Death – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 22 Jun 2019 06:07:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Death – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাবা মার সম্পর্কের টানাপোড়েন, পৃথিবী ছাড়ল জি ডি বিড়লা স্কুলের মেধাবী ছাত্রী https://thenewsbangla.com/tension-of-parents-relationship-cause-of-the-death-of-g-d-birla-school-girl/ Sat, 22 Jun 2019 05:42:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14264 জি ডি বিড়লা স্কুলে ছাত্রীর রহস্য মৃত্যুকে ঘিরে; তৈরী হয়েছে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। অনেক প্রশ্ন উঠছে; ছাত্রীর এই রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে। বাবা মার সম্পর্কের টানাপোড়েনই; কি মেয়ের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াল? ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ; ছাত্রীর বাবা মাকেও জেরা করবে; এই মৃত্যুর কারণ জানতে।

আত্মহত্যা করার আগে; ছাত্রী একটি সুইসাইড নোট লিখে যায়। সেখানে লেখা ছিল, “দিন দিন মা-বাবার থেকে দূরত্ব বেড়ে যাওয়াই তাঁর মৃত্যুর কারণ। তার মৃত্যুর জন্য কাউকে যেন বিব্রত করা না হয়”। কেন বাবা-মা এর থেকে দুরত্ব? কি ঘটেছিল বাবা মা এর মধ্যে? উঠছে নানান প্রশ্ন।

ছাত্রীর নাম কৃত্তিকা পাল; দশম শ্রেণীর ছাত্রী। শুক্রবার দুপুরে সে সিক্সথ ক্লাসের মনিটরকে বলে, “আমার শরীর খারাপ লাগছে; আমি সিক রুমে যেতে চাই”। এই বলে সে ক্লাসের বাইরে বেড়িয়ে আসে। তবে কৃত্তিকা সিক রুমেও যায়নি; সে গেছিল টয়লেটে।

পরের ক্লাসে এসে ম্যাডাম কৃত্তিকাকে দেখতে পাননি। সন্ধান শুরু করতে; টয়লেট থেকে দরজা ভেঙে; বের করা হয় রক্তাক্ত ওই ছাত্রীকে। হাতের শিরা কাটা অবস্থায়; অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায় তাকে। মুখে প্লাস্টিক জড়ানো ছিল। উদ্ধার হয় ৩ পাতার একটি সুইসাইড নোটও। তাতে পারিবারিক অশান্তির কথা আছে; পুলিশ সূত্রে এমনটাই খবর।

ওই ছাত্রীর হাতের শিরা কাটা ছিল। তার মুখ থেকে সাদা গ্যাঁজলা উঠছিল; বলেও জানিয়েছে পুলিশ। শিরা কাটা অথচ মুখে প্লাস্টিকের প্যাকেট জড়ান কেন? আর এই দুটোই ভাবাচ্ছে পুলিশকে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা; খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সিসিটিভি মনিটর করার লোক থাকলে, শুক্রবার স্কুলে কৃত্তিকার গতিবিধি নজর করা যেত; বলেই মনে করছে পুলিশ। এদিকে কৃত্তিকার কাছে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে; পারিবারিক বিবাদের কথা উল্লেখ থাকায় ধন্দে তদন্তকারীরা। তার বাবা, মা এবং পরিবারের সদস্যদের; জিজ্ঞাসাবাদের কথাও ভাবা হচ্ছে।

আগে বেশ কয়েকবার বিভিন্ন ঘটনায়; রানিকুঠির জিডি বিড়লা স্কুল খবরের শিরোনামে এসেছে। কখনও ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনা; কখনও স্কুলের ফি বৃদ্ধি নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে স্কুল। অভিভাবকদের চাপে পড়ে স্কুল চত্বরের ভিতরে; অপ্রীতিকর ঘটনা নজরে আনতে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও যে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়নি; শুক্রবারের ঘটনাই তার প্রমাণ।

]]>
ভয়াবহ খরার প্রকোপে বাড়ছে খাবারহীন মৃত্যুযন্ত্রণা https://thenewsbangla.com/drought-incidence-increasing-food-crisis-and-death-rate-peoples-have-been-displaced/ Thu, 13 Jun 2019 09:59:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13727 ভয়াবহ খরা দেখা দিয়েছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে; জলের খোঁজে হাজার হাজার মানুষ অন্যত্র চলে যাওয়ায় জনশূন্য হতে চলেছে দক্ষিণাঞ্চলের শত শত গ্রাম। কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে; বিশেষত দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া সূত্রে রাজধানী নয়াদিল্লিতে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা; রাজস্থানে ৫০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে; যা বিশ্বের অন্যান্য স্থানের তুলনায় অধিক। আর এটাই খরার প্রধান কারণ।

আরও পড়ুন জেহাদি শক্তির আক্রমনের বিরুদ্ধে হিন্দুদের অস্তিত্বরক্ষার দাবিতে মিছিল

বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই থেকে প্রায় ২৫০ মাইল দক্ষিণে ব্যাপক জলশূন্যতায় প্রায় ৯০ শতাংশ বাসিন্দা নিজেদের বসতি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। এদিকে বিভিন্ন সূত্র বলছে; মহারাষ্ট্রের ২০ মাইল দূরবর্তী অঞ্চলের হাতকারওয়াদি নামক গ্রামটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে; ১০-১৫টি পরিবার ছাড়া প্রায় দু হাজার বাসিন্দা হয়েছে ঘরছাড়া।

আরও পড়ুন গণ ইস্তফা দিতে শুরু করলেন এনআরএস হাসপাতালের ডাক্তাররাও

পঙ্গু হতে চলেছে কৃষিভিত্তিক জীবিকা; ফসলের অভাবে মারা যাচ্ছে অজস্র গবাদি পশু। অভূতপূর্ব চলমান খরায় আক্রান্ত অঞ্চলগুলোয় ভুট্টা; সয়া; তুলা; মিষ্টি চুন; ডাল ও বাদামের মতো প্রধান অর্থকরী ফসলগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন বিলুপ্তির আশঙ্কায় অন্তত ১০ লাখ প্রাণী ও বৃক্ষ প্রজাতি

সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলছেন; বিশ্বের সর্বত্র এল নিনো নামের এক ধরনের শুষ্ক আবহাওয়া ও চলমান জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব দিনে দিনে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র হচ্ছে; ভারত এই জলবায়ুর অন্যতম শিকার বলে মনে করছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতার হুঁশিয়ারিকে পাত্তা না দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত ডাক্তারদের

ভারতের মারাঠওয়াদা সবচেয়ে খরাপ্রবণ অঞ্চল; ক্রমবর্ধমান খরার কারণে গত পাঁচ বছরে এ অঞ্চলে ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি কৃষক আত্মহত্যা করেছেন; এর মধ্যে গত বছরই আত্মহত্যা করেছেন ৯৪৭ কৃষক। রান্নাবান্না-কাপড় কাচা-পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এমনকি পয়োনিষ্কাশনের জন্যও জলাভাব এ অঞ্চলে।

বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে; তাপমাত্রা ক্রমেই বৃদ্ধি পাবে বলে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ভবিষ্যদ্বাণী করা হচ্ছে। আগামীতে দেশ এসব প্রতিকূল আবহাওয়ার; আরও বেশি মুখোমুখি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জলাভাব কমাতে চৌকস সমাধান বের করার জন্য; সংশ্লিষ্ট মহলকে অনুরোধ করা হয়েছে।

]]>
মানুষের মৃত্যুর পরেও মৃতদেহের অবিশ্বাস্য পরিবর্তন https://thenewsbangla.com/after-the-death-of-a-person-the-unbelievable-changes-in-the-deadbody/ Thu, 25 Oct 2018 06:49:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1467 The News বাংলা: মৃত ঘোষণার পরও নাকি রোগীর হাত পা নড়েছে, তাই ডাক্তার এর গাফিলতি বলে তাকে মারো। মাঝে মাঝেই এমন খবরে চমকে উঠি আমরা। কিন্তু ডাক্তাররা বলছেন, মরার পরেও মৃতদেহের নড়াচড়া খুবই স্বাভাবিক। অবাক হচ্ছেন, জেনে নিন কেন হয় এটা।

আমাদের সহজ ধারণা হল, শ্বাস বা হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেল মানেই মৃত্যু হল। কিন্তু বিজ্ঞানের ভাষায় শুধু তাই নয়। ডাক্তারকে মৃত্যু ঘোষণা করার জন্য কিছু জিনিস দেখে নিতে হয়। যেমন, শ্বাস বন্ধ হল কিনা, হৃৎস্পন্দন বন্ধ হল কিনা, রিফ্লেক্স (সহজ কথায় চাপ তাপ ব্যাথা ইত্যাদিতে মানুষের শরীরের সাড়া দেয়া) ক্ষমতা আছে কিনা, চোখের মনির উপর আলো ফেললে তা সংকুচিত হচ্ছে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি।

তার মানে কিন্তু এই নয় যে তখন তার শরীরের সব কোষগুলো মরে গেছে। কিন্তু যে পরিবর্তন হয়েছে সেটা আর ফেরানো সম্ভব নয় ।

এবার খুব সহজে দুটো জিনিস জেনে নিতে হবে। একটা কে বলা হয় “কার্ডিয়াক ডেথ”। মানে হঠাৎ করে মানুষের হৃৎপিণ্ড তার রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু তখন এমনও হতে পারে যে তার ব্রেন এর সব কাজ বন্ধ হয়নি।

অন্যটা, ব্রেন ডেথ। মানে কোন কিছুতেই সাড়া শব্দ না দেয়া, উদ্দীপনায় সাড়া দিতে ব্যর্থ হওয়া, এবং ভেনটিলেশন ছাড়া শ্বাস নিতে না পারা। এক্ষেত্রে কিন্তু লিগ্যাল ডেথ ঘোষণা করা যায় বা করা হয় । যেমন অঙ্গদান করতে চাইলে এইসময় করা যায়।

এবার মৃত ঘোষণা করার পর কি ঘটে?

প্রথম ঘণ্টাঃ
মাংশপেশী শিথিল হয়ে যায়, চোখ খুলে থাকে, চোখের মনি বড় হয়ে থাকে, মুখ খুলে থাকে, হাত পা এর জয়েন্ট শিথিল হয়ে যায়। চামড়া ঝুলে যায়, মনে হয় যেন হাড়গুলো উঁচু হয়ে আছে। এরপর যেহেতু হৃৎপিণ্ড আর পাম্প করছে না, চামড়ায় রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং চামড়া একটু পাণ্ডুর হতে থাকে।

শরীর ঠাণ্ডা হতে শুরু করে। নর্মাল ৩৭° সেলসিয়াস থেকে কমতে শুরু করে ও শেষ অব্দি বাইরের তাপমাত্রার সমান হতে চেষ্টা করে। এই তাপমাত্রা কমার একটি নির্দিষ্ট হার আছে, ফরেন্সিক এর লোকজন সেই তথ্য কাজে লাগান কোন মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করার সময়। এই সময়ে শিথিলতার কারণে প্রস্রাব বা পায়খানা হতে পারে। ভুল করেও এসব দেখে ঘাবড়ে যাবেন না।

২ থেকে ৬ ঘণ্টাঃ
যেহেতু হৃৎপিণ্ড আর রক্ত পাম্প করছে না, শরীরের রক্ত তরলের স্বাভাবিক নিয়ম মেনে শরীরের যে অংশ সবচেয়ে নিচের দিকে থাকে সেখানে জমা হতে থাকে। এবং সেই জায়গার চামড়া লাল হয়ে যেতে পারে। মৃতদেহ না নাড়ানো হলে এটা ভালো বোঝা যায়।

মৃত্যুর মোটামুটি তিন ঘণ্টা পরে (যদিও বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে) আমাদের শরীরের মাংশপেশীগুলো ফের শক্ত হতে শুরু করে। যাকে, রাইগর মরটিস বলা হয়। একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে শরীরের একের পর এক পেশী এভাবে শক্ত হতে থাকে। এবং এই প্রক্রিয়া কোন ভাবেই বন্ধ করা সম্ভব নয়। হাত পা ফের কি করে শক্ত হতে পারে তাই নিয়ে ও ভুল বোঝাবুঝি ও হয়েছে, যা পুরোপুরি ভুল ধারণা।

৭ থেকে ১২ ঘণ্টাঃ
এই সময়ের মধ্যে শরীরের সব মাংশপেশী সবচেয়ে বেশি শক্ত হয়ে যায়। হাঁটু বা কনুই একটু ভাঁজ হয়ে যায়। এই সময় হাত পা নাড়ানো সত্যি খুব কঠিন। যদিও এক একজনের শরীরের অবস্থা বা অন্য কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে শক্ত হওয়া এক রকম না ও হতে পারে।

১২ ঘণ্টার পরঃ
শক্ত হয়ে যাওয়া মাংশপেশী গুলো এই সময়ের পর আস্তে আস্তে আবার শিথিল হতে শুরু করে। তার কারণ কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন। ১ থেকে ৩ দিন অব্দি এই প্রক্রিয়া চলতে পারে। পরিবেশের তাপমাত্রা এটি কে প্রভাবিত করে। চামড়া গুটিয়ে ও শুকিয়ে যায়। অবাক করার মতো বিষয় হল, এই সময় ও চুল এবং নখ বেড়ে গেছে মনে হয়। শরীরের পেশীগুলো যে ক্রম মেনে শক্ত হয়েছিল তার উল্টো ক্রম মেনে শিথিল হতে থাকে।

এবার আসুন সহজে জানার জন্য কতগুলো ঘটনা যা মৃত্যুর পর ঘটেঃ
* হৃৎপিণ্ড বন্ধ হল।
* রক্ত সরবরাহ বন্ধ ।
* পরে থাকা শরীরের নিচের দিকের অংশে চামড়ার রঙ পাল্টে যায় ( যদি না নাড়ানো হয়)।
* নির্দিষ্ট হাড়ে শরীরের তাপমাত্রা কমতে থাকে ( পরিবেশের উপর নির্ভরশীল)।

* শিথিল মাংশপেশী শক্ত/ রাইগর মরটিস হতে শুরু করে
এই সময়ে শরীরের মাংশপেশী তে সংকোচন দেখা যায় (ছোট হয়ে যাবার কারণে), যা দেখে ভুল করে মৃত কে জীবিত বলে মনে হতে পারে।

* আমাদের কপালের ভাঁজগুলো আর দেখতে পাওয়া যায় না।
* চামড়া গুটিয়ে যাবার ফলে চুল ও নখ বাড়ছে মনে হয়।
পায়খানা প্রসাব হতে পারে যা দেখে ভুল করা স্বাভাবিক শরীরে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকেরা মৃত কোষের পচন শুরু করতে সাহায্য করে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করে।
এই গন্ধে মাছি, পিঁপড়ে , মাকড়সা শকুন রা আকৃষ্ট হয় ।

* শরীরে তৈরি হওয়া গ্যাস ও রাইগর মরটিসের কারণে তার শরীর থেকে বেরিয়ে যাবার সময় ঢেকুর তলা বা গোঙানি বা বিলাপ করার মত আওয়াজ হতে পারে। ভুল ভাববেন না ।

* যেহেতু আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পরে , এতদিন যেসব ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে থেকে উপকার ও করতো , তারাই অন্ত্রের পচন শুরু করে দেয়।

* এই গ্যাসের কারণে চোখ ফুলে যাওয়া ও জিভ মুখের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। গ্যাস এতো বেশী হতে পারে যে অনেক সময় মৃতদেহের শরীর ফেটে ও যেতে পারে। ঠিক বেশি গ্যাস ভরা বেলুনের মত।

* শরীরের ভেতরের অংশ পচে গলে তরল হতে শুরু করে।
* শরীরের হাড় ও মাংশপেশী থেকে চামড়া আলাদা হয়ে যায়।
* পচন শুরু হবার পর শরীরের ফ্যাটের একটি বিচিত্র পরিবর্তন হয়, যা মোমের মত কাজ করে ও পচন প্রক্রিয়া কে ধীর করে দেয়

* চামড়া যদিও আলাদা হয়ে যায় চামড়ার কোষগুলো অনেক দিন বেঁচে থাকে।
* খুব গরমের দেশে যেমন মরুভুমিতে বা খুব লবনাক্ত পরিবেশে শরীর শুকিয়ে অনেক সময় মমি হয়ে যেতে পারে। না , পচন হয় না।

হ্যাঁ, মানুষ পচলে সার ও হয় !!! কি অবাক লাগছে? ভালো গাছ ও হয় তাতে!!! আমাদের শরীরের হাড়গুলো সবচেয়ে বেশীদিন অক্ষত থাকে।

বলা যায়, মৃত্যুর পরও মানুষের মৃতদেহ নিয়ে অনেক রকম বিশ্বাস অবিশ্বাস আছে। তার কারণ এগুলোই।

]]>