KastoMondal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 31 Aug 2022 11:43:58 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg KastoMondal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মমতার ‘উপকারি’ কেষ্টর পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ১৬১টি সম্পত্তি, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে https://thenewsbangla.com/anubrata-mondal-family-close-relatives-crores-of-property-161-property-claim-cbi/ Wed, 31 Aug 2022 11:43:02 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16551 মমতার ‘উপকারি’ কেষ্টর পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ১৬১টি সম্পত্তি তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে। সিবিআই সূত্রে দাবি, অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠদের কয়েকশো কোটি টাকার ১৬১টি আইনি সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে। এর বাইরে বেনামে যে কত সম্পত্তি আছে, সেটাই খোঁজার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি দল। কেষ্টর পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ১৬১টি সম্পত্তি হয়েছে, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে শেষ ৫ বছরে।

অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের নামে, ৪৭টি নথিভুক্ত সম্পত্তি রয়েছে। অনুব্রতর একার নামে ২৪টি, অনুব্রত কন্যা সুকন্যার নামে ২৬টি ও অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামে ১২টি জায়গায় নথিভুক্ত সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সিবিআই সূত্রে। সিবিআই সূত্রের দাবি, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পুরসভার কর্মী বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে ৩২টি ও বিদ্যুতের স্ত্রী মহুয়া গায়েনের নামে ২টি জায়গায় সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। আরেক অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কমলকান্তি ঘোষ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামেও, ১৮টি জায়গায় রেজিস্টার্ড সম্পত্তি মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে দাবি। আর সবটাই হয়েছে, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে।

আরও পড়ুন; তৃণমূল নেতা খু’নে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা, তৃণমূলেরই আট নেতাকে

সিবিআই সূত্রে দাবি, গরু-পাচার মামলার তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের পরিবারের চালকল থেকে জমি, আরও বহু সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। কালিকাপুর ও গয়েশপুর মৌজায়, একাধিক সম্পত্তির নথি মিলেছে। যেগুলির মালিকানা অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী ছবি মণ্ডল ও মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের নামে। এর মধ্যে গয়েশপুর মৌজায় রয়েছে, ২৮টি জমি। যার ১৫টির মালিকানা অনুব্রতর স্ত্রীর নামে।

এই বিপুল সম্পত্তি কেনা হয়েছিল ২০১৪ থেকে ২০১৭, এই চার বছরে। সিবিআই সূত্রে দাবি, এছাড়াও মণ্ডল পরিবারের বীরভূম ও পুরুলিয়ায়, একাধিক চালকল রয়েছে। যেগুলিতে অংশীদারি রয়েছে অনুব্রত-কন্যা সুকন্যার নামে। সপ্তাহ খানেক আগেই, বেনামি সম্পত্তি থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন অনুব্রত মণ্ডল।

এদিন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মোট ৪ জনের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তাঁর মধ্যে রয়েছেন সুদীপ রায়, দোলনকুমার দে। এর পাশাপাশি অনুব্রতর অ্যাকাউন্ট্যান্ট, মনীশ কোঠারির বাড়িতেও পৌঁছেছে সিবিআই। বাড়িতে খানাতল্লাশির পর ‘আটক’, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে জেরা পর্ব। তদন্তকারীদের অনুমান, বোলপুরের অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই নেতাদের জেরা করা হলেই, প্রকাশ্যে আসবে বহু অজানা তথ্য, যা তদন্তে সহযোগিতা করবে।

]]>
কেষ্টদা সিবিআই হেফাজতে, বোলপুরে বন্ধ হল তৃণমূলের কোটি টাকার অবৈধ কারবার https://thenewsbangla.com/anubrata-mondal-in-cbi-custody-illegal-toll-collection-center-closed-in-bolpur-birbhum/ Tue, 23 Aug 2022 16:13:12 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16363 কেষ্টদা সিবিআই হেফাজতে, বোলপুরে বন্ধ হল তৃণমূলের কোটি টাকার অবৈধ কারবার। অনুব্রত মণ্ডল সিবিআই হেফাজতে, বোলপুরে উঠে গেল অবৈধ টোল আদায় কেন্দ্র। এই টোল আদায় কেন্দ্রে তোলা টাকা নিয়ে, বহু বছর ধরেই একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, এই টোলের টাকাতেই নাকি বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের কার্যালয়ের, সমস্ত খরচ চলত। এখন গরু-পাচার মামলায়, বোলপুরের নানা জায়গায় চলছে সিবিআই তল্লাশি। কেষ্টদা নিজেই সিবিআই হেফাজতে, তাই উঠে গেল জেলা পরিষদের নামে তৃণমূলের টোল আদায় কেন্দ্র। এমনটাই জানাচ্ছেন স্থানিয় বাসিন্দারা।

রাজ্য সরকারের বা রাজ্য পুলিশের কোনদিন নজরে পড়েনি, এবার রাতারাতি উঠে গেল বীরভূম জেলা পরিষদের নামে তৃণমূলের অবৈধ টোল আদায় কেন্দ্র। সূত্রের খবর, সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাতীয় সড়কের উপর, টোল আদায় করত জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদের নামে ছাপানো বিলে, নেওয়া হত টাকা। কিন্তু সেই টাকা জমা হত না, জেলা পরিষদের কোষাগারে। কোথায় যেত সেই টাকা? উত্তর খুঁজছে সিবিআই অফিসাররা।

আরও পড়ুনঃ এত হইচই সত্ত্বেও আজও বন্ধ হয়নি গরু পাচার, দুধ-ডাক পার্সেল গাড়িতে বাংলাদেশে গরু পাচার

বোলপুর থেকে বর্ধমান যেতে অজয় নদের উপর, অজয় সেতুর আগে একটি টোল আদায় কেন্দ্র ছিল। জাতীয় সড়কের উপর বীরভূম জেলা পরিষদের প্যাডে, এখানে টোল আদায় করা হত। যা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছে। ২০২২ সালে এই বোলপুর সুরতেশ্বর শিবতলা মোড়ে, বীরভূম জেলা পরিষদের নাম লিখে একটা টোল আদায় কেন্দ্র তৈরি হয়। ২–বি জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে যাওয়া গাড়ি থেকে, টোল আদায় করত জেলা পরিষদ। কিন্তু আদৌ সেই টাকা জমা পড়ত না জেলা পরিষদের অ্যাকাউন্টে।

গাড়ি পিছু ১০, ২০, ৩০, ৫০ টাকা থেকে, বড় গাড়ি ৮০, ১০০, ১১০ টাকা পর্যন্ত টোল আদায় করা হত। গড়ে দেড় লক্ষ টাকা দিনে আদায় হত, এই টোল আদায় কেন্দ্র থেকে। জাতীয় সড়কের উপর জেলা পরিষদের এই টোল আদায় কেন্দ্রের, কোন এক্তিয়ার ছিল না বলেই অভিযোগ। কেউ কোনদিন নজরই দেয়নি। এবার সিবিআই-য়ের ভয়ে রঙ করে মুছে দেওয়া হয়েছে, জেলা পরিষদের নাম। কেন এমন করা হল?‌ তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। “দাদা ফিরে এলে আবার চালু হবে”, জানিয়েছেন স্থানিয় একজন।

]]>