Election Commission – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 19 May 2019 04:41:46 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Election Commission – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 নির্বাচন কমিশনের তোপে পড়ার আশঙ্কা, মমতার কাছে যাচ্ছেন না আমলারা https://thenewsbangla.com/ias-ips-of-bengal-cadre-are-not-visiting-mamata-banerjee-for-fear-of-eci/ Sun, 19 May 2019 04:30:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13071 এই মুহূর্তের সবথেকে বড় খবর; রাজ্যের আইপিএস ও আইএএস অফিসারেরা কাছেই ঘেষতে চাইছেন না মুখ্যমন্ত্রীর! এমনকি নির্বাচন কমিশনের তোপে পড়ার আশঙ্কায়; মমতার কাছে ঘেঁষছেন না ডব্লিউবিসিএস অফিসাররাও। চরম চাপে তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।

২৩ তারিখটা কাটলেই বাঁচি; রাজ্যের অধিকাংশ আমলাদের এখন এটাই বক্তব্য। নির্বাচন কমিশনের তোপে পড়ে, ইতিমধ্যেই বাংলা ছাড়া হয়েছেন; রাজ্যের আইপিএস রাজীব কুমার। আরও লজ্জার, নির্বাচন কমিশনের তোপে পড়ে; সরতে হয়েছে আইএএস ও রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে।

আরও পড়ুনঃ রাজারহাটে বিজেপির ক্যাম্প অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

আর এরপরেই রাজ্য প্রশাসনের দিক মাড়াচ্ছেন না আমলারা; এমনটাই খবর। তবে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে হাবেভাবে আমলারা পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, কোনরকমে ২৩ তারিখটা পেরলেই তাঁরা বাঁচেন।

চরম সঙ্কটে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর রাজ্য প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনের ভয়ে; রাজ্যের আইপিএস ও আইএএস অফিসারেরা; এড়িয়েই যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীকে। শোনা যাচ্ছে ২৩ মে ভোটের ফল প্রকাশের আগে; রাজ্য পুলিশের বহু কর্তাই তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর মুখোমুখি হতে চাইছেন না।

এডিজি সিআইডি রাজীব কুমারস্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে; নির্বাচন কমিশনের অপসারণের ফলে রাজ্যের অনেক আমলাই চাপে রয়েছেন। এমনকি নবান্নে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে যে; “ভালোয় ভালোয় ২৩ তারিখটা কেটে গেলেই বাঁচি”।

চাকরি জীবনের শেষের দিকে এসে; কমিশনের তোপে পড়ে ক্যারিয়ারে দাগ ফেলতে চাইছেন না অনেক আমলারাই। এছাড়াও রাজ্যে যে গেরুয়া শিবির ভালো ফল করতে চলেছে; এমনটাই মনে করছেন অনেক আমলাই। ওনাদের মতে, এরাজ্যে একধাক্কায় বহু আসন বাড়তে চলেছে বিজেপির। এরপর যদি ২৩ মে জিতে বিজেপি সরকার গঠন করে; তাহলে কেন্দ্র থেকে অনেক চাপ সহ্য করতে হতে পারে আমলাদের।

আর সেই কারণেই এই শেষের কটা দিন; বিশেষ করে অন্তিম দফার নির্বাচনের দিনে দেখেশুনে চলেতে চাইছেন আমলারা। আর এই কারণেই রাজ্য পুলিশের অনেক সিনিয়ার অফিসারেরাই; তৃণমূল নেতা নেত্রীদের কথা কানে না নিয়ে নিজের মত কাজ করছেন। ওনারা কোন রকমেই এই রাজনৈতিক যুদ্ধের কারণে নিজেদের ক্যারিয়ারে কালি লাগাতে চাননা। আর এই কারণে চাপ বাড়ছে তৃণমূলের অন্দরেও।

]]>
ভোটের আগে ফের সরিয়ে দেওয়া হল বাংলার দুই পুলিশ অফিসারকে https://thenewsbangla.com/election-commission-removes-two-police-officers-of-bengal-before-polls/ Thu, 16 May 2019 14:40:29 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12987 ভোটের আগে ফের সরিয়ে দেওয়া হল; বাংলার দুই পুলিশ অফিসারকে। ডায়মন্ডহারবারের এসডিপিও এবং আর্মহাটস্ট্রীট থানার ওসিকে সরানো হলো। সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা ও অমিত শাহ এর রোড শো তে, ঝামেলা আটকাতে না পেরেই; সরতে হল আর্মহাটস্ট্রীট থানার ওসিকে। অন্যদিকে লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে; বিরোধীদের নানান অভিযোগ ছিল ডায়মন্ডহারবারের এসডিপিওর বিরুদ্ধে। সরতে হল তাঁকেও।

আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবারের বিষ্ণুপুর থানা এলাকা থেকে মানুষকে পালাতে হল কেন

ভোটের আগে ফের সরিয়ে দেওয়া হল; বাংলার দুই পুলিশ অফিসারকে। এবার নির্বাচন কমিশনের কোপে; ডায়মন্ডহারবারের এসডিপিও এবং আর্মহাটস্ট্রীট থানার ওসি। ১৪ তারিখ অমিত শাহ এর রোড শো তে; পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তার জন্যই সরতে হল আর্মহাটস্ট্রীট থানার ওসিকে।

আরও পড়ুনঃ ফের কালো টাকা উদ্ধার করল লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগ

মূর্তি ভাঙার তদন্তে গঠিত হল সিট বা স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। এই তদন্তে টিমের দায়িত্বে দেবাশিস সরকার, ডি সি নর্থ। ৫০ জনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মূর্তি ভাঙার ঘটনায়; বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জয় শ্রী রামের বদলে ভোটের পরে কি জয় শ্রী ভীম

অন্যদিকে ডায়মন্ডহারবারের এসডিপিও মিঠুন কুমার দে কেও; সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। বামেদের অভিযোগ, সত্যি প্রমাণ হওয়ায় তাঁকে সরতে হল। বাম প্রার্থীর ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয়; প্রার্থী ফুয়াদ হালিমকে বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে হেনস্থা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ পুলিশি গাফিলতিতে দেড় মাস ধরে অকেজো বিদ্যাসাগর কলেজের সিসিটিভি

কিন্তু বারবার অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি বলে; নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেন বামেরা। সেই অভিযোগের সারবত্ত্বা পাওয়ার পরেই সরিয়ে দেওয়া হল এসডিপিও মিঠুন কুমার দে কে। ফলে কমিশন – রাজ্য সরকার লড়াই অব্যহত রইল বলেই মনে করছে; রাজনৈতিক মহল।

]]>
বাংলা থেকে সরিয়ে রাজীব কুমারকে পাঠান হল দিল্লির স্বরাষ্ট্র দফতরে https://thenewsbangla.com/election-commission-removes-rajiv-kumar-from-bengal-to-delhi-home-affairs/ Wed, 15 May 2019 17:22:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12969 কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে নিয়ে; কেন্দ্র রাজ্য সংঘর্ষ অব্যহত। এবার নির্বাচন কমিশন বাংলা থেকে সরিয়ে রাজীব কুমারকে পাঠিয়ে দিল দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরে। আর এই ঘটনায় ফের মমতা ও কেন্দ্রের মধ্যে শুরু সংঘাত।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর জয়ের ভবিষ্যৎবানী করে বরখাস্ত কলেজ অধ্যাপক

রাজীব কুমারকে নিয়ে সিবিআই মমতা; বা রাজ্য কেন্দ্র সংঘর্ষ অনেক দিন ধরেই চলছে। নির্বাচন কমিশন সেই আগুনে ঘৃতাহুতি দিল বলাই যায়। এডিজি সিআইডির পদ থেকে সরিয়ে; রাজীব কুমারকে বাংলা ছাড়া করল নির্বাচন কমিশন। বাংলা থেকে সরিয়ে রাজীব কুমারকে পাঠান হল দিল্লিতে; কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে; দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র দফতরে।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হিংসা, বাংলায় ভোট প্রচার ১ দিন কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

সারদা কাণ্ডে তাঁকে নিয়ে উত্তাল হয়; রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক মহল। সিবিআই লাউডন স্ট্রিটে তাঁর বাসভবনে হানা দেওয়ার পর; সিবিআই কর্তাদের বাড়ির ভিতর ঢুকতে বাধা দেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা। তারপর তাঁদের কার্যত ধাক্কা মারতে মারতে; থানায় নিয়ে যান কলকাতা পুলিশের কর্তারা।

সন্ত্রাস রুখতে ব্যর্থ, সরিয়ে দেওয়া হল মমতার স্বরাষ্ট্র সচিবকে

পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে; ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসে যান স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্নামঞ্চে পৌঁছে যান স্বয়ং রাজীব কুমারও। কিন্তু কে এই রাজীব কুমার? ১৯৮৯ এর ব্যাচের উত্তরপ্রদেশ ক্যাডারের এই আইপিএস অফিসার; কেরিয়ারের শুরুর দিন থেকেই নির্ভীক পুলিশ অফিসার হিসেবে পরিচিত। তাঁর বাবা ছিলেন উত্তরপ্রদেশের চান্দোসীর এক কলেজের অধ্যাপক।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে সাদ্দাম হুসেনের সাথে তুলনা করলেন বিবেক ওবেরয়

আইপিএস জীবনের প্রায় শুরুর দিন থেকেই; তিনি রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গতে। এর আগে ছিলেন নদিয়ার পুলিশ সুপার। ২০১৬ সালে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের জায়গায়; তিনি আসেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার হিসেবে। ২০১৩ সালে চিটফান্ড কেলেঙ্কারী মামলায়; রাজ্য সরকার যে বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করেছিল; তার দায়িত্বে ছিলেন রাজীব কুমার। এবার তাঁকে পাকাপাকি ভাবে বাংলা ছাড়া করল নির্বাচন কমিশন।

]]>
ভোট প্রচারে হিংসা, বাংলায় ভোট প্রচার ১ দিন কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-campaign-in-bengal-decreased-1-day-by-election-commission/ Wed, 15 May 2019 14:24:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12946 লজ্জা। বাংলার লজ্জা। গোটা ভারতের কাছে মুখ কালো হল বাংলার। নির্বাচনী প্রচারে হিংসার জন্য; বাংলায় ভোট প্রচার একদিন কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার শেষ প্রচার ছিল শেষ দফার জন্য। কিন্তু গোটা ভারতের মধ্যে একমাত্র বাংলায় ভোটের প্রচার কালকেই শেষ; বলে ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন।

ভোটের শেষ দফার ঠিক আগে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন; নির্বাচনী প্রচারে বারবার অশান্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গের উপরে নেমে এল কমিশনের খাঁড়া; শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রার্থীরা তাঁদের প্রচার করতে পারত; কিন্তু কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরে কাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্যের সব দলের প্রার্থীদের প্রচার শেষ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর প্রযুক্তি ব্যবহারকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির ঝড়

স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম নির্বাচন কমিশন ৩২৪ ধারা প্রয়োগ করল; এই ধারা আনুসারে প্রার্থীদের প্রচার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হল নির্বাচন কমিশনের আদেশে; সংবিধানের ৩২৪ ধারা স্বাধীনতার পর প্রথম প্রয়োগ হল পশ্চিমবঙ্গের উপরে।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে এই রাজ্য আর ভোট প্রচার চালানোর উপযুক্ত নেই; প্রায় প্রতিটা প্রচারে অশান্তি হামলা বা মারামারি লেগেই আছে; গতকাল অমিত শা এর র‍্যালিকে কেন্দ্র করে বিদ্যাসাগর কলেজে যে তাণ্ডব চলে তাঁর পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর জয়ের ভবিষ্যৎবানী করে বরখাস্ত কলেজ অধ্যাপক

সাধারণ নিয়ম আনুসারে প্রার্থীরা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রচার করতে পারত; কিন্তু ৩২৪ ধারার ফলে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত দলকে নির্দেশ দেওয়া হল তারা যেন তাঁদের যাবতীয় ভোট প্রচার বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই শেষ করে ফেলে।

এদিন আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে; এডিজি সিআইডির দায়িত্ব থেকে তুলে নেওয়া হল রাজীব কুমারকে; কাল থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট করতে হবে রাজীব কুমারকে।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে সাদ্দাম হুসেনের সাথে তুলনা করলেন বিবেক ওবেরয়

এদিন নির্বাচন কমিশন রাজীব কুমারকে তাঁর দিল্লি পাঠিয়ে দেন; নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে রাজ্যের সাম্প্রতিক অশান্তির জেরেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে কমিশন; সব মিলিয়ে সারা ভারতের কাছে লজ্জার মুখ হয়ে দাঁড়াল পশ্চিমবঙ্গ।

]]>
বুথে ঢুকে মোবাইলে ছবি, ভারতীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-is-going-to-take-action-against-bjps-bharati-ghosh/ Sun, 12 May 2019 05:48:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12777 কড়া ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে চলেছে ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ; ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের পিপুড়দার ১৩৯ নং বুথের ভেতরে ঢুকে বুথের ভেতরের ছবি নিজের মোবাইলে ক্যামেরাবন্দী করেছেন বলে অভিযোগ; এমনকী এক সাংবাদিককেও বুথের ভেতরে ভিডিওগ্রাফি করতে বলেন তিনি।

ভোট চলাকালীন বুথের মধ্যে ছবি তোলা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন; ভারতী ঘোষের এই আদর্শ নির্বাচন আচরণ বিধি না মানার কারণে নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফা ভোটের মধ্যেই রহস্যজনক মৃত্যু ২ রাজনৈতিক কর্মীর, বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ

নির্বাচন কমিশন মেদনীপুরের জেলাশাসককে এই ঘটনার তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন; এই ইস্যুতে কমিশনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে ভারতী ঘোষকে; নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরিয়ে দেওয়া হয় ওই বুথের প্রিজাইডিং অফিসারকে।

এই বিষয়ে ভারতী ঘোষ বলেন; বুথের মধ্যে বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি; তৃণমূল সমর্থকরা বুথের মধ্যে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছিল না তাই তিনি নিজের মোবাইলে পুর ঘটনার ছবি তুলছিলেন; বুথের মধ্যে যে ছবি তোলা নিষিদ্ধ সে কথা নাকি তিনি জানতেন না বলেও তিনি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ সাতসকালে ভোটের বুথে কেঁদে ফেললেন ভারতী, উড়ে গেল পায়ের নখ

এদিকে সকাল থেকেই ভারতীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বুথে চড়াও হয় তৃণমূল সমর্থকরা; ওই তৃণমূল সমর্থকরা বিজেপির এজেন্টকে বুথে বসতে দিচ্ছেন না বলে বিজেপির অভিযোগ; বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে ওই তৃণমূল সমর্থকদের বলতে শোনা যায়; অন্য দল করেন বলে ভারতীর এজেন্টকে তারা বুথে বসতে দেবেন না।

ভারতীকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তৃণমূল সমর্থকরা; এক সময় ধস্তাধস্তিতে তার পায়ের নখ উপড়ে রক্তাক্ত হয়; কেঁদেও ফেলেন প্রাক্তন দাপুটে আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষ; এরপির অভিযোগ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় ভারতী।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফায় ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ কমিশন

কেশপুরে বিভিন্ন বুথে ভারতীকে ঘিরে বিক্ষোভ চলতে থাকে; তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়; ইটের আঘাতে আহত হন তাঁর দেহরক্ষী; কিন্তু আপাতত ভারতীর অভিযোগকে উপেক্ষা করে উল্টে বুথে ছবি তোলার কারণে ভারতীর বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন।

]]>
রমজানে ভোটের সময় পরিবর্তনের দাবিকে নস্যাৎ নির্বাচন কমিশনের https://thenewsbangla.com/election-commission-dismissed-demand-of-change-vote-during-ramadan/ Mon, 06 May 2019 06:26:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12456 নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষন ঘোষনার পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে জানানো হয়েছিল; রমজান মাসে ভোটের দিনক্ষন থাকায় মুসলিমদের ভোট প্রদানে অসুবিধা হবে; এই বিষয়টি পুনরায় বিবেচনার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ভেবে দেখার অনুরোধ করা হয়; কিন্তু সেই দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার ৫ই মে থেকে এক মাসব্যাপী শুরু হয়েছে রমজান মাস; ভোটের পঞ্চম; ষষ্ঠ এবং সপ্তম দফা এই মাসেই অনুষ্ঠিত হবে; সংখ্যালঘুদের যাতে অসুবিধা না হয়; তাই তাদের কথা ভেবে এই ৩ দিন ভোট শুরুর সময় সকাল ৭ টার পরিবর্তে সকাল ৫ টা থেকেই করার আবেদন জানানো হয়।

আরও পড়ুন ব্যারাকপুরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে মারপিটে মুখ ফাটল বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের

২রা মে এই বিষয়টি বিবেচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে; কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের পুরনো সময়সূচী অপরিবর্তিত রাখার কথা জানিয়ে দিয়েছে; মোহাম্মদ নিজামুদ্দিন পাশা এবং নিজাম হায়াত নামক দুই উকিল এই বিষয়টি দেখার জন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করে।

সেই মতো সুপ্রিমকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে ভোটের সময়সূচী পরিবর্তনের ব্যাপারে বিবেচনার কথা বলে; সকাল ৭ টার পরিবর্তে সকাল ৫ টা থেকেই করার আবেদন জানানো হয়; যাতে সংখ্যালঘুরা ভোট দিতে অসুবিধার মধ্যে না পড়েন।

আরও পড়ুন একেই বলে একাই একশো, ১০০ ভোট দিলেন তৃণমূল নেতা মহারাজা নাগ

এদিকে রাজস্থানে উষ্ণতার পারদ চড়তে থাকায় গরমের মধ্যে যাতে ভোটারদের অসুবিধা না হয়, সেই ব্যাপারেও জানানো হয়; কিন্তু কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে; সময়ের পরিবর্তন হবে না। এর আগে নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তুলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল; সংখ্যালঘুদের সমস্যায় ফেলতেই রমজান মাসের মধ্যেও ভোটের দিন ঠিক করা হয়েছে।

]]>
পঞ্চম দফার ভোটে নির্বাচন কমিশনের চিন্তার ও মাথাব্যাথার কারণ বাংলার কোন লোকসভা https://thenewsbangla.com/election-commission-feels-pressure-in-this-lok-sabha-seat-election-at-bengal/ Thu, 02 May 2019 06:42:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12162 বিছিন্ন কিছু ঘটনা ও চতুর্থ দফার ভোটে এক ভোটারের মৃত্যু বাদ দিলে; মোটের উপর বাংলায় ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলেই মনে করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতর। তবে পঞ্চম দফায় এসে; নির্বাচন কমিশনের মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। সৌজন্য ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র।

ব্যারাকপুরের ভোট নিয়ে কমিশনের কপালে ভাঁজ। একের পর এক ঘটনা যেভাবে ঘটে চলেছে; তার পরিপ্রেক্ষিতেই রীতিমতো বড় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নির্বাচন কমিশনের কপালে। দুদিন আগেই এলাকায় হয়ে গিয়েছে একটি খুন।

প্রতিদিন জগদ্দল; ভাটপাড়া; কাকিনারা; নৈহাটি; ব্যারাকপুর; সব জায়গাতেই চলছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ। অর্জুন সিং অনুগামী ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে প্রতিদিন চলছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ।

আরও পড়ুনঃ মাওবাদী দমনে ব্যর্থ মোদী, মেদিনীপুরের সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

এর মাঝে আবার মদন মিত্রকে ভাটপাড়া বিধানসভা উপ নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে; অর্জুনকে আরও লড়াইয়ে ফেলেছেন মমতা। মদন মিত্র ভাটপাড়ায় প্রচার শুরু করার পর; এই লড়াই আরও বেড়েছে। এবার লড়াইটা মদন মিত্র বনাম অর্জুন সিং হয়ে দাঁড়িয়েছে; কারণ ভাটপাড়া বিধানসভা উপ নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন পুত্র পবন সিং।

তারপর যেভাবে শাসক-বিরোধী প্রচারে পারদ চড়ছে; তাতে করে কিভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানো যায়; এই ব্যারাকপুরে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন দফায় দফায় বৈঠক করছে প্রতিদিন। আগামী ৬ই মে পঞ্চম দফায় ব্যারাকপুরে নির্বাচন।

একদিকে অতীতের ঘটনা; অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থিতি। সব মিলিয়ে রীতিমতো টানটান এক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখার বিষয় এই উত্তেজনার পারদকে স্বাভাবিক করে কমিশন কতটা তৎপরতার সঙ্গে সুষ্ঠ; অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্র ও ছত্তিসগড়ের মত ভোটে মাওবাদী হামলার আশঙ্কা বাংলায়

তবে কমিশন সূত্রের খবর; বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত এখনও সেই অর্থে কোনো সমাধান করতে পারেনি কমিশন। সব বুথে কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীই থাকবে তা কিন্তু নয়; কমিশন সূত্রে খবর ব্যারাকপুরের ভোটকে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

সেক্ষেত্রে শুধু বুথ নয়; গোটা ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে দিয়ে ভোট করাতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। তাই অপেক্ষা এখন শুধু সময়ের। তারপরই কমিশনের পাশফেল সকলের সামনে উঠে আসবে; আগামী ৬ মে তারিখে।

]]>
মোবাইলে হুমকি দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে হাস্যকর প্রমাণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল https://thenewsbangla.com/anubrata-mandal-proved-that-the-election-commission-is-ridiculous/ Mon, 29 Apr 2019 09:26:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11933 অনুব্রত মণ্ডলকে নাকি নজরদারি করা হয়েছে। তাঁর মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয়েছে আর তাঁর মোবাইল ব্যবহারে নাকি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে এমনটাই জানা গিয়েছিল রবিবার। আর সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সাংবাদিকদের সামনেই করলেন ফোন, হুমকি দিতেও বললেন কর্মীদের। সোমবার ভোটের দিন নির্বাচন কমিশনকে হাস্যকর প্রমাণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল।

অনুব্রত মণ্ডল-কে নজরদারি করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত তাঁকে নজরদারি করা হবে। সোমবার ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার গতিবিধির ওপর সম্পূর্ণ নজরদারি চালাবে নির্বাচন কমিশন। এই কাজের দায়িত্বে থাকবেন একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের অফিসার। আর এই নির্দেশকে রসিকতার পর্যায়ে নামিয়ে সারাদিন নিজের খেয়াল খুশিমতই ভোট পরিচালনা করলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

আরও পড়ুনঃ বীরভূমের নানুরে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীকে লাঠি হাতে পাল্টা দিলেন গ্রামের মহিলারাই

এদিন ১১ টার পর বাইক মিছিল করেই নির্বাচন কমিশনের ‘কড়া নজরদারি’তে ভোট দিলেন বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সকাল থেকেই বাড়িতে বসে ল্যান্ডলাইনে বিভিন্ন কর্মীদের থেকে খবর নিয়েছেন। দলিয় কর্মীদের মোবাইল নিয়েও নির্দেশ দিলেন বুথের দায়িত্বে থাকা জেলার কর্মীদের।

সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ এক দলীয় কর্মীর বাইকে চেপে ভোট দিতে যান অনুব্রত। নিচুপট্টির ভগবত স্কুলের বুথে গিয়ে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছে”। তাঁকে নজরবন্দি করার প্রসঙ্গে বলেন, “নজরবন্দিকে পরোয়া করি না”।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে, গম্ভীর রসিকতা বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েকের

কমিশনের নির্দেশে অনুব্রত মণ্ডলের মোবাইল ফোনটিও নিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে সকাল থেকেই পাশে রাখা ল্যান্ডলাইনে দলীয় কর্মীদের থেকে খবর নেন তিনি। বিভিন্ন বুথে এজেন্ট বসেছে কি না, সেই খবরও নেন। বেশ হালকা মেজাজেই দেখা গিয়েছে তাঁকে। মোবাইলে দলিয় কর্মীকে বিরোধীদের হুমকি দিতেও বললেন।

জেতার ব্যাপারে তিনি ১০০% নিশ্চিত বলে দাবি করেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে তাঁর দাবি উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “ডায়লগ অনেক শুনেছি। ক্ষমতার নেশা নেমে গেলে জমিতে এসে যাবে। ২৩ তারিখের পরে বুঝতে পারবেন”।

আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুরের জেমুয়া স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ভোটারদের বিক্ষোভে লাঠিচার্জ

রবিবার সন্ধে থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার সন্ধে ৭টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৭টা পর্যন্ত কড়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে তাঁকে। প্রতিনিয়ত তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তিনি সারাদিন কী করছেন, তার প্রতিটি মুহূর্ত ভিডিওগ্রাফিও করা হচ্ছে।

তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি নিয়ে শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে আর্জি পেশ করেছিলেন ভোটকর্মীরা। ভোটকর্মীদের সংগঠনের তরফে মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়, চতুর্থ দফায় বীরভূমে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ জরুরি।

আরও পড়ুনঃ রানীগঞ্জ ও চিত্তরঞ্জনের একাধিক বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ

ভোটের সময় তাঁকে যাতে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখা যায়, সেই অনুরোধও করেন তাঁরা। ভোটকর্মীদের সংগঠনের অভিযোগ ছিল, শাসকদলের হয়ে ভোট করানোর জন্য জেলা তৃণমল নেতা যে কোন রকম সন্ত্রাসের আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু দেখা গেল, নজরদারি আছে নামেই। সবকিছুই করছেন অনুব্রত। নির্বাচন কমিশনকে হাস্যকর প্রমাণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল।

]]>
লোকসভা ভোটে অনুব্রতর বীরভূম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-made-a-big-decision-on-anubrata-mandals-birbhum/ Wed, 24 Apr 2019 12:49:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11552 আসানসোলের পর বীরভূম। বীরভূমেও ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে বুধবার জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচন কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে মিটে যাওয়ার পর চতুর্থ দফায় নির্বাচন কমিশনের এখন নতুন টার্গেট বীরভূম। যে পদ্ধতিতে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করাতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন সেই একই পন্থায় বীরভূম জেলায় ভোট করাতে চলছে কমিশন।

তবে বীরভূম জেলায় আরো কিছু বাড়তি সতর্কতা তা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার কারণ ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল যে ভাবে হুমকি দিয়ে রেখেছে যা ভোটের দিন অনেক ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলতে পারে সে কারণেই নির্বাচন কমিশন পাখির চোখ করে নিয়েছে এখন বীরভূম জেলাকে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ সাত দিন পরেও খোঁজ নেই ভোটের নোডাল অফিসার অর্ণব রায়ের, রহস্য আরও জটিল

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই বীরভূম জেলাকে নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল কখনো পাচন তো কখনও নকুলদানা, বিভিন্নভাবে দলের কর্মী-সমর্থকদের উজ্জীবিত করেছেন। এমন কি ভোটের দিন সকালে মকপোলের সময় ৫০০ টি করে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু কমিশন তার নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে মুর্শিদাবাদের থেকেও আরও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চলেছে বীরভূম জেলায়।

তবে চতুর্থ দফায় কেবলমাত্র বীরভূম জেলাই নেই, আছে আসানসোল, আছে বহরমপুর সঙ্গে আছে নদিয়া। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর পশ্চিমবঙ্গে চতুর্থ দফা থেকেই কমিশনের কাছে রীতিমতো এক বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো। ইতিমধ্যেই রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক জানিয়েছেন, আসানসোলে ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার জানালেন বীরভূমেও ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

অর্ণব উধাও রহস্যে আরও পড়ুনঃ ভোটের দায়িত্বে থাকা অর্ণব রায়ের উধাও হওয়া ফিরিয়ে এনেছে রাজকুমার রায়ের স্মৃতি

পাশাপাশি রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন চতুর্থ দফা নির্বাচনে প্রায় ১০০% বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিরোধীদের অভিযোগ এর পরিপ্রেক্ষিতেই কেবলমাত্র যে এই সিদ্ধান্ত, তা নয় বলেই নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে। সূত্রের খবর, বিগত দিনের নির্বাচনগুলিতে চতুর্থ দফার এই জেলাগুলিতে যে সন্ত্রাস হয়েছিল তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য আছে কমিশনের কাছে।

সেই কারণে নির্বাচন কমিশন দুর্গা পুজোর আগে থেকেই লোকসভা নির্বাচনের কর্মকাণ্ড এবং প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল। যার ফলস্বরূপ তৃতীয় দফা নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে। তবে তৃতীয় ধাপ পেরিয়ে গেলেও এখন নির্বাচন কমিশনের কপালে ভাঁজ পড়েছে বাকি দফা গুলির নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করানো নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমা চেয়েও আবার এক ভুল, রাহুলকে আদালত অবমাননার নোটিশ ধরাল সুপ্রিম কোর্ট

যার মধ্যে বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, আসানসোল এবং উত্তর কলকাতা। এই জেলাগুলোয় ভোট করানো যে রীতিমত কমিশনের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে চলেছে তা এককথায় স্বীকার করে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার কারণ অতীতের যে রেকর্ড সেই রেকর্ড কিন্তু ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে একটা বড় ছাপ ফেলতে পারে তা বুঝতে পেরেই আগেভাগে সবদিক থেকে ঘর গোছাতে এখন তৎপর হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই মমতার সিনেমা আটকে দিল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের প্রথম তিনটি দফা ভোটের পর আর কোনো খামতি রাখতে চাইছে না কমিশন পরের দফাগুলি থেকে। এখন দেখার বিষয় মুর্শিদাবাদের পর বাকি দফাগুলোতে কমিশন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করাতে সক্ষম হয় নাকি পাচন আর নকুলদানা খেয়েই ক্ষান্ত থাকতে হয় কমিশনকে। তবে অনুব্রতকে সামলাতে যে কমিশন বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে সেটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভোটের মধ্যেই মমতার সিনেমা আটকে দিল নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-biography-film-baghini-banned-by-election-commission/ Wed, 24 Apr 2019 05:45:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11534 রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন উত্থানের দিক নিয়ে উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে বাঘিনী সিনেমা। কিন্তু ভোট চলাকালীন এই সিনেমার মুক্তি নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। ভোট ময়দানে প্রভাব ফেলার কৌশল, এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।

অভিযোগ খতিয়ে ভোট ময়দানে যাতে সিনেমার প্রচার প্রভাব ফেলতে না পারে, সেজন্য মঙ্গলবার এই সিনেমার ট্রেলার তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, যে কয়েকটি ওয়েবসাইটে সিনেমার ট্রেলার আপলোড করা হয়েছিল, সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্যেও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সাইকেল প্রতীকে ভোট দিতে বলায় প্রিসাইডিং অফিসারকে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এই সংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ৩ রা মে বাঘিনী সিনেমাটির মুক্তি পাবে বলে ঠিক হয়েছিল আগেই। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলার চেষ্টার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় বিরোধীরা। সিনেমাটি নিষিদ্ধ করারও দাবি তোলা হয়।

বিরোধীদের দাবি, এই সিনেমা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর বায়োপিক। ভোটের মধ্যে এই সিনেমার প্রচারে ভোটাররা প্রভাবিত হবেন, তাই ভোট না মেটা পর্যন্ত এই সিনেমার প্রদর্শন স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমা চেয়েও আবার এক ভুল, রাহুলকে আদালত অবমাননার নোটিশ ধরাল সুপ্রিম কোর্ট

কিন্তু সিনেমাটি এখনও সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায়নি। এই বিষয়ে ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার সুদীপ জৈন জানিয়েছেন, সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পেলে সিনেমার বিষয়বস্তু না খতিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। আপাতত ৩টি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ট্রেলার সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ও কংগ্রেসের সংঘর্ষের মাঝে তৃতীয় দফায় ভোটের বলি এক ভোটার

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>