Football – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 16 Aug 2022 04:56:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Football – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘ফুটবলপ্রেমী দিবস’ আর ‘খেলা হবে দিবসে’, ভারতকে খেলার মাঠ থেকেই বের করে দিল ফিফা https://thenewsbangla.com/fifa-suspends-all-india-football-federation-due-to-third-party-interference/ Tue, 16 Aug 2022 04:55:37 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16127 ‘ফুটবলপ্রেমী দিবস’ আর ‘খেলা হবে দিবসে’, ভারতকে খেলার মাঠ থেকেই বের করে দিল ফিফা। লজ্জার অন্ধকারে ভারতীয় ফুটবল। ভারতকে নির্বাসিত করল ফিফা। ভারতের ফুটবল সংস্থা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনকে নির্বাসিত করল, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। ফিফার তরফে প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, AIFF-এ তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণেই এই নির্বাসন।

কয়েকমাস আগেই AIFF-এর সংবিধান সংশোধন করে, দ্রুত নির্বাচন করার জন্য ৩ সদস্যের প্রশাসক কমিটি গড়ে দিয়েছিল দেশের সুপ্রিম কোর্ট। স্বয়ংশাসিত ক্রীড়া সংস্থায়, এউভাবে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ফিফার নিয়মে আইনবিরুদ্ধ। তাই এই কমিটির হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে, কড়া সিদ্ধান্ত নিল ফিফা। চলতি বছরের ১১-৩০ অক্টোবর, ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ। ফিফার এই নির্বাসনের ফলে, সেই বিশ্বকাপও আপাতত স্থগিত থাকছে।

আরও পড়ুন; ‘ভারতীয় হিসেবে গর্বিত’, মোদীর ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ ডাকে সাড়া দিল ল’স্কর জ’ঙ্গি পরিবার

দেশের শীর্ষ আদালত নির্ধারিত কমিটি, ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের দ্রুত নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তৎপর হয়েছে। এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ২৮ আগস্ট তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যতদিন না সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটি সমস্ত নিয়ন্ত্রণ পুনরায় ফিরে পাচ্ছে, ততদিন ভারতের নির্বাসন বহাল থাকবে বলে ফিফার তরফে পরিস্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আগামীতে পরিস্থিতি কি হয়, সেই দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে ফিফা। সর্বভারতীয় ফেডারেশনকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি, ভারতের কাছ থেকে অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকারও কেড়ে নেওয়ার সতর্কতা আগেই দিয়েছিল ফিফা।

]]>
পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা https://thenewsbangla.com/the-whole-world-moves-but-africa-is-drowned-in-tantric-black-magic/ Tue, 09 Oct 2018 16:39:25 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=954 শান্তনু সরস্বতী, কলকাতা: বিশ্বের সেরা জাতীয় ফুটবল দলগুলির সঙ্গে ঠিক যেমন একদল চিকিৎসক থাকেন, আফ্রিকার দেশগুলির প্রতিটি ফুটবল দলের সঙ্গে ঠিক তেমনই থাকেন উইচ্ ডক্টর বা তান্ত্রিক। পুরো আফ্রিকান ফুটবলটাকেই গত পঞ্চাশ বছর ধরে শাসন করে চলেছে এই উইচ্ ডক্টররা। এ এক অদ্ভুত দুনিয়া, অবাক করা গল্প। যেখানে ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত দেশের মানুষ এই একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও, বিশ্বাস করেন যাদুমন্ত্রে। পড়ুন তিন খণ্ডের ‘অবিশ্বাস্য সত্যের’ প্রথম পর্ব।

Image Source: Google Image

আফ্রিকার আইভরি কোস্ট থেকে শুরু করে, বেনিন, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, কঙ্গোই বলুন, আরজাম্বিয়া, উগান্ডা, দক্ষিণ আফ্রিকা, এমন কি রজার মিল্লার দেশ ক্যামেরুনই বলুন, প্রায় নব্বই শতাংশ ফুটবল খেলিয়ে দেশ ভর করে চলেছে ডাইনি-বিদ্যা বা উইচক্রাফ্টের ওপরে।

এত ভালো ফুটবল খেলা সত্ত্বেও আফ্রিকান ফুটবলারদের ব্ল্যাক ম্যাজিকের শরণাপন্ন হতে হবে কেন? নাইজেরিয়ার একজন স্থানীয় কোচ মাউরো বাফাংগার মতে ব্যাপারটা প্রতিযোগিতা আর হিংসা থেকেই আসে। আফ্রিকার অনেক জায়গায় খেলাটাকে রীতিমত যুদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

Image Source: Google Image

ম্যাচ জেতার জন্য ফুটবলাররা যেকোনও কিছুই করতে পারে। তান্ত্রিকদের কাছে যাওয়ার কারণ এটাই। নিজের পারফরম্যান্সের উন্নতি, বিপক্ষদলের খেলোয়াড়দের ঠিকভাবে খেলতে না দেওয়া কিংবা ইনজুরিতে ফেলা। কখনও কখনও কোন প্লেয়ারের সাথে শত্রুতা থাকলে তার ভয়ংকর ক্ষতি করার চেষ্টা, এমনকি মেরে ফেলারও চেষ্টাও খুব স্বাভাবিক এদের কাছে।

বিপক্ষ দলের সেরা প্লেয়ার বা প্রমিজিং প্লেয়াররাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেটার শিকার হয়। খেলোয়াড়দের জাদু থেকে সুরক্ষা,আর বিপক্ষ দলের উপর এর প্রয়োগ করার জন্যই তান্ত্রিকদের মোটা অংকের বেতন দিয়ে রাখা হয় আফ্রিকার স্থানীয় দলগুলোতে। দলের ফুটবলারদের চাইতেও বড় ভরসা এই তান্ত্রিকরা।

Image Source: Google Image

তান্ত্রিকদের প্রভাবটা ঠিক কেমন? নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক সাংবাদিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, নাইজেরিয়ার এক গোলরক্ষক জানায়, ” ব্যাপারটা ভয়ংকর” বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে দূর্বল শট নেয়। সেটা আটকানো আমার জন্য কোনও ব্যাপার ছিলো না। কিন্তু শট নেয়ার পরপরই আমি দেখি বল নয়, বরং অনেকগুলো সূচালো বর্শা আমার দিকে ছুটে আসছে। জীবন বাঁচানোর জন্য আমি মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যাই ও জ্ঞান হারাই”।

নাইজেরিয়ার জাতীয় লিগে খেলা এক স্ট্রাইকারও অভিযোগ করে কিছু কিছু ম্যাচে গোলের সুযোগ আসলেই তার পা অবশ হয়ে যাচ্ছিলো। কোনও মতেই সে পা নাড়াতে পারছিলো না।

ব্ল্যাক ম্যাজিক অ্যান্ড ফুটবল প্রবন্ধে সাংবাদিক ডেনিস ম্যাচিও লেখেন,২০১৫ সালের আগস্ট মাসে ডায়নামো অবদৌলা ক্লাবের ২৬ বছর বয়সী স্ট্রাইকার লিপোল্ড এ্যাংগং ওবেন খেলার মাঠেই মারা যায়। এর ঠিক কয়েকদিন পরেই ওই একই দলের গোলরক্ষক ফার্দিনান্দ বোগ মারা যায় হঠাৎই ।

পোস্টমর্টেমে মৃত্যুর কারণ হিসাবে, “অজানা অসুখ” লেখা হলেও ফুটবলপ্রেমী নাইজেরিয়ানদের বদ্ধমূল ধারণা, লিপোল্ড এবং ফার্দিনান্দের মৃত্যুর কারণ প্রতিপক্ষ দলের উইচ্ ডক্টর বা ডাক্তার তান্ত্রিক।

১৯৮০ সালে আফ্রিকান নেশনস্ কাপে সিয়েরা লিওনের মুখোমুখি হয় গাম্বিয়া। গাম্বিয়ার কোচ ছিলেন ইউরোপ থেকে আগত হোলগার ওবারম্যান। মাঠে প্রবেশ করার সময়ই ঘটে আজব এক ঘটনা। স্টেডিয়ামের মূল প্রবেশদ্বারের মুখে সবুজ রঙের কিছু পাউডার দিয়ে আজব কিছু নকশা আঁকা ছিলো।

Image Source: Google Image

নকশাগুলো দেখে প্লেয়াররা ভয়ে কাঁপতে থাকে এবং মাঠে ঢুকতে অস্বীকার করে। কোচকে জানায়, পথটা কালো জাদু করা, আর এর মধ্যে যে পা ফেলবে তার ভয়ংকর ক্ষতি হবে।খেলোয়াড়েরা বিদ্রোহ করে, এবং ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

জাদুতে বিশ্বাস না করা ওবারম্যান তখন সব প্লেয়ারকে বাসে উঠিয়ে ড্রাইভিং সিটে নিজে বসে পুরো বাসটাই প্রবেশপথ দিয়ে সজোরে চালিয়ে নেন। শেষপর্যন্ত খেলা শুরুর মাত্র দুই মিনিট আগে গাম্বিয়া দল মাঠে প্রবেশ করে।

চলবে ‘অবিশ্বাস্য সত্য’ দ্বিতীয় পর্বেও। পড়তে থাকুন ‘The News বাংলা’ ফেসবুক পেজ।
দ্বিতীয় পর্ব পড়ুনঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>
টুটু বসুর বাঙাল প্রীতিতে বিপাকে সবুজমেরুন সমর্থককূল https://thenewsbangla.com/after-tutu-boses-comment-on-bangal-mohunbagan-fans-are-in-awkward-situation/ Tue, 09 Oct 2018 11:38:01 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=932 শান্তনু সরস্বতী, কলকাতা: পিতৃতর্পণের দিনে ক্লাবের সর্বেসর্বা, সদ্য নির্বাচিত সচিব স্বপনসাধন বসু বা টুটু বসুর বাঙালবন্দনায় বেশ বিপাকে গঙ্গাপাড়ের মোহনবাগান ক্লাবের সমর্থকরা।

মহালয়ার দিন নিজের দলের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোহনবাগান সচিব বলেন, “ঘটিরা অলস জাতি। নিজেদের পূর্বপুরুষের দাক্ষিণ্যে কলকাতা শহরে দুই-তিনটে বাড়ির মালিক হয়ে যাওয়ায় ঘটিরা আর বাঙাল জাতির মতো পরিশ্রমী নয়। বসে খেতে ভাল বাসে। লড়াই করার সৎসাহসটুকুও নেই তাঁদের মধ্যে। বাঙালরা জানে কী ভাবে নিজেদের অধিকার রক্ষা করতে হয়”।

টুটুবাবু আরও বলেন যে, “বাঙালরাই জানে কী ভাবে নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে তা আদায় করে নিতে হয়। বাঙালদের জাত্যাভিমান প্রশংসনীয়। ওদের দেখে ঘটিদের শেখা উচিত”।

ক্লাবের সদ্য নির্বাচিত সচিবের এমন বাঙাল-বন্দনায় একরকম বিপাকেই পড়ে গিয়েছে মোহনবাগান সমর্থককূল। একে স্পনসর সমস্যায় দীর্ণ মোহনবাগান অর্থাভাবে এখনও দুজন বিদেশির কোটা পূরণ করতে পারেনি, তার ওপর ক্লাব সচিবের এমন বক্তব্য একেবারে ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছে সবুজ মেরুন জার্সি প্রেমীদের।

Image Source: Google Image

সোস্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকজন মোহনবাগান সমর্থক তাঁদের ফেসবুক গ্রুপে ক্লাব সচিবের এমন বক্তব্যের নিন্দা করতেও ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য: “সামনে আই লিগ। একেতেই প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল কোয়েস কর্পের মতো কোম্পানিকে স্পনসর হিসেবে পেয়ে আমূল পরিবর্তন করে ফেলেছে দলের। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিটি বিদেশি ফুটবলার বেশ উচ্চমানের। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্তা ও রিয়েল মাদ্রিদ বি দলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার বোরখা গোমেজ পেরেজ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগান সমর্থকদের বক্তব্য, “প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল যখন মালয়েশিয়ায় গিয়ে অনুশীলন করছে, মোহনবাগান ক্লাব কর্তৃপক্ষ তখন ব্যস্ত নির্বাচন নিয়ে।এতে দলের ফুটবলারদের মনোভাব তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। তার ওপর ক্লাব সচিবের অমন বাঙাল-প্রেম ইস্টবেঙ্গলীদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে।”

কোনও কোনও ইস্টবেঙ্গল সমর্থক আবার বিষয়টিকে অন্য চোখে দেখছেন। এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক তাঁর ফেসবুক দেওয়ালে লিখেছেন, “টুটু বসু ঘটিদের, বাঙালদের মত হতে বলে শুধু মোহনবাগান সমর্থকদের ছোট করেননি, অনেক ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদেরও অপমান করেছেন। অনেক ঘটি কিংবা এদেশীয় মানুষ আছেন যাঁরা ইস্টবেঙ্গলকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। সমর্থন করেন। এটাও ভুলে গেলে চলবে না। সব ঘটিরা যেমন অলস নয়, আবার কিছু বাঙাল আছে যাঁরা মোহনবাগানের সমর্থক হওয়ার ফলে অলস।”

টুটু বসুর প্যানেল সদস্যরা অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁরা মনে করেন, আপামর ফুটবলপ্রেমী মানুষ জানেন, উনি ভীষণই আবেগপ্রবণ একজন মানুষ। সহজ কথা সহজে বলতে পারেন। সরল কথা সরলভাবেই আবেগের বশে বলে ফেলেন।

কাউকে আঘাত করা বা অপমানিত করা ওঁর উদ্দেশ্য নয়। ভারতীয় ফুটবলের স্বার্থে সকলের আগে যে বাঙালি এগিয়ে আসেন সব সময়, তাঁর নাম স্বপনসাধন বসু। আর আবেগ আছে বলেই এখনও ফুটবলকে ভালবাসেন উনি। আবেগছাড়া ফুটবলকে ভালবাসা যায় না কি !

তবে টুটু বসুর কথায় যে আপামর ‘বাঙাল’ ইস্টবেঙ্গল ফ্যানরা যে দারুন মজা পেয়েছেন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই সুযোগে বাগান ফ্যানদের পিছনে লাগার সুযোগও হাতছাড়া করছেন না তারা। হাতে যে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন স্বয়ং টুটু বসু।

]]>
আজব দেশের আজব কাহিনীতে ৩ বছরে মানুষের বয়স বাড়ল মাত্র ১ https://thenewsbangla.com/the-strange-story-of-a-strange-country-mans-age-has-increased-just-one-in-three-years/ Tue, 09 Oct 2018 06:51:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=899 বিশেষ রিপোর্ট, নিউ দিল্লি: এ যেন ভারতের শাহিদ আফ্রিদি ! বয়স আর বাড়ে না। ঝাড়খণ্ডের গৌরব মুখিকে বলা হচ্ছে ভারতের শাহিদ আফ্রিদি। তার বয়স বাড়ছে না, বরং দিন দিন কমছে !

৯০ এর দশকে একটা সময় ছিল, যখন পাকিস্তানের শাহিদ আফ্রিদির বয়স বাড়ত না। একটা সময় বেশ কয়েক বছর ১৮ বছর বয়সেই আটকে ছিলেন শাহিদ। প্রায় ৮-১০ বছর ধরে শোনা যেত, লেখাও হত যে, ১৮ বছরের শাহিদ আফ্রিদি। আফ্রিদি ভালো খেললেই হেডলাইন, ‘এত কম বয়সে এত হার্ড হিটিং কেউ করতে পারে নি’। একটা সময় খেলার মাঠে তো বটেই, খেলার বাইরেও আফ্রিদির বয়স নিয়ে রীতিমতো হাসিঠাট্টা হত।

Image Source: Google Image

কেন শাহিদ আফ্রিদির বয়স বাড়ে না ? একটা সময় খেলাধূলার খবরে এটাই ছিল শিরোনাম। পাকিস্তানের হ্যান্ডসাম ক্রিকেটারের জায়গাটা বর্তমানে নিজের দখলে নিয়েছেন ভারতের ঝাড়খণ্ডের ফুটবল খেলোয়াড় গৌরব মুখি। গত ৩-৪ বছর ধরে তারও বয়স বাড়ে নি, বরং কমেছে। আজব ব্যপারটা নিয়ে এখন হইচই ভারতীয় ফুটবল মহলে।

২০১৪-১৫ সাল থেকে ২০১৮ এর অক্টোবরে এসেও গৌরবের বয়স বেড়েছে মাত্র ১। মাঝেই মাঝেই তার বয়স কমেও যায় ! ৩ বছর আগে ২০১৫ তে জাতীয় যুব ফুটবলে ঝাড়খন্ডকে নেতৃত্ব দিয়ে চ্যাম্পিয়ন করে ১৫ বছরের গৌরব মুখি। জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের খাতায় ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের পাতায়, ১৫ বছরের গৌরবের বেশ প্রশংসাই করা হয়েছিল সেই সময়।

আর এটা ২০১৮ সালের অক্টোবর। প্রথমবার ISL এ খেলে উদ্বোধনী ম্যাচেই ঝাড়খণ্ডের হয়ে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে গোল করে সেই গৌরব। ঝাড়খন্ড-বেঙ্গালুরু ২-২ গোলে ড্রর ম্যাচে। আর তারপরেই আই এস এলের পৃষ্ঠপোষক রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড সাড়ম্বরে ঘোষণা করে দিল, ১৬ বছর বয়সী গৌরব মুখিই ISL এর সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় ও গোলকারী।

ঘোষণা শুনেই চক্ষু চড়কগাছ ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের। অবাক সংবাদমহলও। গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়। ১৬ বছরের সবচেয়ে কমবয়সী গোলকারী নিয়ে হইচই এর মাঝেই জানা যায় আরও এক খবর। ২০১৭ সালেই অনুর্দ্ধ ১৭ বিশ্বকাপের জন্য ভারতীয় দলে ডাক পায় এই গৌরব। কিন্তু বয়স ভাঁড়ানোর জন্য তাকে ও ঝাড়খণ্ডের আরও ৪ খেলোয়াড়কে বাদ দেয় ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।

Image Source: Google Image

শুধু তাই নয়, বয়স ভাঁড়িয়ে খেলার জন্য গৌরব মুখি সহ ঝাড়খণ্ডের ৫ জন ফুটবলারকে ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। জাতীয় ফুটবল খেতাব কেড়ে নেওয়া হয় ঝাড়খণ্ডের কাছ থেকে। ঝাড়খন্ড ফুটবল ফেডারেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়।

২০১৭ তে যাকে বয়স ভাঁড়ানোর জন্য অনুর্দ্ধ ১৭ র বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে বাদ দেয় ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন, তাকেই রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১৬ বছর বয়সী ISL এর সবচেয়ে কম বয়সী গোলকারী বানিয়ে দিল ২০১৮ সালের শেষে এসে !

এই নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন ঝাড়খন্ড ফুটবল ফেডারেশন। ঝাড়খন্ড ফুটবল ফেডারেশনের সম্পাদক গুলাম রাব্বানি জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে এই নিয়ে কোন রেকর্ড নেই। ফেডারেশনের সম্পাদক যখন জানাচ্ছেন, খাতায় কলামে ২০১৫ তে গৌরব মুখির বয়স ছিল ১৫ বছর, সেই হিসাবে এখন তার বয়স হওয়া উচিত ১৮ বছর। তখনই মাঠে ঘোষণা হচ্ছে, ১৬ বছরের গৌরবই আই এস এলের সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় ও গোলকারী। যা শুনে গুলাম রাব্বানি মুচকি হেসে বললেন, ‘পাতা নেহি’ !

এই নিয়ে মুখ খুলতে চান নি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন কর্তারা। তবে, এতে অবাক হবার কিছুই নেই। ভারতীয় ফুটবলে বহুদিন থেকেই অনেক কিছুই ‘পাতা নেহি’। আর আই এস এলের যদি শুধুই ঢাক পেটানো হয়, তাহলে তাতে ভারতীয় ফুটবলের কতটা উন্নতি হবে সেটাই এখন প্রশ্ন।

]]>