KMC – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 26 Feb 2022 16:53:56 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg KMC – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘পয়সা খায় বিল্ডিং বিভাগ আর থানা, বদনাম হয় কাউন্সিলরের,’ বিস্ফোরক ফিরহাদ https://thenewsbangla.com/building-department-police-take-bribe-from-illegal-construction-said-kolkata-mayor-firhad-hakim/ Sat, 26 Feb 2022 16:53:07 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14859 “পয়সা খায় বিল্ডিং বিভাগ আর থানা; বদনাম হয় কাউন্সিলরের”। রাজ্যে পুরভোটের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। বিরোধীদের অভিযোগ, কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ ওঠে। তবে এবার সুকৌশলে তিনি নিজের কাউন্সিলরকে বাঁচিয়ে; পুলিশ ও বিল্ডিং বিভাগের ঘাড়ে সরাসরি টাকা খাওয়ার অভিযোগ তুললেন। আর এই নিয়েই সরব হয়েছে বিরোধীরা।

তাঁর আমলেই কলকাতা পুরসভায় শুরু হয়েছে ‘টক-টু-মেয়র’ অনুষ্ঠান। প্রতি শনিবার এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে; সরাসরি শহরবাসীদের অভাব-অভিযোগ শোনেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করেন। টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে; কলকাতার সমস্ত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন মেয়র। সেই অনুষ্ঠানে ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা; তাঁকে অবৈধ নির্মাণের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছিলেন। আর তারপরই মেয়রের বিস্ফোরক দাবি; “টাকা খায় পুলিশ আর বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট; আর বদনাম হয় কাউন্সিলরের”। এভাবে নিজেদের কাউন্সিলরকে ক্লিনচিট দিয়ে; পুলিশের ঘাড়ে দোষ চাপালেন মেয়র।

এদিন মেয়র বলেন, “কাউন্সিলররা প্রশাসনের অংশ নন; ফলে কোনও কাউন্সিলরের কাছে পাঠানো হয় না যে, তাঁর এলাকায় কোনও আইনি আর কোন বেআইনি বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। যদি বেআইনিভাবে প্ল্যান অনুমোদন করা হয়, তাহলে সেটা প্রশাসন করে; আমাদের বিল্ডিং বিভাগ করে। এখন যদি সেটা বেআইনি হয়, তাহলে ধরে নেব; বিল্ডিং বিভাগের গাফিলতি কিংবা আন্ডার টেবিল! যদি অভিযোগ জানানোর পর থানা ব্যবস্থা না নেয়; তাহলে সেটাও তাই”। তাঁর আরও বক্তব্য, “অকারণে কাউন্সিলদের উপর বদনাম এসে পড়ে; কাউন্সিলররা তো জানেনই না, কোনটা আইনি আর কোনও বেআইনি”।

এরপর ফোন করেছিলেন যিনি, তাঁকে মেয়র বলেন; “ঠিক আছে আমরা দেখছি; আমি অ্যাকশন নিয়ে ফোনে জানিয়ে দেব; কাজ এখন বন্ধ আছে; আপনাকে জানিয়ে দেব”। তবে বিরোধীদের অভিযোগ কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ ওঠে; তবে এবার অত্যন্ত সুকৌশলে মেয়র নিজেই কাউন্সিলরকে বাঁচিয়ে পুলিশ ও বিল্ডিং বিভাগের ঘাড়ে সরাসরি টাকা খাওয়ার অভিযোগ তুলে দিলেন। কিন্তু স্থানীয় কাউন্সিলররা সরাসরি এই অবৈধ চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকেন বলেই অভিযোগ।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান; “আমার যে অভিযোগগুলি করেছি; সেই অভিযোগগুলি স্বীকার করে নিলেন মেয়র। তবে, তৃণমূল কাউন্সিলরদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন; বেআইনি নির্মাণে তৃণমূল কাউন্সিলররাও কাটমানি খান”।

]]>
Breaking News: কলকাতা পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ https://thenewsbangla.com/breaking-news-trinamool-councillor-resigns-from-kolkata-municipality/ Sat, 08 Dec 2018 08:28:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3756 The News বাংলা, কলকাতাঃ শনিবার দুপুরে কলকাতা পুরসভার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রণব বিশ্বাস পদত্যাগ করলেন। এদিন তিনি সশরীরে এসেই কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় এর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেন। এরপরই তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, বার্ধক্যজনিত কারণেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

‘কলকাতা পুরসভার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর থাকার সত্বেও যে কাজ করার দরকার সেই কাজ তিনি করতে পারছেন না এবং সময় দিতে পারছেন না, তাই পদত্যাগ’, জানিয়েছেন ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রণব বিশ্বাস। বর্তমানে তার বয়স হয়েছে ৯২ বছর।

আরও পড়ুন: কলকাতা হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে মুখ রক্ষা বিজেপির ‘রথ যাত্রা’র

পাশাপাশি ৯২ বছরের প্রণব বিশ্বাস পদত্যাগ করার পরেই সকলের কাছে আজ পরিস্কার হয়ে গিয়েছে যে, ভাবি মেয়র অর্থাৎ বর্তমানে যিনি মেয়র পদপ্রার্থী হয়ে এখন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেই ফিরহাদ হাকিম এই ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই নির্বাচনে জিতে আসবেন আগামী ছয় মাসের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ ‘বাংলায় রথ যাত্রা হবেই’ মমতাকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

এর আগেও এই ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই ফিরহাদ হাকিম ২০১০ সালে কাউন্সিলর পদে জয় লাভ করেন। তবে প্রথম কাউন্সিলর হয়ে জিতেছিলেন ফিরহাদ হাকিম এই ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই ২০০০ সালে। তবে ২০১০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করার পর ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র পারিষদ সদস্য করা হয় ও সড়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ দেশের সব গোয়েন্দাদের টপকে সেরা লালবাজারের অফিসার

তারপরই ২০১১ সালে খিদিরপুর বিধানসভা এলাকা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই করে তিনি জয়ী হন এবং রাজ্যের পুর ও নগর এর দায়িত্ব পান। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালের নির্বাচনেও ফিরহাদ হাকিম এই খিদিরপুর অঞ্চল থেকেই বিধানসভা ভোটে বিপুল ভোটে জয়ী হন এবং পুনরায় পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব পান তিনি।

আরও পড়ুনঃ মেঝেতে খেলছে ভাইবোন, মাথার উপর ঝুলছে বাবা মা

কিছুদিন আগেই নির্দেশ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন পরিবেশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার দুদিন পরেই তিনি পদত্যাগ করেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকেও।

আরও পড়ুনঃ কোচবিহারে ঢোকার আগেই নাইন এমএম পিস্তল সহ গ্রেফতার ছয়

এরপরই দলের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয় কলকাতা পুরসভার পরবর্তী মেয়র হবেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ঠিক হয় ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রণব বিশ্বাস পদত্যাগ করবেন তার ওয়ার্ড থেকে জিতে আসবেন ফিরহাদ হাকিম। সেই অনুযায়ী শনিবার দুপুরে কলকাতা পুরসভায় সশরীরে এসেই তিনি পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় এর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

]]>
বাংলায় ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কি জানে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর https://thenewsbangla.com/bengal-health-department-does-not-know-the-number-of-dengue-death/ Fri, 23 Nov 2018 16:02:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2962 The News বাংলা, কলকাতাঃ ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কত? অভিযোগ, জানে না রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। যে মশাবাহিত অসুখে নিয়মিত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই রোগের বিষয়টা চেপে যাচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। ডেঙ্গুতে মৃত বা আক্রান্তের কোনও তথ্য এখনও চূড়ান্ত করতে পারেনি তারা।

সল্টলেকের সমীর মন্ডল, প্রিয়াঙ্কা জয়সওয়াল আরও অনেককে নিয়ে সাম্প্রতিককালে ডেঙ্গুতে মৃতের তালিকা দীর্ঘ থেকে ক্রমশই দীর্ঘতর হচ্ছে। চলতি বছরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কত? আক্রান্ত কতজন? এই প্রশ্নের কোনও জবাব নেই রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের কাছে। ডেঙ্গু সংক্রান্ত কোনও তথ্য নেই কলকাতা পুরসভার কাছেও।

Image Source: Google

অথচ পুর পারিষদ (স্বাস্থ্য) ও বর্তমানে ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের স্পষ্ট কথা,’শীতে মশা থাকবে না, কে বলল?’ কিন্তু ডেঙ্গুতে মৃত বা আক্রান্তের কোন তথ্য তাঁর কাছেও নেই। অথচ রাজ্যের চিকিৎসকরা বলছেন,’এই তথ্য লুকোতে গিয়ে কুষ্ঠ মহামারীর আকার ধারন করেছিল। এবারও যেন তাই না হ্য। সরকারের ভাবা দরকার।’

আরও পড়ুনঃ ভারতবাসীকে নেতাজীর মৃত্যুদিন জানাল বাংলার পুরসভা

এখনও অনেকেই এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। নতুন নতুন রোগীরা ভর্তি হচ্ছেন নিয়মিত। অনেকে আবার বাড়িতেই চিকিৎসা করাচ্ছেন।

Image Source: Google

যাদবপুর এলাকায় সম্প্রতি ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে। দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে সারা বছর ‘অজানা জ্বরে’ রোগীর চিকিৎসা চলে। সেই ‘জ্বর’ অজানাই থেকে যায় বলেই অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ ‘পুলিশ হত্যা মামলা’তেও বাংলার পুলিশের মুখে চুনকালি

বিশিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন,’অজানা জ্বর বলাও লজ্জাজনক। মন্ত্রীও বলার জন্যে বলছেন। বরং ডেঙ্গু বললে সম্মান থাকে। শুধু ডেঙ্গু নয়, ম্যালেরিয়ায় প্রচুর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতিরোধক ব্যবস্থাও দুর্বল হচ্ছে ক্রমশ। এবছর ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এখনও পর্যন্ত খবর। তবে তথ্য চাপা দেওয়ার এই লুকোচুরি বন্ধ হওয়া উচিত। কুষ্ঠ এই ভাবেই মহামারী হয়ে গিয়েছিল।’

Image Source: Google

কী করা উচিত এক্ষেত্রে? ডাক্তাররা বলছেন, ‘সন্দেহ হলেই এই ধরনের অসুখগুলো চিহ্নিত করতে হবে। তাহলে রোগী সঠিক চিকিৎসা পাবেন। যদি দেখা যায় ওই অসুখটা হয়নি, তাহলে তো ভালই। কিন্তু অসুখ হলে প্রকৃত চিকিৎসা হবে। ডেঙ্গু সংক্রান্ত তথ্য চেপে যাওয়া কোনও সভ্য দেশে হওয়া উচিত নয়। উন্নত কোনও দেশে এমন হয় না। তথ্য চেপে যাওয়া মানে গুরুত্ব না দেওয়া। এটা ক্ষতিকর এবং অন্যায়ও। এর ফলে আমাদের দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।’

Image Source: Google

ডেঙ্গু নিয়ে যখন চিকিৎসকরা এতটা চিন্তিত, তখন সরকারি স্তরে কোনও হেলদোল নেই কেন? ডেঙ্গুতে মৃত বা আক্রান্তের সংখ্যা কত? রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা(প্রশাসন) অজয় চক্রবর্তী বলেন,’ডেঙ্গু মৃত্যুর তথ্য এখনও চূড়ান্ত হয় নি।’ আদৌ কবে তা চূড়ান্ত হবে তা জানেন না স্বাস্থ্য দপ্তরের কোনও অধিকর্তাই।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ‘বৈশাখী প্রেমে ব্যস্ত’ কলকাতা ছাড়ছেন এক সাচ্চা প্রেমিক

তবে এখনও পর্যন্ত বেসরকারি সুত্রে, এবছর রাজ্যে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা অন্তত ৪০-৪৫ জন। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য, সরকারি স্তরে মৃতের সংখ্যা পাঁচজন, আক্রান্ত ৩ হাজার।

Image Source: Google

নির্মীয়মান আবাসন, মেট্রো প্রকল্পের কাজ, বিপজ্জনক বাড়ি সহ নানা জায়গাই এখন কলকাতায় মশার আঁতুড়ঘরে পরিনত হয়েছে। মশা নিধনে পুরউদ্যোগ যে নেই তা নয়, কিন্তু সার্বিক কাজ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে সাধারণ মানুষের। যাদবপুরের বাসিন্দাদের দাবি, ‘মশার উৎপাতে এই শহরে থাকাই দায় হয়ে গিয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতার পর প্রথম মুসলিম মেয়র পেল মমতার কলকাতা

পুর পারিষদ (স্বাস্থ্য) ও বর্তমানে ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের প্রশ্ন, মশা কেন থাকবে না? কিন্তু সদুত্তর দিতে পারেননি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা নিয়ে। মেয়র পারিষদ স্বাস্থ্যর বিস্তারিত উক্তি,’সারা বছর মশা নিধন করে কলকাতা পুরসভা। শীতে মশা থাকবে না আপনাকে কে বলেছে?’

পুর পারিষদ (স্বাস্থ্য) অতীন ঘোষ আরও বলেন, ‘২৪-২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে মশা থাকাই স্বাভাবিক।’ তবে, সরকারি আধিকারিকদের কাছে যেটা স্বাভাবিক সেটা সাধারণ মানুষের কাছে দিন দিন অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে না তো? ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা কত? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

]]>
স্বাধীনতার পর প্রথম মুসলিম মেয়র পেল মমতার কলকাতা https://thenewsbangla.com/mamtas-kolkata-will-get-the-first-muslim-mayor-after-independence/ Thu, 22 Nov 2018 08:54:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2893 The News বাংলা, কলকাতাঃ স্বাধীনতার পর প্রথম মুসলিম মেয়র পেল মমতার কলকাতা পুরসভা। ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট দেশ স্বাধীন হবার পর আর কোন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ কলকাতার মেয়র হন নি। ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র করে সেই নজির গড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাধীনতার আগে ১৯৩৫ সালের এপ্রিলে কলকাতার প্রথম মুসলিম মেয়র হন আবুল কাশেম ফজলুল হক (৩০/০৪/১৯৩৫-২৯/০৪/১৯৩৬)।

স্বাধীনতার আগে কলকাতার মুসলিম মেয়র হন আবদুর রহমান সিদ্দিকি (২৪/০৪/১৯৪০-২৮/০৪/১৯৪১), সাঈদ বদরুদ্দোজা (৩০/০৪/১৯৪৩-২৬/০৪/১৯৪৪) ও সাঈদ মহম্মদ উসমান (২৯/০৪/১৯৪৬-২৯/০৪/১৯৪৭)। স্বাধীনতার পর প্রথম মুসলিম মেয়র পেল মমতার কলকাতা পুরসভা। সৌজন্যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

The News বাংলা Exclusive
The News বাংলা Exclusive

১৯২৪ সালে কলকাতার প্রথম মেয়র হন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস। ১৯৯০ সালে প্রশান্ত চ্যাটার্জির পর দল নির্বিশেষে টানা ২৮ বছর কলকাতার মেয়র ছিলেন একজন ব্রাহ্মন। এবার সেই আসনে বসবেন স্বাধীনতার পর প্রথম মুসলিম মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

একনজরে দেখে নিন কলকাতার মেয়র পদের তালিকাঃ

The News বাংলা Exclusive
The News বাংলা Exclusive

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, (১৬/০৪/১৯২৪-১৭/০৭/১৯২৫)
দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত,(১৭/০৭/১৯২৫-০২/০৪/১৯২৮)
বিজয়কুমার বসু,(০২/০৪/১৯২৮-১০/০৪/১৯২৯)
দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত,(১০/০৪/১৯২৯-২২/০৮/১৯৩০)
সুভাষচন্দ্র বসু,(২২/০৮/১৯৩০-১৫/০৪/১৯৩১)

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়,(১৫/০৪/১৯৩১-০৯/০৪/১৯৩৩)
সন্তোষকুমার বসু,(০৯/০৪/১৯৩৩-০৪/০৭/১৯৩৪)
নলিনীরঞ্জন সরকার,(০৪/০৭/১৯৩৪-৩০/০৪/১৯৩৫)
আবুল কাশেম ফজলুল হক,(৩০/০৪/১৯৩৫-২৯/০৪/১৯৩৬)
স্যার হরিশঙ্কর পাল,(২৯/০৪/১৯৩৬-২৮/০৪/১৯৩৭)

সনৎকুমার রায়চৌধুরি,(২৮/০৪/১৯৩৭-২৯/০৪/১৯৩৮)
এ কে এম জাকারিয়া,(২৯/০৪/১৯৩৮-২৬/০৪/১৯৩৯)
নিশীথচন্দ্র সেন,(২৬/০৪/১৯৩৯-২৪/০৪/১৯৪০)
আবদুর রহমান সিদ্দিকি,(২৪/০৪/১৯৪০-২৮/০৪/১৯৪১)
ফণীন্দ্রনাথ ব্রহ্ম,(২৮/০৪/১৯৪১-২৯/০৪/১৯৪২)

হেমচন্দ্র নস্কর,(২৯/০৪/১৯৪২-৩০/০৪/১৯৪৩)
সাঈদ বদরুদ্দোজা,(৩০/০৪/১৯৪৩-২৬/০৪/১৯৪৪)
আনন্দিলাল পোদ্দার,(২৬/০৪/১৯৪৪-২৭/০৪/১৯৪৫)
দেবেন্দ্রনাথ মুখার্জি,(২৭/০৪/১৯৪৫-২৯/০৪/১৯৪৬)
সাঈদ মহম্মদ উসমান,(২৯/০৪/১৯৪৬-২৯/০৪/১৯৪৭)

সুধীরচন্দ্র রায়চৌধুরি,(২৯/০৪/১৯৪৭-০১/০৫/১৯৫২)
নির্মলচন্দ্র চন্দ্র,(০১/০৫/১৯৫২-০৬/০৩/১৯৫৩)
নরেশনাথ মুখার্জি,(০৬/০৩/১৯৫৩-২৫/০৪/১৯৫৫)
সতীশচন্দ্র ঘোষ,(২৫/০৪/১৯৫৫-২৯/০৪/১৯৫৭)
ডাঃ ত্রিগুণা সেন,(২৯/০৪/১৯৫৭-০৮/০৪/১৯৫৯)

বিজয়কুমার ব্যানার্জি,(০৮/০৪/১৯৫৯-০৮/০৬/১৯৬০)
কেশবচন্দ্র বসু,(০৮/০৬/১৯৬০-২৮/০৪/১৯৬১)
রাজেন্দ্রনাথ মজুমদার,(২৮/০৪/১৯৬১-০৮/০৪/১৯৬৩)
চিত্তরঞ্জন চ্যাটার্জি,(০৮/০৪/১৯৬৩-২৬/০৪/১৯৬৫)
ডাঃ প্রীতিকুমার রায়চৌধুরি,(২৬/০৪/১৯৬৫-২৪/০৪/১৯৬৭)

গোবিন্দচন্দ্র দে,(২৪/০৪/১৯৬৭-১৩/০৬/১৯৬৯)
প্রশান্তকুমার শূর,(১৩/০৬/১৯৬৯-২৩/০৪/১৯৭১)
শ্যামসুন্দর গুপ্ত,(২৩/০৪/১৯৭১-৩০/০৭/১৯৮৫)
কমলকুমার বসু,(৩০/০৭/১৯৮৫-৩০/০৭/১৯৯০)
প্রশান্ত চ্যাটার্জি,(৩০/০৭/১৯৯০-১২/০৭/২০০০)

সুব্রত মুখার্জি,(১২/০৭/২০০০-০৫/০৭/২০০৫)
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য,(০৫/০৭/২০০৫-১৬/০৬/২০১০)
শোভন চট্টোপাধ্যায়,(১৬/০৬/২০১০-২২/১১/২০১৮)
ফিরহাদ হাকিম (২০১৮- বর্তমান)

The News বাংলা Exclusive
The News বাংলা Exclusive

মমতার হাত দিয়ে এই রেকর্ডও গড়ে ফেলল বাংলা। ২০১৯ লোকসভা ও ২০২১ বিধানসভা ভোটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট যে মমতার দিকেই ঝুঁকবে এটাই আশা করছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। তবে, কিছুদিন আগেই এক সাংবাদিক ইনটারভিউতে ‘মিনি পাকিস্তান’ শব্দ ব্যবহার করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। নারদ মামলাতেও তাঁর নাম আছে।

এই সিদ্ধান্তে হিন্দু ভোটে কোন প্রভাব পড়বে না তো? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে। তবে, ভোটের ফলাফল ও ভোট শতাংশই বলবে মমতার এই মাস্টার স্ট্রোক কতটা সফল হল। আপাতত মমতার হাত ধরে স্বাধীনতার পর প্রথম মুসলিম মেয়র পেয়ে নজির কলকাতার।

]]>
‘শোভন-বৈশাখী’র মতোই পরকীয়ার গল্প ‘ক্লিনটন-মনিকা’র https://thenewsbangla.com/sovan-baishakhi-love-story-is-like-the-love-story-of-clinton-monica/ Thu, 22 Nov 2018 06:22:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2874 The News বাংলা, কলকাতা: কলকাতায় এখন জোর চর্চা শোভন ও বৈশাখীর প্রেম নিয়ে। তবে একটা সময়, আমেরিকার পাশাপাশি গোটা বিশ্বে চর্চার মধ্যে ছিল আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনেস্কির পরকীয়া প্রেম নিয়ে।

The News বাংলা

উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন যিনি বিল ক্লিনটন নামে পরিচিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি। তিনি নিউইয়র্ক সেনেটর ও বর্তমান ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের স্বামী। বিল ক্লিনটন ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৯৮ সালে মনিকা লিউনিস্কি ইস্যু নিয়ে ভীষণ ঝামেলায় পড়েছিলেন।

১৯৯৫ সালে মনিকা লিউনস্কির বয়স যখন ২২ বছর, তখন ক্লিনটনের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের প্রেম বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে। ৪৫ বছর বয়স্ক মনিকা বর্তমানে টেলিভিশনে শো পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ‘বৈশাখী প্রেমে ব্যস্ত’ কলকাতা ছাড়ছেন এক সাচ্চা প্রেমিক

৯০-এর দশকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের কর্মচারী মনিকা লিউনস্কিকে জড়িয়ে পরকীয়ার কাহিনী জনসমক্ষে প্রকাশ পায়। ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত যৌন কেলেংকারির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়া, ইতিহাসে সেই ছিল প্রথম। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। তিনি যা করেছেন তা যদিও বেআইনি নয়, কেননা লিউনস্কি প্রাপ্তবয়স্কা।

Image Source: Google

ক্লিনটনের বিষয়টি যতটা না ছিলো স্ক্যান্ডাল, তার চেয়ে অনেক বেশি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলো রাজনৈতিক অঙ্গনে। ক্লিনটনের প্রতি মার্কিন জনগণ ছিলো সহানুভূতিশীল। কারণ সে সময় মার্কিন অর্থনীতির অবস্থা ছিল খুবই ভাল এবং বেকারত্বের হার ছিলো নূন্যতম পর্যায়ে।

১৯৯৫ সালের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে চাকরি পায় লুইস এবং ক্লার্ক কলেজ গ্র্যাজুয়েট সুন্দরী মনিকা লিউনস্কি। এ সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম জেফারসন বিল ক্লিনটন সপরিবারে এই রাজকীয় প্রাসাদে বসবাস করতেন। ২২ বছরের এই সুন্দরীর প্রতি নজর পড়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের। কিছু দিন দৃষ্টি বিনিময় এবং অল্পস্বল্প কথোপকথনের পর মনিকার সঙ্গে ক্লিনটনের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

Image Source: Google

মনিকা এবং ক্লিনটন নিয়মিত অভিসারে মিলিত হতেন। তাঁরা রোমান্স এত উপভোগ করতেন যে, হোয়াইট হাউসেই ৯ বার গোপন অভিসারে লিপ্ত হন। এর মধ্যে পাঁচ বার এরকম অভিসারের সময় ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি রডহাম ক্লিনটন, হোয়াইট হাউসে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁদের এই অভিসারের খবর হিলারি কেন, কাকপক্ষীও টের পায়নি।

আরও পড়ুন: প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসার ‘অ-শোভন’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরির সুবাদে মনিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তাঁর সহকর্মী লিন্ডা ট্রিপের। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মনিকা তাঁর বিশ্বস্ত বন্ধু ও সহকর্মী লিন্ডাকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর গোপন অভিসারের কথা জানান।

ট্রিপ মনিকাকে পরামর্শ দেন, প্রেসিডেন্ট যে উপহার প্রদান করেন তা যেন সংরক্ষণ করা হয়। এ ছাড়া তিনি আরো অনুরোধ করেন যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোপন অভিসারের সময় যে বস্ত্র পরিধান করা হয় তা যেন পরিষ্কার না করা হয়। এই বস্ত্র পরে ‘নীল বস্ত্র’ নামে খ্যাতি লাভ করে।

Image Source: Google

মনিকা ও ক্লিনটনের গোপন রোমান্সের কথা লিন্ডা সাহিত্যিক লুসিয়ানা গোল্ডবার্গকে জানান। গোল্ডবার্গ লিন্ডাকে পরামর্শ দেন যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মনিকার কথোপকথন যেন গোপনে রেকর্ড করা হয়।

বহুবার চেষ্টার পর ট্রিপ ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁদের মধ্যকার প্রেমালাপ রেকর্ড করতে সক্ষম হন। এবার গোল্ডবার্গ ট্রিপকে পীড়াপীড়ি করে যে এই রেকর্ড করা টেপটি স্বাধীন তদন্ত কর্মকর্তা কেনথ স্টারকে প্রদান করতে।

আরও পড়ুন: ‘তাজমহল’ গড়া শেষ না করেই মারা গেলেন ‘শাহজাহান’

কিন্তু তাঁর এই আবেদনে ট্রিপ সাড়া দেননি। গোল্ডবার্গ বহুবার চেষ্টা করে ট্রিপকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়ে এই বছরের শেষের দিকে নিউজউইকের প্রতিবেদন মাইকেল ইসিকফের কাছে এ ঘটনা ফাঁস করে দেন।

এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৭ জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে ড্রাজ রিপোর্ট ওয়েবসাইটে। এই বছরেরই ২১ জানুয়ারি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

Image Source: Google

উপায়ন্তর না দেখে ক্লিনটন স্ত্রী হিলারিকে সঙ্গে নিয়ে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এই সংবাদ সম্মেলনে ক্লিনটন বলেন, ‘মনিকা নামে যে মহিলার কথা বলা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি কখনো কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো সময় একটিও মিথ্যা কথা বলিনি। এই অভিযোগ মিথ্যা।’

অতঃপর মনিকাও দাবি করেন যে ঘটনা মিথ্যা এবং ট্রিপ ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এই অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। এমতাবস্থায় ট্রিপ তাঁর কাছে সংরক্ষিত মনিকা এবং ক্লিনটনের প্রেমালাপের টেপ তদন্ত কর্মকর্তা কেনথ স্টারকে প্রদান করেন। কেনথ এই টেপের কথোপকথন পরীক্ষা করে বলেন, এ ঘটনা সত্য।

আরও পড়ুন: কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে শোভনকে তাড়ালেন মমতা

উপায়ন্তর না দেখে মনিকা গ্র্যান্ড জুরির কাছে তাঁর সঙ্গে ক্লিনটনের শারীরিক সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তাঁর কাছে সংরক্ষিত নীল বস্ত্র তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এই নীল বস্ত্র পরীক্ষা করে বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্য এবং ক্লিনটনের দাবি মিথ্যা।

অতঃপর বিচারক সুসান ডি ওয়েবার মিথ্যা কথা বলার জন্য প্রেসিডেন্টকে ৯০ হাজার ডলার জরিমানা করেন। অন্যদিকে ইয়েল আইন স্কুলের ছাত্র ক্লিনটনকে সুপ্রিম কোর্ট বার থেকে এক মাসের জন্য এবং আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের বার থেকে পাঁচ বছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর সেনেট সদস্যরা প্রেসিডেন্টের নৈতিক মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকে ইমপিচমেন্টের দাবি করেন। ক্লিনটনের ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক সদস্য ও বিরোধী রিপাবলিকানদের এই দাবি সমর্থন করেন।

Image Source: Google

ফলে সেনেটে এ বিষয়ে ২১ দিন ধরে তুমুল বিতর্ক হয়। অবশেষে ভোটাভুটিতে ক্লিনটন জয়লাভ করেন। অর্থাৎ এ যাত্রায় প্রেসিডেন্ট ইমপিচমেন্টের হাত থেকে রক্ষা পান। হিলারি ক্লিনটন পুরো ঘটনায় স্বামীর পাশে থেকে স্বামীর মনোবল জোগান।

‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে হোয়াইট হাউসের ইন্টার্ন মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়াননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। এ জন্য প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিকই করেছিলেন তিনি।’ পরবর্তীকালে বলেছেন হিলারি।

আরও পড়ুন: বাংলার পুরমন্ত্রীই কি কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র

মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে বিল ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সে সময় বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিতে সরব ছিল বিরোধীরা। যদিও এই নিয়ে একটি মন্তব্যও করেননি ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি। বহু দিন পর তিনি মুখ খুলেছিলেন স্বামীর হয়েই।

হোয়াইট হাউসের কর্মী মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারির জন্য বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কিন্তু তখন এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি বিল হিলারি। ২ দশক পর তিনি বলেন, ‘মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি বিষয়টি ক্ষমতার অপব্যবহার নয়। লিউনস্কি ছিলেন একজন ‘প্রাপ্তবয়স্ক’। তাই, প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিক কাজই করেছিলেন বিল ক্লিনটন’।

The News বাংলা

ট্রাম্পের কাছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়া হিলারি বলেন, ‘#মি-টু’ আন্দোলন নিয়ে যখন পুরো বিশ্ব তোলপাড় হচ্ছে তখন কিন্তু মনিকা লিউনস্কি কিছুই বলেননি। কারণ মনিকার ওই কাজে (যৌন সম্পর্ক) সম্মতি ছিল।

আরও পড়ুন: ঘাসফুল ছেঁটে মমতার ‘কাননে’ কি এবার পদ্ম

মনিকার সঙ্গে সম্পর্কের কথা লুকিয়েছিলেন, তাই বিল ক্লিনটনের পদত্যাগ করা উচিত ছিল—মার্কিন সিনেটর ক্রিস্টিন গ্রিলব্যান্ডের এই দাবিকে খারিজ করে দিয়েছেন হিলারি। পদত্যাগ না করার প্রশ্নে ক্লিনটনের পাশেই দাঁড়িয়েছেন হিলারি। এত দিন পরে সে কথা প্রকাশ করলেন তিনি।

The News বাংলা

সেদিন যে স্বামীর সিদ্ধান্তকে তিনি সমর্থন করেছিলেন, সেটাও সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন হিলারি। হিলারি বলেন, মনিকা লিউনস্কিরও সম্মতি ছিল তাতে। ক্লিনটন পদত্যাগ না করলেও তাকে ইমপিচ করা হয়েছিল।

স্বামীর পাশে সেদিন সর্বশক্তি নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন। রত্না চ্যাটার্জি সেই কাজটা করেন নি। আর এখানেই আমেরিকার বিল ক্লিনটনের কাছে হেরে গিয়েছেন ‘প্রেমের নায়ক’ কলকাতার শোভন চ্যাটার্জি।

]]>