Cut Money – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 26 Jun 2019 14:47:18 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Cut Money – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শুধু কাটমানি দুর্নীতি নয়, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-complain-letter-to-mamata-banerjee-against-tmc-leader/ Wed, 26 Jun 2019 12:35:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14481 কাটমানি কেলেঙ্কারিতে কাঁপছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে; কাটমানি ফেরত পাবার দাবী। সমস্যায় ছোট বড় অধিকাংশ তৃণমূল নেতারা। “সব কাটমানি ফেরত দিতে হবে”; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মাত্রই; শুরু হয়ে গেছে নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা। অভিযোগ জানাবার ফোন নাম্বার ও ঠিকানা পেয়ে যাওয়ায়; আমজনতার অভিযোগের পাহাড় জমছে। কিন্তু শুধুমাত্র কাটমানি নয়; তৃণমূলের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে।

হ্যাঁ, পুকুর চুরির অভিযোগ। সরকারি কাজ করে কাটমানি খেয়েছেন; তৃণমূল নেতারা, এমনটাই অভিযোগ ছিল মমতার। কিন্তু কাজ না করেই গরিব মানুষদের ১০০ দিনের পুরো টাকাটাই বেমালুম হজম করে দিয়েছেন; তৃণমূল নেতারা। এমন অভিযোগ নবান্নে ও কালীঘাটে জমা পরছে শয়ে শয়ে। এমনই একটি পুকুর চুরির অভিযোগ; মমতা ও মোদীকে পাঠিয়েছেন; পুরুলিয়া জেলার জয়পুরের বাসিন্দা ললিত গড়াই।

কাটমানি নয়, তাঁর অভিযোগ পুকুর চুরির। অর্থাৎ কাটমানি নয়; পুরো মানিই হাফিস। অভিযোগ জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের একটি কাজে; কাজ না হওয়াতেও সব টাকা পকেটে পুরেছেন তৃণমূল নেতা দেবেন মাহাত। খাতায় কলমে ১০০ দিনের কাজ হয়েছে দেখান হয়েছে; কিন্তু পুকুর কাটাই হয়নি। পুকুর যেমন ছিল; ঠিক তেমনই আছে বলেই দাবী; পুকুরের মালিক ললিত গড়াইয়ের।

তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতা দেবেন মাহাত-র এই দুর্নীতিতে; জড়িয়ে আছেন স্থানিয় পঞ্চায়েত প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসনও। ১০০ দিনের কাজ না করিয়েই; কাজ করা হয়েছে; সার্টিফিকেট দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে টাকা। সাধারণ মানুষ একটি টাকাও পাননি।

পুকুরের মালিক ললিত গড়াই; এই নিয়ে ফের মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ হয়েছেন। The News বাংলার প্রতিনিধি এলাকায় গিয়ে; পুকুর দেখতে পান। কিন্তু তাতে যে খোঁড়ার কোন কাজ হয়নি; সেটা পরিষ্কার। এই পুকুরে ১০০ দিনের কাজ কেউ করেছে; সেরকম মানুষও পাওয়া যায়নি। তবে স্থানিয় জয়পুর ব্লকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন; অভিযোগ পেয়ে জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসারকে দিয়ে তদন্ত করা হয়েছিল। কিন্তু রিপোর্টে দুর্নীতির কিছু পাওয়া যায়নি।

কিন্তু খালি চোখেই যেখানে দেখা যাচ্ছে; কোন কাজই হয়নি; সেখানে ব্লক দফতরের তদন্তে কিছুই পাওয়া গেল না? উঠে গেছে প্রশ্ন। এবার কাটমানি ইস্যু শুরু হবার পর; ফের পুকুর চুরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন ললিত গড়াই।

]]>
কাটমানি দুর্নীতি কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-tragic-controversy-death-of-tmc-worker-at-burdwan/ Wed, 26 Jun 2019 12:21:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14492 কাটমানি দুর্নীতি কান্ডে এবার এক তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু। মৃতের নাম পূর্নেন্দু চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়; বর্ধমানের নীলপুরে। মঙ্গলবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন; এই তৃণমূল কর্মী। তারপরই এদিন সকালে; তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

৫৫ বছর বয়সী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ছিলেন; বড়নীলপুরের দক্ষিণ শক্তিপাড়ার বাসিন্দা। পরিবারের তরফে জানা গেছে; মঙ্গলবার এলাকার কয়েকজন; তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীর একাংশ। কাটমানি ফেরতের দাবিতেই এই বিক্ষোভ হয়; বলেই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর

আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরীর ক্ষেত্রে; ৩০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ জানানোর সময়; তিনি বাড়ি ছিলেন না। তাই সেইসময় পূর্ণেন্দুবাবুকে না পেয়ে; বিক্ষোভকারীরা তার বাড়ির গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এমনকি বাড়ির দেওয়ালে পোস্টারও লাগানো হয়; কাটমানি ফেরতের দাবিতে।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি ফেরত দিয়ে নিজের দুর্নীতি স্বীকার তৃণমূল নেতার, আনন্দে ভাসছে গ্রামবাসী

পূর্ণেন্দুবাবুর পরিবারের দাবি, এরপরই পূর্নেন্দুবাবুকে; আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিন সকালে শ্রীরামপুর থেকে উদ্ধার হয়; পূর্ণেন্দুবাবুর মৃতদেহ। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে; পরিবার ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় বিক্ষোভও দেখান তারা। এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে রাজ্যের শাসকদল; বিজেপিকেই দায়ি করেছে।

আরও পড়ুনঃ শুধু কাটমানি দুর্নীতি নয়, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান পুলিশ। আটক করা হয়েছে তিন জনকে। বিজেপির দিকে তোলা অভিযোগ; অস্বীকার করেছে জেলা বিজেপি নেতারা। জেলার বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানান, “বিজেপি এই ধরণের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে না। ওই এলাকায় বিজেপির কোনো সংগঠন নেই। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই এই অপপ্রচার করছে শাসক দল”।

অন্যদিকে নিহত ব্যক্তি; কাটমানি কান্ডে জড়িত ছিলেন বলে এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেছেন। সরকারের নির্দেশ, ঘটনাটি যেখানে যেভাবে হয়েছে সেখানকার পুলিশি তদন্ত চালিয়ে যেন তার নিরশন ঘটানো হয়। কাটমানি ফেরতের দাবী ওঠাতেই; কি আত্মহত্যা? না রাজনৈতিক বা অন্য কারণে খুন; তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

]]>
কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-mamata-banerjee-is-not-honest-says-tmc-leader/ Wed, 26 Jun 2019 05:57:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14429 কাটমানি কেলেঙ্কারিতে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর দিকেই; আঙুল তুললেন এক তৃণমূল নেত্রী। দলনেত্রীর বিরুদ্ধেই; তোপ দাগলেন দলেরই এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। পশ্চিম মেদিনীপুর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মৌ রায়; যিনি মেদিনীপুর শহর তৃণমূলের সভানেত্রী; মমতার বিরুদ্ধেই আঙুল তুললেন।

কাটমানি কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত তৃণমূল। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন; দলের কোনও নেতা যদি কাটমানি নেন, তাহলে বরদাস্ত করবেন না তিনি। নজরুল মঞ্চের সভা থেকে তিনি বলেন; “কোনও প্রকল্প থেকে কাটমানি খাওয়া চলবে না। যারা কাটমানি নিয়েছেন, ফিরিয়ে দিন”। মমতার এই নির্দেশের পরই; রাজ্য জুড়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ‘কাটমানি কেলেঙ্কারি’-তে উত্তাল হয়েছে রাজ্য।

কোথাও কাটমানি ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ; কোথাও কাটমানি নেওয়ায় গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। কোথাও আবার তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে; কাটমানি ফেরতের দাবিতে হামলা। গত কয়েকদিনে এটাই রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাও উত্তপ্ত হয়েছে; কাটমানি বিতর্কে। সব মিলিয়ে নাজেহাল রাজ্যের শাসক দল। আর সেই বিতর্কের আগুন আরও উস্কে দিলেন এক তৃণমূল নেত্রী।

পশ্চিম মেদিনীপুর শহর তৃণমূলের সভানেত্রী মৌ রায়ের কথায়; “দিদি কাটমানি ফেরত দেওয়ার কথা বলে বিপদে ফেলেছেন। আমরা অসহায় এবং অস্বস্তিবোধ করছি। দিদি যদি মনে করে থাকেন; তিনি একাই সৎ তাহলে ভুল। আমাদের মত কিছু মানুষ আছে; যারা আজ বিপদে পড়েছে। আমরা এখন চরম সঙ্কটে এবং আতঙ্কে আছি”। এই মন্তব্যের পরেই রাজ্য জুড়ে কাটমানি বিতর্কে ঝড় বয়ে যায়। ইঙ্গিতে মমতাকেও কাটমানি বিতর্কে জড়িয়ে দিলেন এই তৃণমূল নেত্রী।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। মেদিনীপুরের এক প্রোমোটার ফোনে মৌ রায়ের কাছে; কাটমানির টাকা ফেরত চান। ওই প্রোমোটারের অভিযোগ; ওই এলাকায় একটি ফ্ল্যাট তৈরির সময় বেশ কয়েকদফায় তৃণমূল নেত্রী মৌ রায়কে; সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। এখন কাটমানি ফেরত চাওয়াতে; তাঁর বাড়িতে হামলা হচ্ছে। এই ঘটনায় মৌ রায়ের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায়; অভিযোগও জানিয়েছেন ওই প্রোমোটার।

যদিও প্রোমোটারের আনা অভিযোগ; মিথ্যে বলে দাবি করেছেন মৌ রায়। ওই প্রোমোটারের বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলাও করেছেন; এই প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। কিন্তু এই প্রথম কাটমানি ইসুতে; বিরোধীদের পাশাপাশি দলনেত্রী মমতার দিকেই আঙুল তুললেন নিজের দলের নেত্রীই।

]]>
মমতার কাটমানি আতঙ্কে কাত তৃণমূল, দাবী ৯৯.৯৯ শতাংশ কর্মী সৎ https://thenewsbangla.com/mamata-cut-money-fear-tmc-damage-control-of-99-99-workers-honest/ Mon, 24 Jun 2019 12:08:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14330 কাটমানি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন; তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা একটি বিবৃতিতে জানান হয়েছে; তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ৯৯.৯৯ শতাংশ সৎ ও পরিশ্রমী। কাটমানি ইচ্ছা করেই তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্তিতে ফলা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করে; বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। কিছু কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত পঞ্চায়েত সদস্য ও কাউন্সিলররা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে; তারাই নিজেদের স্বার্থে দলবদল করছেন।

মমতার ‘কাটমানি’ মন্তব্য; ব্যুমেরাং হয়ে ফিরেছে তৃণমূলে। খুলে গিয়েছে প্যান্ডোরার বাক্স। দিকে দিকে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। কাটমানি ফেরতের দাবিতে; তৃণমূল নেতা কর্মীদের বাড়ির সামনে ধরণা-আন্দোলনে বসেছেন মানুষ। কোথাও গ্রেফতার শাসক দলের নেতা; তো কোথাও আবার সাসপেন্ড প়ঞ্চায়েত প্রধান।

লোকসভা ভোটের পর; রাজ্য রাজনীতি আলোচনার বিষয় এখন ‘কাটমানি’। দলের নেতাদের সঙ্গে কাটমানি নিয়ে সাবধান করে দিয়েছেন নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন; “নেতারা কমিশন নেওয়ার জন্যই দলের বদনাম হচ্ছে। সব কাটমানি ফেরত দিতে হবে”। আর তারপরই জেলায় জেলায় বিক্ষোভের মুখে পরেছে দলের নেতা-কর্মীরা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে; শাসক দলকে দিবারাত্র বিঁধছেন বিরোধী নেতা নেত্রীরা। এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতির ময়দানে ব্যাকফুটে তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়; বিবৃতি দিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন। আর সবকিছুর মূলেই বিজেপির যোগ রয়েছে বলে; একপ্রকার নিশ্চিত শাসক শিবির। কাটমানি নিয়ে তৃণমূলের অস্বস্তি ঢাকতে; এবার বিবৃতি জারি করলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

কাটমানি ইস্যুতে যখন জেলায় জেলায় বিক্ষোভ চলছে; ঠিক তখনই এই একই ইস্যুতে এবার বিবৃতি তৃণমূলের। দলের নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে দলের তরফে দেওয়া হল বিবৃতি। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ৯৯.৯৯ শতাংশ সৎ ও পরিশ্রমী; তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা একটি বিবৃতিতে জানান হল। কাটমানি ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলেই; অভিযোগ তৃণমূলের।

কাটমানি ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টায় দলের পক্ষ থেকে; ওই বিবৃতি জারি করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ইস্যু করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করছে মিডিয়ার একাংশ। দলে ৯৯.৯৯ শতাংশ নেতাই সত্‍ ও পরিশ্রমী। তাঁরা উন্নয়নের সুফল মানুষের কাছে পৌছে দিতে বদ্ধপরিকর। অন্য দল থেকে আসা কিছু লোক; এখন তৃণমূলের নাম ডোবাচ্ছে। তাঁরাই শুধু এই দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত।

]]>
কাটমানি কেলেঙ্কারি, এবার দুর্নীতিতে ফাঁসলেন কোন তৃণমূল নেতা https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-tmc-leaders-punished-by-tmc-party-for-corruption/ Sat, 22 Jun 2019 15:11:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14300 কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে; পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা সরকারকে৷ শনিবার একটি সার্কুলার জারি করে; তাঁকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেন পুর চেয়ারম্যান পল্লবকান্তি দাস৷ ভাইস চেয়ারম্যানের পদে ছিলেন শান্তা সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর থেকে কড়া প্রশাসন৷ কাটমানি নেওয়ার অপরাধে; এবার অপসারিত রাজপুর-সোনারপুর উপ-পুরপ্রধান শান্তা সরকার৷ শনিবার অপসারণ করা হয় উপ-পুরপ্রধান শান্তা সরকারকে। কাটমানি নিয়ে একের পর এক তৃণমূল নেতার দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজপুর সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান শান্তা সরকারের বিরুদ্ধে; দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগ, এলাকায় কোনও কাজ করাতে গেলে; টাকা চাইত শান্তার লোকজন। এছাড়াও এলাকায় পুকুর ভরাট, সিন্ডিকেট চালানোরও; অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই; দলের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছিল। শান্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান; দলের একাধিক নেতাকর্মী।

পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শান্তা। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের একাংশের বক্তব্য; “শান্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছিল। এত দিন কিছু করা হচ্ছিল না। কিন্তু সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সংকেত দিতেই ব্যবস্থা নিল দল”। কী অভিযোগ শান্তার বিরুদ্ধে? স্থানীয় লোকজন এবং তৃণমূলের একটা বড় অংশের বক্তব্য; সমস্ত সরকারি প্রকল্প থেকেই কাটমানি নিতেন ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা সরকার।

অভিযোগ, লোকসভা ভোটের আগে রাজপুর-সোনারপুর পুরপ্রধান; পল্লব দাসের সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর পুরসভায় যাওয়া বন্ধ করেন পুরপ্রধান। অভিযোগ জানান হয়; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। এরপরই শান্তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপপ্রধানের পদ থেকেই সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। যদিও এব্যাপারে তিনি কিছুই জনেন না বলে দাবি শান্তার।

দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু বলতে চাননি শান্তা সরকার৷ তাঁর বক্তব্য, এইরকম কোনও সার্কুলার এখনও তিনি পাননি। তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না তিনি৷ তবে পৌরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে; সার্কুলার পৌর কর্মীর মাধ্যমে শান্তা সরকাকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাটমানি সংক্রান্ত বিষয়ে শান্তা সরকার বলেছেন; যা করেছেন দলের নির্দেশেই করেছেন”।

মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যে কাটমানি অভিযোগ সেল চালু হয়েছে; সেখানে জমা পড়েছে ভূরি ভূরি অভিযোগ। দফতরের অফিসাররা বলছেন; এযেন ঠগ বাছতে গাঁ উজার হবার যোগার।

]]>
এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে কাটমানি ফেরত চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী https://thenewsbangla.com/pm-narendra-modi-wants-cm-mamata-banerjee-to-return-the-cut-money/ Thu, 20 Jun 2019 12:08:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14180 গল্প হলেও সত্যি। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে; কাটমানি ফেরত চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। নিজের দলের নেতাদেরই দুর্নীতিবাজ বলেছেন; দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে করেছেন নেতারা; খেয়েছেন কাটমানি; দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী। তারপর থেকেই শুরু হয়; নেতাদের কাটমানি বিপদ।

এবার সেই বিপদে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। ভোটে হারের কারণ খুঁজতে ও রাজ্য জুড়ে দলের নেতাদের সচেতন করতে; গত সোমবার নজরুল মঞ্চে সভা ডাকেন। সেখানে নিজের দলের নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই; মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। নেতাদের কাটমানি খাওয়ার জন্যই দল হেরেছে; পরিষ্কার জানিয়ে দেন মমতা।

মমতার এই ঘোষণার পরে; মঙ্গলবার থেকেই কাটমানি ফেরত নিতে; বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে হাজির সাধারণ মানুষ। এখানেই শেষ নয়; কাটমানি খাবার অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছেন; শাসক দলের তিন নেতা। এবার মমতার রাজ্য সরকারের কাছে কাটমানি খেয়ে দুর্নীতির জন্য; টাকা ফেরত চাইল কেন্দ্রীয় সরকার।

একশ দিনের কাজে কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ; হুগলি জেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ জেলা প্রশাসনের। কেন্দ্রীয় গ্ৰামোন্নয়ন দপ্তর থেকে গত ২২-২৪শে জানুয়ারিতে; হুগলী জেলার কয়েকটি পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজের সমীক্ষা হয়।

চারটি গ্ৰাম পঞ্চায়েতে; কাজে বিপুল পরিমাণ আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরের কাছে টাকা ফেরত চায়; কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। হুগলির পোলবা দাদপুর ব্লকের রাজহাট, সাটিথান, ধনিয়াখালীর বেলমুরি পঞ্চায়েত এবং বলাগড়ের সোমরা গ্রাম পঞ্চায়েতে; মোট তিন কোটি আট লক্ষ টাকার অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিও ও প্রকল্প আধিকারিককে; টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। দোষীদের চিহ্নিত করে; তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত স্তরে একশ দিনের কাজ নির্মাণ সহায়করা দেখাশোনা করেন। তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে।

এব্যপারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন উত্তর পাওয়া না গেলেও; হুগলি জেলাপরিষদের সভাধিপতি মেহেবুব রহমান বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্যাঁচে ফেলতে এই সমীক্ষা করেছে। টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক এ্যকাউন্টে ঢুকেছে। কোনও দুর্নীতি হয়নি”। তবে টাকা ফেরত পেতে অনড় কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক।

]]>
কাটমানি খেয়ে ও প্রতারণার দায়ে তৃণমূল নেতারা পুলিশি হেফাজতে https://thenewsbangla.com/trinamool-leaders-arrested-police-investigate-the-complaint-of-cut-money/ Thu, 20 Jun 2019 11:49:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14182 দলের মধ্যে তোলাবাজি বরদাস্ত করা হবে না; অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সোমবার নজরুল মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো ঘোষণা করেন; দলের কোনও নেতা যদি কাটমানি নেন, তা বরদাস্ত করবেন না। যাঁর দিকে অভিযোগের আঙুল উঠবে, তাঁকে রেয়াত করা হবে না।

এরপরেই ১ কোটি টাকা কাটমানি খাওয়ার অভিযোগে; বুধবার মালদার রতুয়ায় গ্রেফতার করা হয় সুকেশ যাদব নামে এক তৃণমূল নেতাকে। গ্রেফতার করা হয় মিলন মণ্ডলের মতো; হলদিয়ার দাপুটে নেতাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, হলদিয়া শিল্পাঞ্চল সহ মহিষাদল এলাকায়; বেশকিছু অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছে মিলন মণ্ডল।

আরও পড়ুনঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে অশান্ত ভাটপাড়ায় বিজেপির কেন্দ্রীয় দল

হুগলির রিষড়া পঞ্চাননতলা থেকে; কয়েক লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতা কালাচাঁদ পালকে। রিষড়া বাসিন্দা কালাচাঁদকে বুধবার রাতে; গ্রেফতার করে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। অভিযোগ, উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রণব দের কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা নেন কালাচাঁদ।

টাকা ফেরত চাইলে প্রণব দেকে হুমকি দেন কালাচাঁদ। তারপর প্রণব দেকে মারধরও করা হয়। প্রণববাবুর অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়; কালাচাঁদ পালকে। জানা গেছে, প্রতরণার অভিযোগে এর আগেও জেল খেটেছেন কালচাঁদ।

আরও পড়ুনঃ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বিনা হেলমেটের বাইক ধরার অভিযান পুলিশের

ভোটে হারের কারণ খুঁজতে ও রাজ্য জুড়ে দলের নেতাদের সচেতন করতে; গত সোমবার নজরুল মঞ্চে সভা ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নিজের দলের নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই; মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। নেতাদের কাটমানি খাওয়ার জন্যই দলের এই হাল; পরিষ্কার জানিয়ে দেন মমতা।

পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। দুর্নীতিবাজ কাউকেই ছাড়া হবে না; পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি। মমতার এই ঘোষণার পরে; মঙ্গলবার থেকেই কাটমানি ফেরত নিতে; বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে হাজির সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম তোষণ না করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে খোলা চিঠি মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের

অভিযোগ অস্বীকার করেও; মানুষের সঙ্গত ক্ষোভ চাপা দিতে পারেননি তৃণমূল নেতারা। মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পরই; জেলায় জেলায় তত্পরতা শুরু হয়ে যায়। জেলায় জেলায়; গ্রেফতার হতে থাকে তৃণমূল নেতারা।

]]>
মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিভিন্ন প্রকল্পে, কাটমানি খেয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তৃণমূল নেতারা https://thenewsbangla.com/tmc-leaders-get-cut-money-from-cm-mamata-banerjee-government-projects/ Thu, 20 Jun 2019 06:53:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14141 নিজের দলের নেতাদেরই দুর্নীতিবাজ বললেন; দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে করেছেন নেতা কাউন্সিলররা; খেয়েছেন কাটমানি; নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী। এদের কাউকেই ছাড়া হবে না; বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি।

ভোটে হারের কারণ খুঁজতে ও রাজ্য জুড়ে দলের নেতাদের সচেতন করতে; গত সোমবার নজরুল মঞ্চে সভা ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নিজের দলের নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই; মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। নেতাদের কাটমানি খাওয়ার জন্যই দলের এই হাল; পরিষ্কার জানিয়ে দেন মমতা।

পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। দুর্নীতিবাজ কাউকেই ছাড়া হবে না; পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি। মমতার এই ঘোষণার পরে; মঙ্গলবার থেকেই কাটমানি ফেরত নিতে; বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে হাজির সাধারণ মানুষ। অভিযোগ অস্বীকার করেও; মানুষের সঙ্গত ক্ষোভ চাপা দিতে পারেননি তৃণমূল নেতারা।

রাজ্যের মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পকেই টাকা খাওয়ার রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। আবাস যোজনা থেকে শুরু করে; কন্যাশ্রী ও রুপশ্রী প্রকল্পেও যে যেমন পেরেছেন; কাটমানি খেয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

বিভিন্ন জেলার অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে; কমবেশি মমতার বিভিন্ন প্রকল্প থেকে; টাকা কামিয়েছেন তাঁর দলেরই নেতারা। যে প্রকল্পে টাকার পরিমাণ যত বেশি; সেই প্রকল্পে তোলাবাজি তত বেশি। জঙ্গলমহলের চার জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও মেদিনীপুরে; মানুষের কাছে তোলাবাজি সবচেয়ে বেশি করেছেন তৃণমূল নেতারা।

জঙ্গলমহলের চার জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পের পাশাপাশি; মানুষের ১০০ দিনের কাজের টাকাও বেমালুম মেরে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা; এমনটাই অভিযোগ সাধারণ মানুষের। সেই কারণেই মানুষের ভোট গেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে; তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে আমজনতা।

বিজেপি সংগঠন দিয়ে মানুষের ভোট যত না পেয়েছে; তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষ বিজেপিকে বেছে নেওয়ায়; গেরুয়া শিবিরের জয় জয়কার হয়েছে। ঠিক যেমন ২০১১ বিধানসভা ভোটে; তৃণমূলের কৃতিত্বের চেয়েও; মানুষ বামেদের বিকল্প হিসাবে মমতার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিল।

জঙ্গলমহলের মত উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলাতেই; মুখ্যমন্ত্রী মমতারই বিভিন্ন প্রকল্পে তাঁর দলের নেতাদেরই কাটমানি খাওয়াই; তৃণমূলের ভোটে খারাপ ফলের অন্যতম কারণ।

]]>