Dadasaheb Phalke Award – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 30 Dec 2018 10:31:39 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Dadasaheb Phalke Award – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পরিচালক মৃণাল সেনের ফিল্ম পরিচালনার কিছু ‘মণি মুক্ত’ https://thenewsbangla.com/mrinal-sen-films-and-the-awards-received-by-his-films/ Sun, 30 Dec 2018 10:28:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4957 The News বাংলা, কলকাতাঃ দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর পর মৃনাল সেন। বছরের শেষলগ্নে আরও এক ইন্দ্রপতন। প্রয়াত মৃণাল সেন। রবিবার সকালে কলকাতায় নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বিখ্যাত চিত্র পরিচালক। তাঁর অনেক ফিল্মই পেয়েছে পুরষ্কার। একনজরে দেখে নিন কোন কোন ফিল্ম কি কি পুরস্কার পেয়েছে।

আরও পড়ুন: বছর শেষে আবার ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চিত্র পরিচালক মৃনাল সেন

বছর শেষে আবার ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চিত্র পরিচালক মৃনাল সেন/The News বাংলা
বছর শেষে আবার ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চিত্র পরিচালক মৃনাল সেন/The News বাংলা

আরও পড়ুন: হাতি বাঘ চোরাশিকারি নিয়ে রাজ চক্রবর্তীর ‘অ্যাডভেঞ্চারস অফ জোজো’

সেরা ফিল্মের জন্য জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৬৯ঃ ভুবন সোম। ১৯৭৪ঃ কোরাস। ১৯৭৬ঃ মৃগয়া। ১৯৮০ঃ আকালের সন্ধানে।

দ্বিতীয় সেরা ফিল্মের জন্য জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৭২ঃ ক্যালকাটা ৭১। ১৯৮৩ঃ খারিজ।

বাংলায় সেরা ফিল্মের জন্য জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৬১ঃ পুনশ্চ। ১৯৬৫ঃ আকাশ কুসুম। ১৯৯৩ঃ অন্তরিন

তেলেগু ভাষায় সেরা ফিল্মের জন্য জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৭৭ঃ ওকা ওরি কথা

ফিল্মের জন্য বিশেষ জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৭৮ঃ পরশুরাম

সেরা ফিল্ম পরিচালকের জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৬৯ঃ ভুবন সোম। ১৯৭৯ঃ এক দিন প্রতিদিন। ১৯৮০ঃ আকালের সন্ধানে। ১৯৮৪ঃ খণ্ডর

আরও পড়ুনঃ ‘বাঘের সঙ্গে অভিনয় করাটাই ছিল জীবনের সেরা চ্যালেঞ্জ’

পরিচালক মৃণাল সেনের ফিল্ম পরিচালনার কিছু 'মণি মুক্ত'/The News বাংলা
পরিচালক মৃণাল সেনের ফিল্ম পরিচালনার কিছু ‘মণি মুক্ত’/The News বাংলা

সেরা স্ক্রিন প্লের জাতীয় পুরস্কারঃ
১৯৭৪ঃ পদাতিক। ১৯৮০ঃ আকালের সন্ধানে। ১৯৮৪ঃ খণ্ডর

ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কারঃ
সেরা ফিল্ম। ১৯৭৬ঃ মৃগয়া।

ফিল্মফেয়ার সেরা স্ক্রিন প্লের পুরস্কারঃ
১৯৮৪ঃ খণ্ডর।

আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়ে মেলবোর্নে জিতে অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জেতার পথে টিম ইন্ডিয়া

ফিল্মফেয়ার বাংলায় সেরা ডাইরেক্টরঃ
১৯৮০ঃ আকালের সন্ধানে।

ফিল্মফেয়ার লাইফ টাইম অ্যাচিভমেনট পুরস্কারঃ
২০১৭ সালে বাংলা সিনেমায় আসামান্য অবদানের জন্য।

আন্তর্জাতিক পুরস্কারঃ
মস্কো আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সিলভার পুরস্কার। ১৯৭৫ঃ কোরাস। ১৯৭৯ঃ পরশুরাম।

কারলভি ভ্যারি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পুরস্কার। স্পেশাল জুরি পুরস্কার। ১৯৭৭ঃ ওকা ওরি কথা(তেলেগু)

বার্লিন আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পুরস্কার। ১৯৭৯ঃ পরশুরাম। ১৯৮০ঃ আকালের সন্ধানে।

আরও পড়ুনঃ বলিউডে নতুন যুগের তারকারা কত পারিশ্রমিক পান

কান আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পুরস্কার। ১৯৮৩ঃ খারিজ।

ভাল্লাডলিড আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। গোল্ডেন স্পাইক পুরস্কার। ১৯৮৩ঃ খারিজ।

শিকাগো আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। গোল্ড হুগো পুরস্কার। ১৯৮৪ঃ খণ্ডর।

মন্ট্রিয়াল বিশ্ব ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। স্পেশাল জুরি পুরস্কার। ১৯৮৪ঃ খণ্ডর।

ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ওসিআইসি পুরস্কার। ১৯৮৯ঃ এক দিন অচানক।

কায়রো আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। সেরা ডাইরেক্টর এর সিলভার পিরামিড পুরস্কার। ২০০২ঃ আমার ভুবন।

আরও পড়ুনঃ অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার দুর্নীতিতে নাম জড়াল সোনিয়ার সঙ্গে রাহুলেরও

পরিচালক মৃণাল সেনের ফিল্ম পরিচালনার কিছু 'মণি মুক্ত'/The News বাংলা
পরিচালক মৃণাল সেনের ফিল্ম পরিচালনার কিছু ‘মণি মুক্ত’/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় সিনেমার জনক দাদাসাহেব ফালকে না হীরালাল সেন?

১৯৮১ সালে তিনি পান ভারত সরকারের পদ্মভূষণ। ১৯৮৫ সালে ফ্রান্স তাঁকে কম্যান্ডার অফ দি অর্ডার অফ আর্টস অ্যান্ড লেটারস সম্মানে সম্মানিত করে। ২০০০ সালে রাশিয়া সরকার তাঁকে অর্ডার অফ ফ্রেন্ডশিপ সম্মানে ভূষিত করে।

২০০৩ সালের সেরা ফিল্ম ডাইরেক্টর হবার জন্য ২০০৫ সালে তিনি পান ভারতীয় ফিল্মের সবচেয়ে বড় পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার। ২০১২ সালে নয়ডায় পঞ্চম গ্লোবাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে তিনি লাইফ টাইম অ্যাচিভমেনট পুরস্কার পান। এছাড়াও আরও বহু সম্মানে তিনি সম্মানিত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যু শুধু বাংলার নয়, ভারতীয় ফিল্ম জগতেরই একটা বড় ক্ষতি। একটি যুগের অবসান।

]]>
‘শব্দের জন্য’ ট্র্যাজিক জীবন ভারতীয় সিনেমার জনকের https://thenewsbangla.com/tragic-life-of-the-father-of-indian-films-after-sound-came-in-indian-films/ Sun, 25 Nov 2018 08:05:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3073 The News বাংলা, মুম্বাই: ‘রাজা হরিশচন্দ্র’র নির্মাতা ভারতীয় ‘চলচ্চিত্রের জনকের’ নিজের জীবনও ওই পৌরাণিক চরিত্রের মতোই ট্র্যাজিক। তিনি আর কেউ নন, দাদাসাহেব ফালকে।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল তাঁরই হাতে। প্রথম ছবি ‘রাজা হরিশচন্দ্র’ বানিয়ে নিজের অজান্তেই স্থাপন করেছিলেন মাইলফলক। অংশীদার হয়েছিলেন ইতিহাসের। কাকতালীয় হলেও, ট্র্যাজিক পৌরাণিক চরিত্র ‘রাজা হরিশচন্দ্র’র সঙ্গে তাঁর নিজের জীবনেরও আশ্চর্য মিল। তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক দাদাসাহেব ফালকে।

Image Source: Google

মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে ৩০ কিমি দূরে পুণ্যভূমি ত্র্যম্বকেশ্বর। সেই তীর্থস্থানেই দাদাসাহেব ফালকের জন্ম ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দের ৩০ এপ্রিল। এক মরাঠি ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম। বাবা ছিলেন নামী পণ্ডিত। পিতৃদত্ত নাম ঢুন্ডিরাজ গোবিন্দ ফালকে।

আরও পড়ুনঃ বলিউডে নতুন যুগের তারকারা কত পারিশ্রমিক পান

জে.জে স্কুল থেকে পাশ করে পড়াশোনা বরোদায় মহারাজ সয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভাস্কর্য, চিত্রশিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং-এর পাশাপাশি তাঁর পড়াশোনার বিষয় ছিল ফটোগ্রাফি বা চিত্রগ্রহণও।

ফোটোগ্রাফিই ছিল জীবনের প্রথম পেশা। ছবি তোলার ছোট্ট দোকান শুরু করেছিলেন গোধরায়। কিন্তু বন্ধ করে দিতে হল সে ব্যবসা। প্লেগের আক্রমণে একসঙ্গে মারা গেলেন প্রথম স্ত্রী এবং শিশুকন্যা।

Image Source: Google

এরপর কয়েক বছর বিচ্ছিন্ন ভাবে কেটেছে দিশাহীন জীবন। কখনও এএসআই -এর ড্রাফ্টসম্যান, কোনও সময় প্রিন্টিং, লিথোগ্রাফির কাজ। বিখ্যাত শিল্পী রবি বর্মার সঙ্গে কাজ, চলছিল খাপছাড়া ভাবে। ইতিমধ্যে পরিচয় লুমিয়ের ব্রাদার্সের কার্ল হার্টজ-এর সঙ্গে। এরপর, প্রিন্টিং প্রেস শুরু করলেন নিজের। তারপর, কাজ শিখতে পাড়ি দিলেন জার্মানি।

আরও পড়ুনঃ বউয়ের জন্য সিঁদুর পরে হিন্দু প্রথা ভাঙলেন রণবীর সিং

দেশে ফিরে অংশীদারের সঙ্গে ঝামেলার জেরে ছেড়ে দিলেন ব্যবসা। মন দিলেন ছবি তৈরিতে। বিশেষ অনুপ্রাণিত হলেন নির্বাক ছবি ‘দ্য লাইফ অফ ক্রাইস্ট’ দেখে। ১৯১২ সালে বানালেন ‘রাজা হরিশচন্দ্র’। প্রথমবার প্রদর্শিত হল পরের বছর তত্‍কালীন বম্বের করোনেশন সিনেমায়-য়, পরের বছর মে মাসে।

Image Source: Google

তৈরি হল ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে নতুন মাইলস্টোন। ‘রাজা হরিশচন্দ্র’ হল প্রথম নির্বাক মরাঠি ছবি। সেটা আবার প্রথম নির্বাক ভারতীয় ছবি। তথা প্রথম ভারতীয় ছবি।

তাঁর পুরো পরিবার অংশ নেয় ‘রাজা হরিশচন্দ্র’র নির্মাণে। দ্বিতীয় স্ত্রী সামলেছিলেন কুশীলবদের পোশাক। যাকে বলে ড্রেস ডিজাইনিং। তাঁর শিশুপুত্র অভিনয় করেছিল ‘রাজা হরিশচন্দ্র’র ছেলের ভূমিকায়।

Image Source: Google

এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মূলত পৌরাণিক বিষয়বস্তুই উঠে আসতে থাকে তাঁর ছবিতে। মোহিনী ভস্মাসুর, সত্যবান সাবিত্রী, লঙ্কাদহন, শ্রীকৃষ্ণ জন্ম, কালীয় মর্দন, বুদ্ধদেব, সেতুবন্ধন, গঙ্গাবতরণ, একের পর এক সফল ছবি বানান তিনি। প্রথম ছবি বানাতে যে অর্থ সঙ্কট হয়েছিল, তাও দূর হয়। এগিয়ে আসতে থাকেন পৃষ্ঠপোষকরা।

আরও পড়ুনঃ বলিউডের যে নায়িকাদের জীবনসঙ্গী ডিভোর্সি পুরুষ

দীর্ঘ উনিশ বছরের কেরিয়ারে ৯০টা ছবি এবং ২৬টা শর্ট ফিল্ম বানিয়েছেন। তাঁর পরিচালনায় শেষ নির্বাক ছবি ‘সেতুবন্ধন’ মুক্তি পায় ১৯৩২ সালে। পরে মুক্তি পায় ডাবিং-সহ।

Image Source: Google

তাঁর জয়যাত্রা থমকে যায় ছবিতে শব্দ সংযোজনে। সিনেমায় শব্দ আসার পর, শেষ হয়ে যায় তাঁর সব ম্যাজিক। অস্তমিত হয় সাফল্য। শব্দই শেষ করে দেয় তাঁর কার্যকারিতাকে। নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে ব্যর্থ হন। তাঁর প্রযোজনায় শেষ ছবি ‘গঙ্গাবতরণ’ মুক্তি পায় ১৯৩৬ সাল নাগাদ।

আরও পড়ুনঃ ‘বাঘের সঙ্গে অভিনয় করাটাই ছিল জীবনের সেরা চ্যালেঞ্জ’

ছবি জগত্‍ থেকে নিজেকে উপড়ে নিয়ে অবসরে চলে যান এরপর। শুরু হয় ঠিক যেন ‘রাজা হরিশচন্দ্র’র জীবন। প্রায় বনবাসে। জীবনের সমস্ত আলো থেকে একা। ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক প্রয়াত হন নাসিকে ১৯৪৪-এর ১৬ ফেব্রুয়ারি।

The News বাংলা

তাঁর নামে ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কার তো আছেই। পাশাপাশি ১৯৭১ সালে ডাকটিকিট প্রকাশ করে ভারতীয় ডাক বিভাগ। শেষ জীবনে তাঁর তৈরি ‘রাজা হরিশচন্দ্র’র মতই অবস্থা হয় তাঁর। তবে, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে চিরদিন সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে দাদাসাহেব ফালকের নাম।

]]>