Cut Money Scam – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 29 Jun 2019 10:52:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Cut Money Scam – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 কাটমানি ইস্যুতে তৃণমূল উপ পুরপ্রধান সরাসরি অভিযোগ তুললেন পুরপ্রধান ও অভিষেকের দিকে https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-complain-against-tmc-bankura-corporation-chairman/ Sat, 29 Jun 2019 10:33:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14695 কাটমানি ইস্যুতে আবারও নড়বড়ে হল ঘাসফুল শিবির। চেয়ারম্যান ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে; পদত্যাগ করলেন বাঁকুড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দিলীপ আগরওয়াল।

তৃণমূল উপপুরপ্রধানের কাজে বাধা দিচ্ছেন; পুরসভায় স্বৈরতন্ত্র চালাচ্ছেন পুরপ্রধান। চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে; বাঁকুড়া পৌরসভার উপ পৌরপ্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন দিলীপ আগরওয়াল।

আরও পড়ুনঃ পাল্টে যাওয়া পুলিশকে ফের বাগে আনতেই, কি ২২ দিনের অতিরিক্ত মাইনে মমতার

শনিবার দিলীপ আগরওয়াল তার পদত্যাগপত্র; দলের জেলা পরিদর্শক শুভেন্দু অধিকারীকে পাঠিয়ে দেন। পরে সাংবাদিক সম্মেলন করে; পদত্যাগের কথা জানান তিনি। বলেন বিগত দুবছর ধরে তিনি একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করেছেন এবং পৌরসভার আয় বাড়িয়েছেন বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে।

বাঁকুড়া শহরকে সাজানোর যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়েছেন; কিন্তু তার এই সমস্ত কাজে দিনের পর দিন বাধা দিয়ে এসেছেন বর্তমান পৌরসভার চেয়ারম্যান মহাপ্রসাদ সেনগুপ্ত। তিনি অভিযোগ করেন; তার অধীনে থাকা দপ্তরগুলির বিভিন্ন ফাইল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আটকে রাখছেন চেয়ারম্যান। এই বিষয়ে দলের বিগত অবজারভার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে; তিনি একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছিলেন; তবে তার কোনো ফল হয়নি।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম স্কুলে খাবার ঘর, বিতর্কের জেরে সার্কুলার প্রত্যাহার করে নিলেন মমতা

জেলার নতুন অবজারভার; শুভেন্দু অধিকারীকেও এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তারও কোন সুরাহা না হবার কারণে; তিনি উপ পৌরপ্রধান পদ থেকে পদত্যাগ করলেন। তবে তৃণমূল দলেই তিনি থাকছেন; বলে জানিয়েছেন দিলীপ আগরওয়াল।

ভাইস চেয়ারম্যানের পদত্যাগের বিষয়ে; চেয়ারম্যান মহাপ্রসাদ সেনগুপ্তকে প্রশ্ন করা হলে; তিনি বলেন এই বিষয়ে কোনো অভিযোগ তার কাছে উপ পৌরপ্রধান কোনদিন জানাননি। পদত্যাগপত্র আসেনি বলে; তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুনঃ ক্যানসার নাকি গলায় আলসারে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস

বাম আমলে ডাকাবুকো ছাত্র নেতা হিসাবে পরিচিত; দিলীপবাবু বিগত ৯ বছর ধরে কাউন্সিলর রয়েছেন। তিনি দু বছর ধরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন পুরসভায়। এদিন তিনি সরাসরি চেয়ারম্যানের দিকে; অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিভিন্ন অনৈতিক কাজের। সঙ্গে জড়িয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

অপরদিকে তিনি দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করছেন; বলে জোর গুঞ্জন শুরু হলে; দিলীপবাবু দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন তিনি এখনও তৃণমূলে আছেন; দল ছাড়ছেন না।

]]>
ফের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে; অভিযোগ এবার খোদ দলীয় নেতার https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-complain-against-tmc-panchayat-president-district-council/ Fri, 28 Jun 2019 07:31:03 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14609 কাটমানির আগুনে জ্বলছে; রাজ্যের তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই আগুনে ঘি ঢাললেন; পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ জয়দেব বর্মণ। দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে; দলের সভাপতির বিরুদ্ধেই চিঠি দিলেন এই তৃণমূল নেতা।

জয়দেব বর্মণ তমলুকের তৃণমূল পরিচালিত; শহীদ মাতাঙ্গীনি পঞ্চায়েতের কর্মাধ্যক্ষ। শুক্রবার ওই পঞ্চায়েতের সভাপতি ও জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে; অনৈতিক সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগ করেন তিনি। তিনি চিঠি লেখেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শুভেন্দু অধিকারিকে। চিঠি পাঠান সাংসদ শিশির অধিকারিকেও।

আরও পড়ুনঃ বছরে কত টাকা কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা, হিসাব দেখে চমকে যাবেন মুকেশ আম্বানিও

জয়দেব বর্মণ লেখেন; “পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিবাকর জানা ও তার স্ত্রী তনুশ্রী জানা দলের নাম ব্যবহার করে; সঙ্গতিবিহীন সম্পত্তির মালিক হয়েছেন”। তিনি জানান; এর জন্য ওই এলাকায় দল সম্পর্কে; মানুষের ভুল ধারনা তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নতুন ফরমান, মুসলিম অধ্যুষিত স্কুলে বানাতে হবে ডাইনিং হল

তিনি আরও বলেন; “২০১২ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে উভয়ে প্রায় ৫-৬ কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন”। এই সম্পত্তি বৃদ্ধি; সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা অবিশ্বাসের কারণ হয়ে উঠেছে। একই দলের সদস্য বলে তাঁদের ভুল বুঝছেন মানুষ।

জয়দেব বর্মণ দলকে এই বিষয়ে; দিবাকর জানার বিরুদ্ধে তদন্তের অনুরোধ করেন। এই অনৈতিক কাজের প্রভাব; লোকসভা ভোটে দেখা গেছে বলে আশঙ্কা তাঁর। সঠিক তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করেন জয়দেব বর্মণ। চিঠির সঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিবাকর জানা ও তার স্ত্রী তনুশ্রী জানার; সম্পত্তির পরিমাণ কিভাবে বেড়েছে; তারও খাতায় কলমে প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ভারতের রঙ কমলা, পরিবর্তনের পিছনেও মোদীর হাত দেখছে বিরোধীরা

তিনি নৈতিকভাবে এই কাজকে সমর্থন করেন না বলে; পদত্যাগেরও আবেদন করেছেন দলের কাছে। তিনি বলেন; “আমি আজ থেকে দলের সব দায়িত্ব ও পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য; জেলা কমিটির নিকট আবেদন রাখছি”। তৃণমূল দলের আদর্শ নিয়েই তিনি থাকতে চান। একজন সাধারণ তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী হিসাবে; দলের সাথেই থাকতে ইচ্ছুক তিনি। আর এই চিঠি প্রকাশ্যে আসায়; ফের কাটমানি কেলেঙ্কারিতে চরম লজ্জায় তৃণমূল।

]]>
বছরে কত টাকা কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা, হিসাব দেখে চমকে যাবেন মুকেশ আম্বানিও https://thenewsbangla.com/mukesh-ambani-will-surprised-with-tmc-leaders-get-cut-money-in-a-year/ Fri, 28 Jun 2019 06:29:51 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14599 কাটমানি কেলেঙ্কারি। আর কাটমানি নিয়েই তোলপাড় গোটা রাজ্য। কিন্তু বছরে কত টাকা কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা? জানেন কি হিসাব? হিসাব দেখলে চোখ কপালে উঠবে সবার। আর খাতায় কলমে অঙ্ক কষে; হিসাব দেখিয়ে দিলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউট (আই এস আই)-র; অর্থনীতির অধ্যাপক ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত। কি লিখলেন অর্থনীতির অধ্যাপক ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত? পড়ে নিন।

“আপনাদের কোনো ধারণা আছে; তৃণমূলীরা বছরে বাংলা থেকে কত কাটমানি খায়? আনুমানিক হিসাব; এই চুরির অঙ্ক এবছরে কমপক্ষে ৩০০০০ কোটি টাকা। হাঁ ঠিক দেখছেন। বছরে ত্রিশ হাজার কোটি টাকা; যা বাংলার একবছরে শিক্ষা খাতে খরচার সমান।

বিষয়টির ব্যাপকতা সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করতে আমাদের জানা দরকার; গত বছর রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মোট মুনাফা ছিল ৪০০০০ কোটি টাকা। বাংলায় যে কোন সরকারী নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয়ের ১০-১৫ % কাটমানি হিসাবে যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের পকেটে। ঠিক এর সমানুপাতে টাকা তৃণমূল নেতারা; বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, যেমন কন্যাশ্রী, রুপশ্রী অথবা গৃহনির্মাণ প্রকল্প থেকে সরিয়েছে।

২০১৯-২০ আর্থিকবর্ষে; বাংলার প্রস্তাবিত বাজেট ব্যয় ২লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দায় (পেনশন, বেতন এবং সুদপ্রদান); এবং ঋণ পরিশোধের যৌথ মিলিত পরিমাণ প্রায় ১ লক্ষ ৪০হাজার কোটি টাকা। অবশিষ্ট ১ লক্ষ কোটি টাকার; বেশিরভাগই খরচা ধরা হয়েছে পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন প্রকল্প নির্মাণ এবং বিভিন্নভাবে ভর্তুকি প্রদানে।

এই সমস্ত কিছুই কাটমানির আওতায় পড়ে; এবং এগুলির থেকে কাটমানি নেওয়া হয়। এবছর নির্মাণ ও মেরামতি প্রকল্প এবং সাধারণ ভর্তুকি খাতে; আনুমানিক বরাদ্দ ৪০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। আমরা যদি ভালো মনে ধরেও নি যে; অন্য কোথাও কাটমানি নেওয়া হবে না; তবুও কমপক্ষে ধরলে ৫০০০ কোটি টাকা শুধু এখান থেকেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তার পরিমাণ ১৫০০০ কোটি টাকা পর্যন্তও হতে পারে।

এর সাথে যোগ করুন সিন্ডিকেট রাজের ফলে; বেসরকারি নির্মাণ প্রকল্পগুলিতে ৩০% থেকে ৪০ % খরচা বৃদ্ধি। বেসরকারী নির্মাণ প্রকল্পগুলি; বাংলার গড় রাজ্য অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিএসডিপি)-র ১০% উৎপন্ন করে। এবং বেসরকারী নির্মাণ ক্ষেত্রের; প্রায় অর্ধেক অংশে এই অন্যায় জুলুমবাজির জন্য; সোজা হিসাবে কমপক্ষে ২০ হাজার কোটি টাকা; তৃণমূল নেতাদের পকেটে যায় বছরে।

শেষে যোগ করুন চাকরি দেওয়ার নাম করে এবং তা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে; একবারে মোটা টাকা নেওয়া। প্রভাব খাটিয়ে কোন কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে; রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের উপর ‘জরিমানা’ চাপিয়ে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রিক্সাওয়ালা এবং অটোচালকের কাছ থেকে; প্রতিদিন তোলার নামে কমপক্ষে বছরে আরও ৫হাজার কোটি টাকা।

এবারে দেখুন, কম করে ধরেও এই কাটমানির আনুমানিক হিসাব; বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা কিভাবে মিলে যাচ্ছে। এই অঙ্ক বাংলার প্রস্তাবিত মোট আয়ের ২% এবং গোটা শিক্ষা বাজেটে মোট বরাদ্দের সমান”।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেছেন; গরিব ও গৃহহীনদের সরকারি বাড়ি প্রকল্পে ৩০০০০ টাকা করে কাটমানি নেওয়া হয়েছে। আবার মমতার সরকারি হিসাবে; রাজ্যে ৪০ লাখ এরকম বাড়ি তৈরি হয়েছে। সেই সোজা হিসাবেই; এই কাটমানিরই পরিমাণ দাঁড়াবে ১২০০০ কোটি টাকা।

তাই, রাজ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলও অনেকটাই; এই কাটমানির হিসাবে একমত। গত বছর মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের; মোট মুনাফা ছিল ৪০০০০ কোটি টাকা। আর তৃণমূলের কাটমানির পরিমাণ বছরে ৩০০০০ কোটি টাকা। তৃণমূল নেতাদের ফুলে ফেঁপে ওঠার ব্যাপারটা; এই হিসাব দেখেই; অনেকটাই আন্দাজ করা যায়। তবে এই কাটমানির হিসাব; উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। তৃণমূলের বক্তব্য; অনেকেই এখন ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পরেছেন।

]]>
কাটমানির দাবিতে মানুষ, তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরছে জেলায় জেলায় https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-controversy-tmc-bjp-clash-spread-in-bengal-districts/ Thu, 27 Jun 2019 11:30:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14554 কাটমানি কেলেঙ্কারি; আর তারপর তৃণমূল কর্মী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের খুনকে কেন্দ্র করে; পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই খুনের তদন্ত শুরু করতে গেলে; পুলিশের ওপর স্থানীয় বাসিন্দারা চড়াও হয়। আক্রান্ত হয় অনেক এলাকাবাসীও। গতকাল থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছিল; মৃতের পরিবার সহ তৃণমূল কর্মীরা। তারপর পুলিশ গ্রেফতার করে; ৫ জন বিজেপি কর্মীকে।

তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে; উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বর্ধমানের নীলপুরে। মৃতের বাড়ির গেটে টাঙিয়ে দেওয়া হয়; ‘কাটমানি ফেরতের ব্যানার’। এই ব্যানার ছড়িয়ে পরে; গোটা সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিক্ষোভে এলাকাবাসীর পাশাপাশি জখম হয়; বেশ কিছু পুলিশও। কাটমানি কেলেঙ্কারি; ছড়িয়ে পরছে জেলায় জেলায়।

আরও পড়ুনঃ Breaking News; ভারত সরকারের চাপে নীরব মোদীর ২৮৩ কোটি টাকার সুইস ব্যাঙ্ক আকাউন্ট বন্ধ হল

কাটমানির বিতর্কিত দাবিতে; এখন সরগরম মেদিনীপুরও। কাটমানি কান্ডের এই জটিল পরিস্থিতি; ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পরছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলাগুলিতে। পরিস্থিতি সামলাতে; অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে; তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি।

৫৫ বছর বয়সী তৃণমূল কর্মী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় এর খুনকে কেন্দ্র করে; কাটমানি ঘটনা যেভাবে মোড় নিয়েছে; তাতে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ; আরও জটিলতর হতে চলেছে। কাটমানি ফেরতের দাবিতেই; এই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীর একাংশ।

আরও পড়ুনঃ মি টু আন্দোলনে আবারও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরীর ক্ষেত্রে; ৩০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে পূর্ণেন্দুবাবুর বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীরা অভিযোগ জানানোর সময়; তিনি বাড়ি ছিলেন না। তাই সেইসময় পূর্ণেন্দুবাবুকে না পেয়ে; বিক্ষোভকারীরা তার বাড়ির গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এমনকি বাড়ির দেওয়ালে পোস্টারও লাগানো হয়; কাটমানি ফেরতের দাবিতে।

ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে; পরিবার ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় বিক্ষোভও দেখান তারা। এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে রাজ্যের শাসকদল; বিজেপিকেই দায়ি করেছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষার দায় বামেদের নেই

বিজেপির দিকে তোলা অভিযোগ; অস্বীকার করেছে জেলা বিজেপি নেতারা। জেলার বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানিয়েছেন, “বিজেপি এই ধরণের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে না। ওই এলাকায় বিজেপির কোনো সংগঠন নেই। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই এই অপপ্রচার করছে শাসক দল”।

]]>
শুধু কাটমানি দুর্নীতি নয়, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-complain-letter-to-mamata-banerjee-against-tmc-leader/ Wed, 26 Jun 2019 12:35:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14481 কাটমানি কেলেঙ্কারিতে কাঁপছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে; কাটমানি ফেরত পাবার দাবী। সমস্যায় ছোট বড় অধিকাংশ তৃণমূল নেতারা। “সব কাটমানি ফেরত দিতে হবে”; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মাত্রই; শুরু হয়ে গেছে নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা। অভিযোগ জানাবার ফোন নাম্বার ও ঠিকানা পেয়ে যাওয়ায়; আমজনতার অভিযোগের পাহাড় জমছে। কিন্তু শুধুমাত্র কাটমানি নয়; তৃণমূলের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে।

হ্যাঁ, পুকুর চুরির অভিযোগ। সরকারি কাজ করে কাটমানি খেয়েছেন; তৃণমূল নেতারা, এমনটাই অভিযোগ ছিল মমতার। কিন্তু কাজ না করেই গরিব মানুষদের ১০০ দিনের পুরো টাকাটাই বেমালুম হজম করে দিয়েছেন; তৃণমূল নেতারা। এমন অভিযোগ নবান্নে ও কালীঘাটে জমা পরছে শয়ে শয়ে। এমনই একটি পুকুর চুরির অভিযোগ; মমতা ও মোদীকে পাঠিয়েছেন; পুরুলিয়া জেলার জয়পুরের বাসিন্দা ললিত গড়াই।

কাটমানি নয়, তাঁর অভিযোগ পুকুর চুরির। অর্থাৎ কাটমানি নয়; পুরো মানিই হাফিস। অভিযোগ জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের একটি কাজে; কাজ না হওয়াতেও সব টাকা পকেটে পুরেছেন তৃণমূল নেতা দেবেন মাহাত। খাতায় কলমে ১০০ দিনের কাজ হয়েছে দেখান হয়েছে; কিন্তু পুকুর কাটাই হয়নি। পুকুর যেমন ছিল; ঠিক তেমনই আছে বলেই দাবী; পুকুরের মালিক ললিত গড়াইয়ের।

তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতা দেবেন মাহাত-র এই দুর্নীতিতে; জড়িয়ে আছেন স্থানিয় পঞ্চায়েত প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসনও। ১০০ দিনের কাজ না করিয়েই; কাজ করা হয়েছে; সার্টিফিকেট দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে টাকা। সাধারণ মানুষ একটি টাকাও পাননি।

পুকুরের মালিক ললিত গড়াই; এই নিয়ে ফের মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ হয়েছেন। The News বাংলার প্রতিনিধি এলাকায় গিয়ে; পুকুর দেখতে পান। কিন্তু তাতে যে খোঁড়ার কোন কাজ হয়নি; সেটা পরিষ্কার। এই পুকুরে ১০০ দিনের কাজ কেউ করেছে; সেরকম মানুষও পাওয়া যায়নি। তবে স্থানিয় জয়পুর ব্লকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন; অভিযোগ পেয়ে জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসারকে দিয়ে তদন্ত করা হয়েছিল। কিন্তু রিপোর্টে দুর্নীতির কিছু পাওয়া যায়নি।

কিন্তু খালি চোখেই যেখানে দেখা যাচ্ছে; কোন কাজই হয়নি; সেখানে ব্লক দফতরের তদন্তে কিছুই পাওয়া গেল না? উঠে গেছে প্রশ্ন। এবার কাটমানি ইস্যু শুরু হবার পর; ফের পুকুর চুরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন ললিত গড়াই।

]]>
কাটমানি দুর্নীতি কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়, তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-tragic-controversy-death-of-tmc-worker-at-burdwan/ Wed, 26 Jun 2019 12:21:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14492 কাটমানি দুর্নীতি কান্ডে এবার এক তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু। মৃতের নাম পূর্নেন্দু চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়; বর্ধমানের নীলপুরে। মঙ্গলবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন; এই তৃণমূল কর্মী। তারপরই এদিন সকালে; তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

৫৫ বছর বয়সী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ছিলেন; বড়নীলপুরের দক্ষিণ শক্তিপাড়ার বাসিন্দা। পরিবারের তরফে জানা গেছে; মঙ্গলবার এলাকার কয়েকজন; তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীর একাংশ। কাটমানি ফেরতের দাবিতেই এই বিক্ষোভ হয়; বলেই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর

আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরীর ক্ষেত্রে; ৩০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ জানানোর সময়; তিনি বাড়ি ছিলেন না। তাই সেইসময় পূর্ণেন্দুবাবুকে না পেয়ে; বিক্ষোভকারীরা তার বাড়ির গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এমনকি বাড়ির দেওয়ালে পোস্টারও লাগানো হয়; কাটমানি ফেরতের দাবিতে।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি ফেরত দিয়ে নিজের দুর্নীতি স্বীকার তৃণমূল নেতার, আনন্দে ভাসছে গ্রামবাসী

পূর্ণেন্দুবাবুর পরিবারের দাবি, এরপরই পূর্নেন্দুবাবুকে; আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিন সকালে শ্রীরামপুর থেকে উদ্ধার হয়; পূর্ণেন্দুবাবুর মৃতদেহ। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে; পরিবার ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় বিক্ষোভও দেখান তারা। এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে রাজ্যের শাসকদল; বিজেপিকেই দায়ি করেছে।

আরও পড়ুনঃ শুধু কাটমানি দুর্নীতি নয়, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুকুর চুরির অভিযোগ এল মমতার কাছে

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান পুলিশ। আটক করা হয়েছে তিন জনকে। বিজেপির দিকে তোলা অভিযোগ; অস্বীকার করেছে জেলা বিজেপি নেতারা। জেলার বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানান, “বিজেপি এই ধরণের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে না। ওই এলাকায় বিজেপির কোনো সংগঠন নেই। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই এই অপপ্রচার করছে শাসক দল”।

অন্যদিকে নিহত ব্যক্তি; কাটমানি কান্ডে জড়িত ছিলেন বলে এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেছেন। সরকারের নির্দেশ, ঘটনাটি যেখানে যেভাবে হয়েছে সেখানকার পুলিশি তদন্ত চালিয়ে যেন তার নিরশন ঘটানো হয়। কাটমানি ফেরতের দাবী ওঠাতেই; কি আত্মহত্যা? না রাজনৈতিক বা অন্য কারণে খুন; তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

]]>
কাটমানি ফেরত দিয়ে নিজের দুর্নীতি স্বীকার তৃণমূল নেতার, আনন্দে ভাসছে গ্রামবাসী https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-tmc-leader-accepted-corruption-by-return-money/ Wed, 26 Jun 2019 06:07:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14428 কাটমানি কেলেঙ্কারি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; কাটমানি ফেরৎ দেওয়ার কথা ঘোষনার পরই; চাপে পরেছেন তৃণমূল নেতারা। কাটমানি বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে যে অশান্তি শুরু হয়েছে; তা থামাতে কাটমানি ফেরতের আশ্বাসও দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। আর টাকা ফেরত দিয়ে; দুর্নীতি স্বীকার করে নিয়ে; আরও গাড্ডায় পরলেন তৃণমূল নেতা ত্রিলোচন মুখার্জি।

কাটমানি ফেরত দিয়ে; দুর্নীতি স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল নেতা। শতাধিক গ্রামবাসীর চাপে; ১৬০০ টাকা করে মানুষের হাতে তুলে দিলেন; তৃণমূলের বুথ সভাপতি; ত্রিলোচন মুখার্জি। মঙ্গলবার সকালে সিউড়ি ২নং ব্লকের কোমা গ্রাম পঞ্চায়েতের চাতরা গ্রামে; তৃণমূলের নেতার কাছ থেকে; কাটমানি আদায় করে উচ্ছ্বাসে ভেসেছে গোটা গ্রাম।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর

ইতিমধ্যে ১৪১ জন মানুষ আদায় করেছেন; আট মাস আগে; গ্রামে নর্দমা সংস্কারের মজুরির কাটমানি। এদিন টাকা হাতে নিয়ে; গ্রামের খুশি মাল, আরতি মাল, যাদব মণ্ডল, সুবোধ বাগদিরা জানান, “কবে কাজ করেছি তার ঠিক নেই। টাকা চাইলে; তৃণমূলের বুথ সভাপতি ত্রিলোচন মুখার্জি দিত মারার হুমকি”।

যেসব নেতা সরকারি প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে; বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন; তাঁদের বিরুদ্ধেই এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। নেতারা বলেছেন; “ঘুষ ফেরতের নির্দেশ মমতা প্রকাশ্যে না দিলেই ভালো হত। এতে দলের হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে”।

অভিযোগ, গত আট বছর ধরে একশো দিনের সামান্যও যা কাজ হয়েছে; সব টাকা তৃণমূল নেতারা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে; নিজের কব্জায় নিয়ে নিত। তারপর পেছন পেছন ঘুরে; মিলত দুশো-পাঁচশোর মত ভিক্ষার দান। গত দু-তিন বছরে তো টাকা দেওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল”।

জানা গেছে, শেষ নর্দমা সংস্কারের কাজে; দু মাস আগে এসেছিল; প্রায় ২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা। এই সব টাকাই তুলে নিয়েছিল তৃণমূল নেতারা। কোনো টাকাই পায়নি গ্রামবাসীরা। অবশেষে তারা একজোট হয়ে; বিক্ষোভে শামিল হতে; এদিন প্রত্যেকের হাতে ১৬০০ টাকা করে ফেরত দেয় ওই তৃণমূল নেতা।

জানা গেছে, এই ধরণের পরিস্থিতি আরও বেশ কিছু জেলায়। তৃণমূল নেতারা গা ঢাকা দিয়েছেন। শুরু হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তদন্ত। কাটমানি কেলেঙ্কারিতে ফ্যাসাদে তৃণমূল।

]]>
কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-mamata-banerjee-is-not-honest-says-tmc-leader/ Wed, 26 Jun 2019 05:57:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14429 কাটমানি কেলেঙ্কারিতে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর দিকেই; আঙুল তুললেন এক তৃণমূল নেত্রী। দলনেত্রীর বিরুদ্ধেই; তোপ দাগলেন দলেরই এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। পশ্চিম মেদিনীপুর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মৌ রায়; যিনি মেদিনীপুর শহর তৃণমূলের সভানেত্রী; মমতার বিরুদ্ধেই আঙুল তুললেন।

কাটমানি কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত তৃণমূল। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন; দলের কোনও নেতা যদি কাটমানি নেন, তাহলে বরদাস্ত করবেন না তিনি। নজরুল মঞ্চের সভা থেকে তিনি বলেন; “কোনও প্রকল্প থেকে কাটমানি খাওয়া চলবে না। যারা কাটমানি নিয়েছেন, ফিরিয়ে দিন”। মমতার এই নির্দেশের পরই; রাজ্য জুড়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ‘কাটমানি কেলেঙ্কারি’-তে উত্তাল হয়েছে রাজ্য।

কোথাও কাটমানি ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ; কোথাও কাটমানি নেওয়ায় গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। কোথাও আবার তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে; কাটমানি ফেরতের দাবিতে হামলা। গত কয়েকদিনে এটাই রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাও উত্তপ্ত হয়েছে; কাটমানি বিতর্কে। সব মিলিয়ে নাজেহাল রাজ্যের শাসক দল। আর সেই বিতর্কের আগুন আরও উস্কে দিলেন এক তৃণমূল নেত্রী।

পশ্চিম মেদিনীপুর শহর তৃণমূলের সভানেত্রী মৌ রায়ের কথায়; “দিদি কাটমানি ফেরত দেওয়ার কথা বলে বিপদে ফেলেছেন। আমরা অসহায় এবং অস্বস্তিবোধ করছি। দিদি যদি মনে করে থাকেন; তিনি একাই সৎ তাহলে ভুল। আমাদের মত কিছু মানুষ আছে; যারা আজ বিপদে পড়েছে। আমরা এখন চরম সঙ্কটে এবং আতঙ্কে আছি”। এই মন্তব্যের পরেই রাজ্য জুড়ে কাটমানি বিতর্কে ঝড় বয়ে যায়। ইঙ্গিতে মমতাকেও কাটমানি বিতর্কে জড়িয়ে দিলেন এই তৃণমূল নেত্রী।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। মেদিনীপুরের এক প্রোমোটার ফোনে মৌ রায়ের কাছে; কাটমানির টাকা ফেরত চান। ওই প্রোমোটারের অভিযোগ; ওই এলাকায় একটি ফ্ল্যাট তৈরির সময় বেশ কয়েকদফায় তৃণমূল নেত্রী মৌ রায়কে; সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। এখন কাটমানি ফেরত চাওয়াতে; তাঁর বাড়িতে হামলা হচ্ছে। এই ঘটনায় মৌ রায়ের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায়; অভিযোগও জানিয়েছেন ওই প্রোমোটার।

যদিও প্রোমোটারের আনা অভিযোগ; মিথ্যে বলে দাবি করেছেন মৌ রায়। ওই প্রোমোটারের বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলাও করেছেন; এই প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। কিন্তু এই প্রথম কাটমানি ইসুতে; বিরোধীদের পাশাপাশি দলনেত্রী মমতার দিকেই আঙুল তুললেন নিজের দলের নেত্রীই।

]]>
কাটমানি কেলেঙ্কারি, এবার দুর্নীতিতে ফাঁসলেন কোন তৃণমূল নেতা https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-tmc-leaders-punished-by-tmc-party-for-corruption/ Sat, 22 Jun 2019 15:11:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14300 কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে; পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা সরকারকে৷ শনিবার একটি সার্কুলার জারি করে; তাঁকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেন পুর চেয়ারম্যান পল্লবকান্তি দাস৷ ভাইস চেয়ারম্যানের পদে ছিলেন শান্তা সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর থেকে কড়া প্রশাসন৷ কাটমানি নেওয়ার অপরাধে; এবার অপসারিত রাজপুর-সোনারপুর উপ-পুরপ্রধান শান্তা সরকার৷ শনিবার অপসারণ করা হয় উপ-পুরপ্রধান শান্তা সরকারকে। কাটমানি নিয়ে একের পর এক তৃণমূল নেতার দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজপুর সোনারপুর পুরসভার চেয়ারম্যান শান্তা সরকারের বিরুদ্ধে; দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগ, এলাকায় কোনও কাজ করাতে গেলে; টাকা চাইত শান্তার লোকজন। এছাড়াও এলাকায় পুকুর ভরাট, সিন্ডিকেট চালানোরও; অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই; দলের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছিল। শান্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান; দলের একাধিক নেতাকর্মী।

পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শান্তা। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের একাংশের বক্তব্য; “শান্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছিল। এত দিন কিছু করা হচ্ছিল না। কিন্তু সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সংকেত দিতেই ব্যবস্থা নিল দল”। কী অভিযোগ শান্তার বিরুদ্ধে? স্থানীয় লোকজন এবং তৃণমূলের একটা বড় অংশের বক্তব্য; সমস্ত সরকারি প্রকল্প থেকেই কাটমানি নিতেন ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা সরকার।

অভিযোগ, লোকসভা ভোটের আগে রাজপুর-সোনারপুর পুরপ্রধান; পল্লব দাসের সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর পুরসভায় যাওয়া বন্ধ করেন পুরপ্রধান। অভিযোগ জানান হয়; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। এরপরই শান্তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপপ্রধানের পদ থেকেই সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। যদিও এব্যাপারে তিনি কিছুই জনেন না বলে দাবি শান্তার।

দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু বলতে চাননি শান্তা সরকার৷ তাঁর বক্তব্য, এইরকম কোনও সার্কুলার এখনও তিনি পাননি। তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না তিনি৷ তবে পৌরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে; সার্কুলার পৌর কর্মীর মাধ্যমে শান্তা সরকাকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাটমানি সংক্রান্ত বিষয়ে শান্তা সরকার বলেছেন; যা করেছেন দলের নির্দেশেই করেছেন”।

মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যে কাটমানি অভিযোগ সেল চালু হয়েছে; সেখানে জমা পড়েছে ভূরি ভূরি অভিযোগ। দফতরের অফিসাররা বলছেন; এযেন ঠগ বাছতে গাঁ উজার হবার যোগার।

]]>