Left Front – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 24 Jun 2022 04:40:16 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Left Front – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলা বেহাল, বাম জামানাতেও বেআইনি নিয়োগ, দুর্নীতির দায়ে চাকরি গেল ৬১৪ জনের https://thenewsbangla.com/bengal-corruption-left-front-recruitment-scam-614-people-lost-govt-jobs-sat-order/ Fri, 24 Jun 2022 04:38:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15700 বাংলা বেহাল, বাম জামানাতেও বেআইনি নিয়োগ; দুর্নীতির দায়ে চাকরি গেল ৬১৪ জনের। এসএসসিতে নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি কাণ্ডে; সরগরম গোটা রাজ্য। ইতিমধ্যেই এই মামলায়; চাকরি গিয়েছে বেশ কয়েকজনের। এসএসসি ছাড়াও টেট দূর্নিতি কাণ্ডে চাকরি খোয়াতে হয়েছে; আরও ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকাকে। চাকরি নিয়ে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে, এই ধরনের নানা অভিযোগ উঠছে; সেই সময় নতুন করে চাকরি খোয়ালেন ৬১৪ জন। আর এদের সবার নিয়োগ হয়েছিল বাম আমলে।

তৃণমূল আমলে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে, হইচইয়ের মধ্যেই এবার; বাম জমানার সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতি প্রকাশ্যে। বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে, ৬১৪ জন সরকারি কর্মীকে; বরখাস্ত করার নির্দেশ দিল স্যাট। তাদের এইভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে, একপ্রকার প্রমাণ হল; বাম জামানাতেও চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ অগ্নিবীর হতে চান, ফর্ম ফিলাপ করবেন, কোন পদে কী যোগ্যতা জেনে নিন এখনই

সিপিএম আমলে খাদ্য দফতরে ইন্টারভিউয়ের নামে প্রহসন করে; ‘গ্রুপ ডি’ পদে ৬১৪ জনকে নিয়োগ করেছিল। এই মামলায় হাইকোর্টও একটি পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল; এখানে নিয়োগের নামে প্রহসন হয়। কলকাতা হাইকোর্টের ওই পর্যবেক্ষণকে ভিত্তি করেই; স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল তথা স্যাট রায় দিয়েছে; ২০১০ সালে নিয়ম ভেঙে যে ৬১৪ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাদের প্রত্যেককেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ মানুষের জন্য নয়, শুধু রাজ্যপালকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরাতেই একের পর এক বিল মমতার

বরখাস্ত করার জন্য, ৮ সপ্তাহের সময়সীমাও; বেঁধে দিয়েছে স্যাট। যে সিলেকশন বোর্ড এই ৬১৪ জনকে বাছাই করেছিল; তার সদস্যদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে বলেছে স্যাট। ২০০৮ সালে ‘গ্রুপ ডি’ পদে নিয়োগের জন্য; রাজ্য খাদ্য দফতর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়ে; ২০১০ সালে ৬১৪ জনকে নিয়োগ করা হয়। এই নিয়োগের বিরুদ্ধে, প্রথমে হাইকোর্টে; ও পরে ২০১২ সালে স্যাটে মামলা হয়েছিল।

স্যাট মামলাটিকে ফের হাইকোর্টে পাঠায়। ২০১৬ সালে হাইকোর্টে তৎকালীন বিচারপতি নিশীথা মাত্রের বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ দেয়; একদিনে ৮০০ জনের ইন্টারভিউ নিয়ে নিয়োগ করা একটা প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়। হাইকোর্ট মামলাটি আবার স্যাটে ফেরত পাঠায়। এবার যুগান্তকারী রায় দিল স্যাট।

]]>
‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতি, চাকরি গেল সিপিএম নেতার মেয়েরও https://thenewsbangla.com/tmc-left-setting-primary-tet-scam-cpm-leader-daughter-dismissed-from-primary-teacher-job/ Thu, 16 Jun 2022 07:10:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15491 ‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতে চাকরি গেল; ‘দাপুটে’ সিপিএম নেতার মেয়েরও। দুর্নীতির বাজারে, ক্ষমতা চলে গেলেও কি; বাগিয়ে নিয়েছে সিপিএম? উঠে গেল প্রশ্ন। ২০১৪র প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে; ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই তালিকায় অদ্ভুত-ভাবে রয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের একসময়ের দাপুটে সিপিএম নেতার মেয়ের নাম। কীভাবে চাকরি? তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দলন; আর তলায় তলায় নিজেরাও সেই দুর্নীতিতে যুক্ত; অভিযোগ এমনটাই।

২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করার পাশাপাশি, ২০১৪র প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায়; সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২৬৯ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের পদ থেকে বরখাস্ত, বেতন বন্ধ ও বেতন ফেরতের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বরখাস্তের সেই তালিকায় রয়েছে, কালনার ‘দাপুটে’ সিপিএম নেতা ও কালনা পুরসভার দুবারের প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর; বীরেন্দ্র বসু মল্লিকের মেয়ে বৈশাখী বসু মল্লিকের নামও। আর সিপিএম নেতার মেয়ের নাম নিয়েই; শুরু হয়েছে চরম রাজনৈতিক চাপানউতোর। সূত্রের খবর, ২৬৯ জনের তালিকায় রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ১৭ জনের নাম; সেই তালিকার ২ নম্বরে নাম রয়েছে বীরেন্দ্র বসু মল্লিকের মেয়ে বৈশাখী বসু মল্লিকের নামও।

আরও পড়ুনঃ পিএসসি-তে নিয়োগ কয়েকহাজার, প্রকাশিত নামের তালিকা, ‘মামলার আ’শঙ্কা’

একসময়, বামপন্থী সংগঠন All Bengal Primary Teachers Association-র পূর্ব বর্ধমানের পদাধিকারীও ছিলেন; সিপিএম নেতা বীরেন্দ্র বসু মল্লিক। তাঁর স্ত্রীও; একসময় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দাপুটে নেত্রী ছিলেন। এদিকে বৈশাখীর স্বামীও আবার প্রাইমারি শিক্ষক; যিনি আবার ২০১৫ সালে সিপিএমের হয়ে পুরভোটেও লড়েন। তাহলে কি তৃণমূল জমানায় দুর্নীতিতে; যোগ রয়েছে সিপিএমেরও? উঠেছে প্রশ্ন। বৈশাখী বসু মল্লিকের স্বামী শুভাশিস সরকার বলেন; “এটা কোর্টের বিষয় আমি কিছু বলতে পারব না; আমার স্ত্রী এখন বাইরে আছে”।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে, কালনার ধাপাসপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের; শিক্ষিকা পদে যোগ দিয়েছিলেন বৈশাখী বসু মল্লিকে। আদালতের নির্দেশে তাঁরও চাকরি গেছে, বিষয়টি জানাজানি হতেই যথেষ্ট শোরগোল ছড়িয়েছে কালনা শহর জুড়ে। সিপিএম নেতার মেয়ের চাকরি পাওয়া এবং বরখাস্ত হওয়ার ঘটনাকে; অ’স্ত্র করেছে তৃণমূলও। কালনার তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেন; “শুধু তৃণমূলের লোকেরা চাকরি পেয়েছে বলে বিরোধীরা যে দাবি তোলে; তা যে ঠিক নয়, এই ঘটনাই তার প্রমাণ”।

“সিপিএম নেতারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাজার কাঁপাচ্ছে; অন্যদিকে দুর্নীতি করে নিজের ছেলেমেয়েদের চাকরিতে ঢুকিয়ে দিচ্ছে, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে”; দাবি কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায়ের। এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ; পূর্ব বর্ধমান জেলার সিপিএম নেতৃত্ব থেকে এবিপিটিএ কর্তৃপক্ষ। কালনা শহরের এরিয়া কমিটির সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন; “পার্টিতে যেই থাকুক না কেন; দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হলে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। সে যে দুর্নীতি করত না; সেটাও প্রমাণ করার দায়িত্ব তাঁর”।

]]>
প্রচারেই প্রার্থীকে মারধর বাংলায়, কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথায় উঠছে প্রশ্ন https://thenewsbangla.com/tmc-goons-attacks-left-front-candidates-in-asansol-diamond-harbour/ Tue, 09 Apr 2019 17:40:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10413 মঙ্গলবার রাজ্যের দুটি লোকসভা কেন্দ্র আসানসোল এবং ডায়মন্ড হারবারের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী যথাক্রমে গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি এবং ডা. ফুয়াদ হালিম নির্বাচনী প্রচারের সময় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীবাহিনীর হাতে আক্রান্ত হয়েছেন। বামেদের তরফ থেকে এমন অভিযোগ ভিডিও দিয়ে জমা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের দফতর।

আরও পড়ুনঃ ছত্তিশগড়ে বিজেপি নেতার কনভয়ে ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলায় মৃত বিধায়ক সহ ছয়

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বাম প্রার্থীদের এলাকায় না ঢোকার হুমকি দিচ্ছে একদল দুষ্কৃতী। এরপর রীতিমত মারধর করা হয় দুই প্রার্থীকেই। মারধর করা হয় প্রার্থীদের সঙ্গে থাকা কর্মী সমর্থকদের। দুই ক্ষেত্রেই আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে মহাজোটের ভরাডুবির আশঙ্কা, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

মঙ্গলবার সকালে আসানসোলের বারাবনীর মদনপুর গ্রামে পুলিশ প্রশাসনকে আগাম অবহিত করে নির্বাচনী প্রচারের সময় গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জির ওপরে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত কয়লা মাফিয়াদের বাহিনী আক্রমণ চালায়। অভিযোগ বামেদের। এই ঘটনায় প্রার্থী গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি সহ ছয়জন সিপিআই(এম) নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর জীবনী নিয়ে ফিল্ম রিলিজ আটকানোর মামলা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

এদিনই দুপুরে ডায়মন্ড হারবারের ফলতায় ডা. ফুয়াদ হালিমকে প্রচারে বাধা দিতে রাজ্যের শাসকদলের দুষ্কৃতীবাহিনী হামলা চালিয়েছে। অভিযোগ বামেদের। এখানেও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একদল দুষ্কৃতী প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছে ও মারধর করছে।

আরও পড়ুনঃ ৩৭০ ধারা বিলোপ হলে ভারত থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি ফারুক আবদুল্লাহর

প্রার্থীসহ সাতজন সিপিআই(এম) নেতাকর্মী আহত হন সেখানে। ডায়মন্ড হারবারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর জয় সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে ধারাবাহিক মরিয়া আক্রমণ চালাচ্ছে শাসকদলের দুষ্কৃতী বাহিনী। এমনটাই অভিযোগ বামেদের। তবে বামেদের উপর আক্রমণের ঘটনায় তাদের কোন কর্মীর কোন যোগ নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

গতকাল সোমবার পুলিশ প্রশাসনকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে শাসকদলের হামলা সম্পর্কে আশঙ্কার কথা আগাম জানানো সত্ত্বেও ফলতায় এদিনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে সোমবার বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই প্রার্থী পল্লব সেনগুপ্তকেও গাড়ি থামিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা খুনের হুমকি দিয়েছে। প্রচারে এলে লাশ ফেলে দেবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বামেদের তরফে অভিযোগ জমা পরেছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।

আরও পড়ুনঃ কেন গ্রেফতার করা হবে না, রাজীব কুমারকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র জানিয়েছেন, “বামফ্রন্ট প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও আক্রমণের ঘটনাগুলি প্রমাণ করছে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কতটা দুর্বল ও মরিয়া হয়ে গেছে। আমরা সিপিআই(এম) এর পক্ষ থেকে শাসকদলের দুষ্কৃতীদের এই সব আক্রমণের তীব্র নিন্দা করছি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ার পরে প্রচারকালে প্রার্থীদের ওপরে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকরী ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি”।

আরও পড়ুনঃ তিন তালাকের ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ অনুচিত, বলছেন মুসলিম মহিলারা

যেহেতু পুলিশ প্রশাসনকে বামফ্রন্ট প্রার্থীদের প্রচার কর্মসূচীগুলি সম্পর্কে আগাম অবহিত করার পরেও উপরোক্ত আক্রমণের ঘটনাগুলি ঘটেছে, তাই এর জন্য বামেদের তরফ থেকে দায়ী অফিসারদের চিহ্নিত করে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। বামফ্রন্ট প্রার্থীদের ওপরে শাসকদলের আক্রমণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আগামীকাল বুধবার রাজ্যের সর্বত্র নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচীর সঙ্গে যুক্ত করে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করার আবেদন জানান হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয়দের বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাহুলের গুরু পিত্রোদা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
তৃণমূল বাম কংগ্রেস প্রচারে, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বলছেন ‘আর কবে’ https://thenewsbangla.com/tmc-left-congress-in-election-campaign-bjp-activists-still-waiting-for-candidates/ Wed, 20 Mar 2019 05:37:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8851 তৃণমূল বাম কংগ্রেস, ৩ দল প্রচারে, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বলছেন ‘আর কবে’। কলকাতা সহ রাজ্যের জেলায় জেলায় এখন এটাই প্রশ্ন, আর কবে? মঙ্গলবারও হল না। বুধবার বিকালে ফের প্রার্থী ঘোষণার আশা বিজেপির তরফ থেকে। তবে এখনও প্রার্থী না পাওয়ায় হতাশা গ্রাস করছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের।

রাজ্যে এবার চার দলের লড়াই। তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস ও বিজেপির মুখোমুখি লড়াই। বাকি তিন দল প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারেও নেমে পড়েছে। ঘরে বসে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জিজ্ঞাসা করছেন, আর কবে ঘোষণা হবে? কেউ কেউ হতাশ, ভোটের আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে তো! আর এতেই বাংলায় ২২ আসন জেতার বিজেপির দাবি যে ক্রমশই ফিকে হয়ে আসছে সেটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

মঙ্গলবার প্রথম কয়েক দফায় বিজেপি প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয় নি। আরও একবার পিছিয়ে গেল বিজেপির প্রার্থী তালিকা। মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রথম তিন দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল গেরুয়া শিবিরের। কিন্তু তা প্রকাশ করতে পারল না তারা। আর এতেই হতাশ রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েকদিন থাকবে, হুমকি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

ভোটের দিন ঘোষণার পরই গত রবিবার ১০ই মার্চ নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে বিজেপির প্রতিপক্ষ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জোট ভেঙে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাম কংরেসও। কিন্তু এখনও নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। আর এতেই বেজায় হতাশ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ভোটের আগে অনেকটাই পিছিয়ে পরলেন তারা, এমনটাই মনে করছে বিজেপি কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

ভোটের দিন ঘোষণার আগে থেকেই বাংলায় বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কিন্তু বুধবার সকাল পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হল না। তৃণমূল কংগ্রেস অনেক আগেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এমনকি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কংগ্রেস-সিপিএমও প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু যে গেরুয়া ব্রিগেডের উত্থানের জল্পনা রাজ্যজুড়ে, তারাই এখনও পর্যন্ত প্রার্থী দিতে পারল না বাংলায়।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

আংশিক প্রার্থীতালিকা অর্থাৎ প্রথম তিন দফার আসনগুলির প্রার্থীদের নাম ঘোষণার কথা ছিল মঙ্গলবার। কিন্তু এদিনও পিছিয়ে যায়। দিল্লির রাজনৈতিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্য বিজেপির নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই এদিন প্রকট হয়েছে। প্রার্থী নিয়ে কোন রাজ্য নেতার সঙ্গে কোন রাজ্য নেতার আর রাজ্য নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের মত একেবারেই মিলছে না বলেই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

আবার জানা গেছে, ভোটের আগে অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পণ্ডার মতো নেতাদের দলে যোগ দিয়েই টিকিট পাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। কলকাতায় রাজ্যে বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কাছেও এনিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন অনেক রাজ্য নেতা। তাঁরা দাবি করেছিলেন, সারাবছর যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা কেন টিকিট পাবেন না।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

সূত্রের খবর, দিল্লিতে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক পিছিয়ে গিয়ে বুধবার ফের বৈঠক হবে। বুধবার দুপুরে ফের রাজ্য নেতাদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বুধবার প্রথম তিন দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি ছিল, বাংলায় এবার ২২ টি আসন জিতবে বিজেপি। সেই দাবিও যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে না পেরে আসতে আসতে ফিকে হচ্ছে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কংগ্রেসের জন্য ৪টি আসন ছেড়ে ৩৮ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট https://thenewsbangla.com/left-front-announces-38-candidates-name-in-west-bengal-parliament-election/ Tue, 19 Mar 2019 11:57:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8812 কংগ্রেসের জন্য চারটি আসন ছেড়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট। শুক্রবার ২৫ টি ও মঙ্গলবার আরও ১৩ টি, মোট ৩৮ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট। বহরমপুর, জঙ্গিপুর, উত্তর মালদা ও দক্ষিন মালদা এই চারটি আসন ছেড়ে বাকি ৩৮ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসকে। জোট না হলে ওই চার আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করা হবে জানিয়ে দিয়েছেন বামফ্রন্ট সম্পাদক বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করলেন ‘সেন্সেশনাল’ মুনমুন

গত শুক্রবারই জোট সঙ্গী কংগ্রেসকে চাপে ফেলে ২৫ টি আসনে ২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেয় সিপিএম। তবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সঙ্গে আলোচনা করে নেন বিমান বসু। বাকি ১৭ আসনের মধ্যেও বামেরা কয়েকটায় প্রার্থী দেবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন বামফ্রন্ট সম্পাদক বিমান বসু। এরপরেই জোটে জট চলে আসে।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় ফের মোদী, ভোটের আগেই জানাচ্ছে সাট্টাবাজার

সোমবারই ১১ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় কংগ্রেসও। রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনে আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল আলিমুদ্দিন। এরপর ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা। বাকি ১৭ টির মধ্যেও আরও কয়েকটি আসনে বামেরা প্রার্থী দেবে ঘোষণা করায় বাংলায় বাম-কং জোট বিশ বাঁও জলে চলে যায়। সেই হিসাব মতই মঙ্গলবার আরও ১৩ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামেরা।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

সোমবার রাতেই প্রথম তিন দফার ১১ টি আসনের জন্য ১১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেয় কংগ্রেস। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ কংগ্রেসের তরফে দেশের বেশ কিছু লোকসভা আসনের সঙ্গে বাংলার ১১ টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

প্রথম তিন দফার ভোটে বাংলার ১১ জন কংগ্রেস প্রার্থী হলেন, কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়া রায়চৌধুরী, আলিপুরদুয়ারে মোহনলাল বসুমাতা, জলপাইগুড়িতে মণিকুমার দারনাল, দার্জিলিংয়ে শঙ্কর মালাকার, রায়গঞ্জ আসনে দীপা দাশমুন্সি, বালুরঘাটে আবদুস সাদেক সরকার, মালদহ দক্ষিণ আসনে আবু হাসেম খান চৌধুরী (ডালুবাবু), মালদহ উত্তরে ঈশা খান চৌধুরী, বহরমপুরে অধীর চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ আসনে আবু হেনা এবং জঙ্গিপুর আসনে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতা কি পাকিস্তানের কণ্ঠ, বিতর্কিত প্রশ্ন নিৰ্মলার

যে ১১ টি আসনে কংগ্রেস তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে তার অনেকগুলিতেই বামফ্রন্টও প্রার্থী দিয়েছে। জোট জটের শুরুতে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরির হস্তক্ষেপে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনের জট কেটেছিল ঠিকই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই দুটি আসনেও প্রার্থীদের নামে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। এর ফলে রায়গঞ্জে দীপা দাশমুন্সির দল ছাড়ার প্রসঙ্গও আপাতত চাপা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

বেশ কয়েকদিন ধরেই বাম-কং আলোচনা চলছিল আসন সমঝোতা নিয়ে। কিন্তু চূড়ান্ত হওয়ার আগেই গত শুক্রবার বামফ্রন্টের বৈঠকের পর রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ ২৫টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। একতরফা প্রার্থী ঘোষণাকে ‘অপমান’ হিসাবেই নিয়েছিল কংগ্রেস। সে দিনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, বাংলায় বাম-কং আসন সমঝোতা হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বাংলায় এগিয়ে তৃণমূল

এদিকে মঙ্গলবার বিকালে বাকি ১৭ টি আসনের মধ্যে ১৩ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট। কংগ্রেসের জেতা ৪ টি আসন ছেড়ে রেখে কংগ্রেসকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য। তবে জোট যে হচ্ছে না সেটা এখন পরিষ্কার। তবে বাম কং জোট ভাঙার দায় নিতে চাইছে না কোনপক্ষই।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বাংলায় এগিয়ে তৃণমূল https://thenewsbangla.com/tmc-ahead-of-all-parties-in-bengal-after-announced-the-candidates-list-much-earlier/ Tue, 19 Mar 2019 05:32:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8760 ভোটের আগেই কয়েক কদম এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ৪২ টি আসনেই একদিনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারেও নেমে পরেছেন সবাই। আর এখানেই অনেকটা এগিয়ে গেছে মমতার তৃণমূল।

প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপি এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে নি। এখনও ভরসা অন্য দল থেকে কবে বিক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আসবে দলে। এসে ভোটে দাঁড়াবে। প্রচার তো অনেক দূরে, প্রার্থীই ঠিক হয় নি গেরুয়া শিবিরের।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় চার দলের লড়াই, ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস

বাম-কং জোট করার অনেক চেষ্টা করে শেষে কিছু কিছু করে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে এখন। শুক্রবার বামেরা ২৫টি আসনে আর সোমবার রাতে কংগ্রেস মাত্র ১১ টি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে।

ভোটের মুখে বিজেপি, বাম ও কংগ্রেসের বেহাল দশা বুঝতে পেরেছে বাংলার আমজনতা। তাদের কাছেও বিরোধী দলগুলির হাল পরিষ্কার। পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী দিতে না দেবার অভিযোগ করা হয়েছিল শাসক দলের বিরুদ্ধে। এবার সেই অভিযোগও নেই। কারণ নিজেরাই প্রার্থী দিতে পারছে না বিরোধী দলগুলি। আর এভাবে সাধারণ মানুষের কাছে খুব একটা ভালো বার্তা যাচ্ছে না বিরোধী দলগুলোর তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

অন্যদিকে জেলায় জেলায় ভোটপ্রচার শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সেই আগের রবিবার থেকেই। প্রার্থী তালিকা প্রকাশে অনেক এগিয়ে থাকায়, প্রচারের ক্ষেত্রেও অনেকটাই এগিয়ে তৃণমূল। প্রথম দফার প্রচারের ক্ষেত্রে রাজ্যের শাসক দলের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি প্রার্থীরা। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের প্রার্থীরা প্রচারে বেরিয়ে পড়ে অনেকটাই এগিয়ে বিরোধী বাম-বিজেপি ও কংগ্রেস প্রার্থীদের চেয়ে।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় অনাস্থা, তৃণমূল বনাম বিজেপির জমজমাট লড়াই

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন উচ্চ নেতৃত্বর কাছে লিস্ট জমা পড়ে গেছে, আজকালের মধ্যেই বাংলায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে। বিজেপি রাজ্যের বিরোধী দল হিসাবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে আর তারা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করছে সবার শেষে। মঙ্গলবার ঘোষণা করলেও সেটা হবে তৃণমূলের প্রায় ১০ দিন পরে।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

বিরোধীদের প্রার্থী তালিকা নিয়ে সব জল্পনার মাঝে অনেকটাই এগিয়ে গেছে রাজ্যের শাসক দল। তৃণমূলের প্রার্থীরা দেওয়াল লিখন, কোথায় ফুটবল খেলে, কোথাও কোথাও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গেছে। কিন্তু অন্য রাজনৈতিক দল সেই তুলনায় লড়াই শুরুই করতে পারে নি।

কং বিজেপি এখনও ময়দানেই নেই। বামেরা কিছু জায়গায় প্রচার শুরু করেছে। কিন্তু গোটা রাজ্যেই অনেকটাই এগিয়ে ঘাসফুল শিবির। কারণ তৃণমূল ইতিমধ্যে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে অনেক আগেই।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

আর এখানেই বাজিমাত তৃণমূলের। লড়াই শুরুর আগেই অনেকটা এগিয়ে মমতা শিবির। এরপর প্রচার শুরু করে প্রার্থীর নাম লেখার দেওয়ালই পাবে না বিরোধীরা। ফলে বলাই যায়, ভোটের আগেই বিরোধীদের টেক্কা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই এগিয়ে যাওয়া আটকে ঘাসফুল শিবিরকে বিরোধীরা কতটা বেগ দিতে পারে সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের https://thenewsbangla.com/bengal-left-front-destroyed-thousands-of-breads-in-farmers-movement/ Thu, 27 Dec 2018 15:46:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4835 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ দেশ জুড়ে বেড়েছে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা। কংগ্রেস এর পর বিজেপি আমলেও কৃষকদের হাল ফেরেনি। এর প্রতিবাদে দেশ জুড়েই আন্দোলনে নেমেছে বাম কৃষক সংগঠনগুলি। বাংলাতেও সিঙ্গুরের পর এবার শিলিগুড়িতে কৃষক আন্দোলনে নামল বামেরা। তবে কৃষকদের সেই উত্তরকন্যা অভিযানে হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের।

আরও পড়ুন: ভিড়ে ঠাসা কলকাতা মেট্রোতে আগুন ও ধোঁয়া, অসুস্থ বহু

বাংলার কৃষকদের দাবী দাওয়া পুরণে মহারাষ্ট্রের ধাঁচে উত্তরকন্যা অভিযানে নামে বামপন্থি কৃষক সংগঠনগুলি। মহারাষ্ট্র, রাজস্থানের কায়দায় বাংলার সমস্ত কৃষকদের কৃষিঋণ মকুব, ফসলের ন্যায্যমূল্য, চা শ্রমিকদের নুন্যতম বেতন সহ একাধিক দাবিতে বামপন্থি কৃষক সংগঠনগুলি, সারা ভারত ক্ষেত মজদুর ইউনিয়ান ও কৃষক সভার নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির উত্তরকন্যা অভিযান করল গোটা উত্তরবঙ্গের কৃষক ও মজদুররা।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের/The News বাংলা
হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের/The News বাংলা

আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: ভোটের আগে বাংলার বিখ্যাত সাংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ‘সরকারি’ সন্ধি মমতার

উত্তরবঙ্গের ৬টি (মালদহ বাদে) জেলার প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ থেকে কয়েক হাজার কৃষক প্রথমে মহানন্দাঘাটে এসে জমায়ত হয়। এরপর সেখান থেকে একটি মিছিল করে এয়ারভিউ মোর থেকে শুরু হয়ে তিনবাত্তি মোড়ে এসে শেষ হয়। মিছিলে যোগ দেন প্রায় কয়েক হাজার কৃষক, শ্রমিক, মজুদুর সহ সাধারণ মানুষ। শুরু হয় উত্তরকন্যা অভিযান। তবে উত্তরকন্যা ঢোকার আগেই তিনবাত্তি মোড়ে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয়।

আরও পড়ুনঃ ৫ দিন বন্ধ ব্যাঙ্ক, উৎসবের সময় চরম সমস্যায় আমজনতা

এদিন সমাবেশের মাঝেই সেখানে প্রত্যেক কৃষক, মজদুরকে রুটি ও আলুর দম খাওয়ানো হয়। এরজন্য বুধবার রাতে শহরের বাড়ি বাড়ি থেকে রুটি ও তরকারী সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু বিরোধীদের দাবি, সমাবেশ শেষে দেখা যায় প্রচুর রুটি নষ্ট করেছে কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, প্রায় এক ট্রাক রুটি ও তরকারী ডাম্পিং গ্রাউন্ডের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের/The News বাংলা
হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

এছাড়া যত্রতত্র অসংখ্য রুটি পড়ে থাকতেও দেখা যায়। সেটা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন ওঠে যেখানে কৃষকদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আন্দোলন, সেই আন্দোলনে কৃষকরা এভাবে আনাজের অপচয় করছে কিভাবে? প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা কেষ্ট পাল বলেন, “অনেক রুটি বেচে গেছে। তা ফেলে দেওয়া হয়েছে। এক ট্রাক রুটি ডাম্পিং গ্রাউন্ডের ফেলতে নিয়ে গেছে”।

আরও পড়ুনঃ ‘রাজনীতিতে টিকে থাকতে গেলে তেল দিতেই হবে’ বিস্ফোরক তৃণমূল সাংসদ

এভাবে রুটি নষ্ট হওয়ায় তার মতো আরও মানুষের এক বক্তব্য, রুটিগুলো এভাবে ফেলে না দিয়ে তা গরীবদের মধ্যে বিলিয়ে দিতে পারত। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন সিপিএম নেতা মুকুল সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, রুটি দিতে গিয়ে কিছু রুটি পড়ে থাকতে পারে। কিন্তু এক ট্রাক রুটি নষ্ট হয়েছে সে কথা সত্যি নয়। এটা বিরোধীদের অপপ্রচার বলে দাবি তার।

হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের/The News বাংলা
হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের/The News বাংলা

অন্যদিকে দার্জিলিং জেলা সিটুর সাধারন সম্পাদক সমন পাঠক বলেন, প্রায় ১ লক্ষ ৬০হাজার রুটি সংগ্রহ হয়েছে। অনেক দুর থেকে কৃষকসভা ও ক্ষেত মজদুর ইউনিয়নের কর্মীরা এই সমাবেশে যোগদান করতে এসেছেন। তাদের জন্য রুটি ও তরকারীর আয়োজন করা হয়েছিল। শহরের প্রচুর মানুষ রাতে রুটি ও তরকারী বানিয়ে দিয়েছেন। তবে ১০ হাজার কৃষক এর জন্য কেন প্রায় ১ লক্ষ ৬০হাজার রুটি সংগ্রহ করা হল, সেটাই প্রশ্ন।

আরও পড়ুন: লোকসভায় মোদীর তিল তালাক বিল বিতর্কে বিরোধিতায় কংগ্রেস বাম তৃণমূল

গত ২৯শে নভেম্বর সিঙ্গুর কিষাণ মার্চে লালঝান্ডার বর্ণময় স্রোত দেখেছিল পশ্চিমবাংলাসহ গোটা দেশ। এবার শিলিগুড়ি মহানগরও সাক্ষী হলো লালঝান্ডার জনস্রোতের। এদিন উত্তরবঙ্গের কৃষিজীবী মানুষ লাল ঝান্ডা নিয়ে সোচ্চার হলেন তাঁদের দাবিতে। বুধবার রাতে শিলিগুড়ির ৪৭টি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি ঘুরে রুটি এবং তরকারি সংগ্রহ করেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। অন্নদাতাদের এই অভিযানের শরিক হতে দুহাত ভরে সাহায্য এগিয়ে দিয়েছেন শিলিগুড়ির মানুষ।

আরও পড়ুন: নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ‘আজাদ লড়াই’কে সম্মান নরেন্দ্র মোদীর

পদযাত্রীদের হাতে সংগৃহীত লক্ষাধিক রুটি ও তরকারি তুলে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। কিন্তু এত রুটি প্রায় ১ লক্ষ ৬০হাজার রুটি কেন সংগ্রহ করা হল, সেটাই প্রশ্ন। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে, কৃষক আন্দোলনে এবার নতুন ইতিহাস বাংলার বামেদের। সত্যি কৃষকরা এত খাবার নষ্ট করে? রুটি রুজির লড়াই যারা করছেন তাঁরা নিজেরাই এত রুটি নষ্ট করলেন কি করে? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

]]>
বাংলায় উদ্বাস্তুদের নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করল বামফ্রন্ট https://thenewsbangla.com/left-front-started-the-movement-against-the-bjp-in-bengal-with-the-refugees/ Fri, 14 Dec 2018 13:28:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4186 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ এবার বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের নিয়ে আন্দোলন শুরু করল বামফ্রন্ট। রাজ্যে এনআরসি-র প্রশ্নে বাস্তুহারা পরিষদের মিছিলে বিজেপি-র বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করলেন সিপিএম নেতারা।

একটা সময় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা বামেদের প্রিয় স্লোগান ছিল, ‘কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’। এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সেই স্লোগান শোনা গেল শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের কন্ঠে। অসমের এনআরসির ছায়া যাতে পশ্চিমবঙ্গে না পড়ে সে কারনে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় বাস্তুহারা পরিষদকে পুনরায় জাগিয়ে শুক্রবার এক মিছিলের ডাক দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের হার রাফায়েলে সুপ্রিম কোর্টে জয় নরেন্দ্র মোদীর

মিছিলে বাগডোগড়া, নক্সালবাড়ি, ফাঁসিদেওয়া ও শিলিগুড়ির প্রচুর ইউসিআরসি কর্মীরা সমবেত হয়। সেখানে একটি সভা করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অশোক ভট্টাচার্য বিজেপি-কে উদ্দেশ্য করে এই স্লোগান দেন।

তার আরও বক্তব্য, দেশ স্বাধীন হবার পর প্রচুর মানুষ ওপার বাংলা থেকে ও পাকিস্তান থেকে এ দেশে এসেছে। তাদের বাসস্থান ও নাগরিকত্ব দেওয়ার দায়িত্ব ছিল তৎকালিন কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সরকারের। কিন্তু তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে নি বলে মেয়র অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির

পাশাপাশি তিনি কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে প্রশ্ন তোলেন, যদি পাকিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তুদের পঞ্জাব সরকার ও কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে তাহলে পশ্চিমবঙ্গে দেওয়া হল না কেন? তিনি সম্প্রতি অসমে এনআরসি চালু হওয়ার তীব্র প্রতিবাদ করে বলেন, বিজেপি হুমকি দিচ্ছে এ রাজ্যেও তারা ক্ষমতায় এলে এখানেও এনআরসি চালু করবে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল সরকার ঠিক করবে বিজেপি রথ যাত্রার দিন

তিনি বিজেপি-কে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিজেপি যদি এ রাজ্যে এনআরসি চালু করার চেষ্টা করে তাহলে ওদের হাত গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনোমতেই এ ধরনের আইন মানব না। বাংলায় এনআরসি চালু করতে এলে ওদের হাত গুড়িয়ে দেব’। তিনি দাবি করেন, প্রতিটি উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন ও নাগরিকত্বের অধিকার দিতে হবে। কোনোমতেই উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় এনআরসি চালু হলে রাজ্য ছাড়ার আশঙ্কায় আন্দোলন

দার্জিলিং জেলা বাম আহ্বায়ক জীবেশ সরকার বলেন, ‘এখন পুর্ব বাংলার মানুষ শুধু উদ্বাস্তু নয়। প্রতিদিন গরীব মানুষরা উদ্বাস্তু হচ্ছে। তিনি এশিয়ান হাইওয়ের উদাহরন দিয়ে বলেন, এশিয়ান হাইওয়ে হওয়ার সময় রাস্তার দুধারে বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এরাও এখন উদ্বাস্তু।

আরও পড়ুন: বিধায়কের গাড়িতে বোমা গুলির ‘শুট আউট’ এর তদন্তে সিআইডি

প্রতিটি কলোনীতে বসবাসকারীদের নিঃশর্ত জমির দলিল প্রদান সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মুল্য বৃদ্ধি রোধ করা ও অসমের উদ্বাস্তুদের ওপর নাগরিক পঞ্জিকরনের নামে তান্ডব বন্ধ করার দাবী জানিয়ে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় বাস্তুহারা পরিষদের ডাকে শুক্রবার এক মহা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়।

এদিন কয়েক হাজার কলোনিবাসি এই মিছিলে সামিল হয়। মিছিলটি শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে শুরু করে এয়ারভিউ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। তবে বাংলার বাকি জনতা বাংলাদেশী উদ্বাস্তুদের নিয়ে সিপিএমের এই আন্দলনকে কতটা সমর্থন করবেন সেটাই দেখার।

]]>
‘সফল’ কৃষক মিছিলে শুরু ব্রিগেড ও লোকসভার প্রস্তুতি https://thenewsbangla.com/the-successful-kisan-rally-of-left-front-for-preparations-of-brigade-and-lok-sabha/ Thu, 29 Nov 2018 16:13:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3315 The News বাংলা, কলকাতা: একটি কৃষক মিছিল আর সেটাকে কেন্দ্র করেই ফের লড়াইয়ে ফিরতে চাইছে বাংলা বামফ্রন্ট। লোকসভা ভোট ও আসন্ন ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতি হিসাবে কৃষক মিছিল হাসি ফুটিয়েছে বাংলার বাম নেতাদের মুখে।

এপ্রিল মে-তেই দেশে লোকসভা ভোট। আর বামেরা বাংলায় মূল লড়াই শুরু করছে আগামী ৩রা ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশ এর মধ্যে দিয়ে। আর সারা ভারত কৃষকসভা ও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে কৃষক মিছিল এই দুটির প্রস্তুতির শুরু বলে মনে করা হচ্ছে। আর দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বামেদের শুরুটা ভালো হল, বলছে রাজনৈতিক মহল।

Singur Kisan March/The News বাংলা
Singur Kisan March/The News বাংলা

বুধবার সিঙ্গুরের রতনপুর মোড় থেকে সকাল এগারোটা নাগাদ শুরু হয়েছিল সিপিএমের কৃষক সংগঠনের কলকাতামুখী মিছিল। কৃষক-খেতমজুরদের রাজভবন অভিযানের এই কর্মসূচিতে খুশি সিপিএম নেতৃত্ব। বস্তুত এই মওকায় ৩ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডের মহড়াও হয়ে গেল বলেই মনে করছে আলিমুদ্দিন।

আরও পড়ুনঃ সিঙ্গুরের মাটি থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু বামেদের

কৃষকসভার সম্পাদক অমিয় পাত্রর কথায়, ‘পালাবদলের পর এটাই সম্ভবত সংগঠনের সবচেয়ে বড় মিছিল’। সিঙ্গুরে শিল্প গড়ে তুলতে গিয়েই তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে ভূপতিত হয়েছিল সিপিএম। আর তাই সেই সিঙ্গুর থেকেই মিছিল শুরু করে বামেরা।

সারা ভারত কৃষকসভা ও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে কৃষকের ফসলের ন্যায্য দাম ও শিল্পের দাবিতে বুধবার সকালে শুরু হওয়া সিঙ্গুর থেকে রাজভবন পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার পদযাত্রা এদিন রানী রাসমনি রোডে বিশাল সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

Singur Kisan March/The News বাংলা
Singur Kisan March/The News বাংলা

বুধবার সকালে সিঙ্গুর রতনপুর মোড়ে এই পদযাত্রার সূচনা করেন সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। ১০হাজারের বেশি কৃষক ও খেতমজুর বুধবার ১৯ কিলোমিটার পথ হেঁটে ডানকুনিতে শেষ করেন প্রথমদিনের পদযাত্রা।

আরও পড়ুনঃ সাসপেন্ড ১১, বিষ মদে মানুষ মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১১

বৃহস্পতিবার সকালে বালিঘাট থেকে আবার শুরু হয় দ্বিতীয়দিনের পদযাত্রা। হাওড়া ব্রিজ পেরিয়ে মহানগরে ঢোকে লাল স্রোত। এদিকে কলকাতার এই সমাবেশে হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশন থেকে মিছিল করে ‌আসেন অসংখ্য মানুষ।

এদিন সমাবেশে কৃষকনেতারা বলেন, ‘কৃষকদরদী সেজে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে সরকারে আসার পর সাড়ে ৭ বছরে ১৮৭ জন কৃষক দেনার জ্বালায় আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন’। তাঁদের নাম, ঠিকানা সহ তালিকা কৃষকসভার কাছে আছে।

Singur Kisan March/The News বাংলা
Singur Kisan March/The News বাংলা

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সারা ভারত কৃষকসভার রাজ্য সভাপতি নৃপেন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন সারা ভারত কৃষকসভার রাজ্য সম্পাদক অমল হালদার, সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক অমিয় পাত্র ও রাজ্য সভাপতি তুষার ঘোষ। মিছিলেও হাঁটেন সিপিএম-এর সূর্যকান্ত মিশ্র, অমল হালদার সহ অন্যান্য নেতারা।

আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশকারীদের সরকারী সুবিধা থেকে বঞ্চিত করতে বাংলায় এনআরসি-র দাবি

প্রায় আঠারো থেকে কুড়ি হাজার মানুষ সামিল হন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলে। দুপুরে এই লং মার্চ পৌঁছায় রানী রাসমণী রোডে। সেখানে মূল জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় বক্তব্য রাখেন সূর্যকান্ত মিশ্র সহ সিপিএম-এর অন্যান্য নেতারা।

Singur Kisan March/The News বাংলা
Singur Kisan March/The News বাংলা

সেখানেই সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র তৃণমূল সরকারের তুমুল সমালোচনা করেন। পাশাপাশি বিজেপি-কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি সূর্য্যকান্ত মিশ্র।

“বিজেপি রথ বার করছে আর তৃণমূল কার্নিভাল করছে। বেকারদের কাজ, কৃষকদের সমস্যা ও খেতমজুরের কাজ নিয়ে মোদী এবং দিদির কোনো মাথাব্যথা নেই, লড়ছেন একমাত্র বামপন্থীরাই”। বৃহস্পতিবার রাণী রাসমণি রোডের কৃষক সমাবেশে একথাই বলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।

আরও পড়ুনঃ পাপ ঢাকতে শিশু বলিদান, জন্মেই অনাথ শিশুরা অসহায়

সব মিলিয়ে ‘সিঙ্গুর কৃষক মার্চ’ লোকসভা ভোটের আগে উজ্জীবিত করল বামেদের। এই সমাবেশের পর, ভরা ব্রিগেড সমাবেশ থেকেই যে তাঁরা লোকসভা ভোটে ঝাঁপাতে পারবেন সেই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই বাম নেতাদের। আর এর পুরো কৃতিত্বটাই সারা ভারত কৃষকসভা ও সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়নের।

]]>