Hunger Strike – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 28 Mar 2019 12:20:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Hunger Strike – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু https://thenewsbangla.com/school-service-hunger-strike-withdrawn-till-june-if-problem-is-not-resolved-it-will-start-again/ Thu, 28 Mar 2019 12:17:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9415 ২৯ দিনে এসে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসে আশ্বাস দিয়ে যান। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে কথা বলার পর আপাতত অনশন তুলে নেবার সিদ্ধান্ত হয়। তবে মুখ্যমন্ত্রীর কথামত জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু হবে অনশন ওখানেই, পরিস্কার জানিয়েছেন স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা।

২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু/The News বাংলা
২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু/The News বাংলা

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ মমতার কথাতেও ওঠেনি অনশন, পুলিশি অত্যাচারের মুখে স্কুল সার্ভিস অনশনকারীরা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসে আশ্বাস দিয়ে গেছেন, তাও অনশন তোলেনি স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা। যার জেরে লজ্জাজনক পুলিশি হুমকির মুখেও পড়তে হয় অনশনকারী স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণদের। বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টার মধ্যে উঠে যাবার নির্দেশও দেওয়া হয় মমতার পুলিশের তরফ থেকে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতার কথা মেনে ও বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে কথা বলে সাময়িক ভাবে এই অনশন প্রত্যাহার করা হয়।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ ২৮ দিনে টনক নড়ল মমতার, স্কুল সার্ভিস অনশন মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী

এই অনশন নিয়ে ২৮ দিন পর টনক নড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এঁর। বুধবার বিকালে স্কুল সার্ভিস অনশন মঞ্চে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেন ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পুরো ব্যপারটা দেখতে বলেন। এখন ভোটের আদর্শ আচরণবিধি চলছে, তাই ভোটের পর এই ব্যপারে ব্যবস্থা নেবার ভরসা দেন মুখ্যমন্ত্রী। অনশনকারীরা নিজেদের মধ্যে কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আশ্বাস পাওয়ার পর কি করা উচিত, সেই নিয়ে চলে আলোচনা। তারপর অনশন চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেন স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা। তবে বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে কথা বলে সাময়িক ভাবে এই অনশন প্রত্যাহার করা হয়।

২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু/The News বাংলা
২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু/The News বাংলা

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা

অভিযোগ ছিল, গতকাল গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে সমস্ত ত্রিপল ও অন্যান্য আচ্ছাদন খুলে দিয়ে আসে। অনশনকারীদের সকাল ৭ টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে যাবার নির্দেশ দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ করেন অনশনকারী স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা। আর এতেই অবাক হয়ে যান অনশনকারী স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ খোলা রাস্তায় বসে মমতার ঘেরাটোপ অনশনের রেকর্ড ভাঙল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা

স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসে আশ্বাস দিয়ে গেছেন। তার ৫ ঘণ্টা পরে তারই পুলিশ এসে কি করে এই ধরণের চূড়ান্ত ন্যাক্যারজনক কাণ্ড ঘটাতে পারে? ওঠে প্রশ্ন। কি করে এতটা প্রতিহিংসা পরায়ণ হতে পারেন একটা রাজ্যের এক মহিলা মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন করেন অনশনকারী স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা। কিন্তু আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর কথা মেনেই চাকরি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাবার পরেই সাময়িক ভাবে তুলে নেওয়া হয় আন্দোলন।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ বাংলা এখন লাশের রাজনীতিতে অভ্যস্থ, শুধু একটা লাশ চাই আমাদের

কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন বৃহস্পতিবার পা দেয় ২৯ দিনে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই জটিল আকার নিচ্ছিল এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন। শেষ পর্যন্ত ২৯ দিনে এসে অনশন জট সাময়িক কাটল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার রাজপথে অনশনে বসেছিলেন এই যুবক-যুবতীরা।

২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু/The News বাংলা
২৯ দিনে অনশন তুলল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা, জুনে সুরাহা না হলে আবার শুরু/The News বাংলা

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ এসএসসি চাকরির আন্দোলন বন্ধের নির্দেশ, জোর করে তুলে দেবার হুমকি পুলিশের

শুরুতে প্রায় ৪৫০ জনকে নিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন এসএসসি-র ওই চাকরি প্রার্থীরা। অনশন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেক প্রার্থী। গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হওয়ায় গর্ভপাত করতে হয়েছে একজন অনশনকারীর। দুই অন্তঃসত্ত্বাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। হসপিটালে ভর্তি করতে হয়েছে ৫৮ জনকে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ভোটে উড়ছে টাকা, ৪২ আসনে নজরদারিতে ৪৪ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক

অনশনরত মোট ১০০ জনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বীরভূমের একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত, মুর্শিদাবাদ থেকে আসা একজন ভুগছে রক্ত আমাশায়। তবু প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন করে প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন অবস্থানে বসে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, “এসব সত্ত্বেও আমাদের লড়াই থামবে না”। প্রায় ৩৫০ জন এখনও অনশন মঞ্চে ছিলেন। আপাতত রাজ্য সরকারের আশ্বাসে সাময়িক ভাবে মিটল এই অনশন আন্দোলন।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
২৮ দিনে টনক নড়ল মমতার, স্কুল সার্ভিস অনশন মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী https://thenewsbangla.com/cm-mamata-banerjee-at-ssc-hunger-strike-manch-on-28th-days-with-partha-chaterjee/ Wed, 27 Mar 2019 13:14:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9363 ২৮ দিন পর টনক নড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এঁর। বুধবার বিকালে স্কুল সার্ভিস অনশন মঞ্চে যান মুখ্যমন্ত্রী। দিলেন ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পুরো ব্যপারটা দেখতে বললেন। এখন ভোটের আদর্শ আচরণবিধি চলছে, তাই ভোটের পর এই ব্যপারে ব্যবস্থা নেবার ভরসা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মুহূর্তে অনশনকারীরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আশ্বাস পাওয়ার পর কি করা উচিত, সেই নিয়ে চলছে আলচনা।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা

কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন বুধবার পা দেয় ২৮ দিনে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই জটিল আকার নিচ্ছে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন। আজ ২৮ দিনে পড়ল তবু অনশন জট কাটল না। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় অনশনকারীরা। এবার ২৮ দিন পর সাড়া মিলল সিঙ্গুর কাণ্ডে ধর্মতলায় টানা ২৫ দিন অনশন আন্দোলন করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা/The News বাংলা
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা/The News বাংলা

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ খোলা রাস্তায় বসে মমতার ঘেরাটোপ অনশনের রেকর্ড ভাঙল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার রাজপথে অনশনে বসেছেন এই যুবক-যুবতীরা। উল্লেখ, শুরুতে প্রায় ৪৫০ জনকে নিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন এসএসসি-র ওই চাকরি প্রার্থীরা। অনশন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেক প্রার্থী। গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হওয়ায় গর্ভপাত করতে হয়েছে একজন অনশনকারীর। দুই অন্তঃসত্ত্বাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। হসপিটালে ভর্তি করতে হয়েছে ৫৮ জনকে।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ বাংলা এখন লাশের রাজনীতিতে অভ্যস্থ, শুধু একটা লাশ চাই আমাদের

অনশনরত মোট ১০০ জনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বীরভূমের একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত, মুর্শিদাবাদ থেকে আসা একজন ভুগছে রক্ত আমাশায়। এখনও প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন করে প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন অবস্থানে বসে। তাঁদের বক্তব্য, “এসব সত্ত্বেও আমাদের লড়াই থামবে না”। প্রায় ৩৫০ জন এখনও অনশন মঞ্চে আছেন।

খোলা রাস্তায় বসে মমতার ঘেরাটোপ অনশনের রেকর্ড ভাঙল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা/The News বাংলা
খোলা রাস্তায় বসে মমতার ঘেরাটোপ অনশনের রেকর্ড ভাঙল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা/The News বাংলা

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ এসএসসি চাকরির আন্দোলন বন্ধের নির্দেশ, জোর করে তুলে দেবার হুমকি পুলিশের

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে সন্তুষ্ট নন অনশনকারীরা। চাকরির বিষয়ে মন্ত্রী এখনও কোনও আশ্বাস দেন নি। রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে দাবি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথাও হয়। চাকরি নিয়ে কোনও আশ্বাস না পেলে তাঁরা কোনোমতেই অনশন তুলবেন না বলে সিদ্ধান্তে অনড় অনশনকারীরা। তবে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কিন্তু চাকরির কোন আশ্বাস দেননি। শুধু সেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ব্যপারটা দেখতে বলেছেন। এখন ভোটের আদর্শ আচরণবিধি চলছে, তাই কোন কথা দিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ বাবুল সুপ্রিয়র প্রার্থীপদ বাতিল করা হোক, নির্বাচন কমিশনে অভিষেক

এই পরিস্থিতিতে টানা ২৮ দিন কলকাতার রাজপথে বসে বাংলার ভবিষ্যতের শিক্ষক শিক্ষিকারা। আর এই আন্দোলন ভাঙতে পুলিশ পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছে মমতার সরকার, অভিযোগ উঠেছে এমনটাও। তবে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে একথা অস্বীকার করা হয়। শেষ পর্যন্ত ভোটের আগে অনশন মঞ্চে আসতে বাধ্য হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার মৌখিক আশ্বাস পেয়ে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলনে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা https://thenewsbangla.com/partha-chatterjee-committee-will-listen-about-the-ssc-scam-from-qualified-candidates/ Tue, 26 Mar 2019 06:21:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9258 মমতার জমানাতেই ভেঙে গেল মমতার রেকর্ড। সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে ধর্মতলায় তাঁর টানা ২৫ দিনের অনশন আন্দোলনের রেকর্ড ভেঙে দিলেন তাঁর রাজ্যের স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা। মমতার রেকর্ড ভাঙল সেই মমতাই যখন মুখ্যমন্ত্রী। আজ ২৭ দিনে পড়ল কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির অভিযোগ শুনতে গড়েছেন ৫ সদ্যস্যের তদন্ত কমিটি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে অভিযোগ। তারাই করবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির তদন্ত, বলছে স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে পড়ুনঃ ২৮ দিনে টনক নড়ল মমতার, স্কুল সার্ভিস অনশন মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী

স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কর্মপ্রার্থীদের অনশন মঙ্গলবার ২৭ দিনে পড়ল। তাঁদের সমস্যার সুরাহায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গড়া পাঁচ সদস্যের কমিটির কাছে, আজ মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ জানাবেন অনশনকারীরা। বলবেন তাঁদের অভিযোগের কথা। দুর্নীতি হয়েছে কিনা তা দেখতে কে কে আছেন কমিটিতে?

স্কুল সার্ভিস নিয়ে পড়ুনঃ খোলা রাস্তায় বসে মমতার ঘেরাটোপ অনশনের রেকর্ড ভাঙল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্কুল সার্ভিস এর বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনতে গড়েছেন ৫ সদ্যস্যের তদন্ত কমিটি। ওই কমিটিতে আছেন, স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিব মণীশ জৈন, এসএসসি চেয়ারম্যান সৌমিত্র সরকার সহ পাঁচ জন। নথি ও প্রমাণ নিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১টায় বিকাশ ভবনে এই কমিটির কাছে যাচ্ছে অনশনকারীরা। লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হবে তাদের তরফ থেকে। “নথি দিয়ে আমরা প্রমাণ করব, এসএসসি-র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে”, বলেছেন অনশনকারীরা।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীর কি কলি, নজিরবিহীন কটাক্ষ তৃণমূল নেত্রী মমতাকে

কিন্তু রাজ্য প্রশাসন, স্কুলশিক্ষা দফতর, এসএসসি এরা তো মানেই নি, যে কোন দুর্নীতি হয়েছে। তারাই এবার রয়েছে এই কমিটিতে। দুর্নীতির অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসন তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মন্ত্রীদের দিকেই। সেক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর তৈরি স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির তদন্ত করতে যে ৫ সদ্যস্যের তদন্ত কমিটি গড়া হয়েছে তাতে আদৌ কোন লাভ হবে? প্রশ্ন অনশনকারীদের।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে ২ দিনের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করার চ্যালেঞ্জ মমতার

কেন এই কমিটিতে রাখা হল না কোন প্রাক্তন বিচারপতিকে? কেন রাখা হল না বিরোধী কোন দলের বিধায়ক বা অন্য কাউকে? স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিব মণীশ জৈন, এসএসসি চেয়ারম্যান সৌমিত্র সরকার এরা সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে কোন কথা বলতে পারবেন? এঁরা আগেই বলে দিয়েছেন কোন দুর্নীতি হয়নি। তাহলে এই কমিটি নতুন কিছু কি বলতে পারবে? উঠেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ বাবুল সুপ্রিয়র প্রার্থীপদ বাতিল করা হোক, নির্বাচন কমিশনে অভিষেক

টানা ২৭ দিনের আন্দোলন ভোটের মুখে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে রাজ্য সরকারকে। আর সেই থেকে বাঁচতেই এই ৫ সদস্যর কমিটি গড়ে মুখ রক্ষা করার চেষ্টা, বলছে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস নেতারা। অনশনকারীদের কোন সঠিক ও যথার্থ প্রমাণ থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আশায় বাঁচে চাষা! কিছুই হবে না জেনেও, তাও নিজেদের অভিযোগ প্রমাণ ও নথি দিয়ে জানাবেন অনশনকারীরা।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
এসএসসি চাকরির আন্দোলন বন্ধের নির্দেশ, জোর করে তুলে দেবার হুমকি পুলিশের https://thenewsbangla.com/ssc-protestors-threatened-by-kolkata-police-to-stop-the-movement-for-the-jobs/ Sat, 23 Mar 2019 10:47:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9098 এবার কলকাতা পুলিশের হুমকির মুখে এসএসসি-র অনশনরত আন্দোলনকারীরা। কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলনকারীদের হুমকি দিয়েছে পুলিশ, এমনটাই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। অনশনরতদের অভিযোগ, শনিবার সকাল থেকেই কলকাতা পুলিশের পদস্থ কর্তারা অনশনকারীদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন, আন্দোলন তুলে না নিলে জোর করে তুলে দেওয়া হবে। তবে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে হুমকির কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ বাংলা এখন লাশের রাজনীতিতে অভ্যস্থ, শুধু একটা লাশ চাই আমাদের
স্কুল সার্ভিস নিয়ে আরও পড়ুনঃ বাংলাকে চরম লজ্জায় ফেলে শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনশন আন্দোলন ২১ দিনে

টানা ৩ সপ্তাহ কেটে গেছে। তবুও টনক নড়ে নি কারোর। ২৪ দিন রোদে পুড়ে, জলে ভিজেও আন্দোলন থামায় নি ওরা। কিন্তু ভোটের বাজারে রাজ্য সরকারের তা দেখার সময় কোথায়? বিরোধীরাও ব্যস্ত ভোট নিয়ে। আর রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোটের বাজারে লিখতে এগিয়ে আসছে না বাংলার কোন বড় সংবাদমাধ্যমও। ভোটের আগে পাতার পর পাতা জুড়ে অনেক সরকারি বিজ্ঞাপন চলেছে যে!

এসএসসি চাকরির আন্দোলন বন্ধের নির্দেশ, জোর করে তুলে দেবার হুমকি পুলিশের/The News বাংলা
এসএসসি চাকরির আন্দোলন বন্ধের নির্দেশ, জোর করে তুলে দেবার হুমকি পুলিশের/The News বাংলা

কিন্তু এবার এই আন্দোলন রাজ্য সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠছে বলেই মনে করা হচ্ছে। অরাজনৈতিক আন্দোলন হলেও ভোটের ঠিক আগে এটাকেই ইস্যু করতে তৈরি বিরোধী দলগুলি। বড় মিডিয়া হাউস এই নিয়ে খবর না করলেও, সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন। তাই এবার পুলিশ লাগিয়ে ভয় দেখিয়ে জোর করে আন্দোলন তুলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেই অভিযোগ অনশন আন্দোলনকারীদের।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন শনিবার পা দিল ২৪ দিনে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই জটিল আকার নিচ্ছে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশন আন্দোলন। আজ ২৪ দিনে পড়ল তবু অনশন জট কাটল না। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় অনশনকারীরা। কিন্তু ২৪ দিনেও সাড়া মেলেনি ধর্মতলায় টানা ২৫ দিন অনশন আন্দোলন করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার রাজপথে অনশনে বসেছেন যুবক-যুবতীরা। উল্লেখ, শুরুতে প্রায় ৪৫০ জনকে নিয়ে অনশন শুরু করেছিলেন এসএসসি-র ওই চাকরি প্রার্থীরা। অনশন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেক প্রার্থী। গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হওয়ায় গর্ভপাত করতে হয়েছে একজন অনশনকারীর। দুই অন্তঃসত্ত্বাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। হসপিটালে ভর্তি করতে হয়েছে ৫৮ জনকে।

অনশনরত মোট ১০০ জনকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বীরভূমের একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত, মুর্শিদাবাদ থেকে আসা একজন ভুগছে রক্ত আমাশায়। এখনও প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন করে প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন অবস্থানে বসে। তাঁদের বক্তব্য, “এসব সত্ত্বেও আমাদের লড়াই থামবে না”।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে সন্তুষ্ট নন অনশনকারীরা। চাকরির বিষয়ে মন্ত্রী এখনও কোনও আশ্বাস দেন নি। রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে দাবি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। চাকরি নিয়ে কোনও আশ্বাস না পেলে তাঁরা কোনোমতেই অনশন তুলবেন না বলে সিদ্ধান্তে অনড় অনশনকারীরা।

এই পরিস্থিতিতে টানা ২৪ দিন কলকাতার রাজপথে বসে বাংলার ভবিষ্যতের শিক্ষক শিক্ষিকারা। আর এই আন্দোলন ভাঙতেই এবার পুলিশ পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছে মমতার সরকার, অভিযোগ এমনটাই। তবে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে একথা অস্বীকার করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলা এখন লাশের রাজনীতিতে অভ্যস্থ, শুধু একটা লাশ চাই আমাদের https://thenewsbangla.com/ssc-candidates-in-waiting-list-of-school-service-commission-sitting-on-an-indefinite-hunger-strike/ Sat, 23 Mar 2019 07:26:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9080 আজ ওদের ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪ দিন…। দিন কেটে যায়। গুরুতর অসুস্থ অনেকেই। তবু টনক নড়ে না রাজ্য প্রশাসনের। কলকাতার রাজপথে ৪০০ জন শিক্ষা চাকুরি প্রার্থী আজও অনশনে। অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আবার ফিরে এসে যোগ দিচ্ছে অনশনে। ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়েছে এক মহিলার গর্ভস্থ ভ্রূণ। তবু টনক নড়ে নাই প্রশাসনের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ২৫ দিনের সিঙ্গুর আন্দোলনের অনশনের রেকর্ড ভেঙে যাবে কাল। বাংলার নেতা নেত্রীরা এসএসসি নিয়ে তদন্ত চাইছেন না কেন?

আরও পড়ুনঃ বাংলাকে চরম লজ্জায় ফেলে শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনশন আন্দোলন ২১ দিনে

কথায় কথায় সিবিআই চাওয়া বাংলার নেতা নেত্রীরা এসএসসি নিয়ে তদন্ত চাইছেন না কেন? ফেব্রুয়ারী ২৮ থেকে শুরু হয়েছে এই আমরণ অনশন আন্দোলন। যাই হোক, আজ ২৪ দিন হল ভবিষ্যতের শিক্ষকদের অনশন আন্দোলনের। কেন মানা যাচ্ছে না এসএসসির দাবি? কি চলছে আসলে এসএসসি তে? আসুন একটু পিছনের গল্প জেনে নেওয়া যাক।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

২০১২ সালের ৪ বছর পর ২০১৬ তে হয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন এর পরীক্ষা। স্কুলে স্কুলে শিক্ষকের আকাল থাকলেও কিন্তু ২০১৬ র আগে আর পরীক্ষা হয়নি। এটা মনে রাখা জরুরি যে এই এসএসসি কে পাখির চোখ রেখে এই রাজ্যের কয়েকটি এলিট বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র ছাত্রীরা প্রস্তুতি নেয়। বিশেষত যারা মফস্বল, গ্রাম থেকে উঠে আসা ছাত্র ছাত্রী তাঁদের কাছে এসএসসি এমন একটি সরকারি চাকরি যা তাঁদের হাতের নাগালে সহজে আসে।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

২০১৬ সালে বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রী পরীক্ষাতে বসেন। ২০১৮ তে তার রেজাল্ট বেরোয়। মেরিট লিস্ট প্রথমে দেওয়া হয় না। তারপর আদালতে মালদা হয়। মামলার পর মেরিট লিস্ট বেরোয়। মেরিট লিস্টে দেখা যায় অসংখ্য অসঙ্গতি। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় কম স্কোরের ক্যান্ডিডেট চাকরি পেয়ে গেলেও বেশি স্কোর করা প্রার্থীর নাম ওয়েটিং লিস্টে ঝুলছে। কম স্কোরের প্রার্থী চাকরিতে যোগ দিলেও অনেক বেশি স্কোরের প্রার্থীর নাম চাকরি তালিকায় নেই।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতমাতা কি জয়’, বলে দলের মধ্যেই ফের বিপদে নেতা

অভিযোগ ওঠে বিপুল টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে এক একটা সিট। হঠাৎ করে দেখা যাচ্ছে ভ্যাকেন্ট সিট এর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। চোখের সামনে অজস্র অভিযোগ উঠলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি রাজ্য শিক্ষা দফতর, এমনটাই অভিযোগ। তৃণমূল নেত্রী যিনি বাম আমলে বারবার, কথায় কথায় সিবিআই চাইতেন তিনিও কোন বিশেষ কারণে চুপ। বিরোধীদেরও তেমন আন্দোলন নেই এসএসসি নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা রিপোর্টে গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক

গত ২৩ দিন ধরে ধর্মতলায় প্রেস ক্লাব এর সামনে চাকরি না দেবার প্রতিবাদে এস‌এসসি উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অনশন করছেন। আর আমরা বিষয়টা এড়িয়ে যাচ্ছি। কেউ ওদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছি না। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন একে একে। প্রতিদিনই হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে এক-একজনকে। আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে ভরা তৃণমূলের তারকা তালিকা নির্বাচন কমিশনে

অহল্যার সন্তান এর মত আরও এক মা তার সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে পারলেন না। গর্ভেই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে! আর এক মা তার দুধের শিশুকে রেখে এসেছেন বাড়ি, মাতৃত্বের কষ্ট অনুভব করতে করতে বারবার চোখ ভিজে যাচ্ছে কান্নায়। চোখের জল ভাগ করে নিয়েছেন কবি মন্দাক্রান্তা সেন । আরও অনেক বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী সাহিত্যিকদের থাকার কথা কিন্তু ছিল! কিন্তু কই দেখতে পাচ্ছি না যে!

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা বা নেত্রী যখন অনশন করেন তখন অদ্ভুত ভাবে তাদের প্রতিটা মুহূর্ত উঠে আসে খবরের পাতায় অথবা টিভির শিরোনামে। টিআরপি বাড়াতে মাঝেমধ্যেই লাইভ টেলিকাস্ট। ঐতিহাসিক অনশন এর প্রতিটা মুহূর্ত যেন আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে, তাইতো প্রতি পদে পদে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে আমাদের মাঝে নেতা-নেত্রীর অনশন!

আরও পড়ুনঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন

কিন্তু ২৪ দিনের এমন একটা ঘটনা নিয়ে রাস্তাঘাটে অলিতে গতিতে কোনো আলোচনা নেইতো! কিছু সাধারণ মানুষ লিখছেন ফেসবুকের পাতায়। কিন্তু এত হাজার ঘটনার মধ্যে সেই প্রতিবাদ কোথায় যেন ভেসে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। আসলে প্রতিবাদী মানুষগুলোর সংখ্যা যে বড় কমে আসছে! বাংলার প্রতিবাদীরা এখন সবাই যেন সুবিধাবাদী। আর কলকাতা প্রেস ক্লাবের পাশে আমরণ অংশনে বসলেও শিরদাঁড়া বিকিয়ে যাওয়া সাংবাদিকদের কাছ থেকে কিছু আশা না করাই উচিত।

আরও পড়ুনঃ আইএমএফ রিপোর্টে দ্রুততম অর্থনৈতিক বৃদ্ধির তালিকায় ভারত

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এর পাশে দিনের পর দিন থেকে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন দ্রুত। পাশেই ড্রেন, নোংরা জল এর থেকে উঠে আসছে বিচ্ছিরি গন্ধ। মশার কামড়ে অসুস্থ অনেকেই। জ্বর শরীর নিয়ে মনের জোর কিন্তু একটি মানুষেরও কমেনি। দাঁতে দাঁত চেপে তাদের দাবি জানিয়ে চলেছেন প্রতিদিন প্রতিনিয়ত। ডেঙ্গু, আমাশা, জ্বর, গর্ভপাত সবটাই হয়ে চলেছে। এবার আরও ভয়ঙ্কর কিছু হবার পালা।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আসলে বাংলা এখন লাশের রাজনীতিতে অভ্যস্থ। একটা লাশ চাই বুঝলেন, একটা লাশ। শুধু একটা লাশ চাই আমাদের। তারপর দেখবেন কোথা থেকে যেন ছুটে আসবে অসংখ্য মানুষ আট ইঞ্চির মোমবাতি হাতে! এই বৃষ্টির দিনেও রাজপথে শোকের যাত্রায় তারা হেঁটে যাবেন মুখে কালো কাপড় বেঁধে করুণ মিছিলে! ‘তোমরা আমাদের লাশ দাও, আমরা তোমাদের মোমবাতি মিছিল দেব’। অবস্থাটা ঠিক এরকমই। লাশ পরলে তবেই আসবে রাজ্য প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমও। লজ্জা পেয়ে, এলেও আসতে পারে বুদ্ধিজীবী মহলও।

আরও পড়ুনঃ ৪৮ ঘণ্টা পর ৬০ ফুট গভীর গর্ত থেকে শিশুকে উদ্ধার করে কামাল ভারতীয় সেনার

“এদের এক কি দুজন সেদিন হয়তো থাকবে না। আপনি তো থাকবেন বিষয়টা মিলিয়ে নেবেন!”, বলেই হেসে উঠলেন তরুণ যুবক শুকনো মুখে গালে জমে থাকা দাঁড়ি নিয়ে। হারিয়ে যাওয়া শিরদাঁড়া নিয়ে অনেকেই অবশ্য ওদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না। দাবি, জেদ আর সহনশীলতা না থাকলে মেরুদন্ড কখনোই সোজা থাকে না যে! এই গল্পের শেষ দেখার অপেক্ষায়।

The News বাংলায় সম্পাদকীয় লিখলেন এক প্রতিবাদী

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
দেশবাসীর অজান্তে আগেও গঙ্গা রক্ষায় রহস্যজনক প্রাণ বলিদান https://thenewsbangla.com/mysterious-soul-sacrifice-to-protect-the-ganges-before-and-without-the-knowledge-of-people-of-the-country/ Fri, 12 Oct 2018 16:56:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1124 বিশেষ রিপোর্ট : ভারতবাসীর অজান্তেই গঙ্গা বাঁচাতে ১১১ দিন অনশন করে মৃত্যুবরণ করলেন পরিবেশবিদ জি ডি আগরওয়াল। এর আগেও, গঙ্গা বাঁচাতে ১১৫ দিন অনশন করে রহস্যজনক ভাবে মারা গিয়েছিলেন নিগমানন্দ সরস্বতী বা স্বামী নিগমানন্দ।

১৯৭৬ সালের ২রা আগস্ট বিহারের দারভাঙ্গা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন স্বরূপম কুমার ঝা, ডাকনাম গিরিশ। দিল্লিতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়ই ১৯৯৫ সালে ২ রা অক্টোবর গান্ধীর জন্মদিনে, গিরিশ সত্যের খোঁজে দেশ ভ্রমনে বেরিয়ে পরেন। গোটা উত্তর ভারত ঘুরে বেড়ান সত্যের খোঁজে। ৩ বছর পর গিরিশের বাবা মা জানতে পারেন, তাঁদের ছেলে হরিদ্বারের মাতৃমন্দির এ আছেন স্বামী শিবানন্দের শিষ্য হয়ে। নাম, নিগমানন্দ সরস্বতী বা স্বামী নিগমানন্দ।

এই সেই মাতৃমন্দির যেখানে ২ দিন আগেই গঙ্গা রক্ষায় অনশনে মারা যান পরিবেশবিদ জি ডি আগরওয়াল। কিন্তু ভারতবাসীর জানা নাই, ভারতের প্রথম পরিবেশবিদ যিনি গঙ্গা রক্ষার জন্য অনশন করে প্রাণ দিয়েছিলেন তাঁর নাম স্বরূপম কুমার ঝা, ডাকনাম গিরিশ বা নিগমানন্দ সরস্বতী বা স্বামী নিগমানন্দ।

১৯৯৭ সালে হরিদ্বারে গঙ্গার তীরে মাতৃমন্দির প্রতিষ্ঠাই হয় দুর্নীতি, পরিবেশ দূষণ ও গঙ্গা দূষণ এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্য। গঙ্গা দূষণ রোধ ও গঙ্গার ধারে বেআইনি মাইনিং এর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন স্বামী নিগমানন্দ। এক দশক ধরে তিনি লড়াই চালিয়ে যান গঙ্গা রক্ষার জন্য।

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য তিনি অনশন আন্দোলন শুরু করেন ১৯৯৮ সালের জানুয়ারিতে। এরপরে ওই বছরের জুনেও অনশন আন্দোলন করেন। ৭০ দিনের অনশন আন্দোলনেও প্রশাসনের টনক নড়ে নি। এগিয়ে আসে নি কোন রাজনৈতিক দল। একা লড়ে গেছেন দীর্ঘ এক দশক।

গঙ্গা রক্ষায় ২০১১ সালে ফেব্রুয়ারিতে স্বামী নিগমানন্দ শেষবারের মত আমরণ অনশন আন্দোলন শুরু করেন। ২৭ শে এপ্রিল, অনশনের ৬৮ দিনের মাথায় তাঁকে জোর করে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। ভর্তি করা হয় হিমালয়ান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে। সেখানে কোন অচেনা ব্যক্তি তাকে ইনজেকশন দেবার নামে শরীরে বিষ ঢুকিয়ে দেয়।

শরীরে বিষ নিয়েও অনশন আন্দোলন চালিয়ে যান স্বামী নিগমানন্দ। ২০১১, ১৩ জুন মারা যান গঙ্গা রক্ষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ স্বামী নিগমানন্দ। মৃত্যুর কারণ অনশন বলা হয়। সেই সঙ্গে রক্তে পাওয়া যায় বিষ। গঙ্গার ধারে বেআইনি মাইনিং বন্ধ করতে যাদের বিরুদ্ধে লড়ছিলেন, তাদের ভাড়া করা খুনিই তাকে বিষ দেয় বলে অভিযোগ ছিল।

এই রহস্যজনক মৃত্যুর সেইভাবে কোন তদন্তই হয় নি। তবে গঙ্গা রক্ষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ স্বামী নিগমানন্দ-র আত্মবলিদান পুরোটা বিফলে যায় নি। গঙ্গা দূষণ রোধ না হলেও এই আন্দোলনের জেরে উত্তরাখন্ড সরকার গোটা হরিদ্বার জেলাতেই মাইনিং বন্ধ করে দেয়।

আমরা, ১১১ দিন অনশন করে মৃত্যুবরণ করা শহীদ জি ডি আগরওয়ালকেও চিনি না। আর গঙ্গা রক্ষায় প্রথম শহীদ নিগমানন্দ সরস্বতী বা স্বামী নিগমানন্দ-র নামও শুনি নি। এরা দুজনেই মনে করতেন গঙ্গা নদী ভারতের লাইফলাইন। আর ভারতের লাইফলাইন রক্ষায় নিজেদের লাইফ হেলায় বলিদান দিয়েছেন দুই শহীদ।

]]>
ভারতবাসীর অজান্তেই গঙ্গা বাঁচাতে ১১১ দিনের অনশনে মৃত্যু https://thenewsbangla.com/the-111-day-hunger-strike-for-the-survival-of-the-ganga-activist-g-d-agarwal-is-dead/ Thu, 11 Oct 2018 15:01:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1061 নিউ দিল্লি: জানল না ভারতবাসী। দেশবাসীর অজান্তেই গঙ্গা নদী বাঁচাতে আমরণ অনশন করে মৃত্যু বরণ করলেন পরিবেশবিদ জি ডি আগরওয়াল।

মনে করতেন গঙ্গাই ভারতের লাইফলাইন। মনে করতেন, যে কোন কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত গঙ্গাকে দূষণ মুক্ত করা। কিন্তু, জীবনে কোন সরকারই গঙ্গা দূষণ মুক্ত করতে খুব বেশি চেষ্টা করে নি। তাই আই আই টি কানপুরের প্রাক্তন প্রফেসর ও পরিবেশবিদ জি ডি আগারওয়াল এবার মানুষের ও প্রশাসনের ঘুম ভাঙাতে আজীবন অনশন করে প্রাণ ত্যাগ করলেন।

এবছরের জুনের ২২ তারিখ থেকে অনশনে বসেছিলেন জি ডি আগারওয়াল। খাওয়া তো বটেই, শেষের দিকে জল পর্যন্ত স্পর্শ করতেন না তিনি। এযেন সেই স্বাধীনতার আমলের বিপ্লবী যতীন দাসের অনশন করে মৃত্যুর কথা মনে পড়িয়ে দেয়। ১১১ দিন অনশনের পর মারা গেলেন ৮৭ বছর বয়সী জি ডি আগরওয়াল।

গঙ্গা নদী পরিষ্কার ও গঙ্গার ধারে হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট তৈরি না করতে দেবার দাবি নিয়ে জুনের ২২ তারিখ থেকে অনশনে বসেছিলেন তিনি। জাতীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের প্রাক্তন সদস্য গঙ্গার জন্য নিজের জীবনটাই আহুতি দিলেন।

কানপুর আই আই টি ছাড়াও তিনি বার্কলের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছিলেন। জি ডি আগরওয়াল পরবর্তী জীবনে নিজের নাম নিয়েছিলেন স্বামী জ্ঞানস্বরূপ স্বানন্দ। আজীবন পরিবেশ ও বিশেষ করে গঙ্গা দূষণ রোধে লড়াই করে গেছেন। ঋষিকেশের AIIMS হাসপাতালে বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই একটা লড়াই ও একটা যুগের শেষ হল বলাই যায়।

হরিদ্দারের মাতৃসদন আশ্রম থেকে তিনি তাঁর আমরণ অনশন আন্দোলন শুরু করেন। মাঝে তাঁকে অনশনের জায়গা থেকে তুলে নিয়ে যাবার অনেক চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের সব চেষ্টা ব্যর্থ করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত গঙ্গার জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিলেন জি ডি আগরওয়াল।

আজীবন গঙ্গা দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছেন। ২০১২ সালেও তিনি এই ধরণের অনশন আন্দোলনে বসেছিলেন। জি ডি আগারওয়াল কে বলা হত গঙ্গা ক্রুসেডার। সেই মতোই নিজের জীবন দিলেন তিনি।

কেন্দ্রীয় সরকারের টনক নড়াতে আজীবন লড়াই করে গেছেন। সচেতন করার চেষ্টা করেছেন আমজনতাকে।এরপরেও সরকারের চৈতন্য হবে কি ? জি ডি আগরওয়ালের মৃত্যু কি সচেতন করবে সাধারণ মানুষকে ? প্রশ্নটা সেখানেই। সচেতন হওয়া তো অনেক দূরের ব্যপার। সাধারণ মানুষ কি আদৌ জানতে পারবেন, গঙ্গা নদী দূষণমুক্ত করতেও কেউ প্রাণ দিয়েছে ? প্রশ্নটা সেখানেই।

]]>