Hindu – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 24 Apr 2019 08:42:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Hindu – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 হিন্দুদের সংস্কৃতি কাউকে জঙ্গি হতে উৎসাহ দেয় না, মন্তব্য অমিতের https://thenewsbangla.com/amit-saha-says-hindu-culture-never-encourages-someone-to-be-terrorist/ Wed, 24 Apr 2019 06:36:53 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11543 ভোপাল থেকে মালেগাঁও বিষ্ফোরনে অভিযুক্ত প্রজ্ঞাকে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন অমিত শাহ। মালেগাঁও একটি নির্বাচনী জনসভায় জানান, একজন হিন্দু কখনও সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত থাকতে পারে না।

মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুরে একটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে অমিত শাহ বলেন, একজন হিন্দু কখনও সন্ত্রাসবাদী হতে পারে না, হিন্দু সংস্কৃতি কখনোই কাউকে ক্ষতি করতে উৎসাহ প্রদান করে না; কিন্তু কংগ্রেস হিন্দুদের জঙ্গি তকমা দিচ্ছে। সাধ্বী প্রজ্ঞাকে বিজেপির প্রার্থীপদ মনোনয়ন দেওয়াকে তিনি সত্যাগ্রহ বলে উল্লেখ করেন।

এদিন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোষনের রাজনীতি করার অভিযোগ করেন অমিত শাহ। ভোপালের কংগ্রেস প্রার্থী দিগ্বিজয় সিংহকে হিন্দুবিদ্বেষী বলে কটাক্ষ করেন তিনি। মা ভারতীর সম্মান রক্ষা ও সুরক্ষা প্রদান করাই বিজেপি আসল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই মমতার সিনেমা আটকে দিল নির্বাচন কমিশন

২০০৮ সালে মহারাষ্ট্রের মালেগাঁও বিষ্ফোরনের পরেই উঠে আসে সাধ্বী প্রজ্ঞার নাম। সম্প্রতি বিষ্ফোরন মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি। তাঁকে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসিয়েছে বলে বহুবার দাবি করেছিলেন তিনি। কারাগারে থাকাকালীন জোর করে হামলার দায় স্বীকার করার জন্য অকথ্য অত্যাচার চালানো হতো বলেও কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।

সাধ্বী প্রজ্ঞা হিন্দুত্বের প্রচার মুখ হিসেবে বিশেষ পরিচিত। ছাত্রীবস্থায় সংঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি বা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহিলা শাখা এবং দুর্গাবাহিনীর সাথেও যুক্ত তিনি।

আরও পড়ুনঃ সাইকেল প্রতীকে ভোট দিতে বলায় প্রিসাইডিং অফিসারকে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের

আসন্ন ১২ই মে ভোপাল লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৮৯ সাল থেকে ভোপাল লোকসভা কেন্দ্রে একবারের জন্যেও জয়লাভ করেনি কংগ্রেস এবং ওই সময় থেকেই ভোপাল বিজেপির দুর্ভেদ্য গড় হিসেবে পরিচিত। বিজেপি সাংসদ অশোক সঞ্জার ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ও কংগ্রেসের সংঘর্ষের মাঝে তৃতীয় দফায় ভোটের বলি এক ভোটার

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পাকিস্তানে প্রতি মাসে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত হয় ২৫ হিন্দু নাবালিকা https://thenewsbangla.com/hindu-women-of-pakistan-are-being-converted-to-islam/ Mon, 25 Mar 2019 09:15:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9223 প্রতি মাসে পাকিস্তানে গড়ে ২৫ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বালিকাকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তর করা হয়, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

সম্প্রতি পাকিস্তানের দুই হিন্দু নাবালিকা রবীনা ও রীনাকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা নিয়ে পাকিস্তানের ইমরান সরকারের ওপর চাপ বেড়েছে দেশের অভ্যন্তরে। ভারতের তরফে সুষমা স্বরাজ এই ঘটনার তদন্ত দাবি করে পাকিস্তানের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছেন। চাপের মুখে ১ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ইমরান প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে দুই হিন্দু নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি ও জোরপূর্বক মুসলিম ধর্মান্তর

কিন্তু রিপোর্ট বলছে, এই ঘটনা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। অমুসলিম নাবালিকাদের অপহরণ করে বিয়ে, তারপর জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তর, এটা পাকিস্তানের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। কম করেও ২৫ জন নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্মান্তরিত করা হয় প্রতি মাসে।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, অপহরণের সিংহভাগ ঘটনাই ঘটে সিন্ধু প্রদেশের হিন্দু অধ্যুষিত মীরপুরখা, থরপারকার ও উমেরকোট জেলায়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব হয়না।

আরও পড়ুনঃ শেষ হল ভয়ঙ্কর আইএস জঙ্গি গোষ্ঠী, খতম জেহাদি সাম্রাজ্য

২০১৪ সালে পাকিস্তানেই সংখ্যালঘুদের স্বার্থে আন্দোলনরত একটি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, প্রতি বছর অন্তত ১ হাজার অমুসলিম বালিকাকে ধর্মান্তরিত করা যায়, যাদের বয়স মোটামুটি ১২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়না। যদিও বা বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ জানানো হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে মেয়েটিকে ইতিমধ্যেই জোর করে বিবাহ করার ফলে শ্বশুরবাড়িতেও চরম অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়। মেয়েটির নিজের পরিবার ও প্রতিবেশীরা রক্ষনশীল হওয়ায় তার নিজের বাড়িতে আসার পথও বন্ধ হয়ে যায়। ভবিষ্যতের কথা ভেবেই অনেক মেয়ের পরিবার মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুনঃপুলওয়ামা কান্ডে পাক জঙ্গিদের ভার্চুয়াল সিমের রহস্যভেদে ভারত

২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে স্থানীয় হিন্দু সংগঠন মেয়েদের সুরক্ষা ও সুবিচারের দাবিতে আইন তৈরির প্রস্তাব দেয়। কিন্তু অনেকগুলো মুসলিম সংগঠনের বিরোধিতার কারনে আইন উত্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

পাকিস্তানের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, উমেরকোটের সিরহন্দি শ্রীনে সবচেয়ে বেশি হারে অমুসলিমদের ধর্মান্তরিত করা হয়। ভীল, মেঘওয়ার, কোহলি, ভাগরি প্রভৃতি তপশিলি গোষ্ঠীভুক্ত হিন্দুদেরই মূলত টার্গেট করা হয়। সিরহন্দি শ্রীনের এক পীর ওয়ালিউল্লাহ সরহন্দি জানান, ধর্মান্তরিত না করলে মেয়েটি কাফের হিসেবে গন্য হবে।

সিন্ধুর উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে মূলত উচ্চশ্রেণির হিন্দুদের বসবাস, যারা মূলত ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত। বর্তমানে তাদের অধিকাংশই করাচীতে বসবাস শুরু করেছেন। তাই এখানে নিচুতলার হিন্দুরাই আক্রমনের শিকার হন, যারা অশিক্ষা, অস্বাস্থ্য ও দারিদ্র‍্য যাদের নিত্যসঙ্গী। এরা মূলত স্থানীয় মুসলিম জমিদারের অধীনে ক্ষেত মজুরের কাজ করে। আর তাদের ঘরের মেয়েরাও এই জমিদারদের লালসার শিকার হয়।

আরও পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান আর্মি অফিসারদের কম্যান্ডো ট্রেনিং দিচ্ছেন এক নারী

পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, শুধুমাত্র উমেরকোটের কুনরি ও সামারো তালুক থেকেই প্রতি মাসে ধর্মান্তরিত হয় ২৫ জন বালিকা। প্রথমে তাদের অপহরণ করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েটির বাড়ির লোকেরা তার আর খবর পায় না। অপহরণের পরে তাদের ২০ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় এবং বাইরে মুখ না খোলার জন্যেও ভয় দেখানো হয়। তারপরেই তাদের ধর্মান্তরিত করা হয়। এর ফলে সেই বালিকারা নিজের সমাজের কাছেও গ্রহনযোগ্যতা হারায়৷ ভবিষ্যতের কথা ভেবে আক্রান্ত বালিকারা অপহরনকারীর হাতেই নিজেদের সঁপে দেয় বাকি জীবনের জন্য।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্থানীয় বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের উস্কানিতে প্রতিনিয়ত এই ঘটনা ঘটছে। কিছুক্ষেত্রে নিম্নবিত্ত পরিবারের অমুসলিম বালিকাদের লাভের আশায় যথেষ্ট পরিমানে রেশন, অর্থ, বাসস্থান দেওয়ার প্রলোভনও দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা বিফলে, অভিষেকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর শুল্ক দফতরের

সম্প্রতি জমায়েত উলেমা ই ইসলাম, জামাত দু দওয়া, ফালাহ ই ইনসানিয়াত ফাউন্ডেশন ইত্যাদি বিভিন্ন মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনের বাড়বাড়ন্ত হয়েছে সিন্ধুর হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায়। তাদের অঙ্গুলি হেলনেই প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে অমুসলিম নারীদের ধর্মান্তর প্রক্রিয়া। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানের সংখ্যালঘুরা।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির https://thenewsbangla.com/modi-and-mamata-have-to-declare-india-a-hindu-country/ Thu, 13 Dec 2018 13:25:03 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4111 The News বাংলা, শিলংঃ ‘ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ঘোষণা করা উচিত’। না কোন রাজনীতিবিদ নন, একথা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন এক বিচারপতি। আর আদালত চত্বর থেকে এই দাবি ওঠায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা দেশে। ৫ রাজ্যে সরকার গঠনের ব্যস্ততার মধ্যেই এক বিচারপতির এই ঘোষণায় শোরগোল গোটা দেশে।

আরও পড়ুন: বাংলায় রথের ভবিষ্যৎ, লালবাজারে ‘রথ বৈঠকে’ রাজ্য সরকার ও বিজেপি

ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ঘোষণা করা উচিত। এবার এমনই ‘দাবি’ করলেন মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস আর সেন। সোমবার নিজের দেওয়া এক রায়ে এমনই কথাই জানালেন বিচারপতি এস আর সেন। স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র মামলার এক শুনানিতে আরও চাঞ্চল্যকর ও শোরগোল ফেলে দেওয়া সব পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন তিনি।

'ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা' ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা
‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা

মেঘালয় রাজ্য সরকার স্থায়ী বাসিন্দাদের শংসাপত্র দিতে অস্বীকার করায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সেই মামলায় রায় দিতে গিয়েই এই ধরনের ‘বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ’ বিচারপতি এস আর সেনের।

বিচারপতি এস আর সেন তাঁর রায়ে লিখেছেন, ‘১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার সময় ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হয়েছিল। সেই মতো পাকিস্তান নিজেকে ইসলামিক রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে। ভারতকেও হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা উচিত।’

আরও পড়ুনঃ ‘বাংলায় রথ যাত্রা হবেই’ মমতাকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

বিচারপতি এস আর সেন, তাঁর রায়ে আরও জানিয়েছেন, ‘ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা উচিত নয়। আমার মনে হয় এই পরিস্থিতির গুরুত্ব একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজিই বুঝতে পারেন। ভারতের ইসলামিকরণ রুখতে তাঁর উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত। আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত তাঁকে সমর্থন করা’।

'ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা' ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা
‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির/The News বাংলা

মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস আর সেন এর এই পর্যবেক্ষণ স্তম্ভিত করে দিয়েছে গোটা দেশকে। সোমবার মেঘালয় হাইকোর্টেই এই রায়ের পর্যবেক্ষণ হতবাক করে দেয় আইনজীবী ও বিচারপতি মহলকে। একই সঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করে বিচারপতি সেন বলেন, ‘ভারতের সমস্ত নাগরিকের জন্য একই আইন হওয়া উচিত। অভিন্ন আইন মানতে যে অস্বীকার করবে তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত সরকারের।’

আরও পড়ুনঃ ৫ টি প্রধান কারনে ৫ রাজ্যে হার মোদীর বিজেপির

এখানেই থেকে থাকেন নি বিচারপতি এস আর সেন। নিজের পর্যবেক্ষণে তিনি ইসলামিক দেশগুলি থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য মোদী সরকারকে নতুন আইন আনতে অনুরোধ করেছেন। বিচারপতি সেন রায়ে উল্লেখ করেছেন, এ ব্যাপারে খুব তাড়াতাড়ি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও সাংসদদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি এস আর সেনের এই চাঞ্চল্যকর রায়ে গোটা দেশে আলোচনার বিষয় হিসাবে এখন উঠে এসেছে এটাই। গোটা দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গেছে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ বিতর্ক। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও এই নিয়ে কোন মন্তব্য করেন নি।

]]>
সাবারিমালায় হিন্দু মহিলারা ঢুকতে পারলে, মসজিদে মুসলিম মহিলারা নয় কেন https://thenewsbangla.com/if-there-were-hindu-women-in-sabarimala-why-not-muslim-women-in-the-mosque/ Fri, 12 Oct 2018 09:57:15 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1093 কেরালা: ঋতুমতী মহিলারা সাবারিমালা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারতেন না। সম্প্রতি, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বহুবছর ধরে চলে আসা সেই প্রথা বন্ধ হয়েছে। এখন সব মহিলারাই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্দিরে সব হিন্দু মহিলারা ঢুকে পুজো দিতে পারলে, মসজিদে মুসলিম মহিলারা ঢুকে নমাজ পড়তে পারবেন না কেন ? উঠছে প্রশ্ন।

হিন্দু মহিলারা সাবারিমালা মন্দিরে ঢোকার অধিকার পাওয়ার পর এবার মসজিদে ঢোকার অধিকার পাবার লড়াই শুরু করলেন মুসলিম মহিলারা। কেরালায় একটি মুসলিম মহিলা সংগঠন এবার মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়ার অধিকার পেতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন।

কেরালার নিসা সংগঠন এই লড়াই শুরু করছেন। The Nisa Progressive Muslim Women’s Forum সংগঠনটি Nisa বা নিসা নামেও পরিচিতি। আরবীতে নিসা মানে Women বা নারী। মুসলিম মহিলাদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন করে এই সংগঠন।

কেরালার কোজিকোটে অবস্থিত নিসা সংগঠন জানিয়েছে, এমাসের শেষেই তারা সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের আবেদন জানিয়ে পিটিশন দায়ের করবেন। মন্দিরে প্রবেশের অধিকার পর আদায় করে নেবার পর এবার কেরালায় মসজিদে ঢোকার অধিকার আদায় করার লড়াই মহিলাদের।

যদিও ইসলামিক আইন অনুযায়ী, মুসলিম মহিলারা মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়তে পারেন। কিন্তু, কেরালায় সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলিমরা আজও মহিলাদের মসজিদে ঢুকতে দেন না। মুসলিম মহিলাদের আজও মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়ার অধিকার নেই।

ঠিক যেমন মন্দিরে ঢুকে মহিলাদের পুজো দিতে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও সাবারিমালা মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হত না ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলাদের। দেশের সব থেকে শিক্ষিত রাজ্য কেরালায় ঠিক তেমনই মসজিদে ঢুকতে দেওয়া হয় না মহিলাদের। এরই প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে নিসা।

কেরালায় মুসলিমদের মধ্যে সুন্নি সম্প্রদায়ের সংখ্যাই বেশি। রাজ্যের জনসংখ্যার মধ্যে ২৬ শতাংশই সুন্নি মুসলিম। আর তাই, কেরালার অধিকাংশ মসজিদেই ঢুকতে পারেন না মুসলিম মহিলারা। এই অধিকার পেতেই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে চলেছে মুসলিম মহিলা সংগঠনটি।

নিসার প্রধান ভি পি জুহারা জানিয়েছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের কাছে আমাদের অবদান রয়েছে, যেসব মহিলা ইসলামিক ধর্ম ও আইন নিয়ে পড়েছেন ও নমাজ নিয়ে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তাদের নমাজ পড়ানোর অধিকার দেওয়া হোক’। মহিলা ইমামদের নমাজ পড়ানোর অধিকার চাওয়া হবে এই মামলায়।

শুধু তাই নয়, সেই সমস্ত শিক্ষিত ও জ্ঞানী মহিলাদের মুসলিমদের বিয়ে নিয়েও নতুন চিন্তাধারা নিয়ে আসার সুযোগ দেওয়া হোক। তিন তালাক বন্ধ হবার পর, মুসলিম বিয়ে ও বিয়ে সংক্রান্ত ব্যপারে নতুন করে আইন আনতে আরো ভাবনা চিন্তা করা উচিত বলেই মনে করেন নিসার প্রধান ভি পি জুহারা।

নিসা এমন সময়ে অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করতে চলেছে যখন সাবারিমালা মন্দির নিয়ে গোটা রাজ্য চর্চার মধ্যে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনও চলছে রাজ্য জুড়ে।

সাবারিমালা মন্দিরে সব মহিলারাই ঢুকতে পারবেন, এই রায়ের পরই একটি হিন্দু সংগঠন মুসলিম মহিলাদের মসজিদে ঢোকার অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছিল। যদিও অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার সেই মামলা খারিজ হয়ে যায় উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে। কেরালায় মুসলিম মহিলাদের মসজিদে ঢুকতে দেওয়া হয় না, এর স্বপক্ষে কোন প্রমাণ দিতে পারে নি তারা।

এই একই বিষয়ে এবার মামলা করছে মুসলিম মহিলাদের সংগঠন নিসা। তবে, এই নিয়ে চিন্তায় নেই সংগঠনটি। সবরিমালা মন্দির নিয়ে রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে, মহিলাদের শারীরবৃত্তীয় কোন পদ্ধতি মন্দিরে ঢোকার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। তেমনই, কেরলেও মুসলিম মহিলাদের মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়ার ব্যপারে সবুজ সংকেত দেবে আদালত, এমনটাই আশা নিসের সদস্যদের।

মুসলিম মহিলারা মক্কায় ঢুকতে পারেন, হজ করতে যেতে পারেন। তাহলে, শুধুমাত্র কেরালায় মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়তে পারবেন না কেন ? এই ইস্যুতে তাদের জয় নিশ্চিত বলে মনে করছে The Nisa Progressive Muslim Women’s Forum বা নিসা। তবে এই নিয়ে মুখ খুলতে চান নি সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ের ইমামরা।

]]>