Kolkata Traffic Police – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 14 Jun 2022 16:12:46 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Kolkata Traffic Police – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 চোর ডাকাত নয়, ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে এবার আসরে নামল লালবাজার https://thenewsbangla.com/lalbazar-is-looking-for-mentally-exhausted-police-jt-cp-headquarters-letter-to-all-officers/ Tue, 14 Jun 2022 16:04:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15448 মানব গুহ, কলকাতা, এক্সক্লুসিভঃ চোর, ডাকাত, অপরাধী নয়, ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে; এবার আসরে নামল লালবাজার। হ্যাঁ, গল্প হলেও সত্যি। “আপনার ইউনিটে যে সব ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ আছেন; তাদের তালিকা তৈরি করে; তাদের সব ডিটেলস ২০ জুনের মধ্যে পাঠান”; জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস এর সেই চিঠি ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে সবার হাতে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নির্দেশেই; এই চিঠি পাঠানো হয়েছে পুলিশ কর্তাদের কাছে।

‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে, লালবাজারের জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস শুভঙ্কর সিনহা সরকারের সেই চিঠি পৌঁছে গেছে; জয়েন্ট সিপি ক্রাইম, কলকাতা পুলিশের সব ডিসি, সব এসি, পুলিশ ট্রেনিং স্কুল ও আরও অন্যান্য পুলিশ কর্তাদের কাছে। একনজরে দেখে নিন, সেই চিঠির বয়ান।

জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস এর সেই চিঠি
জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ, হেডকোয়ার্টারস এর সেই চিঠি

সম্প্রতি পার্ক সার্কাসে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে; কলকাতা পুলিশের এক কনস্টেবল ১৬ রাউন্ড গুলি চালায়। সেই গুলিতে মৃত্যু এক মহিলার। এরপর ওই পুলিশ কর্মী নিজেও; গুলি চালিয়ে আ’ত্মঘা’তী হন। এই ঘটনার পর রীতিমতো হতভম্ব মানুষ। পুলিশের এই ধরণের আচরণে; ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে আমজনতা।

আরও পড়ুনঃ প্রাথমিকে বরখাস্তের তালিকায়, পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতির দুই মেয়ে

এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন ওঠে। কেন ওই পুলিশ-কর্মী এই ধরণের ঘটনা ঘটাল? তিনি কি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ছিলেন? মানসিকভাবে বিধ্বস্ত বা মানসিক অবসাদগ্রস্থ একজনের হাতে; কি করে রাইফেল দেওয়া হল? নিচুতলার পুলিশ-কর্মীদের কি তবে; ঠিকমত ট্রেনিং হচ্ছে না? একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন; হতে হচ্ছে লালবাজারকে।

তাই গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা চালু করার কথা ভেবেছে লালবাজার। সূত্রের খবর, গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা; নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের সমস্যার কথা শুনে তাঁদের সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে তাঁদের মানসিকভাবে; সবসময় চাঙ্গা রাখবে। কাজের ক্ষেত্রে অসুবিধার সমাধান করবে এই শাখা; একজন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিককে এই গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে; আসরে নামল লালবাজার। তবে The News বাংলা কলকাতার অনেক ডাক্তারের সঙ্গেই; ফোনে যোগাযোগ করেছিল। তাদের প্রত্যেকেই জানান, “মানসিক অবসাদ এমন একটা রোগ; যা খালি চোখে খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার”।

]]>
‘অবরোধ উঠে গেছে’, ট্রাফিক পুলিশের পোস্টে ধুয়ে দিলেন সাধারণ মানুষ https://thenewsbangla.com/kolkata-traffic-police-post-bengal-people-strict-criticism-on-national-highway-blockade/ Fri, 10 Jun 2022 05:19:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15338 ‘অবরোধ উঠে গেছে’; কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পোস্টে ধুয়ে দিলেন সাধারণ মানুষ। কেউ লিখেছেন; “লজ্জা করে না আপনাদের”। কেউ লিখেছেন; “রোদ্দুর রায়ের পিছনে পুলিশ না পাঠিয়ে ওখানে পাঠান, কাজে দেবে”। অনেকের মন্তব্য; “অসংখ্য ধন্যবাদ দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই কর্মকাণ্ড দেখে যাওয়ার জন্য”। কারো বক্তব্য; “কাল সকালে বাইক ধরবেন লাইন দিয়ে; কিছু তো একটা করতে হবে নাকি”। অনেকেই লিখেছেন; “আপনাদের ব্যর্থতাকে একজন ভারতীয় বাঙালি হিসাবে কুর্নিস জানাই; রাজ্যের প্রশাসন এবং প্রসাশক দুজনেই ব্যর্থ অবরোধ তুলতে”। “নির্লজ্জ্ব দালালির স্পষ্ট নিদর্শন। ছিঃ”; এমন মন্তব্যও দেখা গেল।

কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পোস্টে গিয়ে; যাতা লিখে এলেন বাংলার মানুষ। সোজা কোথায় ট্রাফিক পুলিশকে তুলধোনা করে দিলেন; বাংলার আমজনতা। ঘটনাটা কি? বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে প্রায় রাত ৮টা পর্যন্ত; চলে জাতীয় সড়ক অবরোধ। ডোমজুড়-সহ বিভিন্ন জায়গায় অবরোধের জেরে; ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক।

'অবরোধ উঠে গেছে', ট্রাফিক পুলিশের পোস্টে ধুয়ে দিলেন সাধারণ মানুষ
‘অবরোধ উঠে গেছে’, ট্রাফিক পুলিশের পোস্টে ধুয়ে দিলেন সাধারণ মানুষ

আরও পড়ুনঃ পিছু ছাড়ছে না কেকে-বিতর্ক, বাদ রূপঙ্কর এলেন অরিজিৎ সিং

প্রায় ১২ ঘণ্টার অবরোধে; চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় হাজার-হাজার সাধারণ মানুষকে। আটকে পরে অ্যাম্বুলেন্স, দমকলের গাড়ি; হাজার-হাজার বয়স্ক পুরুষ মহিলা, বাচ্চা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, রাস্তা অবরোধ করে; আন্দোলন একেবারেই নিষিদ্ধ। কিন্তু বৃহস্পতিবার এক স্বঘোষিত ইমামের ডাকা, জাতীয় সড়ক অবরোধ তুলতে; কিছুই করেনি রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল সায়গল হোসেন গ্রেফতার, অনুব্রতর রক্ষী হতেই অগাধ সম্পত্তি

রাত ১০টা নাগাদ; ট্রাফিক আপডেট দেয়; কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। সেখানে লেখা হয়; Traffic update: Road blockade withdrawn near from Nibra Crossing, traffic plying normally on 2nd Hooghly bridge towards Howrah।

এরপরেই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে আমজনতা। যে যেমন পারেন; লিখে আসেন কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পেজে। প্রত্যেকেই ধুয়ে দেন; কলকাতা ট্রাফিক পুলিশকে। অনেকেই লিখেছেন, “লজ্জা লাগে না আপনাদের; চুপ করে বসে মজা দেখতে”? অনেকেই সরাসরি ‘ছিঃ’ লিখেছেন পুলিশের উদ্দ্যেশ্যে। এর দ্বারাই বোঝা যায়, জাতীয় সড়ক অবরোধ কাণ্ডে; কতটা ক্ষুব্ধ বাংলার সাধারণ মানুষ। তারা কলকাতা পুলিশের পেজে গিয়েও; কড়া সমালোচনা করতে ছাড়ছেন না।

]]>
আনিসের দেহ কবর থেকে তুলতে অন্ধকারেই হাজির পুলিশ, ধাওয়া করে তাড়াল গ্রামবাসীরা https://thenewsbangla.com/police-appeared-in-the-dark-to-pick-up-anish-khan-body-from-grave-villagers-chased/ Sat, 26 Feb 2022 05:46:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14856 ছাত্রনেতা আনিস খানের দেহ কবর থেকে তুলতে; ভোরের অন্ধকারেই হাজির পুলিশ। তারপরেই গ্রাম থেকে পুলিশকে; ধাওয়া করে তাড়াল গ্রামবাসীরা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য; আনিসের দেহ তুলতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ল পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিটের সদস্যরা। আনিসের দেহ তোলার জন্য অনুমতি নিতে; পুলিশ আনিসের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করতেই গ্রামবাসীরা বাধা দেন। পুলিশকে ধাওয়া করে গ্রামছাড়া করেন তাঁরা।

নিহত ছাত্রনেতা আনিস খানের দেহ; কবর থেকে তুলতে দিলেন না স্থানীয়রা। শনিবার দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ যায় সমাধিক্ষেত্রে; কিন্তু তখনই গ্রামবাসীরা পুলিশকে বাধা দেয়। শুক্রবার আনিসের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য; তাঁর বাড়িতে অনুমতি চাইতে যায় পুলিশ। তখন ছাত্রনেতার বাবা জানান; সোমবার সকালে আসতে, তাঁরা সহযোগীতা করবেন। কিন্তু এসডিপিও আমতা রাতেই পৌঁছন আনিসের বাড়িতে; স্থানীয় বাসিন্দারা দেহ তুলতে দেয়নি বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্ট আনিশের মৃত্যুর ঘটনায়; রাজ্য সরকারের গঠিত সিটের তদন্তে আস্থা রেখে বেশকিছু নির্দেশিকা জারি করে। হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে; আপাতত সিটের তদন্তই চলবে। তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ১৫ দিনের মাথায় রিপোর্ট দিতে হবে সিটকে ৷ এছাড়াও, আনিশের মৃতদেহ জেলা বিচারপতির উপস্থিতিতে; দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আনিশের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, কেন্দ্রীয় ল্যাবে পরীক্ষার জন্য; জেলা বিচারকের তত্ত্বাবধানে পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

শুক্রবার রাতেই আনিসের বাবাকে নোটিস দিয়ে পুলিশ জানায়; শনিবার ভোরে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য দেহ তোলা হবে। কিন্তু আনিসের বাবা সালেম খান সিটকে জানান, তিনি অসুস্থ; তাই সোমবার সকালে যেন ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপরও এদিন ভোরে আনিসের গ্রামে যায় পুলিশ; আর সেখানে গিয়েই বিক্ষোভের মুখে পড়ে।

এদিন ভোরবেলায় চলে আসে পুলিশ-বাহিনী।‌ হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী; পরিবারের পক্ষ থেকে আনিসের বাবা বা অন্য কোনও সদস্যের সেখানে উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু কাউকেই দেখা যায়নি; স্থানীয় বিডিও এবং বিএমওএইচ উপস্থিত ছিলেন। এরপর মাইকিং করে জানানো হয়; আনিসের দেহ তোলা হবে। তখনই গ্রামবাসীরা রে-রে করে তেড়ে আসেন; আর বাধা দেন। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন; আগেই আনিসের বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল পুলিশের। তারা সোমবার দেহ নিয়ে যাবার কথা জানিয়েছেন; তাহলে শনিবার কাকভোরে অন্ধকারে কেন পুলিশ এল?

]]>
রিজওয়ানুর রহমান থেকে আনিস খান, ‘অভিযুক্ত অপরাধী’ রাজ্যের পুলিশই https://thenewsbangla.com/rizwanur-rahman-anish-khan-case-cbi-investigation-kolkata-police-controversy-by-mamata-banerjee/ Thu, 24 Feb 2022 07:55:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14828 রিজওয়ানুর রহমান থেকে আনিস খান; ‘অভিযুক্ত অপরাধী’ রাজ্যের পুলিশই। মানুষের রক্ষাকর্তা হিসাবে যাদের থাকার কথা; তাদের বিরুদ্ধেই সাধারণ নিরীহ মানুষকে খুনের অভিযোগ উঠছে। রিজওয়ানুর থেকে আনিস; সময় বদলেছে, সরকার বদলেছে; তবে বাংলার পরিস্থিতি বদলায়নি, একই আছে। পুলিশের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ; আজও একই আছে। রক্ষাকর্তা না, আজও সেই খুনির ভুমিকায় রাজ্যের পুলিশ। কোথাও আত্ম-হত্যার প্ররোচনা দেবার অভিযোগ; তো কোথাও সরাসরি ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ।

দিনটা ছিল ২০০৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। পাতিপুকুরে রেললাইনের ধার থেকে ছেলের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর শুনে; কাঁদতে কাঁদতে ‘ইনসাফ’ চেয়েছিলেন কড়েয়ার রিজওয়ানুর রহমানের মা! আজ আনিসের মৃত্যুর ঘটনায় যেভাবে পুলিশের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠছে; রিজওয়ানুরের মৃত্যুর সময়ও, পুলিশ অফিসারদের একাংশের বিরুদ্ধে উঠেছিল চক্রান্তে সামিল হওয়ার অভিযোগ! এরপর সুবিচারের দাবিতে শুরু হয় এক আপোসহীন এক লড়াই। তখন তত্কালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়েছিলেন। বহু তত্ত্ব-তর্ক-বিশ্লেষণ-কাঁটাছেঁড়ার পরে; সেদিন গোটা রাজ্য থেকে একটাই আওয়াজ উঠেছিল ‘ইনসাফ’ চাহিয়ে! এখনও সেই আওয়াজই ছড়িয়ে পড়ছে; আমতা থেকে কলকাতার রাজপথে। উঠছে আওয়াজ, অপরাধীদের শাস্তি চাই।

Rizwanur Rahman Anish Khan

রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য জানান; আনিস হত্যা-কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আমতা থানার হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা ও সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করা হয়েছ। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট গড়ে; আনিস হত্যা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আর এই টিমের মাথায় আছেন, রিজওয়ানুর রহমান হত্যাকাণ্ডে যার বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল সেই পুলিশ অফিসার জ্ঞানবন্ত সিং। যদিও আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবিতে এখনও অনড়; নিহত আনিস খানের পরিবার। এবিষয়ে আনিস খানের বাবা ফের একবার বলেন; সিট-এর তদন্তের ওপরে তাঁর ভরসা নেই; আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় পরিবার।

তবে বাম আমলে রিজওয়ানুর কাণ্ডে পুলিশের উপর ভরসা না করে; সিবিআই তদন্তের দাবি করেছিলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন আনিস হত্যা-কাণ্ডে সেই মমতাই মুখ্যমন্ত্রী পদে বসে সিবিআই তদন্ত খারিজ করে; পুলিশের তদন্তের উপরই জোর দিচ্ছেন; সিবিআই তদন্তের বিরুদ্ধে বলছেন। আর এখানেই আপত্তি; আনিস খানের পরিবারের। রিজওয়ানুর কাণ্ডে সিবিআই দাবি, আনিস কাণ্ডে বাতিল; মমতার দুই নীতি কেন?

]]>