India vs Pakistan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 09 Jun 2022 05:59:00 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg India vs Pakistan – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘বর্বর পাকিস্তান’, প্রমাণ নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন কার্গিল যুদ্ধের প্রথম শহিদ ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া https://thenewsbangla.com/capt-saurabh-kalia-story-of-first-kargil-martyr-feel-proud-of-valour-and-sacrifice-of-real-heroes/ Thu, 09 Jun 2022 05:58:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15323 ‘বর্বর পাকিস্তান’, সাড়া শরীরে প্রমাণ নিয়ে ২৩ বছর আগে আজকের দিনেই; দেশে ফিরেছিলেন কার্গিল যুদ্ধের প্রথম শহিদ ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া ও তাঁর দল। হিমাচলের পালামপুরের ডিএভি স্কুলে পড়ত, মিষ্টি চেহারার লাজুক এক ছেলে; কথা বলত খুব কম। কিন্তু অত্যন্ত মেধাবী; অমৃতসর থেকে পড়তে এসেছে সে; ক্লাসে বরাবরই প্রথম। অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে গেল; স্নাতক স্তরেও দুর্দান্ত ফল করল। বন্ধুরা ভেবেছিল, হয় সে বিজ্ঞানী হবে; নয় প্রফেসর। না, সে সব কিছুই হননি সে।

১৯৯৭ সালের আগস্ট মাসে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসে সফল যুবক; যোগ দিলেন ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে। এর পর ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৮, ভারতীয় সেনাবাহিনীর জাঠ রেজিমেন্টের ফোর্থ ব্যাটেলিয়নে; ক্যাপ্টেন হয়ে যোগ দিলেন সৌরভ কালিয়া। প্রথম পোস্টিংই হল কার্গিলের কাকসার সেক্টরে। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারিতে; কার্গিলে ব্যাটেলিয়নের সঙ্গে যোগ দিলেন সৌরভ।

১৯৯৯ সালের মে মাস; পাহাড়ে পাহাড়ে শীতে পড়া বরফ গলতে শুরু করেছে। শীতকালে প্রচুর বরফ পড়ে কাকসার সেক্টরে; তাপমাত্রা নেমে যায় শূন্যের অনেক নীচে। ন্যাড়া পাহাড় চূড়ায় থাকা, ভারতীয় ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙ্কারগুলো চলে যায় বরফের তলায়। লিখিত চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় ও পাক সেনারা তখন; বাঙ্কার ছেড়ে নেমে আসেন তাঁদের শীতকালীন পজিশনে। গ্রীষ্মকালে পাহাড় চূড়ার বরফ গলে গেলে আবার তাঁরা উঠে যান পাহাড়চূড়ার বাঙ্কারে; তাঁদের গ্রীষ্মকালীন অবস্থানে।

৯৯ এ চুক্তি ভেঙে; বিশ্বাসঘাতকতা করল পাকিস্তান। শীতেও তারা নামল না তাদের পজিশন ছেড়ে; উল্টে সেনার সঙ্গে জ’ঙ্গি দল পাঠিয়ে দখল করে নিল ভারতের পজিশন-গুলো। ১৯৯৯-এর ১৫ মে সৌরভ ছিলেন; ১৪ হাজার ফিট উঁচুতে বজরঙ্গ পোস্টে। কাকসার লাংপা এরিয়ায়; ভারতীয় সেনার জোরদার পেট্রল চলছে। জানার চেষ্টা হচ্ছে, কতখানি বরফ গলেছে; কবে ফেরা যাবে শীতে ছেড়ে আসা গ্রীষ্মকালীন অবস্থান-গুলিতে।

১৮০০০ ফুট ওপরে, লাইন অফ কন্ট্রোলের কাছে থাকা, একটি ভারতীয় পজিশনের বর্তমান অবস্থা দেখতে; একটি ছজনের দল পাঠায় ভারতের ১২১ নং ব্রিগেড। দলে ছিলেন ২২ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া ও পাঁচ জওয়ান। তাঁরা হলেন, সিপাই ভিখা রাম‚ অর্জুন রাম‚ ভনওয়র লাল বাগারিয়া‚ মূলা রাম ও নরেশ সিং।

হঠাৎ, সৌরভ কালিয়ার নজরে পড়ল; একটা ভারতীয় বাঙ্কারে কিছু মানুষের নড়াচড়া। অবাক হয়ে যায় দলটি। ভারতীয় সেনা তো গ্রীষ্মকালীন পজিশনে যায় নি; ওরা তাহলে কারা? তখনই পাকিস্তানি রেঞ্জার্সদের চিনে ফেললেন সৌরভ কালিয়া; সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকিটকি-তে খবর পাঠালেন উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। জানালেন, শত্রুসেনা ঢুকে পড়েছে ভারতীয় ভূখণ্ডে।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন শৃঙ্গ দখল করে বসা, পাকিস্তানি ফৌজের বাইনোকুলারেও ধরা পড়েছিল; সৌরভ কালিয়া আর পাঁচ জওয়ানের অবস্থান। সঙ্গে সঙ্গে গুলি ছুটে এল পাকিস্তানি সেনাদের দিক থেকে। বীরবিক্রমে সৌরভ কালিয়া ও তাঁর পাঁচ সঙ্গী গুলি করতে করতে; এগিয়ে চলেলেন নির্দিষ্ট পর্বতটির দিকে। তাঁরা তখন জানতেনও না; অভিমন্যুর মতই তাঁরা ঢুকে পড়ছেন এক চক্রব্যূহে। পাক সেনা ও উগ্রপন্থীদের পাতা ফাঁদে।

তাঁরা বুঝতেই পারেননি, শুধু সামনে নয়; আসে পাশে এমনকী পিছনের পাহাড়গুলির ওপরেও; ঘাপটি মেরে আছে অগণিত পাক সেনা। কিছুদূর এগোবার পর চারদিক থেকে গুলি আসতে থেকে; পাথরের আড়াল থেকে গুলি চালান ছজন বীর সেনানী। সাহায্য আসার আগেই শেষ হয়ে গেল গুলি, ঘিরে ফেলল পাক সেনা; আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেন ছ’জন। কাকসার সেক্টরে, টহল দেওয়ার সময় নিখোঁজ হয়ে গেলেন; ক্যাপ্টেন সৌরভ সহ ছয় ভারতীয় সেনা।

আরও পড়ুন; আওতায় সব প্রতিবেশী দেশ, অগ্নি-৪ এর সফল পরীক্ষা করল ভারত

কিছুক্ষণ পরে ভারতীয় সেনার ব্যাক-আপ দল; সৌরভের জানানো জায়গাটিতে এসে সৌরভদের দলটিকে খুঁজে পায়নি। রক্ত, ধস্তাধস্তি বা অন্য কোনও চিহ্ন নেই মাটিতে কিংবা পাথরে। ভারতীয় সেনা এগোতে যেতেই; পাহাড়গুলির মাথা থেকে ছুটে আসতে লাগল ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি; প্রাণ হারালেন দুই ভারতীয় জওয়ান। ভারতীয় সেনা বুঝতে পারল; রীতিমত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। নিয়ে এসেছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ভেতর দিয়ে; লাইন অফ কন্ট্রোল পর্যন্ত তৈরি করে ফেলেছে সাপ্লাই লাইন।

কিন্তু কোথায় গেলেন ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া আর তাঁর পাঁচ সঙ্গী? আসলে তখন তাদের উপর শুরু হয়েছে; পৈশাচিক অত্যাচার। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গোপন ক্যাম্পে; ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া ও তাঁর পাঁচ সঙ্গীর ওপর অকথ্য অত্যাচার শুরু করে পাক বাহিনী। ১৫ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত চলে; এই অমানুষিক অত্যাচার। জেনেভা কনভেনশনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে।

প্রথমে সৌরভ কালিয়া ও তাঁর সঙ্গীদের গায়ে; সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছিল। গরম শলাকা ঢুকিয়ে দুই কানের পর্দা ফুটো করে দেওয়া হয়েছিল। তীক্ষ্ণ কিছু দিয়ে চোখ গেলে দেওয়া হয়েছিল। মেরে মেরে সব দাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। মাথার খুলি ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঠোঁট ও চোখের পাতা কেটে নেওয়া হয়েছিল। হাত ও পায়ের আঙ্গুল কেটে নেওয়া হয়েছিল। কেটে নেওয়া হয়েছিল যৌনাঙ্গও। তখনও বেঁচে ছিলেন তাঁরা। সব শেষে মাথায় গুলি করে; মেরে ফেলা হয়েছিল সৌরভ কালিয়া ও পাঁচ জওয়ানকে।

৯ জুন‚১৯৯৯, পাকিস্তান ফেরত দিল যুদ্ধবন্দি ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া সহ ছয় ভারতীয় সেনার দেহ। কফিন খুলে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল ভারত; ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল ভারতবাসিরা। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট জানা গিয়েছিল; মৃত্যুর আগে ২২ বছরের সৌরভ কালিয়া ও তার সঙ্গী জওয়ানদের কী পৈশাচিক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল। সারা ভারতে ঝড় উঠল, ছয় জওয়ানের পৈশাচিক হত্যার খবর শুনে ভারতীয় বাহিনী তুমুল আক্রমণ করল পাকিস্তানি সেনাকে। জুলাইয়ে শেষ হয় অপারেশন বিজয়; ভারতের কাছে ফের একবার হার মানে পাকিস্তান সেনা।

হিমাচলের পালামপুরের পাহাড়ে, ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়ার বাড়ি ‘সৌরভ নিকেতন‘-এ; আজও আছে ‘সৌরভ স্মৃতি কক্ষ’। সেই মিউজিয়ামে আছে সৌরভ কালিয়ার ছবি‚ ইউনিফর্ম আর জুতো। ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়ার স্মৃতিতে, পালামপুরে ৩৫ একর জায়গায় জুড়ে; হিমাচল সরকার তৈরি করেছিল ‘সৌরভ বন বিহার’। তাঁর নামে আছে রাস্তা; ‘ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া মার্গ’। তাঁর বাড়ির মহল্লার নাম হয়েছে ‘সৌরভ নগর’; পাঞ্জাবের অমৃতসরে আছে; ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়ার মূর্তিও।

শাস্তি পেয়েছে পাকিস্তান; গোহারা হেরে মুখ লুকোতে হয়েছে আরও একবার। ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া সহ ছয় সেনার নৃশংস খুনিরা; আর পাকিস্তানে ফিরতে পারেনি। ভারতের হাতে কচুকাটা হবার পরে; কারোর মৃত শরীর নিয়েই যায়নি পাকিস্তান। অন্যদিকে, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়; শেষকৃত্য হয় ক্যাপেন সৌরভ কালিয়া ও তাঁর সঙ্গীদের; ভারতবর্ষ যাকে হৃদয়ে স্থান দিয়েছে; কার্গিল যুদ্ধের প্রথম শহিদ হিসাবে।

]]>
ফের বিশ্বকাপে ভারতের হাতে নাস্তানাবুদ পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ফল ৭-০ https://thenewsbangla.com/india-wins-world-cup-cricket-match-againt-pakistan-in-world-cup-it-is-7-0/ Sun, 16 Jun 2019 17:26:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13933 ফের বিশ্বকাপে ভারতের হাতে নাস্তানাবুদ পাকিস্তান; বিশ্বকাপে ফল ৭-০। ক্রিকেট বিশ্বকাপে ৭ বার ভারতের মুখোমুখি হয়ে; ৭ বারই হারল পাকিস্তান। বৃষ্টিতে পাকিস্তান ব্যাটিং চলাকালিন ৩৫ ওভারে; ম্যাচ বন্ধ হবার সময় পাকিস্তানের স্কোর ১৬৬/৬। টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারতের স্কোর; ৫ উইকেটে ৩৩৬। ফলে এই ম্যাচও যে হারতে চলেছে পাকিস্তান তা জলের মত পরিষ্কার।

একদিনের বিশ্বকাপে এটা সপ্তমবার; যখন ভারত আর পাকিস্তান একে অপরের মুখোমুখি হল। আজ পর্যন্ত ক্রিকেট বিশ্বকাপে যে ৬টি ম্যাচ খেলা হয়েছে; সেই সমস্ত ম্যাচেই ভারতীয় দল পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে। এবার টিম ইন্ডিয়া সপ্তমবারের জন্য পাকিস্তানকে; নাস্তানাবুদ করে হারাল।

ওয়ানডে ক্রিকেটের এখনও পর্যন্ত ইতিহাসে; দুই দেশের মধ্যে মোট ১৩১টি ম্যাচ খেলা হয়েছে। আর এখানে পাকিস্তানের পাল্লা ভারি থেকেছে। পাকিস্তান ভারতকে ৭৩ বার হারিয়েছে; অন্যদিকে ভারতীয় দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫৪টি ম্যাচ জিতেছে। চারটি ম্যাচের কোনো পরিণাম হয়নি।

বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে; এতদিন সর্বোচ্চ রান ছিল ৩০০। চার বছর আগের বিশ্বকাপে; ভারত এই রান করেছিল। ম্যাঞ্চেস্টারে রোহিত শর্মার ব্যাট কথা বলায়; টিম ইন্ডিয়া করল পাঁচ উইকেটে ৩৩৬ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান; প্রথমেই হারায় ইমাম উল হকের উইকেট। এদিনই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামলেন বিজয় শঙ্কর। প্রথম বলেই ইমামের উইকেট তুলে নেন তিনি। ভুবনেশ্বর কুমারের পরিবর্তে বল করতে এসে সফল বিজয়। বল করার সময়ে পড়ে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ভুবি। বিশ্বকাপে এখনও অনেক ম্যাচ বাকি। ভুবির চোটটা কেমন; তা এখনই জানা যায়নি।

রবিবার টস জিতে; ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলে দিতে চেয়েছিলেন পাক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। রোহিত শর্মার দুরন্ত ১৪০ রান; বিরাট কোহালির ৭৭ রানের সৌজন্যে; ভারতই উল্টে চাপে ফেলে দেয় পাকিস্তানকে। রোহিত শর্মা চলতি বিশ্বকাপে; নিজের দ্বিতীয় শতরান করে ফেললেন এদিন।

ভারত-পাক ম্যাচ সব সময়েই চাপের। এই ম্যাচে পরে রান তাড়া করা; রীতিমতো কঠিন ব্যাপার। আবার ভারত রানের পাহাড় চাপিয়েছে; পাকিস্তানের উপরে। ম্যাচের যা অবস্থা তাতে পাকিস্তানের হার নিশ্চিত। খেলা শুরু হলেও; ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতি পাকিস্তানের হিসেব আরও জটিল করে দিতে পারে। খেলা আর না হলেও ভারত জিতে গেছে; এই ম্যাচে।

]]>
এশিয়া কাপ পাকিস্তানে, ভারতের কি খেলতে যাওয়া উচিত https://thenewsbangla.com/asia-cup-2020-in-pakistan-modi-govt-will-decide-india-should-play-or-not/ Wed, 29 May 2019 17:01:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13458 ২০২০ এশিয়া কাপ; আয়োজনের দায়িত্ব পেল পাকিস্তান। সিঙ্গাপুরে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে; ২০২০ এশিয়া কাপ আয়োজন করবে পাকিস্তান। প্রশ্ন এখন একটাই। ভারত কি করবে? পুলওয়ামার পর; ভারতের কি পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলতে যাওয়া উচিত?

১০ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় দলগুলো; পাকিস্তান সফর করছে না। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দলের ওপর; সন্ত্রাসী হামলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে পাকিস্তান থেকে নির্বাসনেই পাঠিয়েছে। এ অবস্থা বদলাতে চায় পাকিস্তান। এই লক্ষ্যে চলছে নানান প্রচেষ্টা। ২০২০ সালের এশিয়া কাপ; আয়োজনের দায়িত্ব পেল তারা। প্রশ্ন ভারত কি করবে?

২০০৯ সালের পর কেবল জিম্বাবোয়েই; একটা সংক্ষিপ্ত ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে পাকিস্তানের মাটিতে। এর বাইরে দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানিরা বঞ্চিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ থেকে। পাকিস্তান ক্রিকেট দলকেও ‘হোম’ ভেন্যু বানাতে হচ্ছে বিদেশের মাটিকে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) মরিয়া এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসবে।

তবে এরই মাঝে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি); কাছ থেকে সুখবর মিলেছে। ২০২০ সালের এশিয়া কাপ আয়োজনের; ভার পরেছে পাকিস্তানের কাঁধে। সিঙ্গাপুরে এসিসির এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। এরপরেই প্রশ্ন উঠে যায়; ভারত খেলতে যাবে তো?

সভায় পিসিবির সভাপতি এহসান মানি; ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ আর আফগানিস্তানের ক্রিকেট কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গত বছর সেপ্টেম্বরে আরব আমিরশাহয়ের; দুবাই ও আবুধাবিতে এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়া কাপের ফাইনালে; বাংলাদেশকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত। সবচেয়ে বেশি সাতবার এশিয়া কাপ জিতেছে ভারত। ২০০৮ সালে সবশেষ পাকিস্তানে; এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এখন ক্রিকেট সার্কিটে একটাই প্রশ্ন; পাকিস্তানে এশিয়া কাপ আয়োজিত হলে ভারতীয় দল খেলতে যাবে তো? শ্রীলঙ্কা টিম বাসে জঙ্গি হামলার পর থেকে; পাকিস্তানে সিরিজ খেলতে যেতে চায় না কোনও দেশ। এই নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড-এর হতাশার শেষ নেই। একের পর এক দেশকে; তাঁরা একাধিকবার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানে খেলতে যেতে রাজি হয়নি কোন দেশ।

বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পরিস্থিতি এখন আগের থেকে অনেক ভাল। তবুও কোনও দেশ যেতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে ২০২০ এশিয়া কাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেল পাকিস্তান। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ভারত খেলতে যাবে তো? সিদ্ধান্ত নেবে নরেন্দ্র মোদীর নতুন ভারত সরকার।

]]>
সম্পর্কের উন্নতিতে ৬০ জন ভারতীয় বন্দীকে মুক্তি দিল পাকিস্তান https://thenewsbangla.com/pakistan-releases-indian-prisoners-at-wagah-border-to-improve-relation/ Tue, 30 Apr 2019 13:42:25 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12045 পূর্ব প্রতিশ্রুতি মত মঙ্গলবার আরও ৬০ জন বন্দী ভারতীয় মৎস্যজীবী মুক্তি দিল পাকিস্তান। বন্দীরা পাকিস্তানের বিভিন্ন জেলে প্রায় দুই বছর ধরে বন্দী ছিলেন। বন্দীদের অধিকাংশই মৎস্যজীবী। আজ পাঞ্জাবের ওয়াঘা সীমান্ত ধরে এই বন্দীদের দেশে ফেরানো হয়।

এর আগেই ৩৬০ ভারতীয় বন্দীকে মুক্তি দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাকিস্তান। সম্প্রতি পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হানার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে যে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপে তা অনেকটাই প্রশমিত হবে বলে মনে করা হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ ইয়েতিকে জন্তু বলায় ভারতীয় সেনার উপর ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ ফয়জাল জানিয়েছিলেন, ৪টি ধাপে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রতিশ্রুতি মতো গত ৮ই এপ্রিল প্রথমে ১০০ জনকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ১৫ই এপ্রিল ও ২২শে এপ্রিল ১০০ জন করে এবং আজ বাকিদের মুক্তি দেওয়া হয়।

পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়, ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নের একটি প্রচেষ্টা এটি। পাকিস্তান ও ভারতের হাতে প্রায়শই মৎসজীবীরা আটক হন সীমান্ত পেরোনোর অভিযোগে। আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করতে না পারার জন্য দুই দেশের মৎসজীবীরাই এই সাধারণ ভুল করে থাকেন। তাদেরই ফেরাতে উদ্যোগী হয় ইমরান সরকার।

আরও পড়ুনঃ পায়ের ছাপ দেখিয়ে ভারতীয় সেনার দাবি, ইয়েতির অস্তিত্ব আজও আছে হিমালয়ে

তবে সীমান্তে সন্ত্রাসবাদ ও কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা বন্ধ না হলে যে ভারত পাক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না, তা পরিষ্কার করে দিয়েছে ভারত। তবে আন্তর্জাতিক চাপে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অন্তত লোকদেখানি হলেও স্বাভাবিক করতে উদ্যোগী ইমরান সরকার।

]]>
জঙ্গি ঘাঁটিতে ফের হামলার পরিকল্পনা করছে ভারত, ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান https://thenewsbangla.com/india-will-attack-again-in-pakistan-claims-pakisthan-foreign-minister/ Thu, 11 Apr 2019 17:29:17 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10316 পাকিস্তানে ১৬ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে ফের একবার হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে ভারত। বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রেকে সামনে রেখে এমন দাবি করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেহমুদ কোরেশি। আর এর ফলেই ভারতের বিমান হামলার ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে।

LIVE: সারাদিন কি হচ্ছে বাংলার ভোটে, দেখে নিন প্রথম দফার ভোটের সব ঘটনা

গত ফেব্রুয়ারিতে কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে একটি আত্মঘাতী বোমা হামলাকে কেন্দ্র করে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কাশ্মীরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় সিআরপিএফ বাহিনীর ৪৯ জন জওয়ান শহীদ হন। পরে এই হামলার দায় স্বীকার করে পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ ই মহম্মদ। যদিও কাশ্মীরের এই আত্মঘাতী হামলার দায় অস্বীকার করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এরই মধ্যে ভারতকে এ হামলার তদন্তে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন অন্যান্যবারের মতই।

আরও পড়ুনঃ কোচবিহারে ৩৫০ বুথে রিগিং, ১৬৬ বুথে পুনরায় নির্বাচনের দাবি তুললেন বিজেপি প্রার্থী

সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের শহর মুলতানে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোরেশি বলেন, ইসলামাবাদে দায়িত্বরত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের দুদিন আগে ভারতের ‘এই পরিকল্পনা’ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। সেখান থেকেই খবর এসেছে পাকিস্তানের কাছে।

আরও পড়ুনঃ শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন

তিনি আরও বলেন, “আমাদের কাছে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যে ভারত নতুন একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং পরিকল্পনাটি প্রক্রিয়াধীন। আমাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে আবারও হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত এবং তা ১৬ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়ন হতে পারে”।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

বক্তব্যের নির্ভরযোগ্যতা বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এবং দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এই বক্তব্য দিচ্ছি। আমি জানি, আমার বলা প্রতিটি শব্দ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হবে”। কোরেশির মতে, “পাকিস্তানের ওপর কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ হামলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরেই জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে আসছে নয়াদিল্লি। কাশ্মীরে আত্মঘাতী হামলার পর পাকিস্তানের কাছে বিশ্বাসযোগ্য ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায় ভারত। জঙ্গি হামলার জের ধরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে জঙ্গি ঘাঁটিতে বোমা বর্ষণ করে ভারতীয় বিমানবাহিনী। তারপর থেকেই ফের হামলার আশঙ্কায় কাঁপছে পাকিস্তান।

আরও পড়ুনঃ ব্রিটিশ পুলিশ এর হাতে গ্রেফতার উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ

কাশ্মীরের পুলওয়ামায় হামলার পর থেকেই পাকিস্তান ও ভারতীয় সৈন্যরা লাইন অব কন্ট্রোলে গুলিবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান ভারতের গ্রাম গুলোকে লক্ষ্য করে গুলি ও মর্টার হামলা করছে এই প্রমাণ ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলকে দেখিয়েছে ভারত। ভারত সব ধরণের সন্ত্রাসবাদের উপযুক্ত জবাব দেবে বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ মিগ ২১-র হামলায় পাক যুদ্ধবিমান এফ ১৬ ভেঙে পড়ার ব়্যাডার ইমেজ প্রকাশ বায়ুসেনার

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর কাশ্মীর স্বাধীন রাজ্য হিসেবে থাকলেও পরে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। একসময় কাশ্মীরের কিছু অংশ দখলে নেয় পাকিস্তান। উভয় দেশই কাশ্মীরকে পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। পাকিস্তান কাশ্মীরে সবসময় সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে এসেছে। ভারতের কাশ্মীরকে ঘিরে এ পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে দুটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। দুবারই শোচনীয় হার হয়েছে পাকিস্তানের।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয়দের বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাহুলের গুরু পিত্রোদা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রাহুলের নির্বাচনী কেন্দ্র ওয়ানাড ভারতে নাকি পাকিস্তানে, সন্দেহ প্রকাশ অমিতের https://thenewsbangla.com/amit-shah-regarding-rahuls-wayanad-procession-is-it-in-india-or-pakistan/ Wed, 10 Apr 2019 05:51:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10424 আমেঠীর পাশাপাশি কেরালার ওয়ায়াড লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাহুল গান্ধী। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই কেন্দ্র আদৌ ভারতে অবস্থিত কিনা, তা নিয়ে মঙ্গলবার নাগপুরের একটি জনসভা থেকে সন্দেহ প্রকাশ করেন অমিত শাহ। আর এই নিয়েই তুলকালাম বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ মহাজোটের ভরসা আলী হলে বাকিদের ভরসা বজরঙ বলী, মন্তব্য আদিত্যনাথের

এদিন নাগপুরে সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গডকড়ীর সমর্থনে অমিত শাহ একটি জনসভা করেন। সেখানেই তিনি বলেন, ওয়ানাডের রাস্তা দিয়ে শোভাযাত্রা নিয়ে অতিক্রম করলে বোঝা মুশকিল, আদৌ এই কেন্দ্রটি ভারতে অবস্থিত নাকি পাকিস্তানে! এরপরেই কংগ্রেসের তরফ থেকে তুমুল সমালোচনা করা হয়েছে অমিত শাহের।

আরও পড়ুনঃ ভোট বুথে গুন্ডাগিরি ও রিগিং রুখতে নির্বাচন কমিশন আনল বিশেষ অ্যাপ

মূলত কটাক্ষ করেই অমিত শাহের এই মন্তব্য। গত ৪ঠা এপ্রিল ওয়ানাডে রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী জনসভায় রাস্তার দুই পাশে ব্যাপক হারে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের চাঁদ তারা খচিত সবুজ পতাকা নজরে এসেছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য।

আরও পড়ুনঃ ছত্তিশগড়ে বিজেপি নেতার কনভয়ে ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলায় মৃত বিধায়ক সহ ছয়

কিছুদিন আগেই অমিত শাহ বলেছিলেন, রাহুল গান্ধী এমন একটি আসন থেকে লড়ছেন, যেখানে সংখ্যালঘুরা সংখ্যাগুরু। সংখ্যাগুরু হিন্দুদের ভোটে রাহুল ভরসা করতে পারছেন না বলে অনেকে কটাক্ষ করেছিলেন। আমেঠীতে রাহুলের প্রতিদ্বন্দ্বী তথা বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানী রাহুলকে বলেছিলেন, আমেঠীতে হার অপেক্ষা করছে রাহুল গান্ধীর জন্য, তাই তিনি কেরালা থেকে নিরাপদ আসনে লড়তে চলেছেন।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে মহাজোটের ভরাডুবির আশঙ্কা, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, এবার অমেঠীতে রাহুলের জেতার সম্ভাবনা একদমই নেই। তাই চক্ষুলজ্জার কারণে একটি নিশ্চিত আসন থেকে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন রাহুল। উল্লেখ্য, কেরালার ওয়াইনড লোকসভা কেন্দ্রটি বহুদিন ধরেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। সেক্ষেত্রে অমেঠীতে হেরে গেলেও এই আসনে জিতে রাহুল গান্ধী নিজের সম্মান কিছুটা বজায় রাখতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মিগ ২১-র হামলায় পাক যুদ্ধবিমান এফ ১৬ ভেঙে পড়ার ব়্যাডার ইমেজ প্রকাশ বায়ুসেনার https://thenewsbangla.com/iaf-says-radar-image-proof-of-downed-f-16-jet-of-pakistan-air-force/ Mon, 08 Apr 2019 17:00:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10310 মিগ ২১-র হামলায় পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান এফ ১৬ ভেঙে পড়ার প্রমাণ হিসেবে ব়্যাডার ইমেজ প্রকাশ করল ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তান হামলার সত্যতা অস্বীকার করলেও, ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার ভাইস মার্শাল আরজিকে কাপুর এক সাংবাদিক বৈঠকে তা মিথ্যা বলেই দাবি করেছেন। এও বলেছেন, এফ ১৬ ধ্বংস হওয়ার নির্ভরযোগ্য তথ্য ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে থাকলেও নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে, তা প্রকাশ্যে আনা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ ধাক্কা খেল মোদী সরকার, পাকিস্তানের কোন এফ ১৬ বিমান ধ্বংস হয় নি জানাল আমেরিকা

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি, ভারতের মিগ ২১ বিমানের হামলায় তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ ১৬ ভেঙে পড়ার বিষয়টি ইতিমধ্যেই অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। দাবি করেছে, এফ ১৬ ধ্বংস করার কোনো প্রমাণই ভারতের কাছে নেই। এর জবাবে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার ভাইস মার্শাল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করার অভিযোগ এনেছেন। ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে ওই দুই যুদ্ধবিমানের ইলেক্ট্রনিক সিগনেচার ও রেডিও ট্রান্সক্রিপশন সমেত রেডার ইমেজ প্রকাশ করেছেন আরজিকে কাপুর।

আরও পড়ুনঃ ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এফ ১৬ এর অপব্যবহার, মার্কিন রিপোর্ট

আরজিকে কাপুরের দাবি, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের ভূখণ্ড বালাকোটে ঢুকে, সফল এয়ার স্ট্রাইকের মাধ্যমে সেখানকার জঙ্গি ঘাঁটিগুলি গুড়িয়ে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। এরপরেই পাকিস্তানের বায়ুসেনা সীমান্ত লাগোয়া ভারতের সেনা ক্যাম্পগুলিকে টার্গেট করলেও সেই হামলা ব্যর্থ হয় বলেই দাবি ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার ভাইস মার্শালের।

আরও পড়ুনঃ ভারতের বিরুদ্ধে মার্কিন নয় চিনা যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে পাকিস্তান

পাকিস্তান প্রথম থেকেই তাদের এফ-১৬ বিমান ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ধ্বংসের দাবি অস্বীকার করে এসেছে। সম্প্রতি মার্কিন পত্রিকা ‘ফরেন পলিসি’ পাকিস্তানের সুরে সুর মেলায়। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের আধিকারিকের উদ্ধৃতি দিয়ে ওই পত্রিকার এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, ভারতের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যে। পাকিস্তানের কাছে থাকা এফ-১৬ যুদ্ধবিমান গুনে দেখা হয়েছে। কোনও এফ-১৬ বিমান নিখোঁজ নয়। অর্থাত্‍‌, ভারতীয় বায়ুসেনা সেদিন কোনও এফ-১৬ ধ্বংস করেনি।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি প্রার্থী বালি ও বৌ নিয়ে পড়েছিলেন, বাঁকুড়ায় ‘অশালিন’ অভিষেক

মার্কিন পত্রিকা ‘ফরেন পলিসি’র ওই রিপোর্টে বায়ুসেনার উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের সাফল্য সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি বায়ুসেনার এফ-১৬ ফাইটার জেট তাড়া করে পাক ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন ভারতীয় উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। তাঁর আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়ে মাটিতে ভেঙে পড়ে পাক যুদ্ধবিমান, এমনই জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু সেই দাবি নস্যাৎ করে সম্প্রতি রিপোর্ট প্রকাশ করে আমেরিকার ওই পত্রিকা।

আরও পড়ুনঃ প্রচারে এলে লাশ ফিরবে, বামফ্রন্ট প্রার্থীর গাড়ি আটকে খুনের হুমকির অভিযোগ

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা আধিকারিকের বিবৃতি দিয়ে একটি মার্কিন পত্রিকা দাবি করে, পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংস করার যে দাবি ভারত করেছে, তা ঠিক নয়। আমরা গুনে দেখেছি, পাকিস্তানের কাছে সবক’টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানই অক্ষত রয়েছে। একটিও ‘মিসিং’ নয়। ভারতের বায়ুসেনা মুখপাত্রের বক্তব্য, যে দুটি জায়গায় ইজেকশান হয়েছে, তার দূরত্ব ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। ইলেকট্রনিক সিগনেচার ইঙ্গিত দেয় এর একটি ছিল মিগ-২১, অন্যটি এফ-১৬।

আরও পড়ুনঃ কেন গ্রেফতার করা হবে না, রাজীব কুমারকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংস নিয়ে আমেরিকার দাবি নস্যাত্‍‌ করল ভারতীয় বায়ুসেনা। মার্কিন পত্রিকার দাবি খারিজ করে বায়ুসেনার মুখপাত্র জানিয়েছেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানোর যথেষ্ট প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের

মার্কিন ওই রিপোর্টকে আগেই খারিজ করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। সোমবার মৌখিক দাবি বা বাদানুবাদে আটকে না-থেকে, রেডার ইমেজ পেশ করা হয়। তাতে স্পষ্ট ২৭ ফেব্রুয়ারি দু’টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। একটি মিগ ২১, অন্যটি এফ ১৬। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে এয়ার ভাইস মার্শাল আরজিকে কাপুর বলেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি যে দুটি বিমান ধ্বংস হয়েছে, এ নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

একটি ভারতীয় বায়ুসেনার বাইসন, অন্যটি পাকিস্তান বায়ুসেনার এফ-১৬। তিনি জানান, রেডিয়ো ট্রান্সস্ক্রিপ্ট ও ইলেকট্রনিক সিগনেচার থেকে যুদ্ধবিমান দুটিকে শনাক্ত করা হয়েছে। মিগ-২১ বাইসন যে মাঝআকাশে পাক এফ-১৬ বিমানটিকে ধ্বংস করেছে, দাবির সপক্ষে সাংবাদিকদের রেডার ইমেজও এদিন দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ঘোড়া গাধা খচ্চর বিতর্কের পর গরুর গাড়িতে প্রচার, বিরোধী মতে মরার গাড়িতে তৃণমূল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভারতীয় সাবমেরিনের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান https://thenewsbangla.com/indian-submarine-detected-to-enter-in-pakistan-waters-pakistan-claims/ Tue, 05 Mar 2019 09:57:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7534 পাকিস্তানের নৌবাহিনির সুত্রে খবর কারাচির সমুদ্রে দেখা গেল ভারতের সাবমেরিন। পাকিস্তান মঙ্গলবার জানায় একটি সাবমেরিন তারা সমুদ্রের মধ্যে সনাক্ত করে। এই সাবমেরিনটি ভারতের বলে পাক নৌবাহিনি দাবি করেছে। এবার জলে ভারতের সারজিক্যাল হামলার ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান। যদিও পাকিস্তানের সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

পাকিস্তানি নৌবাহিনির একজন মুখপাত্র জানান, ভারতের একটি সাবমেরিন পাক জলসীমায় ঢুকে পরে। কিন্তু পাক নৌসেনার তরফ থেকে ভারতের সাবমেরিনকে খুব বেশি পাকিস্তানি এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তারা বিশেষ দক্ষতার সঙ্গে সাবমেরিনটিকে সনাক্ত করে এবং নিজেরা এগিয়ে গিয়ে ভারতের সাবমেরিনটিকে আক্রমণের ভয় দেখিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয়।

দেখুন পাকিস্তান নৌ সেনার প্রকাশ করা সেই ভিডিও। হাস্যকর দাবি, পুরনো ভিডিও বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের নৌ সেনা কর্তারা। দেখুন সেই ভিডিও

পাক নৌবাহিনীর সুত্রে এও জানানো হয় যে, একটি ভারতীয় সাবমেরিন পাক জলসীমায় ঢুকে পরে। কিন্তু পাক নৌসেনা ভারতের সাবমেরিন দেখেও তার দিকে লক্ষ করে টর্পেডো ছাড়েনি। বা আক্রমণ করেনি। এটা পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতকে পাঠানো এক শান্তি বার্তার প্রতীক।

এই নিয়ে দ্বিতীয় বার ভারতের সাবমেরিন দেখা গেল পাকিস্তানের সমুদ্রে দাবি পাকিস্তানের। প্রথমবার ২০১৬ সালে পাকিস্তানের সমুদ্রে দেখা গেছিল ভারতীয় সাবমেরিন।

যদিও ভারতীয় নৌসেনা এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ ভুয়ো বলে দাবি করেছে। তারা জানিয়েছে যে পাকিস্তান যে চিত্র দেখাচ্ছে, তা ২০১৬ সালের। তাও পাক জলসীমায় নয়। পাকিস্তানের দিকে কটাক্ষ করে ভারতীয় নৌবাহিনী এও জানিয়েছে যে, পাকিস্তান এখন সবেতেই ভারতের ভূত দেখছে।

যদিও এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে হইচই পরে গেছে। দাবি ও পাল্টা দাবিতে সরগরম দুই দেশ। আর এই ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের দারস্থ হচ্ছে পাকিস্তান।

১৯৭১ সালে পাকিস্তান চিরাচরিত দমননীতি চরিতার্থ করতে ভারতের জলসীমায় পাঠিয়ে বসে অত্যাধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন যুদ্ধজাহাজ পিএনএস ঘাজি। পিএনএস ‘ঘাজি’ ছিল একটি পাকিস্তানি সাবমেরিন আসন্ন বিপদ থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানকে রক্ষা করতে আসরে নামে ভারতের প্রথম রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত৷ ঘাজিকে শুধু কৌশলে আটকেই দেয়নি ভারতীয় নৌবাহিনী, ধ্বংস করে দিয়েছিল সাবমেরিন ঘাজি সহ পাক বাহিনীকে। এই নিয়ে সম্প্রতি একটি ফিল্মও হয়েছে।

মঙ্গলবারের পাক দাবি ফের সেই ঘটনার কথা মনে পরিয়ে দেয়। তবে পাকিস্তানের এই দাবির কোন সত্যতা নেই বলেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় নৌসেনা।

]]>
ভারত পাকিস্থান ও চীন এর হাতে সেনা ও অস্ত্র কত https://thenewsbangla.com/forces-arms-and-weapons-of-india-pakistan-and-china/ Mon, 04 Mar 2019 15:16:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7485 ভারতের চিরশত্রু পাকিস্তান। আর পাকিস্তানকে সবরকম সাহায্য করছে চীন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ভারত পাকিস্তান আর চীনের ভান্ডারে কি কি অস্ত্র রয়েছে।

ভারত: ১৩ লাখ ২৫ হাজার সেনা। সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল ২১ লাখ ৪৩ হাজার। দুই হাজার ৮৬টি বিমান রয়েছে। এছাড়াও ভারতের ৬৪৬টি হেলিকপ্টার, ১৯টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ৮০৯টি নির্ধারিত পাখাযুক্ত অ্যাটাক বিমান, ৬৭৯টি যুদ্ধ বিমান, ৩১৮টি প্রশিক্ষণ বিমান এবং ৮৫৭টি ট্রান্সপোর্ট বিমান রয়েছে।

ভারতের ৩৪৬টি ব্যবহার যোগ্য বিমানবন্দর রয়েছে। দেশে ৬ হাজার ৪৬৪টি ট্যাংক, ৬ হাজার ৭০৪টি আর্মার্ড ফাইটার ভেহিক্যাল, ২৯০টি সেল্ফ প্রপেল্ড গান, ৭ হাজার ৪১৪টি টানা কামান এবং ২৯২টি মাল্টিপল লাঞ্চার রকেট সিস্টেম রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে লড়ছে মরছে সেনা আর তাঁদের নিয়ে চলছে মুনাফার মারপিট

ভারতের ৩৪০টি মার্চেন্ট মেরিন জাহাজ রয়েছে। প্রধান সমুদ্রবন্দর রয়েছে সাতটি। এছাড়া দুটি বিমানবাহী ক্যারিয়ার, ১৪টি সাবমেরিন, ১৪টি ফ্রিগেট, ১০টি ডেস্ট্রয়ার, ২৬টি কর্ভাটি, ৬টি মাইন ওয়ারফেয়ার ক্রাফ্ট এবং ১৩৫টি পেট্রল ক্রাফট রয়েছে। এছাড়া ভারতের যৌথ সীমান্ত ১৩ হাজার ৮৮৮ কিলোমিটার এবং আয়তনক্ষেত্র ৩২ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৩ কিলোমিটার।

পাকিস্তান: ৬ লাখ ২০ হাজার সেনা। সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল ৫ লাখ ১৫ হাজার। সব মিলিয়ে পাকিস্তানে ৯২৩টি বিমান রয়েছে। এছাড়াও দেশটির ৩০৬টি হেলিকপ্টার, ৫২টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ৩৯৪টি নির্ধারিত পাখাযুক্ত অ্যাটাক বিমান, ৩০৪টি যুদ্ধ বিমান, ১৭০টি প্রশিক্ষণ বিমান এবং ২৬১টি ট্রান্সপোর্ট বিমান রয়েছে। দেশটির ১৫১টি ব্যবহার যোগ্য বিমানবন্দর রয়েছে।

দেশটির ২ হাজার ৯২৪টি ট্যাংক, ২ হাজার ৮২৮টি আর্মার্ড ফাইটার ভেহিক্যাল, ৪৬৫টি সেল্ফ প্রপেল্ড গান, ৩ হাজার ২৭৮টি টানা কামান এবং ১৩৪টি মাল্টিপল লাঞ্চার রকেট সিস্টেম রয়েছে। দেশটির ১১টি মার্চেন্ট মেরিন জাহাজ রয়েছে। প্রধান সমুদ্র বন্দর রয়েছে ২ টি।

আরও পড়ুনঃ ভারতের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান, অভিনন্দনকে বিমানে আনার প্রস্তাব নাকচ

এছাড়া ৫ টি সাবমেরিন, ১০টি ফ্রিগেট, ৩ টি মাইন ওয়ারফেয়ার ক্রাফ্ট এবং ১৩৫টি পেট্রল ক্রাফট রয়েছে। পাকিস্তানের যৌথ সীমাস্ত ৭ হাজার ২৫৭ কিলোমিটার এবং আয়তনক্ষেত্র ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫ কিলোমিটার।

চীন: যুদ্ধের জন্য দেশটির সক্রিয় সেনা ২৩ লাখ ৩৩ হাজার। সক্রিয় সংরক্ষিত সদস্য ২৩ লাখ। স্থলযুদ্ধের জন্য চীনের ট্যাঙ্ক আছে ৯ হাজার ১৫০টি। অস্ত্রবাহী যুদ্ধযান (এএফভি) আছে ৪ হাজার ৭৮৮টি

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে ভারতীয় সেনার সাহস ও বীরত্ব দেখিয়ে দেশে ফিরলেন অভিনন্দন

সেলফ-প্রপেল্ড গান (এসপিজি) ১ হাজার ৭১০টি। টাওয়েড-আর্টিলারি ৬ হাজার ২৪৬টি। মাল্টিপেল লান্স রকেট সিস্টেমস (এমএলআরএস) ১ হাজার ৭৭০টি। দেশটির মোট সামরিক বিমান ২ হাজার ৮৬০টি। যুদ্ধবিমান ১ হাজার ৬৬টি। ফিক্সড-উইং অ্যাটাক এয়ারক্র্যাফট ১ হাজার ৩১১টি।

পরিবহন বিমান ৮৭৬টি। প্রশিক্ষণ বিমান ৩৫২টি। হেলিকপ্টার ৯০৮টি। অ্যাটাক হেলিকপ্টার ১৯৬টি। মোট নৌ সক্ষমতা ৬৭৩টি। বিমান বহনে সক্ষম রণতরি একটি। ফ্রিগেট ৪৭টি। ডেস্ট্রয়ার ২৫টি, করভেট ২৩টি। সাবমেরিন ৬৭টি, কোস্টাল ডিফেন্স ক্র্যাফট ১১টি, মেরিন ওয়ারফেয়ার ৬টি।

আরও পড়ুনঃ যা হয়েছে তা ট্রেলার, আসল ফিল্ম এখনও বাকি বললেন নরেন্দ্র মোদী

সব মিলিয়ে ধারে-ভারে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকলেও, চীনের চেয়ে বেশ পিছিয়েই আছে ভারত। তবে বাহিনীর সাহস আর জোশ দেখলে ভারত অনেক এগিয়ে প্রতিপক্ষের চেয়ে।

]]>
সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে মাসুদ আজহারকেও কি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা https://thenewsbangla.com/indian-air-force-has-killed-masood-azhar-with-terrorists-in-the-surgical-strike/ Sun, 03 Mar 2019 09:00:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7378 বড় প্রশ্ন উঠছে? আরও বড় সাফল্য কি লুকিয়ে রয়েছে ভারতের জন্য? সেরকমটাই এখন মনে করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে মাসুদ আজাহারকেও কি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা? দেশি বিদেশি বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা রবিবার সেরকমই বলছেন। এই নিয়ে গোপনিয়তা নিয়েছে পাকিস্তান প্রশাসনও। তাদের দাবি কিডনির অসুখ নিয়ে পাক সেনা হাসপাতালে ভর্তি ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি’ মাসুদ আজাহার।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ছাড়ার আগে অভিনন্দন বর্তমানের পাশে ভদ্রমহিলা কে

গত মঙ্গলবার ভোর ৩.৩০ এ শুরু হয় অপারেশন। ভোর সাড়ে তিনটেয় ভারতীয় বায়ুসেনার হিন্ডন এয়ারবেস থেকে আকাশে ওড়ে ১২টি মিরাজ ২০০০ জঙ্গিবিমান পাকিস্তানের বালাকোট এ প্রথম হামলা করে বিমান বাহিনী ভোর ৩.৪৫-৩.৫৩ এর মধ্যে। মুজাফরাবাদ এ ৩.৪৮-৩.৫৫। ও চাকোটিতে বোমা ফেলে ৩.৫৮ থেকে ৪.০৪ এর মধ্যে। ১৯ মিনিটের অপারেশনে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত সীমান্ত পাড়ের পাক জঙ্গি ঘাঁটিগুলি। দাবি করা হয় মৃত্যু হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ জঙ্গির। এই অপারেশনে জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর কোমড় ভেঙ্গে গেছে, ভারতীয় বিমান বাহিনী সুত্রে এমনটাই জানান হয়।

আরও পড়ুনঃ ভারতকে হেয় করতে পাকিস্তানের মিথ্যা দাবিতে বেঘোরে প্রাণ গেল পাক পাইলটের

এর মধ্যে আছে বালাকোটে একটি জইশ ই মহম্মদের বড় জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প। সেটি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। সেখানে ২৫০র উপর জঙ্গি নিকেশ হয়েছে বলেই জানা গেছে। জানা গিয়েছে, বালকোট সেক্টরে পাকিস্তানে জঙ্গিদের কন্ট্রোল রুম গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। এছাড়াও একাধিক জঙ্গি শিবিরে চরম প্রত্যাঘাত এনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। বালাকোটে এই ক্যাম্প থেকেই ভারতে পাক জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রন করত জইশ ই মহম্মদ কর্তারা। ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এ শেষ হয়ে যায় সব।

আরও পড়ুনঃ জওয়ানদের হত্যার ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র পাক আইএসআইয়ের

তারপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে দাবি করা হয় ফাঁকা মাঠে বোমা ফেলেছে ভারত। কিন্তু ভারতীয় বিমান বাহিনীর তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় ঠিক জায়গায় ‘হিট’ করেছে ভারতীয় বিমান। পাকিস্তানে থাকা ইতালির সাংবাদিক ফ্রান্সিকা মারিনো পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, “ভারতের বায়ুসেনা জইশ ই মহম্মদের একটি বড় জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ ভারতকে সাইকোলজিক্যাল ব্ল্যাকমেল, মুখ ও মুখোশের আড়ালে পাকিস্তান

ইতালির সাংবাদিক ফ্রান্সিকা মারিনো জানিয়েছেন, তিনি ওইদিন বালাকোটের ওই অঞ্চলে গিয়েছিলেন। যে ক্যাম্পে বোমা ফেলেছিল ভারত সেখান থেকে অনেক জঙ্গির লাশ বের করা হয়েছে। ঘটনার পর পাক সেনা গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছিল কাউকে সেখানে ঢুকতে দেয়নি। যারা ফটো তোলার চেষ্টা করে তাদের সবার মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় বায়ুসেনা অভিনন্দনের স্ত্রী সাজিয়ে নোংরা রাজনীতি মোদী বিরোধীদের

এবার মনে করা হচ্ছে, বিমান হানার সময় ওই ক্যাম্পেই ছিলেন ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি’ মাসুদ আজাহার। মাসুদকেও ওই ক্যাম্পের সঙ্গেই উরিয়ে দিয়েছে ভারত, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। যাকে বলে ‘প্রাইজ ক্যাচ’। বিমান হানার বোনাস। গত দুদিন ধরেই পাকিস্তান বলে চলেছে কিডনির সমস্যায় পাক সেনা হাসপাতালে ভর্তি মাসুদ আজাহার। কিন্তু মনে করা হচ্ছে, মাসুদ আজাহার ইতিমধ্যেই খতম হয়েছে ভারতের বিমান বাহিনীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে লড়ছে মরছে সেনা আর তাঁদের নিয়ে চলছে মুনাফার মারপিট

আসলে গত মঙ্গলবার ভোরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকেই খতম হয়ে গেছে ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি’ মাসুদ আজাহার। জঙ্গিদের মনোবল নষ্ট হয়ে যাবে আর ভারতের কাছে এইভাবে ল্যাজেগোবরে হবার কথা প্রকাশ্যে এলে গোটা ভারতেই ছড়িয়ে থাকা পাক জঙ্গিরা ভয় পেয়ে যাবে, তাই এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। তবে স্যাটেলাইট ছবিতে প্রমাণ হয়ে গেছে যে জইশ ই মহম্মদের একটি বড় জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে গেছে যেখানে অনেক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে ভারতীয় সেনার সাহস ও বীরত্ব দেখিয়ে দেশে ফিরলেন অভিনন্দন

এখন ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি’ মাসুদ আজাহার এই হামলায় মারা গেছে কি যায়নি সেটা কয়েকদিন পরেই জানা যাবে। ঘটনা সত্যি হলে দুদিন পরই পাকিস্তান ঘোষণা করবে, কিডনি সমস্যায় মারা গেছেন মাসুদ আজাহার। আর সেটা হলে জানতে হবে, গত মঙ্গলবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে মাসুদ আজাহারকেও কি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেটা হলে, এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইককে একশ শতাংশ সফল বলা যাবে।

আরও পড়ুনঃ যা হয়েছে তা ট্রেলার, আসল ফিল্ম এখনও বাকি বললেন নরেন্দ্র মোদী
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে ভারতের বিমানহানার সময় জন্ম নবজাতকের নাম মিরাজ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>