Dilip Ghosh – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 23 Jun 2022 03:52:09 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Dilip Ghosh – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে ‘জুতো মা’রার দা’ওয়াই’ দিয়ে বিতর্কে বিজেপি নেতা https://thenewsbangla.com/state-education-minister-paresh-adhikari-must-beating-with-shoes-bjp-leader-dadhiram-ray-remarks/ Thu, 23 Jun 2022 03:51:09 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15667 শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে; ‘জুতো মা’রার দা’ওয়াই’ দিয়ে বিতর্কে বিজেপি নেতা। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমানে মেয়েকে দুর্নীতি করে চাকরি দেওয়া বিতর্কিত বাবা; পরেশ অধিকারীকে জুতো মা’রার দা’ওয়াই দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন বিজেপির জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দধিরাম রায়। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের এক সভায় তিনি বলেন; “পরেশ অধিকারীকে যেখানেই দেখবেন; জুতো দিয়ে মা’রবেন”। এরপরেই জেলা ছাড়িয়ে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

পরেশকে জুতো মা;রার নিদান দিয়ে বিতর্কে; বিজেপি নেতা দধিরাম রায়। “এটাই বিজেপির রুচির পরিচয়”; সমালোচনা করেছেন কোচবিহারের জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়। জলপাইগুড়ির মেখলিগঞ্জে সভা করতে এসেছিলেন; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকারের, আট বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে; মেখলিগঞ্জ বাজারে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক সংলগ্ন এলাকায়, বিজেপির তরফে একটি সভার আয়োজন করা হয়। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জয়ন্ত রায়; বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী; বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দধিরাম রায় সহ প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ সিবিআই হেফাজতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সার্ভার রুম, ভয়ে কাঁপছে বড় ঘুষখোররা

এদিনের সভা থেকে মেখলিগঞ্জের বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারীকে; তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। এদিন দিলীপবাবু বলেন, “পরেশবাবু যখন বামফ্রন্টের মন্ত্রী ছিলেন; তখন রেশন নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল। পরেশবাবু নিজের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনদের চাকরি দিয়েছেন। সিবিআই তদন্ত না হলে; আমরা জানতেই পারতাম না। পুলিশ এখন ঠুটো জগন্নাথ হয়ে গিয়েছে; তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের ছাড়া কথা শুনতে পায়না। তৃণমূল কংগ্রেস মানুষকে লুট করে ছেড়ে দিয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা জানতেই পারেনি, তার ‘পাগল প্রেমিক’ ছেড়ে চলে গেল চিরবিদায়ে

এরপরেই পরেশ অধিকারীকে জুতো-পে’টা করার নি’দান দিয়ে; বিতর্কে জড়ান বিজেপি নেতা দধিরাম রায়। বিজেপির এই সভায় সব বক্তারই আ’ক্রমণের লক্ষ্য ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। তবে সবার মধ্যে, দধিরামই বক্তব্যে মাত্রা ছাড়ান। পরে তিনি বলেন; “চোরদের দেখলে জুতোর মালা পড়াতে হয়; তাই একথা বলেছি”। মেখলিগঞ্জ আইএনটিটিইউসির শহর সভাপতি, তৃণমূল নেতা অমিতাভ বর্ধন চৌধুরী বলেন; “দধিরামের রাজনৈতিক জীবন, পরেশবাবুর ছত্রছায়াতেই বেড়েছিল”। ভবিষ্যতে দধিরাম রায়কে এই মন্তব্যের জন্য জবাব দিতে হবে”।

]]>
“তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রোল ঢেলে দিন, দেখুন কেমন দৌড়ায়”, ফের বিতর্কে দিলীপ https://thenewsbangla.com/dilip-ghosh-controversial-comment-about-tmc-leaders-in-bankura/ Wed, 11 May 2022 14:24:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15055 “তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রোল ঢেলে দিন; দেখুন কেমন দৌড়ায়”, ফের বিতর্কে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। শাসক দলের উদ্দেশে ফের কুরুচিকর মন্তব্য; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষের। বুধবার বাঁকুড়ার মাচানতলায়, এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে; তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রল ঢেলে দেওয়ার নিদান দিলেন দিলীপ ঘোষ। দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি ছেলেবেলায় কুকুরের পিছনে; পেট্রল ঢেলে দেওয়ার কথাও বলেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে; ফের বিদ্বেষমূলক রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা, দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে।

বুধবার ভয় মুক্ত বাংলা, হিংসা মুক্ত রাজনীতির দাবি তুলে; বাঁকুড়ার হিন্দু হাইস্কুল ময়দান থেকে পদযাত্রা করে বাঁকুড়ার মাচানতলায় আকাশ মুক্তমঞ্চে সভা করেন দিলীপ ঘোষ। এই সভা থেকে আলুর দাম বৃদ্ধির জন্যে; রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি কে, পরিস্কার জানিয়ে দিলেন অভিষেক

মঞ্চে তিনি বলেন, “আলু ১৫-২০ টাকা থেকে; আজ ৩৫ টাকায় পৌঁছে গেছে। আলু কি ইউক্রেন থেকে আসে; না রাশিয়া থেকে আসে? ৯০ টাকার পেট্রল যদি ১১৫ টাকা হয়; তাহলে দাম বাড়ল ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। আর আলু ১৮ টাকা থেকে ৩৬ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ দাম বেড়েছে। পেট্রল কেউ খায় না; কিন্তু আলু সবাই খায়। এখন তৃণমূল নেতাদের ধরে; পিছনে একটু পেট্রল দিয়ে দিন। দেখুন তাঁরা কেমন দৌড় মারবে। আমরা ছোট বেলায় বদমায়েশি করে; কুকুরের পিছনে পেট্রল দিয়ে দিতাম”।

আরও পড়ুনঃ কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না, ফের বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু

প্রকাশ্যে বিজেপি নেতার এই কুরুচিকর মন্তব্যে প্রসঙ্গে; বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শ্যামল সাঁতরা বলেন; “এর থেকে খারাপ বার্তা; মানুষের কাছে আর আসতে পারে না। এতেই বোঝা যায় বিজেপির সংস্কৃতি কোথায় পৌঁছেছে”। তাঁর মতে, “তৃণমূল কর্মীদের কুকুরের সঙ্গে তুলনা করার জন্য; দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”।

দিলীপ ঘোষ এর এই বক্তব্য ঘিরে, শুরু হয়েছে; তৃণমূল বিজেপির জোর রাজনৈতিক তরজা। এর আগেও বিভিন্ন সময় দিলীপ ঘোষ এর বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে; রাজনৈতিক জলঘোলা কম হয়নি। এবার ফের তাঁর মন্তব্য নিয়ে শুরু হল বিতর্ক।

]]>
পদ্ম শিবিরে তুমুল ডামাডোল, সামাল দিতে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ https://thenewsbangla.com/amit-shah-is-coming-to-bengal-to-handle-the-absard-situation-of-bengal-bjp/ Sat, 30 Apr 2022 04:23:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14996 পদ্ম শিবিরে তুমুল ডামাডোল; সামাল দিতে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ। ‘আব কি বার, ২০০ পার’, না ২০০ পার তো হয়নি; উল্টে ১০০ পেরোয়নি বিজেপি। একুশের নির্বাচনে ২০০ পারের লক্ষ্যে; জোর ধাক্কা খেতে হয়েছে। এরপরে কলকাতা পুরসভা নির্বাচনেও চূড়ান্ত ভরাডুবি। রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনে; শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। দুবার উপনির্বাচনে হারের ধারা অব্যাহত রয়েছে; শান্তিপুর, দিনহাটা এমনকী আসানসোলও হাতছাড়া হয়েছে। এরপর গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত শুরু হয়েছে, নেতায় নেতায় ঝামেলা। চূড়ান্ত ডামাডোল বঙ্গ বিজেপিতে। আর এবার সেটা সামাল দিতেই; বাংলায় আসতে হচ্ছে; স্বয়ং অমিত শাহকে।

একুশের নির্বাচনে পরাজয়ের পর; এই প্রথম বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গেছে, সরকারি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং শিলিগুড়িতে একটি জনসভা করবেন তিনি। কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্ব ও জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে; দফায় দফায় সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন তিনি। এখন রাজ্য বিজেপিতে যে ডামাডোল অবস্থা চলছে; তা থামাতে তিনি কি ব্যবস্থা নেন সেটাই দেখার বিষয়।

ঠিক কী পরিস্থিতি বিজেপির?‌ একের পর এক ভোটে হারার পড়ে; আদি বনাম নব্য বিজেপির লড়াইয়ে সংগঠন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বিভিন্ন শিবিরে ভাগ বঙ্গ বিজেপি। যত নেতা তত শিবির। শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, রাহুল সিনহা, শমীক ভট্টাচার্য, সবার যেন আলাদা আলাদা শিবির। তথাগত রায় ও দিলীপ ঘোষ এর বাক্য বিনিময়। লকেট চ্যাটার্জিকে সহ্য করতে পারেন না সুকান্ত মজুমদার। আরও কত ব্যক্তিগত সমস্যা। বিধায়ক–সাংসদরা দল ছাড়তে শুরু করেছেন। এই আবহে বাংলায় আসছেন সভাপতি অমিত শাহ। তাহলে কী ড্যামেজ কন্ট্রোল করতেই বাংলায় বিজেপির চাণক্য? উঠছে প্রশ্ন।

এরমধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী; জেলা বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে লেফট হলেন। সাংগঠনিক গ্রুপ থেকে লেফট হয়েছেন; বিধায়ক অশোক দিন্দা। শুভেন্দু অধিকারীর জেলার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে লেফট হওয়া নিয়ে; আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এমনকী নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে; বিজেপি নেতা সাহেব দাসও লেফট হয়েছেন।

অমিত শাহ কি কি ব্যবস্থা নেন; সেটাই এখন দেখার। যদিও বঙ্গ বিজেপি নেতারা ডামাডোলের কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন; “অমিত শাহজি আসছেন। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে, কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্ব ও জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে; সাংগঠনিক বৈঠক করবেন”।

]]>
“নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন, মোদীর টাকায় ফুটানি”, বিস্ফোরক দিলীপ https://thenewsbangla.com/demanded-from-the-center-the-cost-of-her-own-helicopter-dilip-ghosh-on-mamata-banerjee/ Fri, 29 Apr 2022 12:48:16 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14983 “নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন; মোদীর টাকায় ফুটানি”; ফের বিস্ফোরক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এবার ফের নিশানা করলেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে। তৃণমূল-বিজেপি বা শাসক বিরোধী তরজা লেগেই রয়েছে রাজ্যে। কেন্দ্রের কাছ থেকে কয়েক হাজার কোটি বকেয়া টাকা পাওয়া বাকি রাজ্যের; সম্প্রতি নবান্নে এই তথ্য জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল নবান্নর সভাঘর থেকে ফের; ‘রাজ্যের চিঠিতে কেন্দ্রের কুলুপ’ প্রসঙ্গে মোদী সরকারকে তোপ দাগেন তিনি। এবার সেই ইস্যুতেই তৃণমূল সুপ্রিমোকে পাল্টা বিঁধলেন; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন; “রাজ্যের বকেয়া রয়েছে নাকি? দিল্লির কাছে আমিও জানতে চাইছি; ৯৭ হাজার কোটি টাকার হিসেব এল কোথা থেকে? ৪৩ হাজার কোটি টাকা আমফান সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য; এটা যে মমতার মনগড়া তা নয় বোঝা গেল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে চড়ে যে খরচ করেছেন; সেই খরচও দাবি করছেন সেই হিসেবে। পার্টির লোককে সরকারি পয়সায় পুষবে; আর সেই টাকা দিল্লি দেবে? কেন? অন্য রাজ্য তো কান্নাকাটি করে না; কেন টাকা নেই টাকা নেই বলে। এসব দাবি খালি এই রাজ্যে। সবসময় মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন; আর দিল্লির প্রকল্প নিজের নামে চালাবেন। বাংলার মানুষ কি বুঝতে পারেনা এসব”।

পাশাপাশি রামপুরহাট ও হাঁসখালির ঘটনায়; পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের ‘পুলিশমন্ত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির কথায়; “লজ্জা থাকা উচিত ওনার। ১১ বছর ধরে উনি পুলিশমন্ত্রী হয়ে কি করেছেন? প্রথমে বিরোধীদের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সফলও হয়েছেন। ওর কথা চলছে না, শুনছে না পুলিশ; তাহলে তো ওনার পদত্যাগ করা উচিত। পার্টিতেও কমিটি করেও লাভ হচ্ছে না; কথা কেউ শুনছে না ওর”।

এখানেই থেমে থাকেননি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের হিংসা, তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন; “বাংলা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়; বাংলাদেশে অপরাধ করে এসে এখানে আশ্রয় নিচ্ছে। পাঞ্জাবে অপরাধ করে এসে; বাংলায় লুকোচ্ছে। এটা একটা টেরো-রিস্টদের হাব হয়ে গেছে। সমাজবিরোধী এবং গুন্ডাদের হাব বাংলা। এখানকার সরকার কতটা অকর্মণ্য; এর থেকেই প্রমাণ হচ্ছে”।

]]>
বাংলার সব ঘটনা ছেড়ে, দিল্লি গেল তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম https://thenewsbangla.com/leaving-all-the-incidents-in-bengal-tmc-fact-finding-team-went-to-delhi/ Sat, 23 Apr 2022 07:19:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14920 মাটিয়া, মালদহ, হাঁসখালি, নামখানা, বোলপুর, পিংলা, নবদ্বীপ; রাজ্য জুড়ে একের পর এক নারী, নাবালিকা গণ’ধ-র্ষণ ও নি-র্যাতনের ঘটনা ঘটেছে; কিন্তু কোথাও দেখা যায়নি তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে। দেখা গিয়েছিল হাথরসে; কিন্তু দেখা যায়নি হাঁসখালিতে। এবার দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখতে; শুক্রবার দিল্লি যায় তৃণমূলের ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম’। আর এরই চরম সমালোচনা করলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়ের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম; জাহাঙ্গিরপুরীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার উদ্দেশ্যে রাজধানী শহরে গেলেও; শেষ পর্যন্ত হিংসার ঘটনা ঘটেছিল যেখানে সেখানে ঢুকতে পারল না তৃণমূলের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম! তৃণমূলের অভিযোগ, তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে; ‘আটকায়’ দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে; ওঠে তৃণমূলকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ! তৃণমূলের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের; সফরের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরেই তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের দিল্লি যাওয়া নিয়ে; সরব হয় বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার থেকে শমীক ভট্টাচার্য; প্রত্যেকেই তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে কটাক্ষ করেন। শনিবার সকালে জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠানো নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন; “রাজ্যে হিংসা বন্ধ করতে পারেন না; নাটক করতে ওখানে গেছেন। আসলে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন; ওঁরা এটাই চান”।

শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন; “বাংলার কোথাও যেতে পারল না তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম; তবে পৌঁছে গেল দিল্লিতে। দিদিমণির নাটক আর নিচ্ছে না বাংলার মানুষ”। সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যও; একই সুরে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন।

তবে বিজেপিকে একহাত নেন; তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতের মতন রাজধানী দিল্লিতেও সাম্প্র’দায়িক উস-কানি দিচ্ছে বিজেপি। দেশের পক্ষে লজ্জা ও বিপদজনক ঘটনা এটি”। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়ও একযোগে বিজেপিকে একহাত নেন; দিল্লির ঘটনা নিয়ে।

]]>
কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘খিল্লি’ করল গেরুয়া শিবির https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-worshiped-at-kashi-bishwanath-temple-gerua-shibir-made-fun-of-her/ Fri, 04 Mar 2022 06:44:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14900 কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; ‘খিল্লি’ করল গেরুয়া শিবির। গতকালই অখিলেশের প্রচারসভায় যোগ দিতে; যোগী রাজ্য উত্তরপ্রদেশে গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আজই তৃণমূল নেত্রীর বার্তা-‘জয় শ্রীরাম নয়; ভুল কথা বলবেন না; বলুন জয় সিয়ারাম’। বারাণসীতে দাঁড়িয়ে যোগী আদিত্যনাথ সহ বিজেপি নেতৃত্বকে; কটাক্ষ করে গেলেন তৃণমূল নেত্রী। গতকাল বারাণসীতে পা দিয়েই; বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তৃণমূল নেত্রীকে। শুধু তাই নয় গাড়িতে ধাক্কা দেওয়া থেকে শুরু করে; কালো পতাকাও দেখানো হয় তাঁকে। এরপরেই জনসভা থেকে বিজেপি কর্মীদের তীব্র কটাক্ষ করেছেন মমতা।

এদিকে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে ষোড়শ উপাচারে; ভক্তি ভরে পুজো দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত শ্রীকান্ত মিশ্রকে পাশে বসিয়ে; যাবতীয় ধর্মীয় আচার পালন করেন মমতা। ফুল-ফল সহযোগে নৈবেদ্য পরিবেশনের সঙ্গেই; শান্তি কামনায় বাবা বিশ্বনাথের মাথায় দুধও ঢালেন তিনি। দৃশ্যত পরিতৃপ্ত মমতা গলায় তখন শুধুই ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনি। সমাজবাদী পার্টি ও তার জোটসঙ্গীদের জনসভা মাতিয়ে মমতা সোজা চলে আসেন কাশী করিডরে বাবা বিশ্বনাথের মন্দিরে। উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে স্বাগত জানায় মন্দির কর্তৃপক্ষ।

মহাদেবের চরণে পুজো দেওয়ার সঙ্গেই; পার্বতী, অন্নপূর্ণা মন্দিরেও পুজো দেন তিনি। ভক্তি নিবেদন করেন ‘নন্দী মহারাজ’এর কাছেও। মন্দিরের বাইরে তখন মমতাকে দেখার প্রতীক্ষায়; কাতারে কাতারে মানুষ। বুধবার শৈবতীর্থের এই অংশে দশাশ্বমেধ ঘাট রোডে; গেরুয়া পার্টির লোকজন মমতাকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তুলে। কিন্তু তাতে বিচলিত হননি বাংলার অগ্নিকন্যা; হাসিমুখে সবাইকে করজোড়ে জানালেন;‘হর হর মহাদেব’!

সকালে জনসভা ও ভোট প্রচারে ব্যস্ত থাকলেও; দুপুরে সমস্ত কাজ সম্পন্ন করে বিশ্বনাথ মন্দির পরিদর্শন করেন তৃণমূল নেত্রী। দীর্ঘক্ষণ ধরে মন্দিরে পুজো দেন তিনি; করেন আরতিও। বিশ্বনাথ শিবের মাথায় দুধ ঢেলে; পুজো সম্পন্ন করেন মমতা।

কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে; মমতার পুজোর ছবি ছড়িয়ে পরতেই কটাক্ষ করেছে বিজেপি শিবির। শেষপর্যন্ত মমতাকে হিন্দু ধর্মের পুজো করতে হল; সেই ভোটের জন্যই; কটাক্ষ গেরুয়া শিবির থেকে। কপালে সাদা হলুদ চন্দন মাখা মমতার ছবি শেয়ার করে; খিল্লি শুরু করেছে বিজেপি নেতারা। ভোটের জন্য মমতাকে কাশি বিশ্বনাথের দরবারে ছুটতে হল; কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের।

]]>
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নতুন ফরমান, মুসলিম অধ্যুষিত স্কুলে বানাতে হবে ডাইনিং হল https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-govt-new-circular-dining-hall-for-muslim-school-students/ Thu, 27 Jun 2019 16:43:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14594 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নতুন ফরমান; মুসলিম অধ্যুষিত স্কুলে বানাতে হবে ডাইনিং হল। মিড ডে খাবার জন্য; এবার মুসলিম ছাত্র ছাত্রীরা পাবেন ডাইনিং হল। গত ২৫ তারিখে নবান্ন থেকে জারি হয়েছে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের এই নতুন সার্কুলার। বাংলার যে যে স্কুলে মুসলিম ছাত্র ছাত্রীদের পরিমাণ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি; সেই সব স্কুলে বানাতে হবেল একটি করে ডাইনিং হল বা খাবার ঘর।

খাবার ঘর পাবে স্কুল ছাত্র ছাত্রীরা? কিন্তু কেন এমন ঘোষণা? রাজ্যের যেসব স্কুলে মুসলিম ছাত্র ছাত্রীদের পরিমাণ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি; শুধু সেখানেই তৈরি হবে এই ডাইনিং রুম। কিন্তু যেখানে হিন্দু ছাত্র ছাত্রীর পরিমাণ বেশি; সেখানে কেন স্কুলে স্কুলে ডাইনিং রুম হবে না?

আরও পড়ুনঃ জনতার অসন্তোষে আক্রান্ত শাহরুখকে, মমতার ক্ষতিপূরণ কি নাম ধর্ম দেখে, প্রশ্ন বিজেপির

প্রশ্নটা তুলে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা ৫০ নাগাদ; বিজেপি রাজ্য সভাপতি ও খড়গপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ; তাঁর ফেসবুক পোস্ট ও পরে টুইট করে এই প্রশ্ন তুলেছেন। দিলীপ ঘোষ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে; সরকারি সেই সার্কুলার টারও ছবি দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ ভারতের রঙ কমলা, পরিবর্তনের পিছনেও মোদীর হাত দেখছে বিরোধীরা

সেই সার্কুলারেই দেখা যাচ্ছে; রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সব জেলাশাসক ও স্কুল শিক্ষা দফতরে এই সার্কুলার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলেই এই অদ্ভুত সার্কুলার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মমতা নিজেই রাজ্যে বিজেপিকে আমন্ত্রণ করেছেন, বিস্ফোরক সুজন

তৃণমূলের তরফ থেকে জানান হয়েছে; নামাজ পরার জন্যই এই ঘর তৈরির নির্দেশ দেওয়ার জন্য; সব স্কুলের খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে হিন্দুদের বঞ্চনার কোন প্রশ্নই নেই। যদিও সরকারি তরফে এখনও কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এখানেই ফের মমতার মুসলিম তোষণ এর দিকেই আঙুল তুলেছে বিজেপি। বিজেপি রাজ্য রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ; সরাসরি হিন্দুদের প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন। কিন্তু হঠাৎ মুসলিম ছাত্র ছাত্রীদের জন্য; কেন ডাইনিং হল? হিন্দু ছাত্র ছাত্রীদের জন্য নয় কেন? গোটা বাংলা জুড়ে উঠে গেছে প্রশ্ন।

]]>
পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে, লোকসভায় বিতর্কে দিলীপ ঘোষ https://thenewsbangla.com/dilip-ghosh-controversy-remarks-in-parliament-bengal-to-bangladesh/ Tue, 25 Jun 2019 12:40:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14410 লোকসভা অধিবেশনে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যকে ঘিরে উত্তেজনা। “পশ্চিমবাংলাকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কটাক্ষ করে; তিনি বক্তব্য পেশ করেন। বাংলার সাংসদ দিলীপবাবু জানালেন, বাংলার অসুবিধার কথার পাশাপাশি; বিভিন্ন সুবিধার সম্ভাব্যতার কথা। তারপরেই শুরু হয়ে যায় জোর বিতর্ক।

তিনি বলেন, “পশ্চিমবাংলাকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”। অন্যদিকে এদিন মমতা ব্যানার্জী বলেন, “বিজেপি পশ্চিমবাংলাকে গুজরাট বানাচ্ছে”। বিজেপির দাবি, বাংলা গুজরাট হলে; কলকাতার ছেলে মেয়েদের পরিবার ছেড়ে বাইরে কাজের জন্য যেতে হবে না।

দিলীপ ঘোষ এদিন বললেন, আগে সমাজে লোকেরা; রাজনীতিতে আসতে ভয় পেত; কেননা রাজনীতির নামে চলত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, হামলা, ভ্রষ্টাচার ইত্যাদি। কিন্তু আজকের রাজনীতি অনেক বেশি সুস্থ। দেশে যুবক সম্প্রদায় বুঝেছে; রাজনীতিতে যাওয়ার দরকার আছে।

তিনি বললেন, “মোদীজি নিউ ইন্ডিয়া তৈরী করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করেছে। কিন্তু পশ্চিবঙ্গের মানুষ; আয়ুষ্মান প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তৃণমূল সরকার; আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করেনি। ৫০ কোটি লোক এই প্রকল্পের সুবিধা পেলেও; বাংলায় কেউ এই সুযোগ পাচ্ছে না। কারণ বাংলার সরকার রাজনীতি দ্বারা; প্রভাবিত হয়ে বিভিন্ন নির্ণয় গ্রহন করেন”।

দিলীপবাবু আরও বলেন, “বাংলায় হাসপাতাল আছে; কিন্তু কোনো ডাক্তার নেই; ডাক্তার থাকলে নার্স নেই; নার্স থাকলে ওসুধ নেই; আর ওসুধ থাকলে; বেড নেই।” এমনকি কৃষকের মৃত্যু সংখ্যা বাংলায় বাড়ার কারন; তারা কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো সুবিধাই পাচ্ছে না। বললেন “আগে বাংলা থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামী জন্ম নিয়েছেন; এখন রাজ্যে কাটমানি শব্দের জন্ম হয়েছে”।

দিলীপ ঘোষ এদিন সংসদে বললেন, “পশ্চিমবঙ্গ গণতন্ত্র খুঁজে পাওয়া যায় না। বাংলায় সরকার আছে কিন্তু আইন নেই। থানা আছে কিন্তু পুলিশ নেই। স্কুল আছে কিন্তু টিচার নেই। কলেজ আছে কিন্তু প্রফেসার নেই। কোর্ট আছে কিন্তু উকিল নেই। এই হল সোনার বাংলা”।

দিলীপবাবুর দাবী, বাংলার মানুষ পরিত্রান পেতেই; বিজেপির ১৮ জনকে জিতিয়েছেন। বাংলায় এখন ভাষার ভেদাভেদ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলায় গেলে বাংলা শিখতে হবে। বাংলাদেশ থেকে অভিনেতা এনে; তৃনমূল ভোট প্রচার করলে সেটা বহিরাগত হচ্ছে না। কিন্তু অর্জুন সিংহ ও প্রধানমন্ত্রী বাংলায় গেলে; তাদের বহিরাগত বলা হচ্ছে। তবে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

]]>
একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্যই বাংলায় অশান্তি, বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ https://thenewsbangla.com/dilip-ghosh-controversial-remark-bengal-unrest-for-a-special-community/ Wed, 12 Jun 2019 14:27:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13705 একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্যই রাজ্যে অশান্তি; বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। “ভোট পাবার জন্য; মমতা কোন ব্যবস্থা নেন না। একটি বিশেষ সম্প্রদায় জানে; তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেবে না পুলিশ, তাই এত অশান্তি”; বুধবার বিজেপি রাজ্য অফিসে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিজেপির বিরুদ্ধে ধর্মীয় রাজনীতি করার অভিযোগ তৃণমূলের।

“দুধের গরু যাদের লাথ খান মমতা; তাদের জন্যই রাজ্যে অশান্তি”, বিস্ফোরক দিলীপ। “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ নীতির জন্যই; ভেঙে পড়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা”। বুধবার বিজেপির রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে; এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, “শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেওয়ার অধিকারেই; আইনে বাইরে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বিপন্ন করছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়”।

বাংলায় অশান্তি থামাতে এবার হস্তক্ষেপ করলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী

দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, “রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতাল বন্ধ। বেসরকারি হাসপাতালের পরিষেবাও ব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ রোগী আসেন। অনেকে ক্যানসার আক্রান্ত। কী অবস্থায় আছেন তাঁরা! ডাক্তাররা আজকে পরিষেবা দেননি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা? তাঁরা বাধ্য হয়েছেন। তাঁরা বিপন্ন। একাধিক হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটেছে”।

এরপরেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন; “বিকেল পাঁচটায় রোগী মারা গেল, আর রাতে এনআরএসে অবাধে ঢুকে পড়ল দুষ্কৃতীরা। হাসপাতাল মারপিট করার জায়গা?” মমতার বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতির অভিযোগ করে দিলীপ বলেন; “একটি বিশেষ সম্প্রদায়, যাদের দুধ খান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; তারাই সন্দেশখালিতে খুন করেছে”।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির লালবাজার অভিযান ঠেকাতে কলকাতা পুলিশের ইলেকট্রিক শক

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন; “গতবছর কলকাতা মেডিক্যাল হাসপাতালে হামলা করেছে; এই বিশেষ সম্প্রদায়। আইনের বাইরে গিয়ে খালি মমতাকে ভোট দেওয়ার অধিকারে আইনশৃঙ্খলাকে বিপন্ন করছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়। বিজেপির উপরে হামলা করা হচ্ছে। গত এক বছরে একটাও এফআইআর দেখলাম না। কেউ সাজা পেল না”।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন; “ডায়মন্ডহারবারের একাধিক গ্রাম হিন্দুশূন্য করা হয়েছে। সন্দেশখালিতে খুনিরাও একই সমাজের। একটা সমাজের লোকেদের; নিজেদের স্বার্থে দুষ্কৃতী তৈরি করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই সমাজের যারা মাথা তাদের বলব; এদের ফাঁদে পা দেবেন না”। এরপরেই রাজ্যে শুরু হয়েছে হইচই।

]]>
সব্যসাচীর হাত ধরে বিধাননগর পুরসভাও কি বিজেপির হতে চলেছে https://thenewsbangla.com/bidhannagar-municipality-is-going-to-be-bjp-with-meyor-sabyasachi-dutta/ Mon, 10 Jun 2019 11:55:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13619 বোর্ড মিটিংয়ে এলেন না মেয়র স্বয়ং। ৪১ জন পুর কাউন্সিলরের মধ্যে; বোর্ড মিটিংয়ে এলেন মাত্র ১৬ জন। তৃণমূলের হাত থেকে এবার কি; কলকাতার পাশের সল্টলেক বা বিধাননগর পুরসভাও বিজেপির হতে চলেছে? সোমবার উঠে গেল প্রশ্ন।

তাহলে কি বিজেপিতেই যোগ দিতে চলেছেন; বিধাননগরের মেয়র ও রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত? একের পর এক ঘটনা আর ক্রমাগত সব্যসাচীর রহস্যব্যঞ্জক মন্তব্য; সেই সন্দেহকে জিইয়ে রেখেছে। প্রথমে মুকুল রায় ও পরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে; সেই জল্পনা উসকে দেন তিনি।

এবার আবার সংবাদ শিরনামে সব্যসাচী দত্ত। বিধাননগর পুরসভার বোর্ড মিটিং এ এলেনই না মেয়র স্বয়ং। যদিও The News বাংলা কে সব্যসাচী দত্ত জানিয়েছেন; “তাঁর জ্বর হয়েছে; তাই বোর্ড মিটিংয়ে যেতে পারেননি। এর সঙ্গে অন্য কোন সম্পর্ক নেই”।

কিন্তু মেয়রের পাশাপাশি; ৪১ জন পুর কাউন্সিলরের মধ্যে বোর্ড মিটিং এ এলেন মাত্র ১৬ জন। মেয়র ঘনিষ্ঠ ২৫ জন কাউন্সিলর এদিন গরহাজির থাকলেন। আর এর পরেই বিধাননগর পুরসভা নিয়েও উঠে গেল প্রশ্ন। তাহলে কি সব্যসাচীর হাত ধরে; বিধাননগর পুরসভাও কি বিজেপির হতে চলেছে?

মুকুল রায় সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে গিয়ে; তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। বিতর্কে জল ঢালতে সেই সাক্ষাৎকারকে; নেহাতই সৌজন্যমূলক বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন। মুকুল রায় তার বাড়িতে লুচি আলুর দম খাওয়ার আবদার করেছিলেন; বলেই তিনি অতিথি আপ্যায়ন করেছিলেন; তৃণমূল নেতৃত্বকে জবাবদিহি করতে গিয়ে এমনই দাবি করেছিলেন সব্যসাচী।

কিন্তু তারপর, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাথে তাঁর সাক্ষাৎকার; তৃণমূলের পক্ষে মোটেই স্বস্তিদায়ক খবর ছিল না। পরে ফের দলের বারণ সত্ত্বেও; মুকুল রায়ের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাঁকে। তারপর থেকেই তাঁর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে।

আবার দোল উৎসব পালনে; সল্টলেকে মাড়োয়ারিদের একটি অনুষ্ঠানে; সব্যসাচী দত্তকে “ভারত মাতা কি জয়” বলতে শোনা যায়। হঠাৎ সব্যসাচীর মুখে এই শ্লোগান নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছিল।

বিধাননগরের মেয়র ও রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক; সব্যসাচী দত্ত-র এইসব ঘটনা চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। দল তাঁর বিরুদ্ধে বড় কোন ব্যবস্থা নিক; এরই কি অপেক্ষা করছেন সব্যসাচী?

]]>