CRPF – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 19 May 2022 03:17:05 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg CRPF – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/school-service-commission-taken-over-by-central-forces-on-calcutta-high-court-order-bengal-in-shame/ Thu, 19 May 2022 03:15:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15121 লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে; স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। যুগান্তকারী নির্দেশ, রাতেও আদালতে শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গতকালই রাত সাড়ে বারোটার পর থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশন(SSC) দফতরের দখল নেওয়ার নির্দেশ CRPF কে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কাল দুপুর ১টা পর্যন্ত কেউ SSC দফতরে ঢুকতে পারবেন না। যাতে কোন তথ্য, নথি নষ্ট না হয়; তার জন্যেও কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দিলেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায় এর সিঙ্গেল বেঞ্চ। সারাদিনের পর রাতেও নজিরবিহীন নির্দেশ বিচারপতির।

রাতারাতি পরিবর্তন হয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর সিবিআই-তে হাজিরার দিনেই, আচমকা ইস্তফা দেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। মাত্র চারমাস হল, তাঁকে এই পদে আনা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসএসসির চেয়ারম্যানের; পদত্যাগের কারণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এই পদত্যাগের পরেই আইএএস শুভ্র চক্রবর্তীকে; এসএসসির নতুন চেয়ারম্যান করা হয় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীর মেয়ে, দুর্নীতির জালে জর্জরিত রাজ্য প্রশাসন

আর এরপরেই এসএসসি মামলায় নাটকীয় মোড়; মাঝরাতেই খোলে কলকাতা হাইকোর্ট। চাকরি দুর্নীতির নিয়োগ নথি নষ্টের আশঙ্কায়; হাইকোর্টে মামলা করেন মামলাকারী চাকরিপ্রার্থী-দের আইনজীবীরা। অবিলম্বে সিআরপিএফ বসিয়ে; চাকরির সমস্ত নথি সংরক্ষণের দাবি তোলে মামলাকারিরা। মামলাকারী-দের দাবি ছিল; অবিলম্বে স্কুল সার্ভিস কমিশনের অফিসে কেন্দ্রীয়-বাহিনী মোতায়েন করা হোক; না হলে সব নথি উধাও হয়ে যাবে। যে মামলার আর্জি গৃহীতও হয়।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে রাতেই শুরু হয় শুনানি; কলকাতা হাইকোর্টে নজিরবিহীন-ভাবে রাতেই খোলে কোর্ট। জরুরি ভিত্তিতে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ; শুরু হয়েছে শুনানি। নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা; আর সেই নির্দেশই দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। SSC অফিস সেই মুহূর্ত থেকেই; কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে।

গতকাল রাত থেকেই এসএসসি দফতরকে; সিআরপিএফ নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলার নির্দেশ দেন। দফতরের সিসিটিভি ফুটেজও; আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে, এই ঘটনা নজিরবিহীন বলেই দাবি সবার। হাইকোর্টের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পর্যন্ত; কোনও আধিকারিক বা কর্মী, কমিশনের অফিসে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। নির্দেশের পর বিচারপতির চেম্বার থেকেই; সিআরপিএফের অফিসে ফোন করা হয়।

]]>
পুলওয়ামার আতঙ্ক ফিরিয়ে কাশ্মীরে সেনা কনভয়ের কাছে গাড়ি বিস্ফোরণ https://thenewsbangla.com/exploded-car-damages-crpf-vehicle-at-banihal-in-jammu-and-kashmir/ Sat, 30 Mar 2019 12:23:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9525 পুলওয়ামার আতঙ্ক ফিরিয়ে কাশ্মীরে সেনা কনভয়ের কাছে গাড়ি বিস্ফোরণ। শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের বানিহালের কাছে শ্রীনগর হাইওয়ের উপর একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। তার কিছু দূর দিয়ে তখনই যাচ্ছিল সেনা বাহিনীর একটি কনভয়। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও খোঁজ মেলেনি গাড়ির চালকের।

আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে সভা নিয়ে কাটল জটিলতা, ৩রা এপ্রিলই হচ্ছে মোদীর জনসভা

দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার অবন্তীপোরায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্ক এখনও মুছে যায়নি দেশবাসীর মন থেকে। ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসী হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল কাশ্মীর উপত্যকা। জইশ-ই-মহম্মদ (জেইএম) জঙ্গিদের ফিদায়েঁ হামলায় অকালেই প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪৯ জন সিআরপিএফ জওয়ান। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই কাশ্মীরে ফের সিআরপিএফ কনভয়ের কাছে বিস্ফোরণ ঘটল শনিবার।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

এদিন সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবান জেলার বানিহালে, জাতীয় সড়কে জওহর টানেলের কাছে, সিআরপিএফ-এর কনভয় থেকে কিছুটা দূরত্বে একটি গাড়িতে জোরালো বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের জেরে সম্পূর্ণ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যায় ওই গাড়িটি। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি স্যান্ট্রো গাড়িতে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে এই বিপত্তি। তবে এত সহজে এই ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি নয় গোয়েন্দারা।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মিশন শক্তির ঘোষণায় নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন হয়নি, জানিয়ে দিল কমিশন

শনিবার বিস্ফোরণের সময় ওই গাড়ি থেকে সামান্য দূরেই ছিল সিআরপিএফ-এর একটি কনভয়। জোরালো বিস্ফোরণের তীব্রতায় সিআরপিএফ-এর একটি গাড়ি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিআরপিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল ১০.৩০ মিনিট নাগাদ বানিহালের কাছে সাধারণ নাগরিকের একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। সেই সময় ওখান থেকেই যাচ্ছিল সিআরপিএফ কনভয়। গাড়িটি আগুনে পুড়ে গিয়েছে এবং কনভয়ের একটি গাড়ির সামান্য ক্ষতি হয়েছে। হতাহতের কোনও খবর নেই। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ২৩ মে নয়, ভোটের ফল পিছতে পারে আরও ৬ দিন জানাল নির্বাচন কমিশন

পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে প্রাইভেট স্যান্ট্রো গাড়ির ভিতরে সিলিন্ডার ফেটেই এই ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসবাদী হামলার শঙ্কাকে এখনই আমল দিচ্ছে না পুলিশ। তবে শুরু হয়েছে তদন্ত। বিস্ফোরণের পরে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়েতে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এসেছে, পুলওয়ামার মতই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেনা কনভয়ে গুলি চালানোর ছক কষেছিল জঙ্গিরা। পুলওয়ামা কাণ্ডের পরেও কি করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এত ঢিলেঢোলা? উঠেছে প্রশ্ন। শুরু হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত।

আরও পড়ুনঃ মদ বিক্রিতে ১০ হাজার কোটি টাকার সর্বকালিন রেকর্ড গড়ল মা মাটি মানুষের সরকার

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী https://thenewsbangla.com/indias-9-special-commando-forces-to-kill-the-enemy-in-moments-part-3/ Sat, 09 Mar 2019 11:02:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7901 ‘কম্যান্ডো’৷ একটা শব্দই ঝাঁকিয়ে দেয় সাধারণ মানুষকেও৷ যে কোন সাধারণ সেনাবাহিনীর তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালি, অনেক বেশি ক্ষিপ্র, চোখের পলক ফেলার আগেই শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পরতে সদা প্রস্তুত ভারতের এই কম্যান্ডোরা। বিশ্বের যে কোন দেশের তুলনায় ভারতের ৯টি কম্যান্ডো বাহিনী যেন অধিক হিংস্র, ক্ষিপ্র ও গতিসম্পন্ন।

প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় এরা খুব বেশি পারদর্শী। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই শত্রুর সামনে সাক্ষাৎ যম হয়ে উদয় হয়ে শত্রু বিনাশ করতে এদের জুড়ি মেলা ভার। বিপদ মোকাবিলায় এরা এতটাই ভয়ানক যে এই ৯ বাহিনীকে বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর কম্যান্ডো বাহিনী হিসাবে গণ্য করা হয়।

পড়ুন প্রথম পর্বঃ শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী
পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, ভারতের এই ৯ কম্যান্ডো বাহিনীকে। তৃতীয় ও শেষ পর্বে আরও ৩ কম্যান্ডো বাহিনী সম্পর্কে সবকিছু জেনে নিন।

৭. প্যারা কম্যান্ডোঃ ১৯৬৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এই কম্যান্ডো ইউনিটটি তৈরি করা হয়েছিল। এই কম্যান্ডো বাহিনী হল ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্যারাশুট ডিভিশন। এদের কাজ হলো আকাশ থেকে ঝাঁপ দিয়ে শত্রুপক্ষের উপরে হামলা করে পদাতিক বাহিনীর অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

রোজ ৬০ কেজি ওজনের জিনিসপত্র পিঠে চাপিয়ে অন্তত ২০ কিলোমিটার দৌড়তে হয় এই কম্যান্ডো বাহিনীর সদস্যদের। সাড়ে তেত্রিশ হাজার ফুট উপর থেকে ঝাঁপ দিতে সক্ষম এরা। আকাশপথে শত্রুর এলাকায় অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে সমুদ্রপথে হামলায় দক্ষ এই বাহিনী। প্যারা কম্যান্ডোরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর একমাত্র ইউনিট, যাদের শরীরে ট্যাটু আঁকার অনুমতি দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

১৯৬৫ সালে ভারত পাক যুদ্ধের সময় একটা কম্যান্ডো ইউনিট গড়া হয়৷ নাম দেওয়া হয় মেঘদূত ফোর্স। মেজর মেঘ সিং এর নেতৃত্বে এই কম্যান্ডো বাহিনী কাজ করেছিল। এই বাহিনী দারুণ কাজ করেছিল ভারত পাক যুদ্ধে। তারপরেই পাকাপাকি ভাবে পদাতিক বাহিনীর একটা কম্যান্ডো ফোর্স গড়ার প্রয়োজনীয়তা লক্ষ করা হয়। তারপরেই তৈরী হয় প্যারা কম্যান্ডো বাহিনী। বিমান বা হেলিকপ্টারে প্যারা কম্যান্ডোদের নামিয়ে দেওয়া হয় ঘটনাস্থলে। শত্রু বা জঙ্গীদের উপর নিমেষে প্রথম হামলাটা করে এই কম্যান্ডোরা।

১৯৭১ সালের ভারত পাক যুদ্ধে প্রথমবারের জন্য প্যারা কম্যান্ডোদের দেখা যায়। ৬ সদস্যের প্যারা কম্যান্ডো ২৪০ কিলোমিটার ভেতরে ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা অতর্কিতে হামলা চালায় পাক আর্মির উপর। একটা ছোট্ট কম্যান্ডো বাহিনী ৪৭৩ জন পাকিস্থানী সৈন্যকে মেরে ফেলে, ১৪০ জনকে আহত করে।

পাকিস্থানের স্পেশ্যাল সার্ভিস গ্রুপের ১৮ জন সদস্যকে আটক করে ফেলে এই কম্যান্ডো দলের সদস্যরা। ১৯৮৪ সালের অপারেশন ব্লু স্টারে অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরেও জঙ্গীদের হঠাতে অতর্কিতে আক্রমণে নামে প্যারা কম্যান্ডোরা। দেশে বিদেশে বিভিন্ন অপারেশনে সফল ভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে প্যারা কম্যান্ডো।

৮. কোবরা কম্যান্ডোঃ Commando Battalion for Resolute Action বা COBRA কম্যান্ডো। Central Reserve Police Force বা CRPF বাহিনীর এই কম্যান্ডো ফোর্সের সৃষ্টি হয়েছিল প্রধানত নকশাল ও মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে। ‘হয় মরো না হয় মারো’, এটাই কোবরা কম্যান্ডো বাহিনীর মূলমন্ত্র। জঙ্গলের মধ্যে যে কোনো ধরনের গেরিলা যুদ্ধে সক্ষম এই বাহিনী।

২০০৮ সালে মূলত নকশাল ও মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। কোবরা কম্যান্ডোরা এতটাই দক্ষ যে, মুহূর্তের মধ্যে জঙ্গলে শত্রুর চোখে ধুলো দিতে পারে। তারা এমন পোশাক এবং মুখে রঙ মেখে অভিযানে নামে যে, চট করে জঙ্গলে তাদের দেখে ফেলা কঠিন। প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দিয়েও অভিযানে সক্ষম কোবরা কম্যান্ডোরা।

কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর অধীনে আসে কোবরা কম্যান্ডো বাহিনী। অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় ইনসাস রাইফেল থেকে একে ৪৭, এক্স ৯৫-এর মতো আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত কম্যান্ডোরা। কোবরা কম্যান্ডোদের নিশানা এতটাই নিখুঁত যে, যে কোনও স্থান থেকে শত্রুকে গুলি করে খতম করা এদের কাছে জলভাত। যে কোন অস্ত্র চালানোর পাশাপাশি যে কোন বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার ট্রেণিং দেওয়া হয় কোবরা কম্যান্ডোদের।

৯. ফোর্স ওয়ান কম্যান্ডোঃ ২৬/১১ মুম্বাই হামলার পর এই কম্যান্ডো বাহিনী তৈরি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। মুম্বাই পুলিশের এই কম্যান্ডো বাহিনীর মূল কাজ মুম্বইকে রক্ষা করা। বাণিজ্য নগরীর বুকে যে কোনো ধরনের সন্ত্রাস প্রতিরোধে এই বাহিনীকে তৈরি করা হয়েছে। ফোর্স ওয়ান-এর কম্যান্ডোদের এমনভাবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে যে মাত্র ১৫ মিনিটে এরা শত্রুপক্ষের ওপরে হামলা চালাতে সক্ষম।

২০০৮ এর মুম্বাই সন্ত্রাসের পরই ঠিক হয় মুম্বাই পুলিশের নিজস্ব কম্যান্ডো বাহিনী গড়ে তোলা হবে। ২৬/১১ এ মুম্বাই অ্যাটাক থেকে শিক্ষা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এই কম্যান্ডো বাহিনী। ২০১০ এ তৈরী হয় মুম্বাই পুলিশের ফোর্স ওয়ান কম্যান্ডো। এই মূহুর্তে ফোর্স ওয়ানে ৩০০ জন কম্যান্ডো আছে। মুম্বাই পুলিশ বাহিনীর সেরা অফিসারদের ট্রেণিং দিয়ে কম্যান্ডো তৈরী করা হয়।

একবার ফোর্স ওয়ান কম্যান্ডো বাহিনীতে যোগদানের জন্য ৩০০০ আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। কিন্তু তার মধ্যে মাত্র ২১৬ জনকে বেছে নেওয়া হয়। ঠিক NSG বা ন্যাশান্যাল সিকিউরিটি গার্ডের মতই গড়ে তোলা হয়েছে ফোর্স ওয়ানকে। ইসরায়েলি স্পেশাল ফোর্সের অফিসাররা ট্রেণিং দেয় ফোর্স ওয়ান কম্যান্ডোদের। মুম্বাই অ্যাটাকের মত কোন হামলা হলে প্রথমেই ফোর্স ওয়ানের কম্যান্ডোরাই ঝাঁপিয়ে পরবে।

যে কোন বিপদের মোকাবিলায় সক্ষম ভারতের এই ৯ কম্যান্ডো বাহিনী। অসম্ভবকে সম্ভব করাই এদের কাজ। অবাস্তবকে বাস্তব করা এদের বাঁ হাতের খেল। ভারতের সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ভারতীয় কম্যান্ডোরাও আছেন দেশের ও দশের নিরাপত্তায়। চোখের নিমেষে শত্রুনিধন করে এঁরা দেশ ও দেশবাসীকে নিশ্চিত রক্ষা করবেন যে কোন বিপদ থেকে। এই ৯ কম্যান্ডো বাহিনীকে যমের মত ভয় পায় সীমান্ত পাড়ের জঙ্গিরাও। জয় ভারতের কম্যান্ডো।

]]>
তদন্তের আগেই জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানকে দোষী বলা ঠিক নয় বললেন মমতা https://thenewsbangla.com/mamata-said-it-is-not-right-to-say-that-pakistan-is-guilty-before-the-investigation/ Fri, 15 Feb 2019 17:42:16 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6864 তদন্তের আগেই জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানকে দোষী বলা ঠিক নয়, বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাশ্মীরের পুলওয়ামা জঙ্গি হামলা ও তার জেরে ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুতে উত্তপ্ত গোটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ইতিমধ্যেই পাকিস্তানকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছেন। কিন্তু তদন্তের আগেই পাকিস্তানকে দোষী চিহ্নিত করা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপির দাবি, মমতা ইতিমধ্যেই জঙ্গি হামলা নিয়ে রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন সেনাকর্তাকে রাজ্যপাল করে কাশ্মীরে পাক জঙ্গি নিধনে নামছে কেন্দ্র

পুলওয়ামা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই বদলার আওয়াজ উঠতে শুরু করেছে গোটা দেশ জুড়েই। ইতিমধ্যেই সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। তার আগে শুক্রবারই নবান্নে বিস্ফোরক প্রশ্ন তুলে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্ত না করেই যে পাকিস্তানকে দোষারোপ শুরু হয়েছে তা ঠিক হচ্ছে না, বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের খুঁজে বের করে মারতে সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিল মোদী সরকার

সন্দেহ নেই প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কোনরকমেই একমত নন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট সেই তথ্য ধরাও পড়ছে। কিন্তু এইসময়ে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্তব্য করলেন? বিজেপি কাশ্মীরের জঙ্গি হামলা নিয়ে রাজনীতি করছে বলেও আজ পরিস্কার জানিয়ে দেন মমতা। যদিও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী এইসময়ে মমতার সম্পূর্ণ উল্টো রাস্তায় হেঁটে কেন্দ্রকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। এমনকি এই ঘটনা নিয়ে কোন সমালোচনা করেননি তিনি।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শহিদদের মধ্যে বাংলার ২জন সেনা জওয়ান

এই ব্যাপারে বিজেপি নেতারা বলছেন, পুলওয়ামার ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছেন মমতা। তিনি সংখ্যালঘুদের তুষ্ট করার জন্য এতটাই মরিয়া যে পুলওয়ামার ঘটনার পর পাকিস্তানের উপর দোষারোপেও তিনি আপত্তি জানাচ্ছেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, পুলওয়ামার ঘটনা নিয়ে রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রীই। এ দিন তিনি আরও বলেন, পুলওয়ামায় যা হয়েছে তা নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ওই মর্মান্তিক ঘটনা নিয়েও রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল এই দিনের সরকারি অনুষ্ঠান বাতিল করে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে দেওয়া।

আরও পড়ুনঃ দেশ জুড়ে বদলার দাবি, কাউকে ছাড়া হবে না জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

শুক্রবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে বেরনোর সময়ে মুখ্যমন্ত্রী পরিস্কার বলেন, “পররাষ্ট্র বিষয়ে আমি সচরাচর মন্তব্য করি না। এ সব ক্ষেত্রে দেশের অবস্থানই আমার অবস্থান। তবে গতকাল ঘটনার পরে পরেই জানিয়ে দেওয়া হয়, এ ঘটনার নেপথ্যে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। বিশদে না গিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া ঠিক নয়। বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর। সেটা মাথায় রেখে আগে তদন্ত করা হোক। তার পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে”।

আরও পড়ুনঃ সংসদে ক্যাগ রিপোর্ট, কংগ্রেসের চেয়ে সস্তায় রাফায়েল কিনেছে মোদী সরকার

যদিও ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও নাম না করে জানিয়েছেন, “এই হামলার পিছনে যে পাক সরকারের মদত রয়েছে তার প্রমাণ রয়েছে”। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, “কবে কোথায়, কী ভাবে জবাব দেওয়া হবে সে নির্দেশ দিয়ে দেওয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে”।

আরও পড়ুনঃ ব্যর্থ পার্থর শিক্ষা দফতর, মাধ্যমিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের হ্যাটট্রিক বাংলায়

এই হামলার জেরে ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে দেওয়া ‘পছন্দের দেশ’ তকমা বাতিল করা হয়েছে। ভারতের সুরে সুর মিলিয়ে আমেরিকা-সহ অন্যান্য দেশও পাকিস্তানের নিন্দায় সরব হয়েছে। এদিকে মমতা প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় ঘটনা ঘটে গেল আর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কি করছিলেন? জঙ্গি হামলার এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির ব্যর্থতা বলেই জানান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

নেতা থেকে সাধারণ মানুষ সবাই পাক জঙ্গি হাত দেখছে এই ঘটনায়। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন উল্টো রাস্তায় হেঁটে, পাকিস্তানকে তদন্তের আগেই দোষী চিহ্নিত করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন, সেটাই এখন প্রশ্ন। নবান্নে মমতার মন্তব্যের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। শুধু কি বিজেপির বিরোধীতা করার জন্যই এই পরিস্থিতিতে এমন ধরণের মন্তব্য করলেন মমতা? ভেবে পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ!

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কাশ্মীরের পুলওয়ামায় পাক জইশ ই মহম্মদ আত্মঘাতী হামলায় শহিদ বাঙালি https://thenewsbangla.com/shahid-bengali-in-pakistan-jaish-e-mohammed-suicide-attack-in-kashmir/ Fri, 15 Feb 2019 05:26:56 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6832 বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তার মধ্যেই আছেন বাংলার যুবক বাবলু সাঁতরাও। জইশ ই মহম্মদের করা এই আত্মঘাতী হামলায় ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন। সিআরপিএফের জওয়ান বাবলু তাঁদেরই এক জন। হাওড়ার বাউরিয়ার চককাশি রাজবংশী পাড়ার বাসিন্দা বাবলু রেখে গেলেন স্ত্রী ও চার বছরের মেয়েকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাঁতরা পরিবার এই চরম দুঃসংবাদ জানতে পারেন। গোটা পাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বৃহস্পতিবার জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক দিয়ে সিআরপিএফ জওয়ানদের ৫৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের একটি কনভয় যাচ্ছিল। প্রায় ২৫০০ জওয়ানের একটি দলকে জম্মু থেকে কাশ্মীর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই কনভয়েই একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। জানা গেছে, এই গাড়িতেই ছিলেন হাওড়ার বাবলু সাঁতরা। প্রথমে সেই কনভয়ে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। সেনা সূত্রে খবর, বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি গিয়ে ধাক্কা মারে সিআরপিএফ এর একটি গাড়িতে। প্রায় ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক ছিল ওই মহিন্দ্রা গাড়িতে।

জম্মু কাশ্মীরে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, মৃত অসংখ্য জওয়ান/The News বাংলা
জম্মু কাশ্মীরে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, মৃত অসংখ্য জওয়ান/The News বাংলা

জানা গিয়েছে, বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি চালাচ্ছিল জইশ জঙ্গি আদিল আহমেদ। বছর দেড়েক আগে জঙ্গি সগঠনে যোগ দিয়েছিল আদিল। এই বিস্ফোরণেই নিহত হন ৪৪জন জওয়ান। তারপর ছত্রভঙ্গ জওয়ানদের উপর গুলিবৃষ্টি করতে থাকে জঙ্গিরা। এই হামলার দায় নিয়েছে জইশ ই মহম্মদ। শুক্রবারই কাশ্মীরে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং, সঙ্গে সিআরপিএফ এর ডিজি। সকালেই উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সেনা সূত্রে খবর, জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়েতে অবন্তীপুরা এলাকায় হঠাৎই কনভয়ের মাঝে ঢুকে আসে একটি মহিন্দ্রা স্করপিও গাড়ি। যাতে প্রায় ৩৫০ কেজি আইইডি বোঝাই করা ছিল৷ সেনা কনভয়ের সঙ্গে ধাক্কায় প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর কনভয়টিকে ঘিরে ফেলে জঙ্গিরা। লাগাতার গুলি চালিয়ে ঝাঁজরা করে দেওয়া হয় গাড়িটিকে। শহিদ হন ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান, গুরুতর জখম হয়েছেন আরও ১৫ জন। বেসরকারি মতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

দেশ জুড়ে বদলার দাবি, কাউকে ছাড়া হবে না জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী/The News বাংলা
দেশ জুড়ে বদলার দাবি, কাউকে ছাড়া হবে না জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী/The News বাংলা

দেশ জুড়ে বদলার দাবি, নিকেশ করা হোক কাশ্মীরের জঙ্গিদের। এখন আর কোন আলোচনা নয়, বদলার দাবি গোটা দেশ জুড়ে। জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় হামলার ঘটনার নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর হামলার ঘটনা নিন্দনীয়। আমি এই ধরণের কারপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা করছি। আমাদের বীর নিরাপত্তাকর্মীদের বলিদান বিফলে যাবে না। বীর শহিদদের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে গোটা দেশ। আহতরা দ্রুত আরোগ্যলাভ করুন”। এদিকে ক্রিকেটের পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের মাটিতে সমস্ত রকম খেলা নিষিদ্ধ করা হল।

লোকসভা নির্বাচনের আগে জম্মু-কাশ্মীরে এই বড়সড় জঙ্গি হামলা ভোট বানচাল করা ও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বদলা বলেই দাবি করেছে জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদ। তদন্তে উঠে আসছে, বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলার তথ্য। আদিল আহমেদ নামে এক জইশ জঙ্গি এই আত্মঘাতী হামলা চালায় বলেই প্রাথমিক রিপোর্ট। এই ঘটনায় পাকিস্তানের হাত আছে, পরিস্কার জানালেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

দেশ জুড়ে বদলার দাবি, কাউকে ছাড়া হবে না জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী/The News বাংলা
দেশ জুড়ে বদলার দাবি, কাউকে ছাড়া হবে না জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী/The News বাংলা

ঘটনার দায় স্বীকার করেছে পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ৷ বিস্ফোরণে যুক্ত আদিল আহমেদ নামে এক জইশ জঙ্গির নাম উঠে আসছে তদন্তে। তার ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেনা সূত্রে খবর, বিস্ফোরক ভরতি বোঝাই গাড়িটি আদিলই চালাচ্ছিল৷। বেশ কিছু জঙ্গি আগে থেকেই একটু উঁচু জায়গায় পজিশন নিয়ে রেখেছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। এটাকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বদলা বলেই দাবি করেছে জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদ।

গতকাল থেকেই জঙ্গিদের খোঁজে চলছে নাকা তল্লাশি। লোকসভার আগে এই ধরনের জঙ্গি হামলার আভাস আগেই দিয়ে রেখেছিলেন গোয়েন্দারা। এমনকী, ৮-১০ দিন আগেও উপত্যকার সেনাকে সতর্ক করা হয় বলে সূত্রের খবর৷ কিন্তু তাও কেন এই ধরনের হামলা এড়ানো গেল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন৷ উরির পর এই প্রথম এত বড় মাপের একটি হামলা ঘটাল জঙ্গিরা।

ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই সাঁতরা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাড়িতে ভিড় করেছেন গোটা পাড়ার মানুষ। পরিবারটি যাতে অসুবিধার মধ্যে না পরে তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দরবার করবে পাড়ার মানুষ।

]]>