Lalbazar – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 21 Jun 2022 05:29:37 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Lalbazar – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 নতুন ‘উপদ্রব’ রোদ্দুর রায়, জেলের ‘দাগি কয়েদী’রাও ভয়ে কাঁপছে https://thenewsbangla.com/roddur-roy-song-and-moxa-renaissance-irritating-others-in-lalbazar-central-lock-up/ Tue, 21 Jun 2022 05:11:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15584 নতুন ‘উপদ্রব’ রোদ্দুর রায়; জেলের ‘দাগি কয়েদী’রাও ভয়ে কাঁপছে। ‘এই বুঝি শুরু হল রোদ্দুরের গান’! তাও আবার গালা’গালে ভরা! ভয়ে কাঁপছে লালবাজারের সেন্ট্রাল লকআপের বাকী কয়েদীরা। পুলিশ ও বাকী কয়েদীদের কাছে; নতুন উপদ্রব হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘ইউটি’উবার’ রোদ্দুর রায়। গত ৮ জুন গ্রেফতার করা হয় রোদ্দুর রায়কে। ৯ জুন থেকে পুলিশ হেফজতে ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য মামলায় জামিন পেলেও; অন্য আর একটি মামলার জন্য আপাতত জেলেই থাকতে হবে রোদ্দুর-কে। এদিকে জেলের মধ্যে রোদ্দুরের অদ্ভুত ও অশ্লীল গানের গুঁতোয়; অতিষ্ঠ ওই লকআপের বাকী বন্দীরা।

রোদ্দুর রায়ের সঙ্গেই একই দিনে গ্রেফতার হয়েছিল; দক্ষিণ ও পূর্ব কলকাতার ‘ত্রা’স’ বলে পরিচিত সোনা পাপ্পু। সঙ্গে ধরা পড়ে পাপ্পুর আরও পাঁচ সঙ্গী। কসবায় তোলাবাজি ও বিভিন্ন গোলমালে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু ও তার দলের পাঁচজনকে; রোদ্দুর রায়ের সঙ্গেই গোয়েন্দা বিভাগের গুন্ডাদমন শাখায়; জেরার জন্য আনা হয়। আর তারপরেই ‘গানের গুঁতো’ কাকে বলে; ‘হাড়েহাড়ে’ বুঝছে তারা।

আরও পড়ুনঃ “মন্দারমণির নাম এখন দাদামণি হয়ে গেছে”, এ কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পাপ্পু ও তার সঙ্গীদের অভিযোগ, তারা রাতে খাওয়াদাওয়া করে ঘুমিয়ে পরার পরেই; রোদ্দুর রায় তাদের ডেকে তুলে নানান অঙ্গভঙ্গি করে; অশ্লীল শব্দযোগে গান শোনাতে শুরু করে। দু’একজন রোদ্দুরের বিরোধিতা করলেও; কথা কানেই নেননি ইউটিউবার রোদ্দুর। শুধু গানই নয়, গভীর রাতে একই সঙ্গে ‘দা’গি আ’সামী’ সোনা পাপ্পু ও তার দলবল-কে; নিজের মতাদর্শ ‘মোক্সা’ বোঝাতে শুরু করে রোদ্দুর।

আরও পড়ুনঃ শরদ, ফারুখ, গোপাল, মমতার অনুরোধেও কেউ রাজি নন, ভরসা এখন তৃণমূল নেতা যশবন্ত

প্রত্যেক রাতে রোদ্দুরের গান আর বিরামহীন বক্তৃতা শোনার পর, ক্লান্ত সোনা পাপ্পু ও তার সঙ্গীরা পুলিশকে অনুরোধ করে; তাদের অন্য ঘরে সরিয়ে দিতে। একটি মামলায় জামিন পেলেও; এখনই রোদ্দুর রায়ের জেলমুক্তি হচ্ছে না। হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়ের হওয়া, অন্য একটি মামলায়; নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে রোদ্দুর রায়কে।

কিন্তু এবার অদ্ভুত সমস্যায় লালবাজারের পুলিশ কর্তারা। রোদ্দুর রায়ের সঙ্গে, একই সেলে থাকতে চাইছেন না কেউই। এমনকি সবাই যাকে ভয় পেত; সেই সোনা পাপ্পু-কেও, ভয় পাইয়ে দিয়েছে রোদ্দুরের গানের গুঁতো।

]]>
চোর ডাকাত নয়, ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে এবার আসরে নামল লালবাজার https://thenewsbangla.com/lalbazar-is-looking-for-mentally-exhausted-police-jt-cp-headquarters-letter-to-all-officers/ Tue, 14 Jun 2022 16:04:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15448 মানব গুহ, কলকাতা, এক্সক্লুসিভঃ চোর, ডাকাত, অপরাধী নয়, ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে; এবার আসরে নামল লালবাজার। হ্যাঁ, গল্প হলেও সত্যি। “আপনার ইউনিটে যে সব ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ আছেন; তাদের তালিকা তৈরি করে; তাদের সব ডিটেলস ২০ জুনের মধ্যে পাঠান”; জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস এর সেই চিঠি ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে সবার হাতে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নির্দেশেই; এই চিঠি পাঠানো হয়েছে পুলিশ কর্তাদের কাছে।

‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে, লালবাজারের জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস শুভঙ্কর সিনহা সরকারের সেই চিঠি পৌঁছে গেছে; জয়েন্ট সিপি ক্রাইম, কলকাতা পুলিশের সব ডিসি, সব এসি, পুলিশ ট্রেনিং স্কুল ও আরও অন্যান্য পুলিশ কর্তাদের কাছে। একনজরে দেখে নিন, সেই চিঠির বয়ান।

জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস এর সেই চিঠি
জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস এর সেই চিঠি

সম্প্রতি পার্ক সার্কাসে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে; কলকাতা পুলিশের এক কনস্টেবল ১৬ রাউন্ড গুলি চালায়। সেই গুলিতে মৃত্যু এক মহিলার। এরপর ওই পুলিশ কর্মী নিজেও; গুলি চালিয়ে আ’ত্মঘা’তী হন। এই ঘটনার পর রীতিমতো হতভম্ব মানুষ। পুলিশের এই ধরণের আচরণে; ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে আমজনতা।

আরও পড়ুনঃ প্রাথমিকে বরখাস্তের তালিকায়, পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতির দুই মেয়ে

এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন ওঠে। কেন ওই পুলিশ-কর্মী এই ধরণের ঘটনা ঘটাল? তিনি কি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ছিলেন? মানসিকভাবে বিধ্বস্ত বা মানসিক অবসাদগ্রস্থ একজনের হাতে; কি করে রাইফেল দেওয়া হল? নিচুতলার পুলিশ-কর্মীদের কি তবে; ঠিকমত ট্রেনিং হচ্ছে না? একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন; হতে হচ্ছে লালবাজারকে।

তাই গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা চালু করার কথা ভেবেছে লালবাজার। সূত্রের খবর, গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা; নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের সমস্যার কথা শুনে তাঁদের সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে তাঁদের মানসিকভাবে; সবসময় চাঙ্গা রাখবে। কাজের ক্ষেত্রে অসুবিধার সমাধান করবে এই শাখা; একজন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিককে এই গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে; আসরে নামল লালবাজার। তবে The News বাংলা কলকাতার অনেক ডাক্তারের সঙ্গেই; ফোনে যোগাযোগ করেছিল। তাদের প্রত্যেকেই জানান, “মানসিক অবসাদ এমন একটা রোগ; যা খালি চোখে খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার”।

]]>
পুলিশ পাহাড়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লালবাজারে তিন মহিলা বিজেপি কর্মী https://thenewsbangla.com/bjp-female-workers-in-lalbazar-main-gate-ignoring-strict-police-guard/ Wed, 12 Jun 2019 08:42:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13682 কড়া পুলিশ পাহাড়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে; লালবাজারে তিন মহিলা বিজেপি কর্মী। সাধারণ পথচারীর মত হেঁটে গিয়ে; সোজা লালবাজারের সামনে বসে পরেন তারা। তড়িঘড়ি মহিলা পুলিশ এসে; তাদের আটক করে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায় লালবাজারে। কলকাতা পুলিশকে রীতিমত চমকে দেয়; বিজেপির ওই তিন মহিলা কর্মী।

রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ; বুধবার লালবাজার অভিযান করে বিজেপি। বুধবার শহরের রাস্তায়; বিরাট মিছিলের ডাক দেয় বিজেপি। গেরুয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড লালবাজার সংলগ্ন এলাকা। মূল মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

আরও পড়ুন বিজেপির লালবাজার অভিযান আটকাতে সামনে মহিলা পুলিশ

মিছিলের শুরুতেই বিজেপির মহিলা মোর্চার তিন কর্মী; পুলিশকে বোকা বানিয়ে পথচারী সেজে সোজা চলে যান লাল বাজারের সামনে। বসে পড়েন লাল বাজারের মেন গেটের একেবারে সামনে। পরে হতচকিত ভাব কাটিয়ে; মহিলা পুলিশ এসে ওই তিন মহিলা কর্মীকে আটক করে তুলে নিয়ে যায়।

সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে; লালবাজার অভিযান কর্মসূচি করছে বিজেপি। লোকসভা ভোটের পর এটাই বিজেপি-র প্রথম কর্মসূচি। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে; নিরাপত্তার আঁটোসাঁটো ব্যবস্তা করে রাজ্য প্রশাসন। এর জেরে উত্তপ্ত কলকাতার পরিস্থিতি।

আরও পড়ুন জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ল পুলিশ, বিজেপির লালবাজার অভিযানে ধুন্ধুমার

বুধবার বিজেপি-র লালবাজার অভিযান কর্মসূচিতে; সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যার থেকে শুরু হয় বিজেপি-র মিছিল। বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট হয়ে; মিছিল লালবাজারের সামনে যায়। বেলা ১২টা নাগাদ রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে; জমায়েত হয় নেতা-কর্মীরা।

বিজেপির লালবাজার অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড। জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ল পুলিশ; বিজেপির লালবাজার অভিযানে প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সেন্ট্রাল আভেনিউতে অবস্থান বিক্ষোভ আন্দোলনে বসে পড়েন বিজেপির প্রথম সারির নেতারা।

ফিয়ার্স লেনে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের হঠাতে; প্রথমে জলকামান ব্যবহার করে কলকাতা পুলিশ। পরে একের পর এক কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের; ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। কিন্তু পরে এই মুহূর্তে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে; ফের লালবাজার অভিযান শুরু করেছে বিজেপি।

কিন্তু বিজেপির মহিলা মোর্চার ওই তিন কর্মী; শুরুতেই প্রথম চমকটা দেন তাঁরাই, সরাসরি লালবাজারের সামনে গিয়ে। এই চমকের জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিল না কলকাতা পুলিশ।

]]>
ফের কালো টাকা উদ্ধার করল লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগ https://thenewsbangla.com/lalbazar-detective-department-kp-recovered-black-money-before-election/ Thu, 16 May 2019 12:40:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12975 ভোটের মধ্যেই কোটি কোটি টাকা উদ্ধার বাংলায়। কদিন আগেই আসানসোল ষ্টেশনে ১ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। তার আগেও বিভিন্ন দফার ভোটের আগে, বড়বাজার ও কলকাতার অন্যান্য জায়গা থেকে; কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়। এত টাকা আসছে কোথা থেকে? যেতই বা কোথায়? উঠে গেছে প্রশ্ন।

গতকাল বিশেষ সূত্র মারফত খবর আসে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে; কলকাতার বড়বাজার থানা এলাকায় হাতবদল হতে চলেছে বিপুল পরিমাণ নগদ কালো টাকা; লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগের ওয়াচ সেকশন এবং গুন্ডা দমন শাখার অফিসাররা সাদা পোশাকে কড়া নজরদারি চালান বড়বাজার থানা এলাকায়।

ওয়াচ সেকশনের অফিসাররা কুণাল কুমার ও রাহুল কুমার নামের দুই সন্দেহভাজনকে মীর বাহার ঘাট রোড এবং স্ট্র্যান্ড রোড ক্রসিংয়ে আটক করে; তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় মোট নগদ ৬৫ লক্ষ টাকা।

গুন্ডা দমন শাখার অফিসাররা ৪৬ নং স্ট্র্যান্ড রোড এলাকায় মোহন আগরওয়াল নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করে ৩৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা; কীভাবে তাদের কাছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা এল; তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি তারা।

গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজন টাকা পাচারকারীকেই; উদ্ধার হয় মোট নগদ ১ কোটি ৫০ হাজার কালো টাকা; কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে ধৃতদের তিন অভিযুক্তের ছবি ও বাজেয়াপ্ত হওয়া নগদ টাকার ছবি প্রকাশিত করা হয়েছে।

ঠিক একই ভাবে কয়েকদিন আগে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে কাছে কালো টাকার খবর আসে; সেবারেও উদ্ধার হয় বিপুল পরিমান টাকা; গ্রেপ্তার করা হয় চার জন টাকা পাচারকারীকে। কীভাবে তাদের কাছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা এল; তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি তারা।

কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়; কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে হাতবদল হতে চলেছে বিপুল পরিমাণ নগদ কালো টাকা। গোয়েন্দা বিভাগের পাঁচটি দল; কলকাতার মোট ১২টি এলাকায় তল্লাশি চালায়। বড়বাজার থানা এবং পোস্তা থানার অন্তর্গত ৪টি এলাকা থেকে; উদ্ধার হয় নগদ ১ কোটি ছয় হাজার টাকা।

কিন্তু ভোটের বাজারে এত কালো টাকা কোথা থেকে আসছে সেই নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠছে সাধারণ জনগনের মনে। প্রতিবারেই ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোন সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।

সৌজন্যে: কলকাতা পুলিশ

]]>