Dharmatala Agitation – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 05 Feb 2019 10:17:45 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Dharmatala Agitation – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে দুদিন পর মমতার ধর্না মঞ্চে অভিষেক https://thenewsbangla.com/abhishek-banerjee-on-mamata-dharna-stage-after-two-days-blowing-up-the-speculation/ Tue, 05 Feb 2019 10:11:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6456 সবাই আছেন শুধু তিনি ছিলেন না। রবিবার থেকে রাজ্যে যা ঘটেছে তা বাংলার সীমা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে দেশের সর্বত্র। সিবিআই বনাম মমতা লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। কিন্তু মমতার ধর্ণা মঞ্চে ২ দিন ধরেই দেখা যায় নি দলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এই নিয়েই উঠেছিল প্রশ্ন। চলছিল রাজনৈতিক জল্পনা। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের ২দিন পর মঙ্গলবার বিকালে ধর্না মঞ্চে হাজির ‘ভাইপো’ অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ সারদা চিটফাণ্ড মামলায় রাজীবকে জেরা করতে কি কি প্রশ্ন সাজাচ্ছে সিবিআই

২০০৬-তে একটানা ২৬ দিন মেট্রো চ্যানেলে আমরণ অনশনে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন সবসময় তাঁর পাশে ছিলেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই রাজনীতির মঞ্চে উত্থান হয় তাঁর। কিন্তু এ বার, কোথায় তিনি? বেমালুম উধাও ছিলেন। আর এই নিয়েই উঠেছিল প্রশ্নের ঝড়। সব জল্পনা থামিয়ে মঙ্গলবার বিকালে মমতার আন্দোলনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এসে বসেছেন নেতা নেত্রীদের সঙ্গে পিছনের সারিতে।

আরও পড়ুনঃ সিবিআই জেরা থেকে পালাতে পারবেন না রাজীব কুমার, মমতা বললেন ‘নৈতিক জয়’

রবিবার থেকে সর্বভারতীয় জাতীয় রাজনীতির একেবারে শীর্ষে বাংলা৷ পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকদের যাওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ধর্ণায় বসেছেন মমতা। ছোট বড় সব তৃণমূল নেতাই হাজির দিদির সত্যগ্রহে। শুধু তিনি ছিলেন না। আসছেন একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতা। শুধু তাঁর দেখা ছিল না। পিসির ভাইপো কি সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতেই ধর্না মঞ্চ এড়িয়ে যাচ্ছেন। উঠছিল প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ রাজীব কুমারকে সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

রবিবার থেকে শুরু মমতার ধর্ণায় ও সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একেবারে গরহজির ছিলেন তৃণমূল যুবার সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্ণায় ভাইপো অভিষেকের এই অনুপস্থিতির বিষয়টি প্রথম নজরে আনেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “আতঙ্কে ভুগছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বুঝতে পারছেন, বিপদ বাড়ছে”। তাই সিবিআই এর বিরুদ্ধে লড়াই থেকে নিজেকে কৌশলে সরিয়ে নিয়েছেন অভিষেক। আপাতত সেই বিতর্কে জল ঢাললেন অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ তথ্যপ্রমাণ নষ্টের প্রমাণ পেলে পুলিশ কমিশনারকে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

সববিষয়ে দ্বিমত হলেও, অধীর চৌধুরির এই বক্তব্যকে আবার সমর্থন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “এই বক্তব্যের জন্যই সম্ভবত প্রথমবার প্রকাশ্যে আমি অধীর চৌধুরির প্রশংসা করছি”। রবিবার থেকে একবারও নেত্রীর পাশে দেখা যায়নি তাঁকে। যেখানে ছোট-বড় তৃণমূলের সমস্ত নেতা উপস্থিত রয়েছেন। এমনকী বিরোধী দলের নেতারা এসেছেন বা আসছেন৷ আর এই নিয়েই শুরু হয় জোর রাজনৈতিক চর্চা। শেষমেশ ধর্না মঞ্চে উঠে সব বিতর্ক চাপা দিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মমতার নির্দেশে সিবিআই অফিসারদের আটক করে বাংলার আইপিএসরা বিপদে

ধর্নায় ‘পিসি’র পাশে ছিলেন না ‘ভাইপো’। কিন্তু, ‘মাসি’র পাশে এবার প্রথম থেকেই রয়েছেন ‘মুন্নি’৷ মমতার বোনের এই মেয়েকে ঘিরেই এবার চর্চা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে। ২০০৬ এর ধর্না মঞ্চ থেকেই ‘অভিষেক’ হয়েছিল ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০১৯ এর ধর্না মঞ্চ থেকে বোনঝি ‘মুন্নি’র উত্থানের শুরু কি না, তা ঘিরেই উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থক মহলেও। তারাও বুঝতে পারছিলেন না, মমতার এতবড় আন্দোলনে অভিষেক নেই কেন? তারাও এবার স্বস্তি পেলেন।

আরও পড়ুনঃ সম্পর্কের খাতিরে চাকরি দুর্নীতি, রাজ্যের দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প

এর আগেও পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ছিলেন না তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন শোনা যায়, হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাকে ঘিরে কোনও বিষয়কে ঘিরেই মমতা-অভিষেকের মন কষাকষি হয়েছিল। তাই বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ ভারত হাতে পাচ্ছে বিজয় মালিয়াকে, ভোটের আগে বড় জয় মোদী সরকারের

এর আগে ২০১৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেস দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানও ‘বয়কট’ করেছিলেন অভিষেক। তাঁর পছন্দ মতো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি বলেই তিনি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন না বলে জল্পনা হয়েছিল তখন। এবারের ধর্না মঞ্চে দুদিন ধরে না আসার কারণ কি? ফলে ধর্না মঞ্চে অভিষেক এলেও, এই নিয়েই চলছে জোর আলোচনা।

]]>
ব্রিগেডের পর ধর্মতলা, ডিম্ভাত ছেড়ে এবার স্যান্ডুইচ ও চিকেন বিরিয়ানি https://thenewsbangla.com/agitation-in-dharmatala-mamata-govt-gives-sandwich-chicken-biriyani/ Mon, 04 Feb 2019 14:59:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6393 ব্রিগেডের পর এবার ধর্মতলা, ডিম ভাতের পর এবার স্যান্ডুইচ ও চিকেন বিরিয়ানি। ডিম্ভাত। সামান্য তিন অক্ষরের একটা নতুন বাংলা শব্দ ‘ডিম্ভাত’। ১৯শে জানুয়ারির পর এটাই ঢুকে গেছে বাংলা শব্দকোষে। তবে এবার আর ডিম্ভাত নয়। পরিবর্তন হয়েছে আন্দোলনের স্থান। ব্রিগেডের মাঠ থেকে এখন ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেল। তৃণমূল কংগ্রেস নয়, আন্দোলনে মমতার রাজ্য সরকার। তাই খাবারেও পরিবর্তন। ডিম্ভাত নয়, সোমবার সকালে স্যান্ডুইচ আর দুপুরে চিকেন বিরিয়ানি।

আরও পড়ুনঃ মায়ের প্রতিহিংসা থেকে বাঁচতেই কি বিজেপিতে যোগ দিলেন ‘মমতার মেয়ে’

বাঙালির অতি পরিচিত ডিমের ঝোল আর ভাতের চিরকালের চেনা পদটিই এখন ‘ডিম্ভাত’। আর গত কয়েকদিন ধরে কলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই ‘ডিম্ভাত’ নিয়ে চলছে তুলকালাম। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজনীতির সিরিয়াস আলোচনা, সর্বত্র আলোড়ন ফেলা এই ডিম্ভাত শব্দটির উৎপত্তি ব্রিগেডের আগে তৃনমূলের দেওয়াল লিখন থেকে।

ব্রিগেডের পর ধর্মতলা, ডিম্ভাত ছেড়ে এবার স্যান্ডুইচ ও চিকেন বিরিয়ানি
ব্রিগেডের পর ধর্মতলা, ডিম্ভাত ছেড়ে এবার স্যান্ডুইচ ও চিকেন বিরিয়ানি/The News বাংলা

গত ১৯ জানুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে দেশের অন্তত বাইশটি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নিয়ে এক বিশাল সমাবেশ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গেরই কোনও এক জায়গায়, দেওয়ালে ভুল বানানে লেখা হয়েছিল, “১৯শে জানুয়ারী বিগ্রেড চলো”। তার নিচে ছোট করে আরও লেখা ছিল “মেনু: ডিম্ভাত”।

আরও পড়ুনঃ সারদা কেলেঙ্কারির পাল্টা এবার সিবিআইকেই প্রতারণা মামলার নোটিশ মমতার পুলিশের

ওই ছবিটিই হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটারে ছড়িয়ে পড়ে ঝড়ের গতিতে। নিমেষের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়ে যায় এই ‘ডিম্ভাত’। পশ্চিমবঙ্গে যখন বড় বড় রাজনৈতিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, তখন তাতে যোগ দিতে আসা লোকজনকে সচরাচর দুপুরের খাওয়ানোরও দায়িত্ব নিয়ে থাকে আয়োজক রাজনৈতিক দল। এটা বাংলার খুব পুরনো সংস্কৃতি।

আরও পড়ুনঃ মমতার নির্দেশে সিবিআই অফিসারদের আটক করে বাংলার আইপিএসরা বিপদে

বামপন্থীরা যখন টানা চৌত্রিশ বছর রাজ্যের ক্ষমতায় ছিলেন, তাদের ব্রিগেডের সমাবেশে প্রায় অপরিহার্য অনুষঙ্গ ছিল ‘মাছভাত’। অনেকে সে সময় রসিকতা করে বলতেন, ‘মার্ক্সবাদ’ নয়, গ্রামবাংলা থেকে মানুষ আসলে ব্রিগেডে যোগ দিতে আসে ‘মাছভাতে’র আকর্ষণে। তবে এখন বামেদের সেই রাজপাট গিয়েছে। এখন তাদের ভরসা লোকের বাড়ি বাড়ি সংগ্রহ করা রুটি-ঘুগনি।

আরও পড়ুনঃ তথ্যপ্রমাণ নষ্টের প্রমাণ পেলে পুলিশ কমিশনারকে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

কিন্তু গত ১৯ জানুয়ারি কলকাতায় তৃণমূলের ব্রিগেডে মেনু ছিল সেই আদি ও অকৃত্রিম ডিমের ঝোল ও ভাত। শুধু বানানটাই যা ছিল নতুন, ‘ডিম্ভাত’। ব্রিগেডের সেই সমাবেশ মিটেও গেছে, কিন্তু ‘ডিম্ভাত’ নিয়ে বাঙালির আলোচনা, সমালোচনা বা তর্কবিতর্কের ঝড় কিন্তু থামছে না। সোশ্যাল মিডিয়াতেও দেখা যাচ্ছে এই শব্দটি নিয়ে নানা সৃষ্টিশীলতা।

আরও পড়ুনঃ পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআইকে ঢুকতে বাধা কলকাতা পুলিশের

রবিবার রাত থেকে মমতার আন্দোলনের কেন্দ্র এবার ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে। তবে এখানে ডিম্ভাত নয়। নেতা, নেত্রী, পুলিশ, সাংবাদিক সবার জন্য সোমবার বরাদ্দ ছিল রীতিমত চিকেন বিরিয়ানি। সকালে সবার জন্য বরাদ্দ ছিল স্যান্ডুইচ আর দুপুরে চিকেন বিরিয়ানি। সঙ্গে ঘণ্টায় ঘণ্টায় চা তো আছেই।

আরও পড়ুনঃ বুদ্ধে সৌজন্য কিন্তু মোদী যোগীতে অনুমতি নেই, শত্রু পাল্টেছে মমতার

ডিম্ভাত ছেড়ে স্যান্ডুইচ আর চিকেন বিরিয়ানিতে ফেরায় স্বস্তি নেতা, পুলিশ ও সাংবাদিক মহলে। তবে জেলা থেকে যে সব তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা সিবিআই এর হাতে দিদির অপমানের বদলার শরিক হতে সোমবার ধর্মতলায় এসেছিলেন তাঁরা কিন্তু একটু হলেও হতাশ হয়েছেন।

জেলার বেলায় ডিম্ভাত আর কলকাতার বেলায় চিকেন বিরিয়ানি? তাদের বেলায় ডিমের ঝোল, আর এখানে বিরিয়ানি? ইয়ে বহুত না ইনসাফি হ্যায়। তবে ডিম্ভাত এর পর স্যান্ডুইচ আর চিকেন বিরিয়ানি সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনায় জায়গা পায় কিনা সেটাই এখন দেখার। তবে প্রশ্ন উঠেছে, সত্যাগ্রহ সরকারের। যাবতীয় খরচাও কি সাধারণ মানুষের করের টাকায়?

]]>