‘Ganatantra Bachaoo Jatra – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 16 Jan 2019 12:52:06 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg ‘Ganatantra Bachaoo Jatra – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 আবার প্রথম থেকে শুরু, সুপ্রিম নির্দেশে রথ চালাতে ফের নবান্নে বিজেপি https://thenewsbangla.com/bjp-again-in-nabanna-for-rath-yatra-permission-after-supreme-court-rules/ Wed, 16 Jan 2019 12:34:48 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5711 “বিনা যুদ্ধে রথ যাত্রা লড়াই ছাড়া যাবে না। রাজ্যের রাস্তায় রথ চালাতেই হবে”। এমনটাই যেন পণ করেছে বিজেপি। আর তাই শিলিগুড়িতে ‘বস্তাবন্দি’ গেরুয়া রথকে বাংলার রাস্তায় চালাতে ফের মমতার দরবারে বঙ্গ বিজেপি। ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ নিয়ে, নতুন করে রাজ্যের কাছে প্রস্তাব পেশ করতে পারে বিজেপি, মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে রায় দিয়েছিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈই এর বেঞ্চ। তাই ফের নতুন প্রস্তাব নিয়ে নবান্নে বঙ্গ বিজেপি।

আরও পড়তে পারেনঃ

উধাও কংগ্রেস বিধায়ক, লোকসভার আগেই সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি

মানুষের হাসপাতালে এত কুকুর বেড়াল কেন? দায় এড়াতে পারে না প্রশাসন

কলকাতা হাইকোর্টের পর মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টেও আটকে যায় বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ বা ‘রথ যাত্রা’। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈই এর বেঞ্চেও মঙ্গলবার অনুমতি পায়নি বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’। রাজ্যের হাতেই রথ যাত্রার অনুমতি দেওয়া-না দেওয়া নির্ভর করছে, বলে মঙ্গলবার জানিয়ে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। পুরোপুরি বাতিল না করলেও, আপাতত তাই বন্ধ হয়ে যায় বিজেপির রথ যাত্রা। এই রায়ের পর লোকসভা ভোটের আগে মমতার কাছে বড় ধাক্কা খেল বঙ্গ বিজেপি, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়তে পারেনঃ

সপ্তশৃঙ্গর পর সপ্ত আগ্নেয়গিরি, বিরল বিশ্বরেকর্ডের চূড়ায় বাঙালি

মন্দিরে ঢুকে বিপ্লবের শাস্তি, পিটিয়ে বৌমাকে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি

যাত্রার অনুমতি না দিলেও সুপ্রিম কোর্ট বিজেপিকে আশার আলো দেখিয়েছিল। ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ নিয়ে, নতুন করে রাজ্যের কাছে প্রস্তাব পেশ করতে পারে বিজেপি, মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে রায় দিয়েছিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈই এর বেঞ্চ। সেই নির্দেশ পেয়েই নতুন করে যাত্রাসূচী নিয়েই ফের নবান্নে বঙ্গ বিজেপির প্রতিনিধি দল। এটা জেনেই যে, রাজ্য আগের মত না করবেই। তাহলে কি ফের সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হবে বিজেপি? বারবার একই লড়াই আদালতে কতদিন ধরে চলবে? উঠে গেছে প্রশ্ন।

কলকাতা হাইকোর্টে মোদীর ‘গেরুয়া রথ’কে আটকে দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিই মেনে নেয়। বাতিল না হলেও, বন্ধ হয়ে যায় বিজেপির রথ যাত্রা। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর কোর্টেই ফের বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ মামলা ফেরত পাঠায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এই রায়ের পরই দেশের শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হয় বিজেপি।

আরও পড়তে পারেনঃ

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

ভোটের আগে মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট

শুরুতে রাজ্য সরকার বিজেপির যাত্রার অনুমতি দেয়নি। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী রাজ্যের রথ যাত্রার অনুমতি না দেওয়া বাতিল করে শর্তসাপেক্ষে রথ যাত্রার অনুমতি দিয়েছিলেন। এর জেরে বিজেপি রথ যাত্রার প্রস্তুতিও শুরু করে দেয়।

তবে সিঙ্গেল বেঞ্চে এই রায়ের পর ফের কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা নিয়ে যায় রাজ্য সরকার। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি মেনে নিয়ে রথ যাত্রা অনুমতি বাতিল করে আবার হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর এজলাসেই ফেরত পাঠান এই মামলা। এরপরেই বিজেপি মামলা নিয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টে।

আরও পড়তে পারেনঃ

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা

সুপ্রিম কোর্টেও মমতার হাতে আটকে গেল মোদীর গেরুয়া রথ

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টেও রথ যাত্রার অনুমতি পায়নি বিজেপি। যদিও তা একেবারে বাতিল করে নি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈই এর বেঞ্চ। তবে আপাতত যে রথযাত্রা হচ্ছে না সেটা পরিষ্কার। ফের রাজ্যের উপরই আবার রথ যাত্রার সব দায়িত্ব চাপিয়ে দেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তবে বিজেপি সভা সমিতি করতে পারবে, রাজ্যের কাছে আগাম অনুমতি চেয়ে, জানিয়ে দেয় আদালত।

রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা রিপোর্ট ও বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারদের সব রিপোর্ট খতিয়ে দেখেই তো সিদ্ধান্ত নিতে হবে, পরিস্কার জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। নতুন করে রাজ্যের কাছে যাত্রার প্রস্তাব পেশ করতে পারে বিজেপি, জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সব দেখেই ফের রথ যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে কি হবে না তা আবার ঠিক করতে হবে সেই রাজ্যকেই। এরপরেই ফের নবান্নে বিজেপি।

আরও পড়তে পারেনঃ

নৃশংস নার্স, সেবাই যাদের ধর্ম তারাই পিটিয়ে মারল ১৬টি বাচ্চা কুকুর

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

গত দুমাস ধরেই কলকাতা হাইকোর্টে একবার সিঙ্গেল বেঞ্চ ও একবার ডিভিশন বেঞ্চ ঘুরে বেড়িয়েছে বিজেপির রথ। বাংলার রাস্তায় চলার অনুমতি আদৌ অনুমতি পাবে কিনা সেটা জানতে সুপ্রিম কোর্টের দিকেই তাকিয়ে ছিল বিজেপি। সেই আশাও ব্যর্থ হয়ে যায় মঙ্গলবার।

কিন্তু হাল না ছেড়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ফের রথ নিয়ে রাজ্যকে নতুন করে প্রস্তাব পেশ বিজেপির। আবার প্রথম থেকে সব কিছুই শুরু করতে হবে তাদের। তবে রাজ্যে সভা সমিতি করার অনুমতি পেয়েছে বিজেপি। তবে সেটাও করতে হবে রাজ্যের অনুমতি নিয়েই। ভোটের আগে জোর ধাক্কা সামলাতে আবার শুরু থেকে লড়াই গেরুয়া শিবিরের।

আরও পড়তে পারেনঃ

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর, বড় বড় কোম্পানিতে কর্মী ছাঁটাই

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সব মিলিয়ে বাংলায় বিজেপির রথ যাত্রা এখনও বিশ বাঁও জলে। আদালতের বাইরে এসে কবে বাংলার রাস্তায় চলবে বিজেপির রথ, সেটাই এখন প্রশ্ন। আদৌ মমতার বাংলায় গেরুয়া রথ নামতে পারবে কিনা সেটাও এখন বড় প্রশ্ন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বিজেপির গেরুয়া রথের ভবিষ্যৎ যে অন্ধকার, সেটা বলাই যায়। আর সেই অন্ধকার কাটাতেই শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নবান্ন থেকেই ফের শূন্য থেকেই শুরু বঙ্গ বিজেপির।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়তে পারেনঃ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় ‘গেরুয়া রথ’ এর ভবিষ্যৎ https://thenewsbangla.com/bjp-rath-in-bengal-is-now-depends-on-two-kolkata-high-court-judges/ Mon, 17 Dec 2018 17:55:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4397 The News বাংলা, কলকাতা: কিছুতেই বাংলার রাস্তায় গড়াচ্ছে না ‘গেরুয়া রথ’। কিছুতেই অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না রাজ্য সরকারের। এবার একজন নয়, মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় ‘গেরুয়া রথ’ এর ভবিষ্যৎ। সেই সঙ্গে রথের ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করতে দিল্লিতে রাজ্য নেতাদের নিয়েও মঙ্গলবার বৈঠকে বসছেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা।

আরও পড়ুনঃ ‘ইন্দিরা গান্ধী ভারতে এমারজেন্সি লাগু করেছিলেন, বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’

গেরুয়া রথ নিয়ে ফের লড়াই শুরু। আবার সম্মুখ সমরে নামছে বঙ্গ বিজেপি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। সোমবার, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ বা ‘রথ যাত্রা’র পক্ষে এবং বিপক্ষে দুটি মামলায় হয় সিঙ্গেল বেঞ্চ এবং ডিভিশন বেঞ্চে। মঙ্গলবার দুই বিচারপতির উপর নির্ভর করবে যে বিজেপির এই রথযাত্রা আদৌ বাংলায় চালতে পারবে কিনা।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় 'গেরুয়া রথ' এর ভবিষ্যৎ/The News বাংলা
মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় ‘গেরুয়া রথ’ এর ভবিষ্যৎ/The News বাংলা

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিলেন বৃহস্পতিবারের মধ্যে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি, বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই বৈঠকেই রথযাত্রা রূপরেখা যাতে তৈরি করা যায়, সেই মর্মেই বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

নির্দেশ মেনে গত বৃহস্পতিবার লালবাজারে বৈঠক শেষে, নবান্ন ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি দেয় নি। নবান্ন জানায়, ‘গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া খবর অনুসারে কয়েকটি জেলায় আরএসএস, বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মত উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এই যাত্রায় যোগ দেবে। সে ক্ষেত্রে রথযাত্রার সময়ে এবং পরবর্তীকালে শান্তিভঙ্গের গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে’।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় 'গেরুয়া রথ' এর ভবিষ্যৎ/The News বাংলা
মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় ‘গেরুয়া রথ’ এর ভবিষ্যৎ/The News বাংলা

চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘রথের প্রস্তাবিত যাত্রাপথ প্রচারের জেরে ক্রমশ সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুসারে যাত্রার ধর্মীয় উগ্রতা ‘সাম্প্রদায়িক প্রচারে’ পরিণত হবে বলেই জনমানসে আশঙ্কা’। যাত্রার সময়ে যে প্রচুর পরিমাণ গাড়ি ব্যবহৃত হবে তার ফলে হাইওয়ে ও পার্শ্ববর্তী রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হবে বলেও মনে করছে রাজ্য’। সোমবার সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করেই বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে বিজেপির পক্ষ থেকে মামলা দ্রুত শোনার আর্জি জানানো হয়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হবে।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি দিল না মমতা প্রশাসন

অন্যদিকে, প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চে এই ‘রথ যাত্রা’ বন্ধ করতে চেয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। তার বক্তব্য, এই ‘রথ যাত্রা’র ফলে রাজ্যের আইন শৃংখলার অবনতি ঘটতে পারে। পাশাপাশি জনজীবন স্তব্ধ হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষকে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে। মঙ্গলবার জোড়া মামলার শুনানি সিঙ্গেল ও ডিভিশন বেঞ্চে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় 'গেরুয়া রথ' এর ভবিষ্যৎ/The News বাংলা
মঙ্গলবার হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ঘরে বাংলায় ‘গেরুয়া রথ’ এর ভবিষ্যৎ/The News বাংলা

অন্যদিকে, রথের ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করতে মঙ্গলবারই দিল্লিতে রাজ্য নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেনন, কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং সুরেশ পূজারী মঙ্গলবারের বৈঠকে থাকবেন। বাংলা থেকে দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় এবং রাহুল সিনহা থাকছেন। প্রস্তাবিত গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা, তাকে কেন্দ্র করে জটিলতা, মামলার গতিবিধি এবং রাজ্য সরকারের মানসিকতা, সব কিছু মাথায় রেখেই ওই বৈঠকে রণকৌশল নির্ধারণ করা হবে বলে বিজেপি সূত্রের খবর।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা

একদিকে বিজেপির রাজ্য নেতাদের নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠকে বসছেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। অন্যদিকে কলকাতাতেও মঙ্গলবারই শুনানি হতে চলেছে বিজেপির দায়ের করা রথ মামলার। এক দিকে আদালতে দুই বিচারপতির ঘরে চলবে লড়াই, অন্য দিকে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রণকৌশল নির্ধারণ করবেন দিল্লিতে। সব মিলিয়ে ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যে, মঙ্গলবার দিল্লি ও কলকাতা শুধুই রথময়।

পড়ুন হাড়হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প:

পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন তৃতীয় ও শেষ পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>
রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা https://thenewsbangla.com/tmc-workers-attacked-bjps-dilip-ghoshs-car-before-the-rath-yatra/ Thu, 06 Dec 2018 12:35:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3613 The News বাংলা, দিনহাটা: ফের আক্রান্ত দিলীপ ঘোষ। ফের ভাঙল তাঁর গাড়ির কাচ। নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁকে ও তাঁর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। ঘটনা কোচবিহারের সিতাইয়ে।

রথযাত্রার আগের দিনেই গাড়ি ভাঙচুর কোচবিহারে। কোচবিহারে শুক্রবার থেকে শুরু বিজেপির রথযাত্রা। আর তা নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। আদালতে আপাতত রথের লড়াই নিয়ে রায় দিয়েছে রাজ্য সরকারের দিকেই।

রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা/The News বাংলা
রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা/The News বাংলা

আর এই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল কোচবিহারে দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা। দিলীপের কনভয়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙা হয়। নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ির কনভয় বের করে নিয়ে যায়। না হলে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা ছিল।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা

কোচবিহারের মাথাভাঙায় সিতাই মোড়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতির কনভয়ে এই হামলা হয়। গাড়ির সামনের কাচ ও পাশের কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। অল্পের জন্য রক্ষা পান দিলীপ ঘোষ। তাঁর সারা শরীর কাচের গুঁড়োয় ভরে যায়।

দিলীপের গাড়িটি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আক্রমণ হয়েছে ওই কনভয়ে থাকা অন্যান্য সব গাড়িতেই। বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন দিলীপ ঘোষের সঙ্গে। তাঁর অভিযোগ এই আক্রমণের পিছনে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা/The News বাংলা
রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা/The News বাংলা

ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি বাইকেও। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলেছেন, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা বলতে কিছুই নেই। দিলীপ ঘোষের উপর এই হামলা তারই প্রমাণ। এই ঘটনা আরও ঘটবে। আর এই জন্যই গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা।

আরও পড়ুন: ‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’ শুভেন্দু অধিকারী

বিজেপির বক্তব্য, রথযাত্রার কর্মসূচি বন্ধ করতে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেটা সম্ভব হবে না। সাধারণ মানুষের উৎসাহে রথযাত্রা হবেই। বিজেপির আরও অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা চলে এবং পুলিশ হাত গুটিয়ে থাকে।

রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা/The News বাংলা
রথ যাত্রার আগেই দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা/The News বাংলা

যদিও তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ জানিয়েছেন, এটা বিজেপি র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। মুকুল রায় শিবির ও দিলীপ ঘোষ শিবিরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলেই জানান তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেছেন, এটা পাগলের প্রলাপ। তৃণমূল ভয় পেয়েছে। তাই তাঁর উপর হামলা করেছে বলেই জানান তিনি।

আরও পড়ুন: মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে

স্থানীয় সূত্রে দাবি, পুলিশের কাছে খবর ছিল দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা হতে পারে। কেননা বুধবার থেকেই এলাকায় বাঁশ নিয়ে মিছিল করেছিল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রথমে দিলীপ ঘোষের গাড়িতে হামলা করা হয়। পরে পুলিশের সামনেই কনভয়ে থাকা প্রতিটি গাড়িতে বাঁশ দিয়ে হামলা চলে। কনভয়ে সাতটি গাড়ি ছিল বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: মমতার পদে ইস্তফা, বিজেপির ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় কেপিপি সভাপতি

তবে পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা হওয়ায় প্রশ্নের মুখে জেলা পুলিশ। ১ ঘন্টা ধরে দিলীপ ঘোষের কনভয়ের জন্য দাঁড়িয়ে থাকলেও কেন কোন ব্যবস্থা নিল না জেলা পুলিশ, উঠছে প্ৰশ্ন। ইতিমধ্যেই দুই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে গ্রেফতার করেছে মাথাভাঙা থানার পুলিশ।

]]>
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা https://thenewsbangla.com/mamata-win-modis-rath-yatra-do-not-get-permission-from-kolkata-high-court/ Thu, 06 Dec 2018 11:26:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3592 The News বাংলা, কলকাতা: মমতার কাছে ‘গোহারা’ হেরে গেলেন মোদী। রাজ্য সরকার না করে দেবার পরে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’য় অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্টও। ফের একবার আদালতের লড়াইয়ে জিতল মা মাটি মানুষের সরকার। আগামী ৯ তারিখ পর্যন্ত কোন ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ করা যাবে না বলেই রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

মমতা বন্দোপাধ্যায় সরকার অনুমতি দেয় নি। বৃহস্পতিবারই আদালতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোচবিহারে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’য় পরিষ্কার না বলে দেওয়া হয়। নরেন্দ্র মোদীর ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি পেতে বিজেপির শেষ ভরসা ছিল সেই কলকাতা হাইকোর্টই। বলাই যায়, বিজেপির রথের দড়ি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের হাতে। সেই দড়ি আদালত এখন তুলে দিল রাজ্য সরকারের হাতেই।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ শুরু করার অনুমতি দেয় নি রাজ্য সরকার, আজ জানিয়ে দেয় কলকাতা হাইকোর্টে। আগামীকাল শুক্রবার, ৭ তারিখ কোচবিহার থেকে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ শুরুর কথা। তবে সেই যাত্রা শুরু করতে পারবে কিনা সেই নিয়েই ছিল প্রশ্ন। রাজ্যকে এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। রাজ্য সরকার না করে দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তই বহাল রাখল আদালত। আগামী ৯ তারিখ পর্যন্ত কোন রথযাত্রা নয়, নির্দেশ আদালতের।

আরও পড়ুন: মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে

প্রথম থেকেই বিজেপির ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার। আবার ‘রথযাত্রা’ করা যাবে না এমনটাও প্রথমে জানানো হয়নি রাজ্যের তরফে। তাই ‘রথযাত্রা’র বিষয়ে রাজ্য প্রশাসন ‘নীরব’ এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য বিজেপি। বিজেপির তরফে প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগে এবং এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা দায়ের করেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

মামলার শুনানিতে বিজেপির আইনজীবী সপ্তাংশু বসু ও অনিন্দ্য মিত্র জানিয়েছিলেন,’আসন্ন বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ অর্থাৎ ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় প্রচুর মানুষের সমাগম হবে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। তা সত্ত্বেও রাজ্য প্রশাসন এখনও কেন নিশ্চুপ? তাঁরা আদালতে আরও জানিয়েছিলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়ে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তাও জানাচ্ছে না সরকার। এর আগেও একাধিকবার রাজ্য প্রশাসন এই কাজ করেছে’।

আরও পড়ুন: মমতার পদে ইস্তফা, বিজেপির ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় কেপিপি সভাপতি

শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর কোচবিহার থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বিজেপির প্রথম রথ। দ্বিতীয় রথটি কাকদ্বীপ থেকে যাত্রা শুরু করবে ৯ তারিখ। তৃতীয় রথের যাত্রা তারাপীঠ থেকে শুরু হওয়ার ১৪ ডিসেম্বর। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তিনটি রথের উদ্বোধনেই হাজির থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। শুধু তাই নয় ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ চলাকালীন বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকটি জনসভা করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে আদালতের এই রায়ের পর, কি করবেন বিজেপি নেতারা সেটাই এখন প্রশ্ন।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

এর পরিপেক্ষিতে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। বিচারপতির প্রশ্ন, ‘রথযাত্রায় অনুমতি দেওয়া নিয়ে প্রথমে ডিজি তারপর আইজিকে জানানো হয়। তারপরও কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি? রথযাত্রার অনুমতি নিয়ে স্বয়ং রাজ্যপালও প্রশাসনের কাছে জানতে চান। তাঁকেও কিছু জানানো হয়নি’।

উত্তরে এজি বলেন, ‘ওরা ডিজি, আইজির কাছে অনুমতি চায়, তারা যথাযত কর্তৃপক্ষ নন যে অনুমতি দেবেন। আর রাজ্যপালের সাংবিধানিক অধিকার নেই যে এবিষয় হস্তক্ষেপ করবেন’।

আরও পড়ুন: ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র মধ্যেই শিলিগুড়িতে প্রথম জনসভা নরেন্দ্র মোদীর

এজির উত্তর শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। মন্তব্য করেন, ‘ডিজি, আইজি সেকথা জানাতে পারতেন যে কোথায় অনুমতি নিতে হবে। এজির উদ্দেশ্যে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলই তো মিছিল করবে, বারবার আদালত কেন সব রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করবে? এই সব সমস্যা সমাধানের কর্তৃপক্ষ রাজ্য সরকার। আপনারা আপনাদের সমস্যার সমাধান করুন’।

কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর 'রথ যাত্রা' আটকালেন মমতা/The News বাংলা
কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা/The News বাংলা

বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে কিশোরবাবু জানান, ‘আমরা জানি না কত মানুষ আসবেন এখানে? বিজেপির কোন কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন? তিনি কী ক্যাটেগরি নিরাপত্তা পান? সব জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে বসতে হবে’। শেষ পর্যন্ত কোচবিহারের পুলিশ সুপার এই যাত্রা নাকচ করে দিয়েছেন বলে আদালতে বৃহস্পতিবার শুরুতেই জানিয়ে দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত।

এরপরই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী নিজের রায় শুনিয়ে দেন। আদালত বিজেপিকে এই যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় মুখ পুড়ল বিজেপির। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আপাতত বিশ বাঁও জলে। ফের আদালতের লড়াই এ জয় হল মমতার রাজ্য সরকারের। ‘লোকসভা ভোটের আগেই কলকাতা হাইকোর্টে মমতার কাছে হারলেন মোদী’, বলছেন তৃণমূল নেতারা।

]]>
‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’ শুভেন্দু অধিকারী https://thenewsbangla.com/its-not-jagannaths-rath-yatra-its-enjoyment-jatra-said-suvendu-adhikari-on-bjps-rath-jatra/ Thu, 06 Dec 2018 09:41:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3596 The News বাংলা, হলদিয়াঃ ‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’। এবার বিজেপির রথ যাত্রা নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে হলদিয়া শহরে দিলীপ ঘোষদের এই ভাষাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর অধিকারীর।

'জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা' শুভেন্দু অধিকারী/The News বাংলা
‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’ শুভেন্দু অধিকারী/The News বাংলা

বাবরি কাণ্ডের সমালোচনায় শান্তি রক্ষার্থে, বৃহস্পতিবার সকালে হলদিয়া শহর তৃণমূলের আয়োজনে হলদিয়ার ব্রজলালচকে সম্প্রীতির পদয়াত্রা ও সভার আয়োজন করা হয়। সেই পদযাত্রা ও সভায় যোগদান করেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারী।

আরও পড়ুনঃ মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে

নিজের ভাষণে তিনি বলেন, ‘এই সময় কি রথ বের হয়। তাছাড়া যারা এই রথ বের করেছেন সেই দলের রাজ্য সভাপতি বলছে, মারলে আহত হলে তো ৬ মাস হাসপাতালে থাকে, একেবারে ফিনিশ করে দাও। আর একজন মহিলা বলছে রথের সামনে পড়লেই পিষে দিয়ে চলে যাবো’।

'জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা' শুভেন্দু অধিকারী/The News বাংলা
‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’ শুভেন্দু অধিকারী/The News বাংলা

রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারী আরও বলেন, ‘ওরা জানেই না রথের ইতিহাস। আমরা মেদিনীপুরের মানুষ, পাশেই উড়িষ্যা, আমরা একসময় উড়িষ্যা সঙ্গেই ছিলাম। আমরা প্রভু জগন্নাথকে জানি। প্রথমে থাকে বলরাম, তাকে গৌরবের প্রতীক বলা হয়। তার পরে থাকে বোন শুভদ্রা ও তার পরে থাকে প্রভু জগন্নাথ। তাকে ঈশ্বর বলা হয়’।

আরও পড়ুনঃ আন্দোলনের এক যুগ পূর্তিতে সিঙ্গুরে শহীদ মিনার গড়বেন মমতা

তিনি বলেন, ‘২০৬ টি কাঠ দিয়ে তৈরি এই রথ। আর মানব দেহেও ২০৬ টি হাড় রয়েছে। এর এই জগন্নাথ শান্তির কথা বলে। আর এরা দেড় কোটি টাকা দামের উন্নতমানের এসি গাড়ি নিয়ে এসেছে। সেখানে খানা, পিনা, নাচ, গান, এসি, বাথরুম, পায়খানা, স্নান করার জায়গা, ফুর্তি করার জায়গা সব আছে। এটা জগন্নাথের রথ নয়’।

'জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা' শুভেন্দু অধিকারী/The News বাংলা
‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’ শুভেন্দু অধিকারী/The News বাংলা

তিনি বলেন, বিজেপি কিছুই করিতকর্মের নয়। এই ভাবে রথকে নিয়ে প্রচারে নেমে কিছু করতে পারবে না। কারন তৃণমূল সম্প্রীতি ও ঐক্য বহন করে সবধর্মের মানুষকে সাথে নিয়ে উন্নয়ন করতে পারে। তিনি বলেন, ‘ওরা কিছু করতে পারবে না। কিভাবে সম্প্রীতি বজায় রাখতে হয় আমাদের জানা আছে। আমরা কাজ করে দেখাই। ভারতে বেশি করে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান হোক আমরা চাই কিন্তু সাধারন মানুষকে বোকা বানিয়ে নয়’।

আরও পড়ুনঃ মমতার পদে ইস্তফা, বিজেপির ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় কেপিপি সভাপতি

এদিন হলদিয়া ব্লকের হকদিয়া মেচেদা ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কে ২ কিমি সম্প্রীতির পদযাত্রা হয়। সেখানে সব ধর্মের মানুষ হাতে হাত রেখে হেঁটেছেন। এদিন মন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান শ্যামল আদক, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মধুরিমা মন্ডল, আনন্দময় অধিকারী, হলদিয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুব্রত হাজরা সহ অন্যান্যরা।

]]>
মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে https://thenewsbangla.com/mamata-says-no-modis-chariot-rope-is-in-the-hands-of-the-kolkata-high-court/ Thu, 06 Dec 2018 06:01:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3581 The News বাংলা, কলকাতা: মমতা বন্দোপাধ্যায় সরকার অনুমতি দিল না। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পরিষ্কার কোচবিহারে রথ যাত্রায় না বলে দেওয়া হল আদালতে। নরেন্দ্র মোদীর ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি পেতে বিজেপির শেষ ভরসা এখন কলকাতা হাইকোর্ট। বলাই যায়, বিজেপির রথের দড়ি এখন কলকাতা হাইকোর্টের হাতে।

বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ শুরু করার অনুমতি দিল না রাজ্য সরকার, জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার ৭ তারিখ কোচবিহার থেকে বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ শুরুর কথা। তবে সেই যাত্রা শুরু করতে পারবে কিনা তা জানা যাবে আজ বৃহস্পতিবার। রাজ্যকে এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। রাজ্য সরকার না করে দেওয়ায় দুপুর ১২ টায় চূড়ান্ত রায় দেবে আদালত।

মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা
মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা

বিজেপির ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার। আবার ‘রথযাত্রা’ করা যাবে না এমনটাও প্রথমে জানানো হয়নি রাজ্যের তরফে। তাই ‘রথযাত্রা’র বিষয়ে রাজ্য প্রশাসন ‘নীরব’ এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য বিজেপি। বিজেপির তরফে প্রশাসনের নিরবতার অভিযোগে এবং এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা দায়ের করেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার।

গত শুক্রবারই বিজেপির তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করেছেন। আজ বৃহস্পতিবারই শুনানি শেষে রথ যাত্রা নিয়ে রায় দেবার সম্ভাবনা আছে। কারন আগামীকালই রথ যাত্রা শুরুর সব প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে বিজেপি।

মামলা দায়ের করার পরে জয়প্রকাশ বলেন, ‘গত ২৯ অক্টোবর থেকে রথযাত্রার অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়ে যাচ্ছি। অথচ প্রশাসন কিছু করছে না। বিজেপির অনেক কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন। আমাদের আশঙ্কা, রাজ্য প্রশাসন শেষ মুহূর্তে কর্মসূচি নাকচ করে দিতে পারে। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি’। আর ঠিক সেটাই হল। শেষ মুহূর্তে বিজেপির ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র অনুমতি দিল না মমতা সরকার।

মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা
মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা

কদিন আগে নেতাজি ইন্ডোরে দলের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘ওরা রথ করুক, আপনারা ইগনোর করুন। পাত্তা দেবেন না। পাত্তা দিলে পাত্তা পেয়ে যাবে। কেউ কোথাও কোনও গণ্ডগোলে জড়াবেন না। প্রশাসন তার কাজ করবে।’ কিন্তু তারপরেও মমতা সরকার এই ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি দিল না।

মামলার শুনানিতে বিজেপির আইনজীবী সপ্তাংশু বসু ও অনিন্দ্য মিত্র জানান, ‘আসন্ন বিজেপির ‘রথ যাত্রা’ অর্থাৎ ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’য় প্রচুর মানুষের সমাগম হবে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। বিভিন্ন রাজ্যের মন্ত্রীরা আসছেন। তার সত্ত্বেও রাজ্য প্রশাসন এখনও কেন নিশ্চুপ? তারা সম্মতিও জানাচ্ছে না আবার অসম্মতিও জানাচ্ছে না’।

তাঁরা আদালতে আরও জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়ে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তাও জানাচ্ছে না সরকার। এর আগেও একাধিকবার রাজ্য প্রশাসন এই কাজ করেছে’।

মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা
মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা

শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর কোচবিহার থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বিজেপির প্রথম রথ। দ্বিতীয় রথটি কাকদ্বীপ থেকে যাত্রা শুরু করবে ৯ তারিখ। তৃতীয় রথের যাত্রা তারাপীঠ থেকে শুরু হওয়ার ১৪ ডিসেম্বর। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তিনটি রথের উদ্বোধনেই হাজির থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

শুধু তাই নয় ‘রথযাত্রা’ বা ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ চলাকালীন বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকটি জনসভা করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরেও রাজ্য সরকার অনুমতি পাওয়া বা না পাওয়া নিয়ে কোন কথা জানায় নি বলেই আদালতে জানিয়েছে বিজেপি।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। বিচারপতির প্রশ্ন, ‘রথযাত্রায় অনুমতি দেওয়া নিয়ে প্রথমে ডিজি তারপর আইজিকে জানানো হয়। তারপরও কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি? রথযাত্রার অনুমতি নিয়ে স্বয়ং রাজ্যপালও প্রশাসনের কাছে জানতে চান। তাঁকেও কিছু জানানো হয়নি’।

উত্তরে এজি বলেন, ‘ওরা ডিজি, আইজির কাছে অনুমতি চায়, তারা যথাযত কর্তৃপক্ষ নন যে অনুমতি দেবেন। আর রাজ্যপালের সাংবিধানিক অধিকার নেই যে এবিষয় হস্তক্ষেপ করবেন’।

এজির উত্তর শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। মন্তব্য করেন, ‘ডিজি, আইজি সেকথা জানাতে পারতেন যে কোথায় অনুমতি নিতে হবে। এজির উদ্দেশ্যে বিচারপতির আরও মন্তব্য, ‘দুঃখিত এজি ! বিচারপতিরা কোন মাসিহা (দেবদূত) নন, যে প্রতিটা রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান কোর্টে করবেন’।

বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলই তো মিছিল করবে, বারবার আদালত কেন সব রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করবে ? এই সব সমস্যা সমাধানের কর্তৃপক্ষ রাজ্য সরকার। আপনারা আপনাদের সমস্যার সমাধান করুন’।

মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা
মমতার অনুমতি নেই, মোদীর রথের দড়ি কলকাতা হাইকোর্টের হাতে/The News বাংলা

বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে কিশোরবাবু জানান, ‘আমরা জানি না কত মানুষ আসবেন এখানে? বিজেপির কোন কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন? তিনি কী ক্যাটেগরি নিরাপত্তা পান? সব জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে বসতে হবে’। শেষ পর্যন্ত কোচবিহারের পুলিশ সুপার এই যাত্রা নাকচ করে দিয়েছেন বলে আদালতে বৃহস্পতিবার শুরুতেই জানিয়ে দিলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। বেলা ১২ টায় রায় শোনাবেন বিচারপতি।

বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী কি রায় দেন সেটাই এখন দেখার। আদালত বিজেপিকে এই যাত্রার অনুমতি দিলে মুখ পুড়বে মমতার রাজ্য সরকারের। আর আদালত এই যাত্রার অনুমতি না দিলে বিজেপির এত বড় প্রস্তুতির কি হবে সেটাও প্রশ্ন। সব নজর এখন কলকাতা হাইকোর্টের দিকে।

]]>
‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র মধ্যেই শিলিগুড়িতে প্রথম জনসভা নরেন্দ্র মোদীর https://thenewsbangla.com/narendra-modi-at-the-first-public-rally-in-siliguri-on-ganatantra-bachaoo-jatra/ Tue, 04 Dec 2018 18:01:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3518 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ রাজ্যে প্রথম জনসভা করতে শিলিগুড়িতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চলতি মাসেই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্য বিজেপি-র ডাকা ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’র মধ্যেই শিলিগুড়িতে প্রথম সভা থেকে ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি পর্বের প্রচার শুরু করবেন নরেন্দ্র মোদী।

মঙ্গলবারই দিল্লির পিএমও অফিস থেকে মৌখিক ভাবে এমনাটাই জানানো হয়েছে বিজেপি-র রাজ্য নেতৃত্বকে। চলতি সপ্তাহের ভিতরেই তার লিখিত অনুমতি চলে আসবে বলে জানিয়েছে তারা। সেইসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতেই তার প্রথম সভা হওয়ার কথা।

আরও পড়ুনঃ রথযাত্রা উপলক্ষে বাংলায় মোদীর জনসভায় লোকসভার দামামা

সোমবার জানা গিয়েছিল, ২৪ শে ডিসেম্বর দুর্গাপুর, ২৮ শে ডিসেম্বর মালদহ, ৫ ই জানুয়ারী শ্রীরামপুর, ১১ ই জানুয়ারী কৃষ্ণনগর এই ৪ জায়গায় নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ঠিক হয়ে গেছে। মঙ্গলবারই দিল্লির পিএমও অফিস থেকে শিলিগুড়িতে প্রথম সভার কথা জানান হয়।

আগামী নির্বাচনের আগে, বছরের শেষ ও শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথেরও বেশ কিছু সভা করার কথা আছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এখনও কোন লিখিত অনুমতি বা নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত মোদীর সভা নিয়ে নিশ্চিৎভাবে কিছুই জানাতে পারে নি বিজেপি-র রাজ্য নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের ‘রাফায়েল’ অ্যাটাকের জবাবে মোদীর হাতে ‘মাইকেল’

তবুও অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, বাংলায় মোট চারটি জনসভা করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির কথা জানা গিয়েছিল। তার মধ্যে প্রথম সভা উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি কিংবা মালদহে হতে পারে। বাকি তিনটি সভা দক্ষিণবঙ্গে হওয়ার সম্ভবনার কথা জানালেও তা নির্দিষ্ট করে কোন জায়গায় নাম উল্লেখ করতে পারেন নি।

সূত্রের খবর, ওল্ড মালদার গাজোলে সভা হওয়ার কথা থাকলেও মাঠ পাওয়া যায়নি। ফলে প্রথম সভা শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকা তথা জলপাইগুড়ি কিংবা কোচবিহারে করার কথা জানা গিয়েছে। উত্তরবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী একটি সভার কথা জানা গেলেও বাকি সভার স্থান নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে দলীয় সুত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ জনগণকে ‘গাধা’ বানিয়ে ‘শিক্ষাগুরু নেহেরু’র যোগ্য ছাত্র সব রাজনীতিবিদ

অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা সহসভাপতি রজত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সভা শিলিগুড়িতেই হবার সম্ভবনা কথা তাঁরা রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে জেনেছেন। এবং সেইমত প্রস্তুত থাকার নির্দেশও এসেছে কলকাতা থেকে। এদিকে ৭ ডিসেম্বর থেকে ‘গনতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ শুরু হবে কোচবিহার থেকে। তারই মধ্যে হবে প্রধানমন্ত্রীর সভা।

তিনি আরও জানান, কোচবিহারে মাঠ নিয়ে জটিলতা শুরু করেছে রাজ্য। রাজ্য সরকার তাদের কোন মাঠ দেয়নি। যার ফলে এক বিজেপি কর্মীর জমি থেকে রথযাত্রা শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, কোচবিহার থেকে রথযাত্রা শুরু ৭ ডিসেম্বর। যা ১৫ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে পৌঁছবে। ১৭ ডিসেম্বর থেকে তা পরবর্তী গন্ত্বব্যের উদ্দেশে রওনা দেবে বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে লোকসভা ভোটের বাজনা বাজতে আর মাত্র কয়েকটা দিন।

]]>