Gangrape – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 05 Oct 2018 09:45:35 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Gangrape – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রক্ষকই ভক্ষক, পুলিশকর্মীদের হাতেই গণধর্ষিত মা ও মেয়ে https://thenewsbangla.com/mother-and-daughter-gangraped-by-policemen-in-hariyana/ Fri, 05 Oct 2018 09:36:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=802 নিজস্ব প্রতিবেদন : ‘বেটি বাঁচাও’, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্লোগান যেন দিন দিন গলার কাঁটা হয়ে উঠছে কেন্দ্রীয় সরকারের। ফের প্রকাশ্যে এল নারকীয় গণধর্ষণের ঘটনা। এবার হরিয়ানার কইথলে।

হরিয়ানায় নারকীয় নির্যাতনের শিকার হল মা ও মেয়ে। বাড়িতে ঢুকে ১৮ জন মিলে গণধর্ষণ করল মা ও মেয়েকে। অভিযুক্তদের মধ্যে ৭ জনই আবার পুলিশকর্মী। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, এই জঘন্য ঘটনা বসে বসে দেখেছে গ্রামের মোড়লরা। জঘন্য, ঘৃণ্য এই ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানায়। এই খবর সামনে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে দেশজুড়ে।

রক্ষকই এখানে ভক্ষক। গণধর্ষণে নাম জড়িয়ে গেল খোদ পুলিশকর্মীদেরই। মূল অভিযুক্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেকটর পদমর্যাদার একজন অফিসার। গণধর্ষণের ঘটনায় তদন্তে নেমে মাথা হেঁট হয়ে গেছে হরিয়ানা পুলিশেরই।

খবরে প্রকাশ, গত সেপ্টেম্বর মাসে গণধর্ষণের এই ঘটনাটি ঘটে। বাড়িতে ঢুকে মা ও নাবালিকা মেয়েকে গণধর্ষণ করে ১৮ জন। নির্যাতনের পরই মেয়েকে নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন মা। তদন্তে নামে হরিয়ানা পুলিশ।

ঘটনার তদন্তে নেমে উঠে আসে একের পর এক অভিযুক্তের নাম। দেখা যায়, অভিযুক্ত ১৮ জনের মধ্যে ৭ জনই পুলিশকর্মী। মূল অভিযুক্ত একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর অফিসার ছাড়াও অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল, হেড কনস্টেবল সহ পুলিশকর্মীরা। নির্যাতিতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সকল অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাসপেন্ড করা হয়েছে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের।

বাকি অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন গ্রামের প্রাক্তন ও বর্তমান মোড়ল ও অন্যান্যরা। তাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে মারাত্মক অভিযোগ। ঘটনার সময় তাঁরা নাকি সবাই ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে ‘মজা’ দেখছিল। এমনকি আরও নির্যাতন করার জন্য উৎসাহও দিচ্ছিল।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট তৈরি করেছে হরিয়ানা পুলিশ। সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন একজন ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে Protection of Children from Sexual Offences Act (POCSO) বা পকসো আইনেও মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন হরিয়ানার কইথল এর পুলিশ সুপার আস্থা মোদী।

পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন যে, ঘটনার ৩ মাস আগেই নাবালিকা মেয়েটি তার বাবার নামেই শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিল। যদিও সেই অভিযোগ পরে প্রত্যাহার করে নেয় মেয়েটি। সেই ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার কোন যোগ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে হরিয়ানার মনোহরলাল খট্টর সরকার ও কেন্দ্রে মোদী সরকার। হরিয়ানায় আসন্ন লোকসভা ভোটে এই ধর্ষণের ঘটনা যে প্রভাব ফেলতে পারে তাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

]]>
ছাত্রী গর্ভবতী না হলে চাপা পড়তো ধর্ষনের ঘটনা https://thenewsbangla.com/if-the-girl-was-not-pregnant-the-gangrape-incident-would-be-closed/ Fri, 21 Sep 2018 07:58:55 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=589 দেরদুন: গর্ভবতী হয়ে না পড়লে সামনে আসত না দেরদুনে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা। চলতি বছরের আগস্ট মাসে গণধর্ষণের শিকার হয় দেরদুনের একটি স্কুলের ছাত্রী। সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখে ঠিক সময়ে মাসিক না হওয়ার কারণে ডাক্তার দেখালে, ধরা পরে ওই স্কুল ছাত্রী গর্ভবতী। তখনই জানা যায় আসল ঘটনা।

আগস্টের ১৪ তারিখে দেরদুনের স্কুলে ৪ জন সহপাঠি ধর্ষণ করে এক স্কুলছাত্রীকে। স্কুল ক্যাম্পাসের ভিতরে একটি ঘরে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ৪ জন সহপাঠি জোর করে তুলে স্কুলের একটি ঘরে নিয়ে যায় ওই মেয়েটিকে। তারপর এক এক করে ধর্ষণ করে তাকে। ধর্ষণের পর ভয়ও দেখান হয় মেয়েটিকে। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে বললে, সবাইকে ছবি দেখিয়ে মেয়েটিকে বদনাম করে দেবার হুমকি দেওয়া হয়।

কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে মাসিক শুরু না হওয়ায় বিপদ বুঝে মেয়েটি মুখ খোলে। তারপর সব ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। মেয়েটি জানায় তার বন্ধুদের। শুধু তাই নয়, মেয়েটি জানায়, স্কুল এডমিনিষ্ট্রটিভ অফিসারের স্ত্রী ও হস্টেলের কেয়ারটেকরকে। সব ঘটনা জানান হয় স্কুল এডমিনিষ্ট্রটিভ অফিসারকেও। এই সময়ই ঘটে সেই অবিশ্বাস্য ঘটনা। ওই তিন আধিকারিকই মেয়েটিকে গর্ভবতী হওয়া থেকে বাঁচতে একটি লোকাল ওষুধ খেতে বলেন।

তারপর পুরো ঘটনা জানানো হয় স্কুলের প্রিন্সিপালকে। যদিও রেপুটেশন নষ্ট হবার ভয়ে পুলিশের কাছে না যাওয়ার সিদ্ধান্তই নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। সমস্ত ঘটনা চেপে যান তারা। দেরাদুন চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারপার্সন কবিতা শর্মা খবর পেয়ে সমস্ত ঘটনার তদন্ত করে আসল সত্য সবার সামনে আনেন। তারপরেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়।

POCSO কোর্টে স্কুলের পাঁচ জন এডমিনিষ্ট্রটিভ স্টাফ, ডিরেক্টর, প্রিন্সিপাল, এডমিনিষ্ট্রটিভ অফিসার আর তার স্ত্রী আর হস্টেল কেয়ারটেকারকে হাজির করানো হয় পুলিশের তরফ থেকে। এদের সঙ্গে অভিযুক্ত একজন সাবালককেও হাজির করানো হয়। POCSO কোর্টের বিচারপতি তাদের ছয়জনকেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। তিন নাবালাককে ধর্ষণের দায়ে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

স্কুলের ডিরেক্টৰ ধর্ষিতা মেয়েটিকে ডেকে মুখ বন্ধ রাখতে বলেন। স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেবার ভয়ও দেখান। এমন তথ্যই জানিয়েছেন রাজ্যের চাইল্ড রাইটস প্রোটেকশন কমিশনের চেয়ারপারসন ঊষা নেগী। মেয়েটিকে এরপর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রেগনেন্সি টেস্টের জন্য। দরকার পড়লে গর্ভপাত করানোর জন্য।

পরে মেয়েটির ছোট বোন যে নিজেও ওই স্কুলে পড়ে, বাড়িতে ফোন করে সব জানায়। পুলিশ তদন্তে প্রমাণিত হয় স্কুলের এডমিনিষ্ট্রটিভ অফিসার ও তার স্ত্রী মেয়েটির বাবা মা পরিচয় দিয়ে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যায়। একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে খবর পেয়ে দেরদুনের এস এস পি নিবেদিতা কুক্রেতী স্কুল ক্যাম্পাসে তদন্তের জন্য যান। তারপরেই গণধর্ষণ এর ঘটনা পুরোপুরি সামনে আসে।

সাহাপুর পুলিশ, ৫ জন স্কুল আধিকারিক ও অভিযুক্ত ৪ ছাত্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ডি (গণধর্ষণ), ১২০বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র), ২০১ (প্রমান লোপাট) এবং পকসো আইনে মামলা দায়ের করেছে। জঘন্য ঘটনার জন্য স্কুলটির সমস্ত অনুমতি বাতিল করেছে সরকার। স্কুলটির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানান হয়েছে।

]]>