CPM – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 14 Jun 2022 07:25:20 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg CPM – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 অভিষেকের বাড়িতে সিবিআই, কয়লা পাচারকাণ্ডে লক্ষ্য রুজিরা https://thenewsbangla.com/cbi-at-abhishek-house-cbi-targets-rujira-in-coal-smuggling-case/ Tue, 14 Jun 2022 07:24:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15435 অভিষেকের বাড়িতে সিবিআই। কয়লা পাচারকাণ্ডে আজই; অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে; জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। সিবিআই সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে; বেশ কিছু নতুন তথ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। গত বছরের মার্চ মাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে এসে; রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এবার ফের রুজিরাকে জেরা করতে; অভিষেকের বাড়ি ‘শান্তিনিকেতনে’ এল সিবিআই গোয়েন্দারা। এই নিয়ে শুরু হয়েছে; তৃণমূল বিজেপি জোর রাজনৈতিক বিতর্ক।

সিবিআই সূত্রের খবর, গতবারের জিজ্ঞাসাবাদের পরে কয়লা পাচারকাণ্ড তদন্তে; বেশ কিছু নতুন তথ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। তাই কয়লা পাচারকাণ্ডে, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আজই; জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। সিবিআইয়ের দাবি, এর আগে কয়লা পাচার কাণ্ড মামলায় অভিষেক-পত্নী যে বয়ান দিয়েছিলেন; তার সঙ্গে তথ্যপ্রমাণে বিস্তর অসঙ্গতি মিলেছে। সেই কারণে মূলত বিদেশি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট প্রসঙ্গেই; রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ‘হাত জড়ো’, রাস্তায় নামা বিক্ষো’ভকারীদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে কুয়েত

সিবিআই সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে; গত সপ্তাহে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দেওয়া হয়। রুজিরার তরফে আজ তাঁর বাড়িতে গিয়ে; জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি মেলে। সিবিআই সূত্রে খবর, অভিষেক-পত্নীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য; তৈরি হয়েছে ৮ জনের অফিসারের বিশেষ একটি দল। সেই দলে আছেন; সিবিআইয়ের মহিলা অফিসাররাও।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরই; তাঁর বাড়িতে যায় সিবিআই। সূত্রের খবর, অভিষেকের বাড়ির কাছাকাছিই অপেক্ষা করে তদন্তকারী দল; সকাল ১১.৩০ নাগাদ রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ছাগলের কান দিয়ে মানুষের প্লাস্টিক সার্জারি, বিশ্বে হইচই ফেললেন বাংলার ৭ গবেষক

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরায় ২৩ জুন উপনির্বাচনের আগে; মঙ্গলবার আগরতলায় প্রচার করবেন। কয়লা পাচার কাণ্ডে এর আগে, রুজিরাকে ইডি’‌র নয়াদিল্লির সদর দফতরে হাজির হওয়ার জন্য; বহুবার নোটিস জারি করা হয়েছিল। এমনকী তাঁর নামে; গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল।

এই মামলায় এখনও পর্যন্ত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য দু-বার; সিবিআই তদন্তকারীদের মুখোমুখি হয়েছেন। এখন অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী; কলকাতা-তেই তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কয়লা পাচার মামলায় এখনও পর্যন্ত; প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন বা দুর্নীতির তথ্য মিলেছে।

]]>
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষার দায় বামেদের নেই https://thenewsbangla.com/cpm-dont-deal-with-mamata-banerjee-to-save-her-political-carrier/ Thu, 27 Jun 2019 08:31:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14531 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাক দিয়েছিলেন জোট বাধার। বিজেপির অপ্রতিরোধ্য শক্তিকে; বাংলায় আটকাবার জন্য জোট। বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল একা কিছুই করে উঠতে পারবে না; হয়ত সেটা বুঝে গেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী; এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তাই বাম ও কংগ্রেসকে নিয়ে কি; জোটের কথা তুললেন?

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর জোট বাধার ডাককে; হাওয়ায় উড়িয়ে দিল বাংলার বামপন্থীরা। বামনেতা মহম্মদ সেলিম পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন বামেদের অবস্থান। ডুবন্ত তৃণমূল দলের হাল ধরার দায় বামেরা নেবে না; সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দিলেন তিনি।

বুধবার রাতে টুইট করে মহম্মদ সেলিম লেখেন; “মমতার রাজনৈতিক কেরিয়ার বাঁচাবার দায় বামেদের নেই। মমতা নিজের নৈতিকতা হারিয়ে ফেলেছেন; বলেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য; বামেদের সাথে জোট করার কথা ভাবছেন”।

আরও পড়ুনঃ জনতার অসন্তোষে আক্রান্ত শাহরুখকে, মমতার ক্ষতিপূরণ কি নাম ধর্ম দেখে, প্রশ্ন বিজেপির

পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বিজেপিকে আটকানোর ক্ষমতা তৃণমূলের নেই; সেকথা একরকম স্বীকার করে বুধবার চিরবিরোধী বাম ও কংগ্রসকে; বিজেপির বিরুদ্ধে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার বিধানসভায় মমতা বাম ও কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে বলেন; বিজেপিকে রুখতে সবাইকে একজোট হতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের মাঝেই কংগ্রেস ও বাম বিধায়করা; আপত্তি করে বলেন; এই প্রস্তাবে তাঁরা রাজি নন।

পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন; তিনি রাজনৈতিক জোট করার কথা বলেননি। যে ভাবে জাতীয় স্তরে ২৩টি রাজনৈতিক দল লড়াই করছে; সেইভাবেই লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান জানান; সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে বাম কংগ্রেস শুরুর থেকেই লড়াই করে এসেছে। বিজেপিকে বাংলায় মমতাই নিয়ে এসেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিন আব্দুল মান্নান বলেন; “গোধরা কাণ্ডের পরেও বিজেপির সঙ্গে ছিলেন মমতা”।

বামনেতা সুজন চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে বলেন; অপ্রয়োজনে কথায় কথায় ইনশাল্লাহ বলে; মোয়াজ্জেম ভাতা; ইমাম ভাতা চালু করে মুখ্যমন্ত্রীই বাংলায় বিজেপিকে জায়গা করে দিয়েছেন। ওনার সঙ্গে হাত মেলানোর কোনও প্রবৃত্তিই আমাদের নেই। তা সে যতই কম ভোট পাই না কেন।

এরপরেই রাতে মহম্মদ সেলিম টুইট করে লেখেন; “তৃণমূলের কোন ক্ষমতাই নেই বাংলায় বিজেপির পুঁজিবাদী ক্ষমতাকে আটকানোর। নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা তোলার উদ্দেশেই বাম ও কংগ্রেসকে পাশে চাইছেন মমতা”।

]]>
বাংলার বিজেপির বাড়ার সম্ভাবনা, মন্তব্য করে নেতা কর্মীদের তোপের মুখে কারাট https://thenewsbangla.com/bjp-gets-more-seats-in-bengal-says-prakash-karat-party-leaders-are-angry/ Fri, 10 May 2019 05:26:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12648 বাংলায় বিজেপির ফল কেমন হবে; তা জানিয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের তোপের মুখে পড়লেন সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান; বাংলার বিজেপির আসন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তারপরেই শুরু হয় যাবতীয় বিতর্ক।

সংবাদমাধ্যমকে প্রকাশ কারাট জানান; বিজেপি বিরোধিতায় যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ ছিলো; কংগ্রেসের পক্ষে সেই ধরনের কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিজেপি বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে কংগ্রেসের যে ভূমিকা হওয়া উচিৎ ছিল; তা প্রমানে কংগ্রস ব্যর্থ হয়েছে বলেই তিনি মনে করেন। আর এর ফলেই গেরুয়া শিবির ফায়দা তুলবে বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ বিষ্ণুর পর এবার কোন পুরুষকে মাতা বানালেন মমতা, ট্রোলড সোশ্যাল মিডিয়ায়

বিজেপি বিরোধী মহাজোট গড়ে তুলতে; প্রথম থেকেই বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল তৎপর হয়েছিল। রাজ্যে বিজেপি ও তৃণমূল বিরোধী জোট গড়তে; ঐক্যমতে পৌঁছায় কংগ্রেস হাইকমান্ড ও সিপিএম নেতৃত্ব। কিন্তু আসন সমঝোতায় ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পেরে; বাংলায় জোটের আশা শেষ হয়ে যায়। এতেও পারষ্পরিক দোষারোপের পালা চলতে থাকে।

বিগত রাজ্যের কয়েকটি উপ নির্বাচনে দেখা গিয়েছে; বামেদের ভোটের সিংহভাগই চলে যাচ্ছে বিজেপিতে। তৃণমূলের হাত থেকে রক্ষা পেতে; আদর্শের তোয়াক্কা না করেই বামেরা ভিড়তে শুরু করেছে রামের দলে; তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। রাজ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূলের বিরুদ্ধে; প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়াও রয়েছে যথেষ্ট পরিমানে। সেক্ষেত্রে তৃণমূল বিরোধিতায় লাভের গুড়; বিজেপির ঝুলিতেই যাবে বলে প্রকাশের আশঙ্কা।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রাপথে জয় শ্রী রাম বলা সমর্থকদের সংবর্ধনা বিজেপির

সম্প্রতি ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার; রাজ্যে সিপিএমের হয়ে প্রচারে এসে বলেছিলেন; ভুলেও যেন সিপিএম সমর্থকরা বিজেপিতে নাম না লেখান। ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার আসার পরেই; অশান্তির আবহাওয়া তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলকে আটকাতে; বিজেপির সাথে বামেদের নিচু তলার কর্মীদের যোগসাজশের খবর এসেছে।

এই বাম কর্মীদের অনেকেই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত। সেই ঘটনা আন্দাজ করতে পেরেই; বিজেপির আসন বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলেন প্রকাশ; যে মন্তব্যে ক্ষুব্ধ দলের কর্মীরা; এমনকি প্রকাশ কারাতের এই মন্তব্যে বেশ বিরক্ত ওপরতলার বাম নেতারাও। তবে এই নিয়ে প্রকাশ্যে প্রকাশের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন নি কেউই।

]]>
ভোট প্রচারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন উত্তর কলকতার বাম প্রার্থী কনীনিকা বসু https://thenewsbangla.com/cpm-candidate-kaninika-bose-ghosh-bonds-with-lgbtqi-community/ Thu, 25 Apr 2019 10:11:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11609 বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক প্রার্থীরা যখন ভোট কেনার জন্য তুমুল প্রচেষ্টা করছেন তখন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন উত্তর কলকতার বাম প্রার্থী কনীনিকা বসু। এলজিবিটিকিউ-দের অধিকার আদায়ের নানা প্রতিশ্রুতি সিপিএমের ইস্তাহারে স্থান পেয়েছিল আগেই। এবার তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করলেন উত্তর কলকাতার বামফ্রন্ট প্রার্থী কনীনিকা বসু (ঘোষ)।

নির্বাচনী প্রচারে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে বৈঠক এর উদ্যোগ রাজ্যে এই প্রথমবার। স্বভাবতই এতে আশার আলো দেখছেন রূপান্তরকামীরা। কনীনিকা বসু বলেন,”নির্বাচন মানে অনেক আলাপ-আলোচনার সুযোগ। আমাদের ইস্তাহারে এবার এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষদের অধিকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সে লড়াই চলবে নির্বাচনের পরও, তা নিয়েই আলাপচারিতার একটা মঞ্চ তৈরির চেষ্টা করলাম আমরা। সিপিএম প্রান্তিক মানুষদের কথা বলে। তাঁদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে। আমরা ওঁদের বলতে চেয়েছি, যে লড়াইয়ের কথা জানানো হয়েছে ইস্তাহারে, তা চলবে”।

আরও পড়ুনঃ বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, অর্জুনের ভাটপাড়ায় মদন

রিপন স্ট্রিটের কান্তি প্রেস এর পাশেই এসএফআইয়ের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে শুরু হয় বৈঠক। এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অপ্রতীম রায়ও এই কমিউনিটির সদস্য। কিন্তু, যে দিন দলের মিছিলে নিজের যৌন পরিচয় প্রকাশ্যে এনে আরও অনেক অপ্রতীম হাঁটবেন, সে দিন বুঝতে পারব লড়াইটা গড়ে উঠছে। বলছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ হাওড়া থেকে উদ্ধার নিখোঁজ নোডাল অফিসার অর্ণব রায়

২০১৮-র গোড়ায় ফুয়াদ হালিমের নেতৃত্বে বামফ্রন্টের ইস্তাহারে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষের কথা কী ভাবে বলা সম্ভব,তা নিয়ে ওয়েস্টবেঙ্গল ফোরাম ফর জেন্ডার অ্যান্ড সেক্সুয়াল মাইনরিটি রাইটসের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছিল। স্যাফোর অপর এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মীনাক্ষী সান্যাল ছিলেন সে আলোচনার অন্যতম সদস্য।

আরও পড়ুনঃ বউকে না জানিয়েই কি শ্বশুরবাড়িতে আত্মগোপন, অফিসার উধাও রহস্যে সিআইডি

তিনি বলেন, “আমরা বলেছিলাম,আলোচনা যেন হারিয়ে না যায় দলীয় গঠনতন্ত্রের আড়ালে। ইস্তাহার প্রকাশ হওয়ার পর সেটা হয়নি দেখে ভালো লেখেছে। ওঁরা অনেক বিষয় সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন ওঁদের ইস্তাহারে। আমাদের আশা, নির্বাচনের পর সেই লড়াইয়ের কথা হারিয়ে যাবে না”।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ৫ দিন আগে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় তৃনমুলের অস্ত্র ও বাইক মিছিল বীরভূমে

রূপান্তরকামীদের সংগঠন এটিএইচবি-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রঞ্জিতা সিনহা বলেন, “আমাদের জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের দরজা সেভাবে এখনও পর্যন্ত খোলা ছিল না। আমাদের হয়ে যাঁরা কথা বলবেন,তাঁদের স্বাগত। রবিবারের আলোচনা আমাদের কিছুটা আশার আলো দিল। নির্বাচনের পর পাশে থাকার, লড়াই করার অঙ্গীকার হারিয়ে যাবে না, সেটাই আশা করব”।

আরও পড়ুনঃ নভেম্বরেই বাংলায় বিজেপি সরকার, ভোটের পরেই ১২০ বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বিজেপিকে হারাতে সিপিএম ও কংগ্রেসের প্রতি ভোট ভাগ না করার অনুরোধ মমতার https://thenewsbangla.com/mamata-said-vote-for-tmc-to-defeat-bjp-do-not-vot-for-cpm-congress/ Sun, 14 Apr 2019 07:48:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10802 লোকসভা ভোটের মৌসুম চলছে সারা দেশে। ইতিমধ্যেই প্রথম দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্যে রাজ্যের মাত্র ২টি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম দফার নির্বাচন শুরুর প্রাথমিক লগ্ন থেকেই যেভাবে শাসক দল রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে এবং বিজেপিও নাছোড়বান্দা হয়ে যেভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাল্টা শাদকদলের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে রাজ্যে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আনতে সক্ষম হয়েছে, তাতে সামগ্রিকভাবে রক্তচাপ বাড়ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর।

শনিবার শিলিগুড়িতে এক নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএম ও কংগ্রেস সমর্থকদের অনুরোধ করেন, বিজেপিকে হারাতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেবার জন্য। সিপিএম ও কংগ্রেসের আসন জেতার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন, সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিলে বিজেপিকে হারানো সহজ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রীর ধারণা।

এই প্রথম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারে উত্তরবঙ্গে এক সপ্তাহের অধিক সময় নিয়ে অবস্থান করছেন। উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের বহুদিনের বিভিন্ন দাবিদাওয়াকে হাতিয়ার করে বিগত কয়েক বছরে যথেষ্ট প্রভাব বাড়িয়েছে বিজেপি। বিভিন্ন প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষায় উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কিছু আসন বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে বলেও আভাস মিলেছে। স্বাভাবিকভাবেই উত্তরবঙ্গের ভোট যথেষ্ট ভাবাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

বিভিন্ন সময়েই দেখা গিয়েছে শাসক দলের বিরোধী দল গুলোর ভোট ভাগ হলেই শাসক দলের ভোট বৈতরণী পার করতে সুবিধা হয়। কিন্তু এই মুহূর্তে পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। শাসক দলের শক্তিশালী হবার পরিবর্তে বিজেপির কাছে খোয়াতে হয়েছে বেশ কিছু প্রভাবশালী নেতা সহ সাংসদ বিধায়ককে। এদিকে বিগত উপ নির্বাচন গুলোতে দেখা গেছে, বিশেষ করে সিপিএমের ভোটাররা দলীর আদর্শের তোয়াক্কা না করেই বিজেপিতে স্রোতের মতো সামিল হচ্ছেন।

শাসক দলের আশঙ্কা, তৃণমূল বিরোধী ভোট বিজেপিতে যুক্ত হলে তা প্রায় শাসক দলের সাথে বিজেপির ভোট শতাংশের ফারাক অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে। আর সেই সম্ভাবনা থেকেই কপালে চিন্তা বেড়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

এতদিন নির্বাচনী জনসভা গুলোতে মুখ্যমন্ত্রী মূলত বিজেপির প্রতি আক্রমনাত্মক ছিলেন। রাজ্যে প্রায় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া সিপিএম এবং কংগ্রেসের পুনরায় প্রান সঞ্চার না ঘটুক, সেই সাবধানতাবশতই তাদের নিয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রাজ্যে সিপিএমের আসন জেতার সম্ভাবনা নেই এবং কংগ্রেসের উল্লেখযোগ্য হারে আসন বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই, তাই বিজেপিকে ঠেকাতে এবার এই দুই দলের সমর্থকদের শরণাপন্ন হলেন মুখ্যমন্ত্রী।

]]>
জয় শ্রীরাম বলে বর্ধমানের দাপুটে কমরেড যোগ দিলেন বিজেপিতে https://thenewsbangla.com/cpm-comrade-from-burdwan-joins-bjp-may-contest-in-election/ Sat, 23 Mar 2019 15:54:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9143 বর্ধমানের এক সময়ের দাপুটে সিপিএম নেতা ও বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান আইনুল হক শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন বিজেপিতে। শনিবার কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে দলের কর্মিসভায় তাঁর হাতে পদ্মপতাকা তুলে দেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

বর্ধমানের ডাকসাইটে সিপিএম নেতা আইনুল হক শনিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন । বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর শনিবার ‘প্রার্থী-পরিচিতি’ বৈঠক হলো আলিপুরের ন্যাশনাল লাইব্রেরির ভাষাভবনে। সেখানেই বহিষ্কৃত সিপিএম নেতা তুলে নেন গেরুয়া পতাকা।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে ভরা তৃণমূলের তারকা তালিকা নির্বাচন কমিশনে

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব বিজেপি প্রার্থীরা। সেখানেই প্রাক্তণ কমরেড আইনুল হক লাল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন।

আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলে নিশীথের হয়েই প্রচার শুরু বিজেপির বিক্ষুব্ধদের

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনেও বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী হয়েছিলেন আইনুল হক। তার আগে বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন। এমনকি জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যও হয়েছেন। ভোটের হারার পরই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন আইনুল। এড়িয়ে গিয়েছিলেন একাধিক বৈঠক। দলের চিঠির জবাবও দেননি।

আরও পড়ুনঃ অসুস্থ শরীরে ভোট লড়বেন কিভাবে, সারদার প্রসঙ্গ টেনে সুদীপকে খোঁচা রাহুলের

তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছিল। পরে দুই মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগও ওঠে। এরপরই আইনুলকে বহিষ্কার করে সিপিএম।

আরও পড়ুনঃ ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা বিফলে, অভিষেকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর শুল্ক দফতরের

গত বিধানসভা নির্বাচনেও বর্ধমানে তিনি ছিলেন দলের মুখ৷ তার ৪ মাসের মধ্যেই জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য, প্রাক্তন পুর চেয়ারম্যান সেই আইনুল হককে দল থেকে বহিষ্কার করে সিপিএম৷ তাঁর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কাজ ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ আনে রাজ্যের পুরনো শাসক দল৷ ২০১৬ র অক্টোবরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে বাংলায় মোদী, ব্রিগেড থেকেই দেবেন ভোট জেতার মন্ত্র

নাম না প্রকাশের শর্তে বর্ধমান সিপিএমের প্রভাবশালী এক জেলা নেতা বলেন , “২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই বর্ধমান শহরের ইছলাবাদ এলাকায় দুই মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল আইনুল হকের৷ দুই মহিলাই জেলা সিপিএমে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত৷ দল ক্ষমতায় আসছে ধরে নিয়ে ওই দুই মহিলার সঙ্গে নানা ধরনের ঘটনায় জড়িয়েছেন আইনুল”৷

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

ওই নেতা আরও বলেন, “নির্বাচনে দল ক্ষমতায় আসছে ধরে নিয়েই দুই মহিলাকে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেন আইনুল৷ ভোটে দল ও নিজের পরাজয়ের পর, ওই দুই মহিলা একাধিকবার আইনুলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাঁরা গুরুত্ব পাননি৷ এর পরেই দলের কাছে লিখিত ভাবে তথ্য প্রমাণ দিয়ে ওই দুই মহিলা অভিযোগ আনেন৷ পার্টির ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এ কথা ভেবেই ওঁকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়”৷

আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান, আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অগ্নিমিত্রা পল

যদিও এই অভিযোগের জবাবে আইনুল হক বলেন, “এ বিষয়ে আমাকে কেউ কোনও কথা বলেননি”। শনিবার সেই আইনুল হক যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। লোকসভা ভোটে তাঁকে কোন কেন্দ্র থেকে দাঁড় করানো হবে বলেই জানা গেছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সিপিএমের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, বাংলায় বাম কং জোট নিয়ে আশঙ্কা https://thenewsbangla.com/cpm-announce-25-candidates-cpm-congress-alliance-in-big-trouble/ Fri, 15 Mar 2019 13:52:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8558 আংশিক নয়, জোট সঙ্গী কংগ্রেসকে চাপে ফেলে ২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল সিপিএম। তবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সঙ্গে আলোচনা করে নেন বিমান বসু। বাকি ১৭ আসনের মধ্যেও বামেরা কয়েকটায় প্রার্থী দেবে বলেই জানিয়েছেন বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ মুনমুন সেনকে দাঁড় করিয়ে আসানসোলে কি বাবুল সুপ্রিয়কে ওয়াকওভার দিলেন মমতা

শুক্রবারই লোকসভা ভোটের আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল বামফ্রন্ট এর। রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনে আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল আলিমুদ্দিন। আজ রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ মোট ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামেরা। বাকি ১৭ টির মধ্যেও আরও কয়েকটি আসনে বামেরা প্রার্থী দেবে ঘোষণা করায় বাংলায় বাম-কং জোট বিশ বাঁও জলে।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

বসিরহাট ও পুরুলিয়া আসন দুটি নিয়ে শরিকি টানাপোড়েনে আটকে গিয়েছিল বামেদের প্রার্থী ঘোষণা। বসিরহাট ও পুরুলিয়া দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েই এবার ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট।

রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ দুটি আসনই গতবার জিতেছিল সিপিএম। তাই আগেই ওই দুই আসনে জয়ীদের ফের প্রার্থী করা হয়েছে। ছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের জেতা চারটি আসন। দার্জিলিঙে বাম-কংগ্রেস সমঝোতার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ প্রার্থী দাঁড় করানো হবে বলেই ঠিক হয়েছে। পরে থাকা বাকি ১৭টি আসন নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে বামেরা। কিন্তু আজই ২৫ টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হল।

আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

শরিকদের ৯টি আসনে ভাগ বসায়নি সিপিএম। পুরুলিয়া ও বসিরহাট নিয়েও শরিকদের আবদার মেনে নিয়েছে আলিমুদ্দিন। এর আগে জানা গিয়েছিল, ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১৭টি কংগ্রেস ও বাকি ২৫টি আসনে বামেরা লড়বে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, এমনটাই স্থির হয়েছিল প্রথমে। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, কেউ-ই কারোর কোনও জেতা আসনে প্রার্থী দেবে না। কিন্তু কংগ্রেসের দাবি ছিল, এখন ১৭টা আসন দেওয়ার কথা রাখছে না সিপিআইএম। ১৭টার বদলে ১১টা আসন দিতে চাইছে সিপিআইএম। জট খুলতে ফের হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ চায় প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

শেষ পর্যন্ত ২৫ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বাকিগুলি নিয়ে কংগ্রেস এর সঙ্গে আলোচনা করবে বামেরা। বাকি ১৭ টির মধ্যে কংগ্রেসকে কটি আসন ছাড়ে বাম, সেটাই এখন দেখার। তবে ১৭ এর কম আসনে কংগ্রেস লড়তে রাজি হয় কিনা সেটাও এখন দেখার। আপাতত বাংলায় কং বাম জোট ফের জটে। কংগ্রেসের বঙ্গ নেতারা বামেদের এই খবরদারি মানতে রাজি নন। সবটাই এখন নির্ভর করছে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সিদ্ধান্তের উপর।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সিপিএম কংগ্রেস সমঝোতা সূত্র অথৈ জলে https://thenewsbangla.com/cpim-and-congress-pre-poll-allience-is-still-in-strain-against-bjp-tmc/ Wed, 06 Mar 2019 18:12:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7712 নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়তে কোনও আসনরফা করতে পারল না সিপিএম ও কংগ্রেস। ভোটের বাকি মাত্র ২ মাস। এখনো এই দুই দল তাদের অবস্থান নিয়ে যেভাবে দোলাচলে চলছে, তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, আদৌ জোট করে সিপিএম ও কংগ্রেস মুখ রক্ষা করতে পারবে, নাকি বিগত নির্বাচন গুলোর ফলাফলের মতই আরও গুরুত্বহীন হবে যাবে এই দুটি দল।

ভোটের বাজার মাত করতে আসরে নামছে পিসি

উল্লেখ্য, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচন সিপিএম রাজ্যে রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ আসন দুটি জেতে। কিন্তু বামেদের সাথে আসনরফা করতে গিয়ে ওই দুটো সিটই আবদার করেছে কংগ্রেস। মুখের গ্রাস আবদার করায় অস্বস্তিতে পড়েছে সিপিএম।

৬ই মার্চ বুধবার দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর সাথে প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের বৈঠক হয়। প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে সোমেন মিত্র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানান, পশ্চিমবঙ্গে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ দুটো আসনেই জেতার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ওই আসন দুটো কিছুতেই সিপিএমকে ছাড়তে রাজি নয় কংগ্রেস।

পরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে বিমানে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হবে বিরোধীদের

২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচন মহম্মদ সেলিম রায়গঞ্জ আসনটি জেতেন ১৪০০ এর কিছু বেশি ভোটে। মুর্শিদাবাদে সিপিএমের হয়ে আসনটি জেতেন বদরুদ্দোজা খান ১৮ হাজারের কিছু বেশি ভোটে। স্বাভাবিকভাবেই এই দুটি আসন ছেড়ে দিলে সিপিএম সমর্থকদের কাছে আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরবে।

মতুয়াদের বড়মার মৃত্যু রহস্যজনক, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

উল্টোদিকে কংগ্রেসের দীপা দাশমুন্সি রায়গঞ্জে ঘরের মাঠের আসন হাতছাড়া করতে চাইছেন না। কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, সিপিএমের এই মুহূর্তে অবস্থা তথৈবচ। অতএব সিপিএমের সাথে জোট না হলেও ভোটের ফলাফলে তার খুব একটা প্রভাব পড়বে না৷ প্রয়োজনে রাজ্যের ৪২ টি আসনে একাই লড়বে কংগ্রেস।

যেভাবে মাত্র দুটি আসনকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে জোট নিয়ে টানাটানি চলছে, তাতে জোটের নগ্ন রূপ যে বেআব্রু হয়ে গেলো, তা কিন্তু কেউই অস্বীকার করতে পারছে না।

]]>
এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে ‘লাল সেলাম’ বললেন কে? https://thenewsbangla.com/lal-salam-at-minister-suvendu-adhikaris-tmc-stage-who-said-this/ Sat, 12 Jan 2019 03:43:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5512 The News বাংলা: বোঝো কান্ড!! তৃণমূলের মঞ্চে লাল সেলাম!! এও সম্ভব? সেটাও আবার ঘটল পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সামনেই। এত বড় সাহস কার??

আসলে সাহস নয়। দীর্ঘদিনের স্বভাব, বহুকালের অভ্যেস যাবে কোথায়? অভ্যেস বসে মুখ থেকে বেরিয়ে গেলে কি আর করার আছে! আর তাই, তৃণমূলের মঞ্চে মুখ ফসকে ‘লাল সেলাম’ বলে ফেলে জিভ কাটলেন সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যাওয়া বিধায়ক! মঞ্চে বসে হেসে ফেললেন মন্ত্রীও!

আরও পড়ুনঃ Exclusive: জাতীয় সংগীত এর অপেক্ষা না করেই মঞ্চ ছেড়ে বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল কংগ্রেসের সভামঞ্চে ভাষন শেষ করে মুখ ফসকে “লাল সেলাম” বলে ফেললেন সদ্য বাম ত্যাগী বিধায়ক। মঞ্চে উপস্থিত মন্ত্রীও হাসি চেপে রাখতে পারলেন না। পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে মঞ্চেই জিভ কাটলেন তিনি। ততক্ষনে সভায় হাসির রোল উঠে যায়। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির।

এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে 'লাল সেলাম' বললেন কে?/The News বাংলা এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে 'লাল সেলাম' বললেন কে?/The News বাংলা
এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে ‘লাল সেলাম’ বললেন কে?/The News বাংলা

গত বছরের ২রা ডিসেম্বার বামফ্রন্ট ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রামের বিধায়ক কানাই চন্দ্র মণ্ডল। নবগ্রামের রসুলপুর স্কুল ময়দানের জনসভায় শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন কানাই মণ্ডল।

সেখানেই কানাই চন্দ্র মণ্ডলের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন শুভেন্দু। এরপর সাগরদিঘির এক সভায় ভাষন শেষ করে বামফ্রন্টের শ্লোগান মুখ দিয়ে “লাল সেলাম” বলে বসেন কানাই বাবু।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

আয়কর দফতরের নোটিশ, মাথায় হাত কলকাতার পুজো উদ্যোক্তাদের

মঞ্চে তখন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পর্যবেক্ষক তথা পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ জেলার নেতা, নেত্রীরা উপস্থিত রয়েছেন। হঠাৎ তার মুখ থেকে এই শুনে খানিকটা চমকে ওঠে সবাই, পরে হাসির রোল ওঠে সভা মঞ্চ ঘিরে।

এরপরই নিজের ভুল বুঝতে পেরে জিভ কাটেন কানাই মন্ডল। এদিন তাঁর মুখে ‘লাল সেলাম’ শুনে অবশ্য মন্ত্রী কোনও মন্তব্য করতে চান নি। স্রেফ মুচকি হাসি হেসে বিষয়টিকে এড়িয়ে যান।

এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে 'লাল সেলাম' বললেন কে?/The News বাংলা
এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে ‘লাল সেলাম’ বললেন কে?/The News বাংলা

এদিকে বামফ্রন্টের জেলা নেতৃত্ব অবশ্য এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি। তাদের বক্তব্য, দীর্ঘ দিনের অভ্যেস কি এত সহজে বদলানো যায়? সবে তো দলত্যাগ করেছেন তিনি। তৃণমূলের শ্লোগান রপ্ত করতে আরও বেশ কিছু দিন সময় লাগবে তার।

উল্লেখ্য, গত ৪১ বছর ধরে বামপন্থী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন কানাই মন্ডল। বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়ে পঞ্চায়েত সদস্য, পরে প্রধানও হন তিনি। বামপন্থী কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কানাই মণ্ডল নবগ্রাম বিধানসভা থেকে ২০১১ ও ২০১৬ সালে দু-দুবার বিধায়কও হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

এরপর সম্প্রতি মাস খানেক আগে বামফ্রন্ট ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন এই বর্ষিয়ান নেতা। এরপরই তৃণমূলের এক সভা মঞ্চে হাসির খোরাক হয়ে উঠলেন তিনি।

‘লাল সেলাম’ কতদিনে ‘মা মাটি মানুষের জয়’ বা ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়’ হয়, সেটাই এখন দেখার। অবশ্য যেভাবে গদির লোভে নীতি-আদর্শ ছেড়ে নেতাদের দল পরিবর্তন চলছে, তাতে এর মধ্যেই আবার ‘জয় শ্রী রাম’ বলার অভ্যেস করতে হবে না তো? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

আরও পড়ুনঃ

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

অশ্লীল গালাগাল দেবার জন্যই যুবককে নিজেদের ব্যক্তিগত গ্রুপে যোগ করেন নন্দিনী

প্রকাশ্যে গ্রুপ চ্যাট রেকর্ডিং, জেলাশাসকের স্ত্রীর ভাষাও সমান অশ্লীল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম https://thenewsbangla.com/tmc-says-no-to-lakshman-seth-after-cpm-and-bjp-he-is-now-for-congress/ Thu, 03 Jan 2019 04:38:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5155 The News বাংলা, কলকাতা: সদ্য ‘রাম’কে ছেড়েছেন লক্ষণ। না রাময়নের রাম-লক্ষণ নয়। সেপ্টেম্বরে গেরুয়া শিবির ছেড়েছিলেন প্রাক্তন কমরেড লক্ষণ শেঠ। শুভেন্দু অধিকারী ও স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে নেয় নি। বিজেপি ছেড়ে সিপিআইএম থেকে বিতাড়িত প্রাক্তন কমরেড এখন বাকি থাকা কংগ্রেসের দিকে। আর একসময়ের সেই দাপুটে লক্ষণ শেঠকে নিয়েই এবার তুলকালাম প্রদেশ কংগ্রেসে।

আরও পড়ুন: কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

‘বৃহস্পতিবারই কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন সিপিআইএম ও বিজেপি ফেরত প্রাক্তন সাংসদ লক্ষণ শেঠ’। এমনটাই শোনা যাচ্ছিল গোপন সূত্রে। নানা মামলায় অভিযুক্ত তমলুকের এক সময়ের সাংসদ লক্ষণ শেঠের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম-গণহত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগও আছে। সিপিআইএম তাড়িয়ে দেওয়ায় তিনি যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এবার পা বাড়িয়েছেন বাকি থাকা কংগ্রেসের দিকে।

'রাম'কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে 'হাতে' নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা

সিপিআইএম তাড়িয়ে দেবার পর নতুন দল, তারপর বিজেপিতে। তবে, সুবিধা করতে পারেন নি। ফিরে পান নি বাম আমলের সেই দাপট। অন্যদিকে লক্ষণ শেঠকে নিয়ে মানুষের নিন্দার মুখে পড়েছিল বিজেপি। বলাই যায়, বিজেপিতে থাকাকালিন লক্ষন শেঠ হলদিয়ার বুকে রাজনৈতিক ভাবে তেমন কোন দাগ কাটতে পারেন নি। এমনকি লক্ষন শেঠকে নিয়ে বিজেপির মধ্যেও প্রচুর বিতর্ক হয়।

আরও পড়ুন: টানা ২ দিন ধরে সন্ধান নেই ‘শচীনের’, বিপদ চিন্তায় প্রশাসন

জেলাস্তরেও বিজেপি কর্মীরা হলদিয়ার প্রাক্তন সাংসদকে পাত্তা দিতেন না। নন্দীগ্রামের গনহত্যার জন্য পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিজেপি কর্মীরাও লক্ষণ শেঠকে প্রকাশ্যে দায়ি করতেন। এর ফলে হলদিয়ার প্রাক্তন সাংসদ দলে ক্রমেই একা হয়ে পড়েছিলেন। রাজনৈতিক ভাবেও তিনি ছিলেন নি:সঙ্গ।

আরও পড়ুন: নারী ঢোকায় ‘অপিবত্র’ শবরীমালা, ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বন্ধ মন্দির

‌লক্ষণ শেঠ ও জেলা জুড়ে থাকা তার কয়েক হাজার অনুগামী লক্ষণের তৈরি ‘ভারত নির্মান’ পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে পুরোনো বিজেপি ও নতুন বিজেপির মধ‍্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয় জেলা জুড়ে। পাশাপাশি, লক্ষণের হাত ধরে পুরোনো সিপিএম নেতারা গেরুয়া পোষাক পরলেও তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে তাদের পুরোনো শত্রুতার কারনে জেলার বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হতে থাকে বিজেপি কর্মীরা।

'রাম'কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে 'হাতে' নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা

‌যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে বিজেপি। ওদিকে হলদিয়া পুরসভা ভোটের পর দলে লক্ষণ শেঠের গুরুত্ব ক্রমশ কমতে থাকে। নন্দীগ্রাম কান্ডে অভিযুক্ত লক্ষণ বাবুকে দলে নেওয়ার কারণে জেলায় বিজেপির ভাবমূর্তি খারাপ হতে থাকে জেলার বড় অংশের মানুষের কাছে। তা থেকে মুক্তি চাইছিল বিজেপি। এমন পরিস্থিতিতে লক্ষণ শেঠের বিজেপি ছেড়ে দেওয়ার ফলে, খুশী হয়েছিলেন জেলার বিজেপি কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ শেখ হাসিনাকে প্রথম অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির মায়া কাটিয়ে এবার ‘নন্দীগ্রামের খলনায়ক’ এখন কংগ্রেসের পথে। আর এই নিয়েই কংগ্রেস শিবিরে শুরু হয়েছে তীব্র মতান্তর। ফলে আপাততঃ থমকে আছে, ‘হাতে’ লক্ষণ পাওয়ার ব্যাপারটা।

আরও পড়ুনঃ দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

অধীর চৌধুরী প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি থাকাকালীন অনেকবার ইচ্ছে প্রকাশ করলেও কংগ্রেসে ঢোকা সম্ভব হয় নি। অধীর চৌধুরীর আপত্তি ছিল লক্ষণে। তবে শোনা যাচ্ছে নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর অত ছুঁতমার্গ নেই লক্ষণের ব্যাপারে।

আরও পড়ুন: শুধুই হ্যাপি নিউ ইয়ার নয়, ১লা জানুয়ারী ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণের কল্পতরু উৎসবও

সোমেন মিত্রর সঙ্গে ইতিমধ্যেই একাধিকবার বৈঠকও করেছেন লক্ষণবাবু। তবে প্রদেশ কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতৃত্ব লক্ষণ শেঠকে দলে গ্রহণ দেওয়ার সিদ্ধান্তে কড়া আপত্তি জানিয়েছেন। তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাঁরা।

'রাম'কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে 'হাতে' নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা

প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরের খবর, এই আপত্তিকে প্রাথমিকভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরে শীর্ষস্তর থেকে জানানো হয়, পূর্ব মেদিনীপুরে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করানোর লক্ষ্যেই লক্ষণ শেঠকে দলে গ্রহণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিভিন্ন মামলায় ফেঁসে থাকা লক্ষণ শেঠের একটা রাজনৈতিক পরিচয় খুব দরকার। সিপিআইএম থেকে বিতাড়িত, গেরুয়া ছাড়ার পর একটা দলের ঝান্ডা এখনই দরকার লক্ষণের। স্বনামে ও বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক লক্ষণের নাম ও সম্পত্তি বজায় রাখতে রাজ্যের একটা নামি রাজনৈতিক দল দরকার। নাম, প্রতিপত্তি ও সম্পত্তি টিকিয়ে রাখতে রাজনীতির ব্যবসা ছাড়া আর কি আছে?

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা

অন্যদিকে বাংলা কংগ্রেসের টাকার দরকার। লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে, আন্দোলন করতে টাকার দরকার প্রদেশ কংগ্রেসের। অধীর চৌধুরী সভাপতি না থাকায় সেই দিকে একটা সমস্যায় সোমেনের কংগ্রেস। লক্ষণকে দলে নিয়ে তার ‘সাদা বা কালো টাকা’ কিছুটা হলেও পাবে কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে

ফলে লক্ষণ ও কংগ্রেসের একে অপরকে দরকার। তাই লোকসভা ভোটের আগেই লক্ষণকে হাতে চায় সোমেনের কংগ্রেস। রাজ্য সভাপতি হবার পরেই, তৃণমূলকে ছাড়া বাংলায় একা লড়ার কথা জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে বলে এসেছেন সোমেন মিত্র। তৃণমূল ও বিজেপির মত একা করতে চান ব্রিগেড সমাবেশও। আর লড়তে হলে জেলায় লক্ষণের অনুগামীদের পাশাপাশি রাজ্যে লক্ষণের অগাধ টাকার কিছুটা খুব দরকার কংগ্রেসের।

'রাম'কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে 'হাতে' নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম/The News বাংলা

আর তাই, আজ বৃহস্পতিবারই কংগ্রেসে যোগ দেবার কথা ছিল লক্ষণ শেঠের। তবে পূর্ব মেদিনীপুর ও রাজ্যের বিভিন্ন কংগ্রেস নেতাদের আপত্তিতে আপাততঃ সেটা হচ্ছে না। নন্দীগ্রাম গণহত্যার প্রধান অভিযুক্তকে দলে নেওয়ার খবর প্রচার হতেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেওয়া শুরু হয় পূর্ব মেদিনীপুর ও অন্যান্য জেলা এবং কলকাতার সাধারণ মানুষের তরফ থেকেও।

আরও পড়ুনঃ চিন সীমান্তে ভগবান হয়ে পর্যটকদের উদ্ধার ভারতীয় সেনার

তবে এই নিয়ে মুখ খুলতে চান নি অধীর চৌধুরী থেকে সোমেন মিত্র কেউই। কিছু বলতে চান নি লক্ষণ শেঠও। ‘কংগ্রেসের সব সিদ্ধান্ত হাইকমান্ড নেন’ বলেই জানানো হয়েছে। বাংলার কংগ্রেস নেতারা বুঝে গেছেন লক্ষণের টাকার সঙ্গে তার বদনামের ভাগীদারও হতে হবে। সেই তুলনায় তাকে নিয়ে রাজনৈতিক লাভ কতটা হবে, সেই হিসাবই আপাততঃ কষছেন তাঁরা।

সব নিয়ে আপাততঃ ‘লাল’ ও ‘রাম’ ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিচ্ছে না কংগ্রেস। তবে লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসে ঢুকতেই পারেন একসময়ের ‘মেদিনীপুরের সম্রাট’ লক্ষণ শেঠ। প্রাক্তন কমিউনিস্ট নেতা বাম থেকে গেরুয়া হয়ে ডানের হাতে কবে নিজেকে সঁপতে পারেন সেটাই এখন দেখার।

]]>