extreme problem – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 21 Feb 2019 03:32:43 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg extreme problem – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ https://thenewsbangla.com/child-birthrate-falling-down-rapidly-the-world-society-in-extreme-problem/ Fri, 18 Jan 2019 05:16:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5731 পৃথিবী জুড়েই নারীদের সন্তান জন্মদানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ক্রমেই শিশুর সংখ্যা কমছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। “পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, বাড়ছে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা, বিশ্ব সমাজের পক্ষে এটা খুব একটা ভাল উদাহরণ নয়”, বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্বের অর্ধেক দেশেই শিশু জন্মহার মারাত্মকভাবে কমে গেছে। অর্থাৎ, জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা করার মতো যথেষ্ট শিশুর জন্ম হচ্ছে না। বয়স্কদের তুলনায় বাড়ছে না শিশুর সংখ্যা।

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা
পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা

“পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ”। গবেষণার এই তথ্য-পরিসংখ্যান ‘অত্যন্ত বিস্ময়কর’ বলেই অভিহিত করেছেন গবেষকরা। সমাজে এর পরিণতিতে বয়স্ক মানুষ বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেছেন, “ভবিষ্যতে নাতি-নাতনির চেয়ে দাদা-দাদিদের সংখ্যা বাড়বে।”

আরও পড়তে পারেনঃ বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী
আরও পড়তে পারেনঃ ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

শিশু জন্মদানের ব্যবধান কতটা? ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রতিটি দেশের জনসংখ্যার হার পর্যালোচনার ভিত্তিতে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বের বিখ্যাত চিকিৎসা পত্রিকা ‘দ্য ল্যানসেট জার্নাল’।

এতে দেখা গেছে, বিশ্বে ১৯৫০ সালে নারীদের সন্তান জন্মদানের হার ছিল ৪.৭ বা ৪ দশমিক ৭ জন। ২০১৮ তে, তা কমে হয়েছে নারী প্রতি ২.৪ বা ২ দশমিক ৪ জনে। তবে দেশভেদে এ ব্যবধান আরও অনেক বেশি।

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা
পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে জন্মহার ৭ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপদেশ সাইপ্রাসে গড়ে একজন নারী মাত্র একটি সন্তান জন্ম দেন। যুক্তরাজ্যে এই হার ১.৭ বা ১ দশমিক ৭ এবং পশ্চিম ইউরোপের বেশির ভাগ দেশেও এই চিত্রটা অনেকটা একই।

কতটুকু জন্মহার দরকার? কোনো দেশের গড় শিশু জন্মের হার ২.১ বা ২ দশমিক ১ শতাংশের নিচে নেমে গেলে জনসংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পেতে শুরু করবে। আর তাই জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে গেলে গড়ে অন্তত ২ দশমিক ১ শতাংশ জন্মহার প্রয়োজন। গবেষণার শুরুতে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালে কোনো দেশেই শিশুজন্মের হার এ পর্যায়ে ছিল না।

আরও পড়তে পারেনঃ সপ্তশৃঙ্গর পর সপ্ত আগ্নেয়গিরি, বিরল বিশ্বরেকর্ডের চূড়ায় বাঙালি
আরও পড়তে পারেনঃ একপায়ে এভারেস্ট অ্যান্টার্কটিকার পর এবার নতুন শৃঙ্গ জয়ের পরিকল্পনা অরুণিমার

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ‘হেলথ ম্যাট্রিক্স এন্ড এভালুয়েশন ইন্সটিটিউট’ এর পরিচালক ক্রিস্টোফার মারি বলেন, “আমরা এমন এক মুহূর্তে এসে পৌঁছেছি, যেখানে বিশ্বের অর্ধেক দেশে শিশু জন্মহার এতই কমে গেছে যে তা আর বদলানোর মত অবস্থায় নেই। তাই কিছু না ঘটলে এসব দেশের জনসংখ্যা কমতে শুরু করবে। এটি সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য রূপান্তর।”

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা
পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা

কোন দেশগুলোতে জন্মহার কমছে? অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোতে জন্মহার প্রতিনিয়ত কমছে। ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে, যুক্তরাষ্ট্রে, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় সন্তান জন্মদানে নিম্নহারের সমস্যায় ভূগছে।

যদিও তার মানে এই নয় যে, দেশগুলোতে জনসংখ্যা কমছে। কারণ, জন্মহার, মৃত্যুহার ও অভিবাসীর কারণে এসব দেশে জনসংখ্যা মোটামুটি ঠিকই থাকছে। তবে নারীদের সন্তান জন্মদানের হার বাড়াতে কয়েক প্রজন্ম সময় লেগে যেতে পারে বলেই মত গবেষকদের।

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা
পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ/The News বাংলা

গবেষক মারি বলছেন, বিশ্বের অনেক দেশেই এখনও যথেষ্ট শিশু জন্ম নিচ্ছে। কিন্তু বহু দেশই এখন অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হতে থাকায় সেসব দেশে শিশু জন্মহার কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

আরও পড়তে পারেনঃ নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর, বড় বড় কোম্পানিতে কর্মী ছাঁটাই

শিশু জন্ম কমছে কেন? শিশুমৃত্যুর কারণে নারীদের সন্তান সংখ্যা কমে যেতে পারে, জন্মনিরোধক ব্যবহারের ফলে কমতে পারে সন্তান জন্মহার, নারীরা বেশিহারে শিক্ষা এবং চাকরিতে ব্যস্ত হলেও কমতে পারে শিশু জন্মহার। তাছাড়া, আরো নানা কারণেও নারীরা সন্তান নাও নিতে পারেন।

পরিণতিতে কি হবে? অভিবাসন ছাড়া বিভিন্ন দেশেই বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়বে এবং জনসংখ্যা কমতে থাকবে। যদিও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন এজিং’ এর পরিচালক জর্জ লেসন বলছেন, “সমাজ এই জন্মহার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিলে বিষয়টাকে আর তখন এত খারাপ মনে হবে না।”

তবে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারি বলছেন, “বর্তমান প্রবণতায় শিশুর সংখ্যা কমতে থাকবে। বাড়বে ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা। ফলে, বিশ্ব সমাজকে টিকিয়ে রাখা খুবই কঠিন হবে।” স্থবির হবে বিশ্ব সমাজ।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
৫ দিন বন্ধ ব্যাঙ্ক, উৎসবের সময় চরম সমস্যায় আমজনতা https://thenewsbangla.com/bank-closed-for-5-days-during-the-festival-season-general-people-are-in-extreme-problem/ Fri, 21 Dec 2018 09:11:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4565 The News বাংলা, কলকাতাঃ সোমবার ছাড়া পরপর ৬ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ। টাকা নাও মিলতে পারে এটিএম থেকেও। বড়দিনের উৎসবের সময় চরম সমস্যায় পড়তে চলেছে ভারতের আমজনতা। নিজের টাকা নিজের দরকারে তুলতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত

ধর্মঘট ও ছুটির জাঁতাকলে পড়ে আগামী ছয় দিনের মধ্যে পাঁচদিন দেশে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে। প্রভাবিত হতে পারে এটিএম পরিষেবাও। এর জেরে চরম ভোগান্তির আশঙ্কা করছে সাধারণ মানুষ সহ শিল্পমহল। ভোগান্তির আশঙ্কায় গতকাল দেশের অনেক মেট্রো শহরের পাশাপাশি ছোটো শহরগুলিতেও এটিএম কাউন্টারগুলির সামনে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে।

আরও পড়ুন: মার্চে বন্ধ দেশের অর্ধেক এটিএম কি মোদীর নোটবন্দীর কুফল

শুক্রবার ২১ সেপ্টেম্বর ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে এআইবিওসি বা অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসারস কনফেডারেশন। ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের বেতন সংক্রান্ত দাবিদাওয়া নিয়ে এআইবিওসি এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। উল্লেখ্য, অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসারস কনফেডারেশন-র এই ধর্মঘটে দেশের প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার ব্যাঙ্ক আধিকারিক যোগ দেবেন।

আরও পড়ুন: মোদীর গেরুয়া রথকে আটকাতে পারল না মমতার সরকার

অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসারস কনফেডারেশন-র অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনেরাল সেক্রেটারি সজল দাস বলেন, ‘বেতন সংস্কার নিয়ে আমরা সরকারের কাছে একাধিকবার দাবি জানিয়েছি কিন্তু গত ১৯ মাসে সরকারের তরফে এই বিষয়ে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা ২১ ডিসেম্বর ধর্মঘটে যাচ্ছি’।

আরও পড়ুনঃ ‘রাজনীতিতে টিকে থাকতে গেলে তেল দিতেই হবে’ বিস্ফোরক তৃণমূল সাংসদ

২১ ডিসেম্বরের ধর্মঘটের পরদিন ২২ ডিসেম্বর চতুর্থ শনিবার ও ২৩ ডিসেম্বর রবিবার হওয়ায় ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। তবে ২৪ ডিসেম্বর, সোমবার ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটিতে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ২৬ ডিসেম্বর, বুধবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইউএফবিইউ বা ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস।

আরও পড়ুন: ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

ব্যাঙ্ককর্মীদের ৯টি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস। ওইদিন ইউএফবিইউ-র ডাকে দেশের প্রায় ১০ লাখ ব্যাঙ্ককর্মী ধর্মঘটে যোগ দেবেন। ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, দেনা ব্যাঙ্ক ও বিজয়া ব্যাঙ্ককে সংযুক্ত করার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

বড়দিনের ছুটির এই মরসুমে এইভাবে দেখে শুনে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসারস কনফেডারেশন ও ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। ক্ষুব্ধ দেশের শিল্প মহলও। তবে তাদের ধর্মঘটের রাস্তায় যাওয়া ছাড়া কোন রাস্তা ছিল না বলেই জানিয়েছেন ব্যাঙ্ক কর্মী ও অফিসারদের সংগঠনগুলি। শেষ পর্যন্ত বড়দিনের উৎসবের সময় ভোগান্তির শিকার হবে সেই সাধারণ মানুষ।

]]>