Indian National Congress – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 13 Mar 2019 13:01:31 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Indian National Congress – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাহুল প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ বিজেপির https://thenewsbangla.com/rahul-and-priyanka-gandhi-accused-of-land-controversy-by-bjp/ Wed, 13 Mar 2019 12:41:53 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8340 দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ আনলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানী। জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও রবার্ট বঢরার বিরুদ্ধে আজ তোপ দাগেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

গান্ধী পরিবারকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পথ থেকে কংগ্রেস দেশবাসীকে একের পর এক দুর্নীতি উপহার দিয়েছে। দুর্নীতিকে কংগ্রেস তাদের পারিবারিক ব্যবসা বানিয়ে ফেলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এরপরেই রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও রবার্ট বঢরার বিরুদ্ধে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনেন স্মৃতি ইরানী।

সাংবাদিক বৈঠকে স্মৃতি অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভান্ডারীর সাথে রাহুল ও রবার্ট বঢরার সরাসরি যুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রতিরক্ষা চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সঞ্জয় ভান্ডারী গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছেন, যার বিরুদ্ধে ইউপিএ আমলেও অস্ত্র ব্যবসায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের

স্মৃতি ইরানী আরও বলেন, অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভান্ডারীর সাথে গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারনে নয়, বরং এর সাথে গান্ধী পরিবারের সকল সদস্যদের অর্থনৈতিক এবং তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থও জড়িত।

সম্প্রতি রাফাল নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছে কেন্দ্র সরকার। রাহুল গান্ধী এখনও তার সকল জনসভায় রাফাল নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বাকযুদ্ধ জারি রেখেছেন। রাফাল ইস্যুতে রাহুলকে এক হাত নিয়ে বলেন, সঞ্জয় ভান্ডারীর সংস্থা রাফাল সংক্রান্ত চুক্তিতে সুবিধা করতে পারেনি। তাই রাহুল চেষ্টা করছেন, রাফাল চুক্তিকে যেনতেন প্রকারেন ভেস্তে দেওয়া।

আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

সঞ্জয় ভান্ডারীর সাথে সিসি থাম্পি ও পহওয়ার সাথেও রাহুলের জমি সংক্রান্ত বেআইনী লেনদেনের অভিযোগ তোলেন তিনি। অভিযোগে জানানো হয়েছে, রাহুল গান্ধী পহওয়ার কাছ থেকে একটি জমি কিনেছেন। পহওয়া, রবার্ট বঢরার কাছেও মহেশনগরে একটি জমি বিক্রি করেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও এই জমি ক্রয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত এবং অভিযোগ যে, প্রিয়াঙ্কা একই জমি পহওয়ার কাছে বেশি দামে বিক্রি করেন।

আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

স্মৃতি অভিযোগ করেন, ইতিমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে এই ইস্যুতে পহওয়া ও সিসি থাম্পির কাছ থেকে বিপুল পরিমানে অর্থ নিয়েছেন। সিসি থাম্পিও সঞ্জয় ভান্ডারীর সাথে বঢরার চুক্তি সংক্রান্ত তদন্তে অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দাদের নজরদারিতে রয়েছেন।

যদিও স্মৃতি ইরানীর সব অভিযোগ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। ভোটের মুখে দল ও গান্ধী পরিবারকে বদনাম করতেই এটা বিজেপির চক্রান্ত বলে জানান হয়েছে কংগ্রেসের তরফ থেকে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
গান্ধীজির দেখানো পথেই কংগ্রেস মুক্ত ভারত গড়বে মোদী সরকার, ব্লগে দাবি প্রধানমন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/narendra-modi-to-follow-mahatma-gandhis-footsteps/ Tue, 12 Mar 2019 08:10:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8178 ভোটের মুখে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। মঙ্গলবার ১২ই মার্চ মহাত্মা গান্ধীর ডান্ডি যাত্রার ৯০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ঠিক তার আগেই একটি ব্লগে তিনি গান্ধীর আদর্শের ব্যাখ্যা দিতে দিয়ে কংগ্রেসের তুলনা টেনে আনেন।

মহাত্মা গান্ধীর আদর্শের সাথে এখনকার কংগ্রেসের কোনও মিলই নেই, বর্তমানে কংগ্রেস গান্ধীর দেখানো পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এমনকী গান্ধীজি নিজেই কংগ্রেসসে এক সময়ে ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। আর সেই নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এগিয়ে তৃণমূল, মঙ্গলবার বিকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা

নরেন্দ্র মোদী ব্লগে উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে কংগ্রেস রাজনীতিতে তাদের প্রাধান্য বজায় রাখার জন্য জাতপাত ও ধর্মকেন্দ্রিক ভেদাভেদকে ইন্ধন যোগাচ্ছে। স্বাধীনতা উত্তর ভারতবর্ষেও সবথেকে বেশি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও জাতিগত হানাহানি কংগ্রেসের সময়েই হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, গান্ধীজি কখনও ধর্ম বা জাতপাতকেন্দ্রিক ভেদাভেদের পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু গান্ধীজির নাম ব্যবহার করে স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনীতি চরিতার্থ করতে গান্ধী পরিবার মহাত্মা গান্ধীর সকল প্রকার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। কংগ্রেসের এই মানসিকতা বুঝতে পেরেই মহাত্মা গান্ধী কংগ্রেস দল ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন বলে নরেন্দ্র মোদী দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে মুকুলের ভয় দেখিয়ে কি রাজ্যে মন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন

রাজনীতিতে গান্ধী পরিবারের রাজনৈতিক অধিপত্য নিয়ে বিজেপি সব সময় সরব হয়েছে। গান্ধীজির নামের অপব্যবহার করে গান্ধী পরিবার যুগের পর যুগ রাজনীতি করে যাচ্ছে বলে বিজেপির নেতানেত্রীরা প্রায়ই দাবি করেন। ফের একবার প্রধানমন্ত্রী সরব হলেন গান্ধী পরিবারের রাজনীতির ধরন নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

মঙ্গলবার গুজরাটের সবরমতী আশ্রমে কংগ্রেসের তরফেও গান্ধী স্মরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী , প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সকলেই উপস্থিত থাকছেন। তার আগেই কংগ্রেসকে কটাক্ষ করার সুযোগ নিলেন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা থেকে বিগত কংগ্রেস আমলে কংগ্রেসের সীমাহীন দুর্নীতি নিয়েও মোদী সরব হন। তিনি বলেন, তাঁর দল বিজেপি সকল প্রকার দুর্নীতি রোধ করতে বদ্ধ পরিকর, আর সেজন্যই মহাত্মা গান্ধীর দেখানো পথে কংগ্রেস মুক্ত ভারত গঠনের পথ অনুসরণ করেছে তাঁর রাজনৈতিক দল বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পুলওয়ামা হামলা মোদী ইমরানের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ফল, বললেন কংগ্রেস নেতা https://thenewsbangla.com/pulwama-terror-attack-results-of-match-fixing-of-modi-and-imran-said-congress-leader/ Fri, 08 Mar 2019 05:49:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7806 রাজনীতি পিছু ছাড়ছে না পুলওয়ামাকে। পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলছে দোষারোপ পাল্টা দোষারোপের পালা। সেনাবাহিনীর প্রতি কে কতটা ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করবে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনীতি। এমনকী বিভিন্ন সময়ে দেশের সেনাকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা রাজনৈতিক দলগুলোও সেনাবাহিনী নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করতে ছাড়ছে না। আর এবার পুলওয়ামা হামলা মোদী ইমরানের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ফল, বললেন কংগ্রেস নেতা।

আরও পড়ুনঃবৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে

সম্প্রতি পুলওয়ামা নিয়ে কংগ্রেসের দিগ্বিজয় সিংহ থেকে নভোজ্যোত সিং সিধু একাধিকবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিতর্কে জড়িয়েছেন৷ এবার সেই তালিকায় নয়া সংযোজন কংগ্রেস সাংসদ বি কে হরিপ্রসাদ। এই নেতা পরিস্কার বলে দিলেন, পুলওয়ামা হামলা মোদী ইমরানের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ফল।

আরও পড়ুনঃ মরে গিয়েও তৃণমূল বিজেপির হাত থেকে রেহাই পেলেন না বড়মা

পুলওয়ামার ঘটনার পরম্পরা দেখে কংগ্রেস সাংসদ বি কে হরিপ্রসাদ বলেছেন, “পুলওয়ামার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা নরেন্দ্র মোদী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ফল”। পুলওয়ামার পর একের পর এক ঘটনাক্রম দেখতে সেটা পরিষ্কার হয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

আরও পড়ুনঃ এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের অ্যাসিড আক্রান্তরা

এর কারণ হিসেবে তিনি দুই বছর আগের একটি ঘটনার তুলনা টেনেছেন। বি কে হরিপ্রসাদ বলেন, আখলাকের ফ্রিজে ২ কেজি গোমাংস খুঁজে পেয়েছিল ওরা, কিন্তু জাতীয় সড়কে ৩৫০ কেজি আরডিএক্স খুঁজে পেল না সরকার। ম্যাচ ফিক্সিং না হলে এমনটা সম্ভব হত না বলেই তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ ডিএ মামলায় হাইকোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের

শুধু কংগ্রেস নেতাই নন, এর আগেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মোদীর বিরুদ্ধে সরাসরি আঙুল তুলে পুলওয়ামা কান্ডের জন্য তাঁকেই দায়ী করেছিলেন। নরেন্দ্র মোদী পুরোটাই জানতেন বলে মন্তব্য করেন মমতা। ৪৯ জন জওয়ানের মৃত্যু নিয়ে বারবার অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ মতুয়াদের বড়মার মৃত্যু রহস্যজনক, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

এদিকে উল্টো তোপ দেগেছে বিজেপিও। বিভিন্ন সময়ে বিজেপির নেতাদের তরফে বলা হয়েছে, কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস সহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল পাকিস্তানের সুরে কথা বলছে। দেশের সেনাবাহিনীর থেকে পাকিস্তানি সেনা ও সংবাদমাধ্যমের ওপর তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। বায়ুসেনার এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসলে শহিদ জওয়ানদেরই অপমান করছে বিরোধীরা, বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ দেশ বা সরকারের সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেই জেল

তবে এবার সেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সুরে সুর মিলিয়েই কংগ্রেস সাংসদ বি কে হরিপ্রসাদও পুলওয়ামা হামলার জন্য সরাসরি মোদীকেই দায়ি করলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বক্তব্যকে হাতিয়ার করেছিল পাকিস্তানের মিডিয়া। এবার কি কংগ্রেস সাংসদ বি কে হরিপ্রসাদ এর বক্তব্যকেও হাতিয়ার করবে পাক মিডিয়া? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রী কিষান যোজনায় দারিদ্র্যের পরিমান কমবে ২০ শতাংশ
আরও পড়ুনঃ রাফায়েল যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত সব নথি চুরি হয়ে গিয়েছে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সিবিআই ইডি তদন্ত থেকে বাঁচাতেই কি স্বামীকে রাজনীতিতে আনছেন প্রিয়াঙ্কা https://thenewsbangla.com/priyanka-gandhi-has-brought-her-husband-robert-to-politics-to-save-from-cbi-ed/ Mon, 25 Feb 2019 05:31:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7147 প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট আসছেন রাজনীতিতে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট ভদ্র রাজনীতিতে আসছেন। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া রবার্ট ভদ্রর এক পোস্ট তাঁর রাজনীতিতে নামার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেখানে তিনি মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উত্তরপ্রদেশের পূর্বাংশে ৪০ টি বিধানসভা এলাকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তার পরেই এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রবার্ট ভদ্র। এবার ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সেটাই যেন স্বীকার করে নিলেন। রবার্ট ভদ্রের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলার তদন্ত চলছে। ইডির জেরার মুখে পরেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ পাক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মোদীকেই যোগ্য বলছেন দেশের মানুষ

রবার্ট ভদ্র ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে থেকে আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাইনি। কিন্তু যদি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তাদের জন্য বড় কিছু করা যায়, তাহলে কেন যোগ দেব না? তবে আমি রাজনীতিতে যোগ দেব কি না, তা জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে’। আর এই লেখার পরই রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এবার প্রিয়াঙ্কার মতই সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কার স্বামীও।

এর আগে প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে অনেক বছর ধরে আমি প্রচারের কাজ করছি। কাজ করার সময় আমার মনে হয়েছে মানুষের জন্য আমি আরও বেশি কিছু করতে পারি, কিছু পরিবর্তন আনতে পারি। ওই সময় মানুষের কাছ থেকে আমি অনেক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা পেয়েছি’।

আরও পড়ুনঃ বিশ্ব জুড়ে প্রভাব ফেলে শান্তি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

নিজের ওপর আরোপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে রবার্ট লিখেছেন, ‘এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সরকার আমার পেছনে লেগে আছে। তারা আমার নাম ব্যবহার করে দেশের প্রধান ইস্যু ভিন্ন দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে’। তিনি আরও লিখেছেন, ‘দেশের মানুষ ধীরে ধীরে বুঝতে পারছে আমার ওপর আরোপিত অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। অনেক মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমি পেয়েছি। অনেকেই আমাকে সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন’।

আরও পড়ুনঃ ভারতের নদী থেকে একফোঁটাও জল দেওয়া হবে না পাকিস্তানকে

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কংগ্রেসের হয়ে লোকসভা ভোটে দাঁড়াতেও পারেন প্রিয়াঙ্কার স্বামীও। সেক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে যে অর্থ পাচারের মামলার তদন্ত চলছে সেটাও রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করা যাবে। পুরোটাই সরাসরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই দেখান যাবে মানুষকে। চাপা দেওয়া যাবে অর্থ পাচারের মামলার তদন্ত। অনেক বেশি করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যটা দেখান যাবে।

আরও পড়ুনঃ চিরশত্রুকে শিক্ষা দিতে ভারত পাক যুদ্ধ চান বাবা রামদেব

তবে আইন আইনের পথে চলবে বলেই জানিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। তবে বিজেপিকে সরিয়ে কংগ্রেস কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে যে এসবের কোন কিছুরই প্রয়োজন হবে না, তা বলাই যায়। তবে মামলার তদন্ত থেকে বাঁচাতেই স্বামীকে রাজনীতিতে আনছেন প্রিয়াঙ্কা, বিজেপির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
Exclusive কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরলেন মৌসম বেনজির নূর https://thenewsbangla.com/exclusive-mausam-benazir-noor-leaves-congress-joins-mamatas-tmc/ Mon, 28 Jan 2019 14:04:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6130 জল্পনা সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরলেন মৌসম বেনজির নূর। সোমবারই নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি। তৃনমূলে যোগ দিয়েই দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক হয়ে মালদার পাশাপাশি দুই দিনাজপুর জেলার দলের দায়িত্ব পেলেন মালদা জেলা কংগ্রেস এর প্রাক্তন সভানেত্রী। ২০০৯ থেকে পরপর দুবার কংগ্রেসের হয়ে মালদা উত্তরের সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। তবে এবার তিনি মালদা উত্তরের আসন থেকেই তৃনমূল কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়াবেন।

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন কংগ্রেস সাংসদ এবং মালদা জেলা কংগ্রেস সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর। নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে আজ দেখা করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূলের তরফে মালদা জেলার পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুনঃ মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রবল মোদী-হওয়ার মধ্যেও মালদায় দুটি আসনই নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছিল কংগ্রেস। এবার উত্তর মালদার সাংসদ মৌসম বেনজির নূরকে দলে টানতে সক্ষম হল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, মালদা দক্ষিণের সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরীও(ডালু) তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন

মৌসম বেনজির নূর এর নির্দেশেই, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালদা জেলায় ১৪৬ টি ত্রিশঙ্কু পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের ক্ষেত্রে তৃণমূলকেই সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেয় মালদা জেলা কংগ্রেস। নির্বাচনের আগে সিপিএমের হাত ধরেছিল কংগ্রেস। কিন্তু ভোটের পর বিজেপিকে রুখতে সিপিএম নয়, জেলার ত্রিশঙ্কু পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনে তৃণমূল সহ ধর্মনিরপেক্ষ দলকে সমর্থন জানানোর কথা লিখিতভাবে জানিয়েছিল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় এসএসসির রেজাল্ট প্রকাশ না হলে সচিবকে জেলে ভরার হুঁশিয়ারি বিচারপতির

লোকসভা নির্বাচনের আগে মালদা জেলা কংগ্রেস এর সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূরের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সাংসদের এই সিদ্ধান্ত, দলবদলের জল্পনাও উষ্কে দিয়েছিল। মালদা জেলা কংগ্রেস সভানেত্রীর এই সিদ্ধান্তে নিচুতলার কংগ্রেস কর্মীদের একটা বড় অংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাদের বক্তব্য ছিল, পঞ্চায়েত ভোটের আগে সন্ত্রাস, পুলিশ দিয়ে ভয় দেখানো, ভোট লুট এসবই করেছে তৃণমূল। তাই সেই তৃণমুলকেই সমর্থনের বার্তা, মন থেকে মেনে নেওয়া কখনোই সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

সব জল্পনা শেষ করে সোমবার নবান্নে গিয়ে সরাসরি তৃনমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন পরপর দুবার কংগ্রেসের হয়ে মালদা উত্তরের সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। এরপর মালদা দক্ষিণের সাংসদ ও কংগ্রেস নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরীও(ডালু) তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে, লোকসভা ভোটের আগে মালদায় কংগ্রেসের অস্তিত্বই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ‘লোকসভা ভোটের আগে এটা কংগ্রেসের পক্ষে বড় ধাক্কা’, বলছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন https://thenewsbangla.com/indian-freedom-fighter-known-as-punjab-kesari-was-born-on-28-january-1865/ Mon, 28 Jan 2019 09:04:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6101 আজ ২৮শে জানুয়ারী। পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রায়ের জন্মদিন। না অনেকেই মনে রাখেন নি। জেনে নিন, আরেকবার সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। জন্মদিনে আর একবার স্মরণ করেনি এই মহান বিপ্লবীকে।

১৯২৭ সালে ভারতে নিযুক্ত হয় সাইমন কমিশন। ১৯২৮ সাইমন কমিশনের ভারতে আগমন, দেশ জুড়ে বয়কট আন্দোলন, সাইমন দূর হটো, লালা লাজপত রায়ের (শের-ই পাঞ্জাব) মৃত্যু। সব ঘটনাই আজও ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল।

আরও পড়ুনঃ মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

১৮৬৫ সনের ২৮ জানুয়ারি পাঞ্জাবে লালা লাজপত রায় জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম মুনসি রাধা কৃষ্ণণ আজাদ। তিনি কিছুসময় হরিয়াণার রোহতক এবং হিসার শহরে উকালতি করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলের অন্যতম নেতা ছিলেন।

ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন/The News বাংলা
ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন/The News বাংলা

বাল গঙ্গাধর তিলক ও বিপিন চন্দ্র পালের সঙ্গে তিনি ‘লাল-বাল-পাল’ নামেই বিখ্যাত ছিলেন। এই তিন নেতাই ভারতে সর্বপ্রথম, ব্রিটিশ থেকে ভারতের স্বাধীনতার দাবী করেন। পরবর্তি সময়ে সমগ্র ভারতবাসী এই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে। তিনি স্বামী দয়ানন্দ সরসত্বীর সহিত আর্য সমাজকে পাঞ্জাবে জনপ্রিয় করে তোলেন। দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক স্থানে শিবির স্থাপন করে লোকের সেবা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

লালা লাজপত রায় একজন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী। তাঁকে পাঞ্জাব কেশরী নামেও ডাকা হয়। তিনি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ও লক্ষী বিমা কম্পানী স্থাপন করেছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের চরমপন্থী দলের সৈনিক ছিলেন। সেই বিখ্যাত লাল-বাল-পালের অন্যতম নেতা।

আরও পড়ুনঃ সীমান্তের কাঁটাতার অগ্রাহ্য করে একদিনের জন্য এক হল ভারত বাংলাদেশ

লাহোরে ১৯২৮ সালে সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত মিছিলে অংশগ্রহন করেন তিনি। সেখানে তিনি পুলিশের লাঠি চার্জে গুরুতর আহত হন। ১৯২৮ সনের ৩০ অক্টোবর সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত মিছিলে পুলিশের লাঠি চার্জে গুরুতরভাবে আহত হয়ে তিনি বলেছিলেন, “আমার শরীরে করা ব্রিটিশের প্রহার, ব্রিটিশের ধংসের কারণ হয়ে উঠবে”।

ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন/The News বাংলা
ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন/The News বাংলা

১৯২৮ সালের ১৭ নভেম্বর তারিখে তাঁর মৃত্যু হয়। লালার মৃত্যুর ফলে সমগ্র দেশ উত্তেজিত হয়ে উঠে। চন্দ্রশেখর আজাদ, ভগত সিং, রাজগুরু ও সুখদেব ও অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীরা লালাজির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা নেয়।

ঠিক এক মাস পর ১৯২৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর তারিখে এই স্বাধীনতা সংগ্রামীরা লালার মৃত্যুর প্রতিশোধ স্বরুপ ব্রটিশ পুলিশ অফিসার স্যান্ডার্সকে গুলি করে হত্যা করে। স্যান্ডার্সকে হত্যা করার জন্য ও বোমা মারার জন্য রাজগুরু, সুখদেব ও ভগত সিংহকে ব্রিটিশ সরকার ফাঁসীর আদেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ জয় হিন্দ, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সোনার অক্ষরে লেখা ইতিহাস

লালা লাজপত রায় হিন্দী ভাষায় শিবাজী ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনি রচনা করেন। তিনি ভারতে ও বিশেষ করে পাঞ্জাবেও হিন্দী ভাষা প্রসারের ক্ষেত্রেও সহযোগীতা করেছিলেন।

১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার যে সংস্কার আইন প্রবর্তন করেছিলেন তা ব্যর্থ হয়। ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের দাবিদাওয়া ও অসন্তোষের মূল কারণগুলি অনুসন্ধানের জন্য একটি কমিশন গঠন করেন। ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত সংবিধান বিশেষজ্ঞ স্যার জন সাইমনের নেতৃত্বে এই কমিশন গঠিত হয়েছিল বলে এটি সাইমন কমিশন নামে পরিচিত। এই কমিশনের সাতজন সদস্যই শ্বেতাঙ্গ এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন।

ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন/The News বাংলা
ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন/The News বাংলা

১৯২৮ খ্রিস্টাব্দের ৭ই ফেব্রুয়ারি কমিশনের সদস্যগণ দেশব্যাপী সমীক্ষা চালাবার জন্য ভারতে আসেন। কমিশনে কোনো ভারতীয় প্রতিনিধি না থাকায় ভারতীয়রা ক্ষুব্ধ হন। এরূপ কমিশন গঠন জাতীয় মান মর্যাদার পরিপন্থী, এই বলে কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ সহ ভারতের অন্যান্য রাজনৈতিক দল এই কমিশন বর্জন করেন। বিক্ষোভ শুরু হয় গোটা দেশ জুড়ে।

আরও পড়ুনঃ কালামের নামে ছাত্রদের তৈরি হালকা উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে নজির ভারতের

পাঞ্জাবে লালা লাজপত রায়, উত্তরপ্রদেশে জওহরলাল নেহরু, গোবিন্দবল্লভ পন্থ, সাইমন কমিশন বিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে নিগৃহীত হন। লাহোরে সাইমন কমিশন বিরোধী এক মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে লালা লাজপত রায় পুলিশের লাঠির আঘাতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনার কয়েকদিন পর ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে ১৭ নভেম্বর লালা লাজপত রায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তাল হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুনঃ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

সাইমন কমিশন বিরোধী আন্দোলনে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করে সবাই। ভারতের ইতিহাসে এ এক বিরল দৃষ্টান্ত। তাছাড়া প্রথম শ্রেণীর নেতাদের নিগ্রহ ও আত্মত্যাগ, সংবিধান রচনার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ প্রভৃতি এই আন্দোলনকে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত করেছিল যা পরবর্তীকালে জাতীয় আন্দোলনকে অনেক বেশি গতিময় করে তোলে। আর নিজের জীবন দিয়ে সেই ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রায়। জন্মদিনে এই মহান বিপ্লবীকে শ্রদ্ধা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন https://thenewsbangla.com/ajay-devgans-drishyam-inspired-murder-bjp-leader-arrested-for-murder/ Mon, 14 Jan 2019 05:31:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5568 সিনেমা দেখে হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে কুকুর মেরে মাটিতে পুঁতে রেখেছিলেন পাঁচ ব্যক্তি। কিন্তু অপরাধ চেপে রাখতে পারেননি। পুলিশ ঠিকই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।

ঠিক যেন অজয় দেবগণের দৃশ্যম সিনেমা। ফিল্মের মত করেই ২০১৬ সালে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে টুইঙ্কল দরগে নামে ২২ বছরের এক তরুণীকে হত্যা করা হয়। কিন্তু ছবির বিজয় সালগাওকরের(অজয় দেবগণ) মতো ইন্দোরের প্রাক্তন বিজেপি নেতা জগদীশ কারোতিয়ার(৬৫) ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি। মৃত তরুণী আবার কংগ্রেস নেত্রী।

আরও পড়ুনঃ

‘ত্রিশূলে কনডম’, অসমের শিলচরে হিন্দুত্ত্ববাদী বিক্ষোভের মুখে কবি শ্রীজাত

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন/The News বাংলা
পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন/The News বাংলা

বেশ নাম করেছিল অন্য ধাঁচের ফিল্ম দৃশ্যম। দৃশ্যম ছবিতে অজয় দেবগন(বিজয় সালগাওকর) একটি খুনের ঘটনা চাপা দিয়ে তদন্তের মোড় অন্যদিকে ঘোরাতে একটি কুকুর মেরে মাটিতে পুঁতে রেখেছিলেন। সিনেমায় নিহত যুবক ছিলেন গোয়া পুলিশের আইজির ছেলে।

আইজি এবং গোয়া পুলিশের গোয়েন্দারা অনেক দিন ধরে তদন্ত চালিয়েও এই হত্যাকাণ্ডের কূলকিনারা করতে পারেনি। উদ্ধার হয়নি মরদেহ। বিজয় সালগাওকরকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। কিন্তু বাস্তবের অভিযুক্ত হত্যকারী বিজেপির প্রাক্তন এমএলএ জগদীশ কারোতিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, শুধু একই কৌশল নয়, দৃশ্যম সিনেমা দেখেই অভিযুক্ত জগদীশ কারোতিয়া হত্যা করেন ওই তরুণীকে। শেষ পর্যন্ত দুই বছর তিন মাস পর জগদীশকে আটক করে পুলিশ। তাঁর তিন ছেলে অজয়(৩৬), বিজয়(৩৮) ও বিনয়(৩১) এবং এক সহযোগী নীলেশ কাশপকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইন্দোরের বনগঙ্গা এলাকার টুইঙ্কল দরগের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় বিজেপি নেতা জগদীশ কারোতিয়া। কিছুদিন সম্পর্ক চলার পরই ২০১৬ সালের মাঝামাঝি শুরু হয় বিবাদ। তখন জগদীশ কারোতিয়াকে বিয়ে করতে বলেন টুইঙ্কল দরগে।

আরও পড়ুনঃ

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন/The News বাংলা
পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন/The News বাংলা

কিন্তু তিন সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে সংসার করা জগদীশ রাজি হননি। টুইঙ্কলও অনড় বিয়ের ব্যাপারে। টানাপোড়েনের জেরে নিজের পরিবারে অশান্তি এড়াতে টুইঙ্কলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন জগদীশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পুলিশকে জানিয়েছেন, হত্যার আগে তাঁরা ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া দৃশ্যম ছবিটি দেখেছেন। ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর অভিযুক্তরা, টুইঙ্কল দরগেকে প্রথমে গলা টিপে হত্যা করেন। শরীর পুড়িয়ে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দেন অভিযুক্তরা। এরপর তদন্তের মোড় ঘোরাতে একটি কুকুর মেরে কাছাকাছি একটি জায়গায় মাটিতে পুঁতে রাখেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ

আয়কর দফতরের নোটিশ, মাথায় হাত কলকাতার পুজো উদ্যোক্তাদের

Exclusive: জাতীয় সংগীত এর অপেক্ষা না করেই মঞ্চ ছেড়ে বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ইন্দোরের ডিআইজি হরিনারায়ণচারী মিশ্র বলেন, যেখানে কুকুরটি পুঁতে ফেলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা খবর ছড়িয়ে দেন যে সেই এলাকায় খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর জের ধরে সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি করে পুলিশ কুকুরটির দেহাবশেষ ছাড়া কিছুই পায়নি। কিন্তু তদন্ত থেমে থাকেনি।

টুইঙ্কলের পরিবারের লোকজন জগদীশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনেন। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার প্রভাবে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যে টুইঙ্কলকে যেখানে খুন করা হয়, সেখান থেকে তাঁর চুড়ি এবং অন্যান্য অলংকারের পোড়া অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সেগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা করেও কোনো সূত্র মেলেনি। কুকুরের দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন গোয়েন্দা পুলিশেরা।

আরও পড়ুনঃ

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন/The News বাংলা
পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন/The News বাংলা

জগদীশ ও তাঁর এক ছেলেকে গুজরাটের একটি ল্যাবরেটরিতে ব্রেন ইলেকট্রিক্যাল অসিলেশন সিগনেচার (বিইওএস) টেস্ট করায় পুলিশ। এটা একধরনের নিউরো সাইকোলজিক্যাল প্রযুক্তি, যাতে জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধী সাধারণত সত্যি কথা বলেন বলেই ধরে নেওয়া হয়। এ কারণে এটা ব্রেন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বলেও পরিচিত।

হরিনারায়ণচারী মিশ্র বলেন, ইনদোরের কোনো খুনের ঘটনায় প্রথমবারের মতো এ ধরনের পরীক্ষা করা হয়েছে। এই পরীক্ষাতে জগদীশ ও তাঁর ছেলে খুনের কথা স্বীকার করেন। এরপর তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা দৃশ্যম ছবির বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, আমরা জেনেছি খুনের আগে অভিযুক্তরা একসঙ্গে অজয় দেবগনের দৃশ্যম ছবিটি দেখেছেন। সেখান থেকেই ‘অনুপ্রাণিত’ হয়ে জগদীশ ও তাঁর ছেলেরা টুইঙ্কল দরগেকে খুন করেন এবং কুকুর মেরে পুঁতে ফেলার পরিকল্পনা করেন।

আরও পড়ুনঃ

ব্যর্থ মহাজোটে ত্রিমুখী লড়াই, উত্তরপ্রদেশে একা লড়বে কংগ্রেস

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

প্রসঙ্গত, মালয়ালম ছবির দৃশ্যমের অনুকরণে বলিউডেও একই নামে ছবি মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্র বিজয় সালগাওকরের ভূমিকায় অভিনয় করেন অজয় দেবগন। সিনেমার গল্পে একটি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পে বিজয়ের ১২ বছরের পালিতা মেয়ে অঞ্জুর চান করার দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও তোলে সমীর দেশমুখ বা স্যাম নামের এক তরুণ।

এই নিয়ে চলতে থাকে ব্ল্যাকমেল। স্যাম গোয়ার আইজি মীরা দেশমুখের(টাবু) ছেলে। একসময় দেখা করার কথা বলে স্যাম অঞ্জু বাসায় যান। কিন্তু সেখানে ঘটনাক্রমে খুন হন স্যাম। বিজয় সালগাওকারকে ঘটনাটি জানানোর পর স্যামের মরদেহ নির্মীয়মাণ একটি পুলিশ থানার নিচে পুঁতে ফেলা হয়। অন্যদিকে একটি কুকুর মেরে পুঁতে দিয়ে এই খুনের ঘটনা চাপা দেওয়া হয়।

তবে বাস্তবে ফিল্মের পট রক্ষা করতে পারল না খুনিদের। ফিল্মে অনেক কিছুই হয়। আর এই ঘটনায় প্রমানিত জীবনটা ফিল্মি নয়।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পুরাণ শিক্ষা না ভোট কোন লক্ষ্যে মোদীর ‘শ্রী রামায়ণ এক্সপ্রেস’ https://thenewsbangla.com/mythology-knowledge-or-parliament-election-what-is-the-purpose-of-modis-shri-ramayana-express/ Fri, 16 Nov 2018 03:52:56 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2481 The News বাংলা, নিউ দিল্লিঃ রামচন্দ্রের অযোধ্যা থেকে লঙ্কা যাত্রাপথের দর্শন করাতে ভারতীয় রেলের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করলো ‘শ্রী রামায়ন এক্সপ্রেস’। দিল্লীর সফদরজং স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে ভগবান রামের অযোধ্যা থেকে রাবণের লঙ্কা যাত্রা পথ অনুসরণ করবে এই টুরিস্ট ট্রেন। কেন্দ্র দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতির কথা বললেও, এটাও লোকসভা ভোটের প্রচার হিসাবেই দেখছে বিরোধীরা।

Image Source: Google

রামচন্দ্রের জন্মস্থান অযোধ্যা থেকে শুরু করে তাঁর স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন স্থান দর্শনের সুযোগ থাকছে এই ট্রেন যাত্রায়। ত্রেতা যুগে রামচন্দ্র অযোধ্যা ছেড়ে দন্ডকারণ্য হয়ে যে পথ ধরে লঙ্কায় পাড়ি দিয়েছিলেন, এবার জনসাধারণকে সেই পথই অনুসরণ করাবে এই বিশেষ এক্সপ্রেস ট্রেন।

আরও পড়ুনঃ সমালোচনার মধ্যেই রেকর্ড আয়ের লক্ষ্যে মোদীর ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’

ভারতীয় রেলের সূত্রে জানানো হয়েছে, একটি ট্যুরে মোট ৮০০ যাত্রী ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। দিল্লির সফদরজং স্টেশন থেকে মূল যাত্রাপথের শুরু। প্রাথমিক গন্তব্য হবে অযোধ্যা। সেখান থেকে পর পর নন্দীগ্রাম, সীতামারহি, জনকপুর, বারাণসী, প্রয়াগ, শৃঙ্গভার্ণপুর, চিত্রকূট, নাসিক, হাম্পি হয়ে সবশেষে পৌঁছবে রামেশ্বরম।

Image Source: Google

ভারতে এই ট্যুর হবে সর্বমোট ষোলো দিনের। তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে যাত্রা শেষ করবে এই ট্রেন। তার জন্য মাথাপিছু টিকিট মূল্য ধার্য করা হয়েছে ১৫,১২০ টাকা। যাত্রাপথে থাকা খাওয়া সহ স্টেশনের নিকটস্থ দর্শনীয় স্থানগুলোতে ঘোরার যাবতীয় খরচ এই টিকিট মূল্যের মধ্যেই ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘মুসলিম’ নাম বদলে ‘রামরাজ্য’ আনতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

ভারত ভ্রমণ শেষে শ্রীলঙ্কা ভ্রমণের ব্যবস্থাও থাকছে। তবে সেটা পর্যটকদের জন্য ঐচ্ছিক হিসেবে রাখা হয়েছে, যার জন্য যাবতীয় খরচের হিসেবও হবে আলাদা। শ্রীলঙ্কা ভ্রমনের জন্য রামায়ন এক্সপ্রেসের শেষ গন্তব্য রামেশ্বরম দর্শন করে চেন্নাই থেকে প্লেনে করে কলম্বো যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে।

The News বাংলা

শ্রীলঙ্কায় মোট ৫ রাত ও ৬ দিনের ট্যুর। সেখানে কান্দি, নুরা ইলাইয়া, নিগম্বো প্রভৃতি স্থানে ভ্রমনের ব্যবস্থা থাকছে। তবে ভারত ভ্রমণ শেষে শ্রীলঙ্কা ভ্রমণে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য মাথাপিছু গুনতে হবে ৪৭,৬০০ টাকা।

আরও পড়ুন: মোদীর ভারতে সর্দার প্যাটেলের রেকর্ড ভাঙবে ছত্রপতি শিবাজীর মূর্তি

ভারতীয় রেলের আশা, একই সাথে যেহেতু সকলের পক্ষে এতোগুলো দর্শনীয় স্থান ভ্রমনের সুযোগ হয় না, সেহেতু রেলের এই থিমভিত্তিক দর্শনের উদ্যোগে অতি সুলভেই বহু পর্যটক উপকৃত হবেন।

Image Source: Google

সফদরজং স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করলেও ‘শ্রী রামায়ণ এক্সপ্রেস’ এর যাত্রা শুরু অযোধ্যা থেকেই বলা যায়। শ্রীলঙ্কা ঘুরে শেষ আবার রামেশ্বরমেই। ঠিক যে ভাবে রাম লক্ষণ সীতা বনবাসে গিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কা যাঁরা যাবেন তাদের আলাদা ব্যবস্থা হিসাবে চেন্নাই থেকে কলম্বো প্লেনের ব্যবস্থা থাকছে।

আরও পড়ুন: রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, লড়াই পিছিয়ে গেল

কংগ্রেস সহ বিরোধীরা এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, আসল কথা হল পর্যটনের নামে লোকসভা ভোটের আগে দেশকে রামের মাধ্যমে জুড়তে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কে না জানে, যে কোন নেতার চেয়ে, ‘রাম নাম’ অনেক বেশি ভোট আনবে নরেন্দ্র মোদীর ঝুলিতে।

Image Source: Google

তবে, এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি নেতারা। দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতি-পুরাণ শিক্ষাই এই পর্যটনের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এখন, ভগবান রাম ও তাঁর রামায়ণ লোকসভা ভোটে বিজেপি ভোটব্যাঙ্কে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে, সেটাই দেখার।

]]>
প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী হত্যা ও তারপরের গণহত্যার না জানা সত্যি https://thenewsbangla.com/prime-minister-indira-gandhi-assassination-and-the-true-story-of-unknown-genocide/ Wed, 31 Oct 2018 06:12:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1738 ‌The News বাংলা: ৩১ অক্টোবর, ১৯৮৪। ভারতের ইতিহাসের কালো দিন। ওইদিন সকাল ৯টা ২০মিনিটে তাঁর নয়াদিল্লির সফদর জং রোডের বাসভবনে, তাঁকে গুলি করে হত্যা করে তাঁরই দুজন শিখ দেহরক্ষী সতওয়ান্ত সিং ও বেয়ান্ত সিং। ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন ভারতের দুবারের প্রধানমন্ত্রী। দুই শিখ দেহরক্ষীর ৩০টি বুলেট তাঁর শরীর ঝাঁঝরা করে দেয়। শুধুমাত্র কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ক্ষতে প্রলাপ দিতে পারবে না।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা

১৯৮৪ সালে জুনের প্রথম দিকে ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে পাঞ্জাবের অমৃতসরে শিখদের স্বর্ণমন্দিরে চালান হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন ব্লু স্টার’ নামে এক সামরিক অভিযান। এই অভিযানে স্বর্ণমন্দিরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলে। বলা হয়ে থাকে, সেই অভিযান ইন্দিরা সরকারের প্রতি শিখসমাজকে ব্যাপকভাবে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। সেই সূত্রেই সৃষ্ট ক্ষোভের জের হিসেবেই ইন্দিরা গান্ধী খুন তাঁর দুই শিখ দেহরক্ষীর হাতে।

Image Source: Google

‌ইন্দিরা গান্ধীর পুরো নাম, ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী নেহরু। জন্ম ১৯১৭ সালের ১৯ নভেম্বর। খুন হন ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর। ছিলেন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের শীর্ষনেতৃত্বে। তিনি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত। আবার প্রধানমন্ত্রী হন ১৯৮০ সালে। ‌প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর খুন হওয়ার আগে পর্যন্ত। তিনিই ভারতের একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিতীয় দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দের রামকৃষ্ণ মিশন ছেড়ে বিপ্লবী হন এই নারী

১৯৫৯ সালে নির্বাচিত হন কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট। তাঁকে তাঁর বাবার উত্তরাধিকারি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পদের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ইন্দিরা গান্ধী তখন তা গ্রহণে অস্বীকার করে বরং ক্যাবিনেট মিনিস্টার হওয়াটাকে বেছে নেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৬৬ সালে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর উত্তরাধিকারী হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন।

আরও পড়ুনঃ ‘ইন্দিরা গান্ধী ভারতে এমারজেন্সি লাগু করেছিলেন, বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’

‌প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ইন্দিরা গান্ধী পরিচিত হয়ে ওঠেন তার অভাবনীয়ভাবে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার কঠোর মনোভাবের জন্য। তাঁর সিদ্ধান্তেই পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে ভারত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে। এ যুদ্ধের বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। এর ফলে উপমহাদেশে ও ভারতে তার প্রভাব-প্রতিপত্তি অনেক বেড়ে যায়।

Image Source: Google

‌১৯৮৪র ৩১শে অক্টোবর ব্রিটিশ অভিনেতা পিটার উস্তিনভকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য যাওয়ার পথে সকাল ৯টা ২০মিনিটে তিনি খুন হন। এই ব্রিটিশ অভিনেতা আইরিশ টেলিভিশনের জন্য একটি তথ্যচিত্র তৈরি করছিলেন। ১ নম্বর আকবর রোডের অফিসের কাছের ১ নম্বর সফদর জং রোডের বাসভবনে বাগানের একটি পথ দিয়ে তখন ইন্দিরা হাঁটছিলেন। তিনি যখন সতওয়ান্ত সিং ও বেয়ান্ত সিংহের প্রহরাধীনে ‘উইকেট গেট’ (বিশেষ কোনো বড় দরজার পাশে বা ভেতরে থাকা ছোট দরজা) দিয়ে বের হচ্ছিলেন, তখন এরা তাঁর ওপর গুলি ছোড়ে।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

‌সাব-ইনস্পেক্টর বেয়ান্ত সিং তার সাইড আর্ম থেকে তিনটি গুলি ছোড়ে ইন্দিরার তলপেটে। এরপর তিনি মাটিতে পড়ে গেলে সতওয়ান্ত সিং তার স্টেনগান থেকে ৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলি করার পর উভয়ই তাদের অস্ত্র হাত থেকে ছুড়ে ফেলে। তখন বেয়ন্ত সিং বলে, ‘যা করার ছিল, আমি তা করে ফেলেছি, তুমি যা করতে চাও করো’।

‌পরবর্তী ৬ মিনিটের মধ্যে ইন্ডো-তিব্বতান বর্ডার পুলিশের রমেশ সিং জামওয়াল ও রাম শরণ, ইন্দিরার খুনি বেয়ান্ত সিংকে ধরে একটি আলাদা ঘরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। অভিযোগ, বেয়ান্ত সিং এক অফিসারের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল। অপরদিকে ইন্দিরা গান্ধীর অন্যান্য দেহরক্ষীরা সতওয়ান্ত সিংকে গ্রেফতার করে। আদালতের রায়ে সতওয়ান্ত সিংকে তার সঙ্গী কেহার সিং সহ ১৯৮৯ সালের ৬ই জানুয়ারী ফাঁসি দেওয়া হয় দিল্লির তিহার জেলে।

আরও পড়ুনঃ মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় ‘গেরুয়া রথ’ এর ভবিষ্যৎ

অভিযোগ আছে, ইন্দিরা গান্ধীর সেক্রেটারি আর কে দেওয়ানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ইন্দিরার পাহারা থেকে শিখ সদস্যদের সরিয়ে দিতে। আর কে দেওয়ান তা উপেক্ষা করেন। ‌উল্লেখ্য, বেয়ান্ত সিং ছিলেন ইন্দিরা গান্ধীর খুবই প্রিয় দেহরক্ষী। তাকে তিনি চিনতেন ১০ বছর ধরে। ঘটনার সময় অন্য খুনি সতওয়ান্ত সিংয়ের বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। ঘটনার মাত্র পাঁচ মাস আগে তাকে ইন্দিরার দেহরক্ষী নিয়োগ করা হয়।

Image Source: Google

১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর দূরদর্শনে সন্ধ্যার খবরে ইন্দিরা হত্যার খবর প্রচার করা হয়। এই খবর প্রচারিত হয় তাকে গুলি করার ১০ ঘণ্টা পর। সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে ভর্তি করা হয় অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে। সেখানে তার অপারেশন চলে। বেলা ২টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

‌এরপর চলে ময়নাতদন্ত। কমপক্ষে ৩০টি বুলেট বিদ্ধ হয় ইন্দিরার শরীরে। বুলেট ছোড়া হয় স্টেনগান ও পিস্তল থেকে। খুনিদের ছোঁড়া ৩০টি গুলির মধ্যে ২৩টি গুলি শরীরের এক পাশে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৭টি গুলি দেহের ভেতরেই থেকে যায়।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

‌১৯৮৪র ১নভেম্বর তাঁর মৃতদেহ একটি গানবহরে করে দিল্লির রাস্তা দিয়ে নিয়ে রাখা হয় তিনমূর্তি ভবনে। মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধ রাজঘাটের কাছের শক্তিস্থলে তার শেষকৃত্য হয় ৩নভেম্বর। তাঁর শেষকৃত্যানুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত হয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টেলিভিশন ও বিবিসি সহ অন্যান্য রেডিওতেও।

Image Source: Google

‌তাকে দাহ করার পর শুরু হয় ভয়ানক শিখবিরোধী দাঙ্গা। এতে প্রায় তিন হাজার শিখ প্রাণ হারায়। বাস্তুচ্যুত হয় আরও কয়েক লাখ শিখ। ইন্দিরার মৃত্যুর পর শিখবিরোধী দাঙ্গা চলায় শিখবিরোধী জনতা ও কংগ্রেস সমর্থকরা। শিখ ধর্মাবলম্বী দেহরক্ষী ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করার পর, এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই দাঙ্গা বাধে।

এক সরকারি হিসেবেই এই দাঙ্গায় আট হাজারের মতো শিখ নিহত হয়। শুধু দিল্লিতেই নিহত হয় তিন হাজার। দাঙ্গা চলে ৩১অক্টোবর থেকে ৩নভেম্বর পর্যন্ত। দফায় দফায় চলে এ দাঙ্গা। এই দাঙ্গাতেই শিখ হত্যাকারী হিসাবে অভিযুক্ত হিসাবে নাম উঠে আসে কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমার সহ অন্যান্যদের।

Image Source: Google

‌ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই-র(সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন) রিপোর্টে বলা হয়, ‘দিল্লি পুলিশের চুপ থাকার কারণেই এই দাঙ্গা আরও ছড়িয়ে পড়ে’। কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু আমলা ও কমকর্তাও এ কাজে সহায়তা জোগায়। মায়ের মৃত্যুর পর রাজীব গান্ধী হন ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই তিনি বলেছিলেন ‘বড় গাছ যখন পড়ে, তখন মাটি কাঁপে’।

Image Source: Google

‌এই দাঙ্গায় সরকারি রিপোর্ট মতে, শুধু দিল্লিতেই ২ হাজার ৭০০ জন নিহত হয়। দাঙ্গার পর ভারত সরকারের রিপোর্টে বলা হয়, দিল্লি থেকে ২০ হাজার লোক বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। তবে বেসরকারি মতে, এই সংখ্যা কমপক্ষে এক লক্ষ। এই দাঙ্গায় সবচেয়ে বেশি শিকার হয় দিল্লির শিখ অধ্যুষিত এলাকা।

আরও পড়ুনঃ প্রেতচর্চা ও বিখ্যাত বাঙালি

‌সারা ভারতের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বিশ্বাস এই হত্যাযজ্ঞ ছিল সংগঠিত। এই হত্যাযজ্ঞ নিয়ে রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের কর্তাদের অবস্থান সাধারণ শিখদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয়। বেড়ে যায় খালিস্তান আন্দোলনের প্রতি সমর্থন। ‘অকাল তখত’ নামের শিখবাদের ধর্মীয় গভর্নিং বডি এই হত্যাকাণ্ডকে জেনোসাইড বা গণহত্যা বলে মনে করে।

Image Source: Google

‌২০১১ সালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ভারত সরকারকে জানায়, এখনও এই ‘মাস কিলিং’ এর বিচার হয় নি। ২০১১ সালে উইকিলিকস কেবল লিকস জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার এই দুষ্কর্মে সহযোগিতা জুগিয়েছিল।‌

পড়ুন হাড় হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প
পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই কাজকে অভিহিত করে ভারত সরকারের শিখবিরোধী ‘অপরচুনিজম’ ও ‘হ্যাট্রিড’ নামে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দাঙ্গাকে গণহত্যা বলতে অস্বীকার করে। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলে এটি ছিল ‘ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন’। কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে প্রলাপ দিতে পারবে না।

]]>