Former President of India – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 17 Jun 2022 06:30:17 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Former President of India – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 দেশবাসি ও বিরোধীদের চমকে দিয়ে, রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করছে বিজেপি https://thenewsbangla.com/bjp-decided-who-will-be-the-next-president-of-india/ Fri, 17 Jun 2022 06:10:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15532 দেশবাসি ও বিরোধীদের চমকে দিয়ে; রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করছে বিজেপি। পাঁচ বছর আগেও, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রামনাথ কোবিন্দকে দাঁড় করিয়ে; সবাইকে চমকে দিয়েছিল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হলে; বেশ কয়েকটি নাম ঘোরাফেরা করছিল; প্রত্যকেই ছিলেন জনপ্রিয় নেতা। শেষে দেখা গেল উত্তরপ্রদেশ শাসনের দায়িত্ব; ‘সন্ন্যাসী’ যোগী আদিত্যনাথের কাঁধে, তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন; এবারেও কি চমক দিতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা যাচ্ছে; রাষ্ট্রপতি পদে নামের তালিকা তৈরি।

বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রার্থীর ব্যাপারে অন্যান্য দলের সঙ্গে আলোচনায় কোনও সমাধানসূত্র পাওয়া না গেলে; কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দুটি রাস্তা খোলা রাখছে। এক, রামনাথ কোবিন্দকেই দ্বিতীয়বারের জন্য প্রার্থী করা হবে। দ্বিতীয় রাস্তা হল, নতুন কাউকে দাঁড় করানো। সেই তালিকায়, শেষ পর্যন্ত নাম রয়েছে তিনজনের।

আরও পড়ুনঃ লজ্জার অন্ধকারে ডুবল বাংলা, দেশকে চমকে দিয়ে রাজ্যের বিধানসভায় প্রতিদিন ‘ছাপ্পা ভোট’

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ শেষ হচ্ছে; তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন কে? শোনা যাচ্ছিল একাধিক নাম; বেশ কিছু নাম নিয়েই জল্পনা চলছে দিল্লিতে। প্রথমে জল্পনা চলছিল, কোনও মুসলিম মুখকে; রাষ্ট্রপতি পদে বসানো হতে পারে। পরে শোনা যাচ্ছিল, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া; প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীর নাম। সেই সঙ্গে উঠে এসেছিল; আদিবাসী নেত্রী দ্রৌপদী মুর্মুর নামও।

তবে এখন শোনা যাচ্ছে, কর্নাটকের রাজ্যপাল তথা দলিত নেতা থাওয়ার চাঁদ গেহলট; তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল তামিলসাই সুন্দরাজন এবং লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সুমিত্রা মহাজনের নাম উঠে এসেছে। তবে সবটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে; বিজেপি সূত্রে এখনও অফিসিয়ালি কিছুই বলা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ “আমি নমাজ পড়ি না, ইফতারে গেলেও আপত্তি”, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে বিজেপিকে ঠুকলেন মমতা

বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছে; বিরোধীদের আপ্রাণ বোঝাতে, যাতে তারা প্রার্থী না দেয়। যদি বিরোধী শিবিরকে কোনওভাবেই রাজি করানো না যায়, সেক্ষেত্রে বিজেপি নেতৃত্ব এমন একজনকে দাঁড় করাবে; যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট তাদের দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর পক্ষেই পড়ে। যেমনটা হয়েছিল আব্দুল কালামের ক্ষেত্রে। বিরোধীদের সঙ্গে আগামীদিনেও কথা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাজি না হলে, নতুন ট্রাম্পকার্ড ভাবছেন; মোদী-শাহ-নাড্ডা।

]]>
এপিজে আবদুল কালাম, রাষ্ট্রপতি ভবনে বন্ধ করেছিলেন ইফতার পার্টি https://thenewsbangla.com/apj-abdul-kalam-former-president-of-india-closed-ramadan-iftar-party/ Mon, 27 May 2019 08:34:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13373 রাষ্ট্রপতি ভবনে ইফতার পার্টির রেওয়াজ বহুকাল ধরে চলে এলেও; ছন্দপতন ঘটিয়েছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম। তিনি যদিও ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন; কিন্তু রাষ্ট্রপতি ভবন তার আমলে ছিল ইফতার পার্টি মুক্ত।

আবদুল কালামের প্রাক্তন সচিব; অবসরপ্রাপ্ত আইএএস পিএম নায়ারের একটি লেখা থেকে জানা যায় এই সিদ্ধান্তের পিছনের আসল কারণটি। ‘দি কালাম এফেক্ট; মাই ইয়ার্স উইথ দি প্রেসিডেন্ট’ বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০০২ সালে; সেখনেই আছে এই ঘটনাটি।

সেখানে পিএম নায়ার বলেছিলেন; ২০০২ সালে ডক্টর আবদুল কালাম যখন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন; তখন রমজান ছিল জুলাই-আগস্ট মাসে। রাষ্ট্রপতির জন্যে একটা নিয়মিত রেওয়াজ ছিল যে; তিনি রমজানে ইফতার পার্টির আয়োজন করবেন।

সে অনুযায়ী এ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার পর ডক্টর কালাম তার সচিব পিএম নায়ারকে প্রশ্ন করেন; কেন তিনি ইফতার পার্টির আয়োজন করবেন? কারণ এই পার্টিতে যে সব অতিথিরা আসবেন; তারা তো সবসময় ভালো খাবার খেয়েই অভ্যস্ত।

রাষ্ট্রপতি এও জানতে চান; একটি ইফতার পার্টির আয়োজনে কত খরচ পড়ে। সচিবের তরফ থেকে জানানো হয়; প্রায় ২২ লাখ টাকা খরচ করা হয় এই ইফতার পার্টিতে। ডক্টর কালাম তখন নির্দেশ দেন; ঐ টাকা দিয়ে খাবার; পোশাক ও কম্বল কিনে কয়েকটি অনাথ আশ্রমে দান করতে।

ডক্টর কালামের নির্দেশে অনাথ আশ্রম বাছাইয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মকর্তাদের একটি টিম গঠন করা হয়; এরপর ডক্টর কালাম পিএম নায়ারকে ডেকে এক লাখ টাকার চেক দেন এবং জানান; সরকারী সাহায্যের সাথে তিনি তার ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে এই অর্থ দান করছেন।

পিএম নায়ার তখনই এই খবর সবাইকে জানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আবদুল কালাম বলেন; এ তথ্য কারো কাছে প্রকাশ করা যাবে না। নায়ার তাঁর বইয়েতে লেখেন তিনি সবাইকে জানাতে চেয়েছিলেন। কারণ; মানুষের জানা উচিত এমন একজন মানুষ আছেন; তার যা অর্থ খরচ করা উচিত; তিনি সেটা শুধু দানই করেননি; তিনি সেই সঙ্গে নিজের অর্থও বিলিয়ে দিয়েছেন।

পিএম নায়ার এমন অনেক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন তাঁর বইতে। ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম যখনই বিদেশ যেতেন; তখন তিনি দামি উপহার পেতেন। এই উপহার প্রত্যাখ্যান করা হলে তা হত কোনো জাতির প্রতি অসম্মান করা এবং তা দেশের পক্ষে বিব্রতকর।

সুতরাং তিনি বিনা বাক্য ব্যয়ে এসব উপহার নিতেন। কিন্তু ফিরে আসার পর তাঁর নির্দেশ থাকত; সব উপহারসামগ্রীর ছবি তুলতে হবে; ক্যাটালগ করতে হবে; এরপর তা রাষ্ট্রপতি ভবনের সংগ্রহশালায় রেখে দিতে হবে।

পিএম নায়ার জানান; আবদুল কালাম যখন রাষ্ট্রপতি ভবন ত্যাগ করেন; তখন তাকে কোন জিনিস তো দূরে থাক; একটি পেনসিলও নিয়ে যেতে দেখা যায়নি। নায়ার জানান; ডক্টর কালাম তার আত্মীয়দের একবার দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাদের নগর পরিদর্শন করাতে তিনি একটি বাস ভাড়া করেছিলেন; এবং সেই টাকা তিনি নিজে শোধ করেন।

কোনো সরকারি গাড়ি তার আত্মীয়দের জন্যে ব্যবহৃত হয়নি। ডক্টর কালামের নির্দেশে তাঁর আত্মীয়দের থাকা-খাওয়ার খরচ হিসাব করা হয়েছিল; বিল দাঁড়াল দুই লাখ টাকা; যা তিনি নিজে পরিশোধ করেছিলেন। দেশের ইতিহাসে এটা আর কেউ করেননি।

]]>
ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/pranab-mukherjee-the-former-president-of-india-will-be-conferred-with-bharat-ratna/ Fri, 25 Jan 2019 15:43:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6014 দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক নাগরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ পাচ্ছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি মরণোত্তর এই সম্মান পাচ্ছেন সমাজসেবী নানাজি দেশমুখ ও সঙ্গীত শিল্পী ভূপেন হাজারিকা। রাষ্ট্রপতি ভবন সূত্রে এই খবর জানা গেছে। শুক্রবার রাতেই এই ঘোষণা করা হল। নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্রীয় সরকার বাঙালি রাজনীতিবিদ ও দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় এর নামই এবার ভারতরত্ন-র জন্য বেছে নিয়েছেন।

ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই খবর জানিয়ে টুইট করেছেন। মোদী লিখেছেন, “প্রণবদা আমাদের আমলের সেরা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি নিঃস্বার্থভাবে ও অক্লান্তভাবে দেশের সেবা করেছেন। দেশের বৃদ্ধিতে তিনি এক উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁর বুদ্ধিমত্তা ও জ্ঞানকে শ্রদ্ধা জানাতেই হয়। এমন একজন মানুষ ভারতরত্ন পাচ্ছেন জেনে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত”। প্রণব মুখোপাধ্যায় এর ভারতরত্ন পাবার খবরে খুশির ছোঁয়া কংগ্রেস শিবিরেও।

আরও পড়ুনঃ

কালামের নামে ছাত্রদের তৈরি হালকা উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে নজির ভারতের

কলেজে অধ্যাপক পিটিয়ে এগিয়ে বাংলার মুখে ফের চুনকালি দিল তৃণমূল

প্রথম রাষ্ট্রপতি হবার আগে প্রণব মুখোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ দশক ভারতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। ১৯৬৯ সালে তিনি প্রথমবার কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিস্বরূপ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালেও তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে কেন্দ্রীয় শিল্পোন্নয়ন উপমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম ক্যাবিনেটে যোগদান করেন।

১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালে ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তাঁকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর মধ্যে অন্যতমের শিরোপা দেওয়া হয়। কিছুদিনের জন্য তাঁকে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। এই সময় তিনি রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্রেস নামে নিজস্ব একটি দলও গঠন করেছিলেন। তবে ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে মিটমাট করে নেওয়ার পর এই দল নিয়ে তিনি আবার কংগ্রেসে যোগ দেন।

আরও পড়ুনঃ

পিটিটিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের

নেতাদের পর সিনেমার প্রয়োজক, চিটফান্ড দুর্নীতিতে গ্রেফতার শ্রীকান্ত মোহতা

পরবর্তীকালে পিভি নরসিমা রাও তাঁকে পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত করলে তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনের পুনরুজ্জীবন ঘটে। রাওয়ের মন্ত্রিসভায় পরে তিনি ক্যাবিনেট মন্ত্রীরূপেও যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯৫-৯৬ সালে তিনি রাওয়ের মন্ত্রিসভায় বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত হন।

প্রণব মুখোপাধ্যায় জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ শাখারও সভাপতি ছিলেন। ২০০৪ সালে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট কেন্দ্রে সরকার গঠন করে। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ রাজ্যসভার সদস্য হওয়ায়, প্রণব মুখোপাধ্যায় লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতার দায়িত্ব পান। উল্লেখ্য, এই বছরই তিনি প্রথমবার জঙ্গীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন।

প্রণব মুখোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে প্রতিরক্ষা, অর্থ, বিদেশ, রাজস্ব, জাহাজ-চলাচল, পরিবহন, যোগাযোগ এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের মতো একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণের বিরল কৃতিত্বের অধিকারী। তিনি সারা দেশের কংগ্রেস সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে গঠিত যথাক্রমে কংগ্রেস সংসদীয় দল ও কংগ্রেস বিধানসভা দলেরও প্রধান ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

জন্মদিনে নেতাজি সুভাষের মৃত্যুদিন নিয়ে ছেলেখেলা রাহুলের কংগ্রেসের

পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের বাইপাস সার্জারির সময় তদনীন্তন বিদেশমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় রাজনীতি বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করে ক্যাবিনেট পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।

মনমোহন সিংহের দ্বিতীয় সরকারে প্রণব মুখোপাধ্যায় পুনরায় অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ১৯৮০-এর দশকে তিনি এই মন্ত্রকেরই দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ২০০৯ সালের ৬ জুলাই তিনি সরকারের বার্ষিক বাজেট পেশ করেন। এই বাজেটে তিনি কয়েকটি কর সংস্কারের প্রস্তাব রেখেছিলেন। যেমন, ‘অস্বস্তিকর’ ফ্রিঞ্জ বেনেফিট ট্যাক্স ও কমোডিটিজ ট্র্যানজাকশান ট্যাক্সের অবলোপন ইত্যাদি।

আরও পড়ুনঃ

মোদীর মাস্টারস্ট্রোকে দেশ পেতে পারে প্রথম মহিলা বাঙালি সিবিআই প্রধান

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা

এছাড়া তিনি ঘোষণা করেন যে, অর্থমন্ত্রক শীঘ্রই গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স নামে একটি কর চালু করবে সরকার। তখন এই করের কাঠামোটির প্রশংসা করেন বিভিন্ন কর্পোরেট কর্মকর্তা ও অর্থনীতিবিদগণ। এছাড়াও তিনি কয়েকটি সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পে অর্থবরাদ্দ করেন ওই বাজেটেই।

এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান সুনিশ্চিতকরণ আইন, শিশুকন্যাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা ইত্যাদি। এছাড়াও অর্থবরাদ্দ করেন জাতীয় সড়ক উন্নয়ন কর্মসূচি, বিদ্যুদয়ন প্রকল্প, এবং জওহরলাল নেহেরু জাতীয় নগরোন্নয়ন মিশনের মতো পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্পগুলিতেও।

২০১২ সালে, তৎকালীন এনডিএ প্রার্থী ও লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মেঘালয়ের ভূমিপুত্র পিএন সাংমাকে ৭১ শতাংশের বেশি ভোটে হারিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে ইউপিএ প্রাথী প্রণব মুখার্জি নির্বাচিত হন। তিনিই হন প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ

রাজ্যের হাতে টাকা নেই বাজারে ধার, তারপরেও বিধায়কদের ভাতা বাড়ছে

পাহাড়ে মোর্চা বিজেপির সঙ্গেই, গোপন আস্তানা থেকে বার্তা বিমল গুরুংয়ের

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার কীর্ণাহার শহরের নিকটস্থ মিরাটি গ্রামে। তাঁর পিতার নাম কামদাকিঙ্কর মুখোপাধ্যায় ও মাতার নাম রাজলক্ষ্মী দেবী। বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী কামদাকিঙ্কর ১৯২০ সাল থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনকালে তিনি দশ বছর কারারুদ্ধ ছিলেন।

পরে কামদাকিঙ্কর অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধান পরিষদের সদস্য (১৯৫২-৬৪) হন। তিনি বীরভূম জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতির পদও অলংকৃত করেন। বাবার দেখানো পথ ধরেই জাতীয় কংগ্রেসের নেতা হয়ে দেশসেবার কাজে নিজেকে সঁপে দেন প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। ২০১২ তে হন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>