Fani – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 17 Jun 2019 15:12:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Fani – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 জগন্নাথের স্নানযাত্রা, ১০৮ কলসি জলে স্নানের পর ধুম জ্বরে জগন্নাথ https://thenewsbangla.com/snan-purnima-ritual-held-in-puri-jagannath-temple-gorgeously-after-fani-cyclone/ Mon, 17 Jun 2019 13:22:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13987 ফনীর বিধ্বংসী ধাক্কা; এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি পুরী। তবুও উৎসবের সময় আবার পুরান মেজাজে পুরী; সেজে উঠছে জগন্নাথ। আর কয়েকদিন পরেই শুরু হবে রথযাত্রার অনুষ্ঠান। তার আগে সোমবার; জগনাথের স্নানযাত্রায় মেতে উঠেছে পুরী।

জ্যৈষ্ঠের পূর্ণিমা তিথিতে; স্বয়ং মনুর যজ্ঞে প্রসন্ন হয়ে জগন্নাথের মর্তে আবির্ভাব ঘটে। মনুর নির্দেশেই এই তিথিকেই জগন্নাথের জন্মতিথি হিসাবে পালন করা হয়। সেই উপলক্ষ্যেই এই বিশেষ স্নানযাত্রা পালিত হয়ে আসছে।

আরও পড়ুনঃ হাসপাতাল আন্দোলনের মাঝেই জন্ম নিল আর এক ছোট্ট আন্দোলন

জগন্নাথের ভক্তদের কাছে এটা গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। ভক্তদের বিশ্বাস; সকল পাপ থেকে মুক্তির রাস্তা স্নানযাত্রার দিন জগন্নাথদেব দর্শন। এই জন্য স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে পুরীর মন্দির দর্শনে যান বহু ভক্ত। স্কন্দপুরাণম্ অনুযায়ী; পুরীর মন্দিরে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার পরেই প্রথম বার রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন।

মহাস্নানের আগে অবধি রত্নবেদীতেই থাকেন জগন্নাথ। স্নানযাত্রার আগের দিন জগন্নাথ; বলভদ্র; সুভদ্রা; সুদর্শন চক্র ও মদনমোহনের বিগ্রহের একটি বিশাল শোভাযাত্রা; মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে বার করে স্নানবেদীতে এনে রাখা হয়। ভক্তেরা এই সময় জগন্নাথকে দর্শন করতে আসেন।

আরও পড়ুনঃ জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি তুললেই পরিবহকে দেখতে যাবেন মমতা

স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে স্নান করানো হয়। আরতী ও সূর্যপুজোর পর তিনজনকে মহাস্নানের জন্য প্রস্তুত করা হয়। মন্দিরের দক্ষিণের কুয়োর জলে এই স্নান হয়। ১০৮ কলসি জলে স্নান করেন জগন্নাথ। এই মহাস্নানে ব্যবহার হয় সোনার কলসি।

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী; এই স্নানের পর প্রচণ্ড জ্বরে পরেন জগন্নাথ। এরপর তাঁকে রাজবৈদ্যের চিকিৎসাধীনে গোপনে রাখা হয়। অসুস্থতার এই পর্যায়টি ‘অনসর’ নামে পরিচিত। এই সময় ভক্তেরা দেবতার দর্শন পান না।

আরও পড়ুনঃ সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তায় নোডাল অফিসার ও কোলাপসিবেল গেট

তাঁদের দর্শনের জন্য বিগ্রহের পরিবর্তে মূল মন্দিরে থাকে তিনটি পটচিত্র। ভক্তেরা বিশ্বাস করেন; অনসর পর্যায়ে জগন্নাথ অলরনাথ রূপে অবস্থান করেন। কথিত আছে; রাজবৈদ্যের আয়ুর্বৈদিক ‘পাঁচন’ খেয়ে এক পক্ষকালের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। সুস্থ হয়ে উঠে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা রাজবেশে রথযাত্রা করে মাসির বাড়ি যান।

]]>
প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না, তাই ফনী নিয়ে মোদীকে তথ্য দিতে নারাজ মমতা https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-is-not-accepted-narendra-modi-as-prime-minister-of-india/ Wed, 08 May 2019 10:04:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12584 প্রধানমন্ত্রীকেই মানেন না; তাই ফনী নিয়ে মোদীকে তথ্য দিতে নারাজ মমতা। বারবার কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের কাছে ফণী ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তথ্য চাইলেও; সেই তথ্য দিতে রাজি নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

ফনী এখন অতীত। কিন্তু ফনীকে কেন্দ্র করে; রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমবর্ধমান। ভোটপ্রচার এর ময়দান ছাড়িয়ে; মোদী মমতা তরজা এখন প্রশাসনিক কাজেও। উত্তাপের পারদ চড়েছে কয়েক গুন। ফনী বিদায় নিলেও ফনীর ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত তথ্য; কেন্দ্রকে জানাতে নারাজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীকে থাপ্পড় মন্তব্যের জের, মমতাকে সংযত হবার বার্তা সুষমার

ফনী মোকাবেলায় দুর্যোগ শুরুর আগেই; প্রাথমিকভাবে ফনী প্রভাবিত রাজ্য অন্ধ্র, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র সরকার। অভিযোগ, দুর্যোগ সম্পর্কে জানার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ না করে; রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সাথে যোগাযোগ করা হয় কেন্দ্রের তরফে। আর তাই অপমানিত হয়ে; কেন্দ্রকে ফনী সংক্রান্ত তথ্য দিতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা পুলিশের নতুন উদ্যোগ, ভাল রেজাল্ট করায় বাবার বসের চেয়ারে একদিন

গতকাল সোমবার গোপীবল্লভপুরের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন; তিনি এই প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না। আরও একবার মোদীকে; এক্সপায়ারি প্রধানমন্ত্রী বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই ভোটে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে; তাকেই ফনীর রিপোর্ট দেবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ চৌকিদার চোর, ক্ষমা চাওয়ার হ্যাটট্রিক করলেন রাহুল, ভোটের মধ্যেই চরম লজ্জায় কংগ্রেস

গতকাল একই সঙ্গে হলদিয়া ও ঝাড়গ্রামে; প্রধানমন্ত্রীর জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় নরেন্দ্র মোদী বলেন; তাঁর তরফে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দু বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রের সঙ্গে; অসহযোগিতার অভিযোগে সরব হন মোদী।

রাজ্যের অভিযোগের পর পিএমও থেকে; আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে; কেন্দ্রের তরফে রাজ্যের সাথে যোগাযোগ করা হলেও রাজ্য তাতে সায় দেয়নি। বাধ্য হয়েই রাজ্যপালের সাথে যোগাযোগ করা হয়। আর এই নিয়েই এখন সরগরম দেশ ও রাজ্যের রাজনীতি। কে সত্যি বলছেন? মমতা না মোদী? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন; যার উত্তর কোনদিন পাওয়া যাবে না।

]]>
ফণীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর ডাকা বৈঠক বাতিল করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-canceled-meeting-with-narendra-modi-regarding-fani/ Mon, 06 May 2019 07:53:48 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12465 ফণীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মোদীর ডাকা বৈঠকে যাবেন না; মমতা বা রাজ্য সরকারের কোন আমলা। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। মুখ্যমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অন্যান্য আমলাদের নিয়ে বৈঠক; করার মোদীর সিদ্ধান্তকেই বাতিল করে দিল মা মাটি মানুষের সরকার; গোপীবল্লভপুরে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন স্বয়ং মমতাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফণী নিয়েও রাজনীতি করছেন; দাবী বিজেপির।

সাইক্লোন ক্ষতিগ্রস্থ পরিস্থিতি নিয়ে ওড়িশা সরকারের সঙ্গে গতকালই আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার কলাইকুণ্ডায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে ফণী নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু নির্বাচনের কাজে সরকারি আমলারা ব্যস্ত; বলে এই বৈঠক বাতিল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

আরও পড়ুনঃ রমজানে ভোটের সময় পরিবর্তনের দাবিকে নস্যাৎ নির্বাচন কমিশনের

সোমবার তমলুকে নির্বাচনী জনসভায়; নরেন্দ্র মোদী সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলেন মমতার দিকেই। বিজেপি অভিযোগ; রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে; ভোটের কারণে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে থাকতে পারবেন না রাজ্য সরকারের কোন প্রতিনিধি। বলাই যায়; ফণী পরবর্তী সময়েও রাজ্য বনাম কেন্দ্র সংঘাত শুরু হল।

যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে; ফণী ঘুর্ণী ঝড়ে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে জানতে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে একবারও ফোন করার সৌজন্য দেখাননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ ব্যারাকপুরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে মারপিটে মুখ ফাটল বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের

রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে; কলাইকুণ্ডায় আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন মোদী। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে; ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন আধিকারিকরা। তাই বৈঠক সম্ভব নয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে; ভোটের মধ্যে মোদীর সঙ্গে যুদ্ধের মেজাজ ধরে রাখতেই এই বৈঠক এড়াল রাজ্য।

আরও পড়ুনঃ একেই বলে একাই একশো, ১০০ ভোট দিলেন তৃণমূল নেতা মহারাজা নাগ

রাজ্য সরকারের এই অভিযোগের পরই; প্রধানমন্ত্রী দফতরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়; তারা দুবার নবান্নে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে চান। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তারপরই বাংলার রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলে; ফণী পরবর্তী অবস্থায় খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার রাজ্যে দুটি জায়গাতে নির্বাচনী জনসভা করবেন মোদী। তমলুকে এই জনসভা থেকেই মমতাকে ফণী নিয়েও তোপ দাগেন মোদী। বললেন, মমতা অহঙ্কার রাজ্যের মানুষকে ফণীর ক্ষতি থেকেও মুক্তি দিল না।

]]>
ঘূর্ণিঝড় ফণীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে, সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/cm-mamata-banerjee-led-from-the-front-to-fight-against-cyclone-fani/ Sat, 04 May 2019 06:23:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12314 শুধু বাংলা কেন; ভারতের কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কখনও এই জিনিসটা করেছেন কিনা জানা নেই। পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে; নেতৃত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন ভোট প্রচার বন্ধ রেখে; মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।

খড়গপুরের উপকূলবর্তী এলাকায় গিয়ে; গত ২ দিন থেকে নিজে ফণীর পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষকে উদ্বেগ না-করে; সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ৪৮ ঘণ্টার জন্য যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মসুচি তিনি বাতিল করেছেন। আর এতেই মুগ্ধ রাজ্যবাসী।

আরও পড়ুনঃ কলকাতাকে ফণীর হাত থেকে বাঁচাল কলকাতা নিজেই, রহস্য গরম

টুইটারে মমতা জানিয়েছিলেন, দুর্যোগের পরিস্থিতিতে সব কর্মসুচি তিনি বাতিল করেছেন। খোলা হয়েছে ২৪*৭ মনিটরিং সেল। খড়গপুরে থেকে নিজে মনিটরিং করছেন তিনি। প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যাবতীয় ব্যবস্থা; নিয়ে প্রস্তুত থেকে সামনে থেকে লড়াইটা করলেন তিনি। আগে কোনদিন কোন মুখ্যমন্ত্রীকে; স্পটে গিয়ে সামনা সামনি লড়াই করতে দেখা যায়নি।

ফণীর আতঙ্কে কলকাতার মানুষ; নিজেদের ঘরবন্দি করে ফেলেছিলেন। তবে তখনই বিনিদ্র রজনী কাটালেন; কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শুক্রবার সারারাত পুরসভার দফতরে বসে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখলেন তিনি। সেইসঙ্গে দুর্যোগ মাথায় নিয়ে শহরের একপ্রাপ্ত থেকে অন্যপ্রান্ত ছুটে বেড়ালেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় গতিহারা ফণী, হুগলি, বর্ধমান নদিয়া হয়ে ভোরে প্রবেশ করল বাংলাদেশে

খতিয়ে দেখলেন প্রশাসনিক প্রস্তুতি। শেষ পর্যন্ত কলকাতার দূর থেকেই ফনী বর্ধমান হয়ে বাংলাদেশে চলে যাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে প্রশাসন। মেয়রের এই তৎপরতা অব্যহত ছিল মধ্যরাতেও। একের পর এক বোরো অফিসে ছুটে বেড়ান তিনি। সবকিছু ঠিকঠাক আছে কি না; সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে পৌঁছে যান পুরসভা ভবনে। সেখান থেকে খোঁজখবর নিতে থাকেন সারারাত ধরেই।

এমনকি সাধারণ মানুষ কোনও সমস্যায় পড়লে; সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিজের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দিয়েছিলেন মেয়র। হোয়াটসঅ্যাপে কী খবর আসছে; প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছিলেন তিনি। এর মধ্যেই অনেক রাতে খড়গপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; বেশ কয়েকবার শহরের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন বলে স্বয়ং মেয়র জানিয়েছেন। মেয়রের সঙ্গে কাঁধে কাধ মিলিয়ে সারারাত লড়লেন; বোরো চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলাররাও।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ছাদে ফুটবলটি এখন ফণীর খবর দিচ্ছে

মমতা ও মেয়রের এই রাতজাগা লড়াইয়ে মুগ্ধ বাংলা। বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে ঝড়ের মনিটরিং করার উদ্যোগ নিয়ে; মুখ্যমন্ত্রী অসাধারণ দৃষ্টান্তস্থাপন করলেন বলেই মনে করছে বাংলার আমজনতা।

]]>
কলকাতাকে ফণীর হাত থেকে বাঁচাল কলকাতা নিজেই, রহস্য গরম https://thenewsbangla.com/fani-cyclone-do-not-enter-kolkata-but-who-protected-kolkata-from-fani/ Sat, 04 May 2019 04:37:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12308 রক্ষা পেল বাংলা। রক্ষা পেল কলকাতা। বাংলায় গতিহারা ফণী। হুগলি; বর্ধমান; নদিয়া হয়ে ভোরে প্রবেশ করল বাংলাদেশে। আর ফণী ঢুকলই না কলকাতায়।

দক্ষিনবঙ্গে যতটা গতিবেগ থাকার কথা ছিল; তা না থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে গেল। তবে রাতভর চলল বৃষ্টি। দুপুর পর্যন্ত দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলিতে; বৃষ্টি চলবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আর কলকাতায় ঢুকলই না ফণী। কিন্তু কেন? কেন কলকাতায় ঢুকল না?

আরও পড়ুনঃ বাংলায় গতিহারা ফণী, হুগলি, বর্ধমান নদিয়া হয়ে ভোরে প্রবেশ করল বাংলাদেশে

আবহাওয়াবিদরা বলছেন; রাতেও এতটা হিট বা গরম ছাড়ে শহর কলকাতা যে সেটা একটা ঘূর্ণিঝড়কেও তার পথ থেকে সরিয়ে দিতে পারে। আর সেটাই হয়েছে ফণীর ক্ষেত্রে। রাত ৯ টার পরেও এতটা হিট ছাড়ে শহর কলকাতা; যে সেটা ফণীর গতিপথকেই পাল্টে দেয়। কলকাতার কানের পাশ দিয়ে খড়গপুর; হুগলী; পূর্ব বর্ধমান ও নদিয়া হয়ে বাংলাদেশ যায় ঘূর্ণিঝড় ফণী

রাতে বাংলায় ঢুকেই চুপসে যায়; ফণীর ফণা। আর কোন বিপদের আশঙ্কা নেই। নাক ঘেঁষে বেড়িয়ে যায় কলকাতারও। আশঙ্কা অনুসারে দক্ষিণবঙ্গে তেমন প্রভাব ফেলল না ঘূর্ণিঝড়টি। তবে রাতভর বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া চলেছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। আর কলকাতার ত্রিসীমানায় ঢোকেনি ফণী

কলকাতার গরম; দূষণ যা মানুষের সুস্থভাবে বাঁচার পথে প্রধান বাধা; এযাত্রায় বাঁচিয়ে দিল ফণীর হাত থেকে। শাপে বরই হল কলকাতার এমনটাই বলছেন আবহবিদরা। রাতেও কলকাতা এতটা হিট ছাড়ে তাতেই ফণীর গতিপথ সরিয়ে দেয়। কলকাতার আয়তন ২১৬ বর্গ কিলোমিটার; কিন্তু হিট ছাড়ে ৮৩২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সমান। দক্ষিণবঙ্গও প্রচুর হিট ছাড়ে। ফলে ক্ষমতা কমিয়ে দেয় ঘূর্ণিঝড় ফণীর। পাল্টে দিল গতিপথ।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ছাদে ফুটবলটি এখন ফণীর খবর দিচ্ছে

শুক্রবার রাত ১ টার পর; পশ্চিম মেদিনীপুর দিয়ে কলকাতাকে এড়িয়ে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড় ফণী। তবে ততক্ষণে বেশ শক্তি হারায় ফণী। ঘূর্ণিঝড়ের সব থেকে বেশি প্রভাব পড়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেখান থেকে ঝড়টি হুগলি; পূর্ব বর্ধমান হয়ে নদিয়ায় প্রবেশ করে। ভোরে বাংলাদেশে ঢুকে যায় ঝড়ের কেন্দ্রটি

ফণীর জেরে সারা রাত নাগাড়ে বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ এর সব জেলা জুড়ে। বৃষ্টি হয়েছে ২ মেদিনীপুর; হাওড়া; হুগলি; কলকাতা; পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান; পুরুলিয়া; বাঁকুড়া; বীরভূম; নদিয়া ও দুই ২৪ পরগনায়।

আরও পড়ুনঃ ফনী মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্রিম বরাদ্দ ১০০০ কোটি টাকা

ফণীর প্রভাবে দিঘা; মন্দারমণি-সহ গোটা উপকূলজুড়ে প্রবল জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। ঝড়ের দাপট দেখা গিয়েছে সুন্দরবন; কাকদ্বীপ; বকখালি; হলদিয়ার মতো নদী তীরবর্তী এলাকাগুলিতে।

দুই বর্ধমানে; বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমানে ও নদিয়ায় তুমুল ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। তবে যেটা ভাবা গিয়েছিল; সেই ঝড়ের গতিবেগ রয়েছে অনেক কম। বিকেলের মধ্যেই সব দুর্যোগ কেটে যাবে; জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বলা যায় এযাত্রায় রক্ষা পেল বাংলা। আর বাংলায় ঢুকেই নির্বিষ হয়ে গেল ফণী

তবে এযাত্রায় কলকাতাকে বাঁচাল শুধুমাত্র কলকাতাই। শাপে বর হল কলকাতার। কলকাতার গরম; দূষণ যা মানুষের সুস্থভাবে বাঁচার পথে প্রধান বাধা; বাঁচিয়ে দিল ফণীর হাত থেকে।

]]>
বাংলায় গতিহারা ফণী, হুগলি, বর্ধমান নদিয়া হয়ে ভোরে প্রবেশ করল বাংলাদেশে https://thenewsbangla.com/cyclone-fani-looses-strength-after-enters-west-bengal-goes-to-bangladesh/ Sat, 04 May 2019 03:10:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12303 রক্ষা পেল বাংলা। বাংলায় গতিহারা ফণী। হুগলি; বর্ধমান; নদিয়া হয়ে ভোরে প্রবেশ করল বাংলাদেশে। দক্ষিনবঙ্গে যতটা গতিবেগ থাকার কথা ছিল; তা না থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে গেল। তবে রাতভর চলল বৃষ্টি। দুপুর পর্যন্ত দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলিতে; বৃষ্টি চলবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

বাংলায় ঢুকেই চুপসে গেল; ফণীর ফণা। আর কোন বিপদের আশঙ্কা নেই। নাক ঘেঁষে বেড়িয়ে গেল কলকাতারও। কলকাতাকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঘূর্ণিঝড় ফণী। আশঙ্কা অনুসারে দক্ষিণবঙ্গে তেমন প্রভাব ফেলল না ঘূর্ণিঝড়টি। তবে রাতভর বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া চলেছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ছাদে ফুটবলটি এখন ফণীর খবর দিচ্ছে

শুক্রবার রাত ১ টার পর; পশ্চিম মেদিনীপুর দিয়ে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড় ফণী। তবে ততক্ষণে বেশ শক্তি হারায় ফণী। ঘূর্ণিঝড়ের সব থেকে বেশি প্রভাব পড়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেখান থেকে ঝড়টি হুগলি; পূর্ব বর্ধমান হয়ে নদিয়ায় প্রবেশ করে। ভোরে বাংলাদেশে ঢুকে যায় ঝড়ের কেন্দ্রটি

ফণীর জেরে সারা রাত নাগাড়ে বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ এর সব জেলা জুড়ে। বৃষ্টি হয়েছে ২ মেদিনীপুর; হাওড়া; হুগলি; কলকাতা; পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান; পুরুলিয়া; বাঁকুড়া; বীরভূম; নদিয়া ও দুই ২৪ পরগনায়।

আরও পড়ুনঃ ফনী মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্রিম বরাদ্দ ১০০০ কোটি টাকা

ফণীর প্রভাবে দিঘা; মন্দারমণি-সহ গোটা উপকূলজুড়ে প্রবল জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। ঝড়ের দাপট দেখা গিয়েছে সুন্দরবন; কাকদ্বীপ; বকখালি; হলদিয়ার মতো নদী তীরবর্তী এলাকাগুলিতে।

দুই বর্ধমানে; বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমানে ও নদিয়ায় তুমুল ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। তবে যেটা ভাবা গিয়েছিল; সেই ঝড়ের গতিবেগ রয়েছে অনেক কম। বিকেলের মধ্যেই সব দুর্যোগ কেটে যাবে; জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বলা যায় এযাত্রায় রক্ষা পেল বাংলা। আর বাংলায় ঢুকেই নির্বিষ হয়ে গেল ফণী

]]>
কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ছাদে ফুটবলটি এখন ফণীর খবর দিচ্ছে https://thenewsbangla.com/radar-in-football-is-now-reporting-about-fani-in-new-secretariat-building/ Fri, 03 May 2019 16:49:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12286 বলুন তো কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ছাদে ফুটবলটি ঠিক কি? জলের ট্যাঙ্ক? না একদমই নয়। এটি আসলে একটি শক্তিশালী রাডার সুরক্ষাকবচ। বলটির নাম র‍্যাডম বা Radome। কি কাজ করে এই র‍্যাডম বা Radome?

কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিং-এর ছাদে যে মস্ত বড় সিগনেচার ফুটবলটি বসানো আছে; বহুদূর থেকে যা দেখে মানুষ পথনির্দেশ পায়; সেই বলটির নাম র‍্যাডম বা Radome। এটি আসলে একটি সুরক্ষা আবরণ; যার মধ্যে রাখা একটি ২৪ ফুট ব্যাসের প্যারাবলিক ডিশ এন্টেনাকে বাইরের রোদ; জল; ধুলো; ঝড় ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।

আরও পড়ুনঃ ফনী মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্রিম বরাদ্দ ১০০০ কোটি টাকা

এই ডিশ এন্টেনাটি আলিপুর আবহাওয়া অফিসের; ডপলার RADAR এর সাথে যুক্ত। এন্টেনাটি সদা সর্বদা ৩৬০ ডিগ্রিতে ঘুরে চলেছে। দুরাগত মেঘের ঘনত্ব; গতি ও উচ্চতার হদিশ করে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গের মাধ্যমে আবহাওয়া অফিসে জানিয়ে চলেছে।

২০০২ সালে জার্মানি থেকে ২০ কোটি টাকায় কেনা যন্ত্রটির কাজ হলো কলকাতা ও সন্নিহিত অঞ্চলে কখন; কতক্ষণ ও কতটা বৃষ্টিপাত হবে তা নির্ভুলভাবে জানানো। এখন এটি ফণীর সব খবর দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ফনীর ঝোড়ো হাওয়ায় উড়ে গেল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ধ্বজা

শহর থেকে শত শত মাইল দূরে কোথাও মেঘ সৃষ্টি হলেই এই যন্ত্র তা বুঝতে পারে। সেই মেঘ কি হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে; কি গতিতে শহরের দিকে আসছে এবং তার কতটুকু অংশ বৃষ্টি হয়ে নামবে; এসব তথ্য নিখুঁতভাবে বলে দেয়।

প্লাস্টিক এক্সট্রুশন র‍্যাডম বা Radome; ইউভি প্রতিরোধী প্লাস্টিকের উপাদান দ্বারা তৈরি করা হয় যা আবহাওয়া থেকে এন্টেনা সিস্টেমকে রক্ষা করে। এটির হালকা ওজন এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংক্রমণের জন্য চমৎকার। এটা রাসায়নিক এবং আগুন প্রতিরোধী। এই প্লাস্টিক র‍্যাডম বা Radome ব্যাপকভাবে যোগাযোগ; আবহাওয়া এবং মহাকাশ ক্ষেত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ অবাস্তব ঘটনা বাস্তবে, ফণীর দাপটে লোহার চেন দিয়ে ট্রেন বেঁধে রাখল রেল কর্তৃপক্ষ

আলিপুর আবহাওয়া দফতরে র‍্যাডম বা Radome লাগান; এরকম বেশ কয়েকটি রেডার কাজ করছে। তবে সবচেয়ে পুরনো যেটি সেটি বসানো আছে কলকাতায় নিউ সেক্রেটারিয়েট অফিস বিল্ডিংয়ের উপর। এই রেডারের সাহায্যে মেঘের গতিবিধি; কালবৈশাখী; ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস সংগ্রহ করে হাওয়া অফিস।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে; নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের উপর যে রেডারটি রয়েছে; মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত এলাকা এটির আওতায় চলে আসে৷ এখন এই রাডার ও এই Radome ভারী ব্যস্ত। ফণী এসেছে যে।

]]>
ফনী মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্রিম বরাদ্দ ১০০০ কোটি টাকা https://thenewsbangla.com/central-govt-released-1000-crore-in-advance-for-states-affected-by-fani/ Fri, 03 May 2019 16:03:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12281 ওড়িশার বুকে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় আঘাত ফনী; দুর্যোগ মোকাবেলায় তার আগেই ওড়িশার ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার জন্য ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী; রাজস্থানের হিন্দুয়ান শহরে একটি নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী জানান; দুর্যোগ মোকাবেলায় সমস্ত রকম সহযোগিতার জন্য সরকার জনসাধারণের পাশে রয়েছে।

শুক্রবার সকালে ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকায় ফনী আঘাত হানে; এর আগেই প্রধানমন্ত্রী জরুরি বৈঠকে বসেন এবং বিশেষ তৎপরতা গ্রহনের জন্য কেন্দ্রের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া হয়; ১০০০ কোটির ওপর অগ্রিম সাহায্য ঘোষনা করা হয় কেন্দ্রের তরফে।

আরও পড়ুনঃ বোরখার সঙ্গে হিন্দুদের ঘোমটাও নিষিদ্ধ করা উচিৎ, দাবি জাভেদ আখতারের

প্রধানমন্ত্রী জানান; ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দুর্যোগের মাঝে পরেন; গৃহহারা হয় বহু মানুষ; সেই সব পরিবারগুলির ত্রাণের জন্য কেন্দ্র অগ্রিম সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এও জানান যে প্রতিটা রাজ্যের সাথে কেন্দ্র সরকারের তরফে সমানে যোগাযোগ রেখে চলেছে; কিছুক্ষণ বাদে বাদেই অফিসারদের কাছ থেকে সর্বশেষ আপডেট ও নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী; ফেনী মোকাবিলায় গতকালও বিস্তারিত পর্যালোচনা সভা করেছেন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ ফনীর ঝোড়ো হাওয়ায় উড়ে গেল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ধ্বজা

কারাওলি জেলায় অবস্থিত রাজস্থান এর হিন্দুণ শহরে রাজধানীতে সমাবেশে মোদি বলেন; যে জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এনডিআরএফ); ভারতীয় কোস্টগার্ড; নৌবাহিনী এবং সেনাবাহিনী ত্রাণ এর জন্য প্রস্তুত; ফেনী দুর্যোগের মোকাবিলা করার জন্য সামরিক বাহিনী তৈরি।

নরেন্দ্র মোদী জানান; আমি সাইক্লোন কবলিত রাজ্যের জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই যে সমগ্র দেশ ও কেন্দ্র বিপর্যস্ত পরিবার এবং রাজ্য সরকার গুলির পাশে দাঁড়িয়ে আছে; সাথে বিরোধী দলগুলিকে কটাক্ষ করে অভিযোগ করেন যে বিরোধী দল এই পরিস্থিতিতেও রাজনীতি করছে; তাঁরা এখনও ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট।

আরও পড়ুনঃ অবাস্তব ঘটনা বাস্তবে, ফণীর দাপটে লোহার চেন দিয়ে ট্রেন বেঁধে রাখল রেল কর্তৃপক্ষ

ফেনী বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য ক্যাবিনেট সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে দুর্যোগ মোকাবেলা দপ্তরকে তৈরি হতে বলেন প্রধানমন্ত্রী; যাতে তৎপরতার সাথে যে কোনও রকমের বিপর্যয় মোকাবেলা তড়িঘড়ি সম্ভব হয়।

]]>
পুরীতে ঢুকে পড়ল ফণী, চলছে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব, সন্ধ্যায় ঢুকবে বাংলায় https://thenewsbangla.com/fani-entered-in-puri-cyclone-storm-started-will-enter-at-bengal-in-evening/ Fri, 03 May 2019 04:22:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12233 ঘূর্ণিঝড় ফণী আছড়ে পড়ল পুরীতে। পুরো ওড়িশায় চলছে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব। সন্ধ্যায় ঢুকে পড়বে বাংলায়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে; এমনটাই জানা যাচ্ছে। ঝড়ের গতিবেগ বেড়েছে অনেকটাই। খুব তাড়াতাড়ি আসছে ফণী

ওড়িশায় ঠিক সকাল ১০ টায়; আছড়ে পড়ল মুল ঘূর্ণিঝড় ফণী। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯০ কিমি। ঝড়ের ব্যাসার্ধ ৫০ কিমি। সকাল ৯ টা থেকেই ওড়িশায় ঢুকতে শুরু করে ফণী। এই মুহূর্তে চলছে চরম তাণ্ডব।

শুক্রবার সন্ধ্যার পরেই; পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়তে চলেছে ভয়াল ঘূর্ণিঝড় ফণী। ঘণ্টায় ৯০-১০০ কিমি বেগে বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১৫ কিমি।

শুক্রবার দুপুরের পর ওড়িশায় আছড়ে পড়ার কথা ছিল। কিন্তু সাড়ে ৯ টাতেই ফণীর সামনের অংশ আছড়ে পড়ল ওড়িশা উপকূলে। ১০ টাতেই মুল ঝড় আছড়ে পড়ল ওড়িশায়। গোপালপুর-চাঁদবালির মাঝে ফণী আছড়ে পড়ার পর; ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগের উপর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগোবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর; ফণী এখন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগারে অবস্থান করছে। কলকাতা থেকে ফণীর অবস্থান ৫০০ কিলোমিটার দূরে। দিঘা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এ রাজ্যে তাণ্ডব চালানোর পর সোমবারে; বাংলাদেশে ঢুকবে ফণী। অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টা বাংলায় অবস্থান করবে ফণী।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন; শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই বাংলায় আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ফণী। ৪ মে ফণীর প্রভাব থাকবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। উপকূলের দিকে গতিবেগ থাকবে ৯০ থেকে ১১৫ কিলোমিটারের মধ্যে। ৪ মে বিকেলের দিকে বাংলাদেশের দিকে ঢুকবে ফণী

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে; এ রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ভেঙে পড়তে পাড়ে গাছ; কাঁচা বাড়ি; বিদ্যুতের খুঁটি। কলকাতায় ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে পড়তে পারে। তাছাড়া কলকাতায় বৃষ্টির জেরে জল জমতে পারে। দিঘা; মন্দারমণি; বকখালি; শঙ্করপুর; ফ্রেজারগঞ্জ এলাকায় চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এদিন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন; সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আমাদের বার্তা; কোনওরকম গুজবে কান দেবেন না। আবহাওয়ার আপডেট আমাদের কাছে জানুন।

এদিকে, শুক্রবার সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশে মেঘে ছেয়ে আছে। আজ সন্ধের পর থেকে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবারই কলকাতা, দুই মেদিনীপুর; হাওড়া; হুগলি; দুই বর্ধমান; দুই ২৪ পরগনা; পুরুলিয়া; বাঁকুড়া; নদিয়া; মুর্শিদাবাদ; বীরভূম; ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস।

কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। শনিবারও ওই জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ৪ মে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

]]>