Health Tips – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 24 Jan 2019 14:04:04 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Health Tips – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ঘুম থেকে উঠে এই ৭টি নিয়ম মেনে চললে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ত্বক https://thenewsbangla.com/waking-up-and-following-these-7-rules-you-will-get-good-health-bright-skin/ Thu, 24 Jan 2019 14:00:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5964 সুন্দর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রয়োজন প্রতিদিন সঠিক খাওয়া দাওয়া। আর সেই সঙ্গে নিয়মিত শরীরের যত্ন নেওয়া। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিনের শুরুটা ঠিকঠাক ভাবে করা। প্রতিদিন সকালে যদি মেনে চলা যায় কিছু নিয়ম, তবে সুন্দর হতে পারে স্বাস্থ্য। যার ছাপ পড়বে আপনার ব্যক্তিত্বেও। রইল এরকমই ৭টি অভ্যেসের সন্ধান।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বজুড়ে বাড়ছে নারীদের স্তন ক্যানসার, ভয়াবহ এই রোগের প্রধান ৮টি লক্ষণ

ঘুম থেকে উঠে এই ৭টি নিয়ম মেনে চললে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ত্বক। একনজরে দেখে নিন, সেগুলি কি কি?

ঘুম থেকে উঠে এই ৭টি নিয়ম মেনে চললে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ত্বক/The News বাংলা
ঘুম থেকে উঠে এই ৭টি নিয়ম মেনে চললে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ত্বক/The News বাংলা

১) ঘুম থেকে উঠে ব্যবহার করুন অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট সিরাম-ভিটামিন সি বা ভিটামিন ই, যা ত্বকের ডিহাইড্রেশন রুখতে সাহায্য করে। ফলে চেহারায় সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। ঘুম থেকে উঠে ভিটামিন ই ময়শ্চার সিরাম অথবা অরিগা ফ্লাভো-সি সিরাম সারা শরীরে লাগানো হলে বজায় থাকে ত্বকের আর্দ্রতা।

আরও পড়ুনঃ অবশ্যই জেনে রাখুন বাচ্চার কাশি ও হাঁপানি নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ

২) সকালে প্রোটিন মূলক খাবার খান। চেষ্টা করুন জলখাবারে প্রোটিনের পরিমান বাড়াতে। ডিম, বাদাম, দই জাতীয় জিনিস শরীরে কোলাজেনের মাত্রা বাড়ায়। কোলাজেন ত্বকের বলিরেখা রুখতে সাহায্য করে। চামড়া ঝুলে যাওয়ার সমস্যা থেকে রক্ষা করে কোলাজেন। জলখাবারে প্রোটিনের পরিমান বেশি থাকলে চুল পড়ার সমস্যা কমে। তেমনই বাড়ে চুলের ঔজ্জ্বল্যও। সেই সঙ্গে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকার ফলে সারাদিন বেশি খাওয়ার প্রবণতাও কমে যায়।

আরও পড়তে পারেনঃ বিপদ এড়াতে ভেজাল দুধ কিভাবে চিনবেন জেনে নিন

৩) এসপিএফ যুক্ত অপরিহার্য্য সানস্ক্রিন মাখুন। রোদের দিনের পাশাপাশি মেঘলা দিনেও মাখুন। সব ধরণের ত্বকের জন্যই প্রয়োজনীয় সানস্ক্রিন মাখুন। ত্বককে রোদে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে যেমন রক্ষা করে সানস্ক্রিন। তেমনই সারাদিন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।

আরও পড়ুনঃ অনেক অসুখ দূরে রাখতে অবশ্যই প্রতিদিন বাঁধাকপি খান

ঘুম থেকে উঠে এই ৭টি নিয়ম মেনে চললে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ত্বক/The News বাংলা
ঘুম থেকে উঠে এই ৭টি নিয়ম মেনে চললে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ত্বক/The News বাংলা

৪) সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ইষদোষ্ণ জলে অর্ধেক লেবুর রস ও এক চামচ মধু দিয়ে প্রতিদিন খান। লেবু ও মধু শরীরের পক্ষে খুব উপকারি।

৫) শরীর চর্চা করুন। প্রতিদিন সকালে অন্তত ১ ঘণ্টা শরীরচর্চা, বাড়াবে আপনার উদ্যোগ। সুস্থ রাখবে শরীর, বাড়াবে পজিটিভ মানসিকতা।

আরও পড়ুনঃ গাজর এর অসাধারণ উপকারিতা জেনে নিন

৬) মুখে জল দিন। সকালে উঠে মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিলে শরীর ও মনে আসবে তরতাজা ভাব। ভিতর থেকে সুস্থ বোধ করবেন। ব্যাগে রাখুন ওয়াটার স্প্রে। সারাদিনে ৪ ঘণ্টা পরপর স্প্রে করুন মুখে।

৭) গ্রিন টি খান। চিনি দেওয়া চা- কফির বদলে সকালে উঠে পান করুন গ্রিন টি। গ্রিন টি-র মধ্যে থাকা প্রচুর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া ভাব রুখতে সাহায্য করে। কফি খাবার অভ্যেস থাকলে চিনি-দুধ ছাড়া শুধু ব্লাক কফি খান।

এই কয়েকটি ছোট উপদেশ মানলেই আপনার শরীর থাকবে তরতাজা। সুস্থ রাখবে শরীর। শরীর ও মন থাকবে প্রফুল্ল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ

গরম ভাতের সঙ্গে কি খেলে অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবেন

জেনে নিন শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নেবেন

চিকেন খেলেও বাড়ছে বিপদ বলছে রিপোর্ট

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
গরম ভাতের সঙ্গে কি খেলে অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবেন https://thenewsbangla.com/red-amaranth-with-hot-rice-can-cure-many-diseases/ Sat, 22 Dec 2018 13:48:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4635 The News বাংলাঃ গরম ভাতের সঙ্গে লাল শাক। ব্যাস, আর কি? কোন খরচ না করেই অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবার সহজ রাস্তায় আপনি এগিয়ে গেলেন। লাল শাকের অনেক গুণ সম্পর্কে জেনে নিন।

আরও পড়ুনঃ অবশ্যই জেনে রাখুন বাচ্চার কাশি ও হাঁপানি নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ

১০০ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে ১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ডায়াটারি ফাইবার, ৪.৬ গ্রাম প্রোটিন, ৪২ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৪০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১১ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ৩৬৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ মিলিগ্রাম আয়রন, ১.৯ মিলিগ্রাম ‘ভিটামিন এ’ এবং ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। আর এই সবকটি উপাদানই যে শরীরের গঠনে ভীষণ ভাবে কাজে লাগে, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না।

গরম ভাতের সঙ্গে কি খেলে অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবেন/The News বাংলা
গরম ভাতের সঙ্গে কি খেলে অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবেন/The News বাংলা

বিশেষত ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখতে, ওজন কমাতে, কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে এবং আরও নানাবিধ রোগের হাত থেকে শরীরকে বাঁচাতে লাল শাকে উপস্থিত এই সব উপকারি উপদানগুলি নানাভাবে সাহায্য়ে করে থাকে। দেখে নিন, কি কি উপকার আছে লাল শাকে।

আরও পড়ুনঃ অনেক অসুখ দূরে রাখতে অবশ্যই প্রতিদিন বাঁধাকপি খান

১. অ্যাজমার প্রকোপ কমে: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে লাল শাকে উপস্থিত বিটা-ক্যারোটিন শরীরে প্রবেশ করার পর অ্যাজমার প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেসপিরেটরি সিস্টেমের উন্নতিও ঘটে চোখে পরার মতো। কলকাতার পাশাপাশি সারা রাজ্যে যে হারে বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছে, তাতে লাল শাক খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই!

আরও পড়ুনঃ গাজর এর অসাধারণ উপকারিতা জেনে নিন

২. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: বুড়ো বয়সে যদি নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে এখন থেকেই রোজের ডায়েটে জায়গা করে দিন লাল শাককে। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ‘ভিটামিন কে’, যা হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। হাড় শক্তপোক্ত হয়ে উঠলে অস্টিওপরোসিস মতো হাড়ের রোগ যে আর ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ জেনে নিন শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নেবেন

৩. হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: লাল শাকে উপস্থিত ‘ফাইটোস্টেরল’ নামক একটি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগের অ্যান্টিডোট হিসেবেও কাজ করে। তাই সপ্তাহে কম করে ২-৩ দিন যদি লাল শাক খাওয়া যায়, তাহলে হার্টের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে কোনও ধরনের হার্টের রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

গরম ভাতের সঙ্গে কি খেলে অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবেন/The News বাংলা
গরম ভাতের সঙ্গে কি খেলে অনেক রোগ থেকে আরোগ্য পাবেন/The News বাংলা

৪. অ্যানিমিয়া রোগ দূর হয়: লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অ্যানিমিয়া রোগীদের এই শাকটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। ২ আঁটি লাল শাককে পিষে রস সংগ্রহ করে তার সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে যদি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে শরীরে কখনও রক্তের অভাব হবে না।

আরও পড়ুনঃ বয়সে এক যুগের ফারাকে বিয়ের পিঁড়িতে মালাইকা অর্জুন

৫. দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর নুন জল দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়। সেই সঙ্গে পোকা লাগা সহ মাড়ি এবং দাঁত সম্পর্কিত নানাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

৬. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন সি রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা চোখে কম দেখেন বা পরিবারে গ্লকোমার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই লাল শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই উপকার পাবেন।

আরও পড়ুন: বলিউডের যে নায়িকাদের জীবনসঙ্গী ডিভোর্সি পুরুষ

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়ে ওঠে: যতদিন বাঁচবেন ততদিন যদি আর কখনও ডাক্তারের মুখ দেখতে না চান, তাহলে রোজের ডায়েটে লাল শাককে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন! কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন এই শাকটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। ফলে রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ বউয়ের জন্য সিঁদুর পরে হিন্দু প্রথা ভাঙলেন রণবীর সিং

৮. জ্বরের চিকিৎসায় দারুন কাজে আসে: আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে যারা জ্বরে ভুগছেন, তারা এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নিতে পারেন। এক্ষেত্রে একটা প্যানে পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে এক মুঠো লাল শাক ফেলে দিন। তারপর জলটা ফোটাতে শুরু করুন। যখন দেখবেন ফুটতে ফুটতে জলের পরিমাণ অর্ধেক হয়ে গেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে দিন। এরপর জলটা ঠান্ডা করে সেটা পান করুন। কয়েকদিন সেই জল খেলেই দেখবেন জ্বর সেরে গেছে।

আরও পড়ুনঃ চিকেন খেলেও বাড়ছে বিপদ বলছে রিপোর্ট

৯. ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখে: লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার সেল যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধার কোনও সুযোগ পায় না।

আরও পড়ুনঃ আমলকির আছে বেশ কিছু অসাধারণ উপকারিতা

১০. চুল পড়ার মাত্রা কমায়: এক আঁটি লাল শাক ভাল করে বেঁটে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর তাতে ১ চামচ নুন মিশিয়ে ভাল করে নাড়ান। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ঠিক মতো মিশে গেছে, তখন মিশ্রনটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে চুল পড়ার হার অনেক কমবে।

আরও পড়ুনঃ সহজেই ঘরোয়া উপায়ে চোখের নিচের কালো দাগ দুর করুন

১১. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপও হ্রাস পায়।

১২. কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে: একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমে।

]]>
অবহেলা না করে ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণগুলো খেয়াল রাখুন https://thenewsbangla.com/avoid-negligence-keep-in-mind-the-symptoms-of-skin-cancer/ Thu, 25 Oct 2018 07:44:56 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1473 The News বাংলা: আপনার ত্বকে অস্বাভাবিক দাগ? শেভিংয়ের সময় আপনার গাল থেকে রক্ত ঝরে? অথবা আপনার কি অস্বাভাবিক তিল আছে? অথবা কোনো ব্রণ কি দীর্ঘদিন ধরে আছে? এসব কিন্তু স্কিনের অর্থাৎ ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

* আঁচিল বা তিল:
যখন আপনি ত্বকের ক্যানসারের কথা ভাববেন, আপনি বাদামী বা কালো আঁচিল বা তিলের ওপর লক্ষ্য করবেন। ত্বকের ক্যানসারের বিভিন্ন ধরন রয়েছে। প্রধান প্রধান ধরন হচ্ছে ব্যাসাল সেল, স্কোয়ামাস ও মেলানোমা।

ব্যাসাল সেল হচ্ছে সর্বাধিক কমন ধরন। দ্বিতীয় হচ্ছে স্কোয়ামাস সেল, স্কিন ক্যানসার ফাউন্ডেশন রিপোর্ট অনুসারে। মেলানোমা বিরল, কিন্তু সবচেয়ে মারাত্মক। মেলানোমা নির্ণীত হওয়া ১৯ জনের মধ্যে একজন মারা যায়, যেখানে ব্যাসাল সেল বা স্কোয়ামাস ক্যানসারে আক্রান্ত ৩০০ জনের মধ্যে একজন মারা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন খ্যাতনামা সার্জিকেল ও কসমেটিক ডার্মাটোলজিস্ট অ্যাডেলে হেইমোভিক বলেন, ‘সমস্যা শনাক্তকরণ গুরুত্বপূর্ণ।’ কিছু মেললানোমা তিল বা আঁচিল প্রকৃতপক্ষে ত্বকের বর্ণের মতো হতে পারে অথবা ফ্যাকাশে লাল- তারা অ্যামেলাটিক মেলানোমা নামে পরিচিত। এই টাইপের মেলানোমা শনাক্ত করা চ্যালেঞ্জিং, কারণ আমরা ধারণা করি যে এটি নিরীহ বাম্প। এ কারণে ডার্মাটোলজিস্ট দ্বারা নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করা উচিত।

* শেভিংয়ে সমস্যা:
যদি দেখেন যে শেভ করার পর রক্তক্ষণ হচ্ছে, তাহলে এটি অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। ডা. হেইমোভিক বলেন, ‘ব্যাসাল সেল কার্সিনোমা এবং স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমার কারণে শেভিংয়ের পর রক্ত ঝরতে পারে অথবা অন্যান্য ছোট ট্রমা হতে পারে এবং কখনো কখনো কোনো উদ্দীপক ঘটনা ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এরকম হয়, কারণ ত্বকের ক্যানসার ত্বককে সুস্থ ত্বকের তুলনায় অধিক ভঙ্গুর করে।’

* পারিবারিক ইতিহাস:
মেলানোমা নির্ণীত হওয়া প্রতি দশজনের মধ্যে একজনের মেলানোমার পারিবারিক ইতিহাস থাকে। ফ্যামিলিয়াল ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা পরিবারকে নির্দেশ করে, যেখানে দুই বা তার অধিক ফার্স্ট-ডিগ্রি রিলেটিভের (যেমন- মা, বাবা, ভাই, বোন বা সন্তান) মেলানোমা থাকে। ফ্যামিলিয়াল ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা, মেলানোমার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করে।

* চলে যাচ্ছে না এমন ফুসকুড়ি বা ব্রণ:
ডা. হেইমোভিক বলেন, ‘ব্যাসালসেল কার্সিনোমা দেখতে সাদা বা ত্বকের মতো রঙের কিংবা ফ্যাকাশে লাল হতে পারে, যা নিজে নিজে চলে যায় না অথবা একই জায়গা আবার হয় না।’ সাধারণত ফুসকুড়ি বা ব্রণ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে নিজে নিজে চলে যায়, যদি কোনো ফুসকুড়ি বা ব্রণ এর বেশি সময় থাকে, তাহলে তা ডার্মাটোলজিস্ট দ্বারা পরীক্ষা করানো উচিত।

* নখের ওপর কালো দাগ:
যদি আপনি হাতের আঙুল অথবা পায়ের আঙুলের ওপর কালো ভার্টিকেল দাগ দেখেন, তাহলে আপনি ভাবতে পারেন যে কোথাও আঘাত পেয়ে এমন হয়েছে। কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করুন। ডা. ওয়াং হার্বাল স্কিনকেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভেন ওয়াং বলেন, ‘যদি নখের ওপর সৃষ্ট দাগটিতে বাদামী বা কালো বর্ণের বিভিন্ন শেড থাকে, তাহলে তা উদ্বেগের বিষয়। এছাড়া দাগটির দৈর্ঘ্য তিন মিলিমিটারের বেশি হবে, যা আরেকটি উদ্বেগীয় বৈশিষ্ট্য।’

* একটি তিল অন্যগুলোর মতো নয়:
ডা. ওয়াং বলেন, ‘অনেকগুলো তিলের মাঝে একটি লালচে বা হালকা বাদামী বর্ণের তিল ত্বকের ক্যানসারের একটি লক্ষণ হতে পারে। ত্বকের ক্যানসারের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি তিল অন্যদের থেকে আলাদা হবে। তিলের সাধারণ প্যাটার্নের মধ্যে কোনো তিল অস্বাভাবিক বা অপেক্ষাকৃত বড় হলে ডার্মাটোলজিস্টের শরণাপন্ন হোন, তিনিই নির্ণয় করতে পারবেন এটি আসলেই ক্যানসার কিনা।

** ত্বকের ক্যানসারের ৭ ঝুঁকি:

* আপনার পিইউভিএ ট্রিটমেন্ট হয়েছে;
ত্বকের তীব্র খারাপ অবস্থার (যেমন- সোরিয়াসিস ও ডার্মাটাইটিস রোগ) ক্ষেত্রে পিসোরালেন অ্যান্ড ইউভি-লাইট চিকিৎসা (পিইউভিএ) করা হয়ে থাকে।

এটি একপ্রকার আল্ট্রাভায়োলেট রেডিয়েশন চিকিৎসা। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষকরা একবার পিইউভিএ চিকিৎসা নেওয়া একজন রোগীর মধ্যে ১৫ বছর পর ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের বর্ধিত ঝুঁকি দেখেছেন।

প্রকৃতপক্ষে, যেসব রোগীরা ২৫০ বা তার অধিক বার পিইউভিএ চিকিৎসা নিয়েছেন তাদের ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি যারা এই চিকিৎসা নেয়নি তাদের তুলনায় পাঁচগুণ বেশি। সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

* আপনার এইচপিভি ইনফেকশন ছিল:
কিছু প্রকারের হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) যা যৌনাঙ্গ ও মলদ্বারকে আক্রান্ত করে, তা নন-মেলানোমা ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, যেসব লোকের এইচপিভির বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি ছিল তাদের ননমেলানোমা বিকশিত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি ছিল।

* আপনার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল:
রোগ বা কিছু চিকিৎসার কারণে দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লোকদের ত্বকের ক্যানসারের উচ্চ ঝুঁকি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, এইচআইভি/এইডস ও লিম্ফোমা রোগীদের বর্ধিত ঝুঁকি থাকতে পারে এবং যারা কেমোথেরাপি নিয়েছেন অথবা ইমিউনিটির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন ওষুধ গ্রহণ করেছেন তারাও।

* আপনার এক্সপি জিন আছে:
জেরোডার্মা পিগমেন্টোসাম (এক্সপি) হচ্ছে একটি বিরল বংশগত ব্যাধি। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন অনুসারে, এই রোগে আক্রান্ত লোকদের সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রতি অত্যধিক সেনসিটিভিটি থাকে। এই জিন ডিএনএ ড্যামেজ মেরামত করার জন্য ত্বকের কোষের ক্ষমতাকে সীমিত করে ফেলে।

আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি অনুসারে, এক্সপি জিন আছে এমন অল্পবয়স্ক লোকদের মেলানোমা ও অন্যান্য ত্বকের ক্যানসার হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে। এই দশা সাধারণত চোখ ও সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসে এমন অংশে উপসর্গ প্রকাশ করে।

* আপনি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করেন:
যেসব লোক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে (যেমন- স্টিল ও আয়রন অথবা কয়লা ও অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান) কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করেন তাদের ত্বকের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উচ্চ, বায়োমেড রিসার্চ ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে। যারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কার্সিনোজেন (যেমন- আর্সেনিক ও পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন) নিয়ে কাজ করেন তারাও বর্ধিত ঝুঁকিতে থাকে।

* আপনার ইতোমধ্যে স্কোয়ামাস সেল টিউমার ছিল:
পূর্বে আপনার শরীর থেকে স্কোয়ামাস সেল টিউমার অপসারণ করার মানে এই নয় যে আপনি এটি থেকে চিরতরে মুক্তি পেয়েছেন। স্কোয়ামাস সেল টিউমারের পুনরাবৃত্তি হয়, বিশেষ করে কান, নাক ও ঠোঁটে। সাধারণত সার্জারির দুই বছর পর এটির পুনরুত্থান ঘটে।

ডা. হেইমোভিক বলেন, ‘আপনার ক্যানসার ফিরে আসছে কিনা নিশ্চিত হতে নিয়মিত ত্বক পরীক্ষার সময় আপনার ডার্মাটোলজিস্ট আগের চিকিৎসার কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখবেন।’

]]>
হৃদরোগ কি করে বুঝবেন, কি করবেন কি করবেন না https://thenewsbangla.com/how-to-understand-heart-attack-and-what-to-do-and-what-not-to-do/ Wed, 24 Oct 2018 08:41:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1397 নিজস্ব পরামর্শদাতা: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের প্রবনতা বাড়বে, এটা এখন অতীত। এখন তো ১৬ বছরের কিশোরেরও হৃদরোগ হচ্ছে। হৃদরোগ সংক্রান্ত কিছু সাধারণ উপদেশ জেনে নিন। মেনে চলতে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের এর সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। আগেই জেনে নেওয়া দরকার, হৃদরোগের লক্ষ্যণগুলো কি কি ?

হৃদরোগের লক্ষণসমূহ:

* বুকে বা বাহুতে ব্যথা হৃদরোগের অন্যতম লক্ষণ। তবে শুধু বুকে ব্যথা হলেই হৃদরোগ বলা যায় না। বাহু, চোয়ালের পিছন দিক এবং গলায় চিনচিনে ব্যথা হতে পারে।

* অনেক সময় অনেকে বলে থাকেন বুকে জ্বালাপোড়া করার কথা। এমনটা হলে সাবধান হোন। কেননা এটিও হৃদরোগের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে।

* বদহজম, বমিবমি ভাব, অনিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাস হৃদরোগের উপসর্গ হতে পারে।

* হৃদরোগে আক্রান্ত হলে ঘনঘন শ্বাস-প্রশ্বাস ওঠানামা করে। অনেক সময় রোগী ঘামতে থাকে। এমনটা প্রবল শীতেও হতে পারে।

* হৃদরোগ সবসময় হঠাৎ করে হবে এমনটা নয়। অনেক সময় হৃদরোগ ধীরে ধীরে মানুষের হৃদযন্ত্রকে ব্লক করে দেয়। এ ধরনের হৃদরোগকে ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফারকশন’ বা হার্ট অ্যাটাক বলে। এ ক্ষেত্রে প্রবল অস্বস্তিকর অনুভতি অন্যতম লক্ষণ।

হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে করণীয়:

* যদি কেউ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তাহলে প্রথমেই জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ অভিজ্ঞ ডাক্তার ছাড়া কোনো চিকিৎসা করতে গেলে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়তে পারে।

* হার্ট অ্যাটাকের পরপরই রোগীকে শক্ত জায়গায় হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে দিন এবং গায়ের জামা-কাপড় ঢিলেঢালা করে দিন।

* হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে বাতাস চলাচলের রাস্তাগুলো সব উম্মুক্ত করে দিন। এটি রোগীকে গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সহায়তা করবে।

* হার্ট অ্যাটাকের পর যদি আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তাকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালুর চেষ্টা করুন।

* হার্ট অ্যাটাকের পর রোগীর যদি বমি আসে তাহলে তাকে একদিকে কাত করে দিন। যাতে সে সহজেই বমি করতে পারে। এতে ফুসফুসের মতো অঙ্গে বমি ঢুকে পড়া থেকে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি রক্ষা পাবেন।

কি কি পরামর্শ মেনে চলবেন:

· সকল প্রকার তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্য গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।

· অতিরিক্ত তেল অথবা চর্বি যুক্ত খাবার গ্রহন থেকে বিরত থাকুন,স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন।

· আপনার খাদ্য তালিকায় তাজা শাকসব্জি এবং ফল অন্তর্ভুক্ত করুন।

· তরকারিতে পরিমিত লবন খান, খাবারে বাড়তি লবন মিশিয়ে খাওয়া বন্ধ করুন।

· চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার যত সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

· ঘাম ঝরানো শারীরিক পরিশ্রম করুন, হাটার সময় দ্রুত হাটুন। সব সময় লিফট ব্যবহার না করে যতদুর সম্ভব সিড়ি বেয়ে উঠার অভ্যাস করুন।

· উচ্চরক্তচাপ বা হাইপারটেনশন (ব্লাড প্রেসার) এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

· শরীরের বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করুন।

· রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত রাখুন, লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষাটি করে জেনে নিন আপনার রক্তে কোন ধরনের চর্বি বেশী আছে, সেই অনুযায়ী চিকিৎসা নিন এবং খাদ্য তালিকা তৈরী করুন।

· যাদের বাবা/মা বা বড় ভাই বোন দের (পারিবারিক) হৃদরোগ আছে তারা অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করুন এবং নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তের চর্বি, ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে নিজের অবস্থান জেনে নিন।

· মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন, মানসিক চাপ হৃদরোগ ঘটায়। সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে দৈনিক নিয়মিত প্রার্থনা করু্ন। সম্ভব হলে মেডিটেশন করে দেখতে পারেন।

· দৈনিক অল্প কিছু সময় শিশু এবং বয়োবৃদ্ধদের সাথে কাটানোর চেষ্টা করুন, বন্ধুদের সাথে প্রানখোলা আড্ডা মানসিক প্রশান্তি আনতে পারে। সব সময় হাসি খুশী থাকবার চেষ্টা করুন।

· দৈনিক পরিমিত নিদ্রা গ্রহন করুন, লক্ষ্য রাখুন আপনার দৈনন্দিন জীবনে যেন যথেষ্ট বিশ্রাম এবং বিনোদনের সূযোগ থাকে।

· ছোট শিশুদের গলা ব্যথা হলে বা বাতজ্বর হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

· করোনারি বা অন্যান্য জটিল হৃদরোগ হবার সুনির্দিষ্ট কোন বয়স নেই, তাই সব বয়সেই হার্টের যন্ত নেবার প্রতি সচেষ্ট হন। সন্দেহ হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

ভালো পরামর্শ মেনে চলুন। সুস্থ থাকুন।

]]>