Indian Rail – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 23 May 2022 07:08:53 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Indian Rail – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 “এটা কি তোর বাপের স্টেশন” বলার দিন শেষ, টাকা ফেললেই রেলস্টেশন আপনার নামে https://thenewsbangla.com/eastern-rail-co-branding-rail-stations-private-company-can-sponsor-a-railway-station-for-their-name/ Mon, 23 May 2022 07:06:16 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15157 “এটা কি তোর বাপের স্টেশন” বলার দিন শেষ; এবার টাকা ফেললেই আস্ত একটা রেলস্টেশন আপনার নামে হতে চলেছেন। বিশ্বাস করছেন না তো? কিন্তু এটা গল্প হলেও সত্যি! যাত্রিভাড়া বৃদ্ধি না করে আয় বাড়ানোর জন্য; এবার ‘অন্য পথ’ বেছে নিল ইণ্ডিয়ান রেল। পূর্ব রেলের হাওড়া শাখার বিভিন্ন স্টেশনের নামের সঙ্গে; এবার জুড়তে পারে বেসরকারি সংস্থার নাম। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে দরপত্র বা টেন্ডার ডাকা হয়েছে বলেও রেল সূত্রে খবর। যদিও পুরনো নামে বদল ঘটলে, স্টেশনগুলির আগের ঐতিহ্য বহাল থাকবে কি না; তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

যাত্রীদের উপর চাপ না দিয়েই; আয় বাড়ানোর পথে হাঁটতে চাইছে রেল। আর এর জন্য হাওড়া শাখার বিভিন্ন স্টেশনে; এবার বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে রেল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, কতকটা স্টেডিয়ামে স্পনসরের মতোই; স্টেশনের জন্যও ‘স্পনসরশিপ’ খোঁজার কাজ চলছে। এর জন্য, ইতিমধ্যেই দরপত্র ডাকা হয়েছে।

মেট্রোর বেশ কয়েকটি স্টেশনের সঙ্গে; ইতিমধ্যেই বেসরকারি সংস্থার নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এবার একই পথে চলবে রেলও। এরপর থেকে হাওড়া শাখার বিভিন্ন স্টেশনের নামের সঙ্গে; জুড়ে যাবে বেসরকারি কোনও সংস্থার নাম। ইউরোপে ফুটবল ক্লাবগুলির স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে; এমনটা দেখা যায় প্রায়শই।

আরও পড়ুনঃ সিবিআই তদন্তে জর্জরিত তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীরা, শুভেন্দুকে নবান্নে ডাকল রাজ্য সরকার

পূর্ব রেল সূত্রে দাবি, রেলযাত্রীদের পকেটে যাতে টান না পড়ে; সেই দিকে খেয়াল রাখতেই এই বিকল্প পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। ফলে সরাসরি টিকিটের দাম না বাড়িয়েও; আয় বাড়াতে পারবে রেল। একে বিকল্প পদ্ধতিতে, রাজস্ব আদায়ের উদাহরণ হিসাবেই; দেখছেন রেল কর্তৃপক্ষ। যাতে স্টেশনগুলির ‘কো-ব্র্যান্ডিং’ করা হবে; বলে জানানো হয়েছে। এর জেরে স্টেশনের নামের আগে বা পরে থাকবে, দরপত্রে বাছাই করা; বেসরকারি বা বিজ্ঞাপনী সংস্থা অথবা কোনও পণ্যের নাম।

এদিকে রেল স্টেশনগুলির ঐতিহ্য বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্নে, রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে; ‘কো–ব্র্যান্ডিং’-এর জেরে কোনও স্টেশনের নামই; সরকারি-ভাবে পরিবর্তিত হবে না। ট্রেনের টিকিট, রিজার্ভেশন ব্যবস্থা, ওয়েবসাইট বা রুট ম্যাপে; স্টেশনের পুরোনো সরকারি নামই উল্লেখ করা থাকবে। যাত্রীদের জন্য ঘোষণার সময় ‘কো–ব্র্যান্ডিং’ করা; স্টেশনের নাম বলা হবে না। এই ‘কো-ব্র্যান্ডিং’ বিষয়টি; মোটের উপর বিজ্ঞাপনের মত হবে শুধুমাত্র।

]]>
দিল্লি থেকে সরাসরি ট্রেনে করে পৌঁছে যান লে-লাদাখ https://thenewsbangla.com/leh-ladakh-reached-by-the-train-directly-from-delhi-by-indian-rail/ Wed, 05 Jun 2019 16:58:15 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13546 রেলপথেই সরাসরি লে-লাদাখ। লাদাখের সঙ্গে রাজধানী নয়াদিল্লির; সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে প্রস্তুত ভারতীয় রেল। আর সেই রেলপথই হবে; বিশ্বের উচ্চতম রেলপথ। ভারত-চীন সীমান্তঘেঁষা সেই রেলপথের মাধ্যমে; বিলাসপুর থেকে মান্ডি-কুলু-মানালি-লেহ হয়ে; মাত্র ২০ ঘণ্টাতেই দিল্লি থেকে লাদাখ পৌঁছনো যাবে।

আর খুব একটা বেশি দেরি নেই; খুবজোর মাত্র ৩০ মাস। তারপরে দিল্লি থেকে রেলপথেই; পৌঁছে যাওয়া যাবে লে-লাদাখ। এটাই হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলপথ। এই পথে ট্রেন পরিষেবা চালু হয়ে গেলে; আরও একটি পালক জুড়বে ভারতীয় রেলের মুকুটে। বিলাসপুর থেকে মান্ডি-কুলু-মানালি হয়ে; খোকসার; কেলং; প্যাং হয়ে লে-লাদাখ পৌঁছবে ওই লাইন।

আরও পড়ুনঃ বিজেপিতে যোগ দিলেন বেদের মেয়ে জোসনা

সুন্দরনগর; মাণ্ডি; মানালি; কেইলং; কোসকার; দারচা; উপসি এবং কেরু হয়ে; লাদাখ পৌঁছবে এই ট্রেন। আর ৩০ মাসের মধ্যে এই রেলযাত্রা; শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ট্রেন চালু হয়ে গেলে ২০ ঘণ্টার মধ্যে; দিল্লি থেকে লাদাখ পৌঁছে যাওয়া যাবে।

৪৬৫ কিলোমিটার এই রেলপথ পাততে খরচ পড়বে; প্রায় ৮৩,৩৬০ কোটি টাকা। এই রেলপথে মোট ৭৪টি টানেল পড়বে। এছাড়া এই পথে ১২৪টি ব্রিজ ও ৩৯৬টি ছোট ব্রিজ পড়বে; বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। কেইলঙে হবে উচ্চতম রেল স্টেশন।

রেলেরই জোড়া উদ্যোগের খবর মিলল। এবার যাত্রী পরিষেবায় দেশের সবথেকে দ্রুতগতিসম্পন্ন ইঞ্জিনের; সূচনা ঘটাতে চলেছে রেল। চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কস; এই ইঞ্জিন বানাচ্ছে। ইঞ্জিনে ‘অ্যারোডায়নামিক এবং আর্গোনোমিক ডিজাইন’ ব্যবহার করা হয়েছে।

রাজধানী এক্সপ্রেস, গতিমান এক্সপ্রেস এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে এই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। এছাড়া খুব শীঘ্রই দেশের সর্বপ্রথম ইঞ্জিনবিহীন ট্রেনের সূচনাও করা হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। রেলওয়ের মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে; ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন ওয়াপ-৫ লোকোর সূচনা ঘটাতে চলেছে রেল।

পাশাপাশি বিশ্বের দীর্ঘতম রেলপথের মাধ্যমে দিল্লি থেকে লাদাখ পৌঁছনোর অভিনব উদ্যোগ সম্পূর্ণ করছে রেল। পর্যটন ব্যবসার উন্নতি ঘটাতেই; ভারতীয় রেলের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লাদাখ, হিমাচল রুটের সড়কপথ; অনেক সময়েই তুষারধসে বন্ধ হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে পর্যটকদের প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। সেই সমস্যার অবসান ঘটাতেই; এবার রেলপথে লাদাখ পৌঁছনোর অভিনব উদ্যোগ রেলের।

]]>
উত্তরবঙ্গের জনবহুল স্টেশনেও কি লুকিয়ে আছে বিপদ https://thenewsbangla.com/the-populated-stations-of-north-bengal-are-in-a-dangerous-situation/ Sun, 28 Oct 2018 10:35:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1543 শিলিগুড়িঃ সাঁতরাগাছিতে ফুটওভার ব্রীজ কান্ডের পর পরই বর্তমানে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশনের ফুটব্রীজগুলিতে সাবলিল যাতায়াতে যাত্রীরা কিছুটা হলেও আতঙ্কিত। উত্তর থেকে দক্ষিন কিংবা পূর্ব -পশ্চিম সহ গোটা রাজ্যেরই প্রায় সমস্ত জনবহুল স্টেশনগুলিতেই পর্যটক থেকে সাধারন নিত্যযাত্রীদের মধ্যে একপ্রকার ভীতির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে ফুটওভার ব্রীজগুলি। একদিকে লাইন পারাপারের সতর্কিকরন, অন্যদিকে ফুটওভার ব্রীজে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা, সবে মিলিয়ে একপ্রকার আতঙ্কের মধ্যেই ট্রেনে যাত্রায় আতঙ্কিত যাত্রীরা।

যদিও সাঁতরাগাছি কান্ডের পর শিক্ষা নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে রেলওয়ে দফতর। সমস্ত জনবহুল স্টেশনগুলির ফুটওভার ব্রীজগুলির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। তবুও উত্তরবঙ্গ সহ রাজ্যের বেশ কিছু জনবহুল স্টেশনের এই ধরনের ব্রীজের হালহকিকত নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারন যাত্রীরা।

The News Bangla

দক্ষিনবঙ্গের বিধাননগর, দমদম, নৈহাটি, ব্যান্ডেল, বর্ধমান সহ একাধিক স্টেশনের মতই উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনবহুল স্টেশন নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন ও শিলিগুড়ি জংশন স্টেশন। নিত্যদিনই এই স্টেশন দুটিতে লক্ষ লক্ষ যাত্রীদের আনাগোনা। প্রতিদিনই সেই সমস্ত যাত্রীদেরই ট্রেন ধরতে প্লাটফর্মে যাতায়াতে একমাত্র ভরসা ফুটওভার ব্রীজ।

আরো পড়ুন:সাঁতরাগাছি রেল স্টেশনে ফুটব্রিজে পদপিষ্ট বহু যাত্রী

কিন্তু এনজেপি স্টেশনে মাত্র তিনটি ফুটওভার ব্রীজ রয়েছে। প্রতিদনই ট্রেন ধরতে এই তিনটি ব্রীজে দিয়েই লক্ষ লক্ষ যাত্রীদের আনাগোনা এবং ট্রেন ধরবার অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অপেক্ষা পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারন নিত্যযাত্রীদের। তার মধ্যে একটি দিয়ে শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দারাই যাতায়াত করেন। পর্যটকরা সেই ফুট ব্রীজের কথা জানলেও ব্যবহার প্রায় করেন না বললেই চলে।

বর্তমানে পাহাড় শান্ত, ডুয়ার্সের জঙ্গলেরও পর্যটন খুলে গেছে। তারও পর বিভিন্ন পর্যটন স্থলে প্রতিদিন প্রচুর পর্যটক আসা যাওয়া করার ক্ষেত্রেও এই এনজেপি স্টেশনই প্রধান ভরসা। তাছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং সহ শিলিগুড়িতেও বেশ কিছু নতুন নতুন পর্যটনস্থল হওয়ায় পর্যটকের সংখ্যা প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গেই।

The News Bangla

সে কারনেই দিন দিন যাত্রীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুন। এবং সেই কথা মাথায় রেখেই বেড়েছে ট্রেনের সংখ্যাও। উত্তর পুর্ব সীমান্তে প্রচুর নতুন ট্রেন চালু হয়েছে। আর সমস্ত ট্রেনেরই যাতায়াত এই করিডোর এনজেপি’র ওপর দিয়েই। ফলে ট্রেন ও যাত্রীর অনুপাতে ব্রীজের সংখ্যা রয়ে গেছে সেই তিনেই।

আরো পড়ুন: কেন্দ্রীয় আইবিতে ১০৫৪ মাধ্যমিক পাশ অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ

নতুন কোনো ফুটব্রীজ তো তৈরী হয়ই নি, তারপর ফুটব্রীজগুলির রক্ষনাবেক্ষনও তথৈবচ। এমনকি কোনো সংস্কারও লক্ষ করা যায় নি বিগত কয়েক বছরে। পাহাড়, ডুয়ার্স ও প্রতিবেশী রাজ্য সিকিম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড সহ সাতটি রাজ্যের পর্যটক ও সাধারন যাত্রীদের আনাগোনার কারনে অনেকটাই চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে এনজেপি মূল স্টেশন ও শিলিগুড়ি জংশনের ওপর।

The News Bangla

কেননা, ট্রেনে করে পর্যটকরা পাহাড়, ডুয়ার্স বা সিকিম যেখানেই যান না কেন তাদের হয় এনজেপি স্টেশন আর না হলে শিলিগুড়ি জংশনে নেমে তারপর সড়ক পথে যেতে হয়। তাই এসব স্টেশনের ফুটব্রীজগুলো নিয়মিত রক্ষনাবেক্ষন, সংস্কার ও দেখভালের প্রয়োজনীয়তা থেকেই যায়।

রেল সুত্রে খবর, এনজেপি স্টেশনের প্রথম ফুটওভারব্রীজ তৈরী হয়েছিল গত সত্তরের দশকে। এই ব্রীজের দৈর্ঘ্য ১৯৬ মিটার এবং প্রস্থ ৩.২০ মিটার। এরপর প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ২০০৫ সালে আর একটি ফুটওভারব্রীজ তৈরী হয় যার দৈর্ঘ্য ১৮৬.৫০ মিটার ও প্রস্থ ৬.৩০ মিটার। পরবর্তীতে মালপত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য ২০১৪ সালে আর একটি ফুটব্রীজ তৈরী করা হয়। এই ব্রীজের দৈর্ঘ্য ৪২৬ মিটার ও প্রস্থ ৪.৮০ মিটার।

তবে তুলনামুলকভাবে প্রথম ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফুটব্রীজের প্রস্থ অনেকটাই কম। আর এই ব্রীজ দিয়েই যাত্রীদের সবচেয়ে বেশী যাতায়াত। শুধু তাই নয়, ট্রেন ধরবার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা এই পুরনো ব্রীজের ওপরই প্রতীক্ষা করেন যাত্রীরা। সেইসঙ্গে টিকিট কাউন্টার লাগোয়া হওয়ায় টিকিট কেটে সবাই সরাসরি এই ব্রীজটাই ব্যবহার করে থাকে। ফলে, এই ব্রীজেই সবচেয়ে বেশি চাপ পরে।

The News Bangla

আর দীর্ঘ বয়সের ভারে, জীর্নতা গ্রাস করেছে এই ফুটব্রীজকে। কিন্তু তার সংস্কার কিংবা রক্ষানাবেক্ষনস্ত বা যাত্রী সুরক্ষার ক্ষেত্রে সেই তথৈবচ অবস্থা। অন্যদিকে শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনের তিনটি প্লাটফর্মের সংযোগে মাত্র একটি ফুটব্রীজই রয়েছে। এই দুই স্টেশনের ওপর দিয়ে ৪৪ জোড়া ট্রেনে লক্ষ লক্ষ যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও জংশন স্টেশনে কিন্তু ফুটওভার ব্রীজ বাড়ে নি। তারপর, এখানেও রক্ষনাবেক্ষনে সেই একই হাল।

আরো পড়ুন: সিবিআই এর নিজেদের ঝামেলা বাংলায় স্বস্তিতে রাখবে তৃণমূলকে

ফলে, সাঁতরাগাছি কান্ডের পর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে একপ্রকার আতঙ্কের মধ্যে প্রাণ হাতে নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের। তাই যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবী পুরোনো ও প্রথম তৈরী হওয়া ফুটব্রীজটি ভেঙে নতুন করে ফুটব্রীজ তৈরী করা হোক। যাত্রীদের আরও দাবী, শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনেও নতুন আরও একটা ফুটওভারব্রীজ তৈরি করুক রেলওয়ে অথরিতি।

সেইসঙ্গে নিয়মিত রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কারের দাবীও তুলেছ পর্যটক থেকে নিয়মিত যাত্রীরা। এদিকে রেল সুত্রে জানা গেছে, এনজেপি স্টেশনের পুরোনো এই ব্রীজটি ভেঙে নতুন একটি ব্রীজ তৈরী করার অনুমোদন ইতিমধ্যেই চলে এসেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে। কিন্তু কবে তার কাজ শুরু হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু এখনও জানায় নি রেলওয়ে দফতর। অন্যদিকে জংশন স্টেশন নিয়েও স্পষ্ট কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি নর্থ ইষ্ট, নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলেওয়ের পক্ষ থেকে।

]]>