Election Commission of India – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 20 Apr 2019 09:45:35 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Election Commission of India – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/vivek-dube-election-commission-in-shame-unable-to-prevent-rigging-in-cooach-behar/ Thu, 11 Apr 2019 08:22:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10600 প্রতিশ্রুতি কি শুধু রাজনৈতিক নেতারা দেন? প্রতিশ্রুতি দেয় নির্বাচন কমিশনও। বাংলার সাধারণ মানুষকে প্রচুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার আরিজ আফতাব। বাংলার ভোটারদের অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের ভোটে নিযুক্ত বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেও। কিন্তু মিল একটাই। রাজনৈতিক নেতারাও প্রতিশ্রুতি রাখেন না। আর বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশনও বাংলার মানুষকে দেওয়া কথা রাখতে পারলেন না। শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন।

LIVE: সারাদিন কি হচ্ছে বাংলার ভোটে, দেখে নিন প্রথম দফার ভোটের সব ঘটনা

রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে চরম সন্ত্রাসের পরিস্থিতি দেখেও শিক্ষা নেয় নি ভারতের নির্বাচন কমিশন। আর সেই রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করেই ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় চরম সন্ত্রাস দেখতে পেল কোচবিহার এর বিভিন্ন এলাকা। যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেখানেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলের গুণ্ডারা। বিশেষ করে তৃণমূলের দাদাগিরি দেখতে পেয়েছে গোটা কোচবিহার। একের পর এক ছবি উঠে এসেছে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায়। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

কোচবিহার কেন্দ্র নিয়ে বাড়তি নজর ছিল কমিশনের। ৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় পুরোটাই রয়েছে কোচবিহারে। কোচবিহারে ২০১০টি বুথের মধ্যে ১০৬০টি বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্যের সশস্ত্রবাহিনী। আর বৃহস্পতিবার ভোটের দিন সারাদিন কোচবিহারে থাকার কথা ছিল বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের। কোচবিহারে থেকেই ভোট মনিটরিং করবেন তিনি, এমনটাই কথা ছিল।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

কিন্তু দেখা গেল ঠিক উল্টো ছবি। বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে কলকাতায় ফিরে গেলেন সকালেই। আর যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেই সেই বুথেই দেখা গেল চরম সন্ত্রাস। ঠিক পঞ্চায়েত ভোটের মতই তৃণমূলের ফের সন্ত্রাস দেখছে রাজ্য। তাও শুধুমাত্র দুটো লোকসভার ভোটে। কোচবিহারে যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, সেখানেই তৃণমূল সন্ত্রাস চালিয়েছে বলেই অভিযোগ সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী দলগুলির।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

কোচবিহারের শিতলকুচির অনেক বুথেই বিরোধী প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে ঢুকতেই দেওয়া হয় নি বলেই অভিযোগ। শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এজেন্টদেরই দেখা যাচ্ছে। এমনকি বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয় ভোটারদেরও। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই চলে হুমকি। ভোটের আগে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি ছিল বিরোধীদের। কিন্তু কোচবিহারে ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্য পুলিশ। আর সেই সব বুথের অধিকাংশতেই চলছে চরম রিগিং।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

রাজ্য পুলিশ থাকা অধিকাংশ বুথেই চলছে চরম দাদাগিরি, গুন্ডাগিরি এমনটাই অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। মাথাভাঙা ও দিনহাটার অধিকাংশ বুথেই চলছে ভোটারদের বাধা দেওয়ার কাজ। অনেক বুথেই বিরোধী এজেন্টদের বসতেই দেওয়া হয় নি বলেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস। পঞ্চায়েত ভোট এর কথা বিরোধীদের কাছে বারবার শুনেও কান দেয় নি কমিশন। তার খেসারত প্রথম দফার একটা লোকসভাতেই চোকাতে হল কমিশনকে।

আরও পড়ুনঃ মমতার ফোনের পরই ৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন চাইলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের পুলিশের উপর নির্ভর করে ডুবল নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস চলছে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী হীন বুথে। এমনটাই ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পরেছে নির্বাচন কমিশন এর কাছে। তবে রাজ্য ও রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করে এইভাবে ডুবতে হবে তা ভাবেনইনি বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন। শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস https://thenewsbangla.com/election-commission-of-india-failed-depending-on-the-west-bengal-police/ Thu, 11 Apr 2019 06:42:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10586 রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে চরম সন্ত্রাসের পরিস্থিতি দেখেও শিক্ষা নেয় নি ভারতের নির্বাচন কমিশন। আর সেই রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করেই ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় চরম সন্ত্রাস দেখতে পেল কোচবিহার এর বিভিন্ন এলাকা। যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেখানেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলের গুণ্ডারা। বিশেষ করে তৃণমূলের দাদাগিরি দেখতে পেয়েছে গোটা কোচবিহার। একের পর এক ছবি উঠে এসেছে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায়। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিরোধীরা।

LIVE: সারাদিন কি হচ্ছে বাংলার ভোটে, দেখে নিন প্রথম দফার ভোটের সব ঘটনা

কোচবিহার কেন্দ্র নিয়ে বাড়তি নজর ছিল কমিশনের। ৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় পুরোটাই রয়েছে কোচবিহারে। কোচবিহারে ২০১০টি বুথের মধ্যে ১০৬০টি বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্যের সশস্ত্রবাহিনী। আর বৃহস্পতিবার ভোটের দিন সারাদিন কোচবিহারে থাকার কথা ছিল বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের। কোচবিহারে থেকেই ভোট মনিটরিং করবেন তিনি, এমনটাই কথা ছিল।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

কিন্তু দেখা গেল ঠিক উল্টো ছবি। বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে কলকাতায় ফিরে গেলেন সকালেই। আর যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেই সেই বুথেই দেখা গেল চরম সন্ত্রাস। ঠিক পঞ্চায়েত ভোটের মতই তৃণমূলের ফের সন্ত্রাস দেখছে রাজ্য। তাও শুধুমাত্র দুটো লোকসভার ভোটে। কোচবিহারে যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, সেখানেই তৃণমূল সন্ত্রাস চালিয়েছে বলেই অভিযোগ সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী দলগুলির।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

কোচবিহারের শিতলকুচির অনেক বুথেই বিরোধী প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে ঢুকতেই দেওয়া হয় নি বলেই অভিযোগ। শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এজেন্টদেরই দেখা যাচ্ছে। এমনকি বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয় ভোটারদেরও। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই চলে হুমকি। ভোটের আগে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি ছিল বিরোধীদের। কিন্তু কোচবিহারে ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্য পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

আর রাজ্য পুলিশ থাকা অধিকাংশ বুথেই চলছে চরম দাদাগিরি, এমনটাই অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। মাথাভাঙ্গা ও দিনহাটার অধিকাংশ বুথেই চলছে ভোটারদের বাধা দেওয়ার কাজ। অনেক বুথেই বিরোধী এজেন্টদের বসতেই দেওয়া হয় নি বলেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ মমতার ফোনের পরই ৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন চাইলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের পুলিশের উপর নির্ভর করে ডুবল নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস চলছে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী হীন বুথে। এমনটাই ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পরেছে নির্বাচন কমিশন এর কাছে। তবে রাজ্য ও রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করে এইভাবে ডুবতে হবে টা ভাবেনই নি বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-of-india-brings-six-special-apps-to-stop-rigging-in-vote-booths/ Wed, 10 Apr 2019 06:14:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10427 রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপ আনল নির্বাচন কমিশন। প্রচার থেকে বুথে সব ঝামেলায় এবার থাকছে ৬টি বিশেষ অ্যাপস। একনজরে দেখে নিন, কি কি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন

আরও পড়ুনঃ ভোট বুথে গুন্ডাগিরি ও রিগিং রুখতে নির্বাচন কমিশন আনল বিশেষ অ্যাপ

১) সুবিধা অ্যাপঃ
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে যে কোন রাজনৈতিক দল যদি কোন মিটিং মিছিল বা কোন সভার অনুমতি চায় তাহলে আর এবার কাউকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দ্বারস্থ হতে হবে না। সে কারণে নির্বাচন কমিশন তৈরি করেছিল নতুন আরেকটি অ্যাপ যার নাম দেয়া হয়েছিল সুবিধা। নিজেদের কার্যক্রমের ৫ দিনের আগে এই অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করলেই মিলবে কমিশনের তরফে অনুমতি। যে অনুমতি কে নিয়ে যে কোন রাজনৈতিক দল কোন মিটিং মিছিল বা রাজনৈতিক সভা করতে পারবে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের নির্বাচনী কেন্দ্র ওয়ানাড ভারতে নাকি পাকিস্তানে, সন্দেহ প্রকাশ অমিতের

রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা
রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা

২) সিভিজিল অ্যাপঃ
তবে সব থেকে আকর্ষক হয়েছে ২০১৯ সালের সিভিজিল অ্যাপ। গোটা দেশের মানুষ যে কোন প্রান্ত থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে এই অ্যাপটিকে ডাউনলোড করে নিজের নাম ঠিকানা সহ স্টিল বা ভিডিও ফটোগ্রাফি করে সরাসরি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারবে। যে অভিযোগ জানানোর পর ১০০ মিনিট এর মধ্যে কমিশন সমাধান করবে তার সমস্যার।

আরও পড়ুনঃ মহাজোটের ভরসা আলী হলে বাকিদের ভরসা বজরঙ বলী, মন্তব্য আদিত্যনাথের

৩) ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ‌ঃ
তবে কেবল অভাব-অভিযোগ নয় সমগ্র ভোটারদের জন্য খোলা হয়েছিল ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ‌। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে একজন ভোটার সবকিছু জানতে পারবে এই ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ এর মাধ্যমে। নিজের নাম ভোটার লিস্টে কত নম্বরে আছে বা নিজের বুথ কোন জায়গায় সব কিছুই জানা যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে।

রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা
রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা

৪) ন্যাশনাল গ্রীভেন্স সেকশন অ্যাপঃ
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন তাদের নিজেদের সুবিধার্থে সারা দেশব্যাপী একটি অ্যাপ তৈরি করেছিল। ন্যাশনাল গ্রীভেন্স সেকশন। জাতীয় স্তরে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই অ্যাপ এ অভিযোগ জমা পড়েছে বহুমাত্রায়। যার সমাধান কমিশন করে ফেলছে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে মহাজোটের ভরাডুবির আশঙ্কা, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

৫) অনুভব অ্যাপঃ
কমিশনের এবার মূল লক্ষ্য ছিল যারা শারীরিকভাবে অক্ষম তাদের পাশে কিভাবে দাঁড়ানো যায়। সব দিক চিন্তা ভাবনা করেই পি ডব্লিউ ডি দের জন্য একটি অ্যাপ এনেছিল কমিশন যার নাম দেওয়া হয়েছিল অনুভব। বিগত দিনে লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচন গুলিতে দেখা গিয়েছে দেশের মধ্যে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম তা চিরদিনই থেকে গেছে প্রদীপের তলায় অন্ধকারের মধ্যেই। কেউই কখনো তাদের দিকে ঘুরে তাকায়নি। অবশেষে ২০১৯ সালে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এ বছর তাদের মূল লক্ষ্য যারা শারীরিকভাবে একেবারেই অক্ষম যারা কখনো ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের গিয়ে নিজের ভোটটা দিতে পারেন না। তাদেরকেই নির্বাচন কমিশন এবার ভোট মুখী করার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছে। আর তা নিয়েই নির্বাচন কমিশন দেরিতে হলেও তাদের জন্য তৈরি করেছে এক বিশেষ এক যার নাম অনুভব।

৬) পোল ডে মনিটরিং অ্যাপঃ
রাজ্য মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের আধিকারিক ও কর্মীরা তৈরি করলেন এক বিশেষ অ্যাপ। ভোটের দিন বুথের ভেতর ও বাইরে যে কোনো রকম অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা রুখতেই এই অ্যাপ তৈরি করেছেন তাঁরা। আঙুলের এক ছোঁয়াতেই এক নিমেষে বুথের হাল হাকিকতের সম্পূর্ণ ছবি ফুটে উঠবে রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের দফতরে। বুথ স্তরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার জন্য এই অ্যাপটি আনছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের দফতর।

আরও পড়ুনঃ ৩৭০ ধারা বিলোপ হলে ভারত থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি ফারুক আবদুল্লাহর

নির্বাচন কমিশনের এই গুরুত্বপূর্ণ ৬ টি অ্যাপস এর পাশাপাশি কমিশন তাদের নিজেদের কাজ করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অনেক আগে থেকেই। তবে সেই অ্যাপসগুলির নাম নির্বাচন কমিশন কোনমতেই সাধারণ মানুষকে জানাতে চায় না তার কারণ সেই অ্যাপসগুলির মধ্যে দিয়ে নির্বাচন কমিশন চুপিসারেই তাদের নিজেদের কাজ সারতে চায়।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

যে কাজ সারার মধ্যে দিয়ে সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট কি করে করানো যায় তা নিয়েই তৈরি হয়েছে কমিশনের নিজস্ব বেশ কিছু অ্যাপ। হাতে মাত্র আর কয়েক ঘণ্টা তার পরেই শুরু হয়ে যাবে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফা নির্বাচন। এখন দেখার বিষয় নির্বাচন কমিশনের এই মূল ছটি অ্যাপস কতটা সুবিধা দিতে পারে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলোকে। এবং কতটা শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে সক্ষম হয় নির্বাচন কমিশন সেটাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের https://thenewsbangla.com/locket-chatterjee-challenges-election-commission-of-india-at-dhaniakhali/ Sun, 07 Apr 2019 17:17:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10252 ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি দিলেন লকেট। যদি সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকে তাহলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন হুগলীর বিজেপি প্রার্থী লকেট চ্যাটার্জী।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস নির্বাচনী ইস্তাহারকে প্রো জিহাদ ও অ্যান্টি ইন্ডিয়া বলে আক্রমণ কোয়েনা মিত্রের

হুগলির ধনিয়াখালীতে এক প্রচার সভায় লকেট নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, “প্রতিটা বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিতে পারলে ভোট বন্ধ করে দেব”। আর সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

আরও পড়ুনঃ লাইভ ডিবেটে অসহিষ্ণুতা, সঞ্চালক ও বিজেপি নেতার দিকে গ্লাস ছূঁড়লেন কংগ্রেস নেতা

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে লকেট চ্যাটার্জী ধনিয়াখালী বিধানসভায় এক ভাষণে বলছেন, সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর এরপরেই এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ বিরিয়ানি নিয়ে হাতাহাতি কংগ্রেস সমর্থকদের মধ্যে, ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

হুগলীর তৃণমূল প্রার্থী রত্না দে নাগ, কিন্তু এদিনের প্রচারে লকেট রাজ্য সরকারের মন্ত্রী ও সমস্ত তৃণমূল নেতা নেত্রীদের নাম না করে আক্রমণ করেন। দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রীকে খোঁচা দেন লকেট।

আরও পড়ুনঃ হিন্দুধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে থানায় অভিযোগ দায়ের উর্মিলার বিরুদ্ধে

এরপরেই এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবার কথা ভাবতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ধানিয়াখালীর এক তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, ভোটে হারছেন জেনেই উল্টোপাল্টা বলছেন লকেট। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ভোট বন্ধ করে দেবার হাস্যকর হুমকি দিচ্ছেন লকেট, এর জেরে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের আওতায় পড়া উচিৎ লকেটের।

ঠিক কি বলেছেন হুগলীর বিজেপি প্রার্থী লকেট, শুনে নিন:

নাম ঘোষণার পরদিনই হুগলী লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিনেত্রী লকেট চ্যাটার্জি হুগলী জেলার বাঁশবেড়িয়ার ঐতিহাসিক হংসেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচারের কাজ শুরু করেন। পুজো দিয়ে বেড়োনোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “হুগলী জেলায় একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়েছে”। তিনি বলেন, “হুগলী জেলায় একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। সে ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেননি এখানকার সাংসদ”।

আরও পড়ুনঃ ফাঁকা জনসভার ছবি তুলতে গিয়ে কংগ্রেস সমর্থকদের হাতে প্রহৃত চিত্র সাংবাদিক

কিন্তু তার ১৫ দিন আগে থেকেই তৃণমূলের হুগলীর প্রার্থী রত্না দে নাগ প্রচার শুরু করে দিয়েছেন এই কেন্দ্রে। অনেক আগে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ায় প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে রত্না দে নাগ। অনেক পরে প্রচারে এসে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন লকেট।

আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসবাদ বড় ইস্যু না হলে নিরাপত্তার বেষ্টনী ত্যাগ করুন, রাহুলকে পরামর্শ সুষমার

তবে বিজেপি প্রার্থীর সব বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন হুগলীর তৃনমুল প্রার্থী রত্না দে নাগ। নির্বাচনী বিধিভঙ্গ ও ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি ভিডিও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ তিন লাখ কোটি টাকায় বিবাহবিচ্ছেদ

লকেটের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার দাবী জানান হয়েছে। ভোট বন্ধ করার কোন হুমকি দেওয়া হয় নি। কিন্তু তার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়ে পড়ায় সব মিলিয়ে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি দিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে বিজেপির লকেট চ্যাটার্জী। তৃনমূলের অভিযোগ পাবার পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার কি ব্যবস্থা নেন সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুনঃ ভোট বাজারে মেজাজ হারালেন মমতার মন্ত্রী, বিজেপি প্রার্থীকে মারতে গেলেন

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
EXCLUSIVE: বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যে ৩০ শতাংশেরও কম স্পর্শকাতর বুথ https://thenewsbangla.com/sensitive-booths-only-30-percent-in-bengal-opponents-were-not-heard-by-eci/ Wed, 03 Apr 2019 05:15:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9797 নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপি, বাম ও কংগ্রেসের দাবি ছিল রাজ্যের সব বুথই স্পর্শকাতর বুথ বলে ঘোষণা করতে হবে। কিন্তু বিরোধীদের এই দাবি একেবারেই মানছে না কমিশন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলায় ৩০ শতাংশেরও কম বুথকে স্পর্শকাতর বুথ বলে ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেসের ভোট প্রতিশ্রুতি মাওবাদী ও জিহাদিদের সুরক্ষিত করবে, বিস্ফোরক অরুণ জেটলি

বিরোধীদের দাবিই সার, রাজ্যে ৩০ শতাংশেরও কম স্পর্শকাতর বুথ! যদিও চুড়ান্ত নয় এই রিপোর্ট। ফাইনাল রিপোর্ট পাওয়া যাবে প্রত্যেক দফার ভোটের দুদিন আগে। তখনই সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হবে, প্রত্যেকটি লোকসভা আসনের স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত। এখনও পর্যন্ত জেলাগুলি থেকে যে রিপোর্ট রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর পেয়েছে তাতে বিরোধীদের দাবি পূরণ হওয়ার কথা নয়।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হেলিকপ্টার পাচ্ছেন না মমতা, অভিযোগের তীর কেন্দ্রের দিকে

কমিশন সূত্র জানাচ্ছে, ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন আসার পর নানা ইনডেক্স মিলিয়ে বেড়েছিল স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা। সূত্র বলছে, সেটা দাঁড়িয়েছিল মাত্র ৩০ শতাংশের আশপাশে। কিন্তু এখন গোটা রাজ্যের ক্ষেত্রে কমতে শুরু করেছে সেই ‘ডায়নামিক রিপোর্ট’। এবার বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে আসার পর সেই হিসাব আরও কমছে বলেই জানা গেছে। আর এই হিসাব অনুযায়ীই হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন।

আরও পড়ুনঃ হুমকি দিয়ে ভোট চাইবার ভিডিও প্রকাশ্যে, মিমির হয়ে শাসানি পঞ্চায়েত প্রধানের

লোকসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরা কলকাতায় বলে গিয়েছিলেন, এ রাজ্য আবেগময়! হয়তো বা সেই কারণেই এ রাজ্যে নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক হিংসার ইতিহাস ধুলিমাখা স্মৃতি নয় মোটেই। কথা সত্যি করে, এবার লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাওয়ার একপক্ষ কালের মধ্যেও তেমন কোনও রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেনি।

আরও পড়ুনঃ ৩.৬২ কোটির কর ফাঁকি দেওয়ায় গিলানীর দিল্লির বাড়ি সিল করল আয়কর দপ্তর

যদিও বিরোধী বিজেপি, বাম ও কংগ্রেসের দাবি ছিল, এ রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করতে হবে। সূত্র বলছে, এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের মাধ্যমে যে লিস্ট পাওয়া গেছে তাতে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে কম হতে চলেছে। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের সময় স্পর্শকাতর বুথের শতাংশ ছিল ৫০ শতাংশ এরও কম।

আরও পড়ুনঃ জম্মু কাশ্মীরের জন্য আলাদা প্রধানমন্ত্রী, মোদী জবাব চাইলেন রাহুল ও মমতার কাছে

যেটা ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় আরও প্রায় ১০ শতাংশ কমে যায়। এবার লোকসভা নির্বাচনে যা পরিস্থিতি, তাতে এখনও পর্যন্ত সেই শতাংশ বাড়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। বরং কমছে। ২০১৪ সালে ভোট ঘোষণার আগে থেকেই যে পরিমাণ অভিযোগ আসতে শুরু করেছিল এবং সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, এখনও পর্যন্ত সেই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে না বলে রিপোর্ট এসেছে জেলা থাকে।

আরও পড়ুনঃ শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য রাজ্য সরকারের সাহায্য চাইলেন কমিশনের পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে এমন খবরই মিলেছে। শুধু তাই নয় অভিযোগের পরিমাণ এখনও পর্যন্ত ২০১৬ সালের থেকে অনেকটাই কম বলে সূত্রের খবর। শেষ পর্যন্ত রাজ্যে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটাই এখন দেখার। কারণ সেই সূত্র ধরেই মোতায়েন হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর এই খবর যে বিরোধীদের উদ্বেগ যে আরও বাড়াবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ মোদী স্পেশাল, ব্রিগেডে আসার জন্য চারটে আস্ত ট্রেন বুক করল বিজেপি

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সরান হল কে কে শর্মাকে, বাংলার নতুন পুলিশ অবজার্ভার বিবেক দুবে https://thenewsbangla.com/eci-remove-k-k-sharma-new-police-observer-of-bengal-is-vivek-dubey/ Thu, 28 Mar 2019 13:38:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9420 মেনে নেওয়া হল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তি। বাংলার পুলিশ অবজার্ভার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কে কে শর্মাকে। তাঁর জায়গায় পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হল বিবেক দুবেকে। প্রাক্তন আইপিএস বিবেক দুবে অন্ধ্রপ্রদেশ ক্যাডারের অফিসার। অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জেনারেল ছিলেন তিনি। কে কে শর্মার বদলে এখন দায়িত্ব নেবেন বিবেক দুবে।

আরও পড়ুনঃ উত্তরপ্রদেশে মহাজোটকে ‘শরাব’ বলে কটাক্ষ নরেন্দ্র মোদীর

লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যের কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষকের নিয়োগ ঘিরে চরমে ওঠে বিতর্ক। কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয় কে কে শর্মাকে। ভোটে নিরাপত্তা, বাহিনী মোতায়েনের দায়িত্ব দেওয়া হয় শর্মাকে। এ রাজ্যের পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও সামলাবেন কে কে শর্মা, এমনটাই ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপরেই শুরু হয় বিতর্ক। সাংবাদিক বৈঠকে স্পেশাল অবজার্ভার হিসেবে কে কে শর্মার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ভোটে উড়ছে টাকা, ৪২ আসনে নজরদারিতে ৪৪ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক

বুধবার দলের ইশ্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে লোকসভা ভোটে পুলিশ অবজার্ভার কে কে শর্মাকে বাংলায় দায়িত্ব নিয়ে পাঠানোয় আপত্তি তোলেন মমতা। বিএসএফ-এর প্রাক্তন ডিজির সঙ্গে আরএসএস যোগ নিয়ে সরব হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮২ ক্যাডারের আইপিএস অফিসার কে কে শর্মাকে বাংলার পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে কমিশনে যায় বাংলার বর্তমান শাসকদল তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ নামে ১১টা ফৌজদারি মামলা, খুন শ্লীলতাহানি মামলার আসামি লোকসভায় প্রার্থী কেন

বুধবার ইস্তেহার প্রকাশ করতে গিয়ে মমতা বলেন, “এই ব্যক্তি ইউনিফর্ম পরে আরএসএসের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ওঁকে কেন পর্যবেক্ষক করা হল? কমিশনকে বলব, “দয়া করে খতিয়ে দেখুন”। আরএসএসের অনুষ্ঠানে কে কে শর্মার ছবি সামনে এনে এ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন মমতা। তারপরই বৃহস্পতিবার কে কে শর্মাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। বাংলার নতুন পুলিশ অবজার্ভার বিবেক দুবে।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে ২ দিনের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করার চ্যালেঞ্জ মমতার

সাংবাদিক বৈঠকে কে কে শর্মার একটি ছবি দেখিয়ে মমতা বলেন, “বিএসএফ-এর ডিজি থাকার সময় খাকি উর্দি পরেই আরএসএস-এর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন কে কে শর্মা। সে-ই আজ স্পেশাল অবজার্ভার। এটা কোন গণতন্ত্র”? প্রশ্ন তোলেন তিনি। আপত্তি জানিয়ে কমিশনে চিঠি দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। সূত্রের খবর, সাংবাদিক বৈঠকে ছবি দেখিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের পরই নড়েচড়ে বসে কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে স্যাটেলাইট অস্ত্রের ঘোষণা কেন, মোদীর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

মমতার ছবি দিয়ে আপত্তি তোলার পর, নির্বাচন কমিশন কে কে শর্মাকে সরিয়ে প্রাক্তন আইপিএস বিবেক দুবেকে স্পেশাল অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগের পাশাপাশি ২৪ জন পুলিস অবজার্ভার নিযুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে ৪৭ জন জেনারেল অবজার্ভার আসছেন। এরমধ্যে ঝাড়গ্রামের জন্য আলাদা করে জেনারেল অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। আলাদা করে অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে দার্জিলিং সহ পাহাড় এলাকার জন্যও।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/the-election-commission-of-india-is-keeping-an-eye-on-social-media/ Sat, 23 Mar 2019 05:42:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9075 সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন। বিভিন্ন নিয়ম কানুনে এবার সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচন বা ভোট করাতে চায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু অন্যবারের তুলনায় এবার কমিশনের নতুন সমস্যা সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়াকে কন্ট্রোল করতে এবার কড়া কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ৪৮ ঘণ্টা পর ৬০ ফুট গভীর গর্ত থেকে শিশুকে উদ্ধার করে কামাল ভারতীয় সেনার

সোশ্যাল মিডিয়াকে কড়া নজরে রাখবে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়ে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তথা ইন্টারনেট ও মোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধিকে অভিনব ও ঐতিহাসিক ব্যবস্থা বলে ব্যাখ্যা করে বলেন, নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষনার দিন থেকে সমগ্র প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠান এই বিধি মেনে চলবে।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতমাতা কি জয়’, বলে দলের মধ্যেই ফের বিপদে নেতা

সব রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতির প্রেক্ষিতেই এই আচরণবিধি। শ্রী আরোরা সোস্যাল মিডিয়া সংগঠনগুলিকেও লোকসভা নির্বাচন তথা দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে নিয়ম মেনে চলার জন্য একই ধরনের বিধি প্রণয়নের পরামর্শ দেন। নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত মাধ্যমগুলির ‘ভূমিকা’ প্রণয়নের ব্যাপারে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলে নিশীথের হয়েই প্রচার শুরু বিজেপির বিক্ষুব্ধদের

তিনি বলেন, সংযত থাকার মানসিকতা সভ্য নাগরিক সমাজগুলির হলমার্ক স্বরুপ। এই মানসিকতা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে থাকে। নির্বাচন কমিশন নৈতিকতা বজায় রেখে সুষ্ঠ, অবাধ নির্বাচন পরিচালনায় অঙ্গিকারবদ্ধ জানিয়ে জনপ্রতিনিধিদের জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা রিপোর্টে গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক

বিভ্রান্তি দূর করার ক্ষেত্রেও এই ধরনের গণমাধ্যমগুলির ভূমিকা উপেক্ষা করা যায় না। সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের উদ্দেশ্য পূরণে সোশ্যাল মিডিয়াগুলির অংশগ্রহণ নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে। রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে আগাম সংশাপত্র দেওয়া এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে ভরা তৃণমূলের তারকা তালিকা নির্বাচন কমিশনে

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রুখতে এই ধরনের মাধ্যমগুলির জন্য এক কার্যকরী ব্যবস্থা প্রণয়নের ওপরেও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে ইন্টারনেট ও মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন সহ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, গুগল, শেয়ার চ্যাট, টিকটক এবং বিগো টিভির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

বৈঠকে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি দিন দুয়েকের মধ্যেই নির্বাচনী নৈতিকতা বিধি কার্যকর করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিভাবে এই নিয়মবিধি কার্যকর হয় সেটাই এখন দেখার। ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ এ বিশেষভাবে নজরদারি চালান হচ্ছে। ভোটের সময় সোশ্যাল মিডিয়াতেও যে কড়া নজর থাকছে নির্বাচন কমিশনের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-to-announce-lok-sabha-election-dates-today/ Sun, 10 Mar 2019 07:50:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7999 রবিবার বিকালেই ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। বিকাল ৫ টায় ডাকা হয়েছে সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানেই ঘোষণা হতে পারে লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ।

লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে যেতে পারে আজ রবিবারই। নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠকে বসেছে। চলছে সেই বৈঠক। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, এদিন বিকেল পাঁচটায় তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলন করবে। তার জেরেই লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনাও।

১১ মার্চ লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু রবিবার বিজ্ঞান ভবনে নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠকে বসে। ফলে একদিন আগেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে কমিশন সূত্রে। গোটা দেশ এখন এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে।

কদফায় কবে কবে ভোট হবে সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা ভারত। তাকিয়ে সব রাজনৈতিক দল।

আগামী ৩ জুন শেষ হবে চলতি লোকসভার মেয়াদ। তার আগেই ভোট পর্ব ও গননার কাজ শেষ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

২০১৪-র লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ সেই বছর ৫ মার্চ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ২ মাস জুড়ে বেশ কয়েক দফায় লোকসভা ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সাত থেকে আট দফায় ভোট হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনও একসঙ্গে হতে পারে। ভোটের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই চালু হয়ে যাবে আদর্শ আচরণবিধি। পুলিশ প্রশাসন চলে যাবে নির্বাচন কমিশনের হাতে।
৩ বছরের বেশি সময় ধরে যে সমস্ত পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা একই জায়গায় আছে তাদের অন্য জায়গায় বদলি করতে পারে নির্বাচন কমিশন।

]]>
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় https://thenewsbangla.com/even-after-panchayet-election-violence-less-central-forces-in-bengal-for-lok-sabha-vote/ Tue, 29 Jan 2019 15:59:16 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6176 বঙ্গ বিজেপির চিন্তা বাড়াল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত ভোটে ব্যপক হিংসা ও রক্তপাতের পরেও লোকসভা ভোটে কম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর। খবর পেতেই জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। সিপিএম ও কংগ্রেসের তরফেও এই খবরে চিন্তা প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মমতার স্বরাষ্ট্র সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের এক রোহিঙ্গার

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যে সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছিল, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তার থেকে অনেক কম সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে রাজ্যে। এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। যদিও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেই কম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কারণে বিভিন্ন জায়গায় ব্যপক রিগিংয়ের অভিযোগের পাশাপাশি বিরোধীদের বিরুদ্ধে শাসক দলের চরম সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল।

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা

তারপরও কমিশন সূত্রে এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে। তবে কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি যে রাজ্যে কত দফায় এবারের লোকসভা নির্বাচনকে সম্পন্ন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ২৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট

মঙ্গলবার দুদিন ব্যাপী রিটার্নিং অফিসারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং পরীক্ষা শেষ হবার পর রাজ্য পুলিশের এডিজি আইন শৃঙ্খলা, বিধান নগরের পুলিশ কমিশনার এবং কয়েকজন জেলাশাসককে নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন, রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন এর ফুল বেঞ্চ এর সামনে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ নিয়ম মেনে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে রাখা যায় রাতেও

রিপোর্টে থাকবে রাজ্যে বর্তমানে কত সংখ্যক ফোর্স রয়েছে এবং তাকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় লোকসভা নির্বাচনে। সেই তথ্য দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে, এমনটাই খবর কমিশন সূত্রে। অন্যদিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সব জেলার পুলিশ সুপারদেরও আজ কিছু বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়।

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা

বুধবার রাত ৯টায় শহর কলকাতায় এসে নামবেন চীফ ইলেকশন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। বিমানবন্দর থেকে তাঁরা সোজা চলে আসবেন ধর্মতলা লাগোয়া একটি বেসরকারি হোটেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯.৩০ থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে ১০ মিনিট করে সময় দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

বেলা সাড়ে ১১টা থেকে প্রথম পর্বে ১২টি জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। এরপর দ্বিপ্রহরিক আহার এর পরে বেলা আড়াইটা থেকে দ্বিতীয় দফায় বাকি ১১টি জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর

বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর এক্সাইজ কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সকাল ৯.৩০ থেকে প্রথমে নির্বাচন কমিশন বৈঠক করবে ডিজি, স্বরাষ্ট্র সচিব ও মুখ্য সচিবের সঙ্গে। তারপর বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে কমিশনের ফুল বেঞ্চ ফিরে যাবেন দিল্লিতে।

তবে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনকে সফল ও নিরাপদ ভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন সকলের কাছে আগ্রহের বিষয়। তবে প্রথমেই পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় আসার খবরে হতাশ রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

জয় হিন্দ, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সোনার অক্ষরে লেখা ইতিহাস

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর

মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

কালামের নামে ছাত্রদের তৈরি হালকা উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে নজির ভারতের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>