Government of India – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 06 Mar 2019 11:49:02 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Government of India – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 সরকারি ২৫টি দরকারি অ্যাপস https://thenewsbangla.com/25-apps-by-goverment-of-india-you-should-have-in-your-phone/ Wed, 06 Mar 2019 11:29:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7663 কয়েক বছর আগেই, ভারত হয়েছে ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’। এই ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ প্রকল্প ভারতবাসী কে নতুন প্রযুক্তির অনেক কাছে এনেছে। নানা রকম অ্যাপের সাহায্যে সরকারি দপ্তরের সুযোগ সুবিধাগুলো এখন সাধারন মানুষের হাতের মুঠোয়। এই অ্যাপগুলোর মানুষকে সব রকম দিক থেকে সাহায্য করতে সক্ষম।

এবার জেনে নিন এমন কিছু সরকারি অ্যাপ যা আপনার কাজকে খুব সহজ করে দেবেঃ

১। ভারত কে বীর (Bharat ke veer): এই অ্যাপ ব্যাবহার করে আপনি সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের (সি আর পি এফ) এর পরিবারকে নানারকম ভাবে সাহায্য করতে পারবেন।
২। সিভিজিল (cVigil): এই অ্যাপের সাহায্য নিয়ে আপনি যেকোনো জায়গা থেকে ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ সরকারকে জানাতে পারেন। এই অ্যাপ আপনাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে ভোট দিতে সাহায্য করে।

৩। মাদাদ (MADAD): এই অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারবে দেশের বাইরে থাকে এমন দেশবাসী। তারা তাদের সমস্যার কথা সরকার কে জানাতে চাইলে এই অ্যাপের মাধ্যমে জানাতে পারবে। যদিও, ভিসা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত কোন অসুবিধা এই অ্যাপের সাহায্যে জানানো যাবে না।
৪। ইউটিএস (UTS): যারা ট্রেনের অসংরক্ষিত সীট বুক করতে চায়ে, তারা এই অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারবে।
৫। এমপাসপোর্ট (mPassport): পাসপোর্ট সংক্রান্ত সবরকম তথ্য আপনি এমপাসপোর্ট অ্যাপটিতে পাবেন।

ভোটের বাজার মাত করতে আসরে নামছে পিসি

৬। ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টাল (National Scholarship Portal): ভারতীয় সরকারের এই অ্যাপ আপনাকে স্কলারশিপের ব্যাপারে জানতে সাহায্য করবে।
৭। ১০৯১ (1091): মহিলা হেল্পলাইনের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই অ্যাপ। মহিলারা বাড়িতে যেকোনো রকমের নির্যাতনের শিকার হলে, সঙ্গে সঙ্গে সরকারকে জানিয়ে দিতে পারে এই অ্যাপের মাধ্যমে।
৮। ১৮০০১২০১৭৪০ (18001201740): BHIM অথবা UPI অ্যাপ সংক্রান্ত সমস্যা হলে এই নাম্বারে ফোন করে সাহায্য নিতে পারে সাধারন মানুষ।

৯। আয়কর সেতু (Aaykar Setu): এই অ্যাপটি আপনাকে প্যান কার্ড বানাতে সাহায্য করবে। তাছাড়া এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি ইনকাম ট্যাক্সও দিতে পারবেন।
১০। ১০৮ (108): এই নাম্বারে ফোন করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আপনি সরকারের সাহায্য পেতে পারেন।

দেশদ্রোহী আখ্যা পেয়েও নিজের বক্তব্যে অনড় কংগ্রেস নেতা

১১। ১৯০৯ (1909): বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম মেসেজ আটকাতে এই নাম্বারে ফোন করতে পারেন আপনি।
১২। ইপাঠশালা (ePathshala): এই অ্যাপ নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের কাছে ইবুক পৌঁছে দেয়।
১৩। এমকাবাচ (mKavach): নিজের ফোনকে সুরক্ষিত করতে এই অ্যাপ আপনি ব্যাবহার করতে পারেন।
১৪। কিষাণ সুবিধা (Kishan Suvidha): কৃষকরা এই অ্যাপের সাহায্যে জেনে নিতে পারেন আবহয়ার থেকে বাণিজ্যিক বিষয়ে সব খবর।
১৫। ১৯৪৭ (1947): আধার কার্ড সংক্রান্ত সমস্যা হলে, সমাধান পাওয়া যাবে এই নাম্বারে ফোন করলে।


কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং এর রাস্তায় হাঁটলেন বিজেপি নেতা

১৬। ১৮০০১১৪৯৪৯ (1800114949): সাইবার সিকুইরিটি পাওয়ার জন্য এই নাম্বারে ফোন করে সাহায্য নিতে পারে সাধারন মানুষ।
১৭। উমাং (UMANG): উমাং অ্যাপটি ব্যাবহার করলে, সরকারি দপ্তরের বেশির ভাগ সুযোগ সুবিধা আপনি পেতে পারেন।
১৮। ৫৭৫৭৫ (57575): এই নাম্বারে মেসাজ করলে, আপনি আপনার প্যান কার্ড সংক্রান্ত মেসেজ আপনার ফোনে পেতে পারেন।

১৯। ভোটার হেল্পলাইন (Voter Helpline): এই অ্যাপ আপনাকে ভোটার হিসেবে কোন সুযোগ সুবিধা দেবে না। তবে, এই অ্যাপ ব্যাবহার করে আপনি নতুন ভোটার আইডি কার্ড বানাতে পারেন।
২০। ইনক্রেডিবেল ইন্দিয়া (Incredible India): সব রকম পর্যটন বিভাগের তথ্য আপনি পেতে পারেন এই অ্যাপের সাহায্যে।
২১। মাই স্পীড (My Speed): মাই স্পীড আপনাকে আপনার ফোনের ইন্টারনেট স্পীড, কভারেজ এলাকা বিষয় জানতে সাহায্য করবে।

২২। ১০৯৮ (1098): এই নাম্বারে ফোন করে আপনি কোন শিশুর সমস্যার কথা সরকারকে জানাতে পারেন।
২৩। ভিম (BHIM): যে কোন রকম টাকার আদান প্রদান করতে ভিম অ্যাপ ব্যাবহার করা যাবে।
২৪। ইন্ডিয়ান পুলিশ অন কল (Indian Police on Call): এই অ্যাপ আপনাকে সব থেকে কাছের থানাগুলো দেখাবে।
২৫। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া (StartUp India): নতুন ব্যাবসা চালু করতে হলে, সাধারন মানুষ স্টার্টআপ ইন্ডিয়া অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারবে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদ বাড়িয়ে চাকুরিজীবীদের মুখে হাসি ফোটালেন মোদী https://thenewsbangla.com/narendra-modi-govt-hikes-interest-rate-on-pf-deposits-for-2018-19/ Thu, 21 Feb 2019 13:07:25 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7094 প্রথমে মহার্ঘ ভাতা বা ডি এ বাড়ানো আর তারপর প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদ বাড়িয়ে চাকুরিজীবীদের মুখে হাসি ফোটালেন নরেন্দ্র মোদী সরকার। লোকসভা ভোটের আগে দরাজ হাতে চাকুরিজীবীদের মন পাবার চেষ্টা মোদীর।

মহার্ঘ ভাতা বা ডি এ বাড়ানোর পর ভোটের ঠিক আগে এবার ইপিএফে বা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে বাড়ল সুদের হার। আগে ইপিএফে ৮.৫৫ শতাংশ সুদ পাওয়া যেত। সেটা বাড়িয়ে করা হল ৮.৬৫ শতাংশ। চলতি আর্থিক বছরেই সুদের বর্ধিত হার কার্যকর করা হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে প্রায় ৬ কোটি চাকরিজীবী উপকৃত হবেন। বৃহস্পতিবার ইপিএফও-র ট্রাস্টি বোর্ডের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তিন বছর বাদে ফের পিএফে সুদের হার বাড়ানো হল।

এ দিন বোর্ড মিটিং শেষ হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার বলেন, “প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা টাকার উপর সুদের হার বাড়িয়ে ৮.৬৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইপিএফও কর্তৃপক্ষ”। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের (ইপিএস) আওতায় চাকুরিজীবীদের ন্যূন্যতম পেনশন বাড়ানোর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত সেই ব্যাপারে কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বোর্ডের পরবর্তী বৈঠকে এই বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

গত মঙ্গলবারই লোকসভা ভোটের আগেই দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছিল। বেড়েছিল ডি এ। বর্তমানে ৯ শতাংশ হারে ডি এ পান কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। তার সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে আর ৩ শতাংশ। ফলে তাঁদের প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা বেড়ে দাঁড়াল ১২ শতাংশ। এই বর্ধিত ডি এ এর সুবিধা পাবেন অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় কর্মীরাও। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই এই বর্ধিত ডি এ কার্যকর করা হবে।

ডি এ এর পর এবার বাড়ল প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদ। ২০১৭ সাল থেকে পিএফে সুদের হার ছিল ৮.৫৫ শতাংশ। তার আগে ২০১৬-১৭ সালের আর্থিক বছরে সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তা বাড়িয়ে সুদের হার ফের সেই ৮.৬৫ শতাংশই করা হল। সামনে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটা সুখবর চাকুরিজীবীদের জন্য। এই সিদ্ধান্তে প্রায় ৬ কোটি ইপিএফও গ্রাহক উপকৃত হবেন। এর আগে ২০১৬ অর্থবর্ষে শেষবার প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার বাড়ানো হয়েছিল।

প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার নির্ধারণের দায়িত্বে রয়েছে দ্য সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (সিবিটি)। সিবিটি-র নেতৃত্বে আবার রয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক। ইপিএফও-র হয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয় তারাই। কোন অর্থবর্ষে প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা টাকার হার কত হবে, তা ঠিক করার দায়িত্বও তাদের। সিবিটির অনুমোদনের পরই বিষয়টি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকে কাছে যায়। যার পর জমা টাকার উপর নয়া সুদের হার কার্যকর হয়। সেই অনুযায়ী সরাসরি টাকা ঢুকে যায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে।

]]>