KCR – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 15 Jun 2022 05:25:18 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg KCR – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 নারাজ পাওয়ার, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে মমতার বাজি গোপালকৃষ্ণ https://thenewsbangla.com/sharad-pawar-not-agree-mamata-banerjee-wants-gopalkrishna-gandhi-as-presidential-candidate/ Wed, 15 Jun 2022 05:24:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15454 নারাজ পাওয়ার, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে মমতার বাজি গোপালকৃষ্ণ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের; প্রার্থী হচ্ছেন না শরদ পাওয়ার। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার দৌড় থেকে; নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন এনসিপি সুপ্রিমো। সোমবার মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীদের বৈঠকে পাওয়ার জানিয়েছেন; তিনি বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হচ্ছেন না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে, বুধবার দিল্লিতে বৈঠকে বসছে বিরোধী দলগুলি। তার আগেই পওয়ারের এই ঘোষণা; বিরোধী শিবিরের জন্য কিছুটা হলেও ধাক্কা। তারপরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে; চেষ্টা চলছে বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীকে রাজি করানোর।

এই প্রস্তাবে না বলেননি গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, বিরোধীদের প্রস্তাব ভাবনা-চিন্তা করে দেখতে; সময় চেয়েছেন গোপালকৃষ্ণ। বুধবারই নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন; বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজি হলে, সর্বসম্মতিতে বিরোধীদের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হবেন গোপালকৃষ্ণ; কারণ এর আগেই উপরাষ্ট্রপতি পদে; সর্বসম্মতি পেয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ “চলুন বাংলায় বুলডোজার সরকার গড়ি, ডান্ডা মেরে আবর্জনা সরাবে”

শরদ পওয়ার এই মুহূর্তে বিরোধী শিবিরের; সবচেয়ে বর্ষীয়ান নেতা। প্রায় সব প্রথমসারির বিরোধী নেতার সঙ্গেই; সুসম্পর্ক রয়েছে এনসিপি সুপ্রিমোর। তিনি প্রার্থী হলে সব বিরোধী দলকে; একছাতার তলায় আনার কাজটা অনেকটাই সহজ হত। কংগ্রেসের তরফেও পওয়ারকে; প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও; পওয়ার প্রার্থী হলে আপত্তি করতেন না। পওয়ারের নামে আপত্তি ছিল না; তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআরেরও। তাতেই পওয়ারের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা; জোরাল হচ্ছিল। কিন্তু এনসিপি প্রধান নিজেই নিজেকে সরিয়ে নিলেন।

পাওয়ার না করে দেবার পর, মমতার উদ্যোগেই; গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম উঠে আসে। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত; বাংলার রাজ্যপাল ছিলেন ৭৭ বছরের গোপালকৃষ্ণ। দীর্ঘদিন আমলাও ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কার মতো দেশে; ভারতের হাইকমিশনারও নিযুক্ত ছিলেন। এখন তিনি রাজি হন কিনা; সেটাই এখন দেখার।

আগামী ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন; ভোটগণনা ২১ জুলাই। বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ; শেষ হচ্ছে ২৪ জুলাই। তার আগেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এখনও পর্যন্ত শাসক দল বিজেপিও; প্রার্থী হিসেবে কারও নাম চূড়ান্ত করতে পারেনি। কোন দুই ব্যক্তির মধ্যে দেশের রাষ্ট্রপতি পদের জন্য লড়াই হয়; সেটা দেখার অপেক্ষাতেই গোটা দেশ।

]]>
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা https://thenewsbangla.com/telangana-assembly-is-full-of-educated-mlas-when-the-bengal-will-learn/ Mon, 17 Dec 2018 10:24:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4378 The News বাংলা, কলকাতা: বিধানসভার ১১৯ বিধায়কের মধ্যে একজন শুধু সই করতে জানেন, বাকি প্রত্যেকেই শিক্ষিত। শুধু তাই নয়, তেলাঙ্গানা বিধানসভায় এবার বসবেন ২ জন পিএইচডি, ৫ জন ডাক্তার, ৯ জন ইঞ্জিনিয়ার, ১২ জন আইনজীবীও। দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত বিধানসভা হিসাবে উঠে আসছে তেলাঙ্গানা। বাংলা কবে পারবে? আদৌ কোনদিন পারবে কি?

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

বিধানসভা ভোটে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল তেলাঙ্গানা। বিধানসভায় সবাই শিক্ষিত। শুধু শিক্ষিত বললে কম বলা হবে। ১১৯ জনের মধ্যে ৭০ জনই কলেজে গেছেন। অর্থাৎ ৫৮.৮ শতাংশ বিধায়ক কলেজে পড়েছেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও এর দল তেলাঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতিই শুধু নয়, সব দলই শিক্ষিতদের ভোটে দাঁড় করিয়েছে।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

‘অশিক্ষিত’ ও ‘আঙ্গুঠা ছাপ’দের রাজনীতিতে তেলাঙ্গানা বিধানসভা যেন একঝলক শিক্ষার হাওয়া। ১১৯ আসনের ভোট যুদ্ধে কেসিআর এর দল ৮৮ টা আসনে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। কংগ্রেস ১৯ টা, বিজেপি সহ বাকিরা পেয়েছে ১০ টা আসন। কিন্তু প্রত্যেকেই শিক্ষিত মানুষদের ভোটে দাঁড় করিয়েছে। মানুষ ভোট দিয়ে জিতিয়েছেও শিক্ষিত প্রার্থীদের।

আরও পড়ুনঃ শুধু দিনে নয় দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্যের টয় ট্রেন এবার সন্ধ্যাবেলাতেও

১১৯ জন বিধায়কের মধ্যে টিআরএস বা শাসক দলের ২ জন বিধায়ক ডক্টরেট। ২৬ জন বিধায়ক পোস্ট গ্রাজুয়েট। ৪৪ জন গ্রাজুয়েট। ৪৪ জন গ্রাজুয়েট বিধায়কের মধ্যে ১৮ জন আবার প্রফেশনাল গ্রাজুয়েট। বেশির ভাগ শাসক দলের বিধায়কই উচ্চ শিক্ষিত।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

এখানেই শেষ নয়। তেলাঙ্গানা বিধানসভায় এবার বসবেন ২ জন পিএইচডি, ৫ জন ডাক্তার, ৯ জন ইঞ্জিনিয়ার, ১২ জন আইনজীবীও। ২৪ জন বিধায়ক উচ্চ মাধ্যমিক পাশ, ১৬ জন মাধ্যমিক পাশ, ২ জন ক্লাস এইট পাশ, ৩ জন ক্লাস ফাইভ পাশ। মাত্র একজন বিধায়ক শুধু সই করতে জানেন। বিজেপির বিধায়ক টি রাজা সিং শুধু সই করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

বোঝাই যাচ্ছে ভারতের ‘সবচেয়ে নতুন’ রাজ্যের ভবিষ্যৎ বেশ উজ্জ্বল। আগামীর ৫টা বছর শিক্ষিত বিধায়করা রাজ্যের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিধানসভায় বসবেন সব শিক্ষিত মানুষ। রাজ্যের আমলারাও শিক্ষিত বিধায়কদের নির্দেশে রাজ্য শাসন করতে পারবেন।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

রাজ্যের মানুষ ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন শিক্ষিত প্রার্থীদের। তারও আগে শিক্ষিত মানুষদের প্রার্থী করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও রাজ্যের মানুষের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ভোট দেওয়াও এর পিছনে অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

তবে শিক্ষার পিছনে অন্যদিকটাও আছে। তথ্য বলছে ১১৯ জনের মধ্যে ১০৬ জন কোটিপতি। আর ৪৭ জনের নামে রীতিমতো ক্রিমিনাল কেস আছে। তবে সেসব বিচারাধীন। তবে বিধানসভায় শিক্ষিত বিধায়কের সংখ্যা বাড়াটা রাজ্যের পক্ষে বেশ ভালো বলেই জানিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

অন্যদিকে, কেরালা, গুজরাত, গোয়া, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, পাঞ্জাব এমনকি ওড়িশাও শিক্ষিত মানুষদের বিধায়ক করেছে। রাজনৈতিক দল ও সাধারণ ভোটার দুই তরফই এই পরিবর্তনে এগিয়ে এসেছে। এইসব রাজ্যের উন্নয়ন পরিসংখ্যানও বেশ ভালো। দল না দেখে শিক্ষিত প্রাথীদের জেতাবার দায়িত্ত্ব নিচ্ছে ভোটাররাও। অবশ্যই ‘শিক্ষিত’ ভোটার।

আরও পড়ুন: ‘অশিক্ষিত রাজনীতিবিদ’ কলঙ্ক ঘোচাতে বুড়ো বয়সে মাধ্যমিকে

অসম্ভবকে সম্ভব করেছে তেলাঙ্গানা। বাংলার রাজনীতিবিদরা বলেন, ‘বাংলা নাকি গোটা ভারতকে পথ দেখায়’। শিক্ষিত মানুষদের ভোটে দাঁড় করিয়ে বাংলা কবে ছুঁতে পারবে তেলাঙ্গানাকে? সেই আলোর পথে কোনদিন কি হাঁটতে পারবে আমাদের বাংলা? তবেই উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগোতে পারবে বাংলা। শিক্ষিত মানুষদের হাতে রাজ্যের শাসনভার না গেলে ‘উন্নয়ন’ বা ‘আচ্ছে দিন’ কোনটাই দিনের আলো দেখবে না।

পড়ুন হাড়হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প

পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন তৃতীয় ও শেষ পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>