Lok Sabha Election 2019 – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 10 May 2019 07:39:45 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Lok Sabha Election 2019 – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 এনসিপির বোতাম টিপলেই ভোট পাচ্ছে বিজেপি, দাবি শরদ পাওয়ারের https://thenewsbangla.com/sharad-pawar-complaint-bjp-hacked-evms-in-lok-sabha-election-2019/ Fri, 10 May 2019 07:39:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12667 ইভিএম নিয়ে অভিযোগ বহুদিনের; বিশেষ করে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে একাধিক বার ইভিএম নিয়ে অভিযোগ এনেছে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলি; ইভিএমের পরিবর্তে পুনরায় ব্যালট পেপারে ভোট করানোর দাবি জানিয়েছেন তারা; যদিও ব্যালট নিয়ে ওঠা অভিযোগ বরাবরই খারিজ হয়ে গেছে।

এবার সেই একই অভিযোগ আনলেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার; বৃহস্পতিবার তিনি দাবি করেন; তিনি নিজেই একবার একটি অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন; যেখানে নিজের দলীয় প্রতীকে ভোট দিলেও ভোট বিজেপি পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন তেজ বাহাদুরের ভোটে লড়ার আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

তিনি বলেন; ইভিএম নিয়ে তিনি ওয়াকিবহাল; তাকে গুজরাট ও হায়েদ্রাবাদে ইভিএম পরীক্ষা করার জন্য ডাকা হয়েছিল বলে জানান তিনি; সেখানে তাকে বোতাম টিকে ইভিএম পরীক্ষা করতে বলা হয়; এরপরেই তিনি তার দলীয় প্রতীক চিহ্নের বোতামে প্রেস করেন; কিন্তু লক্ষ্য করেন; সেই ভোট গিয়ে যোগ হচ্ছে বিজেপিতে; এমনই অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি।

যদিও সব ইভিএম মেশিনেই এই ধরনের কারচুপি হচ্ছে না; সেটাও তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন; পাওয়ারের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে অন্যান্য বিজেপি বিরোধী দল গুলোও জানিয়েছে; চাইলেই ইভিএম মেশিনের রেজাল্ট ওলট পালট করা সম্ভব।

আরও পড়ুন গাড়িতে নগদ লক্ষাধিক টাকা সহ পুলিশের হাতে আটক ভারতী ঘোষ

শরদ পাওয়ার সহ আরও ২০টি রাজনৈতিক দল গত ৮ই এপ্রিল ইভিএমের কারচুপির অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়; কিন্তু তাদের দাবিকে নস্যাৎ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় কোন ইভিএম মেশিনে কারচুপি হচ্ছে না সুপ্রিম কোর্ট।

]]>
মোদী কি করে প্রধানমন্ত্রী হল ভগবান জানে, মাথাভাঙায় বিস্ফোরক মমতা https://thenewsbangla.com/god-knows-how-modi-was-prime-minister-explosive-remarks-by-mamata/ Thu, 04 Apr 2019 09:49:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9921 বুধবার কোচবিহারের দিনহাটায় তৃণমূলের নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী তার কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন। আজ, বৃহস্পতিবার, আবারও উত্তরবঙ্গের মাথাভাঙায় ভোট প্রচারে এসে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী। নরেন্দ্র মোদীকে খোঁচা দিয়ে বললেন, “কি করে প্রধানমন্ত্রী হল ভগবান জানে!”

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূল সভাপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র ও কোটি কোটি টাকা

“কুচবিহারের উন্নয়ন আমরা করেছি। আগে যেখানে কিছু ছিল না, এখন সেখানে অনেক কিছু তৈরি হয়েছে। ছিটমহলের সমাধানও মা মাটি মানুষের সরকার করেছে। কোন পার্টি যখন কিছু করেনি, তখন তৃণমূল কাজ করেছে।” প্রথমেই তৃণমূলের কর্মকাণ্ডের কথা দিয়ে সভা শুরু করেন নেত্রী।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় উন্নতিতে বাধা ‘স্পীডব্রেকার’ মমতা, কটাক্ষ মোদীর

তারপরই সরাসরি মোদীর কথা বলেন মমতা। “কথায় চিঁড়ে ভেজে না। মোদী শুধু কথায় বলে যায়। কেউ বলছে দেশের সব নাগরিক চৌকিদার। কেউ বলছে চৌকিদার চোর হে। কিন্তু আমি বলছি, চৌকিদার ‘চোর’ নয়, ‘ঝুঠা’ হে”, মোদী সরকারের অনন্য ভোট ক্যাম্পেনের স্লোগানকে খোঁচা মারেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ গাধা না ঘোড়া, দিনভর বিতর্কের পর জানা গেল খচ্চরের পিঠে ভোটপ্রার্থী

মোদী চাওয়ালা থেকে চৌকিদার হয়েছে, ‘ড্রামাবাজী’ করে। তিনি একসময় চাওয়ালা ছিলেন, তারপর হঠাত চৌকিদার হয়ে গেলেন। নিজের নামে সিনেমা করে ফেললেন, মনে হলে, তাই হঠাত করে নিজের নামে “নামো” টিভি করে ফেললেন। কাপড়জামাতেও নিজের ছবি দিয়ে বিক্রি করছেন মোদী। এর দ্বারা এটাই প্রমাণ হয় যে তিনি শুধু প্রচার চান। মাথাভাঙা জনসভা থেকে মোদী কে সরাসরি তোপ দেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থানে বিমানবাহিনীর হামলা, বাংলায় কাঁদল দিদি

মোদীর সরকার আসার পর, ২ কোটি মানুষ বেকার হয়েছে। “চাবাগান বন্ধ হওয়ার পর আমরা যেমন সাহায্য করেছিলাম, তেমন বাংলায় বেকারত্ব কমিয়েছি আমরা। কারন, বাংলা যা পারে তা আর কেউ পারে না।” এমনটা আবারও দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী।

আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে গান্ধী ও বাংলায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারতন্ত্রকে ব্রিগেডে খোঁচা মোদীর

বুধবারও বাংলায় বেকারত্ব কমানোর সম্বন্ধে মমতা বলেন, তাঁর জমানায় বাংলায় চাকুরী হয়েছে ১ কোটি যুবক যুবতীর, পরিসংখ্যানও তুলে এমনই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগাগোড়াই মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। নরেন্দ্র মোদী ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার আগে প্রতি বছর ২ কোটি কর্মসংস্থান করবেন বলে জানিয়ে ছিলেন। যদিও মোদীর ৫ বছর জমানার পর পরিসংখ্যান স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুনঃ চৌকিদারের ডান্ডা দেখে ভয় পেয়েছে কংগ্রেস, মন্তব্য বিবেকের

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরির কথা বললেও বিরোধীরা সেই হিসেব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভায় লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবি করেছেন। কিন্তু বিরোধীদের কটাক্ষ, বাংলায়সৃষ্টি সৃষ্ট সৃষ্টির চপ শিল্প, বোমা শিল্প ছাড়া আর কোনো শিল্প নেই। প্রতি বছর ঢাক বাজিয়ে শিল্পপতিদের নিয়ে সম্মেলন হয়, কিন্তু বাস্তবে শিল্প সৃষ্টির আসল চিত্র অনেকের কাছেই সন্দেহাতীত।

আরও পড়ুনঃ অ্যান্টি স্যাটেলাইট টেস্ট নিয়ে নাসার অভিযোগ উড়িয়ে দিল ভারত

মাত্র ১ সপ্তাহ আগেই এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকুরী প্রার্থীদের দীর্ঘ প্রায় ১ মাস ধরে চলা অনশনের সমাপ্তি হয়েছে। খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল টানিয়ে চাকুরী প্রার্থীদের অনশন দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সারা বাংলার। কিন্তু অনশনকারীদের চাকুরীর আশ্বাস দেওয়া নিয়ে সরকারের তেমন হেলদোল দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ দুই বছর পর পাহাড়ে ফের প্রকাশ্যে বিমল গুরুং রোশন গিরি

আন্দোলনকারীদের প্রতি প্রথম থেকেই ছিল সরকারের উন্নাসিক মনোভাব। অনশনের ২৮ দিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রী চাকুরী প্রার্থীদের সাথে দেখা করে তাদের বিষয়টি ভেবে দেখার আশ্বাস দেন। যদিও নির্বাচনী আচরনবিধি লাগু হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কোনও প্রতিশ্রুতি দেননি।

আরও পড়ুনঃ মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
খাস কলকাতায় আবিষ্কার টাকা ও সোনা ভর্তি ২০০টি ভূতুরে লকার https://thenewsbangla.com/money-gold-seized-from-unowned-200-lockers-at-vardaan-market-kolkata/ Thu, 28 Mar 2019 15:15:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9431 শহর কলকাতায় আবিষ্কার সোনা ভর্তি ২০০টি ভূতুরে লকার। যার মধ্যে ছিল ৫ কোটি টাকা ও ১৩ কোটির সোনার গয়না। চক্ষু চড়কগাছ আয়কর দফতরের কর্তাদের। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, লাফিয়ে বাড়ছে হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তি এবং কালোটাকা উদ্ধারের ঘটনা।

ভোটের আগেই বেআইনিভাবে কলকাতার বরদান মার্কেটের বেসমেন্টে রমরমিয়ে চালু ছিল প্রায় ৬৫০টি লকার। বৃহস্পতিবার সেখান থেকেই আয়কর অফিসাররা হানা দিয়ে বাজেয়াপ্ত করল নগদ ৫ কোটি টাকা এবং ১৩ কোটি টাকার সোনার গয়না ও সোনার বাট। দুমাস ধরে টানা তদন্ত চালানোর পরই আয়কর দফতরের নজরে আসে বিষয়টি।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ভোটে উড়ছে টাকা, ৪২ আসনে নজরদারিতে ৪৪ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক

৬৫০ টি বেআইনি লকারগুলির মধ্যে হদিশ মেলেনি ২০০টি লকারের মালিকের। বাকি লকারের মালিকদের এদিন ডেকে পাঠানে হয়। পুরো বিষয়টির সিজার লিস্ট তৈরি করছেন আয়কর আধিকারিকেরা। ৪৫০ টি লকারের মালিকরা এলেও প্রায় ২০০ টি লকারের কোন দাবিদার আসেনি। ৬৫০ টি লকারের মধ্যে ২০০ টি লকারের মালিকের কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। সেগুলিকে ভাঙতে হয় আয়কর কর্তাদের।

আরও পড়ুনঃ সরান হল কে কে শর্মাকে, বাংলার নতুন পুলিশ অবজার্ভার বিবেক দুবে

বৃহস্পতিবার বরদান মার্কেটের বেসমেন্টে থাকা সেই ২০০টি লকার ভেঙে নগদ ৫ কোটি টাকা ও প্রায় ১৩ কোটি টাকার গয়না উদ্ধার করেছেন আয়কর দফতরের অফিসারেরা। শহরে এমন আরও বেশ কিছু প্রাইভেট ভল্ট আছে বলে মনে করছেন আয়কর আধিকারিকরা। এবার সেগুলির হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ উত্তরপ্রদেশে মহাজোটকে ‘শরাব’ বলে কটাক্ষ নরেন্দ্র মোদীর

অন্যদিকে, ব্রেবোর্ন রোডের গনেশ মার্কেটের সামনে প্রমোদ কুমার শর্মা নামে এক ব্যক্তির ব্যাগ থেকে নগদ ৩৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওড়িষার তালচেরের বাসিন্দা প্রমোদ কুমার শর্মাকে আটক করছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ব্যাগ ভর্তি টাকা ছিল। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ব্যক্তি কোনও গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নামে ১১টা ফৌজদারি মামলা, খুন শ্লীলতাহানি মামলার আসামি লোকসভায় প্রার্থী কেন

নির্বাচনের আগে শহরের মধ্যে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে হালকাভাবে নিচ্ছে না পুলিশ। এই টাকা নির্বাচনে কোনও অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। শহরের দুটি ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে কড়া তদন্ত। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরেও আনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে ২ দিনের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করার চ্যালেঞ্জ মমতার

বুধবার শেক্সপিয়র সরণী থানা এলাকা থেকেও ৯ কোটি ৭৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার সোনা বাজেয়াপ্ত করে আয়কর দফতর। লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে ১০ই মার্চ। তার দশ দিনের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। আর ১৭ দিনের মধ্যে ৩০ কোটি টাকারও বেশি হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল আয়কর দফতর।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে স্যাটেলাইট অস্ত্রের ঘোষণা কেন, মোদীর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

তারমধ্যে নগদেই উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। বাকিটা সোনার গয়না এবং সোনার বাট। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে গোটা ভোট প্রক্রিয়ায় বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৯ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। আর ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উদ্ধার হয়েছিল ৭কোটি ৮০ লক্ষ্য টাকা। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচন শেষ হতে এখনও বাকি এক মাসেরও বেশি সময়।

এর মধ্যেই গত দুবারের কালো টাকা উদ্ধারের রেকর্ড ছাপিয়ে যাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে নির্বাচন কমিশন। এই সব বিষয়ে নজর দিতে রাজ্যে ৪৪ জন এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভার বা ব্যয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে গোটা দেশের মধ্যে এই ধরণের ঘটনায় গোটা দেশকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলা।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন অভিনেত্রী জয়া প্রদা https://thenewsbangla.com/jayaprada-might-join-narendra-modis-bjp-suggests-party/ Mon, 25 Mar 2019 10:26:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9235 সোমবারই বিজেপিতে যোগ দিয়ে গেরুয়া মঞ্চে সামিল হতে চলেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া প্রদা, বিজেপি সূত্রের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে।

জয়ার রাজনীতির মঞ্চে আবির্ভাব আজ নতুন নয়। ফিল্মি কেরিয়ারের বাইরে রাজনীতিতে নেমে বহুবার দল পরিবর্তনও করেছেন তিনি। ১৯৯৪ সালে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় জয়ার। ১৯৯৪ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর অন্ধ্রপ্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টির সাথে ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের জেতা নিয়ে সংশয় আমেঠীতে, সম্মান রাখতে লড়তে পারেন দক্ষিনের এই কেন্দ্র থেকে

২০০৪ সালে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম ছেড়ে উত্তরপ্রদেশের মুলায়ম সিং যাদবের হাত ধরে সমাজবাদী পার্টিতে নাম লেখান। ২০০৪ এবং ২০০৯ সালে দুবারই সমাজবাদী পার্টির টিকিটে লড়ে লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০০৯ থেকেই মুলায়ম সিংয়ের সাথে তার সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সমাজবাদী পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হন জয়া৷

আরও পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান আর্মি অফিসারদের কম্যান্ডো ট্রেনিং দিচ্ছেন এক নারী

এর পরেই অমর সিংহের হাত ধরে রাষ্ট্রীয় লোক মঞ্চ নামে একটি রাজনৈতিক দল তৈরি করেন। কিন্তু তাতে বিশেষ সুবিধা লাভ করতে পারেননি তিনি। এরপর রাষ্ট্রীয় লোক দলে যোগ দেন তিনি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরেই জয়া প্রদা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করেন। গত বছরই পুনরায় সমাজবাদী পার্টি ছাড়া অন্য কোনো দল থেকে লড়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেও তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে দুই হিন্দু নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি ও জোরপূর্বক মুসলিম ধর্মান্তর

অবশেষে আজই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন তিনি৷ জয়াকে উত্তরপ্রদেশের রামপুর লোকসভা আসনে সমাজবাদী পার্টির আজম খানের বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হতে পারে। যদিও কোন আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত করে জানানো হয়নি।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদী সরকারের চাপে লন্ডনে গ্রেফতার ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারির খলনায়ক নীরব মোদী

উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গঠন করেছে অখিলেশ যাদবের এসপি, মায়াবতীর বিএসপি ও অজিত সিংয়ের রাষ্ট্রীয় লোকদল। ৮০টি লোকসভা আসন বিশিষ্ট উত্তরপ্রদেশে এসপি, বিএসপি ও আরএলডির মধ্যে আসনরফা হয়েছে যথাক্রমে ৩৮, ৩৭ এবং ৩ টি আসনে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির https://thenewsbangla.com/jay-prakash-majumdar-bjp-leader-accuses-some-staff-of-election-commission-is-being-biased/ Wed, 20 Mar 2019 13:06:48 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8904 এবার বাংলায় খোদ নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মীর বিরুদ্ধেই উঠল জেনে বুঝে বিজেপি বিরোধিতা করার অভিযোগ। মঙ্গলবার বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার নির্বাচন কমিশনে এই নিয়ে অভিযোগ করেছেন। তারপর নির্বাচন কমিশন দফতরের সামনে দাঁড়িয়েই সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

বিজেপি এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করল বাংলায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই। বিজেপি বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলে, “নির্বাচন কমিশন অফিসের অনেক জায়গায় গণ্ডগোল আছে”। নিরপেক্ষতা নিয়ে সাংবাদিকরা যখন প্রশ্ন করেন, তখন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার স্পষ্টই জানিয়ে দেন, “নিরপেক্ষতা নয়। নির্বাচন কমিশনকে যখন নিরপেক্ষ থাকা উচিত, তখন নির্বাচন কমিশন অফিসের অনেকে অনেক জায়গায় ঘোঁট পাকাচ্ছে”।

শুনে নিন ঠিক কি বললেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারঃ

তৃণমূলের হয়ে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে কিনা, জানতে চাওয়ায়, বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “বিজেপির স্বার্থ বিগ্নিত হয়, এমন কাজ করছে নির্বাচন কমিশন দফতরের কিছু অফিসার”।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করলেন ‘সেন্সেশনাল’ মুনমুন

এতদিন তৃণমূল বা বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছে। আর বুধবার সেই নির্বাচন কমিশনের দফতরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই উঠল অভিযোগ। তবে এই নিয়ে বিজেপির তরফ থেকে সরকারি ভাবে কোন অভিযোগ করা হয়নি বলেই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন দফতরের আধিকারিকরা।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বাংলায় এগিয়ে তৃণমূল

মৌখিক অভিযোগ শুনে নির্বাচন কমিশন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এর নির্দেশে তাঁরা কাজ করেন রাজ্যে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে সরাসরি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানাতেই পারেন যেকোন রাজনৈতিক দল। তবে তাঁরা যে সব নিয়ম মেনেই কাজ করছেন তা জানান হয়েছে সিইও দফতর থেকে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

তবে সরাসরি সিইও দফতর এর বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছে এমন ঘটনা খুব একটা শোনা যায়নি। যেটা মঙ্গলবার করলেন জয়প্রকাশ মজুমদার। আর এই নিয়েই শোরগোল পরে গেছে রাজ্য জুড়ে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
লোকসভা নির্বাচনে লড়ছেন না মায়াবতী https://thenewsbangla.com/mayabati-declares-that-she-is-not-contesting-in-the-2019-lok-sabha-election/ Wed, 20 Mar 2019 08:34:17 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8874 আসন্ন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে লড়বেন না বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী, সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে।

লক্ষ্মৌয়ের একটি সাংবাদিক সম্মেলনে মায়াবতী জানান, সাম্প্রতিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই তিনি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে আপাতত অংশগ্রহন করবেন না। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে কোনও আসন শূন্য হলে তিনি সেখানে প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করলেন ‘সেন্সেশনাল’ মুনমুন

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গঠন করেছে অখিলেশ যাদবের এসপি, মায়াবতীর বিএসপি ও অজিত সিংয়ের রাষ্ট্রীয় লোকদল। ৮০টি লোকসভা আসন বিশিষ্ট উত্তরপ্রদেশে এসপি, বিএসপি ও আরএলডির মধ্যে আসনরফা হয়েছে যথাক্রমে ৩৮, ৩৭ এবং ৩ টি আসনে। এক্ষেত্রে ভোটে না লড়লেও জোটের হয়ে ভোটের প্রচারে মায়াবতী যুক্ত থাকবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

২০০৩ সালে বিএসপির জাতীয় সভাপতি পদে বসার পরেই মায়াবতী ঘোষণা করেছিলেন, তিনি কোনও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না। তার পরিবর্তে তিনি দেশজুড়ে সংগঠন বিস্তারের ওপরেই মনোনিবেশ করবেন।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় ফের মোদী, ভোটের আগেই জানাচ্ছে সাট্টাবাজার

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি সারা দেশে একাই ৫০৩ টি আসনে প্রার্থী দেয়। যদিও একজন প্রার্থীও কোনও আসনে জয়লাভ করতে পারেনি বিগত লোকসভা নির্বাচনে।

উত্তরপ্রদেশে মোট ৭ দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামী ১১ই এপ্রিল থেকে ১৯শে মে পর্যন্ত। ভোট গননা এবং ফলাফল ঘোষণা হবে আগামী ২৩শে মে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
উত্তরপ্রদেশে চরম অসম্মানজনক প্রস্তাব মহাজোটকে, ক্রুদ্ধ অখিলেশ মায়াবতী https://thenewsbangla.com/mayabati-and-akhilesh-yadav-angry-on-rahul-gandhis-congress/ Mon, 18 Mar 2019 10:48:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8709 আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গঠন করেছে অখিলেশ যাদবের এসপি, মায়াবতীর বিএসপি ও অজিত সিংয়ের রাষ্ট্রীয় লোকদল। ৮০টি লোকসভা আসন বিশিষ্ট উত্তরপ্রদেশে এসপি, বিএসপি ও আরএলডির মধ্যে আসনরফা হয়েছে যথাক্রমে ৩৮, ৩৭ এবং ৩ টি আসনে। কংগ্রেসের সাথে জোট না হলেও রায়বেরেলি ও আমেঠির আসন দুটি ছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের জন্য।

সম্প্রতি বিভিন্ন সংস্থার ভোটের আগের সমীক্ষায় দেখা দিয়েছে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ শিবির পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক দল হিসেবে একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের জন্য বিজেপির প্রধান বাধা উত্তরপ্রদেশ। ফলে ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পুনরাবৃত্তি নাও হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

এদিকে এককভাবে কংগ্রেস অনেক পিছিয়ে থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের জন্য মহাজোটই ভরসা কংগ্রেসের। একমাত্র উত্তরপ্রদেশ সমস্ত হিসেব নিকেশ বদলে দিতে পারে। সেই সম্ভাবনা থেকে উত্তরপ্রদেশে এসপি, বিএসপি ও আরএলডির সাথে জোট ঘোষণা করেই একসাথে এগোতে চাইছে কংগ্রেস, যাতে কিছুতেই বিজেপি জায়গা না পায়।

কিন্তু জোট প্রস্তাবে উত্তরপ্রদেশের বড় দুই দল এসপি ও বিএসপিকে যে আসন ছাড়ার প্রস্তাব কংগ্রেস দিয়েছে, তাতে চরম অসন্তুষ্ট অখিলেশ ও মায়াবতী। কংগ্রেস নিজেদের জন্য ৭৩ টি আসন রেখে বাকি ৭ টি আসন এসপি, বিএসপি ও আরএলডিকে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

আর তাতেই বেজায় চটেছে অখিলেশ ও মায়াবতী। মায়াবতী জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেস চাইলে তারা নিজেরা ৮০ টি সিটেই লড়াই করতে পারে। কংগ্রেসের সাথে তাদের জোটের দরকার নেই। এসপি, বিএসপি ও আরএলডি মিলেই বিজেপিকে হারানোর ক্ষমতা রাখে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মায়াবতী।

বিজেপিকে হারাতে যেভাবে জোটে অংশগ্রহনকারী দলগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারছে না এবং নিজেরাই নিজেদের জমি ছাড়তে নারাজ, তাতে লাভের গুড় যে বিজেপির ঝুলিতে যাবে, তাতেই সীলমোহর দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

শেষ পর্যন্ত যে কোনরকমে উত্তরপ্রদেশে মহাজোট হচ্ছে না সেটা এখন পরিষ্কার। এখন ত্রিপক্ষের লড়াইয়ে উত্তরপ্রদেশ কার হয় সেটাই দেখার। উত্তরপ্রদেশে বেশি আসন মানেই যে দেশের ক্ষমতা দখলে দিকে এককদম এগিয়ে যাওয়া জানে কংগ্রেস, বিজেপি সহ সবাই।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
লোকসভা ভোটে টিকিট না পেয়ে আত্মহত্যার অভিনয় বিধায়কের https://thenewsbangla.com/andhra-pradesh-mla-pretends-to-slit-wrist-for-being-denied-election-ticket/ Mon, 18 Mar 2019 09:50:29 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8697 আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষন বাছাইয়ের পর শুরু হয়েছে বিভিন্ন দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা। আর প্রার্থী তালিকা ঘোষনার পরেই বিভিন্ন দলের টিকিট না পাওয়া নেতাদের ক্ষোভ বাড়তে শুরু করেছে। চলছে দল বদলের পালাও। এবার টিকিট না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেসের এক বিধায়ক।

বিধায়কের নাম সুনীল কুমার। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তিনি ভোটে লড়ার টিকিট পাবেন বলে প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু তিনি আগেই খবর পান যে এবার তাকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। আর তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। দলীয় প্রধানের কাছে আত্মহত্যার চেষ্টার ভিডিও পাঠিয়ে দেন।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

সোশ্যাল মিডিয়ায় সুনীল কুমার হাতের শিরা কাটার একটি ভিডিও আপলোড করে দেন। ভিডিওটিতে তাকে দলের প্রধান জগন মোহন রেড্ডির উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, তিনি ৫ বছর দলের সাথে থাকা সত্ত্বেও তাকে দলের তরফে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে উপযুক্ত জবাব দিতে চান নিজের আত্মহত্যার মাধ্যমে।

আরও পড়ুনঃ ভারত-পাক ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই কি কারণে বন্ধ হল

আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও তার আঘাত তেমন গুরুতর নয়। অনেকে বলছেন, দলের প্রধানকে ব্ল্যাকমেল করতেই তিনি পুরোটাই অভিনয় করছেন।

সম্প্রতি অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম পার্টির সাথে তার সখ্যতা বাড়ছিল বলে সূত্রের খবর। তার ফলেই দলের তরফে তাকে টিকিট দেওয়া হয়নি। আর তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেন ঐ বিধায়ক।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

কিন্তু বিধায়কের এই আত্মহত্যার চেষ্টা বা আত্মহত্যার ভিডিও দেখিয়ে ব্লাকমেলের চেষ্টা শোরগোল ফেলে দিয়েছে গোটা দেশে। টিকিট না পেয়ে দল ছাড়া থেকে শুরু করে অনেক কিছুই করেছেন নেতারা। তবে হাতের শিরা কেটে লোকদেখানোর চেষ্টা ভারতীয় গণতন্ত্রে এই প্রথম বলেই জানাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী https://thenewsbangla.com/narendra-modi-replies-to-rahul-gandhi-terms-himself-as-chowkidar/ Sat, 16 Mar 2019 08:07:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8580 শনিবার সকালে নিজেকে চৌকিদার বলে একটা টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি টুইটে বলেন, ‘তোমাদের চৌকিদার শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে দেশ চালাচ্ছে।’ আর এই চৌকিদারকেই ফের ভোট দেবার আর্জি জানান তিনি। ওই টুইটেই ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী।

দেখে নিন মোদীর টুইটঃ

ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী/The News বাংলা
ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী/The News বাংলা

২০১৮ সালের শেষের দিকে রাজস্থানের দুঙ্গারপুরে এক জনসভায় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে বলেন, “গলি গলি মে শোর হে, হিন্দুস্তান কা চৌকিদার চোর হে”। তারপর এটাই প্রায় প্রবাদে পরিণত করে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটেও এটাকেই হাতিয়ার করেছে কংগ্রেস। তার উত্তরে, “ম্যায় ভি চৌকিদার হু” এটাকেই তুলে ধরছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ মমতারই পুরোনো অস্ত্রে তাকে ভোটযুদ্ধে চরম সমস্যায় ফেললেন মুকুল

রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নারেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ভারতের বিমানবাহিনীর ৩০ হাজার কোটি টাকা চুরির অভিযোগ এনেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে মোদী ভারতের হিন্দুস্তান আইরোনেটিক্স লিমিটেড(এইচএএল) বা হ্যালকে দায়িত্ত্ব না দিয়ে শিল্পপতি অনিল আম্বানিকে দিয়ে দেন। বিমানের দাম অনেক বাড়িয়ে অনিল আম্বানিকে ৩০ হাজার কোটি টাকা পাইয়ে দেন মোদী।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ২০১৬ সালে ফ্রান্সের সঙ্গে ৫৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয় ভারতের। ওই অর্থে ৩৬টি যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি হয়। ওই চুক্তিতে নয়ছয়ের অভিযোগ করে কংগ্রেস। তারপরেই “চৌকিদার চোর হে”, স্লোগান দেন রাহুল।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

সেই কটাক্ষের উত্তরেই যে এই টুইট, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। টুইটের শেষ ভাগে নারেন্দ্র মোদী লিখেছেন, “তবে আমি একা নই। দেশের সব মানুষ, যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছে তারা সকলেই দেশের চৌকিদার। যারা দেশটা কে ভালো করার চেষ্টা করছে তারাও চৌকিদার। এখন দেশের প্রত্যেকটা মানুষ বলছে, আমি চৌকিদার” ।

আরও পড়ুনঃউত্তরপ্রদেশে মহাজোটে সামিল বিজেপিও

এর আগেও নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশের গাজীপুরে রাহুল গান্ধীর কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, এই চৌকিদার একদিন চোরদের উপযুক্ত ঠিকানায় পাঠাবে। জনসমাবেশে সাধারণ মানুষকে তার উপর ভরসা রাখতে বলেছিলেন বার বার।

শনিবার, সেই জবাব প্রকাশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইট করে জানান প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। টুইটের শেষে তিনি #MainBhiChowkidar হ্যাশট্যাগও দেন। বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, #MeinBhiChowkidar হতে পারে ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিজেপির স্লোগান এবং ভোট প্রচারের ক্যাম্পেনের এক হাতিয়ার। এই হাতিয়ার অবশ্য ইতিমধ্যেই মানুষকে আকৃষ্ট করেছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই, অন্য দল থেকে আসা নেতার ভরসায় দিলীপ https://thenewsbangla.com/no-worthy-candidates-in-bengal-bjp-says-dilip-ghosh/ Fri, 15 Mar 2019 11:49:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8533 “আমাদের ৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই”, শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে স্বীকার করেই নিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ৪২ টি কেন্দ্রে বিজেপির যোগ্য প্রার্থী নেই, তাই অন্য দল থেকে আসা সাংসদ, বিধায়ক বা অন্যান্য হেভিওয়েটদের নিয়ে ভোট লড়বে বিজেপি, এই মন্তব্যই করলেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের মন্তব্যেই শেষ পর্যন্ত শিলমোহর দিলেন দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের নাম যেভাবে রাজ্যের নামে চালানো হচ্ছে এবং কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ কীভাবে হাইজ্যাক করছে তৃণমূল, সেই বিষয়ে সরব হন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল গড়ার টাকা দিচ্ছে মোদী সরকার, নাম হচ্ছে মমতা সরকার এর।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, দীনেশ ত্রিবেদীকে ২ লাখ ভোট জেতাব

রাজ্যের অপশাসন, তৃণমূলের দলীয় বিশৃঙ্খলা, লাগামহীন সন্ত্রাস, দুর্নীতি; এই সব ইস্যুতেই তৃণমূলকে এক হাত নেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে ভয় পাচ্ছেন। তাই জোরপূর্বক মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছেন তিনি।

বুধবার নির্বাচন কমিশনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে স্পর্শকাতর ঘোষনার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব। তার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ২ দিনের অবস্থান বিক্ষোভ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এই পদক্ষেপকেও কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

এরপরেই তাকে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং অন্য দল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি অকপটে স্বীকার করেন, ৪২টি কেন্দ্রে আসন দেওয়ার মতো প্রার্থী তাদের নেই। এক্ষেত্রে তাদের নির্ভর করতে হবে অন্য দল থেকে আসা নেতাদের ওপর। যোগ্য নেতার অভাবে ভুগছে দল, স্বীকার করে নিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের মধ্যে এই প্রশ্ন বরাবরই ছিল যে, রাজ্য বিজেপির হয়ে হাল ধরার মতো উল্লেখযোগ্য নেতার উপস্থিতি নেই। উল্টে হাতে গোনা নেতারাই বারবার জড়িয়েছেন দলীয় কোন্দলে। এমনকী অন্য দল থেকে আসা নেতাদেরও কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে দিলীপ ঘোষের গলায়। এই অবস্থায় ভোটের মুখে দিলীপ ঘোষের মুখে উঠে এল অন্য দল থেকে আসা নেতাদের ওপর নির্ভরশীলতার কথা।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

দক্ষিনপন্থী আদর্শে লালিত দল বিজেপি অন্য দল থেকে আসা নেতাদের নির্ভরশীলতায় কতটা আসন ঘরে তুলতে পারবে, তা যদিও ভোটেই প্রমানিত হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ যদিও ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, আদর্শের বিচার পরে হবে, আপাতত যেনতেন প্রকারেন ক্ষমতা দখলই লক্ষ্য।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>