে নিল সনিয়া-রাহুলের কংগ্রেস। দল যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না; তা জানিয়ে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ রাজ্য কংগ্রেসের সহ সভাপতি যোগেশ দীক্ষিত। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ভরাডুবি ফলকেই, সাফাই হিসেবে তুলে ধরেছেন; প্রদেশ কংগ্রেসের সহ-সভাপতি। তবে, কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে; রাজ্য ছাড়িয়ে দেশের রাজধানীতে শুরু হয়েছে জোর আলোড়ন।

উত্তরপ্রদেশের রামপুর ও আজমপড় লোকসভা আসনের উপনির্বাচন; কিন্তু ভোটের ময়দান থেকে না লড়েই পালিয়েই গেল কংগ্রেস। লোকসভা উপনির্বাচনে না লড়ার সিদ্ধান্ত; সোমবার উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল। ভোটের লড়াই থেকে সরে আসার পিছনে; গত বিধানসভা নির্বাচনের ভরাডুবিকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন হাত শিবির। কংগ্রেস সূত্রে খবর, উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত পিছনে রয়েছে; দুই কেন্দ্রে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা।

কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে; ইতিমধ্যে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। সিদ্ধান্তের পিছনে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের ভেঙে যাওয়া সংগঠন ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবকেই দায়ী বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গত বিধানসভা নির্বাচনে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে; উত্তরপ্রদেশে লড়েছিল কংগ্রেস। নির্বাচনে মাত্র ২.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল কংগ্রেস। এই অবস্থায় লোকসভা উপনির্বাচন লড়লে; কংগ্রেসকে আরও লজ্জার মুখে পড়ত হত বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের কোন ভাষায় লেখা উপন্যাস পেল বুকার পুরস্কার

যদিও অন্য একটি অংশের মতে; ২০২৪ সালেই লোকসভা ভোট। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে লড়তে গেলে; আঞ্চলিক দলের লেজুর ধরা ছাড়া কংগ্রেসের গতি নেই। সেক্ষেত্রে সোনিয়ার প্রথম পছন্দ অখিলেশ যাদব। তাই লোকসভা উপনির্বাচনে না লড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার মধ্যে; সমাজবাদী পার্টিকে বন্ধুত্বের বার্তা দেওয়া হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

তাছাড়া সামনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রামপুড় ও আজমগড়ে বিরোধীরা জিতলে; রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খাবে মোদী সরকার। সম্মিলিত বিরোধী জোটের স্বার্থে; কংগ্রেসের নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে নির্বাচনে না লড়ার পিছনে, নেতারা যতই সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন; কংগ্রেসের ইতিহাসে পালিয়ে যাবার ঘটনা এই প্রথম। যা নিয়ে দেশ জুড়ে জোরদার প্রচার শুরু করেছে বিজেপি।

]]>
লোকসভায় ফের নতুন করে তিন তালাক বিল পেশ মোদী সরকারের https://thenewsbangla.com/triple-talaq-fresh-bill-introduced-in-lok-sabha-by-modi-govt-opposition-protest/ Fri, 21 Jun 2019 15:16:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14247 ফের লোকসভায় পেশ হল; তিন তালাক বিল। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ; শুক্রবার লোকসভায় নতুন করে বিলটি পেশ করেন। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাস হলে; মুসলিম মহিলাদের বিয়ের অধিকার রক্ষা বিল ২০১৯; এই আইন হিসেবে গ্রাহ্য হবে।

১৬ তম লোকসভা ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই; আগের তিন তালাক বিলটি বাতিল হয়ে যায়। প্রথম মোদী সরকারের আমলে; বিলটি লোকসভায় পাস হলেও; বিলটি আটকে গিয়েছিল রাজ্যসভায়। বিরোধীরা দাবি জানিয়েছিল; বিলটি পাঠানো হোক সিলেক্ট কমিটিতে। সেখান থেকে আবার বিল উঠল সাংসদে।

স্ত্রীকে ছেড়ে যাওয়ার উদাহরণ কেবল একটি ধর্ম সম্প্রদায় নয়; সমস্ত ধর্মের পুরুষদের মধ্যেই দেখা যায়। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের দাবি; শুধু মুসলিম পুরুষদের উদ্দ্যেশ্যে নয়; একটি অভিন্ন নীতির ভিত্তিতে তৈরি হোক বিল।

আরও পড়ুনঃ সীমান্তে শহীদ জওয়ানের বোনের বিয়েতে হাজির বায়ুসেনার গরুড় কম্যান্ডোরা

নতুন এই বিলেও তিল তালাককে; ফৌজদারি অপরাধ বলে গন্য করা হবে। ফলে তালাক প্রদানকারী স্বামীর জেলও হতে পারে। এই ধরেনর সুপারিশের বিরোধিতা করেছে; কংগ্রেস সহ বেশ কয়েকটি বিরোধী দলগুলি।

সরকারের দাবি; তিন তালাক বিল পাস হলে; মহিলাদের ওপরে নির্যাতনের হার কিছুটা কমবে। এবং মুসলিম মহিলাদের সমানাধিকারও দেওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ‘সবকা সাথ ও সবকা বিশ্বাস’ মন্ত্রকে সামনে রেখেই; তিন তালাক বিল পাস করানোর উদ্যোগ নিয়েছে মোদী সরকার।

আগে তিন তালাক অর্ডিন্যান্সকে আইনের রূপ দিতে; সংসদে বিল এনেছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। গত ২৭ ডিসেম্বর; এই বিল পাশও হয়ে যায় লোকসভায়। কিন্তু রাজ্যসভায় বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। তাই রাজ্যসভায় বারবার আটকে গেছিল এই বিল। সেইসময় বিরোধী দলগুলি; এই বিলের বিরোধীতায় সরব ছিল।

দ্য মুসলিম উইমেন বিল; রাজ্যসভায় পাশ হওয়া তখনও বাকী ছিল। লোকসভায় তা পাশ করিয়ে নেয়; কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। শেষ বাজেট অধিবেশনে; তা পাশ করানোর জন্য উঠলেও; রাজ্যসভায় বিরোধীদের চাপে; তা শেষ পর্যন্ত সরকার পাশ করাতে পারেনি তখন।

বিরোধীরা এই বিলের বারবার বিরোধিতা করে এসেছে। মুসলমান পুরুষদের সাজা দিতেই; এই বিল তৈরি হয়েছে বলে; অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। এদিকে সরকারের দাবি; মুসলমান মহিলাদের সুরক্ষায় এই বিল আনা হয়েছে।

]]>
সংবিধানের বাইরে গিয়ে শপথে গুরুর নাম যোগ করলেন সাংসদ https://thenewsbangla.com/bjp-mp-pragya-thakur-modifications-in-oath-in-lok-sabha-add-her-guru-name/ Tue, 18 Jun 2019 08:30:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14020 ফের বিতর্কে প্রজ্ঞা ঠাকুর। সোমবার লোকসভায় শপথগ্রহন নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। ওইদিন বিজেপি নেত্রী প্রজ্ঞা ঠাকুর; তাঁর আধ্যাত্মিক গুরুর নাম যোগ করেন শপথ গ্রহনে। তখনই প্রতিবাদ শুরু হয় বিরোধী নেতানেত্রীদের মধ্যে।

সকলের দাবী; সঠিক নিয়ম মেনেই শপথ নিতে হবে সংসদে। বিজেপি সাংসদ ওইদিন; নিজের নামের সাথে যোগ করে দেন আধ্যাত্মিক গুরুর নাম; “স্বামী পূর্ণ চেতনানন্দ অবদেশানন্দ গিরি”।

আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ফের সন্ত্রাসবাদী হামলা, ভারতীয় সেনার হাতে নিকেশ তিন জঙ্গি

বিরোধী দলের নেতারা দাবী করেন; ভূপালের সাংসদ তাঁর সঠিক নাম ব্যবহার করছেন না বলে। যদিও একই নাম; শপথের ফর্ম ফিলাপের সময় ব্যবহারের দাবী করেছেন প্রজ্ঞা ঠাকুর। এই নিয়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: লোকসভা শুরু, আশঙ্কা সত্যি করে গরহাজির মিমি ও নুসরাত

অস্থায়ী স্পিকার; বিজেপি সাংসদ বীরেন্দ্র কুমার এই বিষয়ে রেকর্ড চেক করবেন; বলে আস্বস্ত করেন। তিনি বলেন কোনকিছু অসংগত থাকতে; তা বাদ দেওয়া হবে। শপথগ্রহন অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি। শপথগ্রহনে দুবার বাধা পাওয়ার পর ঠাকুর সংস্কৃতে শপথ নেন। শেষে করেন “ভারত মাতা কি জয়” বলেই।

আরও পড়ুন: বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই, প্রধানমন্ত্রী মোদীতে মুগ্ধ বিরোধী সাংসদরা

২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত প্রজ্ঞা ঠাকুর। লোকসভা নির্বাচনের শুরুর সময় থেকেই; একাধিক বিতর্ক শুরু হয় তাঁকে নিয়ে। মহাত্মা গান্ধির হত্যাকারী নাথুরাম গডসে সম্পর্কে; তাঁর মন্তব্য বিতর্ক আরও বাড়ায়। পাশাপাশি ২৬/১১-র জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হওয়া হেমন্ত কারকারের মৃত্যুকে; তাঁরই অভিশাপ বলেন ঠাকুর। এই দু’টি মন্তব্য ঘিরে ওঠে বিতর্কের ঝড়।

আরও পড়ুন: সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলররা, অকপট মমতা

সপ্তদশ লোকসভার প্রথম সংসদ অধিবেশন শুরু হয় সোমবার থেকে। ২৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই অধিবেশন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরাও লোকসভার সাংসদের শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন; “সংসদীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সক্রিয় বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ”। “বিরোধী দলকে তাদের সংখ্যা সম্পর্কে বিরক্ত করতে হবে না। বিরোধী দল যে কথা বলে তা আমাদের কাছে মূল্যবান” বলে জানান মোদী।

]]>
লোকসভা শুরু, আশঙ্কা সত্যি করে গরহাজির মিমি ও নুসরাত https://thenewsbangla.com/parliament-starts-mimi-nusrat-absent-from-first-day-of-lok-sabha-session/ Tue, 18 Jun 2019 05:52:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14005 সেই মানুষের আশঙ্কাই সত্যি হল। লোকসভা শুরু; অথচ প্রথম দিনেই গরহাজির অভিনেত্রী মিমি ও নুসরাত। জানা গেছে, মিমি ব্যস্ত সিনেমার শুটিং এ। আর নুসরাত তো বিয়ে করতে তুরস্কে। মুনমুন সেন, সন্ধ্যা রায় বা দেবের মত; আবার কি একই ভুল করল বাংলার মানুষ? লোকসভার প্রথম দিনেই; উঠে গেল প্রশ্ন।

যা আশঙ্কা করা হয়েছিল; ঠিক তাই হল। লোকসভার প্রথম দিনেই ২২ জন তৃণমূল সাংসদের মধ্যে; শপথ নিলেন ২০ জন সাংসদ। কোন দুজন নিলেন না? ঠিক ধরেছেন মিমি ও নুসরত। মিমি জানিয়েছেন; তাঁর শরীর খারাপ। আর নুসরত তো সুদূর তুরস্কে উড়ে গিয়েছেন; বিয়ে-সাদি করতে।

আশঙ্কা সেই সত্যি হল! মানুষ তাঁদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন ঠিকই; কিন্তু সংসদে যাওয়ার সময় কোথায়? বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই; তাই লোকসভায় অনুপস্থিতই রইলেন বাংলার দুই সেলেব প্রার্থী; মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। যা নিয়ে ফের একবার সমালোচনার মুখর হয়েছেন নেটিজেনরা।

সপ্তদশ লোকসভার অধিবেশনের প্রথম দিনে; শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ; প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং; ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী থেকে দেশের তাবড় রাজনীতিকরা। শপথ নিলেন তৃণমূলের বাকি ২০ জন সাংসদ।

অথচ, জীবনে প্রথমবারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হয়ে; শপথ নিতে এলেন না দুই অভিনেত্রী সাংসদ নুসরাত ও মিমি। বয়ফ্রেন্ড নিখিল জৈনকে বিয়ে করতে; শনিবার রাতেই তুরস্কে উড়ে গিয়েছেন নুসরাত। আর ওইদিনই মিমি জানিয়েছিলেন, “তাঁর ১০৩ জ্বর”।

আবার টলিউডে পরিচিত মহলে মিমি জানিয়েছেন; নুসরাতের বিয়েতে যোগ দিতে তিনি তুরস্কে যাবেন। তৃণমূল সূত্রে খবর; এই দুই গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীর জন্য ২৫ জুন শপথ গ্রহণের দিন ঠিক করা হয়েছে। মিমি-নুসরাতেরও তুরস্ক থেকে; দিল্লির মাটি ছোঁয়ার কথা ওই ২৫ জুনই।

মিমি-নুসরাতকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ছিল; যাদবপুর ও বসিরহাটে এই দুই নায়িকা জিতে গেলেও; সাংসদ হিসেবে নিজেদের কাজে কতটা মনোযোগী হবেন?

আর সংসদের প্রথম দিনেই তাঁদের অনুপস্থিতি; সেই প্রশ্নকেই আরও জোরদার করল। আবার কি সেই ২০১৪ র মুনমুন সেন, সন্ধ্যা রায় ও দেব এপিসোডের পুনরাবৃত্তি? আশঙ্কা প্রথম দিনেই সত্যি।

]]>
বিজেপির কাছে মমতাকে আরও লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছে বামেরাই https://thenewsbangla.com/cpm-saved-mamata-banerjee-from-more-shame-against-bjp-in-lok-sabha/ Tue, 28 May 2019 13:16:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13432 লোকসভা ভোটে আরও ল্যাজেগোবরে হত মমতার তৃণমূল; বাঁচিয়ে দিয়েছে সিপিএম। ভোটের রেজাল্টের পর এমনই নজরকাড়া তথ্য উঠে এসেছে; লোকসভা ভোটের রেজাল্টে।

বাম ভোট রামে গিয়েই; বাংলায় এবার বিজেপির জয় জয়কার। নিজেদের হারের জন্য বামেদের ভোট ব্যাঙ্ক ধ্বসকেই; দায়ী করছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলে; বামফ্রন্টের ভোট এবার ২৬% থেকে কমে ৭.৫২%-এ নেমেছে। বিজেপির ভোট ১০.১৬% থেকে; বেড়ে হয়েছে ৪০.২৩%।

স্বাধীন বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে; এবারই রাজ্য দেখেছে ভোটের সর্বোচ্চ ‘স্যুইং’। শতাংশের হিসেব ধরে বামেদের ভোট; শুধু রাম-বাক্সে গিয়ে পড়া নিয়ে চর্চা হচ্ছে। কিন্তু ভোটের বাস্তব চিত্র বলছে; বাম ভোট পেয়ে রাম শিবির উপকৃত হয়েছে ঠিকই। কিন্তু মমতার দলও আরও বড় বিড়াম্বনা এড়াতে পেরেছে এই বামেদের সৌজন্যেই। বামেরা রামকে না ঠেকালে; তৃণমূলের আরও ৮ প্রার্থীর এবার আর লোকসভায় যাওয়া হত না।

কিন্তু বাম ভোট যদি সবটাই বিজেপির হত; তা হলে গেরুয়া শিবিরের আসন ১৮ থেকে বেড়ে অন্তত ২৬ হত। বিজেপির পক্ষে ‘স্যুইং’য়ের দাপটে; আরও উইকেট হারিয়ে তৃণমূল নেমে আসত ১৪ তে। ভোট কেটে তৃণমূলের আরও উইকেট পতন বাঁচিয়ে দিয়েছেন বাম প্রার্থীরাই।

তৃণমূলের নবনির্বাচিত সংসদীয় দলের সহকারী নেতা হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার; মুখ্য সচেতক হয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের তথ্য বলছে কাকলি-কল্যাণদের লোকসভায় ফেরা হত না; তাঁদের কেন্দ্রে বাম প্রার্থী যথাক্রমে হরিপদ বিশ্বাস ও তীর্থঙ্কর রায় ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৭২৩ এবং ১ লক্ষ ৫২ হাজার ২৮১ ভোট ধরে না রাখলে।

তৃণমূল নেতা সৌগত রায় হারতেন; যদি না দমদমে সিপিএম প্রার্থী নেপালদেব ভট্টাচার্য ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৯০ ভোট পেতেন। সৌগতবাবু বিজেপির শমীক ভট্টাচার্যকে হারিয়েছেন ৫৩ হাজার ভোটে। কৃষ্ণনগরে মহুয়া মিত্র, হাওড়ায় প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বীরভূমে শতাব্দী রায়, বর্ধমান পূর্বে সুনীল মণ্ডল, আরামবাগে অপরূপা পোদ্দারদের জয়ও নিশ্চিত হয়েছে বামেদের ভোটের জন্য।

এই সব কেন্দ্রেই তৃণমূল যে ব্যবধানে বিজেপিকে হারিয়েছে; বাম প্রার্থীরা তার চেয়ে বেশি ভোট টেনেছেন। আরামবাগে তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা জিতেছেন মাত্র ১১৪২ ভোটে; সেখানে সিপিএমের শক্তিমোহন মালিক ১ লক্ষ ৫২০ ভোট পেয়েছেন। বর্ধমান পূর্বে তৃণমূলের সুনীল ৮৯ হাজার ৩১১ ভোটে জিতেছেন; সেখানে সিপিএম প্রার্থী ঈশ্বরচন্দ্র দাসের ভোট ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৫৯২।

এমনকি, তৃণমূলের গড় দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের মালা রায়ের হাসতে হাসতে জয় (১ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৯২ ভোটে) কঠিন হয়ে যেত সিপিএমের নন্দিনী মুখোপাধ্যায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার ২৭৫ ভোট না পেলে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর ওয়ার্ডেও যখন বিজেপি ‘লিড’ নিয়েছে, সেখানে নন্দিনীর লড়াই মালাকে সাহায্যই করেছে বলতেই হবে। তাই রামের হাত থেকে বাম যে তৃণমূলকে বাঁচিয়েছে তা বলাই যায়।

]]>
লোকসভা আসন অনুযায়ী দেখলে বাংলার রং অনেকটাই গেরুয়া https://thenewsbangla.com/lok-sabha-seats-win-by-bjp-the-colour-of-bengal-map-is-saffron/ Fri, 24 May 2019 17:10:09 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13267 লোকসভা আসন অনুযায়ী দেখলে; বাংলার রং অনেকটাই গেরুয়া। বিজেপির নতুন স্লোগান; ১৯ এ হাফ, ২১ শে সাফ। ৪২ টির মধ্যে ১৮ টি আসন জিতেছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের প্রায় সব আসনেই জয়ী গেরুয়া শিবির।

১) কোচবিহার আসনে জিতেছেন; বিজেপির নিশীথ প্রামাণিক। ২) আলিপুরদুয়ার আসনে জিতেছেন; জন বারলা। ৩) জলপাইগুড়িতে বিজেপি প্রার্থী; জয়ন্ত রায় জয়ী। ৪) দার্জিলিং আসনে জিতেছেন; রাজু সিং বিস্ত। ৫) রায়গঞ্জ আসনে বিজেপি প্রার্থী; দেবশ্রী চৌধুরি জয়ী। ৬) বালুরঘাটে জিতলেন; সুকান্ত মজুমদার। ৭) মালদহ উত্তরে জিতলেন খগেন মুরমু।

আরও পড়ুনঃ ডিএ, পে কমিশন না পাওয়ায় ভোটে জবাব দিলেন বাংলার সরকারি কর্মীরা

দক্ষিণবঙ্গেও ভালই প্রভাব বিস্তার করেছে বিজেপি। জিতেছে বেশ কিছু আসন। বর্ধমান থেকে নদীয়া হয়ে হুগলী; খাতা খুলেছে পদ্ম শিবির।

৮) বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনে; বিজেপি প্রার্থী সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া জয়ী। ৯) রানাঘাট আসনে; জগ্ননাথ সরকার জয়ী। ১০) আসানসোলে বিজেপি প্রার্থী; বাবুল সুপ্রিয় জয়ী। ১১) বনগাঁ আসনে; শান্তনু ঠাকুর জয়ী। ১২) ব্যারাকপুর আসনে জয়ী অর্জুন সিং। ১৩) হুগলিতে বিজেপির লকেট চ্যাটার্জি জয়ী।

আরও পড়ুনঃ রাজীব কুমারের সময়সীমা শেষ, যে কোন মুহূর্তে গ্রেফতার করবে সিবিআই

জঙ্গল মহলের প্রায় সব আসনেই জিতেছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলকে সাফ করে দিয়েছে বিজেপি; এই জঙ্গল মহলে। একের পর এক আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি।

১৪) মেদিনীপুরে জয়ী বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ১৫) ঝাড়গ্রাম আসনে কুনার হেমব্রম জয়ী। ১৬) পুরুলিয়া আসনে বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাত জয়ী। ১৭) বাঁকুড়া আসনে জয়ী সুভাষ সরকার। ১৮) বিষ্ণুপুর আসনে বিজেপির সৌমিত্র খাঁ জয়ী।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের হারের প্রথম বলি, দল থেকে বহিষ্কার মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাংশু রায়

শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস জিতল ২২ টি আসনে। বিজেপি জিতল ১৮ টি আসনে। কংগ্রেস জিতল ২ টি আসনে। তবে বাংলার ম্যাপে গেরুয়া রং ভালই ছাপ ফেলেছে; তা দেখাই যাচ্ছে। বাংলার এই গেরুয়া ম্যাপ ২০২১ শে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে কি অবস্থায় দাঁড়ায়; সেটাই এখন দেখার।

]]>
জয় শ্রী রামের বদলে ভোটের পরে কি জয় শ্রী ভীম https://thenewsbangla.com/jay-shri-ram-slogan-will-end-after-lok-sabha-vote-jay-shri-bhim-will-start/ Thu, 16 May 2019 12:21:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12978 নমো নমোর বিদায়ে; জয় শ্রী রামের বদলে ভোটের পরে কি উচ্চারিত হবে জয় শ্রী ভীম? এমনটাই দাবি; বহুজন সমাজবাদী পার্টির নেত্রী মায়াবতীর। হঠাৎ জয় শ্রী রামের বদলে জয় শ্রী ভীম কেন?

বাকি আর মাত্র ১ দফার নির্বাচন। আগামী রবিবারেই শেষ লোকসভার ভোট। তারপরেই কার ভাগ্যে শিকে ছেড়ে; তা ২৩শে মে ভোট গননার মাধ্যমে ঠিক হবে। আর ফলাফল বের হলেই মানুষ নমো নমোর পরিবর্তে; উচ্চারণ করবে জয় ভীম, এক নির্বাচনী প্রচারে এমনই জানালেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী।

আরও পড়ুনঃ পুলিশি গাফিলতিতে দেড় মাস ধরে অকেজো বিদ্যাসাগর কলেজের সিসিটিভি

উত্তরপ্রদেশে বিএসপি-র এক জনসভায় মায়াবতী বলেন; ভোটের ফলাফল বের হলে আর নমো নমো উচ্চারিত হবে না। কেন্দ্রে নতুন সরকার গঠিত হলে জয় ভীম উচ্চারিত হবে। জয় শ্রী রামের বদলে; মানুষ জয় শ্রী ভীম বলবে।

জনসভায় কংগ্রেসের ন্যায় স্কীমের কটাক্ষ করে মায়াবতী বলেন; এই ঘোষনার আদৌ কোনও ভিত্তি নেই। দারিদ্র্য দূরীকরণে কংগ্রেসের এই ঘোষনা; কোনও ফল দেবে না বলে জানান তিনি। মায়াবতীর নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে; বেকারদের জন্য সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীক্ষেত্রে স্থায়ী চাকুরীর ব্যবস্থা তিনি করবেন বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ বাংলা থেকে সরিয়ে রাজীব কুমারকে পাঠান হল দিল্লির স্বরাষ্ট্র দফতরে

কংগ্রেস, বিজেপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমস্ত প্রতিশ্রুতিকে; আই ওয়াশ বলে মন্তব্য করেন মায়াবতী। এই সমস্ত প্রতিশ্রুতিই মিথ্যা এবং ভোটের স্বার্থে বলা হচ্ছে; বলেই তিনি দাবি করেন। আচ্ছে দিনের আশা দেখিয়ে; তার পরিবর্তে মানুষের হয়রানি করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হিংসা, বাংলায় ভোট প্রচার ১ দিন কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

কংগ্রেস এই মুহূর্তে বেশিরভাগ রাজ্যেই ক্ষমতায় নেই। বিজেপিও বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে; জমি হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা, জাতপাতের ভেদাভেদের কারণে মোদী সরকার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না বলেই; আশাপ্রকাশ করেন মায়াবতী।

এরপরেই তিনি বলেন, ভারতের মানুষ এবার জয় শ্রী রামের বদলে; জয় শ্রী ভীম বলবে। উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদব ও মায়াবতীর জোট হয়েছে। ৮০ সদস্য বিশিষ্ট উত্তরপ্রদেশই; ভারতের সিংহাসনে কে বসবে তা ঠিক করে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

]]>
শুধু বুথ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এলাকা ঘিরে সোমবার হবে পঞ্চম দফার ভোট https://thenewsbangla.com/central-force-surrounded-in-booths-lok-sabha-area-in-fifth-phase-polls/ Sun, 05 May 2019 17:27:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12424 সোমবার ৬ই মে; পঞ্চম দফার ভোট। মোট সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে; ভোটে ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পঞ্চম দফার সব বুথেই আছে কেন্দ্রীয় বাহিনী; তাই সব বুথ-ই স্পর্শকাতর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ ভাবেই; জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ব্যারাকপুরে বুথের পাশাপাশি; গোটা লোকসভা এলাকাতেও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সোমবার, পঞ্চম দফা নির্বাচনে প্রত্যেক থানা পিছু দুটি করে কুইক রেসপন্স টিম থাকছে। কেবলমাত্র ব্যারাকপুর এর জন্য; আলাদা করে আরও দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। ওই দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী; কুইক রেসপন্স টিমের কাজ করবে। সেই ক্ষেত্রে ব্যারাকপুর এর জন্য আরও কুড়িটি কুইক রেসপন্স টিম থাকছে। তাই সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা ৫২৮ থেকে বেড়ে ৫৩০ কোম্পানি হল; নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর এমনটাই খবর।

আরও পড়ুনঃ পঞ্চম দফা ভোটের আগে মোদী মমতা নিয়ে বিস্ফোরক বুদ্ধদেব

রাজ্যের ৭ লোকসভায় সোমবার ভোট। একনজরে দেখে নেওয়া যাক; সোমবার কোথায় কত অফিসার থাকছে।
বনগাঁ; মাইক্রো অবজারভার ১০৫; ভিডিও ক্যামেরা ৫৩; সিসিটিভি ১২৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ৫৮৩
ব্যারাকপুর; মাইক্রো অবজারভার ১১; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ১৫৭; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ৪৯৫
হাওড়া; মাইক্রো অবজারভার ৪২০; ভিডিও ক্যামেরা ১১৪; সিসিটিভি ৬৩৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০১; মোট ১৪৭৩

আরও পড়ুনঃ মাওবাদী দমনে ব্যর্থ মোদী, মেদিনীপুরের সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

উলুবেড়িয়া; মাইক্রো অবজারভার ৩৩০; ভিডিও ক্যামেরা ১৩৪; সিসিটিভি ৮১৭; ওয়েব কাস্টিং ২৬৯; মোট ১৫৫৩
শ্রীরামপুর; মাইক্রো অবজারভার ৩৯১; ভিডিও ক্যামেরা ১০৬; সিসিটিভি ৩১৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১১৭৮
হুগলি; মাইক্রো অবজারভার ৩১০; ভিডিও ক্যামেরা ২০; সিসিটিভি ১০০; ওয়েব কাস্টিং ২৭০; মোট ৭০০
আরামবাগ; মাইক্রো অবজারভার ৪১১; ভিডিও ক্যামেরা ৫০; সিসিটিভি ২২৭; ওয়েব কাস্টিং ২১৪; মোট ৯৫৩

আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্র ও ছত্তিসগড়ের মত ভোটে মাওবাদী হামলার আশঙ্কা বাংলায়

আগামীকাল মোট বুথের সংখ্যা; দেখে নিন এক নজরে;
বনগাঁ ১৮৯৯; ব্যারাকপুর ১৫৬৭; হাওড়া ১৮৬৮; উলুবেড়িয়া ১৮২৬; শ্রীরামপুর ২০৩৩; হুগলি ২০৩৯; আরামবাগ ২০৫৮; মোট ১৩২৯০। উত্তর ২৪ পরগণা ও হুগলীর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

]]>
রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/no-trust-in-bengal-state-police-central-forces-in-all-booths-in-this-lok-sabha/ Mon, 22 Apr 2019 11:49:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11402 রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই প্রথম বাংলার কোন লোকসভা কেন্দ্রের ভোটে ১০০% বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। সোমবার আসানসোল ঘুরে দেখে পরিষ্কার জানিয়ে দেন রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক। আগেই তৃতীয় দফার ভোটে ৯২ শতাংশ বুথে বাহিনী থাকবে বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু আসানসোলের ক্ষেত্রে সেটা ১০০ শতাংশ বলেই ঘোষণা করে দেওয়া হল।

সোমবার সারাদিন আসানসোল ঘোরেন রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক। বিভিন্ন থানায় গিয়ে রিপোর্ট নেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আসেন বিভিন্ন দলের নেতারা। সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখেন। তারপরেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবার সিদ্ধান্ত করেন তিনি। এর ফলে বিজেপি নেতা কর্মীদের মুখে হাসি ফুটেছে। ফের সমালোচনা করেছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ ভোট যুদ্ধে আকাশ দখলের লড়াইয়ে কংগ্রেসকে শুইয়ে দিল বিজেপি

লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফায় রাজ্যের ৫ লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় ৯২ শতাংশ বুথেই দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, এমনটাই জানিয়েছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতর। এই উপলক্ষ্যে রাজ্যে এসেছে ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই প্রথম রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর কথা মেনে নিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবী ছিল বাংলায় সব বুথেই রাখা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানান হয়েছিল, যতটা সম্ভব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

রাজ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রথম দফা ভোটের আগে থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের দাবি উঠেছিল। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটকর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। কিন্তু বেশিরভাগ কেন্দ্রেই কেন্দ্র ও রাজ্য পুলিশকে যৌথভাবে নিয়োগ করা হয়। অনেক বুথেই শুধু রাজ্য পুলিশ ছিল। সেখানে ঝামেলাও হয়েছে প্রচুর।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের হুঁশিয়ারি দিলেন কংগ্রেস নেতা

প্রথম দফার নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি আরও জোরালো হয়। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক দুই শতাধিক বুথে ছাপ্পা ও বুথ জ্যামের অভিযোগ তোলেন। নির্বাচন কমিশনের দরবারে গিয়ে মাটিতে বসে ধর্ণা দেন মুকুল রায়। মুকুলের নেতৃত্বে দাবিতে অনড় থাকেন বিজেপির রাজ্যের প্রতিনিধিরা। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। ঝামেলাও হয় সেই সব বুথে।

আরও পড়ুনঃ হারবেন বুঝেই নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট মমতার, কটাক্ষ অমিতের

যদিও চাপের মুখে দ্বিতীয় দফায় ৮০ শতাংশ বুথে নিয়োগ হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তা সত্ত্বেও রাজ্যে ৩ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন কেন্দ্রে সকাল থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। ভোটের দিন ভয় দেখানো, অবরোধ, বোমাবাজি, হামলা পাল্টা হামলা, এসবই টিভির পর্দায় প্রত্যক্ষ করেছে রাজ্য সহ রাজ্যবাসী। দ্বিতীয় দফায় ভোট শুরুর পরেই এক সাংবাদিকের মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়।

এই অবস্থায় অভিযোগ খতিয়ে তৃতীয় দফার নির্বাচনে প্রায় ৯২ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করতে সচেষ্ট ছিল নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল ২৩শে এপ্রিল রাজ্যের তৃতীয় দফার নির্বাচন। ভোট অনুষ্ঠিত হবে বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ এই ৫ লোকসভা কেন্দ্রে।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই চরম লজ্জা, চৌকিদার চোর বলায় ক্ষমা চাইতে হল রাহুল গান্ধীকে

আগে ঠিক হয়েছিল, ২৭৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। কিন্তু পরিস্থিতি বিচার করে এই ৫ কেন্দ্রের প্রায় ৯২ শতাংশ বুথে মোট ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করা হচ্ছে কমিশনের তরফে। এদিকে সোমবারই জানিয়ে দেওয়া হল আসানসোল লোকসভা ভোটে থাকবে ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলেন বাবুল সুপ্রিয়

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
জীবনের শেষ ভোটটা এবার দিতে চান শিবপূজন https://thenewsbangla.com/shivpujan-mishra-to-keep-tryst-with-lok-sabha-election-at-107/ Sun, 31 Mar 2019 16:28:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9595 পরিধানে ধপধপে সাদা ধুতি-কুর্তা, বলিরেখাময় মুখ আর বুদ্ধিদীপ্ত চাহনি – সাধারণ দৃষ্টিতে শিবপূজন মিশ্রকে একবাক্যে একজন সাধারণ বৃদ্ধ মানুষ বলা যেতে পারে। কিন্তু ১০৭ বছর বয়সেও তিনি ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ২০১৯-এর লোকসভায় ভোট দিতে এক পায়ে খাড়া। ভারতের সব থেকে বয়স্ক মানুষদের অন্যতম শ্রী শিবপূজন মিশ্র।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে পুনরায় নির্বাচিত না করলে দেশ সংকটে পড়বে, মন্তব্য হেমা মালিনীর

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম, নেহেরু যুগ এবং তার পরবর্তীকালে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের আদর্শগত পরিবর্তনের নীরব সাক্ষী থেকেছেন ভারতের সবচেয়ে বয়স্ক এই ভোটার।

আরও পড়ুনঃ সেনার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা তেজ বাহাদুর বারাণসীতে প্রার্থী মোদীর বিরুদ্ধে

২০১৯ লোকসভা ভোট প্রসঙ্গে শিবপূজন বলেন ‘এটাই হয়তো আমার শেষ ভোট দেওয়ার সুযোগ, কিন্তু দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে তুলে ধরতে আমি ভোট দিতে যাবো’।

আরও পড়ুনঃ অধীর গড়ে ভোটমঞ্চে প্রচারের আলোয় আর্য সমাজের প্রচারক শ্রী কৃষ্ণ মহারাজ

৩০ বছর বয়সে, ভারতছাড়ো আন্দোলনের সময়, শিবপূজন খাদিকে আঁকড়ে ধরেন। স্বাধীনতার পরে ১৯৫২ সালে যে সাধারণ নির্বাচনে নেহেরুর নেতৃত্বে স্বাধীন ভারতের যে সরকার গঠিত হয়েছিল, সেই নির্বাচনে প্রথম তিনি তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন শিবপূজন।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর কবিতায় গান গাইলেন লতা মঙ্গেশকর

সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি ১৪ জন প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এবং ২০০৯ পর্যন্ত পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা প্রতিটি ভোটে তিনি ভোট দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি ১২৫ এর বেশি আসন পাবে না, চন্দ্রবাবুর সভায় হিসাব দিলেন মমতা

শিবপূজন এর পৃথিবী আজ তাঁর একটি ঘরের মধ্যেই বন্দি, কিন্তু একদিন তিনিই সাক্ষী থেকেছেন ভারতীয় রাজনীতির নানান উথাল-পাথাল ঘটনার, সে স্বাধীনতার আগে ভারত ছাড়ো আন্দোলনই হোক, বা স্বাধীনোত্তর কালে জরুরী অবস্থা।

আরও পড়ুনঃ ইস্কন রাজনৈতিক নিরপেক্ষ সংস্থা, নাম জড়িয়ে প্রচার উদ্দেশ্যমূলক, বিবৃতি ইস্কনের

তাঁর ভোটার কার্ড অনুযায়ী শিবপূজনের বয়স ১০৭, যদিও তৎকালীন যুক্ত প্রদেশের ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার শংসাপত্র অনুসারে তাঁর জন্ম তারিখ ২৩শে মে, ১৯১৪, অর্থাৎ তাঁর বয়স ১০৫ বছর। তিনি তৎকালীন বেনারসের সনাতন ধর্ম বিদ্যালয় থেকে হাই স্কুল পাশ করেন এবং পরে বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি থেকে হিন্দি ও গণিতশাস্ত্রে এম.এ. পাশ করেন।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির খবর আসবে ভারতী ঘোষের কাছে, ফের বাহিনী বিতর্ক

গাজিপুরের ডিএভি ইন্টার কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ শিবপূজন ১৯৭৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর আদি বাড়ি গাজিপুর জেলার ভয়েরপুর দেবকালী গ্রামে। বর্তমানে তিনি তাঁর কনিষ্ঠ সন্তান বিজয় শংকর মিশ্র ও বিজয়ের স্ত্রী সুমনের সংগে বারাণসীর দুর্গাকুন্ড এলাকায় কৈওয়াল্যাধাম কলোনিতে বাস করেন।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা ও রাজনাথের স্বরাষ্ট্র দফতরের চরম সংঘাত

খাদি ও গান্ধীটুপিই যাঁর খুব প্রিয় পোশাক, সেই শিবপূজনকে আপাতদৃষ্টিতে কর্মক্ষম বলে মনে হলেও তাঁর স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেয়েছে। তাঁর পুত্র বিজয় জানান, ‘বয়সের কারণে বাবা গত নয় বছর তাঁর গ্রামে যেতে পারেন নি। ফলে ২০১৪-র লোকসভা আর ২০১৭-র বিধানসভা ভোটে ভোটও দিতে পারেন নি’। বিজয়ের কথায়, ‘বাবুজি মাঝে মাঝেই স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন, কিন্তু রাজনীতির বিষয়ে তিনি কখনও তাঁর মতামত কাউকে জানতে দেন না’।

আরও পড়ুনঃ আমেঠীর মানুষের প্রশ্নের জবাব এড়াতেই কেরালা থেকে লড়ছেন রাহুল, কটাক্ষ অমিতের

শিবপূজন এর কথা, ‘ভগবানের ইচ্ছেয় আমি এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেবো, কারণ দেশের প্রতি আমাদের সকলের একটা দায়বদ্ধতা আছে’। ১০৭ বছরের যুবকের এহেন দায়বদ্ধতা সত্যিই কুর্নীশযোগ্য।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>