India Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 29 Mar 2019 18:06:17 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg India Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল https://thenewsbangla.com/india-government-forms-a-terror-monitoring-group-against-terror-financing/ Fri, 29 Mar 2019 18:06:17 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9477 ঠিক যেন অক্ষয়কুমারের ‘বেবি’ সিনেমা। দেশের বিরুদ্ধে কাজ করা দেশদ্রোহীদের খুঁজে বের করে শেষ করার জন্য ৮ সদস্যের দল গড়ল ভারতের স্বরাষ্ট্র দফতর। ভারতে থেকে, ভারতে চাকরি করে, ভারতে জীবনধারণ করে, অনেক দেশদ্রোহী জঙ্গিদের সাহায্য করছে বলেই গোপন সূত্রে খবর। পাক জঙ্গিদের টাকা জোগানো হচ্ছে ভারত থেকেই। এবার সেই বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল গঠন করল স্বরাষ্ট্র দফতর। এই দল মুলত অপারেশন চালাবে জম্মু কাশ্মীরে।

এই গোয়েন্দা দলের নাম দেওয়া হয়েছে, Terror Monitoring Group। এই দলের কাজ হবে জঙ্গিদের কারা টাকা দিয়ে সাহায্য করছে তা খুঁজে বের করা। অর্থাৎ জঙ্গিদের কারা ফাইন্যান্স করছে তা তদন্ত করে করে খুঁজে বের করা। দেশের সব গোয়েন্দা দফতর থেকে সেরা অফিসারদের নিয়ে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ দল। ইতিমধ্যেই ভারতের স্বরাষ্ট্র দফতরের সেই দু-পাতার বিশেষ চিঠি পৌঁছে গেছে সব দফতরেই।

ভারতের স্বরাষ্ট্র দফতরের সেই দু-পাতার বিশেষ চিঠিঃ

পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল/The News বাংলা
পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল/The News বাংলা

NIA, CBI ছাড়াও থাকছে এই ৮ জনের Terror Monitoring Group দলের মধ্যে থাকছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের গোয়েন্দা। জঙ্গিদের যারা অর্থ যোগাচ্ছে আর জঙ্গিদের প্রতি যারা সহানুভূতিশীল তাদের খুঁজে বের করবে এই দল। এই ৮ সদস্যের দলের চেয়ারম্যান, ADGP, CID, JK Police । বাকি সদস্যরা হলেন,
২. IGP, J&K Police
৩. Additional Director IB, J&K
৪. CBI এর একজন গোয়েন্দা
৫. NIA এর একজন গোয়েন্দা
৬. CBDT এর একজন গোয়েন্দা
৭. CBIC এর একজন গোয়েন্দা
৮. চেয়ারম্যান মনোনীত একজন গোয়েন্দা।

এই Terror Monitoring Group এর কাজই হবে জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গিদের সাহায্যকারী ও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজে বের করা। বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির মাথাদের প্রতি নজর রাখাও হবে এদের কাজ। সরকারি কর্মী যেমন, শিক্ষকদের বিশেষ করে নজরে রাখা হবে।

জম্মু কাশ্মীরের অনেক সরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষক জঙ্গিদের সাহায্যকারীদের ও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলেই গোপন সূত্রে খবর। এদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে এই গোয়েন্দা দল। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি কর্মী যারা জঙ্গিদের সাহায্যকারী ও তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল বা তাদের জন্য টাকার জোগাড় করে, এমন দেশদ্রোহীদের খুঁজে বের করতেই এই ৮ সদস্যের Terror Monitoring Group গোয়েন্দা দল কাজ করবে বলেই লিখিত নির্দেশ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

]]>
ভারতের চাপে মাথা নত করল পাকিস্তান https://thenewsbangla.com/pak-govt-arrested-44-jem-terrorists-including-abdul-rauf-brother-of-masood-azhar/ Tue, 05 Mar 2019 11:56:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7559 ভারতের চাপে হাঁটু গেড়ে বসল পাকিস্তান। ভারতের চাপে মাথা নত করল পাকিস্তান। কূটনৈতিক স্তরে ভারতের বড় জয়। পাক জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ ই মহম্মদের প্রধান মৌলনা মাসুদ আজহারের ভাই আব্দুল রউফ আসগার সহ ৪৪ জন জইশ ই মহম্মদ জঙ্গিকে গ্রেফতার করল পাকিস্তান। ভারতের তরফ থেকে জইশ ই মহম্মদ জঙ্গিদের তালিকা তুলে দেবার পরই এই ব্যবস্থা নিল পাকিস্তান।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে হত্যা কর, কংগ্রেস নেতার প্রকাশ্য নির্দেশ

জইশ ই মহম্মদের প্রধান মৌলনা মাসুদ আজহারের ভগ্নীপতিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাক সরকার। নাম, হামিদ আজাহার। মৌলনা মাসুদ আজহারের ভাই আব্দুল রউফ আসগারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ছিল পুলওয়ামা কাণ্ডের মূল চক্রী। আরও মোট ৪২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইমরান খানের পাক সরকার। এটাকে ভারত সরকারের পাকিস্তানের উপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে রাখাকেই কারন বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় সাবমেরিনের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

পাকিস্তান থেকে পালানোর জন্য তৈরি থাকুন। রবিবার সন্ধ্যাতেই নিজেদের জঙ্গি ক্যাডারদের নোটিশ জারি করে সতর্ক করে জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি কর্তারা। আন্তর্জাতিক চাপে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে পাক সরকার, আশঙ্কা করেছিল জইশ। সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণ হল।

আরও পড়ুনঃ সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে মাসুদ আজহারকেও কি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা

ইমরান খান সরকার তাদের প্রশিক্ষন শিবির বন্ধ করে দিতে পারে। বন্ধ করে দিতে পারে তাদের মাদ্রাসাগুলি আটক করতে পারে জইশ নেতাদের। এমনটাই আশঙ্কা করেছিল জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি প্রধানরা। প্রবল আন্তর্জাতিক চাপে তাদের বিরুদ্ধে বড় কোন ব্যবস্থা নিতে পারে পাক সরকার, এমনটাই আশঙ্কা ছিল জইশের। এরপরেই নোটিশ জারি করে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের জঙ্গিদের। পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে আফগানিস্তান বা অন্য কোন ইসলামিক রাষ্ট্রে পালাতে হতে পারে বলেই সতর্ক করা হয়েছে এই নোটিশে। তার আগেই ধরপাকড় শুরু করল পাক সরকার।

Exclusive পাকিস্তান থেকে পালানোর জন্য তৈরি থাকুন জঙ্গিদের জানাল জইশ/The News বাংলা
Exclusive পাকিস্তান থেকে পালানোর জন্য তৈরি থাকুন জঙ্গিদের জানাল জইশ/The News বাংলা

পাকিস্তান আন্তর্জাতিক দুনিয়ার চাপে বিপর্যস্ত। নিজের গদি বজায় রাখতে যে কোন মুহূর্তে ইমরান খানের সরকার ভোল বদলাতে পারে। সাবধান থাকুন, তৈরি থাকুন। যে কোন সময় আমাদের পাকিস্তান ছেড়ে পালাতে হতে পারে। রবিবারই সন্ধ্যায় নিজেদের জঙ্গি ক্যাডারদের নোটিশ জারি করে সতর্ক করে জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি কর্তারা। আর মঙ্গলবারই ৪৪ জনকে গ্রেফতার করল পাক সরকার।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে খতম জইশ জঙ্গি ও ডেরা স্বীকার মাসুদ ভাইয়ের

আরও পড়ুনঃ ইমরান খানকে ভারতের পরমাণু অস্ত্র হুমকি দিলেন আসাদউদ্দিন ওয়েসি

আরও পড়ুনঃ ম্যাডাম খুব তাড়াতাড়ি যুদ্ধ বিমানে বসতে চাই, নির্মলাকে অভিনন্দন

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা https://thenewsbangla.com/triple-talaq-bill-in-rajya-sabha-opposition-opposes-the-government/ Mon, 31 Dec 2018 08:31:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5009 The News বাংলা, নিউ দিল্লি: সোমবার তিন তালাক বিল নতুন ভাবে পেশ হল রাজ্যসভায়। নতুন ভাবে আনা তিন তালাক বিল নিয়ে গত বৃহস্পতিবারই লোকসভায় আলোচনা হয়। কংগ্রেস, বাম, টিডিপি, তৃণমূল ও শিবসেনা সহ বিরোধীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও সংখ্যাগরিষ্ঠের জোরে লোকসভায় পাস হয়ে যায় এই বিল। সোমবার রাজ্যসভায় ফের সরকারের বিরুদ্ধে এককাট্টা বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে

আলোচনার জন্য সোমবার দুপুরে ফের একবার রাজ্যসভায় উঠছে নতুন তিন তালাক বিল। ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় তিন তালাক প্রথার অবসান করে দেওয়ার সময় এসেছে। তারপর আইন তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সেবারও রাজ্যসভায় বিরোধীদের বিরোধিতায় আটকে যায় তিন তালাক বিল।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে অনুপ্রবেশকারী হিংস্র পাকিস্তান ব্যাট সেনাকে খতম ভারতীয় সেনার

তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা/The News বাংলা
তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ চিন সীমান্তে ভগবান হয়ে পর্যটকদের উদ্ধার ভারতীয় সেনার

এর আগে জানুয়ারি মাসে একটি বিল তৈরি হয়েছিল, সেটি লোকসভায় পাস হলেও রাজ্যসভায় পাস করান যায়নি। এরপর তাতে সংশোধন করা হল। নতুন আইনে বলা আছে তিন তালাক দেওয়া স্বামীর তিন বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে।

আরও পড়ুন: বছর শেষে আবার ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চিত্র পরিচালক মৃনাল সেন

গত বৃহস্পতিবার লোকসভার মত, এদিনও রাজ্যসভায় সব সাংসদদের উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ জারি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিল উত্থাপনের সময় যাতে প্রত্যেক সাংসদ রাজ্যসভায় উপস্থিত থাকেন ও পরে ভোটাভুটিতে অংশ নেন, সে ব্যাপারে এদিন হুইপে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। শুধু তাই নয়, এই নির্দেশ কেউ অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা

তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা/The News বাংলা
তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

অন্যদিকে লোকসভার মত আলোচনার পর ভোটাভুটির কথা মাথায় রেখে রাজ্যসভা সাংসদদের ওপর হুইপ জারি করেছে কংগ্রেসও। কংগ্রেসের তরফ থেকেও প্রত্যেক সাংসদকে অবশ্যই আজ রাজ্যসভায় হাজির থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ‘আজাদ লড়াই’কে সম্মান নরেন্দ্র মোদীর

সোমবার শুরুতেই সংসদে কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের ঘরে এক জরুরী বৈঠকে বসেন বিরোধী নেতারা। সেখানেই ঠিক হয়, কোনরকমেই সরকারকে এই তিন তালাকের নতুন বিল রাজ্যসভায় পাস করাতে দেওয়া হবে না। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই তিন তালাকের নতুন বিলের বিরোধিতা করছে বিরোধীরা। তবে লোকসভা ভোটের আগে তিন তালাককে যাতে ইস্যু করতে না পারে বিজেপি, সেই জন্যই বিল আটকাতে তৎপর বিরোধীরা, বলছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ লোকঠকানির লোন মাপ, রাহুলকে লজ্জায় ফেলে আত্মঘাতী কৃষক

বিল বিতর্কে বিজেপি বিরোধিতায় কংগ্রেস এর পক্ষেই শিবসেনা, তেলেগু দেশম পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস সহ অনেক বিরোধী দল। এমনকি তিল তালাক বিলের বিরোধিতায় বামেরাও। তিন তালাকে তিন বছরের কারাদণ্ডের সংস্থান রেখে সেপ্টেম্বরে অর্ডিন্যান্স জারি করে সরকার। সেই অর্ডিন্যান্সে আইনি বৈধতা দিতেই সংসদে বিলও পেশ করা হয়।

আরও পড়ুন: লোকসভার আগেই রামমন্দির রায় দিতে সুপ্রিম কোর্টকে আর্জি মোদীর মন্ত্রীর

অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, অরুণ জেটলিরাও বৈঠকে বসেন। এর আগেও লোকসভায় পাস হলেও, রাজ্যসভায় আটকে যায় তিন তালাক বিল। বিরোধীদের একাধিক সংশোধনী খারিজ করে সরকার। যদিও, অর্ডিন্যান্সে বিরোধীদের দাবি মেনে, তিন তালাকে জামিনের সংস্থান রাখা হয়।

লোকসভায় মোদীর তিল তালাক বিল বিতর্কে বিরোধিতায় কংগ্রেস বাম তৃণমূল/The News বাংলা
লোকসভায় মোদীর তিল তালাক বিল বিতর্কে বিরোধিতায় কংগ্রেস বাম তৃণমূল/The News বাংলা

একাধিক ধারা বদলে যাওয়ায় ফের নতুন করে তিন তালাক বিল লোকসভায় পেশ করেছে সরকার। পাসও হয়ে গেছে। এবারও রাজ্যসভায় বিল আটকে গেলে সরকারকে আবার অর্ডিন্যান্স জারি করতে হবে। আর তিন তালাক বিল যৌথ সিলেক্ট কমিটিতে পাঠাতে বদ্ধ পরিকর বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

এদিকে লোকসভা ভোটের আগেই তিন তালাক বিল সংসদে পাশ করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। তিন তালাক বিল পাস করে সেটাই ভোটের অন্যতম প্রচারের হাতিয়ার করতে চায় গেরুয়া শিবির। কিন্তু কংগ্রেস ও বিরোধীরা, বিজেপির এই বড় হাতিয়ারকেই আটকাতে চাইছে। কংগ্রেস চায় তিন তালাক বিল যৌথ সিলেক্ট কমিটিতে পাঠাতে। আর সেই নিয়েই চলছে বিতর্ক। সোমবারও দুপুর থেকেই রাজ্যসভায় শুরু হবে বিল নিয়ে আলোচনা।

আরও পড়ুনঃ অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার দুর্নীতিতে নাম জড়াল সোনিয়ার সঙ্গে রাহুলেরও

তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা/The News বাংলা
তিন তালাক বিল পেশ রাজ্যসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: দিল্লীর নির্ভয়া ধর্ষণ কাণ্ডের পরেও নিরাপত্তাহীন কলকাতার বাস

দেখে নিন, নতুন তিন তালাক বিলে কি কি থাকছে:

১. এই নতুন আইনের সবচেয়ে বড় দিক হল এটায় তিন বছর পর্যন্ত জেলের সুপারিশ করা আছে। তাছাড়া স্বামীকে জরিমানা দেওয়ার কথাও বলা আছে নতুন আইনে। বলা হয়েছে নিকা হালালা-র বিরুদ্ধেও।

২. গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ বিলটি লোকসভায় পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। সংশোধিত বিলের উপর চার ঘণ্টা ধরে চর্চা হয়ে, সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠের জোরে পাসও হয়ে যায়। তবে রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ নয় সরকার। তাই তিন তালাক বিল রাজ্যসভায় ফের পেশ হলেও আটকে যাবে।

আরও পড়ুন: ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

৩. তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার বিরোধিতা করেছে বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস, বাম, টিডিপি, তৃণমূল ও শিবসেনা সহ বিরোধীদের অনেকেই।

৪. বিরোধীদের সমালোচনার মাঝে পড়ে তিল তালাক বিলে কয়েকটি পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র। তবে তিন বছরের জেলের বিষয়টি একই ভাবে বলবৎ থাকছে।

৫. এখন থেকে তিন তালাক পাওয়া স্ত্রী বা তাঁর নিকট আত্মীয়রা ছাড়া অন্য কেউ স্বামীর বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ করতে পারবেন না। আইনে বলা হয়েছে অভিযুক্ত স্বামী জামিন পাবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ম্যাজিস্টেট।

]]>
ডিসেম্বরেই মোদী বিরোধী মহাজোট, নবান্নে জানালেন মমতা চন্দ্রবাবু https://thenewsbangla.com/in-december-the-anti-modi-alliance-will-form-mamta-chandrababu-told-at-nabanna/ Mon, 19 Nov 2018 15:21:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2690 The News বাংলা, কলকাতা: ১১ ডিসেম্বর দিল্লিতে তৈরি হবে মোদী বিরোধী মহাজোট, নবান্নে মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় ও চন্দ্রবাবু নাইডুর জোট বৈঠকের পর জানালেন উভয়েই। বৈঠক শেষে দুজনের মুখেই বিজেপি সরকার বিরোধী মহাজোটের সুর। উভয়েই জানালেন, ১১ ডিসেম্বর, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের আগে দিল্লিতে বৈঠক করবে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। সেখানেই ঠিক হবে, ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের রণকৌশল।

আরও পড়ুনঃ ‘গুজরাট দাঙ্গা’, ২৬ নভেম্বর মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পরেই সম্ভবত এপ্রিল-মে মাসে দেশে লোকসভা ভোট। বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ও লোকসভা উপনির্বাচনে দেখা গেছে বিরোধী ভোট এক হলেই হেরেছে বিজেপি। আর তাই লোকসভা ভোটেও, ‘একের বিরুদ্ধে এক’ লড়াইয়ের রাস্তা তৈরি করতে সোমবার বিকালে নবান্নে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও চন্দ্রবাবু নাইডু।

Image Source: Google

এই বছরই বিজেপির এনডিএ ছেড়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। তারপর থেকেই তিনি মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব। ইতিমধ‍্যেই অখিলেশ যাদব, মায়াবতী থেকে শুরু করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়ার সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেছেন। ২২ নভেম্বর দিল্লিতে সব বিজেপি বিরোধী দলগুলির বৈঠক ডেকেছিলেন তিনি। তবে পাঁচ রাজ্যের ভোটের জন্য সে বৈঠক পিছিয়ে হবে সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে।

আরও পড়ুন: বিজেপি বিরোধী ভোট এক করতে নবান্নে মমতা-চন্দ্রবাবু বৈঠক

ডিসেম্বরে দিল্লিতে সব বিরোধী দলকে নিয়ে বৈঠকের ব্যপারে চন্দ্রবাবু নাইডু বেশ কিছু দিন ধরেই তৎপর। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, এর আগে কর্নাটকে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর সঙ্গে ও তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। অখিলেশ যাদব ও মায়াবতীর সঙ্গেও বৈঠক হয়ে গিয়েছে। নবান্নে এসে দিল্লীর বিরোধী বৈঠকে মমতাকে আমন্ত্রণ জানান তিনি।

Image Source: Google

বৈঠক শেষে মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় বলেন,’বিরোধীরা সবাই এখন এক সুরে কাজ করছে। আমরা একসঙ্গে কাজ করব। দেশকে বাঁচানোর জন‍্য একজোট হব। বিজেপি বিরোধী মহাজোটের মুখ সবাই। কেউ একজন নন’।

অন্যদিকে চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন,’মোদী সরকার গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক। অকারণে ইডি-সিবিআই দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। পেট্রোল-ডিজেলের দাম হুহু করে বেড়েছে। এই সব কিছুর বিরুদ্ধে মমতাজি সরব। আমরাও চাই মমতাজিকে পাশে পেতে। ২০১৯ সালে বিজেপিকে দেশছাড়া করতে চাই। সবাই মিলে মহাজোট করতে চাই’৷

আরও পড়ুন: মোদী সরকারের কাছে মমতাকে ‘ভারতরত্ন’ দেওয়ার দাবি তুললেন ইদ্রিস

সম্প্রতি সিবিআই নিয়ে দুই রাজ‍্যের মুখ‍্যমন্ত্রীই মোদী সরকারের সঙ্গে সংঘাত চরমে নিয়ে গেছেন। প্রথমে অন্ধ্রপ্রদেশ, তারপর বাংলায় প্রত‍্যাহার করা হয়েছে সিবিআই তদন্তের ‘সাধারণ সম্মতি’। যার জেরে রাজ‍্য সরকারের অনুমতি ছাড়া, এই দুই রাজ‍্যে সিবিআই তদন্ত করত পারবে না। মোদী সরকারের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধং দেহী আবহেই নবান্নে সোমবার বৈঠক করলেন মমতা-চন্দ্রবাবু। শুরু হয়ে গেল মহাজোটের ভিতটা আরও পোক্ত করার কাজ।

Image source: Google

যদিও ইতিমধ্যে মায়াবতী যে ভাবে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, তাতে বিরোধী জোট নিয়েই উঠে গেছে প্ৰশ্ন। জানা গেছে, সোমবার চন্দ্রবাবুর সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। পাশাপাশি, গুরুত্ব পাবে ১৯ জানুয়ারি মমতার ব্রিগেড সমাবেশ। কারণ সেখানেও সব বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি চাইছেন মমতা।

আরও পড়ুন: মোদী অমিতের রথযাত্রার পর বাংলার শুদ্ধিকরণে মমতার পবিত্র যাত্রা

এর আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করে অ-কংগ্রেসি-অ-বিজেপি ফেডেরাল ফ্রন্টের বার্তা দেন। তারপরই হাওয়া অন্য দিকে বইতে শুরু করে। এদিকে চন্দ্রবাবু নাইডু মনে করেন, মোদীকে সরাতে গেলে জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করা বিশেষ জরুরি। অন্য দলগুলিরও এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব রয়েছে। এই সব নিয়েই আজ আলোচনা হয়।

তবে লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে, সোমবারের নবান্নের বৈঠকের যথেষ্ট রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। মমতা-চন্দ্রবাবুর এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ছিল বিজেপিও। মহাজোট নিয়ে চিন্তায় পরবে তারাও। নবান্ন থেকেই মোদী বিরোধী মহাজোটের প্রস্তুতি শুরু হল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষঙ্গরা।

]]>
সমালোচনার মধ্যেই রেকর্ড আয়ের লক্ষ্যে মোদীর ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ https://thenewsbangla.com/modis-statue-of-unity-aimed-to-earn-record-amount-after-all-the-criticism/ Sun, 11 Nov 2018 14:14:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2206 The News বাংলা, কলকাতাঃ মাত্র ১০ দিন আগেই গত ৩১শে অক্টোবর উদ্বোধন হয় বিশ্বের সবথেকে উঁচু মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’র। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুরু থেকেই, নানান আলোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সর্দার প্যাটেলের এই মূর্তি। গুজরাট সরকারের হিসাবে, ১০ দিনেই ভালো আয় শুরু করল অনেক ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ এই মূর্তি।

গুজরাটের নর্মদা নদীর তীরে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার (৫৯৭ ফুট) উচ্চতা বিশিষ্ট এই মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এটিই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় মূর্তি। কর্মসংস্থানের দিশা নেই, মূল্যবৃদ্ধির বাজার, অধরা ‘আচ্ছে দিন’- এরই মধ্যে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি মূর্তির যৌক্তিকতা নিয়ে সমাজসেবী সংগঠনগুলি ও বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই প্রশ্ন তুলেছে।

Image Source: Google

৩০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই স্ট্যাচু তৈরিতে গত ৪২ মাসের পরিশ্রমে, ৩৪০০ শ্রমিক এবং ২৫০ জন ইঞ্জিনিয়ার কাজ করে গেছেন। এই বিপুল পরিমান টাকায় স্ট্যাচু না তৈরি করে অন্য আর কোন কোন কাজে লাগানো যেতো, তা নিয়েও সমীক্ষা করে ফেলেছে কয়েকটি সংস্থা। কয়েক মাস ধরেই, কেন্দ্রীয় সরকারের তুমুল সমালোচনা করেছে বিরোধীরা।

আরও পড়ুন: সুলতানকে নিয়ে বিজেপির বিরোধীতার মধ্যেই টানাপোড়েন কংগ্রেস-জেডিএসের

কিন্ত মূর্তি তৈরিতে সরকারের যে আসলে লক্ষ্মীলাভই হয়েছে, তা কয়েকদিন এগোতেই ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে বলেই জানিয়েছে গুজরাট রাজ্য সরকার। সরকারের দাবী, আর তাতেই নাকি সর্দার মূর্তি নিয়ে মুখ বন্ধ করছে বিরোধীরা।

Image Source: Google

দেখা যাচ্ছে, ৩১শে অক্টোবর মূর্তিটির উদ্বোধনের পর দিন থেকেই উৎসুক পর্যটকরা ভিড় জমাতে শুরু করে। দিওয়ালি এবং গুজরাটি নববর্ষ উপলক্ষ্যে ছুটির দিনগুলোতে ভিড় ছিলো উল্লেখযোগ্য। এই ১০ দিনে রেকর্ড সংখ্যায় মানুষ আসেন এই মুর্তি দেখতে। প্রতিদিন প্রায় ১৫০০০ দর্শক আসবেন আশা করছে গুজরাট সরকার। উৎসবের দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলেই আশা করছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: মোদীর ভারতে সর্দার প্যাটেলের রেকর্ড ভাঙবে ছত্রপতি শিবাজীর মূর্তি

সরকারি হিসেব বলছে, ৬ই নভেম্বর মঙ্গলবার থেকে ১০ই নভেম্বর শনিবার পর্যন্ত মোট ৭৪ হাজার ৬৭১ জন পর্যটক বিশ্বের সর্বোচ্চ এই মূর্তি দর্শন করেছেন। শুধুমাত্র ৯ই নভেম্বর অর্থাৎ শুক্রবারেই ভিড় জমান ২৩ হাজার ৬৬৬ জন পর্যটক। আর তা থেকে চলতি সপ্তাহেই সরকারের মোট আয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা।

Image Source: Google

উল্লেখ্য, সর্দার প্যাটেলের মূর্তি দর্শনের জন্য টিকিটের মূল্য ধার্য করা হয়েছে ব্যক্তি প্রতি ৩৮০ টাকা, যার মধ্যে ৩৫০ টাকা গ্যালারি দেখার জন্য ও ৩০ টাকা বাস পার্কিং থেকে মূর্তি অবধি পৌঁছানোর জন্য। ৩-১৫ বছর বয়সের শিশুদের জন্য টিকিট মূল্য নির্ধারিত করা হয়েছে ২০০ টাকা।

আরও পড়ুন: ভারতে আরও বড় ‘প্রাণঘাতী’ ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা

যদিও লিফটে করে ৬০০ ফুট উঁচু মূর্তির প্রায় ৪০০ ফুটের কাছাকাছি উঠে, সর্দার প্যাটেলের মূর্তির বুকের কাছ থেকে নর্মদার সৌন্দর্য না দেখলে শুধু মূর্তি দেখতে আপনাকে দিতে হবে মাত্র ১২০ টাকা, বাচ্চাদের ৬০ টাকা।

Image Source: Google

রাজ্য সরকারের পাশাপাশি পর্যটক বিশেষজ্ঞদের দাবি, যে হারে প্রতিদিন এবং বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ছে, তাতে খুব শীঘ্রই এই মূর্তি থেকে লাভের মুখ দেখবে রাজ্য।

আরও পড়ুন: মোদী সরকারের কাছে মমতাকে ‘ভারতরত্ন’ দেওয়ার দাবি তুললেন ইদ্রিস

চলতি মরশুমে বিদেশী পর্যটকদের ভিড়ও ছিল দেখার মত। এই বছরেও তাদের সিংহভাগের ভ্রমনের অভিমুখ যে হতে চলেছে ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, বলেই দাবি রাজ্য সরকারের। সেখান থেকেও প্রতিদিন বেশ কয়েক লক্ষ টাকা রোজগার করবে সরকার।

Image Source: Google

পর্যটক টানার লক্ষ্যে গুজরাট সরকার ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’র ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এয়ারপোর্ট নির্মাণ ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। গুজরাট সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারের আয় ছাড়াও বহু মানুষ এই মূর্তিকে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: মায়ের পুজোয় মদ বিক্রিতে রেকর্ড গড়ল মমতার বাংলা

আর এই রেকর্ড উপার্জনকে দেখিয়েই এবার বিরোধীদের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে আসরে নেমে পরেছে রাজ্য ও কেন্দ্রের বিজেপি নেতারা। তবে, তাতেও ৩০০০ কোটি টাকা ব্যয় করে মূর্তি গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে যে লোকসভা ভোট পর্যন্ত বিজেপিকে বিরোধী প্রশ্ন ও সমালোচনার মুখে থাকতেই হবে সেটা পরিষ্কার।

]]>
মোদী সরকারের কাছে মমতাকে ‘ভারতরত্ন’ দেওয়ার দাবি তুললেন ইদ্রিস https://thenewsbangla.com/tmc-mp-idris-ali-demands-mamata-banerjee-to-give-bharat-ratna-to-modi-government/ Fri, 09 Nov 2018 18:54:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2075 The News বাংলা, কলকাতাঃ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে, তাঁকে ‘ভারতরত্ন’ দেওয়ার দাবী তুললেন তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিস আলী। অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ‘অদ্বিতীয়া’ মমতাকে ‘ভারতরত্ন’ সম্মান দেবার দাবি তুলেছেন বসিরহাটের সাংসদ।

শুক্রবার, এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিস আলী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘সংহতির প্রতীক’ বলে উল্লেখ করেন এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা ও উন্নয়নের জন্য তাঁর ‘ভারতরত্নের’ দাবি জানান।

Image Source: Google

তৃণমূল সাংসদ মন্তব্য করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় সংহতি, সৌহার্দ্য ও উন্নয়নের প্রতীক। তিনি অদ্বিতীয়া, আমি মনে করি তাঁকে ভারতরত্ন প্রদান করা উচিত”।

আরও পড়ুন: মায়ের পুজোয় মদ বিক্রিতে রেকর্ড গড়ল মমতার বাংলা

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নিজের দল ও রাজ্যের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে অনেকগুলো ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে লড়াই করেছেন। নোটবন্দী থেকে শুরু করে জিএসটি, অসমের নাগরিক পঞ্জি তৈরি নিয়ে তাঁর মতে কেন্দ্রের বিভিন্ন ‘হঠকারী সিদ্ধান্তে’র বিরুদ্ধে তিনি প্রায়শই সোচ্চার হয়েছেন।

Image Source: Google

৮ই নভেম্বর নোটবন্দীর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পুনরায় তোপ দেগে বলেন, “কেন্দ্র সরকার নোটবন্দী জালিয়াতি করে দেশের সাথে প্রতারণা করেছে। যার ফলে অর্থনীতি ধাক্কা খাওয়ার সাথে সাথে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন যন্ত্রনা বেড়েছে। যারা এর জন্য দায়ী, জনগন অবশ্যই তাদের সাজা দেবে”।

আরও পড়ুন: মোদীর ভারতে সর্দার প্যাটেলের রেকর্ড ভাঙবে ছত্রপতি শিবাজীর মূর্তি

বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধীরাও বিভিন্ন সময়ে নানা অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। যদিও বিরোধী সমালোচনার গুরুত্ব না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বিজেপির কোনও উদ্দেশ্যই বাংলায় সফল হবে না।

Image Source: Google

রাজ্যের উন্নয়ন ও তাঁর লড়াই, এই সব কারণেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ‘ভারতরত্ন’ দেবার দাবি তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিস আলী। তবে, বিরোধী মমতার নাম ‘ভারতরত্ন’ এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার তুলবেন কিনা সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, লড়াই পিছিয়ে গেল

২০১৪ সালে বসিরহাট লোকসভা আসনে দাঁড়িয়ে ১ লাখেরও বেশি ভোটে জিতে সাংসদ হন ইদ্রিস আলী। এর আগেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভারতরত্ন দেবার দাবি তুলেছিলেন। এবার সরাসরি নরেন্দ্র মোদী সরকারের কাছেই মমতাকে ভারতের সবচেয়ে বড় সম্মান দেবার দাবি পেশ করলেন।

Image Source: Google

যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে এই নিয়ে কোন মন্তব্য করা হয় নি। তবে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃণমূল নেতা বলেছেন, এটা ইদ্রিস আলির ব্যক্তিগত মত, দলের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই। বাংলা বিজেপির তরফ থেকে এই নিয়ে কোন মন্তব্য না করে, এটাকে ইদ্রিসের পাগলামি বলেই অভিহিত করা হয়েছে।

]]>
সিবিআই বনাম সিবিআই লড়াইয়ে মানুষের বিশ্বাস ও ভরসা তলানিতে https://thenewsbangla.com/cbi-vs-cbi-fight-peoples-trust-and-confidence-is-at-bottom/ Thu, 25 Oct 2018 05:21:29 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1457 The News বাংলা: লড়াইটা ছিল দূর্নীতি, অপরাধজগৎ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের লড়াই। এখন লড়াইটা নিজেদের মধ্যেই। সিবিআই বনাম সিবিআই। আর এতেই হাস্যরসে ডুবে আছেন সাধারণ মানুষ। আইন, বিচার ব্যবস্থা ও প্রশাসনের প্রতি যেটুকু বিশ্বাস ছিল তাও প্রায় শেষ।

যে লড়াই ছিল সিবিআইয়ের অভ্যন্তরে, এ বার তা ছড়িয়ে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়াতেও। দেশের সেরা গোয়েন্দা সংস্থাকে নিয়ে শুরু হয়েছে কমেডি সার্কাস। ভরসা ও বিশ্বাস যেটুকু ছিল তাও এখন প্রায় শেষ।

সিবিআইয়ের স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার নামে সিবিআই যে এফআইআর করেছে, তা ছড়িয়ে পড়েছে হোয়াটসঅ্যাপ সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকী, সতীশ সানা নামে যে ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এফআইআর, তাঁর ৬ পাতার সেই অভিযোগও চলে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সানা এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত।

লড়াইটা মূলত সিবিআইয়ের ডিরেক্টর অলোক বর্মার সঙ্গে স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অবসর নেওয়ার কথা অলোক বার্মার। তারপরেই ডিরেক্টর হওয়ার কথা রাকেশ আস্থানার। আস্থানা শিবিরের অভিযোগ, আস্থানা যাতে ডিরেক্টর না হতে পারেন তার জন্য এই এফআইআর করানো হয়েছে আলোক বার্মার নির্দেশে।

সিবিআইয়ের অফিসারেরাও কার্যত দু’টি দলে ভাগ হয়ে গিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, তাঁদেরই কেউ অভ্যন্তরীণ নথি বাইরে ছড়াচ্ছেন। যেমন অলোক বর্মার শিবির, আস্থানার বিরুদ্ধে সানার অভিযোগ প্রকাশ করে দিয়েছেন, তেমনই আস্থানা ঘনিষ্ঠরাও পাল্টা অভিযোগ ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

কিন্তু যেই করুন, সিবিআইয়ের গোপন নথি এইভাবে সাধারণ মানুষের হাতে চলে আসায় সিবিআইয়ের উপর ভরসা উঠছে তাদের। তার চেয়েও বড় কথা, যাদের কাজ দুর্নীতি ও ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করা, তাদের বিরুদ্ধেই কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এখানেই বিশ্বাস ও ভরসা দুটোই হারাচ্ছে সিবিআইয়ের মত প্রতিষ্ঠান।

অলোক ও রাকেশের ঝগড়া মেটাতে দুজনকেই ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সেই আলোচনায় যে ফল হয়নি তা জলের মত পরিষ্কার। এবার ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নেমেছেন মোদি। দুই কর্তাকে ছুটিতে পাঠিয়ে বিজেপি সরকার বলেছে, সংস্থার ঐক্য ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।

এরই মধ্যে নতুন সিবিআই প্রধান নাগেশ্বর রাও-এর বিরুদ্ধেও আপত্তি উঠেছে। ‘অফিসার’ নাগেশ্বর রাওয়ের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ‘ডাইরেক্টর’ অলোক ভার্মার কাছে পাঠানো হয়েছিল। এমনকি ওই সব অভিযোগের তদন্ত শুরু করার উদ্যোগও নিয়েছিলেন ভার্মা। আর সেই ব্যক্তিই এখন হয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সিবিআই প্রধান !

অন্যদিকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, রাফায়েল যুদ্ধবিমান কেনাকাটায় দুর্নীতির বিষয়ে নথিপত্র সংগ্রহ করছিলেন অলোক ভার্মা। আর সেই কারণেই তাঁকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে দিল মোদী সরকার। রাকেশ আস্থানাকে নরেন্দ্র মোদীর ‘নয়নের মণি’ অভিহিত করে রাহুল আরও বলেছেন, ভারত ও ভারতের সংবিধান এখন বিপদাপন্ন।

বিজেপি অবশ্য দলীয়ভাবে প্রকাশ্যে কোনো পক্ষ নেয়নি। এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির মুখপাত্র মীনাক্ষী লেখি বলেছেন, “এখানে দুটি প্রতিবেদন আছে। একটি পরিচালকের বিরুদ্ধে, আবার আরেকটি বিশেষ পরিচালকের বিরুদ্ধে। আমরা চাই, সিবিআইয়ের মতো সংস্থার ওপর জনগণের বিশ্বাস যেন অটুট থাকে। তাই, দুজনকেই সরিয়ে দেওয়া হল”।

তবে সরকার সরিয়ে দিলেও দমে যাওয়ার পাত্র নন অলোক ভার্মা। পদ ফিরে পেতে বুধবারই সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেছেন তিনি। মোদী সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, সব তদন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে না যাওয়াতেই আজ তাঁর এই দশা।

আগামী শুক্রবার এই পিটিশনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। যদি শুনানির পর আদালত অলোকের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত দেন, তবে ফের বেকায়দায় পড়বেন নরেন্দ্র মোদী। ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ আর হবে না। উল্টে মোদী সরকারের ভাবমূর্তি ‘ড্যামেজ’ হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে! সব মিলিয়ে সিবিআই বনাম সিবিআইয়ের লড়াইয়ে সমস্যায় দেশের সরকারও।

বছর কয়েক আগে বলিউডে একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। নাম ছিল ‘স্পেশাল ২৬’। অক্ষয় কুমার-মনোজ বাজপেয়ি অভিনীত সিনেমাটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। সিনেমায় দেখানো হয়েছিল চোর-পুলিশের লুকোচুরি। প্রতারক অক্ষয়কে গ্রেপ্তার করার অভিযানে নেমেছিলেন সিবিআই কর্মকর্তা মনোজ।

ছবিতে একজন সৎ সিবিআই কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মনোজ, যিনি কিনা সব প্রলোভন দূরে ঠেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর নকল সিবিআই কর্মকর্তা সেজেই প্রতারণা করতেন অক্ষয়। সেখানেও সৎ সিবিআইয়ের মুখে হারার কালি মাখিয়ে মানুষের কাছে হাসির খোরাক করা হয়েছিল সিবিআইকে।

এর এখন, বাস্তবেও হাসির খোরাক ভারতের সেরা গোয়েন্দা সংস্থা। এমনিতেই দুর্নীতি আর কালোবাজারির শীর্ষে ভারত। আর এরপরে অন্যতম সেরা গোয়েন্দা সংস্থার এই হাল হলে, নিজেদের ভবিষ্যত চিন্তা করে প্রাণ খুলে হাসা ছাড়া কিই বা করার আছে ভারতবাসীর।

]]>
মোদীকে আটকাতে আপাততঃ প্রধানমন্ত্রী হবার ইচ্ছে বিসর্জন রাহুলের https://thenewsbangla.com/to-prevent-modi-rahul-sacrifice-his-wish-to-become-prime-minister/ Mon, 22 Oct 2018 12:40:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1312 নিউ দিল্লি: বিজেপিকে আটকাতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তেও রাজী। ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী মহাজোট করতে রাহুল গান্ধীকে দলের তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হচ্ছে না বলেই সোমবার জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম।

বলা যায়, পদের বিনিময়ে বিরোধী নেতাদের খোয়াতে চাইছে না কংগ্রেস। তাই মহাজোটের জন্য লোকসভা ভোটে সবচেয়ে বড় আত্মত্যাগ করতেও প্রস্তুত কংগ্রেস! প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে কাউকেই ঘোষণা করবে না কংগ্রেস।

রাহুল গান্ধীকে তো নয়ই, বিজেপির বিরুদ্ধে জোট করতে অসুবিধা হলে দলের অন্য কোনও নেতাকেও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হবে না, সোমবার এক সাক্ষাৎকারে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে মরিয়া কংগ্রেস। আর সে জন্য দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট করাটা জরুরি। মহাজোট করতে অনেক দিন আগে থেকেই উদ্যোগী সনিয়া গান্ধী। ইচ্ছে মহাজোটের নেতৃত্ব থাকুক ছেলে রাহুল গান্ধীর হাতে।

কিন্তু জোটের তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে রাহুল গান্ধীকে অনেক দলই মানতে রাজি নয়। সে প্রসঙ্গে রাহুল অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, সর্বসম্মতভাবে রাজি না হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হবেন না। এ বার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম দলের সেই সিদ্ধান্তই আরও স্পষ্ট করে দিলেন জোট শরিকদের কাছে।

পি চিদাম্বরম সোমবার বলেন, ‘‘আমরা কখনও বলিনি যে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে রাহুল গান্ধীকেই চাইছে কংগ্রেস। যদি কখনও দলের কোনও সমর্থক বা নেতা এই প্রসঙ্গে কথা বলতে চান, দলই তাঁকে থামিয়ে দেয়।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, বিজেপিকে হারানো। তার জায়গায় উন্নয়নশীল, দূর্নীতিমুক্ত, ধর্ম-নিরপেক্ষ একটা সরকার চাই। তার জন্য জোট সরকারের প্রয়োজন। কে প্রধানমন্ত্রী হবে তা ভোটের পর যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে”।

রাহুল গান্ধীও আগেই ঠিক এই কথাটাই বলেছিলেন। ৫ অক্টোবর একটি অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছিলেন, এই নির্বাচনটা দু’টো ধাপে হবে। প্রথম ধাপে ভোট এবং দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর শরিক দলগুলির সঙ্গে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে এখন কংগ্রেস একথা বললেও, কয়েকমাস আগেই রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, তিনিও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে তিনিও প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তখনই জোট শরিকরা জোট করার বিপক্ষে মত দিতে শুরু করেন। রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী মানতে রাজি নন অনেক জোট শরিকই। তাই, কংগ্রেসের এই পাল্টি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

২০১৯ এর লোকসভা ভোটে, বর্তমান ক্ষমতাসীন দল নরেন্দ্র মোদীর বিজেপিকে হারাতে আঁটঘাঁট বেঁধেই নেমেছে কংগ্রেস। জোটবদ্ধভাবেই নির্বাচনে বিজয়ী হতে চায় তারা। এজন্য ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আপতত প্রধানমন্ত্রী পদটাও ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস।

প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধীর নাম ঘোষণা করে দল যে বিরোধী শিবিরে আগেভাগে কোনো অস্বস্তি তৈরি করতে নারাজ তা আগেই স্পষ্ট করেছিল কংগ্রেস। দলের তরফে আরও এক ধাপ এগিয়ে জানানো হয়েছিল, বিজেপিকে হারাতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কিংবা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর মতো কাউকে মেনে নিতেও দলের আপত্তি নেই।

কংগ্রেস শীর্ষ সূত্রের মতে, রাহুল মনে করেন প্রধানমন্ত্রিত্বের থেকেও এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ হল বিজেপিকে হারানো। যদিও কংগ্রেস নেতৃত্ব মনে করছেন, ভোটের পরে বড় দল হিসেবে কংগ্রেস উঠে এলে অংকের হিসাবেই জোটের প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুল। এবং সেটা ঠিক হবে ভোটের ফল প্রকাশের পরে।

আর তাই ভোটে জিততে এখনই কংগ্রেসের তরফে কাউকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করা হবে না, বলেই জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। তবে, মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করে, বিজেপি যে কংগ্রেস ও জোটের এই দুর্বলতাকেই হাতিয়ার করবে, সেটা কিন্তু পরিস্কার।

]]>
লোকসভা ভোটের আগে উৎসবের মাসে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদ বাড়ল https://thenewsbangla.com/before-the-lok-sabha-polls-the-interest-rate-of-the-provident-fund-increased/ Tue, 16 Oct 2018 14:00:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1273 নিজস্ব সংবাদদাতা: লোকসভা ভোটের আগে দেশ জুড়ে উৎসবের মাসে, প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদ বাড়াল কেন্দ্র। সাধারণ প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ) ও সংশ্লিষ্ট আমানত প্রকল্পগুলির সুদের হার ০.৪ শতাংশ বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের দিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত, মত বিরোধীদের। তবে, খুশির ছোঁয়া কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মুখে।

সাধারণ প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ) ও সংশ্লিষ্ট আমানত প্রকল্পগুলির সুদের হার ০.৪ শতাংশ বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। তার ফলে ওই সুদের বর্তমান হার হল ৮ শতাংশ। এ বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর, এই ত্রৈমাসিকের জন্য ওই সুদের হার বাড়ানো হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে।

এই সুবিধার আওতায় পড়ছেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। এই সুবিধা পাবেন রেল ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও তার নোডাল এজেন্সিগুলির কর্মচারীরাও।

কেন্দ্রীয় অর্থনীতি মন্ত্রক সূত্রের খবর, চলতি আর্থিক বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে জিপিএফে সুদের হার ছিল ৭.৬ শতাংশ। জিপিএফ বা সংশ্লিষ্ট যে আমানত প্রকল্পগুলিতে এত দিন ৭.৬ শতাংশ হারে সুদ জমা পড়ছিল, সেই সবগুলিতেই অক্টোবরের ১ তারিখ ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত, ৮ শতাংশ হারে সুদ জমা পড়বে বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর ফলে PPF বা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতোই GPF এরও সুদ হল ৮ শতাংশ। আগেই, ১ লা অক্টোবর থেকে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা PPF এর সুদের হার ৮ শতাংশ ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

সেপ্টেম্বরেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল যে, স্বল্প সঞ্চয়, NSC ও PPF এর সুদ ০.৪ শতাংশ বাড়ান হবে। ব্যাংকে জমার পরিমান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিল মোদী সরকার।

তবে কংগ্রেস সহ বিরোধীরা এটাকে স্বাগত জানালেও, লোকসভা ভোটের আগে এই বৃদ্ধি করায় কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনাই করেছে তারা। কংগ্রেসের তরফ থেকে বলা হয়েছে, আরও আগেই এই সুদ বৃদ্ধি করা উচিত ছিল। ভোটের কথা মাথায় রেখেই এখন করল সরকার।

যদিও বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি নেতারা। কংগ্রেসের কিছু বলার নেই, তাই মানুষের উপকার হচ্ছে এমন বিষয়েও সরকারের সমালোচনা করছে, মত বিজেপি নেতাদের।

সব মিলিয়ে উৎসবের সময় কেন্দ্রের কাছ থেকে কিছুটা হলেও ভালো খবর পেলেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। তবে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন এই বৃদ্ধিতে খুশি নয়। তবে জানুয়ারি থেকে পরের ৩ মাস সব স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পেই সুদ আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলেই মনে করছে অর্থনীতিবিদরা।

]]>
ভারতবাসীর অজান্তেই গঙ্গা বাঁচাতে ১১১ দিনের অনশনে মৃত্যু https://thenewsbangla.com/the-111-day-hunger-strike-for-the-survival-of-the-ganga-activist-g-d-agarwal-is-dead/ Thu, 11 Oct 2018 15:01:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1061 নিউ দিল্লি: জানল না ভারতবাসী। দেশবাসীর অজান্তেই গঙ্গা নদী বাঁচাতে আমরণ অনশন করে মৃত্যু বরণ করলেন পরিবেশবিদ জি ডি আগরওয়াল।

মনে করতেন গঙ্গাই ভারতের লাইফলাইন। মনে করতেন, যে কোন কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত গঙ্গাকে দূষণ মুক্ত করা। কিন্তু, জীবনে কোন সরকারই গঙ্গা দূষণ মুক্ত করতে খুব বেশি চেষ্টা করে নি। তাই আই আই টি কানপুরের প্রাক্তন প্রফেসর ও পরিবেশবিদ জি ডি আগারওয়াল এবার মানুষের ও প্রশাসনের ঘুম ভাঙাতে আজীবন অনশন করে প্রাণ ত্যাগ করলেন।

এবছরের জুনের ২২ তারিখ থেকে অনশনে বসেছিলেন জি ডি আগারওয়াল। খাওয়া তো বটেই, শেষের দিকে জল পর্যন্ত স্পর্শ করতেন না তিনি। এযেন সেই স্বাধীনতার আমলের বিপ্লবী যতীন দাসের অনশন করে মৃত্যুর কথা মনে পড়িয়ে দেয়। ১১১ দিন অনশনের পর মারা গেলেন ৮৭ বছর বয়সী জি ডি আগরওয়াল।

গঙ্গা নদী পরিষ্কার ও গঙ্গার ধারে হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট তৈরি না করতে দেবার দাবি নিয়ে জুনের ২২ তারিখ থেকে অনশনে বসেছিলেন তিনি। জাতীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের প্রাক্তন সদস্য গঙ্গার জন্য নিজের জীবনটাই আহুতি দিলেন।

কানপুর আই আই টি ছাড়াও তিনি বার্কলের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছিলেন। জি ডি আগরওয়াল পরবর্তী জীবনে নিজের নাম নিয়েছিলেন স্বামী জ্ঞানস্বরূপ স্বানন্দ। আজীবন পরিবেশ ও বিশেষ করে গঙ্গা দূষণ রোধে লড়াই করে গেছেন। ঋষিকেশের AIIMS হাসপাতালে বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই একটা লড়াই ও একটা যুগের শেষ হল বলাই যায়।

হরিদ্দারের মাতৃসদন আশ্রম থেকে তিনি তাঁর আমরণ অনশন আন্দোলন শুরু করেন। মাঝে তাঁকে অনশনের জায়গা থেকে তুলে নিয়ে যাবার অনেক চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের সব চেষ্টা ব্যর্থ করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত গঙ্গার জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিলেন জি ডি আগরওয়াল।

আজীবন গঙ্গা দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছেন। ২০১২ সালেও তিনি এই ধরণের অনশন আন্দোলনে বসেছিলেন। জি ডি আগারওয়াল কে বলা হত গঙ্গা ক্রুসেডার। সেই মতোই নিজের জীবন দিলেন তিনি।

কেন্দ্রীয় সরকারের টনক নড়াতে আজীবন লড়াই করে গেছেন। সচেতন করার চেষ্টা করেছেন আমজনতাকে।এরপরেও সরকারের চৈতন্য হবে কি ? জি ডি আগরওয়ালের মৃত্যু কি সচেতন করবে সাধারণ মানুষকে ? প্রশ্নটা সেখানেই। সচেতন হওয়া তো অনেক দূরের ব্যপার। সাধারণ মানুষ কি আদৌ জানতে পারবেন, গঙ্গা নদী দূষণমুক্ত করতেও কেউ প্রাণ দিয়েছে ? প্রশ্নটা সেখানেই।

]]>